Category: লাইফস্টাইল

  • মিষ্টি ফালুদা

    মিষ্টি ফালুদা

    উপকরণ :

    তরল দুধ-১লিটার, সাবুদানা-১কাপ, চিনি –স্বাদমতো, নুডলস -১/২ কাপ, কাটা ফল – ২কাপ ( আংগুর/আপেল/আনার/কলা), বিভিন্ন বাদাম কুচি-১/৪ কাপ, জেলো-১ প্যাকেট, ভেনিলা আইসক্রীম।

    প্রনালি:

    দুধ ফুটিয়ে একটু ঘন করে নিন। এরপর এতে চিনি দিয়ে মিশিয়ে নিন। চিনি গলে  গেলে এতে সাবুদানা দিয়ে রান্না করুন। সাবুদানা প্রায় রান্না হয়ে এলে এতে নুডলস দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। সবটা রান্না হয়ে এলে নামিয়ে ঠাণ্ডা করে ফ্রিজে রাখুন।

    জেলো প্যাকেটের নিয়ম অনুযায়ী প্রস্তুত করে নিন। জেলো ছোট কিউব করে কেটে নিন। ফল কিউব করে কেটে চিনি-পানির মিশ্রণে মাখিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন, এতে ফল গুলো কালো হয়ে যাবে না।

    Sweet Faluda

    ফালুদা তৈরির সবচাইতে গুরুত্বপুর্ণ ধাপ হলো সাজানো। সুন্দর কাচের গ্লাস প্রস্তুত করতে হবে ফালুদার জন্য। প্রথমে  কয়েক রকমের ফল  রাখতে হবে গ্লাসে। এরপর ঠান্ডা সাবু এবং নুডলসের মিশ্রণ গ্লাসের তিন ভাগের এক ভাগ পুর্ণ করতে হবে। এরপর এর ওপরে দিতে হবে জেলো। একের বেশি রঙের জেলো থাকলে তা দেখতে সুন্দর লাগবে। এভাবে লেয়ার করে সম্পূর্ণ গ্লাস টি সাজাতে হবে।  সবার ওপরে আইসক্রিম, বাদামের মিশ্রণ এবং অল্প করে জেলো কুচি ও আনার দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন  করতে হবে  ঠান্ডা ঠান্ডা  ফালুদা।

    রেসিপি দিয়েছেন: ফাহিমা সুলতানা পারভীন।

  • রুই মাছের চপ

    রুই মাছের চপ

    উপকরণ :

    রুই মাছ : ৪ পিচ, আলু : ২ টা মাঝারি, আদা + রসুন  বাটা : ১ চা চামচ, মরিচ গুঁড়া : ১/২ চা চামচ, জিরা গুরা: ১ চা চামচ, কাবাব  মসলা: ১ চা চামচ, কাচা মরিচ : ১ টেবিল চামচ, লেবুর রস: ১টেবিল চামচ, ধনিয়া পাতা কুচি: ১ টেবিল চামচ, ডিম : ১ টা।, লবন: ১ চামচ, পিয়াজ ভাজা : ২ টেবিল চামচ, তেল : ভাজার জন্য পরিমাণ মতো। রুই মাছের চপ

    প্রনালি:

    একটা প্যানে মাছ গুলো সামান্য মরিচ গুঁড়া, হলুদ ও লবণ দিয়ে সিদ্ধ করে নিতে হবে । আর একটা  পাতিলে আলু সিদ্ধ করে নিন। মাছ গুলো থেকে কাটা বেছে নিতে হবে।আলু গুলো ভালো করে মথে নিন। তারপরে একে এক সব উপকরণ গুলো মিশিয়ে নিতে হবে। এবার  গোল গোল করে চপের মতো তৈরী করে  নিন। এভাবে একটা প্লেটে করে ডিপ ফ্রিজে রেখে  ফ্রোজেন করে রাখতে পারি। এখন চপ গুলো ডুবো তেলে ভেজে নিতে হবে। হয়ে যাবে রুই মাছের চপ। যেসব বাচ্চা রা বা বড় রা কাটার ভয়ে মাছ খায় না তাদের কে এভাব খাওয়ানো যেতে পারে। বাচচা দের টিফিনে ঝটপট দেওয়া যাবে। বাচ্চারা  বুঝতে পারবে না  এটা কিসের  চপ খাচ্ছে।

    রেসিপি দিয়েছেন : ফারজানা রহমান সুইটি, সুইট’স কিচেন।

  • বাটা মরিচে ইলিশ মাছের ঝোল

    বাটা মরিচে ইলিশ মাছের ঝোল

    উপকরণ:

    ইলিশ মাছ দেড় কেজি ১ টা, পেঁয়াজ কুঁচি-পেঁয়াজ বাটা ২ কাপ, লবন স্বাদ মত, হলুদের গুড়ো হাফ চামচ, মরিচ বাটা ২ চামচ, আদা বাটা হাফ চামচ, জিরো গুড়ো হাফ চামচ, টমেটো পেস্ট ১ কাপ, কাঁচা মরিচ ৪ টা, সয়াবিন তেল পরিমাণ মত, ফিসসস সামান্য, ধনিয়া পাতা কুঁচি, চিনি হাফ চামচ

    বাটা মরিচে ইলিশ মাছের ঝোল

    প্রস্তুতি  প্রণালী

    লেজ আর মাথা ছাড়া ইলিশ মাছের টুকরো নিতে হবে। কড়াইয়ে তৈল দিয়ে পেঁয়াজ কুঁচি ভেজে নিবো। এবার পেঁয়াজ বাটা, মরিচ বাটা, আদা-রসুন-বাটা, জিরা গুড়া, টমেটো পেস্ট, লবন, ফিসসস দিয়ে কষিয়ে নিতে হবে। কষানো হলে  দেখবেন তৈল উপরে উঠে আসছে। তখন ইলিশ মাছ দিয়ে দিন। মাছ দিয়ে আবারও মশল্লা সাথে ভালো করে কষিয়ে নিন। এবার ১ কাপ পানি দিয়ে কাঁচা মরিচ দিন ঢাকনা দিয়ে ঝোল কে ঘন করে নিন। ধনিয় পাতা কুঁচি দিয়ে নামিয়ে পরিবেশন করুন। বাটা মরিচে ইলিশ মাছের ঝোল।  বাটা মরিচ দিয়ে ইলিশের মাছ রান্না করলে এর স্বাদ দিগুণ বেড়ে যায়।

    রেসিপি দিয়েছেন: সাজিয়া ফেরদৌস, সাজিয়া’স কিচেন

  • শিশুকে ভরপুর এনার্জি দিতে যেসব খাবারে বেশি প্রাধান্য দিবেন

    শিশুকে ভরপুর এনার্জি দিতে যেসব খাবারে বেশি প্রাধান্য দিবেন

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক : শিশুর শরীরের যত্ন নিতে প্রতিদিনের খাওয়াদাওয়ার উপর নজর দেওয়া জরুরি। সন্তানের প্লেটে কী খাবার রাখছেন, তার উপর নির্ভর করছে শিশুর বিকাশ কত দ্রুত হবে। চকোলেট, আইসক্রিম, বাইরের নানা ধরনের খাবার খাওয়ার বায়না বাচ্চারা করেই থাকে। কিন্তু সেই খাবারগুলি আদতে শিশুর শরীরের ক্ষতি করে। তাই এই ধরনের খাবার থেকে শিশুকে দূরে রাখা একান্ত জরুরি। স্বাস্থ্যকর খাবারের তালিকা বেশ দীর্ঘ। কিন্তু কোন খাবারগুলি খাওয়ালে সুস্থ এবং সতেজ থাকবে সন্তান, তা জেনে নেওয়া দরকার।

    ডিম

    ডিমে প্রচুর মাত্রায় প্রোটিন রয়েছে। শিশুকে প্রাণবন্ত রাখতে প্রোটিনের ভূমিকা অপরিসীম। প্রতিদিনের খাবারে তাই ডিম রাখুন। একটি ডিমই শিশুর শরীরে প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল, সব কিছুর চাহিদা পূরণ করবে। প্রতি দিন একটি সেদ্ধ ডিম খাওয়ালে শিশুর শরীর ভাল থাকবে। এ ছাড়া ডিমের পোচ, অমলেটও মাঝেমাঝে খাওয়ানো যেতে পারে। এতে তাদের স্বাদবদল হবে।

    আলু

    শিশুর দৈনিক খাদ্যতালিকায় শুধু প্রোটিন বা ফাইবার নয়, কার্বোহাইড্রেটও রাখতেই হবে। কার্বোহাইড্রেটের সবচেয়ে ভাল উৎস হল আলু। আলুতে থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিড শিশুকে ভিতর থেকে চাঙ্গা রাখবে। তাই শিশুর নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন আলু। আলু সিদ্ধ করে সামান্য মাখন, নুন আর গোলমরিচ দিয়ে চটজলদি শিশুদের জন্য বানিয়ে ফেলুন ‘ম্যাশ্ড‌ পটেটো’।

    মুরগির মাংস

    প্রোটিনের অন্যতম সেরা উৎস হল মুরগির মাংস। এই খাবার শিশুর পেশি মজবুত করে। তবে প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় মুরগির মাংস রাখবেন না। সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন খাওয়াতে পারেন। সব রকম সব্জি দিয়ে মুরগির স্টু শিশুদের খাওয়ানো যেতে পারে।

    দুগ্ধ জাতীয় খাবার

    দুধ, দই এবং পনিরে রয়েছে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টির ভাল উৎস। অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োজন এমন বাচ্চাদের জন্য ডেইরী প্রোডাক্ট হতে পারে ভাল বিকল্প। পুডিং, পিজ্জা, পাস্তা ঘরে তৈরি করেই শিশুদের খুশি করে খাওয়াতে পারেন।

    ফল ও শাকসবজী

    ফল এবং শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, ভিটামিন এবং খনিজ থাকে যা বাচ্চাদের সুস্থ ও শক্তিমান রাখতে সাহায্য করে। আপেল, কলা, কমলা, ব্রোকলি এবং মিষ্টি আলু সবই ভালো বিকল্প। জুস, কাস্টার্ড বা বিভিন্ন মজাদার খাবার তৈরি করেও তাদের আগ্রহী করতে পারেন এসব স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়াতে।

    তথ্যসূত্রঃ ডব্লিউএইচও, বেটার হেলথ, কিডস হেলথ

  • হোয়াইট পাস্তা

    হোয়াইট পাস্তা

    উপকরণ :

    পাস্তা ২০০ গ্রাম, মুরগির মাংস-১ কাপ কুচি করা, বাটার ৩ টেবিল চামচ, রশুন কুচি ১ টেবিল চামচ, দুধ ২ কাপ, ময়দা ৩ টেবিল চামচ, লবন পরিমান মত, গোল মরিচ গুড়া ১ চা চামচ, পাস্তা প্যাকেট মসলা ১ প্যাকেট।

    প্রস্তুত প্রণালী: ফুটন্ত গরম পানিতে অল্প লবন দিয়ে পাস্তা ৪/৫ মিনিট সিদ্ধ করুন। সিদ্ধ পাস্তা ছাকনিতে রেছে ঠান্ডা খাবার পানি ঢেলে শীতল ও ঝর ঝরে করুন।

    একটি পাত্রে বাটার দিন বাটার গরম হলে তাতে রশুন কুচি দিয়ে ভাজুন। এবার কুচি করা মুরগির মাংস দিয়ে ভাজুন, মুরগির মাংস ভাজা হলে ময়দা দিয়ে ভাজুন, ময়দা ভাজা হলে তাতে দুধ ঢেলে দিন। ভালভাবে নাড়–ন দুধ ফুটে ঘন হয়ে এলে সিদ্ধ করা পাস্তাগুলো ছেড়ে দিন। এবার পাস্তার প্যাকেটের মসলা ও গোলমরিচের গুড়ো + লবন ছিটিয়ে দিন। সব একসাথে মিশে গেলে উপরে আর ১ চামুচ বাটার ছিটিয়ে দিন। হয়ে গেল মজাদার হোয়াইট পাস্তা।

    রেসিপি দিয়েছেন : পপি খান

  • কলিগদের সাথে হোক সামঞ্জস্যপূর্ণ ফর্মাল রিলেশনশিপ

    কলিগদের সাথে হোক সামঞ্জস্যপূর্ণ ফর্মাল রিলেশনশিপ

    আপনি বরাবরই হাসিখুশি, সকলের সঙ্গে মজা করতে ভালবাসেন। আর এই কারণে বন্ধুবান্ধব মহলে বেশ জনপ্রিয়। ভেবেছিলেন অফিসেও ঠিক এমনই থাকবেন। কিন্তু অফিস আর কলেজের মধ্যে যে কয়েক যোজন পার্থক্য আছে, তা আপনি আন্দাজও করতে পারেননি। প্রথমদিকে সকলের সঙ্গে বেশ মানিয়ে নিলেও আপনার ইমেজটাই হয়ে উঠল আপনার শত্রু। কেউ যেন আপনাকে সিরিয়াসলি নেয় না, পিছনেও নানা মন্তব্য করে। নিন্দুকেরও অভাব নেই। কেউ ভাবেন আপনি ফ্লার্টবাজ তো কারও মতে আপনি গায়ে পড়া। আর আপনি ভাবেন যে কাকে দোষ দেবেন, নিজেকে না সহকর্মীদের! আসলে অফিসে সহকর্মীদের সঙ্গে বন্ধুর এবং ফর্মাল রিলেশনশিপের সঠিক ব্যালেন্স বজায় রাখা এখানে খুব জরুরী।

    কী করবেন

    • কলিগদের সঙ্গে সম্পর্কের রসায়নে প্রধান উপকরণ প্রোফেশনালিজম। অফিস আওয়ার্সে কাজ যেন সবসময় আপনার টপ প্রায়োরিটি হয়। সহকর্মীদের সঙ্গে আলাপচারিতার সময়ও কাজ সংক্রান্ত আলোচনাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিন।
    • সহকর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখাটা খুবই প্রয়োজনীয়। দেখা হলে উইশ করা, প্রয়োজনে সাহায্য করা, হঠাৎ অ্যাবসেন্ট হলে ফোন করে খোঁজ নেওয়া- এ সবই একজন বন্ধু এবং কলিগ হিসেবে আপনার কর্তব্য, কিন্তু সকলের সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করাটা বোধহয় ঠিক নয়।
    • সফল টিমওয়ার্কের জন্যে নিজের ইগো নিয়ন্ত্রণে রাখা খুবই জরুরি। ছোটখাটো মন কষাকষি যেন ঝগড়ার পর্যায়ে না পৌঁছায় সে সম্পর্কে সতর্ক থাকুন।
    • অফিসে অবসর সময়টুকু শুধুমাত্র গসিপ করে ব্যয় করবেন না। ছোটখাটো মন্তব্য সবাই করে থাকেন কিন্তু সেটা অতিরঞ্জিত করে কুৎসা ছড়ানো কুরুচির পরিচয়। পিছনে সমালোচনা করার চেয়ে সোজাসুজি কথা বলে নেওয়া অনেক বেশি কার্যকর।
    • নিজস্ব ধ্যানধারণা অন্যের উপরে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন না। প্রত্যেকেরই কাজ করার নিজস্ব ধরন থাকে, সেই নিজস্বতাকে সম্মান করে চলুন।

    তথ্যসূত্রঃ আউরিস.কম

  • গার্লিক চিকেন

    গার্লিক চিকেন

    একঘেয়ে খাবারে  মাঝে মাঝেই  একটু ব্যতিক্রমি খাবার রুচির যেমন স্বাদ বাড়ায় তেমনি খাবারের আগ্রহ ও বাড়িয়ে দেয়। গার্লিক চিকেন হলো  চাইনিজ একটি খাবার । তবে  আমাদের দেশসহ সারা বিশ্বেই এখন এর জনপ্রিয়তা অনেক। গার্লিক চিকেন খুব সহজেই ঘরে তৈরি করে সবাইকে চমকে দেয়া খুব সহজ। চলুন দেখি রেসিপি টি কিভাবে তৈরি করা যায়।

    উপকরণ  ও পরিমাণ :

    বোনলেস চিকেন  পাতলা স্লাইস- ৬ পিস, লবন-স্বাদমতো, কালো গোলমরিচ গুড়া-হাফ চা চামচ, লেবুর রস-এক চা চামচ।

    উপরের উপকরন গুলি ভালো করে মাখিয়ে মেরিনেট করে রাখতে হবে পরে বাটার-তিন টেবিল চামচ, রসূন কুচি-দুই চা চামচ, ফেশ ক্রিম-দুই টেবিল চামচ, চিকেন স্টক-দুই টেবিল চামচ, চিকেন পাউডার-এক চা চামচ, লবন-স্বাদমতো, চিনি-এক চিমটি।

    গার্লিক চিকেন
    জিনিয়া ইসলাম

    সাজানোর জন্য:

    ধনে পাতা কুচি -এক টেবিল চামচ, লেবু স্লাইস দুই পিস-সস   সামান‍্য

    প্রস্তুত প্রণালি:

    প্রথমে প্যানে বাটার দিতে হবে। মেরিনেটেড চিকেনের পিস গুলো বাটারে ভেজে নিতে হবে। দুপাশে লাল হলে নামিয়ে নিবো। তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন পুড়ে না যায় এবং বেশি কুক না হয়। ভাজা হলে নামিয়ে নিবো।

    এখন প্যানে আরেকটু বাটার দিয়ে রসূন কুচি দিবো। একটু নেড়ে তাতে চিকেন স্টক দিবো। লবন দিবো। চিকেন পাউডার দিবো। এরপর ফ্রেশ ক্রিম দিবো। চিনি দিবো। হালকা নেড়ে তাতে চিকেন ভাজা পিস গুলো ঢেলে দিবো। গ্রেভি ঘন হবে। চিকেনের গায়ে লেগে গেলে নামিয়ে নিবো। উপরে ধনে পাতা কুচি চিটিয়ে দিবো।

     

    রোস্টেড পাউরুটি বা রুমালি রুটি বা ফ্রাইড রাইসের সাথে পরিবেশন করুন খুব মজার গার্লিক চিকেন।

    রেসিপি দিয়েছেন: জিনিয়া ইসলাম

  • কাটা গলানো ইলিশ রান্না

    কাটা গলানো ইলিশ রান্না

    কাটার ভয়ে যারা মাছ খেতে ভয় পান বা বাচ্চাদের কাটার ভয়ে মাছ খাওয়ান না, তাদের জন্য স্বস্তিদায় এক রেসিপি এটি।

    *ইলিশ মাছ- ৪টুকরা *পেঁয়াজ বাটা-২টেবল চামচ *পেঁয়াজ কুঁচি -১টেবল চামচ *টকদই -১টেবল চামচ *সিরকা ১চা চামচ *সরিষার তেল-১/৪ কাপ *লবন- স্বাদ মত *হলুদ গুড়া-১/২ চা চামচ  *মরিচ গুড়া-১/২ চা চামচ *ধনে গুড়া-১/২ চা চামচ *আদা রসুন বাটা -১/২ চা চামচ *কাঁচা মরিচ -৩/৪টা *পানি-১ কাপ

    কাটা গলানো ইলিশ রান্না
    কানিজ ফাতেমা রুমা

    মাছ ও কাঁচা মরিচ বাদে সব মশলা এক সাথে মিশিয়ে নিতে হবে।এর পর মাছ গুলোও মশলায় মাখিয়ে উঠিয়ে নিন। এবার প্রেশার কুকারে  মাছ গুলো বিছিয়ে দিন। মশলা গুলো উপরে ঢেলে দিন।মশলার পাত্রে ১কাপ পানি দিয়ে ধুয়ে পানি কুকারে দিয়ে ঢাকনা বন্ধ  করে নিন। এবার চুলা হাই হিট এ ১০ মিনিট রেখে কম আচে ১ ঘন্টা রান্না করে নিতে হবে। ভয় নেই মাছ গলবে না। মাছগুলো সাবধানে উঠিয়ে নিতে হবে। ঝোলে কাঁচা মরিচ দিয়ে জ্বাল দিয়ে ঝোলটা ঘন করে নিতে হবে নিজের পছন্দ মত। এবার মাছ দিয়ে কিছুখন জ্বাল দিয়ে নামিয়ে নিতে হবে। গরম ভাতে খুবই দারুণ লাগে খেতে। কোনো কাটা লাগবে না। মাছের সাথে কাটা মিশে যাবে। বাচ্চারাও খেতে পারবে অনায়াসে।

    রেসিপি দিয়েছেন : কানিজ ফাতেমা রুমা

    রুমা’স কিচেন।

  • দীর্ঘ সময় ধরে টাটকা খাবার না খেলে ভিটামিন সির অভাব দেখা দেয়

    দীর্ঘ সময় ধরে টাটকা খাবার না খেলে ভিটামিন সির অভাব দেখা দেয়

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: ম্যাগেলান অভিযানের পর একটি বিষয় প্রতিয়মান হয়েছে যে দীর্ঘ সময় ধরে কোন ব্যক্তি যদি, টাটকা খাবর না খায় তাহলে ভিটামিন সির অভাব দেখা দেয় । দেখা গেছে ১৫শ শতকের অভিযাত্রী ম্যাগেলান এবং এলকানো আনুমানিক ২৫০ জন নাবিক নিয়ে সমুদ্র যাত্রা শুরু করেন। পাঁচশো বছরেরও বেশি সময় আগের ওই অভিযানে মাত্র ১৮ জন পৃথিবীর প্রদক্ষিণ করতে পেরেছিলেন।

    কেননা ওই সমুদ্রযাত্রার সময় একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছিল স্কার্ভি রোগ। এটি এমন এক রোগ যা দীর্ঘ সময় ধরে টাটকা খাবার না খাওয়ার কারণে দেখা দেয়।

    গবেষণায় দেখা গেছে ভিটামিন সি-যুক্ত খাবার খেলে স্কার্ভি রোগের মাত্রা কমে যায়। কিন্তু মানুষের শরীরে ভিটামিন সি সংশ্লেষণের পথ থাকলেও তা অসম্পূর্ণ। অর্থাৎ মানবশরীর ভিটামিন সি উৎপাদন করতে পারে না। এ কারণে ভিটামিন সি আমাদের টাটকা খাবার থেকে গ্রহণ করতে হয়।

    সেইসাথে মানবদেহ, প্রোটিন, কোলাজেনের মতো অপরিহার্য উপাদান সংশ্লেষ করতে পারে না, যা আমাদের অনেক ধরণের টিস্যুর স্থিতি বজায় রাখতে এবং পুনরুজ্জীবিত করতে খুবই জরুরি।

    কিন্তু বিড়ালের সাথে এমনটা ঘটে না, এই প্রাণী নিজেরাই নিজেদের প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি সংশ্লেষ করতে সক্ষম, তাই তারা কখনই স্কার্ভি রোগে ভোগে না।

    সূত্র : বিবিসি বাংলা

  • গরমের সেরা ডায়েটে তালের শাঁস রাখুন

    গরমের সেরা ডায়েটে তালের শাঁস রাখুন

    তাল বাংলাদেশের অত্যন্ত সুপরিচিত একটি ফলজ বৃক্ষ। । কচি তালবীজ সাধারণত তালশাঁস নামে পরিচিত যা বিভিন্ন প্রকার খনিজ উপাদান ও ভিটামিনে পরিপূর্ণ। মিষ্টি স্বাদের কচি তালের শাঁস শুধু খেতেই সুস্বাদু নয় বরং পুষ্টিতে ও ভরপুর। এ সব পুষ্টি উপাদান আমাদের শরীরকে নানা রোগ থেকে রক্ষা করা সহ রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।

    আপনি যদি গ্রীষ্মে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং মোটা হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যায় ভুগে থাকেন, তাহলে টেনশন ছেড়ে আপনার খাদ্যতালিকায় তালের শাঁসকে যুক্ত করুন। হ্যাঁ, তালের শাঁস শুধুমাত্র শরীরকে হাইড্রেটেড এবং ঠান্ডা রাখবে না বরং আপনার ওজন কমাতেও সাহায্য করবে। এর ইংরেজি নাম আইস আপেল। এতে ভিটামিন বি, আয়রন, জিঙ্ক, পটাসিয়াম, ফসফরাস, ক্যালসিয়ামের মতো অনেক গুণ রয়েছে যা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক আশ্চর্যজনক উপকারিতা প্রদান করে৷ জেনে নিন তালের শাঁস স্বাস্থ্য উপকারিতা কী কী-

    ওজন কমে: তালের শাঁস ওজন কমাতে সাহায্য করে। এতে ক্যালরির পরিমাণ কম এবং জলের পরিমাণ বেশি থাকায় এটি মানুষের পেট দীর্ঘক্ষণ ভরা রাখে। এই কারণেই লোকেরা এটিকে তাদের ওজন কমানোর যাত্রায় অন্তর্ভুক্ত করে। এই ফলটিতে উপস্থিত ফাইবার হজমে উন্নতি করে এবং সঠিক বিপাক বজায় রাখে৷

    শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে: তালের শাঁস শীতল প্রভাবের কারণে এটি শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। গরমে অতিরিক্ত ঘামের কারণে শরীরে জলের অভাব হতে পারে। যে কারণে ত্বকে জ্বালাপোড়া ও জলশূন্যতার সমস্যা দেখা দিতে শুরু করে। তালের শাঁস খেলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার সেরা উপায় হতে পারে।

    ডায়াবেটিস: এছাড়াও, তালের শাঁসে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম থাকায় এটি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। ডায়াবেটিস রোগীরাও এই ফল খাওয়ার মাধ্যমে তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারেন৷

    ত্বকের সমস্যা: তালের শাঁস ত্বকেরও বিশেষ যত্ন নেয়৷ ফুসকুড়ি এবং হিট র‍্যাশের মতো ত্বকের সমস্যা এই ফল খেলে এড়ানো যায়৷ এতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য ত্বকের প্রদাহ এবং জ্বালা কমাতে সাহায্য করে।

    পানি শূন্যতা এবং ক্লান্তি দূর করে: প্রায় ৯৩% বিভিন্ন প্রকার ইলেকট্রোলাইট সমৃদ্ধ পানি ও প্রাকৃতিক জিলেটিন থাকে। জ্যৈষ্ঠ মাসের গরমে পরিশ্রান্ত কর্মজীবী মানুষেরা তালের শাঁস খেলে দেহকোষে অতিদ্রুত ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্সের মাধ্যমে শরীরে পুনরুদন প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং আমাদের শরীরকে ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা দূর করে প্রাকৃতিকভাবে ক্লান্তিহীন রাখে । এ কারণে তালের শাঁসকে অনেক পুষ্টিবিদ প্রাকৃতিক শীতলীকারকও বলে থাকেন।

    তথ্যসূত্রঃ আজতাক.ইন ও এআইএস.গভ.বিডি