Category: স্বাস্থ্য

  • দিনাজপুরে সব ধরনের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    দিনাজপুরে সব ধরনের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – স্বাস্থ্য – ১৪ জুলাই, ২০২৪: দিনাজপুরে সব ধরনের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে, বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। তিনি বলেন, “ দিনাজপুরে সব ধরনের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে। চিকিৎসকরা থাকেন না কেন, বা কোন সমস্যা, সেটা আমি দেখব। আমার একটিই নির্দেশ, যখন যেখানে যেই চিকিৎসককে বদলি করা হবে, তাকে সেখানে থাকতে হবে। আমরা কারো সঙ্গে অন্যায় আচরণ করব না। এর জন্য কোনো ছাড় নেই।“

    আজ রবিবার (১৪ জুলাই) দুপুরে দিনাজপুর এম. আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের  এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি পঞ্চগড়ে একটি ক্লিনিকে গিয়েছি। সেই ক্লিনিকটি বন্ধ করে দিয়েছি। যে ক্লিনিকে অনিয়ম দেখা যাবে, সেই ক্লিনিক বন্ধ করে দেওয়া হবে। এ বিষয়ে সব সিভিল সার্জনদের নজর রাখতে বলা হয়েছে। ক্লিনিকগুলোর মধ্যে কোনো ধরনের অনিয়ম দেখা গেলে সিভিল সার্জনদের দায়ী করব আমি।“

    মন্ত্রী আরও বলেন, “দিনাজপুর এম. আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সিটিস্ক্যানসহ বেশ কিছু মেশিন নষ্ট রয়েছে। সেগুলো আমরা দ্রুত ঠিক করার ব্যবস্থা করব। আমি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য চিকিৎসা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কাজ করছি। আমি চাই না, দিনাজপুরের কোনো রোগী ঢাকায় যাক। “

    হাসপাতাল পরিদর্শনকালে জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী দিনাজপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের নতুন ভবন, আঞ্চলিক ডায়াবেটিক হাসপাতাল ও পরমাণু চিকিৎসা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

  • বাংলাদেশের কমিউনিটি ক্লিনিক এখন সারাবিশ্বের মানুষের কাছে সমাদৃত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    বাংলাদেশের কমিউনিটি ক্লিনিক এখন সারাবিশ্বের মানুষের কাছে সমাদৃত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – স্বাস্থ্য – ১৩ জুলাই, ২০২৪: বাংলাদেশের কমিউনিটি ক্লিনিক এখন সারাবিশ্বের মানুষের কাছে সমাদৃত, বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। তিনি বলেন, “বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অত্যন্ত প্রিয় প্রতিষ্টান কমিউনিটি ক্লিনিক। বাংলাদেশের কমিউনিটি ক্লিনিক এখন সারাবিশ্বের মানুষের কাছে সমাদৃত।”

    আজ শনিবার (১৩ জুলাই) সকালে নীলফামারীর সংগলশীতে সঞ্জিব-মালতী কমিউনিটি ক্লিনিক উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    স্বাস্থ্যমন্ত্র বলেন, “আমরা সিজারিয়ান কমানোর জন্য চেষ্টা করছি, গর্ভবতী নারীদের কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে চেকআপ শেষে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কিংবা হাসপাতালে ডেলিভারি করা হলে তাহলে আর সিজারিয়ান করা লাগবে না। ক্লিনিকগুলোকে আরও সচল করার জন্য সরকার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”

    নীলফামারী-৪ ( সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব জাহাঙ্গীর আলম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ফারুক আল মাসুদ, পুলিশ সুপার মোকবুল হোসেন, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি দেওয়ান কামাল আহমেদ, সংগলশী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান টিকেন্দ্রজীৎ রায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

    সংগলশী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান টিকেন্দ্রজীৎ রায় স্বগীয় পিতা-মাতার নামে ক্লিনিকের নামকরণ করা হয়েছে। এর আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছালে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।

  • সিজারের সংখ্যা যত কমিয়ে নিয়ে আসতে পারব ততই মঙ্গল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    সিজারের সংখ্যা যত কমিয়ে নিয়ে আসতে পারব ততই মঙ্গল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – স্বাস্থ্য – ১১ জুলাই, ২০২৪: সিজারের সংখ্যা যত কমিয়ে নিয়ে আসতে পারব ততই মঙ্গল, বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।  তিনি বলেন, “আমরা সিজারের সংখ্যা কমিয়ে আনতে চাই, সিজারের সংখ্যা যত কমিয়ে নিয়ে আসতে পারব ততই মঙ্গল।”

    বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সকালে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কনভেনশন হলে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৪ উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত উদ্বোধনী ও আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    সাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “আপনারা যারা গ্রাম পর্যায়ে কাজ করেন তাদের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ আপনারা মানুষেদের, গর্ভবতী মায়েদের বোঝান তারা যাতে ঠিকমতো চেক আপ করেন। নিয়মিত ও সময়মতো যাতে কমিউনিটি ক্লিনিক, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গর্ভবতী মায়েরা স্বাস্থ্যপরীক্ষা করায়। আমরা সিজারের সংখ্যা কমিয়ে আনতে চাই। সিজারের সংখ্যা যত কমিয়ে নিয়ে আসতে পারব ততই মঙ্গল।”

    তিনি আরও আরো বলেন, “প্রত্যেকটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে সবার আগে আমি যেটা দেখি সেটা হচ্ছে এএনসি কর্নার। আমি খোঁজ নিয়ে দেখি গর্ভবতী মায়েরা কয়টা করে চেকআপ করছেন, কোথায় ইন্সটিটিউশনাল ডেলিভারি হচ্ছে, কোথায় সিজারিয়ান বেশি হচ্ছে। অনেক জায়গায় বলেন আগে সিজার হয়েছে তাই সিজার করতে হবে। সেটা কোনো উত্তর হতে পারে না। আগে কেন হলো সেটার কারণ খুঁজে বের করতে হবে। আমরা যদি মূল কারণ খুঁজে বের করে একেবারে গোড়া থেকে কাজ করি তাহলে সিজারের সংখ্যা অবশ্যই কমিয়ে নিয়ে আসতে পারব।”

    আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো: আজিজুর রহমান, ইউএনএফপিএ বাংলাদেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিভাবেন্দ্র সিং রঘুবংশী, পরিবার কল্যাণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আ ন ম আল ফিরোজ প্রমুখ।

  • পিতামাতাকে সম্মান করলে জীবনে সাফল্য অর্জন করবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    পিতামাতাকে সম্মান করলে জীবনে সাফল্য অর্জন করবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – স্বাস্থ্য – ৮ জুলাই, ২০২৪: পিতামাতাকে সম্মান করলে জীবনে সাফল্য অর্জন করবে, বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। তিনি বলেন, অ্যাপ্রোনের মর্যাদাটা তোমাদের ধরে রাখতে হবে। তোমাদের যথাযথভাবে পড়াশোনা করে নিজেদের দক্ষ ও যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে। পিতামাতাকে সম্মান করতে হবে। পিতামাতাকে সম্মান করলে জীবনে সাফল্য অর্জন করবে।

    আজ সোমবার (৮ জুলাই) স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শন শেষে এমবিবিএস প্রথম বর্ষ এবং পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি একথা বলেন।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “তোমাদের থাকার এবং বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার অপ্রতুলতা রয়েছে। আমি রাতারাতি হয়ত পারব না। কিন্তু আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব তোমাদের সুযোগ সুবিধা বাড়াতে। তোমাদের ভালোভাবে রাখতে।”

    তিনি বলেন, “তোমরা এই দেশের ভবিষ্যৎ। আমি আশা করব তোমরা ভালোমতো পড়াশোনা করে দেশের উপকার করবে। আমি বলব তোমরা অনেক ভাগ্যবান। চিকিৎসকদের অ্যাপ্রোন পরার যে সৌভাগ্য সেটা সবার হয় না।”

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি নিয়মিতভাবেই বিভিন্ন হাসপাতাল ক্লিনিক স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করব। আমার কাজ হচ্ছে রোগীরা স্বাস্থ্যসেবা ঠিকমতো পাচ্ছে না, ডাক্তাররা কর্মউপযুক্ত পরিবেশে কাজ করতে পারছে কিনা সেটা দেখা। রোগী এবং ডাক্তার উভয়েকেই সুরক্ষা দেওয়া আমার দায়িত্ব। এজন্য স্বাস্থ্যসুরক্ষা আইন নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।”

    এর আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। তিনি সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের অবকাঠামো পরিদর্শন করেন এবং এমবিবিএস প্রথম বর্ষ এবং পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য দেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী এরপর হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগ, এমআরআই, আইসিইউ, পেডিয়াট্রিক্স আইসিইউ বিভাগ, সার্জারি বিভাগসহ বিভিন্ন বিভাগ পরিদর্শন করেন।

    এসময় স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. টিটু মিয়া, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতাল পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো. মাজহারুল ইসলাম খান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসানসহ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালের বিভাগীয় প্রধান এবং স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • চমেক হাসপাতালে স্থাপন করা হচ্ছে বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    চমেক হাসপাতালে স্থাপন করা হচ্ছে বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – স্বাস্থ্য – ৬ জুলাই, ২০২৪: চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) স্থাপন করা হচ্ছে বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট, বলে জানয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। তিনি বলেন, “এটি প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্প। প্রকল্পটি নিয়ে কয়েকদিন আগেও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে। চীন সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী এই মাসেই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে পারেন। সেপ্টেম্বরে নির্মাণকাজ শুরু হবে। দুই বছরের মধ্যেই কাজ শেষ করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।”

    আজ শনিবার (৬ জুলাই) প্রস্তাবিত হাসপাতালের গোয়াছিবাগান এলাকা পরিদর্শনে এসে এমন তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

    জানা গেছে, ১৫০ শয্যার বিশেষায়িত বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটটি নির্মাণে ব্যয় হবে ২৮৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে চীন সরকার অনুদান হিসেবে দেবে ১৮০ কোটি টাকা। বাকি ১০৫ কোটি টাকা দেবে বাংলাদেশ সরকার। গত ৯ মে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন পায়।

    এ ইউনিটের মধ্যে থাকছে শিশুদের জন্য ৫টিসহ মোট ২০টি বার্ন আইসিইউ বেড, ২৫টি এইচডিইউ বেড এবং ৩টি অত্যাধুনিক অপারেশন থিয়েটার। রোগী আসা-যাওয়ার সুবিধার জন্য থাকবে তিনটি রাস্তা।

    ছয়তলা বিশিষ্ট এই হাসপাতালের ইউনিটটির প্রথম তলায় থাকবে ইমার্জেন্সি ওয়ার্ড এবং ওপিডি। দ্বিতীয় তলায় তিনটি অপারেশন থিয়েটার (ওটি), নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ), তৃতীয় তলায় হাইডিপেন্সি ইউনিট (এইচডিইউ), চতুর্থ এবং পঞ্চমতলায় থাকবে সাধারণ ওয়ার্ড, ষষ্ঠতলায় ওয়ার্ডের সঙ্গে থাকবে অফিস।

  • স্মার্ট শিশু গড়তে পারলে ‘ভিশন ২০৪১’ স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    স্মার্ট শিশু গড়তে পারলে ‘ভিশন ২০৪১’ স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – স্বাস্থ্য – ৪ জুলাই, ২০২৪: স্মার্ট শিশু গড়তে পারলে ‘ভিশন ২০৪১’ স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে, বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। তিনি বলেন, “আমাদের প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ একটি প্রতিশ্রুতি যা ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তর করার পরিকল্পনা। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে আমাদের গড়ে তুলতে হবে স্মার্ট শিশু যাদের জ্ঞান, বুদ্ধি এবং উদ্ভাবনী দক্ষতা আমাদের স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের মাধ্যমে ‘ভিশন ২০৪১’ স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করবে।

    আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) সকালে ঢাকার মহাখালীতে আইসিডিডিআর,বি সাসাকাওয়া অডিটোরিয়ামে আইসিডিডিআর,বি কর্তৃক আয়োজিত ‘বাংলাদেশে শিশুর প্রারম্ভিক বিকাশ কর্মসূচি’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “আইসিডিডিআর,বি আন্তর্জাতিক চিকিৎসা সংক্রান্ত এমন একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান যা দেশের চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনায় বিশেষ অবদান রেখে চলেছে। বিশ্বের বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থা, গবেষণা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে সংযুক্ত হয়ে আইসিডিডিআর,বি গবেষণা, প্রশিক্ষণ, প্রকল্প বাস্তবায়ন ও অভিজ্ঞতা বিনিময় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ সরকার, আইসিডিডিআর,বি এর চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট ইউনিট এবং উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার সঙ্গে একত্রিত হয়ে শিশুর প্রারম্ভিক বিকাশের বিষয়টিকে ত্বরান্বিত করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।”

    তিনি আরও বলেন, “আমি গতকাল প্রধানমন্ত্রীকে বলছিলাম, আমি শুধু সোমবার আর মঙ্গলবার ঢাকা থাকবো আর বাকি কয়দিন সারা দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা পরিদর্শন করব। আমি যদি উপজেলা, জেলা কমিউনিটি ক্লিনিক, হাসপাতাল এগুলোকে উন্নত করতে পারি, আমার রোগীর ওখানে যথাযথ চিকিৎসা হয় তাহলে ঢাকা শহরে রোগীদের ভীড় হবে না। আমরা সাধারণ মানুষের যাতে উপকার হয় সেই লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। আইসিডিডিআর,বি তার জলন্ত প্রমাণ। তারা প্রশংসনীয়ভাবে গ্রামে-গঞ্জে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছে।”

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “শিশুদের বিকাশ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরো সুন্দর করে আমরা যদি তাদেরকে যথাযথভাবে গড়ে তুলতে পারি তাহলে আমাদের দেশ এগিয়ে যাবে। আমরা এগিয়ে যাবো।”

    সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন আইসিডিডিআর,বির প্রধান নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদের। সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম প্রমুখ।

  • ভেজাল ওষুধের অব্যাহত ঝুঁকি আমাদের জন্য বিরাট চ্যালেঞ্জ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    ভেজাল ওষুধের অব্যাহত ঝুঁকি আমাদের জন্য বিরাট চ্যালেঞ্জ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – স্বাস্থ্য – ৩ জুলাই, ২০২৪: ভেজাল ওষুধের অব্যাহত ঝুঁকি আমাদের জন্য বিরাট চ্যালেঞ্জ, বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। তিনি বলেন, “সাউথ ইস্ট এশিয়া রেগুলেটরি নেটওয়ার্কের সমাবেশে বক্তব্য দেওয়াটা আমার জন্য সম্মানের বিষয়। সদস্য রাষ্ট্রগুলোর এ সমাবেশ আমাদের জন্য একত্র হয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং আমাদের অঞ্চলে ওষুধের অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণকে শক্তিশালী করার জন্য একটি মূল্যবান সুযোগ তৈরি করেছে। আমরা সবাই জানি যে ওষুধের নিরাপত্তা কার্যকারিতা এবং গুণমান নিশ্চিত করা আমাদের জনগণের স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ।নিম্নমানের এবং ভেজাল ওষুধের অব্যাহত ঝুঁকি আমাদের জন্য বিরাট একটি চ্যালেঞ্জ।

    আজ বুধবার (৩ জুলাই) সকালে ঢাকায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে সাউথ ইস্ট এশিয়া রেগুলেটরি নেটওয়ার্কের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বার্ষিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “সাউথ ইস্ট এশিয়া রেগুলেটরি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে একসঙ্গে কাজ করে আমরা এ চ্যালেঞ্জগুলোকে কার্যকরভাবে মোকাবিলা করার জন্য আমাদের যৌথ দক্ষতা, সম্পদ এবং অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে পারি। তথ্য আদান-প্রদান, সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ এবং পারস্পরিক সহায়তার মাধ্যমে আমরা স্বাস্থ্যসেবার এ উদীয়মান হুমকিগুলো মোকাবিলা করার মতো সক্ষমতা অর্জন করতে পারব বলে আমার বিশ্বাস।”

    ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ ইউসুফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. আহমেদুল কবীর।

    সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড এবং তিমুর-লেস্তের প্রতিনিধি ও পর্যবেক্ষকরা সভায় অংশগ্রহণ করেন।

    জি-ব্রেইনের বৈশিষ্ট্য ও আর্কিটেকচার উপাস্থাপন করেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টি কাজী জামিল আজহার। তিনি জানান, “এআই অনেকটাই মানুষের মস্তিষ্কের মতো কাজ করে। মানুষের ব্রেইন যেভাবে চিন্তা করে, এটাও একইভাবে চিন্তা করতে সক্ষম।”

    কাজী জামিল আজহার আরও বলেন, “কি-ওয়ার্ড সার্চের ক্ষেত্রে ‘ভেক্টর বেইজড’বড় ইস্যু। তাই এআই মানুষের মতো ডিটারমেনিক নয়। তার ফলাফল সবসময় একই থাকবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকা ডাটা সেন্টার থেকে তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে এআই সেবা পেতে তাদের ডাটার বিপরীতে অর্থ পাঠিয়ে ফলাফল পেতে হয়। এজন্য জাতীয়ভাবে নিজস্ব এআই থাকা দরকার। এতে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।”

    ওরিয়ন ইনফরমেটিকস চেয়ারম্যান স্থপতি ইকবাল হাবিব বলেন, “সারা বিশ্ব যখন এআই-কেন্দ্রিক প্রস্তুতি নিচ্ছে, বাংলাদেশও তখন থেমে থাকবে না এটা স্বাভাবিক। আমরাও এআই ব্যবহারে এগিয়ে থাকতে চাই। পরিবর্তনের সময় নিজেদের বদলাতে না পারলে ছিটকে পড়তে হবে। এক্ষেত্রে তিনটি জিপিটি তৈরির মাধ্যমে আমরা প্রমাণ করেছি চ্যাটজিপিটির দিকে চেয়ে আমরা বসে থাকবো না।”

    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কম্পিটার কাউন্সিলের (বিসিসি) নির্বাহী পরিচালক রনজিৎ কুমার, আইসিটি বিভাগের সচিব সামসুল আরেফিন, আইডিয়া প্রকল্প পরিচালক আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।

  • স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি সমন্বয়ের মাধ্যমে ভালো ফল আসবে: স্বাস্থ্য মন্ত্রী

    স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি সমন্বয়ের মাধ্যমে ভালো ফল আসবে: স্বাস্থ্য মন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – স্বাস্থ্য – ২৯ জুন, ২০২৪: স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি সমন্বয়ের মাধ্যমে ভালো ফল আসবে, বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। তিনি বলেন, “সব সরকারি হাসপাতালের উদ্দেশ্য হচ্ছে সেবা দেওয়া। আর সরকারি হাসপাতালে সবকিছু বিনামূল্যেই হবে। আমার মনে হয় স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচিতে সমন্বয়ের দরকার। আমরা যদি একই লক্ষ্য নিয়ে বিভিন্নজন বিভিন্ন দিক থেকে কাজ করি তাহলে ফলাফল ভালো হয় না।”

    আজ শনিবার (২৯ জুন) দুপুরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট কর্তৃক আয়োজিত স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি (এসএসকে) সেবা উদ্বোধনী কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    স্বাস্থ্য মন্ত্রী  বলেন, “আপনারা প্রান্তিক পর্যায়ে জনগোষ্ঠীকে সেবা দেন। এক্ষেত্রে আপনারা যদি জেলা-উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালের সঙ্গে সমন্বয় করে কার কি লাগবে এটার ভিত্তিতে কাজ করেন। সেটা অধিকতর ফলপ্রসূ হবে বলে আমার বিশ্বাস।”

    সভাপতির বক্তব্যে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “এসএসকের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত সরকারি হাসপাতাল যেসব সুযোগ-সুবিধা নাই সেগুলো পূরণ করা। এক্ষেত্রে আগামী অর্থবছর থেকে আলাপ আলোচনা করে আয়ুষ্মান ভারতের আদলে এ কর্মসূচিকে তিনি এগিয়ে নেওয়ার কথা বলেন।”

    কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি উদ্বোধনসহ সর্বমোট আটটি থানা উপজেলায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন এসএসকে সেবা ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন করেন। স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র পরিবার বিনামূল্যে ১১০টি রোগের চিকিৎসাসহ সামাজিক বিমার আওতায় আর্থিক সুবিধার ব্যবস্থা রয়েছে।

    স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা।

    এর আগে সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন। তিনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগ, ইনডোর বিভাগ, আউটডোর বিভাগ, এনসিডিসি কর্নারসহ বিভিন্ন বিভাগ পরিদর্শন করেন এবং হাসপাতালের ডাক্তার, রোগীদের সঙ্গে চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেন।

    এরপর স্বাস্থ্যমন্ত্রী যাচাই করে দেখেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাসেলস ভাইপারের অ্যান্টিভেনম ঠিকমতো  সংরক্ষণ করা হচ্ছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী এরপর রূপগঞ্জ উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের জিন্দা কমিউনিটি ক্লিনিক পরিদর্শন করেন। তিনি কমিউনিটি ক্লিনিকের প্রসবপূর্ব ও প্রসবপরবর্তী পরিচর্যা এবং নবজাতকের স্বাস্থ্য সেবা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

  • শুরুর স্টেজে ব্রেস্ট ক্যান্সার শনাক্ত করা গেলে যথাযথ চিকিৎসা করা যায়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    শুরুর স্টেজে ব্রেস্ট ক্যান্সার শনাক্ত করা গেলে যথাযথ চিকিৎসা করা যায়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – স্বাস্থ্য – ২৬ জুন, ২০২৪: শুরুর স্টেজে ব্রেস্ট ক্যান্সার শনাক্ত করা গেলে যথাযথ চিকিৎসা করা যায়, বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। তিনি বলেন, “আমার খুবই কষ্ট লাগে যখন গ্রাম থেকে মায়েরা আসেন ব্রেস্ট ক্যান্সার নিয়ে। তারা এত দেরিতে আসেন তখন তাদের অপেক্ষা করা ছাড়া আর কিছুই করার থাকে না। এজন্য যত দ্রুত সম্ভব ব্রেস্ট ক্যান্সার শনাক্তকরণ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শুরুর স্টেজে এটা শনাক্ত করা গেলে যথাযথ চিকিৎসা করা যায়।”

    আাজ বুধবার (২৬ জুন) সকালে রাজধানীর হাজারীবাগে শহীদ শামসুননেছা আরজু মনি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র ১০ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ উপলক্ষে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “একটা ব্যাপার আমাদের দেশে কমন যা সাধারণ মায়েরা অবহেলা করে। সেটা হচ্ছে ব্রেস্ট ক্যান্সার। আপনাদের কাছে যখন রোগী আসবে তখন আপনারা খেয়াল করবেন ব্রেস্টে কোন লাম্প আছে কিনা। আপনারা যদি সেরকম কোনো রোগী পান তাহলে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠাবেন। সেখানে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতিসহ ব্রেস্ট স্ক্রিনিং এর সেরা ফ্যাসিলিটি আছে। আপনারা যদি এরকম ১০ জন, ১৫ জন করে রোগী পাঠান আমরা বিনামূল্যে সব রকমের টেস্ট করে তাদের চিকিৎসা করব।”

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন শহীদ শামসুননেছা আরজু মনি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রকে আরও উন্নতমানের স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, “শেখ পরিবারের সঙ্গে আমার আত্মিক সম্পর্ক। মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, লেখক, সাংবাদিক ও যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ শেখ ফজলুল হক মণির সহধর্মিণী একজন মহীয়সী নারীর নামে প্রতিষ্ঠিত এ কল্যাণ কেন্দ্রের উন্নয়নে যা যা করা দরকার সবই আমি করব। দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে আরও উন্নত পর্যায়ে নিয়ে যেতে মা ও শিশু স্বাস্থ্যের উন্নতির কোনো বিকল্প নেই।”

    স্বাস্থ্য শিক্ষা সচিব মো. আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা এবং ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ফেরদৌস আহমেদ।

  • তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করা প্রয়োজন: ডা. আব্দুল্লাহ

    তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করা প্রয়োজন: ডা. আব্দুল্লাহ

    www.HelloBangla.News – স্বাস্থ্য – ২৫ জুন, ২০২৪: তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করা প্রয়োজন, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ইমেরিটাস অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন, “তামাক কোম্পানিগুলো সরকারকে প্রতিবছর যে পরিমাণ ট্যাক্স দেয়, তার থেকে কয়েকগুণ বেশি তামাকজনিত চিকিৎসায় ব্যয় হয়। তরুণদের তামাকের প্রতি আসক্ত করতে সিগারেট কোম্পানি চালাকি করে সিঙ্গেল স্টিক সিগারেট বিক্রি করছে। যাতে সহজেই তরুণরা সিগারেট কিনতে পারে। তরুণদের আসক্ত করতে পারলে তারা অনেকদিন ব্যবসা করতে পারবে। তাই বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করা প্রয়োজন।”

    আজ মঙ্গলবার (২৫ জুন) সকালে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে হাসপাতালটির সভাকক্ষে ‘বাংলাদেশে তামাক নিয়ন্ত্রণে চিকিৎসকদের অংশগ্রহণ: সফলতা ও ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেন, “তামাকের মধ্যে ভালো কিছুই নাই। এর সবটাই খারাপ। মানুষের মাথা থেকে পা পর্যন্ত শরীরের ব্রেন, কিডনি, হার্ট, চোখ, লিভার তামাকের কারণে প্রতিটা অঙ্গ প্রত্যঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রায় ২০ রকমের ক্যানসার তামাক ব্যবহারের ফলেই হয়। তামাকের মধ্যে প্রায় সাত হাজার কেমিক্যাল রয়েছে। এর মধ্যে ৬০ থেকে ৭০টি উপাদন সরাসরি ক্যানসারের জন্য দায়ী। সুতরাং তামাকের মধ্যে ভালো কিছুই নাই।”

    সেমিনারে তিনি বলেন, “বিদ্যমান তামাক আইন সংশোধনের ব্যাপারে আমি নিজে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি আইন সংশোধনের ব্যাপারে আগ্রহী। আমি ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রীকে তামাক আইন সংশোধনের ব্যাপারে আবারও বলব।”

    ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক খন্দকার আব্দুল আউয়াল রিজভীর সভাপতিত্বে সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন মহাসচিব অধ্যাপক ফজিলা-তুন-নেসা মালিক।

    সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী।

    ডা. রেজা চৌধুরী বলেন, “দেশে তিন কোটি ৭৮ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক ব্যবহার করেন। কর্মক্ষেত্রসহ পাবলিক প্লেস ও গণপরিবহনে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হন তিন কোটি ৮৪ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ। একই সঙ্গে তামাকজনিত বিভিন্ন রোগে প্রতিবছর প্রায় এক লাখ ৬১ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। এর কারণ বাংলাদেশ ধূমপানমুক্ত পরিবেশ এবং তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন ও প্রণোদনা নিষিদ্ধ করার ক্ষেত্রে এখনও সর্বোত্তম মান অর্জন করতে পারেনি বাংলাদেশ।”

    বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) মহাসচিব ডা. এহতেশামুল হক চৌধুরী দুলাল বলেন, “জনস্বাস্থ্য রক্ষায় চিকিৎসকরা তামাক নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন। দেশের মানুষদের তামাকের ভয়াবহতা সম্পর্কে সচেতন করতে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করছে বিএমএ।”

    ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক খন্দকার আব্দুল আউয়াল রিজভী বলেন, “তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহারের কারণে দেশে অসংক্রামক রোগ যেমন, হৃদরোগ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস, ক্যানসার ও শ্বাসতন্ত্রের দীর্ঘমেয়াদি রোগ বাড়ছে। বর্তমানে দেশে মোট মৃত্যুর ৬৭ শতাংশই অসংক্রামক রোগের কারণে ঘটছে। আর এ অসংক্রামক রোগ সৃষ্টির অন্যতম কারণ ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার। তাই এ অকাল মৃত্যু ঠেকাতে অবিলম্বে বিদ্যমান আইনটি সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।”

    সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন সিটিএফকে’র দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক ডা. মাহিন মালিক, যুক্তরাষ্ট্রের গ্লোবাল টোব্যাকো ব্রাঞ্চের প্রধান ড. ইন্দু আহলুওয়ালিয়া, কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতাল ও রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আর রশিদ, বাংলাদেশ ক্যানসার সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক গোলাম মহিউদ্দিন ফারুক, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. তারেক মেহেদী পারভেজ, বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি রাশেদ রাব্বি, সন্ধানী, প্ল্যাটফর্ম অব ডেন্টাল অ্যান্ড মেডিকেল সোসাইটির প্রতিনিধিসহ গণমাধ্যমকর্মীরা।