Category: বিনোদন

  • সংগীতশিল্পী জুয়েল মারা গেছেন

    সংগীতশিল্পী জুয়েল মারা গেছেন

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৩০ জুলাই, ২০২৪: সংগীতশিল্পী হাসান আবিদুর রেজা জুয়েল মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) বেলা ১১টা ৫৩ মিনিটে, রাজধানীর এক বেসরকারি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

    ‘সেদিনের এক বিকেলে’-খ্যাত সংগীতশিল্পী হাসান আবিদুর রেজা জুয়েল লিভার ক্যানসার ধরা পড়ে ২০১১ সালে । এরপর ফুসফুস এবং হাড়েও সেটি ক্রমশ সংক্রমিত হয়। মাঝে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে এই শিল্পী ক্যানসারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে গেছেন দেশ ও বিদেশের চিকিৎসা সহযোগিতায়। অবস্থার খুব অবনতি হলে চলতি মাসের ২৩ জুলাই রাত থেকে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। আজ ৩০ জুলাই সকালে ক্যানসারের কাছে হার মানলেন এই শিল্পী।

    জুয়েলের এমন অকাল প্রস্থানে শোক নেমে এসেছে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে।

    ৯০ দশকের জমজমাট অডিও ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম চমক হিসেবে ধরা দিয়েছেন হাসান আবিদুর রেজা জুয়েল। আইয়ুব বাচ্চুর সুরে প্রথম অ্যালবাম ‘কুয়াশা প্রহর’ প্রকাশ হয় ১৯৯৩ সালে। প্রথম অ্যালবামেই বাজিমাত করেন জুয়েল।

    এরপর একে একে প্রকাশিত হয় ‘এক বিকেলে’ (১৯৯৪), ‘আমার আছে অন্ধকার’ (১৯৯৫), ‘একটা মানুষ’ (১৯৯৬), ‘দেখা হবে না’ (১৯৯৭), ‘বেশি কিছু নয়’ (১৯৯৮), ‘বেদনা শুধুই বেদনা’ (১৯৯৯), ‘ফিরতি পথে’ (২০০৩), ‘দরজা খোলা বাড়ি’ (২০০৯) এবং ‘এমন কেন হলো’ (২০১৭)। এছাড়াও বেশ কিছু সিঙ্গেল ও মিশ্র অ্যালবামে গেয়েছেন জুয়েল।

    সংগীতশিল্পী হিসেবে তিনি সর্বাধিক পরিচিত হলেও তার আরও একটি বড় পরিচয় টেলিভিশন অনুষ্ঠান ও তথ্যচিত্র নির্মাতা হিসেবে। পাশাপাশি সঞ্চালনাও করেছেন অনেক অনুষ্ঠানে।তিনি ভালো একজন সংগঠকও। ২০২১ সালে গঠিত সংগীতের তিন সংগঠন নিয়ে ‘সংগীত ঐক্য’ বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সচিবের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

  • সংগীতশিল্পী শাফিন আহমেদ মারা গেছেন

    সংগীতশিল্পী শাফিন আহমেদ মারা গেছেন

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২৫ জুলাই, ২০২৪: জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী শাফিন আহমেদ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বাংলাদেশ সময় আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) সকাল ৬-৫০ মিনিটে ভার্জিনিয়ার একটি হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন এ সংগীতশিল্পীর ভাই হামিন আহমেদ।

    জানা গেছে, শাফিনের ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল। ২০ জুলাই তার একটা কনসার্ট ছিল ভার্জিনিয়াতে। শোয়ের আগে অসুস্থ হয়ে পড়েন শাফিন। শো’টা ক্যানসেল করেন। সেদিনই তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর তার নানা অর্গান অকার্যকর হতে থাকলে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। এরপর আজ সাকলে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

    শাফিন আহমেদ মাইলস ব্যান্ডের বেজ গিটারিস্ট, সুরকার এবং প্রধান গায়ক। ব্যান্ডের বাইরে তিনি সলো ক্যারিয়ারে সুনাম অর্জন করেছেন। এছাড়াও বেশকিছু সলো কিংবা মিক্সড অ্যালবামে এই শিল্পীর গান রয়েছে। শাফিনের মা সঙ্গীত শিল্পী ফিরোজা বেগম এবং বাবা সুরকার কমল দাশগুপ্ত।

    এই পরিবারে জন্ম নেওয়ার কারণে ছোট বেলা থেকেই শাফিন গানের ভেতরেই বড় হয়। বাবার কাছে মাঝে মাঝে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত শিখেছেন আর মার কাছে শিখেছেন নজরুলগীতি।

    এরপর বড়ভাই হামিন আহমেদ-সহ ইংল্যান্ডে পড়াশোনার সুবাদে পাশ্চাত্য সংগীতের সংস্পর্শে এসে ব্যান্ড সঙ্গীত শুরু করেন এবং মাইলস ব্যান্ড গড়ে তোলেন যা পরবর্তিতে বাংলাদেশের অগ্রগামী ব্যান্ডদলসমুহের মধ্যে অন্যতম হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। তিনি সেইসময় প্রচারিত বিটিভির নিয়মিত মাইলসকে নিয়ে করা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতেন।

    ফরিদ রশিদের হাত ধরে ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ব্যান্ড দল ‘মাইলস’। দলটির প্রথম বাংলা গানের অ্যালবাম ‘প্রতিশ্রুতি’ প্রকাশ হয় ১৯৯১ সালে। তার আগে প্রকাশিত হয় দু’টি ইংরেজি গানের অ্যালবাম ‘মাইলস’ ও ‘এ স্টেপ ফারদার’। মাইলসের জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে রয়েছে- ‘চাঁদ তারা সূর্য’, ‘প্রথম প্রেমের মতো’, ‘গুঞ্জন শুনি’, ‘সে কোন দরদিয়া’, ‘ফিরিয়ে দাও’, ‘ধিকি ধিকি’, ‘পাহাড়ি মেয়ে’, ‘নীলা’, ‘কি যাদু’, ‘কতকাল খুঁজব তোমায়’, ‘হৃদয়হীনা’, ‘স্বপ্নভঙ্গ’, ‘জ্বালা জ্বালা’, ‘শেষ ঠিকানা’, ‘পিয়াসী মন’, ‘বলব না তোমাকে’, ‘জাতীয় সংগীতের দ্বিতীয় লাইন’ ও ‘প্রিয়তমা মেঘ’।

    শাফিন আহমেদের জন্ম ১৯৬১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর। এ সংগীতশিল্পীর জনপ্রিয় কিছু গানের মধ্যে চাঁদ তারা সূর্য, জ্বালা জ্বালা, ফিরিয়ে দাও ও ফিরে এলেনা অন্যতম।

  • ‘লিটল ম্যাগাজিন সম্মাননা’ পেলেন ৬ সম্পাদক এবং ৩ বিশিষ্টজন

    ‘লিটল ম্যাগাজিন সম্মাননা’ পেলেন ৬ সম্পাদক এবং ৩ বিশিষ্টজন

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১১ জুলাই, ২০২৪: ২০২২ সাল থেকে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি দেশে বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত ছোটকাগজ নিয়ে প্রদর্শনী আয়োজন ও গুরুত্বপূর্ণ ছোটকাগজকে সম্মাননা প্রদান করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় সাম্প্রতিকালে ছোটকাগজ চর্চায় তাৎপর্যপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরুপ ৬ জন লিটল ম‌্যাগাজিন সম্পাদককে সম্মাননা প্রদান করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। তারা হলেন- ছোট কাগজ ‘চর্যাপদ’ এর সম্পাদক আযাদ নোমান, “লোক” এর সম্পাদক অনিকেত শামীম, “ঘুংঘুর” এর সম্পাদক হুমায়ুন কবির, “জলধি” এর সম্পাদক নাহিদা আশরাফি, “বুনন” এর সম্পাদক খালেদ উদ-দীন, “হাওরকন্ঠ” এর সম্পাদক আহমেদ মঞ্জুরুল হক চৌধুরী।

    এছাড়া, স্বাধীনতা পরবর্তীকালে ছোট কাগজ সম্পাদনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরুপ বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয় ৩ জনকে। বিশেষ সম্মাননাপ্রাপ্ত গুণীজন হলেন- “লোকায়ত” এর সম্পাদক অধ‌্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক, বিশিষ্ট লেখক ও প্রাবন্ধিক, “গণসাহিত‌্য” এর সম্পাদক মফিদুল হক, বিশিষ্ট লেখক এবং ট্রাস্টি মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর এবং “ত্রৈমাসিক পত্রিকা” এর সম্পাদক প্রয়াত মীজানুর রহমান এর পক্ষে সম্মাননা গ্রহণ করেন তাঁর সহধর্মীনী নূরজাহান বেগম।

    6 editors and 3 dignitaries honored - Entertainment - 11 July 2024 (2)

    গতকাল ১০ জুলাই ২০২৪ বুধবার বিকালে শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় এই ‘লিটল ম্যাগাজিন প্রদর্শনী ও সম্মাননা ২০২৪’ এর। অনুষ্ঠানের শুরুতে লিটল ম‌্যাগাজিন প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়।

    সম্মাননা প্রদান ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট লেখক, অনুবাদক এবং সম্পাদক ‘শিল্পকলা’ অধ্যাপক আবদুস সেলিম। আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সচিব সালাহউদ্দিন আহাম্মদ এবং সভাপতিত্ব করেন একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী।

    আলোচনায় বিভিন্ন সময় ছোট কাগজগুলোর প্রকাশনা চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে যে ধরনের সঙ্কটগুলো তৈরী হয় তা তুলে ধরেন আলোচকরা। তারা বলেন, “শিল্প-সাহিত্য চর্চার বিকাশে লিটল ম্যাগাজিন তথা ছোটকাগজ চর্চা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এলেও বিভিন্ন বইমেলা আয়োজনে ছোট কাগজকে তেমন গুরুত্বের চোখে দেখেন না আয়োজকরা”।

    অনুষ্ঠানের সভাপতির বক্তব‌্যে একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী বলেন, “আমরা শিল্পকলা একাডেমি থেকে প্রত‌্যেক জেলায় ১০ হাজার করে টাকা পাঠিয়েছি, যাতে ওইসব জেলা বা উপজেলায় যারা লেখালেখি করেন তাদের বই কিনে লাইব্রেরিতে সংরক্ষণের ব‌্যবস্থা করা হয়। সুতরাং যারা জেলা উপজেলা পর্যায়েও লেখালেখির মধ‌্যে আছেন তাদের বই ক্রয় করা আমরা শুরু করেছি। এছাড়া জেলা থেকে লিটল ম‌্যাগাজিন বের করার ক্ষেত্রেও আমরা অর্থায়ন করে থাকি।”

    বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ করে তিনি আরো বলেন, “সোনার বাংলা গড়তে হলে সোনার মানুষ চাই। সোনার মানুষ বলতে তিনি যা বুঝিয়েছেন আসলে দেশকে যারা ভালোবাসে, নিষ্ঠাবান, সৃজনশীল, চৌকস সবকিছু মিলিয়ে তিনি বলেছেন সোনার মানুষ তারাই হবে যারা শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতিতে ভুমিকা রাখে, আর সেই চেষ্টাটাই আমরা করে যাচ্ছি’।পরে পুরস্কারপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানান তিনি।

    সম্মাননাপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পক্ষ থেকে ৫০ হাজার টাকা মুল্যমানের চেক, সনদপত্র, উত্তরীয় ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।পুরস্কার গ্রহণ শেষে পরিবেশিত হয় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নৃত‌্য নির্মিতি বিপুল তরঙ্গ রে।

    জাতীয় চিত্রশালার ৫নং গ্যালারিতে ১০ থেকে ১৬ জুলাই ২০২৪ পর্যন্ত সপ্তাহব্যাপী প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে প্রদর্শনী। অনুষ্ঠান ও প্রদর্শনী সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

  • লোক নাট্যদলের আয়োজনে গুণীজন সম্মাননা পেলেন ৬ নাট্যজন

    লোক নাট্যদলের আয়োজনে গুণীজন সম্মাননা পেলেন ৬ নাট্যজন

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৭ জুলাই, ২০২৪: লোক নাট্যদলের আয়োজনে সদ্য সন্ধ্যায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় ‘লোক নাট্যদল পদক ২০২১-২২’ অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়েছে। আড়ম্বর এ অনুষ্ঠানে দেশের ৬ গুণী নাট্যজনকে সম্মাননা জানানো হয়। প্রয়াত ড. ইনামুল হক, এস এম মহসীন, আরহাম আলো, শাহাদাৱ হোসেন খান হীলু, সৈয়দ দুলাল এবং কঙ্কন দাশকে এ সম্মাননা জানানো হয়েছে।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব খলিল আহমদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব একুশে পদক এবং স্বাধীনতা পদকে ভূষিত মঞ্চসারথী আতাউর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লোক নাট্যদলের অধিকর্তা, গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী।

    6 dramatists received meritorious awards - Entertainment - 7 July 2024 (2)

    গুণীজনদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। প্রয়াত গুণী নাট্যজন ড.ইনামুল হক এর পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন তাঁর সহধর্মীনি নাট্য ব্যক্তিত্ব লাকী ইনাম। প্রয়াত গুণী নাট্যজন এস এম মহসীন এর পক্ষে পদক গ্রহণ করেন তাঁর ছেলে তন্ময়। এ সময় সংস্কৃতি অঙ্গণে বিশেষ করে দেশের নাট্যচর্চায় তাদের ভূমিকা তুলে ধরা হয়।

    পরে আলোচনা পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খলিল আহমদ বলেন, “সংস্কৃতি খাতে যে বাজেট বরাদ্দ দেয়া হয় খুবই কম, সাংস্কৃতিক খাতে অনেক কাজ করার আছে যার জন্য বাজেট বরাদ্দ আরো বাড়ানো প্রয়োজ।”

    সভাপতির বক্তব্যে লিয়াকত আলী লাকী বলেন, “বাংলাদেশ ইতিহাস ঐতিহ্য সংস্কৃতি দিয়ে আমরা বিশ্ব জয় করতে পারি”। বাঙালি আজ মানুষ হয়েছে, দেশ স্বাধীন করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন,

    “আমাদের অস্ত্র হলো এই শিল্প সংস্কৃতি, ২০৪১ সালে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত উন্নত বাংলাদেশ গঠনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করবে এই শিল্প, শিল্পী কবি সাহিত্যিক এবং শিল্প পরিবার ও সমাজ।” পরে পুরস্কার প্রাপ্তদের অভিন্দন জানান তিনি।

    শুরুতেই ঢাক ঢোল নৃত্য পরিবেশিত হয়। এরপর লোকনাট্য প্রযোজিত বিভিন্ন নাটকের গান নিয়ে পরিবেশনা উপস্থাপন করা হয়। এরপর পরিবেশিত হয় মনোজ্ঞ নৃত্য, বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘বীরপুরুষ’ অবলম্বনে নৃত্যালেখ্য। ভাবনা ও পরিকল্পনায় লিয়াকত আলী লাকী। পরিবেশনায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি শিশু নৃত্য দল। এরপর

    ‘একটি শীতের রাত্রি’ নাটক মঞ্চায়িত হয়। নাটকটি রচনা করেছেন স্তাফান গোথে, অনুবাদ করেছেন কৃষ্টি হেফাজ এবং নির্দেশনা দিয়েছেন লিয়াকত আলী লাকী। সবশেষে পরিবেশিত হয় সমবেত সংগীত “ধন্য মুজিব ধন্য, ধন ধান্য পুষ্প ভরা” পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিশু কিশোর সংগীত দল।

  • শিল্পী সমাজ এবং ক্রিয়েটিভ ইন্ডাস্ট্রির সবাই অসত্যগুলোর প্রতিবাদ করুন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

    শিল্পী সমাজ এবং ক্রিয়েটিভ ইন্ডাস্ট্রির সবাই অসত্যগুলোর প্রতিবাদ করুন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৬ জুলাই, ২০২৪: শিল্পী সমাজ এবং ক্রিয়েটিভ ইন্ডাস্ট্রির সবাই অসত্যগুলোর প্রতিবাদ করুন, বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। তিনি বলেন, “শিল্পী সমাজ, নাগরিক সমাজ এবং ক্রিয়েটিভ ইন্ডাস্ট্রির সবাই অসত্যগুলোর প্রতিবাদ করুন। সরকার কোনো ভুল সিদ্ধান্ত নিলে, সরকারের কোনো ব্যর্থতা-বিচ্যুতি থাকলে অবশ্যই আপনারা তুলে ধরবেন, সমালোচনা করবেন, বিরোধিতা করবেন। কিন্তু যারা মিথ্যা কথা বলে, অর্ধসত্য বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করবে, দেশকে আত্মঘাতী একটা অবস্থায় নিয়ে যাবে তাদের মুখোশ উন্মোচন করুন, তাদের বিরুদ্ধে আপনারা প্রতিবাদ করুন। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে সব বিষয়ে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের সঠিক তথ্য দেওয়া হবে। সেগুলো নিয়ে মিথ্যাচার যারা করছে, যারা অপপ্রচার ও গুজব ছড়াচ্ছে তাদের বিপক্ষে আপনারা শক্ত অবস্থান নেবেন।”

    আজ শনিবার (৬ জুলাই) রাজধানীর সার্কিট হাউজ রোডের তথ্য ভবন মিলনায়তনে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে পূর্ণদৈর্ঘ্য ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

    তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এ দেশে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কিছু কিছু গোষ্ঠী আছে যারা অপতথ্য ছড়িয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করে। সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে বিরোধিতা থাকতে পারে, ভিন্ন মত থাকতে পারে। কিন্তু অসত্য কথা বলে, মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করলে সেখানে শিল্পী সমাজ এবং ক্রিয়েটিভ ইন্ডাস্ট্রির যারা আছেন তাদেরও কিছু দায়িত্ব পালন করার আছে এবং আপনাদের কাছে এখানে কিছু অবদান আমরা চাই।”

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক ভারত সফরে সই করা সমঝোতা স্মারকের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “সমঝোতা স্মারকের বিষয়গুলো নিয়ে যেভাবে মিথ্যাচার শুরু হলো এবং যেভাবে মানুষকে বিভ্রান্ত করা শুরু হলো, এসব জায়গায় শিল্পী সমাজ এবং ক্রিয়েটিভ ইন্ডাস্ট্রির সাথে সম্পৃক্ত যারা তাদেরকে সামগ্রিকভাবে দেশের এবং মানুষের স্বার্থে সত্যের পক্ষে অবদান রাখতে হবে। একটা সমাজে যদি সত্য হারিয়ে যায়, মিথ্যা যদি সামনে চলে আসে তাহলে সেটা কারো জন্যই মঙ্গল নিয়ে আসবে না। অপপ্রচারকারীরা বলে দিচ্ছে বাংলাদেশের বুক চিরে ভারতে ট্রেন চলে যাবে এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে এবং এখান দিয়ে অস্ত্র-গোলাবারুদ নিয়ে চলে যাবে, বাংলাদেশকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেবে, যেটি একটি ডাহা মিথ্যা কথা। এটিকে প্রতিরোধ করতে হবে।”

    মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেন, “সমঝোতা স্মারকে পরিষ্কারভাবে বলা আছে একটা রিজিওনাল কানেক্টিভিটি আমরা করছি। বাংলাদেশের সাথে নেপাল ও ভুটানের ৫০ মিলিয়ন ডলারের ব্যবসা আছে, রপ্তানি করি আমরা। বাংলাদেশের পণ্য ভারতের মধ্য দিয়ে গিয়ে নেপাল-ভুটানে প্রবেশ করে। আমরা যদি সরাসরি ট্রেন লাইন করতে পারি, তাহলে আমাদের ব্যবসা ও রপ্তানি প্রসার ঘটবে। সমঝোতা স্মারকে সেটিও আমরা নিয়ে এসেছি যে, নেপাল ও ভুটানে আমরা ভারতের মধ্য দিয়ে যাব।”

    তিনি বলেন, “ভারতের গ্রিড লাইন ব্যবহার করে আমরা নেপাল থেকে বিদ্যুৎ নিয়ে আসছি। এই মুহূর্তে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির সমঝোতা হলেও নেপালে ৭২ হাজার মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা আছে, যেটা এখন তারা চাহিদা নেই বলে উৎপাদন করে না। কিন্তু আমাদের চাহিদা আছে। আমরা যদি নেপাল থেকে ক্লিন এনার্জি আমদানি করতে পারি, তাহলে আমরা জীবাশ্ম জালানির ব্যবহার কমিয়ে ক্লিন এনার্জি আনতে পারবো। যেটা বাংলাদেশ, ভারত, নেপালপসহ গোটা পৃথিবীর জন্য ভালো, সেটা কীভাবে দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে হয়?”

    চলচ্চিত্র নির্মাণে অনুদান প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে অবদান রাখতে চান, প্রণোদনা দিতে চান। আমরা চাই প্রণোদনের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ভালো চলচ্চিত্র যাতে নির্মাণ হয়। এ লক্ষ্য অর্জনে আমাদের যা কিছু করতে হয় তা আমরা করবো। অনুদানের চলচ্চিত্র বাছাইয়ের ক্ষেত্রে আমরা আরও স্বচ্ছতা ও বস্তুনিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে চাই। এক্ষেত্রে সংখ্যার চেয়ে গুণগতমানের দিকে আমরা মনোযোগ দিতে চাই। এ জন্য বাছাই প্রক্রিয়া আরো উন্নত করা হবে, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করা হবে। শুধুমাত্র প্রতিষ্ঠিতদের প্রণোদনা দেওয়া হবে সেটি নয়, নতুনদের কাছে আমরা পৌঁছাতে চাই, তারা যাতে সুযোগ পেয়ে নিজেদের দাঁড় করাতে পারে।”

    তিনি বলেন, “অনুদানের চলচ্চিত্র নিয়ে একটি চলচ্চিত্র উৎসব করা যায় কিনা সেটিও বিবেচনা করা হবে। সরকারি অনুদান যেটা প্রণোদনা আকারে দেওয়া হচ্ছে এটা সংশ্লিষ্টদের একটা সক্ষমতার স্বীকৃতি। অনুদানের চলচ্চিত্রগুলো নির্মাণ হয়ে গেলে সেগুলো নিয়ে একটি অ্যাওয়ার্ডের ব্যবস্থা করা যায় কিনা সেটিও সরকার বিবেচনা করবে। এটি সৃজনশীল নির্মাতাদের আরও উৎসাহিত করবে। চলচ্চিত্র নিয়ে গবেষণার বিষয়টিও এক্ষেত্রে পর্যালোচনা করা হবে।”

    বাংলাদেশকে বিশ্বে প্রতিনিধিত্ব করা, তুলে ধরা এবং ব্র্যান্ডিং করার জন্য চলচ্চিত্র খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য চলচ্চিত্রকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যেতে আরও মনোযোগ দেয়ার জন্য আলাদা বিভাগ বা কাউন্সিল করার বিষয়টি সরকার ভেবে দেখবে। দেশের চলচ্চিত্রের যে সম্ভাবনা আছে, সেটা কাজে লাগানোর জন্য বঙ্গবন্ধু ফিল্ম সিটি, এফডিসি এবং যে জায়গাগুলো আছে, সেখানে আমাদের যা বিনিয়োগ করতে হয়, যা তৈরি করতে হয়, সেটা সরকার করবে। একইসাথে নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, পশ্চিমবঙ্গ এমনকি পাকিস্তানের চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট বাজার আমরা ধরতে চাই।

    তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. কাউসার আহাম্মদ। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত ইয়াসমিন, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি কাজী হায়াৎ, সম্মিলিত চলচ্চিত্র পরিষদের আহ্বায়ক খোরশেদ আলম খসরু, চলচ্চিত্র অনুদান কমিটির সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও ফটোগ্রাফি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ জে এম শফিউল আলম ভূঁইয়া, অনুদান কমিটির সদস্য ও চলচ্চিত্র নির্মাতা অমিতাভ রেজা চৌধুরী, চলচ্চিত্র অনুদানের স্ক্রিপ্ট বাছাই কমিটির সদস্য ও চলচ্চিত্র নির্মাতা মুশফিকুর রহমান গুলজার এবং স্ক্রিপ্ট বাছাই কমিটির সদস্য ও চলচ্চিত্র নির্মাতা ফাল্গুনী হামিদ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ এবং চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

  • আজ শেষ হয়েছে সম্মিলিত ৮৭ ব্যাচের শিল্প প্রদর্শনী

    আজ শেষ হয়েছে সম্মিলিত ৮৭ ব্যাচের শিল্প প্রদর্শনী

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৪ জুলাই, ২০২৪: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের জয়নুল গ্যালারিতে আজ শেষ হয়েছে সম্মিলিত ৮৭ ব্যাচের শিল্পকর্ম প্রদর্শনী। গত ৩০ জুন পাঁচদিন ব্যাপি এই চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি অধ্যাপক হামিদুজ্জামান খান। সম্মানিত অতিথি হিসেবে ছিলেন অধ্যাপক নিসার হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক সৈয়দ আজিজুল হক, অধ্যাপক শেখ আফজাল হোসেন ও অধ্যাপক শিশির ভট্টাচার্য।

    প্রদর্শনীতে স্থান পায় চারুকলা অনুষদের ৮৭ ব্যাচের ৩০ জন শিল্পীর ৯৮ টি শিল্পকর্ম। আয়োজকরা জানায় বর্তমান যাত্রীক যুগের নানা ঘাত প্রতিঘাত উঠে এসেছে এই শিল্পকর্মগুলোতে। তাছাড়া এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে ৯৮ ব্যাচের বিচ্ছিন্ন ভাবে থাকা শিল্পীরা মিলিত হতে পেরেছে। এটাই ছিল আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ।

    শুধু তাই নয় প্রতিদিন বিপুল দর্শক উপস্তিত হয়ছে এই প্রদর্শনীতে। বিশেষ ভাবে নতুন প্রজন্মের দর্শকদের আগ্রহ ছিল বেশি। শহরের যান্ত্রিকতা আর ব্যস্ততার মধ্যেও যারা প্রদর্শনীতে ছুটে এসেছে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানায় আয়োজকরা।

  • ‘মুজিব: দ্য মেকিং অফ আ নেশন’ চলচ্চিত্র মালয়েশিয়ায় পুরস্কার পেয়েছে

    ‘মুজিব: দ্য মেকিং অফ আ নেশন’ চলচ্চিত্র মালয়েশিয়ায় পুরস্কার পেয়েছে

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২৮ জুন, ২০২৪: মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গরের সাইবারজায়ায় বিখ্যাত মাল্টিমিডিয়া ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো’তে (এমএমইউ) ‘মুজিব: দ্য মেকিং অফ আ নেশন’ চলচ্চিত্র প্রদর্শনের জন্য ‘বেস্ট অ্যাকটিভিটিস অ্যাওয়ার্ড’ জিতেছে বাংলাদেশ।

    বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অংশগ্রহণে মাল্টিমিডিয়া ইউনিভার্সিটিতে ২০-২৩ জুন, ২০২৪ পর্যন্ত এ আন্তর্জাতিক এক্সপো অনুষ্ঠিত হয়।

    জানা গেছে, ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট সোসাইটি’র স্টুডেন্ট অ্যাডভাইজার খালিদ ফাইয়াজ মোহাম্মদ এবং মাল্টিমিডিয়া ইউনিভার্সিটির ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো’র (আইএক্সপো) অ্যাক্টিভিটিস ডিপার্টমেন্টের প্রধান টেংকু অ্যালিসা সাবরিনা বিনতি টেংকু এরউইন মার্টিনো বৃহস্পতিবার মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো শামীম আহসানের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খাস্তগীর এবং প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) রেহানা পারভিন।

    পাবলিক কূটনীতির উদ্যোগের অংশ হিসেবে কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশন ২১ জুন (শুক্রবার) মাল্টিমিডিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘মুজিব: দ্য মেকিং অফ আ নেশন’ প্রদর্শনের আয়োজন করে।

    মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. শামীম আহসান, তার স্ত্রী প্যান্ডোরা চৌধুরী, মালয়েশিয়ায় ভারতীয় হাইকমিশনার বিএন রেড্ডি, মাল্টিমিডিয়া ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট ও সিইও, প্রফেসর দাতো’ ড. মাজলিহাম মোহাম্মদ সুউদ, ফ্যাকাল্টি মেম্বার, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ মালয়েশিয়ার বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের বিভাগের কর্মকর্তা, কূটনৈতিক কোরের সদস্যরা চলচ্চিত্রটি উপভোগ করেন। এছাড়াও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী, ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও হাইকমিশনের কর্মকর্তারা তাদের পরিবারের সদস্যদের সাথে সিনেমাটি উপভোগ করেন।

    দর্শকরা বঙ্গবন্ধুর নিরলস মহাকাব্যিক সংগ্রাম, দেশ ও জনগণের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও সমবেদনা এবং পরিবারের বেশিরভাগ সদস্যসহ তাঁর মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডকে চিত্রিত করে নির্মিত এ চলচ্চিত্রটি দেখে এর কাহিনি দ্বারা গভীরভাবে আলোড়িত ও আবেগাক্রান্ত হন এবং চলচ্চিত্রটির ভূয়সী প্রশংসা করেন।

    উল্লেখ্য, ২৩ জুন, ২০২৪ আন্তর্জাতিক এক্সপো’র শেষ দিনে গালা নাইট-এ মর্যাদাপূর্ণ এ পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট এবং সিইও তিনজন বাংলাদেশী ছাত্রনেতার হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

    পুরস্কারের ছয়টি বিভাগ ছিল এবং বাংলাদেশ ‘সেরা কার্যক্রম’-এর আওতায় পুরস্কার জিতেছে। মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. শামীম আহসান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট ও সিইও এবং বেশ কয়েকজন রাষ্ট্রদূত,  বিপুল সংখ্যক আমন্ত্রিত অতিথি ও শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানে একজন প্রবাসী বাংলাদেশী শিক্ষার্থী নৃত্য পরিবেশন করে।

    প্রবাসী নারী উদ্যোক্তাদের প্ল্যাটফর্ম ‘উই’ অন্যান্য দেশের সাথে এক্সপোতে একটি স্টল স্থাপন করে। এতে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, ইতিহাস ও খাবার প্রদর্শন করা হয়।

    সূত্র: বাসস

  • বিশ্ব সংগীত দিবস পালন করলো বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি

    বিশ্ব সংগীত দিবস পালন করলো বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২২ জুন, ২০২৪: বিশ্ব সংগীত দিবস উপলক্ষে সংগীতের সুরে বিশ্বব্যাপী শান্তি ও ইতিবাচক চিন্তা ও দর্শনকে ছড়িয়ে দিয়ে সবার সাথে মেলবন্ধন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যেই প্রতিবছর দিবসটি পালিত হয়।

    বিশ্ব সংগীত দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগের ব্যবস্থাপনায় গতকাল ২১ জুন ২০২৪ বিশ্ব সংগীত দিবস পালিত হয়। দিনটি উপলক্ষ্যে সন্ধ্যা ৬:৩০টায় জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আলোচনা ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে শিল্পীদের পরিবেশনার মাঝে মাঝে প্রসঙ্গ কথনে অংশ নেন একাডেমির সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগের পরিচালক কাজী আফতাব উদ্দিন হাবলু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংগীত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সাইম রানা, একাডেমির সচিব সালাহউদ্দিন আহাম্মদ, এবং একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী।

    সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুরুতেই পরিবেশিত হয় সমবেত যন্ত্রসংগীত ‘সানফ্লাওয়ার’। এরপর একাডেমির কণ্ঠশিল্পীরা সমবেত সংগীত পরিবেশন করেন। সমবেত সংগীতের মধ্যে রয়েছে- আমাকে পোড়াতে যদি, আমি সাত সাগর পাড়ি দিয়ে, তুমি কি দেখেছো কভু, তুমি সূতোয় বেধেছে, আকাশের হাতে আছে একরাশ, আমি রজনীগন্ধা ফুলের মত, আয়নাতে ঐ মুখ, ফুলের কানে ভ্রমর, একি সোনার আলোয়, ভেঙেছে পিঞ্জর, সন্ধ্যার ছায়া নামে, দু:খ ভালবেসে প্রেমের খেলা, ফুলের মালা পড়িয়ে দিলে, গানেরই খাতায় স্বরলিপি লিখে, পিঞ্জর খুলে দিয়েছি, দিন যায় কথা থাকে, পিচঢালা এই পথটারে, নীল আকাশের নীচে আমি।

    একক সংগীত ‘সময় মন্দ হইলে পরে, সকলে ভাই মন্দ বলে’ পরিবেশন করেন শিল্পী সুরবালা। বিদেশী ভাষার একক সংগীত পরিবেশন করেন নিতা খন্দকার ও নুসরাত জাহান কৃতি। বিদেশী ভাষার সমবেত সংগীত পরিবেশন করেন ঢাকা সাংস্কৃতিক দল। সংগীত পরিচালনায় ছিলেন ইয়াসমিন আলী।

    সমবেত সংগীত ‘ধন ধান্য পুষ্পভরা’ এবং ‘আবার এলো যে সন্ধ্যা’ পরিবেশন করেন শিল্পী ঝিলিক, হৈমন্তি রক্ষিত, প্রিয়াংকা বিশ্বাস, অনুপমা মুক্তি, কৃষ্ণকলি, অবন্তি সিথি, এলিটা করিম, কর্ণিয়া, আরমিন মুসা, স্বরলিপি, সাব্বির, রজিব, অপু আমান, পুলক অধিকারী, কিশোর দাস, ইউসুফ আহমেদ খান, পান্থ কানাই, কাজী আনান, রাশেদ, অনিমেষ রায়।

    সমবেত সংগীত পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির শিশু-কিশোর সংগীত দল। পরিবেশিত সংগীতের মধ্যে রয়েছে আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে, দাও শৌর্য দাও ধৈর্য্য, সত্য বল সুপথে চল, আলো আমার আলো, আমরা সুন্দরের অতন্দ্র, মঙ্গল হোক এই শতকে, আমরা নূতন যৌবনের-ই দূত, আমরা সবাই মঞ্চকুঁড়ি, মনের রঙ লেগেছে, এ মাটি নয় জঙ্গীবাদের, আমি ধন্য হয়েছি, চলো বাংলাদেশ।

    ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ব্যান্ড দল এফ-মাইনর ‘জংলা ফুল’ ও ‘মনে করি আসাম যাবো’ সংগীত পরিবেশন করেন।

    অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন দিলরুবা সাথী ও নুরুল হাসনাত জিলানী। অনুষ্ঠানে যন্ত্রশিল্পী ছিলেন দেবাশীষ দাস, সাইদ ফারূকী চন্দন, সাইদ হাসান বাবু, তানভীর আলম সজীব, ফাহাল হোসাইন গোলন্দাজ, আলমগীর হোসেন।

  • মারা গেছেন নব্বই দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুনেত্রা

    মারা গেছেন নব্বই দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুনেত্রা

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১৪ জুন, ২০২৪: মরা গেছেন নব্বই দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুনেত্রা। আজ শুক্রবার (১৪ জুন) এক ফেসবুক পোস্টে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন শিল্পী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক চিত্রনায়ক জায়েদ খান। অনেকদিন বাংলাদেশ ছেড়ে কলকাতায় বসবাস করছিলেন তিনি।

    ভারতের কলকাতায় ১৯৭০ সালের ৭ জুলাইয়ে জন্ম। মূল নাম রীনা সুনেত্রা কুমার। তবে বাংলা চলচ্চিত্রে তিনি সুনেত্রা নামেই পরিচিত। ঢালিউড ও টালিউড দুই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতেই সুনামের সঙ্গে অভিনয় করেছেন সুনেত্রা।

    বাংলাদেশি পরিচালক মমতাজ আলী তাকে ঢালিউডে আনেন। প্রথম সিনেমা ছিল তখনকার হার্টথ্রব নায়ক জাফর ইকবালের বিপরীতে ১৯৮৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘উসিলা।’ ১৯৯০ সালে দেলোয়ার জাহান ঝন্টু পরিচালিত ‘পালকি’ সিনেমাটি সুনেত্রাকে সবচেয়ে বেশি পরিচিতি দিয়েছিল। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। বেশ কয়েকটি ব্যবসাসফল সিনেমায় তাকে দেখা গেছে।

    বাংলাদেশে তার উল্লেখযোগ্য ছবি : ‘পালকি, ভাইবন্ধু, বোনের মতো বোন, যোগাযোগ, ভুল বিচার, সাজানো বাগান, রাজা মিস্ত্রী, ঘর ভাঙ্গা ঘর, কুচবরণ কন্যা মেঘবরণ কেশ, শুকতারা, সুখের স্বপ্ন, রাজা জনি, বাদশা ভাই, ছোবল, ভাই আমার ভাই, দুঃখিনী মা, বন্ধু আমার, বিধান, নাচে নাগিন, সর্পরাণী, বিক্রম, উসিলা, লায়লা আমার লায়লা, শিমুল পারুল, ভাবীর সংসার, আমার সংসার, ধনরত্ন, নির্দয়, উচিত শিক্ষা, ঘরের সুখ, সাধনা, আলাল দুলাল।

    ঢালিউডের সেই সময়ের ব্যস্ত সব নায়ক জসিম, সোহেল রানা, ফারুক, জাফর ইকবাল, ইলিয়াস কাঞ্চন, মান্না সবার সাথেই সুনেত্রা ছবি করেছেন।