www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৮ জানুয়ারি, ২০২৪: ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত চার্লস হুইটলি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) সকালে গণভবনে গিয়ে সরকারপ্রধানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিনি।
বৈঠকের পর চার্লস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স বার্তায় বলেন, বৈশ্বিক ও দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার মধ্যে।
হোয়াইটলি’র উদ্ধৃতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি মো.নুরেলাহি মিনা বলেন, “গ্লোবাল গেটওয়ে সুবিধার আওতায় পরিবেশ, সুশাসন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং পরিবহনসহ বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশ বিদ্যমান যে সুবিধা পাচ্ছে তা আগামী দিনে আরও জোরদার হবে।”
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সম্প্রতি বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরাম সম্মেলনে ইইউ বাংলাদেশকে ৪০৭ মিলিয়ন ইউরো দিয়েছে।”
ইইউ রাষ্ট্রদূত অস্ত্র ছাড়া সবকিছু (ইবিএ) সুবিধার আওতায় বাংলাদেশকে দেওয়া সুযোগ-সুবিধা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।
তিনি বাংলাদেশকে জিএসপি প্লাস সুবিধা দেওয়ার ও অঙ্গীকার করেন।
ইইউ রাষ্ট্রদূত প্রতিবন্ধী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে শেখ হাসিনা সরকারের গৃহীত উদ্যোগেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন।
বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী গত ৫০ বছরে তাঁর দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্কের বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
শেখ হাসিনা বলেন, “বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যকার এই সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় উন্নীত হবে।”
প্রধানমন্ত্রী ইবিএ’র অধীনে অব্যাহত সমর্থনের জন্য ইইউকে ধন্যবাদ জানান এবং গ্লোবাল গেটওয়ে কর্মসূচির আওতায় নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে আরো সহযোগিতা কামনা করেন।
অ্যাম্বাসেডর এ্যাট লার্জ মো. জিয়াউদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে, গতকাল বুধবার দুপুরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সঙ্গে বৈঠক করেন ইইউ রাষ্ট্রদূত চার্লস হুইটলি। পরে তিনি সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
সেখানে হুইটলি বলেন, “বৈঠকে ইইউ-বাংলাদেশের সম্পর্ক নিয়ে আমাদের মধ্যে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। আপনারা জানেন, আমাদের অনেকগুলো এজেন্ডা রয়েছে। শিগগির নতুন পার্টনারশিপ কো-অপারেশন অ্যাগ্রিমেন্টে (পিসিএ) সই করতে যাচ্ছি আমরা। এটি অনেক ব্যাপক ও নতুন প্রজন্মের চুক্তি।”
ইইউ রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, “মধ্যপ্রাচ্য ও ইউক্রেন-রাশিয়ার সংঘাতসহ বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও আমাদের কথা হয়েছে। এ বিষয়গুলোকে আমরা অনেক বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। আলোচনায় রোহিঙ্গা সংকটও উঠে এসেছে। এসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিনের সহযোগিতার সম্পর্ক রয়েছে। আগামীতেও বহু বছর ধরে এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করছি।”
হুইটলি বলেন, “আমাদের বৈঠক ছিল খুবই ফলপ্রসূ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ইইউ-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাবে বলে আমি প্রত্যাশা করছি।”
টানা চতুর্থ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর বিভিন্ন দেশের সরকার, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানানো হচ্ছে।










