Category: লাইফস্টাইল

  • রান্না: ব্ল্যাক পিপার চিকেন কারি

    রান্না: ব্ল্যাক পিপার চিকেন কারি

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ১০ জানুয়ারি, ২০২৪: শীতের সময় মজাদার রান্নাগুলির মধ্যে অন্যতম হচ্ছে “ব্ল্যাক পিপার চিকেন কারি”। এবার এই রান্নার রেসিপি ও রন্ধন প্রাণালি নিচে দেওয়া হলো।

     

    উপকরণ: চিকেন মেরিনেশনের জন্য-

    চিকেন-২০০ গ্রাম, লবণ-স্বাদমত, ডিম-১টা (সাদা অংশ), র্কনফ্লাওয়ার-১.৫ টেবিল চামচ, তেল-ভাজার জন্য

    প্রথমে মাংস পাতলা স্লাইস করে কাটতে হবে।এরপর উপরের তেল বাদে সকল উপকরণ দিয়ে মাংস মেরিনেশন করতে হবে এবং ১০ মিনিট রেস্টে রাখতে হবে।এরপর ডুবো তেলে মাংস ভেজে নিতে হবে। রংটা ব্রাউন হলে তুলে নিতে হবে।

    রিসিপি দিয়েছেন- আইরিন মিমি (২)
    রিসিপি দিয়েছেন- আইরিন মিমি (২)

    উপকরণ: চিকেন রান্নার জন্য-

    র্কনফ্লাওয়ার-১ টেবিল চামচ, তেল-২ টেবিল চামচ, পেয়াজ-৪৫ গ্রাম, রসুন চপ-১ টেবিল চামচ, ক্যাপসিক্যাম-৫০গ্রাম, শুকনো মরিচ-৩টা, কাঁচা মরিচ -৩০গ্রাম, পানি-২৫০গ্রাম, চিকেন পাউডার-১ টেবিল চামচ, লবন-স্বাদমত, কালো গোলমরিচ-১/২ টেবিল চামচ, সয়াসস -১ টেবিল চামচ, ওয়েসটারসস-১ টেবিল চামচ।

     

    প্রণালী :প্রথমে র্কনফ্লাওয়ার পানি দিয়ে গুলিয়ে রাখতে হবে এরপর চুলাতে প্যান বসাতে হবে।প্যানে তেল গরম হলে চপ করা রসুন দিতে হবে।এরপর পেয়াজ,মরিচ,ক্যাপসিক্যাম দিয়ে নাড়তে হবে।এরপর পানি দিয়ে চিকেন পাউডার, লবন,সয়াসস,ওয়েসটারসস,এবং কালোগোল মরিচ এবং মাংস দিয়ে কষিয়ে ২মি পরে গোলানো র্কনফ্লাওয়ার দিয়ে ১মিনিট পরে নামিয়ে নিতে হবে।এরপর পরিবেশন করতে হবে।

    রিসিপি দিয়েছেন: আইরিন মিমি

  • রান্না : মজাদার লইট্টা শুটকী ভুনা

    রান্না : মজাদার লইট্টা শুটকী ভুনা

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩: বাঙ্গালিদের কাছে শুটকী একটি জনপ্রিয় খাবার। শুটকী বিভিন্ন ভাবে রান্না করা যায়। অনেকে পিঠার সঙ্গে শুটকীর চাটনি খেয়ে থাকেন। আজ থাকছে শুটকী রান্নার রেসিপি।

    কানিজ ফাতেমা রুমা - লাইফস্টাইল (২)
    কানিজ ফাতেমা রুমা – লাইফস্টাইল (২)

    উপকরণ:

     

    লইট্টা শুটকী-১ কাপ (টেলে সিদ্ধ করে, কাটা বেছে চটকে নিতে হবে), পিয়াজ কুচি-১/২ কাপ, রসুন বাটা-১/২ চা চামচ, মরিচ গুড়া-২ চা চামচ, হলুদের গুড়া-১/২ চা চামচ, লবন-স্বাদ মত, তেজপাতা-১ টা, কাচা মরিচ-২টা, লাউ বা পুই পাতা-৪/৫ টা (ছোট টুকরা করে ছিরে নিতে হবে), তেল-১/৩ কাপ, ডিম-১ টি

     

    প্রণালী:

    কড়াইতে তেল দিয়ে পিয়াজ ভেজে নিতে হবে। রসুন বাটা, হলুদ মরিচ গুড়া,তেজপাতা ও লবন দিয়ে মশলা কষিয়ে নিয়ে চটকে রাখা শুটকী ও লাউ পাতা দিয়ে ভালোমত রান্না করতে হবে। এ রান্নায় কোনো পানি দেয়া লাগবে না।  শুটকী রান্না হয়ে গেলে ১ টা ফেটানো ডিম দিয়ে ভালোমত মিশিয়ে ভাজা ভাজা হলে নামিয়ে নিতে হবে। এবার গরম গরম ভাতের সাথে  পরিবেশন করুন ভিন্ন স্বাদের শুটকী রান্না।

     

    রেসিপি দিয়েছেন: কানিজ ফাতেমা রুমা

  • বেশি লবণ খেলে হৃদরোগ, গ্যাস্ট্রিক, ক্যান্সার, হাড় ক্ষয় ও কিডনি রোগ হয়

    বেশি লবণ খেলে হৃদরোগ, গ্যাস্ট্রিক, ক্যান্সার, হাড় ক্ষয় ও কিডনি রোগ হয়

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৩: অতিরিক্ত মিষ্টি খেলে ডায়াবেটিস রোগ মানুষের শরিরে বাসা বাঁধে। আর এই ডায়াবেটিস হচ্ছে সকল রোগের কারণ। ঠিক তেমনি অতিরিক্ত লবণ খেলে হৃদরোগ, গ্যাস্ট্রিক, ক্যান্সার, হাড় ক্ষয় ও কিডনি রোগ হয়। আবার লবণ ছাড়া কোন খবারের স্বাধ বাড়ে না। তাই খাবারের সঙ্গে লবনের একটা নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু পুষ্টিবিদরা বলছেন, অতিরিক্ত লবণ খাওয়ার কিছু নেতিবাচক দিকও রয়েছে। কারণ লবণের একটি উপাদান হচ্ছে সোডিয়াম। যেটি অতিরিক্ত মাত্রায় গ্রহণ করলে নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

     

    বেশি লবণ খেলে কী হয়?

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, অতিরিক্ত সোডিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খেলে উচ্চ রক্তচাপ বাড়ে। এছাড়া হৃদরোগ, গ্যাস্ট্রিক ক্যান্সার, স্থূলতা, অস্টিওপরোসিস বা হাড় ক্ষয়, মেনিয়ার ডিজিজ নামে এক ধরনের কানের রোগ, এবং কিডনি রোগ দেখা দিতে পারে। এক গবেষণায় দেখা গেছে প্রতি বছর বিশ্বে ১৮ লাখ ৯০ হাজার মৃত্যুর জন্য অতিরিক্ত সোডিয়াম গ্রহণ দায়ী। কেননা অতিরিক্ত সোডিয়াম গ্রহণ উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের অন্যতম প্রধান কারণ।

    যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ এনএইচএস বলছে, অতিরিক্ত লবণ খেলে উচ্চ রক্তচাপ দেখা দেয়। যার কারণে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির জনস্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, মানবদেহে স্নায়ুতে সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখা, মাংসপেশি সংকোচন ও শিথিল করতে এবং দেহে পানি ও খনিজের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য অল্প পরিমাণ সোডিয়াম দরকার। এই কাজগুলো ঠিকঠাক রাখতে আমাদের দৈনিক ৫০০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম দরকার। তবে খাবারে অতিরিক্ত সোডিয়াম উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এছাড়া এর কারণে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। এমনকি হাড় থেকেও ক্যালসিয়াম শুষে নিতে পারে সোডিয়াম।

    পুষ্টিবিদরা বলেন, ‘একজন সুস্থ-স্বাভাবিক মানুষের জন্য সোডিয়াম ক্লোরাইড বা খাবার লবণ দরকারি এবং অবশ্যই এটা আয়োডিন যুক্ত হতে হবে।’

    তবে মানুষের জীবনে ব্যস্ততা বাড়ার কারণে এখন অনেকেই প্রক্রিয়াজাত খাবার খেয়ে থাকেন যেগুলোতে অতিরিক্ত পরিমাণ লবণ থাকে। আর অতিরিক্ত লবণ দেহের জন্য ক্ষতিকর কারণ এতে সোডিয়ামের মাত্রাও বেশি থাকে।

    আর এর কারণে আমাদের যেকোন রোগ খুব দ্রুত সংক্রমিত হয়। এরমধ্যে রয়েছে উচ্চ রক্তচাপ। এছাড়া সংক্রামক নয় এমন রোগ যেমন ডায়াবেটিস ইত্যাদি বাড়ছে।

    তাইবলে এই খাবারে লবণ একেবারেই এড়িয়ে চলতে হবে। লবণ না খেলেও আবার এর ঘাটতি দেখা দিতে পারে যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। আবার লবণ খেলেও সেটা যাতে আয়োডিন যুক্ত হয় সেটি মাথায় রাখতে হবে।

    যদি লবণ বেশি খাওয়া হয় সেক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করবে হার্ট ও কিডনি রোগীদের ক্ষেত্রে। বিশেষ করে যারা কিডনি রোগে ভুগছেন, নিয়মিত ডায়ালাইসিস করাতে হচ্ছে- এমন রোগীদের জন্য সোডিয়াম, পটাসিয়াম ও ফসফেট রোগের তীব্রতা বাড়িয়ে দিতে পারে। এগুলো (রক্তের একটি উপাদান যার স্বাভাবিক মাত্রা ১.৮ থেকে ১.৯) লেভেলকে ইনক্রিজ করে ফেলছে, কিডনি ড্যামেজ করে ফেলছে এবং যাদের ব্লাড

    পুষ্টিবিদরা আরও, যাদের ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ আছে এবং সেগুলো নিয়ন্ত্রণে নেই, তাদের কিডনি সম্পর্কিত জটিলতা না থাকলেও সোডিয়াম ও পটাসিয়াম বেশি থাকলে ক্রিয়েটিনিন লেভেল বেড়ে যাওয়ার কারণে তাদের কিডনি রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। হার্টের রোগের মধ্যে ব্লাড প্রেশারটা হচ্ছে প্রথম স্টেপ। এরপর কোলেস্টেরল বাড়ছে এবং এরপর আমাদের হার্টের অ্যাটাক, স্ট্রোক হচ্ছে।

    তাই আমাদের দৈনন্দিন খবারে লবণ যেমন প্রয়োজন ঠিক তেমনি অতিরিক্ত লবণ বিভিন্ন রোগের কারণ হতে পারে।

    মানুষ নিজের অজান্তেই বেশি লবণ খেয়ে ফেলে যা আসলে নিয়ন্ত্রণে আনাটা দরকার। আমরা যে পরিমাণ লবণ খায় তার তিন-চতুর্থাংশ আসে প্যাকেটজাত বিভিন্ন খাবার যেগুলো আমরা কিনে খাই তা থেকে। যেমন বিভিন্ন রকমের রুটি, সকালের নাস্তার সিরিয়াল, মাংসজাত পণ্য এবং প্রস্তুতকৃত খাবার থেকে। যদিও এসব খাবার খাওয়ার সময় লবণাক্ত মনে হয় না। এছাড়া রেস্তোরা বা ক্যাফের খাবার এবং বিভিন্ন ধরনের ফাস্টফুডেও প্রচুর পরিমাণ লবণ থাকে।

    যেসব খাবার সম্পর্কে সচেতন হওয়া দরকার তার মধ্যে রয়েছে সসেজ, প্রক্রিয়াজাত মাংস, পেস্ট্রি, পিজ্জা, পনির, চিপস ও লবণ বা মশলা দেয়া বাদাম, বিভিন্ন ধরনের সস, কেচাপ ও সয়াসস। এগুলোতে প্রচুর পরিমাণে লবণ দেয়া থাকে।

    তাই আমরা অজান্তেই যেন লবণ বেশি না খেয়ে ফেলি সেদিকে সবার দৃষ্টি দেওয়া উচিৎ।

    পুষ্টিবিদরা বলছেন, সুস্থ মানুষদের ক্ষেত্রে পটাসিয়ামের মাত্রা ঠিক রাখতে হবে। এক্ষেত্রে ফলমূল, শাকসবজি বেশি করে থাকতে হবে। বিশেষ করে সাইট্রাস ফ্রুট বা টক জাতীয় খাবারে পটাসিয়ামের মাত্রা বেশি থাকে।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • রান্নার : হালিম

    রান্নার : হালিম

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩: হালিম একটি জনপ্রিয় খাবার। সারাবছর কম পাওয়া গেলেও রামাদানে এবং শীতকালে  হালিমের জনপ্রিয়তা অনেক। মধ্যপ্রাচ্যে  এর জন্ম হলেও ভারত পাকিস্তান বাংলাদেশেও এখন এটা চাহিদার শির্ষেই বলা যায়। চলুন দেখি এই মজাদার হালিম কিভাবে খুব সহজেই ঘরে বানিয়ে খাওয়া যায়।

    জিনিয়া ইসলাম- লাইফস্টাইল
    জিনিয়া ইসলাম- লাইফস্টাইল

    উপকরণ :

    পোলাও চাল-৪০ গ্রাম, মুগ ডাল (ভেজে নেয়া)-৪০ গ্রাম, মুসুর ডাল-৪০ গ্রাম, ছোলার ডাল-৪০ গ্রাম, মাষকালাই-৪০ গ্রাম, খেসারি ডাল-৪০ গ্রাম, ওটস-১/২ কাপ, পানি গরম-৩/৪ কাপ।

    উপরের উপাদান গুলির সবই ব্লেন্ডারে একটু গুড়ো করে নিতে হবে। ওটস ছাড়া। এখন একটা পাত্রে উপাদানের গুড়া  এবং ওটস  এর মধ্যে গরম পানি ঢেলে ভালো করে মিশিয়ে নিবো। ঢেকে রাখবো প্রায় ১৫/২০ মিনিট।

     

    হালিমের মসলা :

    গোটা ধনিয়া-১ টেবিল চামচ, গোটা জিড়া-১ টেবিল চামচ, মেথি-১/২ চা চামচ, সরিষা (দুই রকম)-১ চা চামচ করে, গোল মরিচ-১ চা চামচ, এলাচ-৪/৫ টা, দাড়চিনি-২/৩ টা, বড় এলাচ-১ টা, লং-৬/৭ টা, জায়ফল চার ভাগের এক ভাগ, জয়ত্রী একটির অর্ধেক অংশ, তেজপাতা-২/৪ টা (এই উপাদান গুলি টেলে গুড়া করে নিতে হবে।) লাল মরিচ গুড়া-১ টে চামচ, হলুদ গুড়া-১চা চামচ, বিট লবন-১ চা চামচ, গুড়া মসলায় মিশিয়ে নিবো।

     

    অন্যান্য উপকরণ:

    গরু বা খাসি মাংস-১, ১/২ কেজি, পিয়াজ-১ কাপ, আদা বাটা-২ টে  চামচ, রসূন বাটা-২ টে চামচ, তেল           -১ কাপ, লবন-স্বাদমতো, গরম মসলা গুড়া-১চা চামচ,  হলুদ গুড়া-২ টে চামচ, মরিচ গুড়া-১, ১/২ টে চামচ, ধনিয়া গুড়া-১ চা চামচ, জিড়া গুড়া-১চা চামচ।

     

    প্রস্তুত প্রণালি:

    মাংসের  সাথে সব মসলা মাখিয়ে চুলায় দিতে হবে। আচ মিডিয়াম থাকবে। মাংস সেদ্ধ হলে হালিমের যে গুড়া মসলা করে রেখেছিলাম সেটার অর্ধেক অংশ মাংসে  মিশিয়ে ঢিম আচে রেখে দিতে হবে। এখন মাংসতে চালডালের মিশ্রন দিবো । ভালো করে নাড়তে হবে যাতে পাতিলে লেগে না যায় বা পুড়ে না যায়। মাংস ও চাল ডাল সেদ্ধ হলে  ঘন হলে তেল উপরে আসলে বাকি যে হালিমের মসলা ছিলো ওটা ঢেলে ভালো করে নেরে নিবো। পাচ মিনিট দমে রাখলে তেল উপরে আসলে নামিয়ে নিবো।

    একটা প্যানে ২ টেবিল চামচ তেল দিয়ে তাতে ১,১/২ চা চামচ জিড়া ও শুকনা মরিচ ভেজে নিবো।  বাটিতে ঢেলে তাতে  শুকনা মরিচের ফোড়ন ঢেলে বেরেস্তা কাচামরিচ কুচি ধনিয়া পাতা কুচি আদা কুচি লেবু স্লাইস করে সাজিয়ে গরম গরম  হালিম পরিবেশন করা হয়।

     

    রেসিপি দিয়েছেন: জিনিয়া ইসলাম

  • রান্না: চিকেন ভেজিটেবল চপ

    রান্না: চিকেন ভেজিটেবল চপ

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ১০ ডিসেম্বর, ২০২৩ : সাধারণত চপ এমন একটি খাবার যা বিরিয়ানি, পোলাও বা তেহারির সঙ্গে খাবওয়া যায়। তাছাড়া বিকেলের হালাকা নাস্তা হিসেবে চিকেন ভেজিটেবল চপের তুলনা হয়না। এবার দেওয়া হলো এই চপের রেসিপি।

     

    উপকণ:

    চিকেন কিমা সিদ্ধ-১/২ কাপ, আলু সিদ্ধ করে ম্যাশ করে নেয়া-২ টা, ফুল কপি সিদ্ধ করে ম্যাশ করে নেয়া-১/৪ কাপ, গাজর সিদ্ধ করে ম্যাশ করে নেয়া-১/৪ কাপ, সিদ্ধ ডিম কুচি-১ টা, পেয়াজ বেরেস্তা-২ টেবিল চামচ, কাচা মরিচ কুচি-১ চা চামচ, ধনে পাতা কুচি-১ চা চামচ, লবন-পরিমাণ মতো, বিস্কিটের গুড়া-পরিমাণ মতো, ফেটানো ডিম-১ টা, ভাজার জন্য তেল-পরিমাণ মতো।

    নুঝহাত দিবা - লাইফস্টাইল - ১০ ডিসেম্বর ২০২৩ (২)
    নুঝহাত দিবা – লাইফস্টাইল – ১০ ডিসেম্বর ২০২৩ (২)

    প্রণালি:

    ফেটানো ডিম এবং  বিস্কিটের গুড়া বাদে সব উপকন এক সাথে মেখে, চপ এর আকারে শেপ দিয়ে ফেটানো ডিম এ ডুবিয়ে  বিস্কিটের গুড়ায় গড়িয়ে নিয়ে তেলের মধ্যে ভেজে নিব। সস এর সাথে গরম গরম পরিবেশন করবো।

    রেসিপি দিয়েছেন: নুঝহাত দিবা

  • রান্না – বক ফুলের পাকোড়া

    রান্না – বক ফুলের পাকোড়া

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ৫ ডিসেম্বর, ২০২৩: হেমন্তের এই হালকা শীতের বিকেলে কিছু হালকা নাস্তা তৈরি করে চায়ের সঙ্গে খেতে বেশ ভালো লাগে।  তাই বিকেলের নাস্তায় তৈরি করতে পারেন এই  বক ফুলের পাকোড়া।  গ্রামবাংলার অতি পরিচিত বক ফুল। বকের ঠোঁটের মতো লম্বা আর সাদা রংয়ের হওয়ায় একে বক ফুল বলে। শুভ্রসাদা বক ফুল দেখতে যেমন সুন্দর খেতেও ভীষণ মজা। খেতে খুবই সুস্বাদু এই বক ফুলের পাকোড়া। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক বক ফুলের পাকোড়া তৈরির রেসিপিটি-

    ফারজানা বাতেন - রান্না- লাইফস্টাইল - ৫ ডিসেম্বর ২০২৩ (২)
    ফারজানা বাতেন – রান্না- লাইফস্টাইল – ৫ ডিসেম্বর ২০২৩ (২)

    উপকরণ: ,

    চালের গুঁড়া-আধা কাপ, বকফুল-আট থেকে দশটি, ময়দা-পাঁচ থেকে ছয় চা চামচ,   সামান্য-বেসন, হলুদ গুঁড়া-আধা চা চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া-পরিমাণ মতো, লবণ স্বাদ-মতো, তেল-প্রয়োজন মতো, পানি-প্রয়োজন মতো।

     

    প্রণালী:

    প্রথমে বকফুলের ভেতরের যে শিরা থাকে সেটাকে ফেলে দিন। এবার ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। একটি বাটিতে একে একে সব উপকরণ দিয়ে ভালো করে মেশান। এবার অল্প অল্প পানি দিয়ে ঘন ব্যাটার তৈরি করুন। প্যানে মাঝারি আঁচে তেল গরম করুন। একটা একটা বকফুল নিয়ে ঘন ব্যাটারে ডুবিয়ে লাল করে ভেজে কিচেন টিস্যুর উপর তুলে নিন। সসের সঙ্গে পরিবেশন করুন মজাদার ”বক ফুলের পাকোড়া”।

     

    রেসিপি দিয়েছেন: ফারজানা বাতেন

  • বাঁশ গাছকে বলা হয় প্রাকৃতিক এসি খাদ্য হিসেবেও অনন্য

    বাঁশ গাছকে বলা হয় প্রাকৃতিক এসি খাদ্য হিসেবেও অনন্য

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ৪ ডিসেম্বর, ২০২৩: বাঁশ কোন গাছ নয়। এটি মূলত এক  ধরণের ঘাস এবং সব সময় থাকে চীর সবুজ। বাঁশের রযেছে বিভিন্ন গুণ। এটাকে একদিকে যেমন বলা হয় প্রাকৃতিক এসি অন্যদিকে এটা খাদ্য হিসেবেও ব্যবহার করা হয়। অতীতে বাঁশ দিয়ে বাড়িঘর নির্মাণ করা হতো, তাছাড়া বাঁশ দিয়ে নিত্য ব্যবহার্য পণ্য, বস্ত্র ও কাগজ শিল্পেও ব্যবহার করা হয়। ‍এর শিকড় মাটির ভাঙ্গন রোধ করে। শুধু তাই নয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলার পাশাপাশি এই বাঁশ দিয়ে তৈরি হচ্ছে নানা ধরণের প্রসাধনী সামগ্রী। টমাস আলভা এডিসন যে বৈদ্যুতিক বাতি আবিষ্কার করেছিলেন সেটার মধ্যেও কিন্তু বাঁশের ফিলামেন্ট ব্যবহার করা হয়েছিল। এত গুন থাকা পরেও বাঁশকে অনেক সময় নেতিবাচক উপমা হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

    পৃথিবীতে ৩০০ প্রজাতির বাঁশ রয়েছে, তার মধ্যে বাংলাদেশ বন গবেষণা ইন্সটিটিউট ৩৩ প্রজাতির বাঁশ সংরক্ষণ করেছে। এরমধ্যে রয়েছে— মুলি, তল্লা, আইক্কা, ছড়িসহ নানা প্রজাতির বাঁশ।

    জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার এক রিপোর্ট অনুযায়ী, বাঁশের প্রজাতি ও বৈচিত্র্যের দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বে অষ্টম অবস্থানে রয়েছে, প্রথম স্থানে আছে চীন।

    চীনের সভ্যতায় বাঁশকে শুভশক্তি ও সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। একারণে চীনা সংস্কৃতির সর্বত্র রয়েছে বাঁশের ব্যবহার। তারা মনে করে বাঁশ নেগেটিভ এনার্জিকে প্রতিহত করতে পারে।

    সে যাই হোকনা কেন আমরা এখন জেনে নিব বাঁশের এমন নানা উপকারিতার কথা।

     

    খাদ্য হিসেবে বাঁশ অনন্য প্রসাধনীও তৈরি হয়:

    খাদ্য হিসেবেও বাঁশ ব্যবহৃত হচ্ছে। পুষ্টি উপাদান ও মুখরোচক স্বাদের জন্য পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষের কাছে খাবার বাঁশ কোড়ল নামে পরিচিত।

    এর তৈরি স্যুপ, সালাদ, তরকারি বেশ জনপ্রিয়। সাধারণত বাঁশের অঙ্কুরোদগম হওয়ার পর চার থেকে ছয় ইঞ্চি পর্যন্ত যে কচি বাঁশ হয় সেটাই রান্না করে খাওয়া যায়। আবার বাঁশ পাতা দুধ টাটকা রাখতে এবং চায়ের মধ্যে দিয়েও খাওয়া যায়। পুষ্টিবিদরা জানিয়েছেন, রান্না করা বাঁশে ফাইবার, প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, পটাসিয়াম, ভিটামিন ই, আয়রন পাওয়া যায় যা শরীরকে চাঙ্গা রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ করে। খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে বাঁশ হার্টের জন্য ভালো। ফাইবার থাকায় এটি কোষ্ঠকাঠিন্যে উপশম দেয় এবং হজমশক্তি বাড়ায়। আবার বাঁশের পাতা উত্তম গোখাদ্য।

    বাঁশের মধ্যে অ্যান্টি-ফাঙ্গাল ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ থাকায় এটি এখন শ্যাম্পু, ক্রিমসহ নানা ধরণের প্রসাধনীসহ পোকামাকড় প্রতিরোধকের মতো পণ্য তৈরিতেও ব্যবহার হচ্ছে।

    বাঁশ গাছ বেশি অক্সিজেন উৎপাদন তাই একে প্রাকৃতিক এসি বলা হয়:

    প্রকৃতি-পরিবেশ ও প্রাণ রক্ষায় বিশেষ করে, দুর্যোগ মোকাবেলা, পাহাড় ধস, ভূমি ক্ষয়, নদী ভাঙ্গন রোধসহ জীব-বৈচিত্র্য রক্ষায় বাঁশের ভূমিকা বলে শেষ করা যাবে না। ওয়ার্ল্ড ব্যাম্বু অর্গানাইজেশনের তথ্যমতে, বাঁশ অন্যান্য গাছগাছালির চেয়ে বেশি অক্সিজেন উৎপাদন করে আর বেশি মাত্রায় কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে। ফলে বাতাস বিশুদ্ধ থাকে। বলা হয় বাঁশঝাড় আশেপাশের তাপমাত্রাকে চার ডিগ্রি পর্যন্ত ঠান্ডা রাখতে সক্ষম।

    ফলে এটা অনেকটা প্রাকৃতিক এয়ার কন্ডিশনার হিসাবে কাজ করে। এছাড়া তীব্র রোদ থেকে লম্বা লম্বা বাঁশঝাড় ছায়াও দিয়ে রাখে।

     

    মাটি রক্ষা করে:

    বাঁশ গাছের শেকড় ছড়ানো থাকায় এটি মাটির ভাঙ্গন রোধ করে, মাটির ঢালকে মজবুত করে, ফলে পাহাড় ধস ঠেকানো যায়, ভারী ধাতু শোষণ করে মাটির ক্ষয় রোধ করে, বিভিন্ন বন্যপ্রাণী আশ্রয় নিতে পারে। এক কথায় জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব ঠেকাতে বাঁশের গুরুত্ব রয়েছে।

     

    বাড়িঘর নির্মাণে বাঁশের ব্যবহার হয়:

    বাংলাদেশে বছরে শুকনো বাঁশের চাহিদা অন্তত ১০ লাখ টন। এরমধ্যে নির্মাণকাজে সবচেয়ে বেশি বাঁশের প্রয়োজন। চাহিদা থাকায় চাঁদপুর, সিলেট ও কুমিল্লাসহ বিভিন্ন জেলায় বাঁশের বাণিজ্যিক আবাদ হচ্ছে।

    বাংলাদেশের গ্রামে উন্নত বাড়িঘর নির্মাণে বাঁশ বেশ টেকসই উপাদান। বিশেষ করে কাঁচা বাড়ির ভিত দেয়াল ও ছাদ তৈরিতে বাঁশের পাটাতন ও ফ্রেম ব্যবহার হয়। তৎক্ষণিক নির্মাণ কাজে ব্যবহারের জন্য বিকল্প নেই। বাঁশের পাতায় ঘরের ছাউনি হয়। আবার পাহাড়ি এলাকায় বাঁশ দিয়েই তোলা হয় মাচার ঘর।

    গ্রামের লোকজন ছোট খাল পার হতে স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশ দিয়ে সেতু বানিয়ে থাকেন। কারণ অল্প টাকায় এর চাইতে মজবুত ও টেকসই সেতু গড়া সম্ভব না। এছাড়া বেড়া তুলতে বা বন্যার সময় আশ্রয়ের জন্য মজবুত মাচা তুলতেও বাঁশ লাগে।

     

    দুর্যোগ থেকে রক্ষা করে:

    ঝড়-ঝঞ্ঝা থেকেও বসত-ঘরকে রক্ষা করে বাঁশ। এ কারণে গ্রামে বসতবাড়ির পাশে বাঁশঝাড় দেখা যায়। জাপানে প্রচুর বাঁশের ঘর দেখা যায়। কারণ এসব ঘর ভূমিকম্প সহনীয়। ভূমিকম্পের সময় বাঁশঝাড়ে আশ্রয় নেয়া সবচেয়ে নিরাপদ।

     

    বস্ত্র ও কাগজ শিল্পে ব্যবহার:

    সুতা ও কাগজ তৈরিতে বাঁশের ব্যবহার অনেক আগে থেকে হচ্ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে, বাঁশের তন্তু দিয়ে টুপি, স্কার্ফ, গ্লাভস, মোজা ও প্যান্ট তৈরি হচ্ছে। সেইসাথে বিভিন্ন ধরণের কাগজ, টয়লেট পেপার তৈরিতেও ব্যবহার হচ্ছে বাঁশ।

     

    নিত্য ব্যবহার্য পণ্য: 

    নিত্য ব্যবহার্য বিভিন্ন পণ্য: আসবাবপত্র, বাদ্যযন্ত্র, রান্নাঘরের বিভিন্ন সরঞ্জাম যেমন কুলো, ডালা, ঝুড়ি, চাঁটাই, প্লেট, বাটি, চামচ, স্ট্র সেইসাথে কৃষি সরঞ্জাম, তোরণ, প্যান্ডেল তৈরি, ল্যাম্প, জামাকাপড়ের হ্যাঙ্গার, ল্যাপটপের কেসিং, ইত্যাদি নানা ধরণের পণ্য বানাতে বাঁশ দরকার হয়। বাঁশের তৈরি হস্তশিল্প পরিবেশবান্ধব, যা বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। এগুলো সাধারণত দামে সস্তা হয় আবার রপ্তানি করে আয়ের সুযোগও থাকে। শহরে প্লাস্টিকের ব্যবহার মাত্রারিক্ত বেড়ে গেলেও অনেকে বাঁশের তৈরি সামগ্রী ব্যবহার করে। তবে গ্রাম অঞ্চলে বাঁশের ব্যবহার অনেক বেশি।

     

    এতো উপকারী এই উদ্ভিদের বিশেষ কোনো যত্নের প্রয়োজন হয় না। এটি যেকোনো পরিবেশে টিকে থাকতে পারে। শুষ্ক মৌসুমে মাঝে মধ্যে পানি দিলেই হয়।

    বাঁশ খুব দ্রুত বড় হয়। চারা রোপণের পর পাঁচ বছরেই পূর্ণাঙ্গ বাগানে পরিণত হয়। বাঁশ গাছ সাধারণত একত্রে গুচ্ছ হিসেবে জন্মায়। এক একটি গুচ্ছে ১০- ৮০ টি বাঁশ গাছ থাকতে পারে। এসব গুচ্ছকে বাঁশঝাড় বলে।

    কিছু প্রজাতির বাঁশ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৩৬ ইঞ্চি বৃদ্ধি পায়। এর মানে প্রতি ৪০ মিনিটে প্রায় এক ইঞ্চি পরিমাণ বড় হয়। তাই বাঁশ যেন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায় সে ব্যাপারে খেয়াল রাখতে হবে। নিয়মিত কেটে পরিষ্কার করতে হবে। দ্রুত বাড়ার কারণে বাঁশঝাড় বিক্রি করে ভালো উপার্জনের সুযোগ থাকে । অনেকে আবার বাড়ির ভেতরের বাতাস বিশুদ্ধ রাখতে বাঁশের চারা লাগিয়ে থাকেন।

    চাইলে এটি বাগানের মাটিতে রোপণ করা যেতে পারে বা একটি পাত্রে সাজানো যেতে পারে। কিছু প্রজাতির বাঁশ গাছ শুধু পানিতে রাখলেই হয়।

    বিশ্বব্যাপী বায়ু দূষণের মাত্রা বেড়ে গেছে। তাই আমাদের বাঁশ গাছ সংরক্ষণের মাধ্যমে আমরা দূষণ জনিত রোগ বালাই থেকে মুক্তি পেতে পারি। আর বাঁশ অন্যান্য গাছের থেকে বেশি পরিমান অক্সিজেন দিয়ে থাকে তাই স্বাস্থ্য রক্ষায় বাঁশ গাছের ভূমিকা অনেক। আসুন আমরা সবাই বাঁশ গাছ উপৎপাদনে সবাইকে আগ্রহী করে তুলি।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • রান্না : বিফ তেহারি

    রান্না : বিফ তেহারি

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ৩০ নভেম্বর, ২০২৩: তেহারি একটি মজাদার রান্না। আজকের যান্ত্রিক যুগে মানুষের ব্যস্ততার পাশাপাশি রান্নার ধরণও পাল্টে গেছে। তেহারি রান্নার যেমন যেমন অল্প সময় তৈরি করা যায় তেমনি পরিবেশনে রয়েছে সুবিধা। আজ দেওয়া হলো বিফ তেহারি রান্নার নিয়ম।

     

    উপকরণ:

    খাসির মাংস- আধা কেজি, কালিজিরা চাল- আধা কেজি, টক দই- ১ কাপ, পেঁয়াজ কুচি- ১ কাপ, কাঁচা মরিচ- ১০টি, রসুন বাটা- ১ চা চামচ, শাহি জিরা- ১ চা চামচ, আদা বাটা- ১ টেবিল চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া- ১ চা চামচ, কেওড়া জল- ২ টেবিল চামচ, গুঁড়া দুধ- ২ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ বেরেস্তা- আধা কাপ, কিশমিশ- পরিমাণমতো, গরম মসলা- পরিমাণমতো, সরিষার তেল- ১ কাপ, ঘি- ১ টেবিল চামচ।

    রান্না  বিফ তেহারি - লাইফস্টাইল - ৩০ নভেম্বর ২০২৩ (খ)
    রান্না বিফ তেহারি – লাইফস্টাইল – ৩০ নভেম্বর ২০২৩ (খ)

    প্রস্তুত প্রণালি:

    প্রথমে মাংস ছোট টুকরা করে কেটে ধুয়ে নিন। এরপর পানি ঝরিয়ে টক দই, আদা, রসুন ও লবণ দিয়ে মেখে রাখুন আধা ঘণ্টার মতো। পাত্রে তেল গরম করে পেঁয়াজ বাদামি করে ভেজে নিন। এবার তাতে মাংস, কাঁচা মরিচ ও ৩ কাপ পানি দিয়ে নেড়ে ঢেকে মাঝারি আঁচে মাংস রান্না করতে হবে। সেদ্ধ হয়ে ঝোল গায়ে লেগে এলে গোলমরিচ গুঁড়া দিয়ে দিন। নেড়েচেড়ে নামিয়ে ঢেকে রাখুন।

    চাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। হাঁড়িতে চালের দেড় গুণ পানিতে গুঁড়া দুধ মিশিয়ে নিন। এবার তাতে লবণ, তেজপাতা, এলাচ ও দারুচিনি দিয়ে নেড়ে ঢেকে দিন। পানি শুকিয়ে চালের সমান হয়ে গেলে রান্না মাংসগুলো চালের ওপরে দিয়ে অল্প আঁচে দমে রাখুন। ১০ মিনিট পর পোলাও ও মাংস ভালোভাবে মিশিয়ে কেওড়া জল, ঘি ও শাহি জিরা ছিটিয়ে দিন। আরও ১০ মিনিট দমে রেখে চুলা থেকে নামিয়ে নিন। এরপর পরিবেশন করুন গরম গরম মজাদার বিফ তেহারি।

    রেসিপি  দিয়েছেন: শামিমা ইসলাম মুন্নী

  • রান্না: চিকেন শামি কাবাব

    রান্না: চিকেন শামি কাবাব

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ২২ নভেম্বর, ২০২৩: কাবাব মানেই লোভনীয় খাবার। আর সব রকম কাবাবের মধ্যে চিকেন শামি কাবাব ও অনেক  জনপ্রিয় । দেখে নেওয়া যাক এর তৈরি করার পদ্ধতি।

    রান্না চিকেন শামি কাবাব - লাইফস্টাইল - ২২ নভেম্বর ২০২৩ (খ) (2)
    রান্না চিকেন শামি কাবাব – লাইফস্টাইল – ২২ নভেম্বর ২০২৩ (খ) (2)

    উপকরণ:

    বিফ কিমা-১ কেজি, বুটেরডাল-২০০ গ্রাম, আদাবাটা-২ টেবিল চামচ, রসুনবাটা-১ টেবিল চামচ, পেয়াজ-               ২৫০ গ্রাম, শুকনামরিচ-৫/৬ টি, তেজপাতা-একটা, পোস্তদানা-১ টেবিল চামচ, কাচামরিচ-৬/৭ টি, লেবু-               ১ টি, সরিষার তেল-২ টেবিল চামচ, তেল-পরিমান মতো, পুদিনাপাতা-১ মুঠ, ডিম-২ টা, গরম মসলা-২ টেবিল চামচ, বেরেস্তা-১ কাপ, লবন-স্বাদমত, পানি-হাফকাপ

     

    প্রস্তুত প্রণালি:

    কিমা, ডাল, আদা রুসূন বাটা, পেয়াজ, তেল, সামন্য লবন, তেজপাতা, পোস্তদানা, দিয়ে মাখিয়ে পানিতে সেদ্ধ করে নিতে হবে। সেদ্ধ হলে বেটে নিবো।

    এখন এতে বেরেস্তা,  গরম মসালা , লেবুর রস ,  কাচামরিচ কুচি, পুদিনা পাতা কুচি, ডিম  দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে নিবো। গোল করে চ্যাপ্টা ভাবে টিকিয়া বানাতে হবে।

    কড়াইতে তেল গরম কর কাবাব গুলি ভেজে নিবো। গরম পোলাও বিরিয়ানি খিচুড়ির সাথে পরিবেশন করুন এই মজার কাবাব।

    রেসিপি দিয়েছেন: রাজিয়া সুলতানা

  • বেশি মিষ্টি খেলে ডায়াবেটিস হয় না বলছেন চিকিৎসকরা

    বেশি মিষ্টি খেলে ডায়াবেটিস হয় না বলছেন চিকিৎসকরা

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ১৪ নভেম্বর, ২০২৩: আমরা অনেকে জানি মিষ্টি বেশি খেলে ডায়াবেটিস হয়। আসলে এটা একটা ভুল ধারণা। চিকিৎসকরা বলছেন চিনি বা মিষ্টি বেশি খাওয়ার সঙ্গে ডায়াবেটিস হওয়ার সরাসরি কোনও যোগসূত্র নেই। তবে চিনি বা মিষ্টি খাওয়ার সঙ্গে ডায়াবেটিস হওয়ার যেমন সরাসরি সম্পর্ক নাই- এটা যেমন সত্য, যদি বেশি মিষ্টি খেতে অভ্যস্ত হন, তাহলে মুটিয়ে যেতে পারেন। আর মুটিয়ে গেলে ডায়াবেটিস হতে সাহায্য করে।

    যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট মেডিক্যাল নিউজ টুডে’তে বলা হয়েছে, প্রচুর চিনি খাওয়ার কারণে সরাসরি ডায়াবেটিস হয় না। কিন্তু এটি স্থূলতা, হৃদরোগ এবং ডায়াবেটিসের সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। ফলে ওই ব্যক্তি সহজেই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হতে পারে।

     

    যে সব লক্ষণ দেখলে সতর্ক হতে হবে:

    ডায়াবেটিস হলে সাধারণত মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। ফলে এর নির্দিষ্ট কোন লক্ষণ না থাকলেও শরীরে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্যের উপস্থিতি ডায়াবেটিসের জানান দিতে পারে।

     

    যেমন:

    (১) ঘনঘন প্রস্রাব হওয়া ও পিপাসা লাগা

    (২) দুর্বল লাগা ও ঘোর ঘোর ভাব আসা

    (৩) ক্ষুধা বেড়ে যাওয়া

    (৪) সময়মতো খাওয়া-দাওয়া না হলে রক্তের শর্করা কমে যাওয়া

    (৫) মিষ্টি জাতীয় জিনিসের প্রতি আকর্ষণ বেড়ে যাওয়া

    (৬) কোন কারণ ছাড়াই ওজন অনেক কমে যাওয়া

    (৭) শরীরে ক্ষত বা কাটাছেঁড়া হলেও দীর্ঘদিনেও সেটা না সারা

    (৮) চামড়ায় শুষ্ক, খসখসে ও চুলকানি ভাব

    (৯) বিরক্তি ও মেজাজ খিটখিটে হয়ে ওঠা

    (১০) চোখে কম দেখতে শুরু করা

     

     

    ডায়াবেটিস ঠেকানোর কিচু পরামর্শ

    ডায়াবেটিস ঠেকানোর কিচু পরামর্শ দিয়েছেনর চিকিৎসকরা। কেউ যদি বংশগতভাবে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়, তবে খুব বেশি কিছু করার থাকে না। তবে পারিপার্শ্বিক প্রভাবের ক্ষেত্রে কিছু বিষয় মেনে চললে ডায়াবেটিস ঠেকানো যেতে পারে।

     

    যেমন:

    ১. প্রতিদিন এক ঘণ্টা হাঁটা:

    বর্তমান সময়ে জীবনযাপনের ধরনের কারণে খুব কম সংখ্যক মানুষ কায়িক পরিশ্রম করেন। আর এই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হবার প্রবণতাকে উসকে দেয়।

    এজন্য প্রতিদিন নিয়ম করে অন্তত এক ঘণ্টা হাঁটতে হবে। পাশাপাশি নিয়মিত ব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। খেলাধুলা বাড়ানো যেতে পারে।

     

    ২. জীবনধারা বদলানো:

    এছাড়া যাদের পরিবার বা বাবা-মায়ের ডায়াবেটিস হওয়ার ইতিহাস রয়েছে, তাদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার আগেই জীবনযাপনের ধরন পাল্টানো উচিত।

    যেমন- নিয়মিত খাবার খাওয়া, নিয়ম মেনে সকালে ঘুম থেকে ওঠা এবং রাতে ঘুমাতে যাওয়া, যানবাহন ব্যবহার কমিয়ে হাঁটাচলা বাড়ানো, মিষ্টি জাতীয়, ফাস্টফুড ও তৈলাক্ত খাবার পরিহার করা ইত্যাদি।

     

    ৩. ধূমপান ও মদ্যপান ছেড়ে দেয়া:

    ডায়াবেটিস রোগ ঠেকাতে যেসব খারাপ অভ্যাস সবার আগে বাদ দিতে হবে, তার মধ্যে রয়েছে ধূমপান ও মদ্যপানের অভ্যাস। কারণ এগুলো ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বাড়িয়ে দেয়।

     

    ৪. অস্বাস্থ্যকর খাবার বাদ দেয়া:

    সাধারণ মিষ্টিজাতীয় খাবার, প্রক্রিয়াজাত খাবার, ফাস্টফুড, কোমল পানীয়, ভারী খাবার স্থূলতার ঝুঁকি অনেক বাড়িয়ে দেয়। ফলে শরীরের ওজনের দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে, যাতে কোনভাবেই অতিরিক্ত ওজন বা মুটিয়ে যাওয়া না হয়।

    এজন্য বিশেষজ্ঞরা এ ধরনের খাবার যথাসম্ভব এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন।

    এছাড়া এক বেলা পেট ভরে না খেয়ে পরিমাণে অল্প অল্প করে বিরতি দিয়ে খাওয়া।

     

    ৫. রক্তে চিনির মাত্রার ওপর নজর রাখুন:

    যাদের শিশুর ঘনিষ্ঠ স্বজনদের ডায়াবেটিসের ইতিহাস রয়েছে, তাদের বছরে অন্তত একবার করে পরীক্ষা করাতে হবে। সেই সঙ্গে বছরে অন্তত একবার লিপিড প্রোফাইল ও রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রাও পরীক্ষা করে দেখতে হবে।ফলে ডায়াবেটিস আক্রান্ত হলেও দ্রুত তা শনাক্ত হবে।

    তবে সব চেষ্টা সত্ত্বেও কারও কারও ডায়াবেটিস হতে পারে। সে ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তি যদি ডায়াবেটিসকে সম্পূর্ন নিয়ন্ত্রণে রাখে, তাহলে তিনি একদম সুস্থ স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা