Author: Hello Bangla News

  • সরকার ২০ হাজার শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সমাধিস্থল সংরক্ষণ করবে: মোজাম্মেল হক

    সরকার ২০ হাজার শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সমাধিস্থল সংরক্ষণ করবে: মোজাম্মেল হক

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: সরকার দেশে ২০ হাজার শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধার সমাধিস্থল সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করবে বলে জানিয়েছেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক ।

    মন্ত্রী গতকাল রবিবার সংসদে সরকারি দলের সদস্য মো. হাবিব হাসানের টেবিলে উপস্থাপিত এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘শহীদ ও অন্যান্য প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধার সমাধিস্থল সংরক্ষণ ও উন্নয়নের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের আওতায় ‘শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাদের সমাধিস্থল সংরক্ষণ ও উন্নয়ন (১ম সংশোধিত)’ বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় ২০,০০০ (বিশ হাজার সমাধিস্থল সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করা হবে)।’

    মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আরও জানান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘মুক্তিযুদ্ধকালীন উল্লেখযোগ্য সম্মুখ সমরের স্থান গুলো সংরক্ষন ও উন্নয়ন’ শীর্ষক বাস্তবায়িত প্রকল্পের আওতায় ১৩টি সম্মুখ সমরের স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়েছে। এ ছাড়া মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক স্থানসমূহ সংরক্ষণ ও স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণ (১ম সংশোধিত) শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় সমুখ সমরের স্থান গুলো সংরক্ষণ করা হচ্ছে।

    সূত্র: বাসস

  • বিফ স্টেইক

    বিফ স্টেইক

    উপকরণ: গরুর চোষের মাংস-২ স্লাইস, রসুন-৩/৪ কোঁয়া, গোল মরিচের গুঁড়ো-১ চা চামচ, মাখন-২ টেবিল চামচ, লবন পরিমান মত, অলিভ অয়েল-২ টেবিল চামচ

    স্পেশাল সস তৈরীর জন্য: টমেটো সস, বারবিকিউ সস, সয়া সস, লেবুর রস

    বিফ স্টেইক

    প্রণালি: প্রথমে চোষের মাংস একটু ভারী করে শ্লাইস করে কেটে নিতে হবে। এতে রসুনের কোঁয়া থেঁতো করে, গোল মরিচের গুঁড়ো, অলিভ অয়েল, লবন মেখে দুই থেকে তিন ঘন্টা মেরিনেট করে রাখতে হবে। তারপর একটি নন্ স্টিক ফ্রাইং প্যানে অলিভ অয়েল দিয়ে তাতে মেরিনেট করা মাংসের স্লাইস গুলো দিতে হবে। কিছুক্ষন পর পর একটি চিমটার সাহায্যে উল্টিয়ে দিতে হবে । স্টেইক একেক জন একেক রকম খেতে পছন্দ করেন। কেউ হাফ ডান, কেউ মিডিয়াম কুক, কেউ আবার ফুল ডান। পছন্দ অনুযায়ী নামিয়ে নিতে হবে । নামানোর আগে অল্প বাটার দিয়ে নিলে খেতে বেশ সুস্বাদু হবে ।

    সস: উপরে লিখা সব সস মিলিয়ে তাতে অল্প পরিমান লেবুর রস মিশিয়ে স্টেইকের সাথে পরিবেশন করা যেতে পারে । আলু সিদ্ধ করে একটু বাটার দিয়ে মাখিয়ে ম্যাশ পটেটো  আর পছন্দ অনুযায়ী সটেড্ সব্জী স্টেইকের সাথে খেতে খুবই মজাদার একটি পরিবেশনা ।

    রেসিপি দিয়েছেন: নভেরা সারোয়ার জয়া

  • ঈদুল আজহা`র ছুটি বাড়লো একদিন

    ঈদুল আজহা`র ছুটি বাড়লো একদিন

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: ঈদুল আজহা`র ছুটি একদিন বাড়ানো হয়েছে। আগামী ২৭ জুন থেকে ঈদের ছুটি শুরু হবে। ফলে ২৭-৩০ জুন পর্যন্ত ছুটি ভোগ করতে পারবেন সরকারি চাকরিজীবীরা।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার তার কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এক দিন ছুটি বাড়ানোর এই সিদ্ধান্ত হয়।

    ঈদের ছুটি এক দিন বাড়াতে গত ১৩ জুন আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি প্রস্তাব করেছিল। যানজট, যাত্রী হয়রানি ও সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে আগামী ২৭ জুন ঈদের ছুটি ঘোষণার দাবি জানিয়েছিল যাত্রী কল্যাণ সমিতিও।

    আগামী ২৯ জুন কোরবানির ঈদ হতে পারে ধরে নিয়ে ২৮, ২৯ ও ৩০ জুন ঈদের ছুটি নির্ধারণ করা আছে। ২৭ জুন নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করায় যোগ হল আরও এক দিন।

    আর ঈদের ছুটির পর ১ জুলাই শনিবারও সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে এবার ঈদে টানা পাঁচ দিনের ছুটি পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা।

    এর আগে গত ঈদুল ফিতরেও এক দিন ছুটি বাড়িয়েছিল সরকার।

    আজ সোমবার সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা কমিটির সভাও অনুষ্ঠিত হবে।

  • শিল্পকলায় সনদপত্র প্রদানের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে মিউজিক অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স-২০২৩

    শিল্পকলায় সনদপত্র প্রদানের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে মিউজিক অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স-২০২৩

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: সঙ্গীত শুধু শোনার বিষয় নয়। একটি গানের কথা, সুর বোধগম্য করতে হলে সঙ্গীতের উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশের বিষয়গুলো জানতে হবে। এই লক্ষ্যেই বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে সঙ্গীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগের ব্যবস্থাপনায় গতকাল ১৮ জুন শেষ হলো ৫ দিনব্যাপী মিউজিক অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স- ২০২৩।

    কোর্সে অংশগ্রহণকারীরা আয়োজনটিকে অসাধারণ বলে অভিহিত করেছেন। এবারে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সাংবাদিকদের জন্যও এ কোর্সে অংশ নেয়ার সুযোগ দেয়া হয়। পরে সঙ্গীত নিয়ে ভাবনা ও বোধ তৈরীর লক্ষ্যে এ ধরনের কোর্সের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন প্রশিক্ষণার্থীরা। কেবল গায়ক হিসেবে নয় সঙ্গীত বিষয়ে সামাজিক বোধ তৈরীতেও এ ধরনের কোর্স সবার জন্য প্রয়োজন বলে অনুভুতি ব্যক্ত করেন কোর্সে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকসহ অনান্য পেশার প্রশিক্ষণার্থীরা।

    একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকীর ভাবনা ও পরিকল্পনায় সঙ্গীত, সঙ্গীত পরিভাষা, নান্দনিকবোধ, পাঠ ও চর্চার মাধ্যমে সঙ্গীত উপস্থাপন, চিন্তা ও লেখার উৎকর্ষ সাধনের লক্ষ্যে এ কোর্সে পরিচালিত হয়।

    সমাপনী কোর্সে বক্তব্যে মহাপরিচালক বলেন- ‘সাধারণ মানুষের জন্য আমরা সংস্কৃতির আন্দোলন করে যাচ্ছি। বঙ্গবন্ধু যে ক্রিয়েটিভ ইন্ডাস্ট্রি তৈরী করতে চেয়েছিলেন সেটা এখনো আমরা তৈরী করতে পারি নি। আমরা চেষ্টা করছি। ’

    সবার ভাবনাগুলোকে উদার করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘নিজেকে আবিস্কার করুন, সাংস্কৃতিক জাগরণ গড়ে তুলুন। আজ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মাধ্যমে যে জাগরণ তৈরী হয়েছে, এ ধরনের এ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স সেই সংস্কৃতি আন্দোলনেরই অংশ।’

    পরে অংশগ্রহণকারীদের সনদপত্র প্রদান করা হয়।

    ৫ দিন ব্যাপী এ মিউজিক অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স শুরু হয় গত ১৪ জুন । শেষ দিন বিকাল ৫.০০ টায় বাংলা লোকসঙ্গীত ও লোকসঙ্গীতের পরিবেশন রীতি নিয়ে আলোচনা করেন ড. জাহিদুল কবির এবং সঙ্গীত লোক সংস্কৃতি নিয়ে কথা বলেন ড. কমল খালিদ।

  • এক হাজার কোটি টাকারও বেশি সম্পত্তির মালিক কোহলি

    এক হাজার কোটি টাকারও বেশি সম্পত্তির মালিক কোহলি

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক:  বিশ্বে তিন ফরম্যাটেই দক্ষ যে কয়জন ক্রিকেটার আছেন তাদের মধ্যে অন্যতম একজন বিরাট কোহলি। রান পেয়েছেন নিয়মিত। যদিও তিনি এখন দলের অধিনায়ক নন। ব্যাটে ইদানিং রান পাচ্ছেনা। তার পরেও বাণিজ্যিক আয়ের কারণে আর্থিকভাবে সবার চেয়ে এগিয়ে আছেন তিনি। সম্প্রতি একটি সমীক্ষা প্রকাশিত হয়েছে যেখানে দেখা গেছে কোহলির সম্পত্তি এক হাজার কোটি টাকারও বেশি। সবার মুখে প্রশ্ন কোথা থেকে এত টাকা আয় করেন তিনি?

    বেশির ভাগ টাকাই আসে স্পনসর এবং বিপণন থেকে। তবে ক্রিকেট থেকেও তাঁর আয় কম নয়। বোর্ডের বার্ষিক চুক্তিতে সর্বোচ্চ স্তরে রয়েছেন তিনি। প্রতি বছর সাত কোটি টাকা বেতন পান কোহলি। এ ছাড়া টেস্ট পিছু ১৫ লক্ষ, এক দিনের ম্যাচ পিছু ছয় লক্ষ এবং টি-টোয়েন্টি ম্যাচ পিছু তিন লক্ষ টাকা করে পান। আইপিএলের দল আরসিবি থেকে বছরে ১৫ কোটি টাকা করে পান। ক্রিকেট থেকে মোটামুটি এটাই কোহলির আয়।

    অন্যদিকে কোহলি প্রতিটি বিজ্ঞাপন শুট করার জন্যে সাড়ে সাত থেকে ১০ কোটি টাকা করে নেন । এটি এক দিনের রোজগার। শুটিংয়ের দিনের সংখ্যা বাড়লে টাকার অঙ্কও ততটাই বাড়ে। এই মুহূর্তে কোহলি ২৬টি সংস্থার প্রধান। বিজ্ঞাপন থেকে প্রতি বছর আনুমানিক ১৭৫ কোটি টাকা আয় করেন কোহলি।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকেও কোহলির আয় কম নয়। ইনস্টাগ্রামে প্রতিটি পোস্ট করার জন্যে কোহলি ৮.৯ কোটি টাকা করে পান। টুইটারে এই টাকার অঙ্ক আড়াই কোটি। দিল্লির এই ব্যাটার বিনিয়োগকারী হিসাবেও পরিচিত। পাঁচটি স্টার্ট-আপ রয়েছে তাঁর। দু’টি নামী রেস্তরাঁ এবং একটি বস্ত্রবিপণী রয়েছে। ছোটদের জামাকাপড়ের একটি দোকানও রয়েছে।

    বিভিন্ন ক্লাবেও কোহলির বিনিয়োগ রয়েছে। অতীতে আইএসএলের ক্লাব এফসি গোয়ায় বিনিয়োগ ছিল তাঁর। এ ছাড়া একটি টেনিস দল এবং একটি প্রো-রেসলিং দলেও তাঁর বিনিয়োগ রয়েছে। মুম্বইয়ে ৩৪ কোটি এবং গুরুগ্রামে ৮০ কোটি টাকার দু’টি বাড়ি রয়েছে কোহলির। আর এসব থেকেই কোহলির সম্পত্তি এক হাজার কোটি টাকারও বেশি

    সূত্র: আনন্দবাজার প্রত্রিকা

  • আসলে বিএনপি ভেতরে ভেতরে ষড়যন্ত্র করছে: হাছান মাহমুদ

    আসলে বিএনপি ভেতরে ভেতরে ষড়যন্ত্র করছে: হাছান মাহমুদ

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক:  তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী  এবং  আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি ভেতরে ভেতরে ষড়যন্ত্র করছে।

    তিনি গতকাল দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

    ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘এর আগে রাজশাহী বিএনপির আহ্বায়ক জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি দিয়েছিলেন এরপর সিরাজগঞ্জে জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশিদুল হাসান রঞ্জন জননেত্রীকে হত্যার হুমকি দিয়েছেন। আসলে বিএনপি ভেতরে ভেতরে যে ষড়যন্ত্রটা করছে, সেটিরই বহি:প্রকাশ হচ্ছে তাদের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দের এই সমস্ত বক্তব্য।’

    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীনতা অর্জনের পর স্বাধীনতাবিরোধী দেশি ও আন্তর্জাতিক অপশক্তি মিলে বঙ্গবন্ধুকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে হত্যার পথ বেছে নিয়েছিলো। আজকেও বিএনপিসহ যে রাজনৈতিক অপশক্তি বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়, তারা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়েছে, পরপর তিনবার জনগণের রায় নিয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন। বঙ্গবন্ধুকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছিলো  আজকে বিএনপি  যে সেই একই পথে হাঁটছে, একই পরিকল্পনা করছে, বিভিন্ন জায়গায় বিএনপি নেতাদের এ সমস্ত বক্তব্য তারই বহি:প্রকাশ।’

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি দুটি ষড়যন্ত্র নিয়ে এগুচ্ছে। একটি হচ্ছে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ‘এলিমিনেট’ করা, আরেকটি হচ্ছে দেশে একটি অস্বাভাবিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করে দেশটাকে অপশক্তির হাতে তুলে দেওয়া। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণ সেটি হতে দেবে না।  সিরাজগঞ্জে যে ঘটনা ঘটেছে আমি তার তীব্র নিন্দা জানাই। বিএনপিরই উচিত ছিলো তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা। সেটি না করে বরং তার পক্ষ অবলম্বন করে বিএনপি স্বীকার করে নিয়েছে এটি তাদেরই বক্তব্য।’

    বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক  বলেন, মির্জা ফখরুল সাহেবকে ‘তত্ত্বাবধায়ক রোগে’ পেয়ে বসেছে। এটি মির্জা ফখরুল সাহেবের গতানুগতিক প্রতিদিনের বক্তব্য। তাদের তত্ত্বাবধায়ক  সরকারের এই দাবিটা আন্তর্জাতিকভাবে কারো সমর্থন পায়নি। এমন কি যুক্তরাষ্ট্রও তাদের এই দাবিকে সমর্থন করেনি। এটা শুধু মির্জা ফখরুল সাহেবের মুখের মধ্যেই আছে। আশা করি তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকার রোগ থেকে মুক্তি লাভ করবেন।’

    মার্কিন ভিসা নীতি নিয়ে চীনের মন্তব্যের বিষয় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের পররাষ্ট্র নীতি হচ্ছে সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্রুতা নয়। যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের দ্বিমুখী অবস্থান আন্তর্জাতিকভাবে আমরা বিভিন্ন সময় দেখি। এই ক্ষেত্রেও চীন যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতি নিয়ে মন্তব্য করেছে, আমরা সেটা পর্যবেক্ষণ করছি। আমাদের সাথে দু’দেশেরই অত্যন্ত চমৎকার সম্পর্ক। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আমাদের উন্নয়ন সহযোগী, গত ৫১ বছরে আমাদের পথচলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরাট ভূমিকা রয়েছে। তাদের সাথে সম্পর্ক আরো দৃঢ় করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। একইসাথে চীনও আমাদের উন্নয়ন সহযোগী এবং এ দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিরাট ভূমিকা রেখেছে। সুতরাং সব দেশের সাথেই আমাদের অত্যন্তভালো সম্পর্ক।’

    সূত্র: বাসস

  • ফেসবুক পেইজের অর্গানিক রিচ বাড়ানোর কিছু কার্যকর পরামর্শ

    ফেসবুক পেইজের অর্গানিক রিচ বাড়ানোর কিছু কার্যকর পরামর্শ

    ফেসবুক একটি বৃহত্তর সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে পরিণত হওয়ায় ঘরে বসেও অনেকেই আয় করার সুযোগ পাচ্ছে। ফেসবুকে নানারকম ব্যবসায়িক জটিলতা কম এবং ক্রেতাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগের ক্ষেত্রে খুব ভালো একটি মাধ্যম। পাশাপাশি সেবামূলক বা পণ্য সংক্রান্ত বিষয় বিক্রি করার প্রক্রিয়াগুলো গুছিয়ে নিতে পারলে মোটামুটি বাসায় বসেও একজন ব্যক্তি ভালো বিজনেস পরিচালনা ও আয় করতে সক্ষম হতে পারে। সেজন্য অনেকেই তার নিজের বিজনেস পেইজ তৈরি করে। কিন্তু খুব একটা রিচ অনেকেই বাড়াতে পারেনা। পোস্ট রিচ করতে হলে ফেসবুক নিজেই টাকার অপশন চালু রেখেছে, তাতে করে আপনার পোস্ট অনেকের কাছে ফেসবুক থেকেই রিচ পৌছাবে। কিন্তু আপনি যদি আপনার ক্রিয়েটিভ ট্যালেন্টের মাধ্যমে পে/ টাকা ছাড়াই পেইজের রিচ বাড়াতে চান, তাহলে অনেকগুলোর মধ্যে থেকে কিছু পরামর্শ এখানে আপনারই জন্য-

    • পোস্ট দেয়ার ক্ষেত্রে উচ্চ-মানের, আকর্ষকভাবে কনটেন্ট প্রকাশ করুন। যা আপনার দর্শকদের কাছে আকর্ষণীয় এবং প্রাসঙ্গিক হবে। প্রতিদিন কনটেন্টে ও উপস্থাপনে নতুনত্ব কিছু করার চেষ্টা করুন যেন একঘেয়েমি না আসে ফলোয়ারদের।
    • সঠিক সময়ে পোস্ট করুন। যখন আপনার পেইজের ফলোয়ারেরা অনলাইন হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।
    • রিয়েল-টাইম, আকর্ষক কনটেন্ট প্রদান করতে Facebook লাইভ ভিডিও ব্যবহার করুন। এতে আপনার শ্রোতাদের এনগেজমেন্ট বাড়বে এবং ভালো প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে সম্ভাব্য ক্রেতাদের আস্থা বাড়বে।
    • সবসময় ভিজ্যুয়াল কন্টেন্ট পোস্ট করুন। যেমন ফটো এবং ভিডিও, যেহেতু তারা টেক্সট-ভিত্তিক পোস্টের চেয়ে বেশি রিয়েক্ট পেতে থাকে।
    • বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপগুলি ব্যবহার করুন, তাতে করে নতুন শ্রোতাদের তৈরি হবে। আপনার ব্র্যান্ডকে ঘিরে একটি কমিউনিটি তৈরি করুন।
    • আপনার কনটেন্টগুলো সহজে খুঁজে পেতে প্রাসঙ্গিক ‘কীওয়ার্ড’ এবং ‘হ্যাশট্যাগ’ ব্যবহার করুন।
    • আপনার পোস্টে বিভিন্ন ধরনের অফার, কনটেন্ট এবং পুরষ্কার ব্যবস্থা করতে পারেন। তাতে পেইজের এক্টিভিটি বাড়বে এবং শেয়ারিং এর মাধ্যমেও পেইজের রিচ বাড়বে।
    • পোস্টের কমেন্টের রিপ্লাই এবং ম্যাসেজের রিপ্লাইয়ের মাধ্যমেও একটি পেইজের রিচ বাড়ে। সুতরাং এই বিষয়গুলো অবহেলা করা যাবে না। যতোটা আপনি পেইজের এক্টিভ মেম্বারদের সাথে আন্তরিক হবেন আপনার পেইজের সম্পর্কে নতুন সদস্যদের জন্যও ব্যাপারটি ততোই স্বস্তিকর হবে।
    • আপনার পোস্টের সময়সূচী এবং আপনার কর্মক্ষমতা বিশ্লেষণ করতেগুরুত্বপূর্ণ একটি টুল ব্যবহার করুন। সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট টুল ব্যবহার করুন।

    মনে রাখবেন যে, ধারাবাহিকভাবে মানসম্পন্ন কনটেন্ট তৈরি করা এবং পোস্ট করা – আপনার ফেসবুক পেইজের অর্গানিক গ্রোথের চাবিকাঠি। আপনার কনটেন্টে বৈচিত্র্য আনুন, ফলোয়ারের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখুন, তাদের চাহিদা বুঝতে চেষ্টা করুন। আপনার বিজনেস পেইজের রিচ বাড়বে।

    তথ্যসূত্রঃ স্প্রাউটসোশ্যাল.কম ও ব্র্যান্ডওয়াচ.কম

  • পৃথিবীর গভীরে আছে এভারেস্টের চেয়ে চারগুণ উঁচু পর্বতমালা 

    পৃথিবীর গভীরে আছে এভারেস্টের চেয়ে চারগুণ উঁচু পর্বতমালা 

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক:  পৃথিবীর গভীরে কিছু রহস্যময় স্থান আছে যেখানে সূর্যের আলো পৌঁছায়ানি। হাজার হাজার কিলোমিটার নিচে অন্ধকার সেই জায়গায় পড়েনি মানুষের পা। অথচ সেখানেই আছে বিরাট পর্বতমালা যার কিছু শৃঙ্গ এভারেস্টের চাইতেও চারগুণ উঁচু। এগুলোর তৈরি রহস্য কেউ এখনও কেউ জানে না।

    অ্যান্টার্কটিকায় গ্রীষ্মকালের একটি উজ্জ্বল দিন। তাপমাত্রা মাইনাস ৬২ সেলসিয়াস – অর্থাৎ শূন্যের ৬২ ডিগ্রি নিচে। সামান্থা হ্যানসেনের চোখের পাতায় বরফ জমে গেছে। তার সামনে বরফের সাদা দেয়াল। কোনখানে যে তা ওপরের দিকে উঠে গেছে, কোথায় যে ঢালু হয়ে নিচের দিকে নেমে গেছে, কোথায় দিগন্তরেখা আকাশের সাথে মিলেছে তা বোঝা যায়না। সামনে তাকালে তাই একটা যেন মানসিক বিভ্রম তৈরি হয়। এর মধ্যেই তুষারের ওপর একটা সুবিধেমত জায়গা বের করলেন সামান্থা। তারপর হাতে তুলে নিলেন একটা কোদাল।

    অ্যান্টার্কটিকার উষর অভ্যন্তরভাগ:

    হ্যানসেন যেখানে আছেন তা হচ্ছে এই অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের একেবারে ভেতরের একটি উষর অঞ্চল। যেসব বিলাসবহুল জাহাজ অ্যান্টার্কটিকায় পর্যটকদের বেড়াতে নিয়ে আসে – তারা এখানে আসে না। এখানে পরিবেশ একেবারেই নির্মম। এমনকি অ্যান্টার্কটিকায় যেসব স্থানীয় বন্যপ্রাণী বাস করে তারাও এদিকে খুব কমই আসে। এখানেই এসেছেন সামান্থা ।

    সামান্থা হ্যানসেন হচ্ছেন আমেরিকার দুটি বিশ্ববিদ্যালয়, আলাবামা ও আরিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটির অনুসন্ধানী দলের একজন।  তিনি এখানে এসেছেন গোপন কিছু পর্বতমালার হদিস খুঁজে বের করতে। আজ পর্যন্ত এসব পর্বতমালার চূড়ায় কোন অভিযাত্রীর পা পড়েনি। এমনকি কোনদিন সূর্যের আলো পড়ে ঝলমল করে ওঠেনি সেসব শৃঙ্গ। কারণ – এসব পর্বত লুকিয়ে আছে পৃথিবীর মাটির নিচে অনেক গভীরে।

    পৃথিবীর অভ্যন্তরে কী আছে:

    এ গবেষণা শুরু হয়েছিল ২০১৫ সালে। অ্যান্টার্কটিকায় এসে একটি গবেষক দল একটি সিসমোলজি স্টেশন বসিয়ে গিয়েছিলেন। এগুলো এমন কিছু যন্ত্র যার অর্ধেকটা বরফের মধ্যে প্রোথিত – বাকি অর্ধেকটা বাইরে। আমাদের পৃথিবীর ভেতরে কি আছে – তা বের করাটাই ছিল এর লক্ষ্য। অ্যান্টার্কটিকার নানা স্থানে এরকম ১৫টি স্টেশন বসিয়েছিলেন গবেষকদের দলটি। এই সিসমোলজি স্টেশনের যন্ত্র দিয়ে যে পর্বতের মত কাঠামোগুলোর কথা জানা গেল – তা ছিল চরম রহস্যময়। এগুলোর নাম দেয়া হয়েছে ‘আল্ট্রা লো ভেলোসিটি জোন’ বা ইউএলভি জেড।

    কিন্তু হ্যানসেনের দলটি জানতে পারলো যে এই ইউএলভিজেডগুলো সম্ভবত পৃথিবীর সবখানেই আছে। আপনি পৃথিবীর যেখানেই থাকুন না কেন আপনার পায়ের নিচেই হয়তো আছে এগুলো।

    প্রশ্ন হলো এই ইউএলভিজেড জিনিসটা আসলে কী? আর পৃথিবীর গভীর অভ্যন্তরে এরা কী করছে?

    রহস্যময় ইতিহাস:

    পৃথিবীর ভেতরে যে পর্বতগুলো আছে তাদের অবস্থান একটা গুরুত্বপূর্ণ স্তরে। আমাদের গ্রহের অভ্যন্তরে একেবারে কেন্দ্রস্থল বা ‘কোর’ হচ্ছে একটি অতি উত্তপ্ত ধাতব স্তর। তার চারপাশে আছে নরম ও শক্ত পাথুরে স্তর বা ম্যান্টল। পৃথিবীর ভূতাত্ত্বিক গঠনের এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ – কিন্তু তা কয়েক দশক ধরেই বিজ্ঞানীদের বিস্ময়ের কারণ হয়ে আছে।

    পৃথিবীর উপরিভাগ থেকে কয়েক হাজার কিলোমিটার ভেতরে ‘কোর-ম্যান্টল সীমারেখার’ অবস্থান। কিন্তু যে উপরিভাগে মানুষ বাস করে তার সাথে তার অভ্যন্তরভাগের অনেক পার্থক্য। অনেক জায়গা এরকম যে মনে করা হয় – এগুলো বহু আগে সমুদ্রের তলদেশ ছিল, হয়তো তারই কিছু টুকরো সেখানে চাপা পড়ে আছে। পৃথিবীর অনেক জায়গায় – যেমন হাওয়াইতে – যে আকস্মিকভাবে আগ্নেয়গিরি তৈরি হয়েছে, তার পেছনে কারণ হয়তো এগুলোই।

    ‘ডীপ-আর্থ’ পর্বতের কথা কীভাবে জানা গেল:

    এগুলো নিয়ে কথাবার্তা শুরু হয় ১৯৯৬ সাল থেকে। সেসময় বিজ্ঞানীরা মধ্য প্রশান্ত মহাসাগরের অনেক নিচে থাকা কোর-ম্যান্টল বাউন্ডারি নিয়ে গবেষণা করছিলেন। এ গবেষণা করা হচ্ছিল সিসমিক ওয়েভ – বা ভূমিকম্পের মতো ঘটনার সময় পৃথিবীর ভেতরের স্তরগুলোর ভেতর দিয়ে যে কম্পনের তরঙ্গ বয়ে যায় এবং এতে যে ঝাঁকুনি লাগে – তারই বিশ্লেষণ করার মাধ্যমে। এগুলো সমন্বয় করে বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর ভেতরে কী আছে তার এক্সরে ছবির মত একটা চিত্র তৈরি করতে পারলেন।

    বিজ্ঞানীরা যখন এরকম ২৫টি ভূমিকম্পের চিত্র পরীক্ষা করলেন – তারা দেখলেন যে কোর-ম্যান্টল বাউন্ডারিতে একটি উঁচুনিচু অংশে এসে এই কম্পনটির গতি কমে যাচ্ছে – যা কেন হচ্ছে তার কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না।

    এটা একটি পর্বতমালার মতো যার শৃঙ্গগুলো ম্যান্টলের ভেতরে ঢুকে আছে। এরকম কিছু শৃঙ্গের উচ্চতা ৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত – তার মানে এগুলোর উচ্চতা এভারেস্টের চাইতেও সাড়ে চারগুণ বেশি। অন্য আরো কিছু শৃঙ্গের উচ্চতা তিন কিলোমিটারের মত।

    এর পর পৃথিবীর ‘কোর’ জুড়ে এমন আরো অনেকগুলো পর্বত চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি পাওয়া গেছে যা অত্যন্ত বিশাল। এটি যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই অঞ্চলের নিচে এবং তা ছড়িয়ে রয়েছে ৯১০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে। এগুলো কিভাবে হলো, বা এগুলো কী দিয়ে তৈরি – তা এখনো কেউ জানে না। তা ছাড়া এ পর্বতগুলোর কাছাকাছি আরো কিছু গোলাকার পিন্ডের উপস্থিতি দেখা গেছে – তবে এগুলো যে ঠিক কী এবং কোথা থেকে এলো – তা রহস্যময় । কিন্তু এই পর্বত ও পিন্ড একই জায়গায় উপস্থিত থাকায় তাদের মধ্যে কিছু একটা সম্পর্ক আছে বলেই অনুমান করা হয়।

    কেন এসব পর্বতমালা তৈরি হয়েছে:

    সাধারণত পৃথিবীর ম্যান্টলের তাপমাত্রা ৩,৭০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কিন্তু কোরের তাপমাত্রা আরো বেশি প্রায় ৫,৫০০ ডিগ্রি সেললিসিয়াস। এ তাপমাত্রা প্রায় সূর্যের উপরিভাগের কাছাকাছি।

    একটা তত্ত্ব হচ্ছে – এসব পর্বতগুলো ম্যান্টলের নিচের দিকের অংশ, যা জ্বলন্ত কোরের কাছাকাছি থাকার কারণে অতি উত্তপ্ত হয়ে আংশিকভাবে গলে গেছে এবং সেটাকেই ইউএলভিজেড বলা হচ্ছে। দ্বিতীয় আরেকটি তত্ত্ব হলো এই ডীপ-আর্থ মাউন্টেনগুলো তৈরি হয়েছে কিছুটা ভিন্ন আরেক ধরনের শিলা দিয়ে – যা ম্যান্টলকে ঘিরে আছে।

    অনেকে বলেছেন হয়তো এটি কোন প্রাচীন মহাসাগরের নিচের ভূস্তর বা ক্রাস্টের টুকরো – যা কোন কারণে ম্যান্টলের ভেতরে ডুবে গেছে এবং কোটি কোটি বছর পর এখন তা কোরের ঠিক ওপরে এসে অবস্থান নিয়েছে। হ্যানসেন বলেন, “আমরা আমাদের গবেষণা চালিয়েছি দক্ষিণ গোলার্ধে – যা ওই সব বড় কাঠামো থেকে অনেক দূরে।”

    অতীতে একটা সময় মনে করা হতো যে ডীপ-আর্থ পর্বতগুলো সবখানে নেই, বরং কিছু কিছু জায়গায় ছড়িয়ে আছে মাত্র। কিন্তু হ্যানসেনের দল আন্ট্রার্কটিকায় যেখানেই নমুনা নিয়েছেন সেখানেই ইউএলভিজেড কাঠামো পেয়েছেন। এমন হতে পারে যে এই ইউএলভিজেড হয়তো পুরো কোরের চারদিকেই একটি কম্বলের মতো জড়িয়ে আছে। কিন্তু এমন কোন অনুমান নিশ্চিত করতে হলে আরো অনেক বেশি অনুসন্ধান ও গবেষণা দরকার।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • ‘দ্য হার্ট অফ স্টোন’ ছবির মাধ্যমে হলিউডে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছেন আলিয়া

    ‘দ্য হার্ট অফ স্টোন’ ছবির মাধ্যমে হলিউডে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছেন আলিয়া

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক:  হলিউডের ‘দ্য হার্ট অফ স্টোন’ ছবিতে এবার দেখা যাবে বলিউডের আলিয়া ভাটকে। সেখানে তার সহ-অভিনেতা ‘ওয়ান্ডার ওম্যান’ গ্যাল গ্যাডট এবং ‘ফিফটি শেডস’ খ্যাত জেমি ডরনান।

    ১১ বছর আগে কর্ণ জোহর প্রযোজিত ‘স্টুডেন্ট অফ দ্য ইয়ার’ ছবিতে বলিউডে অভিষেক আলিায়া ভাটের । তার পর গত এক দশক ধরে নিজেকে একাধিক বার প্রমাণ করেছেন মহেশ-কন্যা। ‘টু স্টেটস’, ‘হাম্পটি শর্মা কি দুলহানিয়া’এর মতো ছবির পাশাপাশি ‘হাইওয়ে’, ‘উড়তা পঞ্জাব’, ‘গঙ্গুবাঈ কাথিয়াওয়াড়ি’ এর মতো ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে নিজের জাত চিনিয়েছেন আলিয়া। বলিপাড়ার পর এ বার হলিউডে পা রাখছেনি তিনি। চলতি বছরেই মুক্তি পেতে চলেছে তাঁর প্রথম হলিউড ছবি, ‘দ্য হার্ট অফ স্টোন’। ছবিতে গ্যাল গ্যাডোট, জেমি ডরনানের মতো হলিউড তারকাদের সঙ্গে এক ফ্রেমে দেখা যাবে আলিয়াকে। সম্প্রতি মুক্তি পেল সেই ছবির প্রথম প্রচার ঝলক।

    ‘সিটাডেল’-এ যেমন ‘অজ় কি’র খোঁজে বেরিয়েছিলেন প্রিয়ঙ্কা চোপড়া ও রিচার্ড ম্যাডেন অভিনীত চরিত্র নাদিয়া ও মেসন, তেমনই ‘দ্য হার্ট অফ স্টোন’-এও ‘হার্ট’-এর খোঁজে ছুটছেন গাল গ্যাডোট তথা র‌্যাচেন স্টোন। ট্রেলার অনুযায়ী সেই খোঁজেই বাধ সেধেছেন আলিয়া ভাট তথা কেয়া ধওয়ান। হলিউডের প্রথম ছবিতেই খলনায়িকার চরিত্রে দেখা যেতে চলেছে আলিয়াকে। ছবির ট্রেলারে খুব একটা বেশি সময় পাননি আলিয়া। তবে, ওই কয়েক মুহূর্তেই আলিয়ার চোখেমুখে দেখা গিয়েছে ক্রূর হাসির ঝলক। তবে ট্রেলার দেখে অনুরাগীদের প্রশ্ন, ছবিতে কি আদৌ গুরুত্ব পাবেন আলিয়া?

    আগামী ১১ আগস্ট এক জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেতে চলেছে ‘দ্য হার্ট অফ স্টোন’। সম্প্রতি ব্রাজিলে ছবির ট্রেলার প্রকাশ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ছবির বাকি তারকাদের সঙ্গে সেখানে আলিয়াও উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

  • ইন্টার মিয়ামি ছেড়ে বেকহ্যাম পুত্র রোমিও এখন ব্রেন্টফোর্ড ‘বি’ দলে

    ইন্টার মিয়ামি ছেড়ে বেকহ্যাম পুত্র রোমিও এখন ব্রেন্টফোর্ড ‘বি’ দলে

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক:  মেজর লিগ সকারে(এমএলএস) বাবার ক্লাব ইন্টার মিয়ামি ছেড়ে ডেভিড বেকহ্যামের ছেলে রোমিও এখন প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব ব্রেন্টফোর্ডের ‘বি’ দলে যোগ দিয়েছেন । এর আগে রোমিও ধারে এই ক্লাবে ছিলেন ।  প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

    এক বছরের চুক্তিতে ব্রেন্টফোর্ডের দ্বিতীয় দলটিতে খেলবেন রোমিও। ২০ বছর বয়সী রোমিওর বাবা ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক বেকহ্যাম ইন্টার মিয়ামির মালিক। গত মৌসুমের দ্বিতীয় ভাগে রোমিও ব্রেন্টফোর্ড-বি দলে ধারে খেলেছেন। গত মৌসুমে ব্রেন্টফোর্ডকে প্রিমিয়ার লিগে উন্নীত হতে রোমিও সহযোগিতা করেছেন। ঐ সময়ে তিনি ব্রেন্টফোর্ডের হয়ে ১৫টি ম্যাচ খেলেছেন। মিডলসেক্স সিনিয়র কাপে নেশন্স লিগের ক্লাব উইলডিস্টোনের বিরুদ্ধে রোমিও গোলও করেছেন।

    ব্রেন্টফোর্ড বি দলের কোচ নিল ম্যাকফালেন আশা করছেন পশ্চিম লন্ডনের ক্লাবটির হয়ে এই তরুণ নিজেকে আরো পরিনত করতে পারবেন। এ সম্পর্কে ম্যাকফালেন বলেন, ‘আমরা জানুয়ারিতে রোমিওকে দলভূক্ত করি। দলের হয়ে সে দারুন পারফর্ম করেছে। মৌসুমের শেষভাগে সে অসাধারণ খেলেছে। বিশেষ করে ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক ম্যাচে রোমিও প্রমান করেছে ধারে আমাদের এখানে খেলতে এসে সে কি শিখেছে। তার উন্নতিতে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে চাই। আগামী মৌসুমেও তার সাথে কাজ করতে আমরা মুখিয়ে আছি।’

    ইন্টার মিয়ামির হয়ে ২০২২ মেজর লিগ সকারে ২০ ম্যাচে রোমিও ১০টি এ্যাসিস্ট করেছেন।

    ডেভিড বেকহ্যাম ২০১৩ সালে ফুটবল থেকে অবসরের আগে বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ, এলএ গ্যালাক্সি, এসি মিলান, পিএসজি ও ইংল্যান্ডের হয়ে খেলেছেন।

    সূত্র: বাসস