Author: Hello Bangla News

  • প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার ঘটাতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার ঘটাতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বাজায় রাখার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘দেশের উন্নয়নের জন্য যার সঙ্গে বন্ধুত্ব করা দরকার এবং যা যা করা দরকার আমরা সেভাবেই কাজ করে যাচ্ছি। সেই সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গেও একটা সুসম্পর্ক বজায় রেখে ব্যবসা বাণিজ্য প্রসার ঘটানোর ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি। ‘

    এসময় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘কারো খবরদারির কাছে নতজানু হব না। এটাই আমাদের সিদ্ধান্ত।’

    আজ রবিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ দরবারে তিনি এ কথা বলেন।

    জাতির পিতার ১৯৭৪ সালের ১০ ডিসেম্বর চট্টগ্রামে নৌবাহিনী দিবস উপলক্ষে দেওয়া ভাষণ থেকে উদ্ধৃতি করে শেখ হাসিনা বলেন, “আমরা শান্তিকামী জাতি। আমরা সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব চাই। কিন্তু আত্মরক্ষা করার মতো ক্ষমতাও আমাদের থাকা দরকার। ”

    শেখ হাসিনা বলেন, ওই একই ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আরও বলেছিলেন, “যে জাতি নিজেকে সম্মান করতে পারে না, আত্মমর্যাদা রক্ষা করতে পারে না, সে জাতি দুনিয়ায় কোনোদিন বড় হতে পারে না। সে জন্য আজকে আমরা আত্মমর্যাদাবিশিষ্ট জাতি হিসেবে, আত্মমর্যাদা নিয়ে বাস করতে চাই। আমরা অন্য কারও ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করতে চাই না, অন্য কেউ আমাদের ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করুক তাও আমরা সহ্য করবো না। আমরা এই নীতিতেই বিশ্বাসী। ”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, আশা করি এই কথাগুলো আমাদের সকলেই মনে রাখবেন। স্বাধীন সার্বভৌম দেশ আমাদের। যুদ্ধে বিজয় অর্জন করে আমরা আমাদের দেশ পেয়েছি। কারো খবরদারির কাছে নতজানু আমরা হবো না। এটাই আমাদের সিদ্ধান্ত।

    শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। অনেক বাধা, অনেক ষড়যন্ত্র হবে, বার বার এসেছে সেগুলো অতিক্রম করেই তো আমরা বিজয় অর্জন করেছি। এখনো অনেক বাধা, এখনো অনেক চক্রান্ত আছে। কারণ একটা দেশ যখন এতো দ্রুত অগ্রগতি লাভ করে সেটা হয়ত অনেকেই সহ্য করতে পারে না। সেই জন্যই হয়ত নানা ধরনের উৎপাত শুরু করে, তো সেগুলো নিয়ে ঘাবড়ানোর কিছু নেই।

    এ সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এম তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া উপস্থিত ছিলেন। এসএসএফ মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোঃ মজিবুর রহমান তার স্বাগত বক্তব্যে বাহিনীর বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে এসএসএফ এবং এর কার্যক্রমের ওপর একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মেজর জেনারেল মোঃ মজিবুর রহমান সংকলিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭৫টি বাণী সম্বলিত ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর উক্তি’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন।

    ১৯৮৬ সালের ১৫ জুন রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তা বাহিনী (পিএসএফ) গঠিত হয়, যা পরবর্তীতে দেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের পর ১৯৯১ সালে বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (এসএসএফ) নামে নামকরণ করা হয়।

  • বাটার চিকেন

    বাটার চিকেন

    উপকরণ ও প্রণালি:

    চিকেন ম্যারিনেশন-১ কেজি, চিকেন ব্রেস্টপিসকে বড় টুকরো করে কাটতে হবে, এর সাথে লবন, ১ টেবিল চামচ লেবুর রস, ১ চা চামচ করে আদা-রসুন বাটা দিয়ে ১৫/২০ মিনিট ম্যারিনেট করতে হবে।

    অন্য বাটিতে ২/৩ টেবিল চামচ সরিষার তেল, ২ চা চামচ কাশ্মীরি চিলি পাউডার মিশাতে হবে, এর সাথে ১ কাপ টক দই, লবন, সামান্য লেবুর রস, হাফ চা চামচ গরম মশলা গুঁড়া দিয়ে ভালো করে মিশাতে হবে। এর পর আগে থেকে মাখানো চিকেনে এই ম্যারিনেট মশলা ভালো করে মাখিয়ে সারারাত ম্যারিনেট করতে হবে।

    এর পর ফ্রাইপ্যান ভালো করে গরম করে মাংসের পিসের দুই পাশ ৩/৪ মিনিট করে লালচে করে ভাজতে হবে।

    লাইফস্টাইল

    গ্রেভি তৈরি:

    হাফ কেজি টমেটো ছোট করে কিউব করতে হবে, প্যানে একে একে টমেটো, আস্ত আদা-রসুন টুকরা, তেজপাতা, দারুচিনি, কালো আর সবুজ এলাচ, লং, কাশ্মীরি চিলি পাউডার, বাটার, কাজুবাদাম আর পরিমাণমতো পানি দিয়ে ৫ মিনিট করে ঢেকে ঢেকে সিদ্ধ করতে হবে টমেটো পুরোপুরি গলে না যাওয়া পর্যন্ত, নামিয়ে কিছুটা ঠান্ডা করে খুব ভালো করে ব্লেড করতে হবে। এরপর ছেঁকে নিতে হবে।

    রান্নার শেষ ধাপ:

    ১. প্যান গরম করে প্রায় ৫/৬ কিউব বাটার গলিয়ে নিতে হবে।

    ২. এতে মিহি করে কাটা ১ চা চামচ করে আদা-রসুন কুঁচি, ২/৩টা কাঁচামরিচ কুঁচি, লবণ দিয়ে হালকা সতে করতে হবে।

    ৪. এবার ব্লেন্ড করা গ্রেভি দিয়ে ভালো করে ফুটে উঠা পর্যন্ত ঢেকে রান্না করতে হবে।

    ৫. ১ চা চামচ করে কাসুরি মেথি ও চিনি দিয়ে ভাজা চিকেন দিতে হবে।

    ৬. ২-৪ মিনিট রান্না করে আরো কয়েক কিউব বাটার দিতে হবে।

    ৭. তেল ভেসে উঠলে ৩/৪ টেবিল চামচ ক্রিম, ২/৩ টেবিল চামচ ধনেপাতা, হাফ চা চামচ গরম মশলা গুঁড়া মিশিয়ে ও পরিমান মত লবন নামিয়ে ফেলতে হবে।

    তৈরি হয়ে গেল মজাদার বাটার চিকেন।

    রেসিপি দিয়েছেন: শাহানা ফায়েজ

  • তীব্র দাবদাহে গত তিন দিনে ভারতের উত্তরপ্রদেশ ও বিহারে ৯৮ জনের মৃত্যু

    তীব্র দাবদাহে গত তিন দিনে ভারতের উত্তরপ্রদেশ ও বিহারে ৯৮ জনের মৃত্যু

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশে তীব্র দাবদাহ চলছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো এই তীব্র গরম ও দাবদাহের শিকার হচ্ছে। এর জেরে ভারতের উত্তরপ্রদেশ এবং বিহারে গত তিন দিন মৃত্যু হয়েছে ৯৮ জনের। এই ৯৮ জনের মধ্যে উত্তরপ্রদেশের মৃতের সংখ্যা ৫৪ এবং বিহারে ৪৪।

    উত্তরপ্রদেশের বালিয়া জেলা হাসপাতাল সূত্রে খবর, তাপপ্রবাহের কারণে অসুস্থ হয়ে ১৫, ১৬ এবং ১৭ জুন যাঁরা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তাঁদের মধ্যে ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুধু তাই-ই নয়, জ্বর, শ্বাসকষ্ট এবং অন্যান্য উপসর্গ নিয়ে ওই তিন দিন চারশোরও বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন।

    জানা গেছে যে সব রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, তাঁদের বেশির ভাগেরই বয়স ৬০ বছরের বেশি। এদিকে জেলায় তাপপ্রবাহের কারণে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা প্রতি দিন বাড়ছে।

    জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, গত ১৫ জুন মৃত্যু হয়েছে ২৩ জনের। ১৬ জুন ২০ জনের এবং ১৭ জুন বিকেল ৪টে পর্যন্ত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। বালিয়ায় গত কয়েক দিন ধরে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির বেশি। আবাহাওয়া অফিস জানায় শুক্রবার বালিয়া সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে প্রায় ৫ ডিগ্রি বেশি।

    অন্য দিকে পূর্ব ভারতের রাজ্য বিহারও তীব্র গরমে পুড়ছে । এই রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় তীব্র গরমে ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে । রাজ্যের ১৮টি জায়গায় চরম তাপদাহ চলছে। ৪৪ জনের মধ্যে শুধুমাত্র পটনাতেই মৃত্যু হয়েছে ৩৫ জনের। তাঁদের মধ্যে নালন্দা মেডিক্যাল কলেজে মারা গিয়েছেন ১৯ জন এবং পটনা মেডিক্যাল কলেজে মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের। বাকি ন’জনের মৃত্যু হয়েছে রাজ্যের অন্যান্য জেলা থেকে।

    রাজ্য আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, শনিবার ১১টি জেলায় তাপমাত্রা ছিল ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে। পটনায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪৪.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার শেখপুরায় তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি ছাড়িয়ে গেছে । তীব্র গরমের কারণে আগামী ২৪ জুন পর্যন্ত পটনা এবং রাজ্যের সমস্ত জেলায় স্কুল এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    রাজ্যের আবহাওয়া অফিস গত ১৮ এবং ১৯ জুন দাবদাহে সতর্কতা জারি করেছে অওরাঙ্গাবাদ, রোহতাস, ভোজপুর, বক্সার, কাইমুর এবং আরওয়াল জেলায়। লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে এই সব জেলায়। কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে পটনা, বেগুসরাই, খাগারিয়া, নালন্দা, বাঁকা, শেখপুরা, জামুই এবং লখিসরাইয়ে। হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে পূর্ব চম্পারণ, গয়া, ভাগলপুর, জেহানাবাদে।

    সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

  • সকালের হাঁটায় যেমন জুতা পড়া উচিৎ

    সকালের হাঁটায় যেমন জুতা পড়া উচিৎ

    দৈনন্দিন ভোরের তাজা বাতাসে হাঁটা বা জগিং করা একটা সেরা অভ্যাস। কারন, এতে নিজের শরীরের বাড়তি ওজন ঝেরে ফেলা যায় আর শরীর ও মন দুটাই চাঙ্গা থা কে। তাছাড়া হাঁটাহাঁটির তো কোনও বিকল্প নেই। নিয়মিত হাঁটলে শুধু ওজন নয়, নানারকম রোগবালাইয়েরও ঝুঁকি কমে।

    তবে হাঁটতে যাওয়ারও কিন্তু কিছু প্রস্তুতি রয়েছে। এ ক্ষেত্রে জুতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। রোজ যে জুতা পরে অফিস কিংবা দোকানবাজারে যান, সেই একই জুতা পরে হাঁটতে গেলে চলবে না। সকালে হাঁটতে যাওয়ার জুতা হতে হবে আলাদা। হাঁটতে যাওয়ার জুতা কেনার আগে কোন বিষয়গুলি মাথায় রাখবেন?

    • পিছনটা একটু উঁচু আছে এমন ধরনের জুতা বাছুন। তাতে গোড়ালিতে আরাম হবে। নিশ্চিত করুন যে জুতাগুলি ভালভাবে ফিট করেছে এবং খুব বেশি টাইট বা ঢিলা হয়নি। এতে করে পায়ে ক্লান্তি বা ঘা হওয়া থেকে রক্ষা করার জন্য উপকার পাবেন।
    • হালকা ওজনের এক জোড়া জুতা বেছে নিন, যাতে হাঁটার সময় আপনার ওজন বেশি মনে না হয়, এতে লম্বাসময় হাঁটার স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন।
    • বায়ু চলাচল যোগ্য, জালের মতো মেটারিয়াল ব্যবহার করে এমন জুতা পছন্দ করুন। আপনার পা ঠান্ডা এবং শুষ্ক রাখতে সাহায্য করতে পারে।
    • জুতার তলায় খাঁজকাটা থাকলে পা পিছলে যাওয়া বা পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না। এমন রেখাযুক্ত ভালো সোল দিয়ে তৈরি জুতা নির্বাচন করুন।
    • আপনার জুতার তলার মাঝের অংশটি নরম হওয়া দরকার। তাই কেনার আগে হাত দিয়ে যাচাই করে দেখে নিন, সেটি নরম কি না। কারণ এতে হাঁটার সময়ে পায়ের তলায় আঘাত লাগার আশঙ্কা কমে।

    গবেষণায় জানা যায়, সুস্থতা বজায় রাখতে একটি মানুষকে প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করা উচিত। আর সুস্থতাই তো জীবনকে উপভোগ্য করে তোলে।

    তথ্যসূত্রঃ এবিপি

  • জেনেভা থেকে দেশে ফেরার পথে প্রধানমন্ত্রীর মমতায় আনন্দিত সহযাত্রীরা

    জেনেভা থেকে দেশে ফেরার পথে প্রধানমন্ত্রীর মমতায় আনন্দিত সহযাত্রীরা

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: সুইজারল্যান্ডের জেনেভা থেকে দেশে ফেরার পথে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইটে সাধারণ মানুষ বঙ্গবন্ধু কন্যা বর্তমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মহান হৃদয় ও মমতার এক অনন্য বৈশিষ্ট্য প্রত্যক্ষ করলেন। উক্ত যাত্রীরা প্রধানমন্ত্রীর সহযাত্রী হিসেবে ভ্রমণ করছিলেন।

    সুইজারল্যান্ডের জেনেভা থেকে দেশে ফেরার পথে শেখ হাসিনা নিজেই ফ্লাইটের যাত্রীদের সাথে দেখা করছেন। এতে সহযাত্রীরা বিস্মিত ও আনন্দিত হয়ে ওঠেন। প্রধানমন্ত্রী বিমানের আরোহী সকলের সাথে কুশল বিনিময় করছেন।

    শেখ হাসিনা জাতীয় পতাকাবাহী বিমানের বাণিজ্যিক ফ্লাইটে পরিপূর্ণ যাত্রীদের সাথে কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘ফ্লাইটে তাদের আসনের পাশে প্রধানমন্ত্রীকে পেয়ে অনেকেই বিস্মিত ও অবাক হয়েছেন।’জেনেভা থেকে দেশে ফেরার পথে প্রধানমন্ত্রীর মমতায় আনন্দিত সহযাত্রীরা

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় মেয়ে শেখ হাসিনার সাথে ছবি তুলতে চাইলে তিনি অনেক যাত্রীর অনুরোধ মেনে নেন।

    তিনি বাচ্চাদের সাথেও খুব স্নেহের সাথে কথা বলেন ও তাদের সাথে কিছুক্ষণ মজার গল্প করেন এবং কয়েকটি শিশুকে কোলে তুলে নেন।

    এ সময় কয়েকজন যাত্রী গত সাড়ে ১৪ বছরে দেশের অপ্রত্যাশিত উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাদের মতামত তুলে ধরেন।

    প্রধানমন্ত্রী ১৪-১৫ জুন অনুষ্ঠিত ‘ওয়ার্ল্ড অফ ওয়ার্ক সামিট : সোশ্যাল জাস্টিস ফর অল’- এ যোগদান শেষে সুইজারল্যান্ডের জেনেভা থেকে দেশে ফিরেছেন।

    প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি নিয়মিত ফ্লাইট গতরাত ১টা ৫৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

    সূত্র: বাসস

  • বাংলাদেশ শিল্পকলায় জীবনভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনী

    বাংলাদেশ শিল্পকলায় জীবনভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনী

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: একটি জাতির সার্বিক শিক্ষা, শিল্প ও সাংস্কৃতিক বিকাশের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য উক্ত ক্ষেত্রের প্রতিষ্ঠিত ও সুনামধন্য ব্যক্তিদের জীবনভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র ধারণ, সংরক্ষণ ও প্রচার খুব জরুরি। এই লক্ষ্যে ২০১৭ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি’র প্রযোজনায় বাংলা ভাষা, শিল্প, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে বিশেষ অবদানকৃত বরেণ্য ব্যক্তিদের ওপর ‘৪৪টি জীবনভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র’ নির্মাণ করা হয়েছে এবং আরো প্রায় ১৮টি প্রামাণ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ চলমান রয়েছে। প্রথম পর্যায়ে ২৬ মে ২০২৩ থেকে ১৬ জুন ২০২৩ পর্যন্ত প্রতি শুক্রবার সকাল ১০.৩০টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে এ প্রদর্শনী চলে। সপ্তাহে প্রতি শুক্রবার ২ টি করে ৮টি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।

    এর ধারাবাহিকতায় গতকাল ১৬ জুন ২০২৩ মঞ্চসারথি আতাউর রহমান এবং বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ‘পিতা পাঠ’ কামাল লোহানীকে নিয়ে নির্মিত জীবনভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে শেষ হয় ১ম পর্যায়ের আয়োজন।

    ঈদ-উল-আজহার ছুটির পর থেকে পূনরায় ধারাবাহিকভাবে অনান্য  প্রামাণ্যচিত্রগুলোর প্রদর্শনী করা হবে।

    নির্মিত প্রামাণ্যচিত্রের বরেণ্য ব্যক্তিবর্গ হলেন- মুস্তাফা নুরউল ইসলাম, হাসান আজিজুল হক, মুস্তাফা মানোয়ার, আতাউর রহমান, মুর্তজা বশীর, আহমেদ রফিক, রফিকুল ইসলাম, সৈয়দ শামসুল হক, বোরহান উদ্দীন খান জাহাঙ্গীর, সনজিদা খাতুন, ড. আনিসুজ্জামান, শিল্পী সমরজিৎ রায় চৌধুরী, সৈয়দ সালাহ্উদ্দিন জাকী, সাধুগুরু ফকির নহির শাহ্, নির্মলেন্দু গুণ, লিয়াকত আলী লাকী, ফেরদৌসী রহমান, আলী যাকের, কামাল লোহানী, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, সৈয়দ জাহাঙ্গীর, সৈয়দ হাসান ইমাম, শিল্পী রফিকুন নবী, শিল্পী হাশেম খান,  সুজাতা আজিম, সেলিনা হোসেন, রামেন্দু মজুমদার, আসাদুজ্জামান নূর, ফেরদৌসী মজুমদার, মামুনুর রশিদ, নাসিরউদ্দিন ইউসুফ, অধ্যাপক আবদুস সেলিম, সারা যাকের, লিলি চৌধুরী, মিতা হক, ড. শামসুজ্জামান খান, ড. আতিউর রহমান, এইচ টি ইমাম, ম. হামিদ, মোস্তফা জামান আব্বাসী, ড. ইনামুল হক, মানজারে হাসীন মুরাদ ফরিদা জামান-রোকেয়া সুলতানা-নাজলী মনসুর এবং দিলারা বেগম জলি-লালারুক সেলিম টোরী।

    নিয়মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর প্রথম দিন গত ২৬ মে ২০২৩ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন।

  • সরষের তেলে বিফ ভুনা

    সরষের তেলে বিফ ভুনা

    উপকরণ:

    গরুর মাংস-১ কেজি, আদা বাটা-২ টেবিল চামচ, রসুন বাটা-দেড় টেবিল চামচ, মরিচ গুড়া-২ চা চামচ, জিরা গুড়া ১ চা চামচ, হলুদ গুড়া হাফ চা চামচ, ধনিয়া গুড়া হাফ চা চামচ, গরম মসলা গুড়া চা চামচ তিন ভাগের এক অংশ, পেয়াজ বেরেস্তা হাফ কাপ, পেয়াজ বাটা-১ টেবিল চামচ, সয়াবিন তেল ১ টেবিল চামচ, সরিষার তেল-২ টেবিল চামচ, গরম মসলা আস্ত ৪ থকে ৫টি, এলাচ ও দারুচিনি-দুই টুকরো, তেজপাতা দুইটি।

    সরষের তেলে বিফ ভুনা

    প্রণালি:

    কড়াইয়ে তেল দিয়ে পেয়াজ বেরেস্তা করে নিব। বাদামী রং হলে পানি দিয়ে একে একে সব মসলা দিয়ে কসাতে হবে ভালো করে তেল না উঠে আসা পর্যন্ত। এবার মাংস দিয়ে কসাহবে। এই ক্ষেত্রে চুলার আচ মিডিয়াম রাখতে হবে। কসানো হলে পানি দিয়ে সিদ্ধ হলে মাখা মাখা ঝোল রাখতে হবে। নামানোর আগে গরম মসলা গুড়াছিটিয়ে দিয়ে দম এ পাচ মিনিট রাখব তেল উঠে আসলে নামিয়ে নিতে হবে। গরম গরম পরিবেশন করতে পারবেন ভাত, পোলাও, রুটি বা পরোটার সাথে।

    রেসিপি দিয়েছেন: মমতাজ বেগম উর্মী

  • আফগানিন্তানের বিপক্ষে ৫৪৬ রানের রেকর্ড গড়া জয় বাংলাদেশের

    আফগানিন্তানের বিপক্ষে ৫৪৬ রানের রেকর্ড গড়া জয় বাংলাদেশের

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: বাংলাদেশ দলে ছিলেননা নিয়মিত টেস্ট দলের অধিনায়ক বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। তাই অধিনায়কের দায়িত্ব পড়ে সহ অধিনায়ক লিটন দাসের উপর। আর সেই লিটনের নেতৃত্বে এসেছে আফগানিন্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের ৫৪৬ রানের রেকর্ড গড়া জয়।

    মিরপুর টেস্টে শুরু থেকে শেষ অবধি এই ম্যাচে ছিল বাংলাদেশের একচেটিয়া দাপট। প্রথম ইনিংসের শেষদিকে দ্বিতীয় দিনের প্রথম ঘন্টায় ২০ রানে পাঁচ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। অবশ্য সেদিন দুই দলের মোট ১৬ উইকেট পড়েছিলো । দিনটিতে ছিলো বোলারদের দাপ। তাই সেই ব্যথা ভুলে গিয়ে ব্যাটসম্যান ও বোলারদের একচেটিয়া দাপটে বাংলাদেশ চতুর্থ দিন প্রথম সেশনেই গুটিয়ে দিলো আফগানিস্তানকে।

    মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে একমাত্র টেস্টে আফগানিস্তানকে ৫৪৬ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ৩৮২ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ, আফগানিস্তান অলআউট হয় ১৪৬ রানে। পরে বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেট হারিয়ে ৪২৫ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে। ৬৬২ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১১৫ রানের বেশি করতে পারেনি আফগানরা।

    বাংলাদেশের এই জয়টি রেকর্ড গড়ার। ১৯২৮ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৬৭৫ রানে জেতে ইংল্যান্ড। ছয় বছর পর ইংল্যান্ডকে ৫৬২ রানে হারায় অস্ট্রেলিয়া। এরপর রানের ব্যবধানে তৃতীয় সর্বোচ্চ বড় জয় এটি। বাংলাদেশেরও রানের ব্যবধানে সবচেয়ে বড় জয়।

    দুই উইকেট হারিয়ে ৪৫ রান নিয়ে দিন শুরু করে আফগানিস্তান। বিশাল রান তাড়া করতে নামা দলটির হার ছিল স্রেফ সময়ের ব্যাপার। বাংলাদেশের বোলাররা কাজটুকু কত দ্রুত করতে পারেন অপেক্ষা ছিল সেটি দেখার।

    চতুর্থ দিনে এসে প্রথম উইকেট এনে দেন এবাদত হোসেন। এই পেসারের বলে উইকেটরক্ষক লিটন দাসের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে সাজঘরে ফেরত যান নাসির জামিল। এর আগে ২২ বল খেলে ৬ রান করেন তিনি।

    এরপর ব্যাটিংয়ে আসেন বাহির শাহ। আফগানিস্তানের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে দুর্দান্ত খেলা এই ব্যাটার একাদশে ছিলেন না। কিন্তু অধিনায়ক হাশমাতুল্লাহ শাহিদী আগের দিন তাসকিনের বাউন্সারে মাথায় আঘাত পেয়েছিলেন। তার কনকাশন বদলি হিসেবে নামেন তিনি।

    বাহিরের প্রথম টেস্ট ইনিংস অবশ্য স্মরণীয় হয়নি। শরিফুল ইসলামের বলে এক চারে ১৩ বলে ৭ রান করা এই ব্যাটারের দারুণ ক্যাচ নেন স্লিপে দাঁড়ানো তাইজুল ইসলাম। আফগানদের ইনিংস ধরে ছিলেন রহমত শাহ। তাকে ফেরান তাসকিন আহমেদ। অফ স্টাম্পের বাইরের বল তার ব্যাট ছুঁয়ে লিটনের গ্লাভসে যায়। এর আগে ৭৩ বলে ৩৬ রান করেন তিনি।

    আফগানিস্তানের করিম জানাত ১৮ বলে ১৮ রান করে তাসকিনের বলে হয়ে যান বোল্ড। এর মাধ্যমে আফগানিস্তান দলের দ্বিতীয় ইনিংসের সমাপ্তি ঘটে ১১৫ রানে।

    সংক্ষিপ্ত স্কোর:

    বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৩৮২

    আফগানিস্তান ১ম ইনিংস: ১৪৬

    বাংলাদেশ ২য় ইনিংস: ৪২৫/৪ ইনিংস ঘোষণা

    আফগানিস্তান ২য় ইনিংস: ১১৫ (আগের দিন ৪৫/২) (রহমত ৩০, শাহিদি ১৩ আহত অবসর, জামাল ৬, জাজাই ৬, বাহির ৭, জানাত ১৮, হামজা ৫, আহমাদজাই ১, মাসুদ ৪*, জাহির ৪ আহত আউট; শরিফুল ১০-১-২৮-৩, তাসকিন ৯-২-৩৭-৪, তাইজুল ৫-১-১৯-০, মিরাজ ২-০-৫-০, ইবাদত ৭-২-২২-১)

    ফল: বাংলাদেশ ৫৪৬ রানে জয়ী

    দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি করে ম্যাচসেরা হয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত।

  • ঝুঁকি থেকে ভবন ভূমিকম্প সহনীয় করা সম্ভব বলছেন প্রকৌশলীরা

    ঝুঁকি থেকে ভবন ভূমিকম্প সহনীয় করা সম্ভব বলছেন প্রকৌশলীরা

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: ভূমিকম্পের কোন আগাম বার্তা বিজ্ঞানীরা আজও আবিষ্কার করতে পারেনি। তাই ভূমিকম্প নিয়ে আমাদের বড় একটি উদ্বেগ রয়ে গেছে। গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টা ৪৬ মিনিটে ঢাকা ও সিলেট এই  দুটি শহর ৪.৫ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে। গত দুই মাসের মধ্যে ঢাকায় এনিয়ে দুবার ভূমিকম্প হলো।

    বাংলাদেশে অপরিকল্পিত নগরায়ন ভূমিকম্পে সবচেয়ে ঝুঁকি। কেননা অনেকে বিল্ডিং কোড না মেনে ভবন নির্মান করে। এ বছর তুরস্ক ও সিরিয়ার ভুমিকম্পে ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার পেছনে সেই কারণই উঠে এসেছিলো।

    বড় ভূমিকম্পে ঘনবসতি শহর ঢাকার ভয়াবহতা কতটা হতে পারে তার একটি চিত্র উঠে এসেছে রাজউকের আরবান রেজিলিয়েন্স প্রজেক্টের সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষায়। তাদের হিসেবে টাঙ্গাইলের মধুপুর ফল্টে ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্পে ঢাকায় ধসে পড়তে পারে সাড়ে ৮ লাখের বেশি অর্থাৎ প্রায় ৪০% স্থাপনা। সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি আড়াই হাজার কোটি মার্কিন ডলার বা আড়াই লক্ষ কোটি টাকারও বেশি। আবার সিলেটের ডাউকি চ্যুতিরেখায় ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পে ঢাকায় ধসে পড়তে পারে প্রায় ৪১ হাজার স্থাপনা। এরপরও কিছু উপায় আছে যেগুলোর মাধ্যমে প্রকৌশলীরা ভবনকে ভূমিকম্প সহনীয় করতে পারেন।

    বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মেহেদি আহমেদ আনসারী জানিয়েছিলেন এমন সাতটি প্রযুক্তি সম্পর্কে। এর তিনটি খুব উঁচু ভবনের ভবনের জন্য যেগুলো খুব বেশ ব্যয়বহুল, আর অন্য চারটি সাধারণ ভবনের জন্য।

    (ক) প্রচলিত চারটি উপায়:

    যেভাবে সাধারণ ভবনকে ভূমিকম্পের জন্য মজবুত করা হয়, যেগুলোকে রেট্রোফিটিং বলা হয়। এগুলো দেখতে খুবই সহজ মনে হলেও যদি একজন প্রকৌশলী এর সাথে যুক্ত না থাকেন তাহলে প্রয়োজন অনুযায়ী কিভাবে করতে হবে সেটি নির্ধারণ করা যাবে না। প্রকৌশলীরা প্রথমে ভবনের বিভিন্ন অংশে কেটে পরীক্ষা করে দেখবেন ভেতরে কী অবস্থা। এরপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবেন। রেট্রোফিটিং সাধারণত যেসব উপায়ে করা হয়।

    (১) কলাম জ্যাকেটিং:

    কলাম বা পিলারকে জ্যাকেট পরিয়ে দেয়ার মতো উপায় এটি। অর্থাৎ পিলারগুলোকে যা আছে তার চেয়ে আরো মোটা করে দেয়া যেন সেটি আরো শক্তিশালী হয়। অনেক সময় বিশেষায়িত উপকরণও দিয়েও এটি করা হয়।

    ঝুঁকি থেকে ভবন ভূমিকম্প সহনীয় করা সম্ভব বলছেন প্রকৌশলীরা

    (২) শিয়ার ওয়াল:

    শিয়ার ওয়ালে পিলারের পাশে আরো রড দিয়ে ঢালাই করে একটি দেয়ালের মতো তোলা হয়। এটি আংশিক হতে পারে (যেমন ছবিতে দ্বিতীয়) অথবা পূর্ণাঙ্গ হতে পারে (যেমন ছবিতে তৃতীয়) তবে ভবনের কোন কোন অংশে করতে এটা করা সম্ভব সেটাও নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

    (৩) স্টিল ব্রেসিং:

    এক্ষেত্রে দুই পিলারের মাঝখানে একটি ধাতব ফ্রেম বসানো হয় যেটি ভুমিকম্পের ঝাঁকুনি থেকে পিলারকে রক্ষা করতে পারে। এটি ঠিক ছবির মত না হয়ে কোণাকুণি বরাবরও হতে পারে।

    (৪) ওয়াল থিকেনিং:

    এক্ষেত্রে দুই কলামের মাঝের দেয়ালটাকেই মোটা করে ওজন বাড়িয়ে নেয়া হয়। এটিও রড ব্যবহার করে ঢালাইয়ের মত প্রক্রিয়ায় করা হয়।

    (খ) উন্নত বিশ্বের তিন প্রযুক্তি:

    (১) টিএমডি (টিউন মাস ড্যাম্পার)

    এক্ষেত্রে ভবনের ছাদের দিকে বড় আকারের একটি সিস্টেম বসানো হয়। এর ভেতরে তেল বা পানির মতো তরল পদার্থ থাকে। সেটা এমনভাবে করা হয় যেন বসানো সিস্টেমটি নিজে দুলে ভূমিকম্পের ঝাঁকুনি শোষণ করতে পারে। কোনো ক্ষেত্রে এর ভেতরের তরল পদার্থ দুলবে, আবার কোনো ক্ষেত্রে সিস্টেমটাই ডানে-বামে স্লাইড করবে।

    আরেকভাবেও এটা করা যায় সেটা পেন্ডুলামের মতো। সেক্ষেত্রে তরল পাদার্থবিশিষ্ট বিশেষ পেন্ডুলামও ঝাঁকির সাথে দুলে ভবনের নড়াচড়া কমাতে পারে।

    এটা ভবনের উপরে বিশালাকারের হতে পারে যেমন তাইওয়ানের তাইপেই ওয়ান ও ওয়ান। এটি ১০১ তলা একটি ভবন যেখানে এমন বড় পেন্ডুলাম ব্যবহার করা হয়েছে। বাংলাদেশে এখনো কোথাও এমন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়নি বলে জানান ড. আনসারী।

    তাইওয়ানের ১০১ তলা ভবন তাইপেই ১০১ এ ব্যবহার করা হয়েছে পেন্ডুলাম আকৃতির বিশাল টিএমডি।  তবে পেন্ডুলাম আরেকভাবেও ব্যবহার হয় বিমের মাঝে, তবে সেটিকে ঠিক এই টিএমডি প্রযুক্তি না, বরং বেজ আইসোলেটরের মধ্যে ফেলা হয়।

    (২) বেজ আইসোলেটর:

    বেজ আইসোলেটর প্রযুক্তি বসানো হয় ভবনের নিচ দিয়ে যেটি ভবনকে ভিত্তি থেকে আলাদা করে দেয়। এটিকে এমনভাবে সেট করা হবে যেনো ভূমিকম্পের ঝাঁকুনিতে নিচের অংশটি নড়বে, কিন্তু উপরের অংশ দুলবে না।

    সেটি সহজভাবে বুঝতে ধরুন একটি বাক্সের নিচে এমনভাবে চাকা বা বল বসালেন যেন তার নিচে দুললে চাকাটি এদিক-ওদিক নড়বে, কিন্তু চাকার উপরে বাক্স পর্যন্ত সেই দুলুনি যাবে না। এটি অনেক ক্ষেত্রে তেলভিত্তিক পেন্ডুলাম দিয়েও করা হয়। উন্নত বিশ্বে অনেক ক্ষেত্রে হাসপাতালকে নিরাপদ করতে এটি করা হয়। বাংলাদেশে কোনো ভবনে এই প্রযুক্তি ব্যবহার না করা হলেও যমুনা ব্রিজে ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানান ড. আনসারী।

    (৩) বিআরবি (বাকলিং রিস্ট্রেইন্ড ব্রেইস):

    বিআরবিতে লাল অংশের মতো প্রযুক্তি বসানো হয় যেটি ঝাঁকুনি শোষণ করে।

    বিআরবিও একটি অতি ব্যয়বহুল প্রযুক্তি। সহজে বুঝালে স্টিল ও স্প্রিঙের মতো একটি কাঠামো যেটি সংকোচন-প্রসারণে সক্ষম। ভুমিকম্পে এর ভেতরের স্প্রিং-এর সংকোচন-প্রসারণ হয় এবং সেটি পিলারের উপর চাপ না ফেলে নিজে কাঁপুনি শোষণ করে। এটি সাধারণত আমেরিকা বা চীনে তৈরি হওয়ায় সেখানেই বেশি ব্যবহার হয়।

    তবে এসব প্রযুক্তিই অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এজন্য ভবন তৈরির পরের চেয়ে আগেই মাটি ও ভবন সংক্রান্ত বিষয়ে ভুমিকম্পের দিক বিবেচনা করে ভবন নির্মানটাই বেশি যৌক্তিক।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • ওয়ার্ল্ড অব ওয়ার্ক সামিটে যোগদান শেষে সুইজারল্যান্ড থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

    ওয়ার্ল্ড অব ওয়ার্ক সামিটে যোগদান শেষে সুইজারল্যান্ড থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুই দিনের (১৪ ও ১৫ জুন) ‘ওয়ার্ল্ড অব ওয়ার্ক সামিট : সোশ্যাল জাস্টিস ফর অল’-এ যোগদান শেষে  সুইজারল্যান্ডের জেনেভা  থেকে দেশে ফিরেছেন। এর আগে, ১৩ জুন, প্রধানমন্ত্রী  চার দিনের সরকারি সফরে সুইজারল্যান্ডে যান।

    প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট শুক্রবার দিবাগত রাত ১টা ৫৫ মিনিটে ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এর আগে ফ্লাইটটি জেনেভা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সকাল ১১.৫০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময়  শুক্রবার বিকেল ৩ টা ৫০ মিনিট) যাত্রা করেছিল।

    ১৪ জুন, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার ইউএনএইচসিআর প্রধান ফ্লিপো গ্র্যান্ডি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বাসস্থানে সাক্ষাৎ করেন।

    পরে প্রধানমন্ত্রী প্যালাইস ডি নেশনস-এ সুইস কনফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট অ্যালেইন বারসেটের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এরপর সেখানে বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যে জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। বিকেলে, প্রধানমন্ত্রী প্যালাইস ডি নেশনস-এ ‘ওয়ার্ল্ড অব ওয়ার্ক সামিট ২০২৩’ এর প্লেনারিতে ভাষণ দেন।

    শেখ হাসিনা মাল্টার প্রেসিডেন্ট ডক্টর জর্জ ভেলার সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন, এরপর আইএলও মহাপরিচালক গিলবার্ট এফ হাউংবোর সঙ্গে বৈঠক করেন। সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী আইএলও এর সদর দপ্তরে ডিজি কর্তৃক আয়োজিত উচ্চ পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে নৈশভোজে যোগ দেন।

    ১৫ জুন, তিনি ডব্লিউইএফ কার্যালয়ে এর প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ক্লাউস শোয়াবের সঙ্গে একটি বৈঠকের পর ‘এ টক এট দ্য ডব্লিউইএফ’ এ যোগদান করেন।

    সেখানে তিনি ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) আয়োজিত ‘নিউ ইকোনমি অ্যান্ড সোসাইটি ইন স্মার্ট বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।

    সন্ধ্যায়, ডব্লিউটিওর মহাপরিচালক ড. ওকোনজো-আইওয়ালা তাঁর বাসস্থানে সাক্ষাৎ করেন। তিনি সন্ধ্যায় একটি সামাজিক সংবর্ধনায়ও যোগ দেন।

    ‘দ্য ওয়ার্ল্ড অব ওয়ার্ক সামিট ২০২৩ : সকলের জন্য সামাজিক ন্যায়’ হলো সামাজিক ন্যায়বিচারকে সমর্থন করার জন্য বিস্তৃত, সমন্বিত এবং সুসঙ্গত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা মোকাবেলায় সোচ্চারদের একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈশ্বিক ফোরাম।

    এটি সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য একটি বৈশ্বিক জোট গঠনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা ও অবহিত করার একটি সুযোগ দিয়েছে, যা আন্তর্জাতিক শ্রম অফিসের ৩৪৭ তম অধিবেশনে গভর্নিং বডি স্বাগত জানিয়েছে।

    সম্মেলনে বেশ কয়েকজন উচ্চ পর্যায়ের অতিথিদের পাশাপাশি মালিক ও শ্রমিকদের প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন।

    দু’দিনের শীর্ষ সম্মেলনে আরও টেকসই এবং ন্যায়সঙ্গত বিশ্ব গড়তে সামাজিক ন্যায়বিচারের মূল ভূমিকা তুলে ধরে এবং সামাজিক ন্যায়বিচারকে এগিয়ে নিতে এবং নীতির সুসঙ্গততা নিশ্চিত করার জন্য বর্ধিত এবং আরও ভালো ভাবে সমন্বিত যৌথ পদক্ষেপের কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হয়।

    সূত্র: বাসস