Category: লাইফস্টাইল

  • বিফ রোস্ট

    বিফ রোস্ট

    বিফ রোস্ট মূলত ইংলিশদের খাবার। কিন্তু এখন এই বিফ রোস্টের জনপ্রিয়তা বাংলাদেশেও অনেক বেড়ে গেছে। এখানে বিফ রোস্ট তৈরির উপকরণ ও প্রণালি সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেব।

    উপকরণ:

    বিফ চাক-এক কেজি, লবন-স্বাদমতো, পেপে বাটা-দুই টেবিল চামচ, গোল মরিচ গুড়া-হাফ চা চামচ, লেবুররস-দুই টেবিল চামচ, পেয়াজ বাটা-চার টেবিল চামচ, আদা বাটা-দুই টেবিল চামচ, রসূন বাটা-দেড় টেবিল চামচ, পোস্তদানা বাটা-এক চা চামচ, গরম মসলা গুড়া-এক চা চামচ, শুকনা মরিচ গুড়া-দুই চা চামচ, দৈ বা ক্রিম-হাফ কাপ, ঘি-হাফ কাপ, বিফ স্টক-দুই কাপ।

    বিফ রোস্ট

    প্রস্তুত প্রণালি:

    প্রথমে গরুর মাংসের চাক টি ভালো করে ধুয়ে পেপার টাওয়ালে মুছে নিতে হবে। কাটা চামচ দিয়ে কেচে নিতে হবে। আবার মুছে ছাকনিতে লবন ও গোল মরিচগুঁড়া এবং পেপে বাটা দিয়ে মেরিনেট করে রাখতে হবে প্রায় ছয় থেকে সাত ঘন্টা।

    একটা বাটিতে লেবুর রস, আদা, রসূন ও পিয়াজ বাটা, শুকনা মরিচগুঁড়া, গরম মসলা গুড়া, পোস্তবাটা, লবন, মাখিয়ে নিতে হবে।

    এখন চুলায় প‍্যান গরম করে তাতে ঘি দিতে হবে। মসলার মিশ্রন ঢেলে দিয়ে ক্রমাগত নাড়তে হবে যাতে পুরে না যায়। এখন বিফের চাক টা দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। চুলার আগুনের তাপ কমিয়ে দিতে হবে। এপাশ ওপাশ করে দিতে হবে কিছুক্ষণ পর পর। বিশ মিনিট পর চুলা থেকে নামিয়ে পিস করে কেটে নিন। এবং  আবার চুলায় প‍্যানে  মসলায় বিফের পিস গুলো দিয়ে ঢেকে দিন। পনের মিনিট রেখে নামানোর আগে ক্রিম বা দৈ দিতে হবে।

    বিভিন্ন সবজির সাথে এই বিফ রোস্ট গরম গরম পরিবেশন করুন।

    রেসিপি দিয়েছেন: রাজিয়া সুলতানা

  • চিকেন মাশরুম ললিপপ

    চিকেন মাশরুম ললিপপ

    উপকরণ:  চিকেন কিমা-১ কাপ, পুদিনাপাতা ১/৪ কাপ, কাঁচামরিচ  কুঁচি-৪/৫ টা, চাট মসলা-১ চা চামচ, লেবুর রস-১ চা চামচ, পাউরুটি-২ পিছ, লবন স্বাদ  মতো, চিকেন পাউডার ১  টেবিল চামচ, মাশরুম ১/৪ কাপ কুচি, কনফ্লাওয়ার-১ চা চামচ, ডিম-দুই থেকে তিনিটি, তেল-ভাজার জন্য।

    চিকেন মাশরুম ললিপপ

    প্রনালি: চিকেন কিমা, পাউরুটি, পুদিনাপাতা, কাঁচামরিচ ব্লানডারে ব্লান্ড করে তার মাঝে, চাট মসলা, চিকেন পাউডার, লবন, লেবুর রস, মাশরুম কুচি দিয়ে, ডিম ও কনফ্লাওর দিয়ে মেখে নিতে হবে। তার পর ললিপপ সাইজ করে কাঠি করে করে ডোবা তেলে ভেজে তুলে পরিবেশন করতে হবে।  বিকেলের নাস্তায় চিকেন মাশরুম ললিপপ একটি মাজাদার খাবার।

    রেসিপি দিয়েছেন: নাসরীন নওরোজ স্বপ্না

  • চুল পড়ার রোধে নারকেল তেল এবং সরিষার তেলের কম্বো

    চুল পড়ার রোধে নারকেল তেল এবং সরিষার তেলের কম্বো

    নারকেল তেল এবং সরিষার তেল বহু প্রজন্ম ধরে চুল পড়া রোধে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। নারকেল তেল এবং সরিষার তেল উভয়েরই রয়েছে অপরিহার্য ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন এবং খনিজ; যা চুলের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এই তেলগুলি মাথার ত্বকে পুষ্টি জোগাতে, চুলের গোড়া বা ফলিকলগুলিকে শক্তিশালী করতে, এবং চুল পড়া কমাতে সাহায্য করতে পারে।

    এই দুটি প্রাকৃতিক তেলের সংমিশ্রণ চুল পড়া রোধে দুর্দান্ত প্রতিকার হিসাবে প্রমাণিত হয়েছে।

    চুল পড়া রোধে নারকেল তেল

    নারকেল তেল ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ হয়ে থাকে। যা চুলের ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে, চুল পড়া রোধ করে । এটি চুল এবং মাথার ত্বককে ময়শ্চারাইজ করতে এবং চুলকে
    স্বাস্থ্যকর ও উজ্জ্বল দেখাতে সহায়তা করে।

    চুল পড়া রোধে সরিষার তেল

    সরিষার তেল একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে এবং চুলের গোড়ায় পুষ্টি জোগায়, এর ফলে চুল পড়া রোধ করে।

    চুল পড়ার জন্য নারকেল তেল এবং সরিষার তেলের কম্বো কীভাবে ব্যবহার করবেন?

    সেরা ফলাফলের জন্য এই কম্বোটি কীভাবে ব্যবহার করবেন তা

    এখানে:

    ১. নারকেল তেল এবং সরিষার তেল উভয়ই অল্প পরিমাণে গরম করুন। আপনি একটি ডাবল বয়লার ব্যবহার করতে পারেন বা চুলায় সরাসরি তেল গরম করে নিতে পারেন।

    ২. তেল গরম হয়ে গেলে একটি পাত্রে একসঙ্গে মিশিয়ে নিন।

    ৩. তেল মেশানো হয়ে গেলে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় এনে, মিশ্রণটি আপনার মাথার ত্বকে এবং চুলে লাগান। কয়েক মিনিটের জন্য বৃত্তাকার গতিতে আপনার মাথার ত্বকে মিশ্রণটি ম্যাসাজ করুন।

    ৪. মিশ্রণটি চুলে অন্তত ৩০ মিনিট রেখে দিন। তবে, সেরা ফলাফলের জন্য এটি এক ঘন্টা পর্যন্ত রাখতে পারেন।

    ৫. মিশ্রণটি সেট হতে দেওয়ার পরে, হালকা গরম পানি দিয়ে আপনার চুল ধুয়ে ফেলুন।

    ৬. সেরা ফলাফলের জন্য সপ্তাহে অন্তত দুবার এই প্রক্রিয়াটি পুনরাবৃত্তি করুন।

    এই নারকেল তেল এবং সরিষার তেলের কম্বো ব্যবহার চুল পড়া কমাতে এবং আপনার চুলকে আরও স্বাস্থ্যকর এবং আরও চকচকে দেখাতে সাহায্য করবে। দুটি তেলের হেয়ার ফল কম্বো চুল পড়া রোধে ভীষণ কার্যকর এবং ইহা প্রাকৃতিক ও নিরাপদ। এছাড়াও, এটি ব্যবহার করা সহজ কারন এতে বিশেষ কোনো উপাদান বা পণ্যের প্রয়োজন নেই। সুতরাং, আজ থেকেই এই চমৎকার মিশ্রণটি ব্যবহার করুন এবং নিজেই এর ফলাফল নির্নয় করুন!

    তথ্যসূত্রঃ বোল্ডস্কাই

  • দেশি রসুনের আচার

    দেশি রসুনের আচার

    আচার খেতে কার না ভালো লাগে। ছোট বড় সব বয়সের ই আচার পছন্দ। ভাত খিচুড়ি পোলাও বা বিরিয়ানি যাই হোক না কেন একটু আচার কিন্তু  খাবারের রুচি ও স্বাদ অনেক গুন বাড়িয়ে দেয়। আজ আমি নিয়ে এসেছি খুব মজার টক ঝাল একটি আচার। নাগা মরিচ রসূনের আচার।

    আচার বানাতে যা লাগছে

    উপকরণ:

    রসূনের কোয়া-এক কেজি, নাগা মরিচ-হাফ কেজি, লবন-স্বাদমতো, সিরকা- হাফ কাপ, মরিচ গুড়া-দুই চা চামচ, হলুদ গুড়া-এক চা চামচ, পাঁচ ফোড়ন গুড়া-    পাচ চা চামচ, তেতুলের মাড়-তিন টেবিল চামচ, চিনি-চার টেবিল চামচ, সরিষার তেল-এক কাপ, কাচা মরিচ-আট/দশটা, গোট পাচ ফোড়ন-এক চা চামচ।

    দেশি রসুনের আচার

    প্রস্তুত প্রনালি:

    প্রথমে নাগা মরিচ ও রসূন ধুয়ে পেপার টাওয়াল দিয়ে ভালো করে মুছে শুকিয়ে নিতে হবে। কড়াইতে তেল গরম করে কাচা  মরিচ ও গোটা পাচ ফোড়ন  দিতে হবে।  রসূনের কোয়া দিয়ে নাড়বো। এখন নাগা মরিচ ঢেলে দিতে হবে। একটু নেড়ে নিব ভালো করে। এখন এক এক করে এতে হলুদ গুড়া, মরিচ গুড়া লবন, সিরকা, চিনি, দিয়ে নাড়বো। পাচ মিনিট পর এতে তেতুলের মাড় দিবো নেড়ে নিবো। নাড়তে হবে ঘন ঘন যাতে পুড়ে না যায়। এখন পাচ ফোড়ন গুড়া দেতে হবে। সুঘ্রান আসবে  মরিচ রসূন ও পাচফোড়নের।

    নামিয়ে নিবো। হয়ে গেলো আমার খুব মজার ঝাল টক নাগা রসূনের আচার।

    রেসিপি দিয়েছেন: হেলেন বাওয়ার

  • শামি কাবাব

    শামি কাবাব

    উপকরণ:

    ছোট টুকরো করা গরুর মাংস-৫০০ গ্রাম, ৪/৫ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখা ছোলার ডাল-১০০ গ্রাম, আাদা কুচি-২ টেবিল চামচ, রসুন কোয়া-১০/১২ টি, শুকনো মরিচ-৪/৫টি, পেঁয়াজ কুচি-১/২ কাপ, পেয়াজ বেরেস্তা-১/২ কাপ, ধনে গুঁড়া-১/২টেবিল চামচ

    জিরা গুড়া-১/২ টেবিল চামচ, গরম মশলা গুড়া -১/২ চা চামচ, হলুদ গুড়া-১/২ চা চামচ, ধনে পাতা কুচি-১/২ কাপ, পুদিনা পাতা কুচি-১টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ কুচি স্বাদমত, লবণ-স্বাদমত, ডিম -১টি, তেল-ভাজার জন্য ।শামি কাবাব

    প্রনালি:

    ভেজানো ছোলার ডাল, মাংস, শুকনো মরিচ,আদা কুচি ও রসুন কোয়া, পেঁয়াজ কুচি, লবন দিয়ে ভালভাবে সিদ্ধ করে পাটায় অথবা ব্লেন্ডারে বেটে নিন মিহি করে। এরপর একে একে বাকী সব উপকরণ  দিয়ে একসাথে খুব ভালভাবে মেখে নিতে হবে৷ হাতের তালুতে একটু তেল মেখে গোল করে অথবা ইচ্ছেমত শেপ  এ কাবাব তৈরী করে নিন৷ এবার তেল গরম করে লালচে করে ভেজে নিলেই হয়ে  গেলো মজার স্বাদের শামি কাবাব। পরিবেশন করতে পারেন, রুটি, পরোটা বা খিচুরি ও পোলাও এর সাথে। শুধু খেতেও দারুণ লাগে।

    রেসিপি দিয়েছেন: আইরীন রহমান

  • ডাব চিংড়ি

    ডাব চিংড়ি

    উপকরণ:

    ডাব-১ টি, ডাবের পানি-১ কাপ, চিংড়ি মাছ -৬ টি, পেয়াজ কুচি-২ টি, সরিষা বাটা-২ চা চামচ, কাঁচামরিচ বাটা- ২ চা চামচ, আদা-রসুন বাটা-১ চা চামচ, জ়িরে বাটা-১ চা চামচ, টমেটো পেস্ট-১ টি, হলুদ গুড়ো-পরিমান মতো, মরিচ গুড়ো-১ চা চামচ, চিনি-সামান্য, সরিষার তেল-পরিমান মতো, লবণ-পরিমান মতো।

    প্রনালি:

    প্রথমে চিংড়ি মাছ ভাল করতে ধুয়ে নিতে হবে। এবারে হলুদ, লবন আর সামান্য লেবুর রস দিয়ে মেরিনেট করে রাখি (১০-১৫) মিনিট । তারপর প্যানে সরিষার তেল দিয়ে চিংড়ি মাছ গুলো হালকা ভেজে তুলে রাখব।

    লাইফস্টাইল

    একই প্যানে আরো সামান্য সরিষার তেল দিয়ে এতে পেয়াজ কুচি দিই, সামান্য ভেজে, একে একে সকল বাটা মশলা (সরিষা বাটা, কাঁচামরিচ বাটা, আদা-রসুন বাটা, জ়িরে বাটা) গুলো দিয়ে কিছুক্ষণ ভাজতে হবে। তার সামান্য পানি দিয়ে লবণ, হলুদ গুড়ো ও মরিচ গুড়ো দিয়ে ভাল করে কষাতে হবে। তেল ভেসে উঠলে টমেটো পেস্ট দিয়ে আরও কিছুক্ষণ কষাতে হবে। এই পর্যায়ে এক কাপ নারকেল দুধ দিয়ে কিছুক্ষন রান্না করে শুকিয়ে এলে দিতে হবে এক কাপ ডাবের পানি। একবার ফুটে উঠলে চিংড়ি মাছ গুলো দিয়ে ৫ মিনিট মতো  রান্না করতে হবে ।

    ডাবের পানি দেওয়ার পর বেশি রান্না করা যাবে না। নামানোর আগে কাঁচা মরিচ ও ডাবের শাস দিয়ে দিব। ব্যাস হয়ে গেল ডাব চিংড়ি। ডাবের খোলস, ডাবের শাস, ধনে পাতা ও টমেটো দিয়ে ইচ্ছেমতো পরিবেশন করুন। সাথে সাইড ডিশ হিসেবে দেওয়া যেতে পারে গার্লিক রাইস বা বাটার রাইস।

    রেসিপি দিয়েছেন: সামিনা রহমান টিকলি

  • মুরগির মাংসের তেহারি

    মুরগির মাংসের তেহারি

    উপকরণ:

    মুরগি ১ কেজি, পোলও এর চাল-আধা কেজি, তেল-১কাপ, টকদই- ২ টেবিল চামচ, পিয়াজ কুচি-১কাপ, আদা বাটা-১টেবিল চামচ, রসুনবাটা -১চা চামচ, জয়ফল ছোট-১টা, জয়এী গুড়া-আধা চা চামচ, শাহ জিরা-আধা চা চামচ, শাহ মরিচ -আধা চা চামচ, এলাচ-৫টা, দারচিনি-৫টুকরা, লবন-স্বাদ মতো, চিনি স্বাদ মতো, শুকনা মরিচ গুড়া-১চা চামচ, দুধ-১কাপ, পিয়াজ বেরেস্তা-১কাপ, বাদাম কুচি-১টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ -৫/৬টি, পিয়াজ বাটা-২টেবল চামচ।

    মুরগির মাংসের তেহারি

    প্রনালি:

    প্রথমে পোলাও এর চাল ভালোভাবে ধুয়ে পানি ঝরাতে হবে। মুরগি ছোট টুকরো করে কেটে পরিস্কার করে  পানি ঝরিয়ে  লবন মেখে অল্প তেলে  ভেজে নিতে হবে।   চুলায় কড়াই তে বাকী তেল গরম করে পিয়াজ বাটা আদা রসুনসহ সব মসলা ও টক দই দিয়ে  ভালো ভাবে মিশিয়ে অল্প পানি দিয়ে মসলা কসিয়ে  ভাজা মুরগি দিয়ে কিছু সময়  রান্না করতে হবে মুরগির মাংস সিদ্ধ হওয়া পরযন্ত। পোলাও এর চাল ৭০-৮০% সিদ্ধ করে পানি ঝড়িয়ে নিতে হবে। সিদ্ধকরা চাল মুরগির সঙ্গে মিশিয়ে দমে দিতে হবে। দুধ ও বাদামও বেরেস্তা ও চিনি দিতে হবে, আস্ত  কাচা মরিচ দিয়ে  ঢেকে দিতে হবে। পনেরো মিনিট দমে রেখে নামিয়ে নিতে হবে। গরম গরম পরিবেশন করতে হবে মজার স্বাদের  মুরগির তেহারি।

    রেসিপি দিয়েছেন: শায়লা আখতার কাকলী।

  • গরুর মাংসের কালা ভুনা

    গরুর মাংসের কালা ভুনা

    উপকরণ:

    গরুর মাংস :   দেড় কেজি, পেয়াজ বেরেস্তা-দুই কাপ, আদা   বাটা-দুই টেবিল চামচ,

    রসুন বাটা-দুই টেবিল চামচ, টক দই-এক কাপ, ডার্ক সয়াসস-দুই টেবিল চামচ, হলুদগুঁড়া-হাফ চা চামচ, ধনিয়া গুঁড়া-এক টেবিল চামচ, শুকনা মরিচ-দুই টেবিল চামচ, কিউব করে কাটা পেয়াজ-এক কাপ, জায় ফল গুড়া-হাফ চা চামচ, জয়এি  গুড়া- হাফ চা চামচ, গরম মশলা গুড়া-এক চা চামচ, কালো গোলমরিচ গুড়া-হাফ চা চামচ, দাড়চিনি আস্ত-তিন টুকরা, তেজপাতা-তিন টা, রসুন কুচি-দেড় টেবিল চামচ, আস্ত শুকনা মরিচ-সাত/ আট টা, সরিষার তেল-আধা কাপ, লবন: স্বাদ মত।

    গরুর মাংসের কালা ভুনা

    প্রনালি: ভালোমত ধুয়ে পানি ছাড়িয়ে নিয়ে গরুর মাংসের সঙ্গে হলুদ, মরিচ, ধনিয়া গুড়া, আদা, রসুন, ডার্ক সয়াসস, টক দই, পেয়াজ বেরেস্তা, জয়ফল, জয়এি গুড়া, গোলমরিচ গুড়া,গরম মশলা গুড়া, লবন , চার টেবিল চামচ তেল এক সঙ্গে ভালো ভাবে হাত দিয়ে মাখাতে হবে। এক কাপ পানি দিয়ে মাঝারী  আঁচে ঢাকনা দিয়ে রান্না  করতে হবে।  কিছু ক্ষণ পরপর নাড়তে হবে। মাংসে  পানি উঠবে, আর পানি দিতে হবে না।  মাংসে সামান্য কিছু পানি থাকা অবস্থায়  কষানো হলে নামিয়ে রাখতে হবে।

    এখন একটা কড়াইতে বাকী সরিষার তেল গরম করে আস্ত দাড়চিনি তিন টুকরা, তেজপাতা তিন টি,  শুকনা মরিচ ছয় সাতটি, এবং কিউব করে কাটা পেয়াজ  দিয়ে  ভেজে নিতে হবে। পেয়াজ লালচে হয়ে এলে রান্না করা মাংস ঢেলে দিয়ে নাড়তে হবে যাতে নীচে লেগে না যায়। এর মধ্যেই মাংস সিদ্ধ হয়ে আসবে। নাড়তে নাড়তে কালো রং টা চলে আসলে ঝোল মাখা মাখা হলে নামিয়ে নিতে হবে। বাটিতে ঢেলে উপরে বেরেস্তা ছিটিয়ে পরিবেশন করতে হবে।  গরম ভাত,  পোলাও, রুটি বা পরোটার সাথে খেতে দারুণ লাগবে মজাদার গরুর কালা ভুনা।

    রেসিপি দিয়েছেন : রাজিয়া স্মৃতি

  • রেসিপি: গুলাপ জামুন

    রেসিপি: গুলাপ জামুন

    মিষ্টি সাবর প্রিয় একটি খাবার। তাই যে কোন উৎসব আমাদের মিষ্টি চাই। কিন্তু ছানা দিয়ে বানানো মিষ্টি, অনেকের কাছেই কঠিন। সঠিকভাবে মিষ্টি না বানাতে পারার কারণে, অনেকেই না চাইতেও বেছে নিচ্ছেন বিভিন্ন দোকানের মিষ্টি। আজকের রেসিপিটি মূলত তাদের জন্য। যারা মিষ্টি পছন্দ করেন কিন্তু বাইরের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের মিষ্টি চান না।

    গুলাপ জামুন তৈরির উপকরণ :

    গুড়া দুধ -৩/৪ কাপ, ময়দা -১/২ কাপ, বেকিং পাউডার -২ চা চামচ, ডিম-১টি, পানি -২ টেবিল চামচ, চিনি-চামচ, তেল-ভাজার জন্য, পানি -২ কাপ, চিনি- ২ কাপ, এলাচ -৪ টি।

    রেসিপি: গুলাপ জামুন

    প্রস্তুত প্রণালী :

    পাতিলে ২ কাপ পানি, ২ কাপ চিনি দিয়ে, ৪টি এলাচ দিয়ে একটি পাতলা সিরা তৈরি করি, একটা ছোট বাটিতে ১টি ডিম,  ১/২টেবিল চামচ তেল, চিনি ১ টেবিল চামচ ও ১ টেবিল চামচ পানি দিয়ে খুব ভালো করে দিয়ে ফেটিয়ে নিতে হবে।  তারপর বড় একটি পাত্রে ফুল ক্রিম গুড়া দুধ, ময়দা, বেকিং পাউডার ঢেলে নিন। এবারে ডিমের মিশ্রণটি দিয়ে ময়দা গুলো মাখিয়ে নিতে হবে। ময়দার খমির দিয়ে গোল গোল করে মিষ্টি বানিয়ে একটি প্লেটে রাখুন। তারপর ডুবো তেলে মিষ্টি গুলো ভেজে চিনির শিরার মধ্যে দিতে হবে। মনে রাখতে হবে, মিষ্টিগুলো সিরায় দেবার সময় সিরা এবং মিষ্টি দুটোই গরম থাকবে। চুলা বন্ধ করে ঢেকে দেই। ৭ থেকে ৮ ঘন্টা পরে পছন্দমত সাজিয়ে পরিবেশন করি।

    রেসিপি দিয়েছেন: খালেদা ইয়াসমিন রুপা, ডিজিটাল সেবা ঘর

  • যেসব খাবার মাইক্রোওয়েভে গরম করলে আপনার স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে

    যেসব খাবার মাইক্রোওয়েভে গরম করলে আপনার স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে

    আধুনিক জীবনযাপনের সঙ্গী মাইক্রোওয়েভ। এই বৈদ্যুতিক যন্ত্র ছাড়া রান্নাঘর যেন অচল। দ্রুত খাবার গরম করা ছাড়াও অনেকে রান্নার কাজেও মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করেন। কিন্তু কিছু খাবার রয়েছে যা মাইক্রোওয়েভ ওভেনে গরম করে খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা করেছে। কারণ সে খাবারগুলোতে স্বাস্থ্য ঝুঁকির সম্ভাবনা রয়েছে। এখানে কিছু উদাহরণ দেয়া হলো:

    প্রক্রিয়াজাত খাবার ও রান্না মাংস

    খাদ্য নিয়ন্ত্রণে প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুসারে, একটি মাইক্রোওয়েভে প্রক্রিয়াজাত খাবার ও মাংস পুনরায় গরম করলে কোলেস্টেরল জারণ হয়। এই যৌগ শরীরে গেলে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়ে। এ কারণে এসব খাবার মাইক্রোওয়েভে গরম করা ঠিক নয়।

    ভাত

    অনেকেরই মাইক্রোওয়েভে ভাত গরম করে খাওয়ার অভ্যাস আছে। এই অভ্যাস মোটেও ভালো নয়।  কারন এতে করে ক্ষতিকারক ব্যাকটিরিয়া বৃদ্ধি পায় যা খাদ্যে বিষক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। রান্না ভাত মাইক্রোওয়েভে গরম করলে তাতে ব্যাসিলাস ‘সেরেসাস’ নামক ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয়। এই ব্যাকটেরিয়া শরীরে গিয়ে টক্সিন উৎপন্ন করে। এর ফলে ডায়ারিয়া, পেটের সমস্যা হতে পারে।

    বেবি ফুড বা বুকের দুধ

    বেবিফুড থেকে তৈরি দুধ কখনওই মাইক্রোওভেনে গরম করবেন না। অনেক কর্মরত নারী ব্রেস্ট ফিড সংরক্ষণ করেন বাচ্চার জন্য। মায়ের অনুপস্থিতিতে সেটা শিশুকে পান করানো হয়। সেটাও মাইক্রোওয়েভ ওভেনে গরম করবেন না।

    হট মরিচ

    যখন কোনও মাইক্রোওয়েভে উত্তপ্ত হয়, তখন গরম মরিচগুলিতে ক্যাপসাইসিন (মরিচ থেকে উৎপন্ন ব্যাকটেরিয়া ক্যামিকেল কম্পাউন্ড) বৃদ্ধি পেতে পারে এবং এতে করে কিছু লোকের হাচি,কাশি,এলার্জি এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

    সিদ্ধ ডিম

    আগে থেকে সিদ্ধ করে রাখা খোসাসহ ডিম কোনওভাবেই ওভেনে গরম করা ঠিক নয়। এতে ডিমের খোসা ফেটে ছড়িয়ে পড়তে পারে ওভেনের ভিতর। সিদ্ধ ডিম গরম করতে চাইলে খোসা ছাড়িয়ে নিতে হবে। তাহলে সমস্যা হবে না।

    ব্যবহৃত পদ্ধতি নির্বিশেষে খাবার রান্না বা পুনরায় গরম করার সময় যথাযথ খাদ্য সুরক্ষা নির্দেশিকাগুলি অনুসরণ করা গুরুত্বপূর্ণ। সন্দেহ হলে, কোনও খাদ্য সুরক্ষা বিশেষজ্ঞ বা নির্দিষ্ট খাদ্য আইটেমগুলির জন্য প্রস্তুতকারকের নির্দেশাবলীর সাথে পরামর্শ করা উত্তম সিদ্ধান্ত গ্রহনে সাহায্য করবে।

    তথ্য সূত্রঃ টেস্টঅফহোম, এনডিটিভি