Author: Hello Bangla News

  • আলি ফজলের ‘কান্দাহার’ আমেরিকার পর আসছে ভারতে

    আলি ফজলের ‘কান্দাহার’ আমেরিকার পর আসছে ভারতে

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: চলতি বছরের ২৬ মে আমেরিকায় মুক্তি পেয়েছে  আলি ফজল অভিনীত ‘কান্দাহার’ ছবি। এর আগে ২০২২ সালে ‘ডেথ অন দ্য নাইল’ সিরিজ়ে আলির অভিনয় দর্শকের মন ছুঁয়েছিল। আলি হলিউডে ও বলিউডে সমান জনপ্রিয়।

    কান্দাহার ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে নানা রকম প্রস্তুতির মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছিল আলিকে। বালি-কাদার মধ্যে দিয়ে বাইক চালানোর কৌশল শিখতে হয়েছে তাকে, যাকে বলে ‘ডার্ট বাইকিং’! থ্রিলারধর্মী সেই ছবির কেন্দ্রে আছে যুদ্ধ। ‘কহিল’ নামের এক খলচরিত্রে অভিনয় করছেন আলি। চরিত্রের স্বার্থেই ঝুঁকিপূর্ণ বাইক চালনা শিখে নিতে হয়েছে অভিনেতাকে। ভারতে অবশ্য ‘ডার্ট বাইকিং’-এর চল নেই তেমন। আমেরিকার পর ‘কান্দাহার’ আসছে ভারতে।

    আলি বলেন,“কিন্তু স্টান্টটা সত্যি সত্যিই করতে হয়েছিল আমাদের। মরুভূমির মধ্যে এটা করতে হত। সাজানো কিছু করা সম্ভব ছিল না। তাই ধুলো-কাদার মধ্যে বাইক চালানো সত্যিই শিখতে হয়েছিল। শুটিংয়ের আগে পঁচিশ দিন ধরে আমায় এই কৌশলটা রপ্ত করতে হয়েছিল।”

    আলি ফজলের ‘কান্দাহার’ আমেরিকার পর  আসছে ভারতে

    অভিনেতার কথায়, “শেষ অবধি অবশ্য স্টান্টটা কত সফল ভাবে করা গেল সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, চরিত্রটি জীবন্ত করে তোলাই আসল কথা ছিল।”

    অভিনেতা অবশ্য স্বীকার করে নেন ‘বডি ডাবল’-এর সঙ্গে মিলেমিশেই করেছেন কাজটা। পুরোটা একা করার ক্ষেত্রে ঝুঁকি থেকে যাচ্ছিল। তাঁর কথায়, “কঠিন কিছু দৃশ্য ছিল। অনেকটা উঁচুতে চড়া, খাড়া রাস্তায় পাথরের উপর বাইক চালানো, এগুলো তো আমি কখনও করিনি।”

    ‘কান্দাহার’-এ জেরার্ড বাটলার, ত্রাভিস ফিম্মেল, নাভিদ নেগাবানের মতো আন্তর্জাতিক তারকার সঙ্গে অভিনয় করেছেন আলি। এই কাজ তাঁর কাছে অত্যন্ত গর্বেরও। আমেরিকার পর ভারতেও খুব শীঘ্রই মুক্তি পাবে ‘কান্দাহার’।

    সুদর্শন এই অভিনেতা অভিনয়েও দক্ষ।  অভিনয় শুরু করেন স্কুল জীবনে। তারপর নানা উত্থান পতনের মধ্য দিয়ে একজনর দক্ষ অভিনতা হয়ে উঠেছেন তিনি।

    আলি ফজলের জন্ম ১৯৮৬ সালের ১৫ অক্টোবর, লখনউ শহরে। শৈশবেই বিচ্ছেদ হয়ে যায় তার বাবা মায়ের। আলির ছোটবেলা কেটেছে তাঁর দাদু দিদার কাছে। পড়াশোনা দূন স্কুল এবং লখনউয়ের লা মার্টিনিয়ের কলেজে। পরে তিনি মুম্বইয়ের সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পূর্ণ করেন। বিষয় ছিল অর্থনীতি।

    স্কুলের অনুষ্ঠানে অভিনয় করেছিলেন শেক্সপিয়রের ‘দ্য টেম্পেস্ট’ নাটকে। অভিনয়ের জন্য প্রশংসিত হন। পান পুরস্কারও। এর পর থেকেই অভিনয়ের ইচ্ছে বাড়তে থাকে মনে। পরে মুম্বইয়ে কলেজে পড়ার সময় হাতেখড়ি থিয়েটারে। থিয়েটারজীবনেই শুরু ছবিতে অভিনয়ও। ২০০৮ সালে তিনি অভিনয় করেন ইন্দো মার্কিন ছবি ‘দ্য আদার এন্ড অব লাইফ’-এ। তবে এই ছবি ব্যর্থ হয়। আলির পারফরম্যান্স আলোর মুখ দেখিনি।  থিয়েটার করতে করতেই তাঁর সঙ্গে আলাপ হয় বিখ্যাত পরিচালক সৈয়দ মির্জার সঙ্গে। তিনি আলিকে সুযোগ দেন ‘এক ঠো চান্স’ ছবিতে। ছবিতে অমৃতা অরোরা, সৌরভ শুক্লর মতো তারকার সঙ্গে তিনি অভিনয় করেছিলেন। ছবিটি বিদেশে প্রশংসিত হয়েছিল। কিন্তু ভারতে ছবিটি মুক্তিই পায়নি। হতাশ আলি আবার ফিরে যান থিয়েটারে। এ বার তিনি সুযোগ পান রাজকুমার হিরানির ছবি ‘থ্রি ইডিয়টস’-এ। ছবিতে তিনি অভিনয় করেছিলেন জয় লোবোর চরিত্রে। যিনি ড্রোন বানিয়েছিলেন। সেটা গ্রহন করেনি শিক্ষক। এতে তিনি খুব মর্মাহত হয়েছিলেন। চাপ সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করেছিলেন। ছবিতে তাঁর ভূমিকা ছোট হলেও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ তাঁর আত্মহত্যা ঘিরেই আবর্তিত হয় ছবির গল্প। যেখানে মূল বার্তা ছিল জীবনে চাপের মুখে ইচ্ছের বিরুদ্ধে গিয়ে কোনও বিষয়েই সফল হওয়া যায় না।

    ‘থ্রি ইডিয়টস’ এ অভিনয় করার পর আলি জানিয়েছিলেন -এ কাজ করা নিয়ে তিনি খুবই নার্ভাস ছিলেন। অডিশনে হাজির ছিলেন আমির খান স্বয়ং। ১০ দিন ওয়ার্কশপের পরে শুরু হয়েছিল শ্যুটিং।

    পরে শাহরুখ খান প্রযোজিত ছবি ‘অলওয়েজ কভি কভি’-তে অভিনয়ের জন্য আলি ১৫ কেজি ওজন কমিয়ে ফেলেছিলেন। তবে আলি ফজল সবথেকে বেশি জনপ্রিয়তা পান ‘ফুকরে’ ছবিতে। সেখানে তাঁর ‘জাফর’ চরিত্রটি প্রথমে ছিল অন্তর্মুখী। তার পর বন্ধুদের সাহচর্যে তিনিও নিজেকে মেলে ধরেন। এই ছবিতে অভিনয়ের সময়েই আলির আলাপ হয় রিচা চড্ডার সঙ্গে। এই ছবিতে রিচা ছিলেন গ্যাংস্টার ‘ভোলি পঞ্জাবন’-এর চরিত্রে। পরে তাঁদের আলাপ ঘনিষ্ঠ হয়ে রূপান্তরিত হয় প্রেমে।

    অল্প সময়ের মধ্যেই বলিউডে নিজের জায়গা করে নিচ্ছিলেন আলি। ‘ববি জাসুস’ ছবিতে তিনি অভিনয় করেছিলেন বিদ্যা বালনের সঙ্গে। ছবিটি বক্সঅফিসে মুখ থুবড়ে পড়লেও প্রশংসিত হয়েছিল আলির কাজ। অল্প সময়ের মধ্যেই বলিউডে নিজের জায়গা করে নিচ্ছিলেন আলি। হিন্দির পাশাপাশি ইংরেজি ছবিতেও সমান স্বচ্ছন্দ আলি। ‘ভিক্টোরিয়া অ্যান্ড আব্দুল’ ছবির মাধ্যমে তিনি প্রশংসিত হন বিশ্বে দরবারেও। জুডি ডেঞ্চের মতো দাপুটে অভিনেত্রীর পাশে একেবারে সমানে সমানে ছিলেন আলি।

    ২০২২ সালে মুক্তি পেয়েছে ‘ডেথ অন দ্য নাইল’-এর ট্রেলার। আগাথা ক্রিস্টি সৃষ্ট গোয়েন্দা চরিত্র এরকুল পোয়েরোর কাহিনি অবলম্বনে তৈরি এই ছবিটি। সেই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন আলি। পোয়েরোর চরিত্রে কেনেথ ব্রানা তো আছেনই, তার সঙ্গে ছবিতে গ্যাল গ্যাডট, রাসেল ব্র্যান্ড, এমা ম্যাকে-রা রয়েছেন।

    তাঁর অনুরাগীদের মত, অভিনয় ভাল করলেও আলির জনসংযোগ দুর্বল। পাবলিসিটি স্টান্সেরও পক্ষপাতী নন তিনি। বলিউডের চেনা ছকের বাইরে তিনি জীবনের অন্য শর্তগুলিকেও গুরুত্ব দেন।

    কেরিয়ারের ইঁদুরদৌড়ে যোগ না দিয়ে আলি ফজল জীবনকে সাজিয়েছেন নিজের পছন্দ অপছন্দের ভিত্তিতেই।

  • লাইফস্টাইলের অন্য মাত্রায় নিয়ে যাবে স্মার্ট চশমা- রিজজিপিটি

    লাইফস্টাইলের অন্য মাত্রায় নিয়ে যাবে স্মার্ট চশমা- রিজজিপিটি

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন বিস্ময়কর চশমা উদ্ভাবন করেছেন এক মার্কিন তরুণ। ‘রিজজিপিটি’ নামের চশমাটির উদ্ভাবকের নাম ব্রায়ান চিয়াং। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ভাইস নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই রিজজিপিটি চশমাটি মানুষকে কথোপকথনে সাহায্য করবে। বিশেষ করে যাদের স্মৃতিশক্তি কিছুটা দুর্বল তাদের ক্ষেত্রে মানুষের সঙ্গে কথোপকথন শুনে জবাবে কি বলতে হবে তা জানিয়ে দেবে চশমাটি। কারো সঙ্গে কথোপকথনের সময় প্রায়ই আমরা বিভিন্ন তথ্য ভুলে যাই। এতে বিড়ম্বনায় পড়তে হয় অনেক সময়। কিংবা অনেকেই ইন্টারভিউয়ের সময় গুরুত্বপূর্ণ কোনো তথ্য মনে করতে পারেননা। এসব সমস্যার সমাধান নিয়ে এসেছেন মার্কিন তরুণ ব্রায়ান চিয়াং। কেউ কোনো কিছু ভুলে গেলেও ভুলবে না তার আবিষ্কৃত ‘রিজজিপিটি’ নামের চশমাটি।

    স্মার্ট এ চশমায় ব্যবহার করা হয়েছে ক্যামেরা, মাইক্রোফোনসহ একটি টু-ডি (দ্বিমাত্রিক) স্ক্রিন। কারো সঙ্গে কথা বলার সময় এসবের সাহায্যে সেটি শুনে নেবে চশমাটি। এরপর কি বলতে হবে তা জানাতে, কথোপকথনের সব তথ্য লিখিত আকারে ওয়াইফাই-এর মাধ্যমে পাঠিয়ে দেবে, কৃত্রিম চ্যাটবট চ্যাটজিপিটিতে। এরপর স্ক্রিনে ভেসে উঠবে প্রয়োজনীয় উত্তর। বিস্ময়কর চশমাটির উদ্ভাবক ব্রায়ান চিয়াং যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্সের ছাত্র। চশমাটির ডিজাইন তৈরি করেছে ‘ব্রিলিয়ান্ট ল্যাব’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান।

    ব্রায়ান জানিয়েছেন, ‘কৃত্রিম এ চশমা কোনোভাবেই মানুষের মস্তিষ্কের বিকল্প হিসেবে কাজ করবে না বরং কথোপকথনের সময় ভুলে যাওয়া বিষয়গুলোকে মনে করিয়ে দিয়ে মানুষকে সাহায্য করবে চশমাটি।’ ব্রায়ান আরও জানান, এই চশমা কথোপকথনের সময় মানুষের ভূমিকাকে কমিয়ে দেবেনা। এটি কেবলই একটি সাহায্যকারী প্রযুক্তি। যার সাহায্যে ভুলে যাওয়া বিষয়গুলোকে মনে করতে পারবে। মূলত যারা ভুলে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন তাদের বেশি কাজে লাগবে এ চশমা।

    তথ্যসূত্রঃ রয়টার্স

  • পাকিস্তানকে হারিয়ে নারী এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশ

    পাকিস্তানকে হারিয়ে নারী এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশ

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: নারী ইমার্জিং টিমস এশিয়া কাপের সেমি-ফাইনালে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম ব্যাটিং করে  ১৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়েও অবিশ্বাস্য জয় পেয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ জিতেছে ৬ রানে।

    হংকংয়ের টিন কং রোড রিক্রেয়েশন গ্রাউন্ডে দ্বিতিয় সেমি ফাইনালে শুরুতে ব্যাটিংয়ে নেমে ৭ উইকেট হারিয়ে নির্ধারিত ৯ ওভারে ৫৯ রান করে বাংলাদেশ নারী দল। জবাবে ৯ ওভার খেলে ৪ উইকেট হারিয়ে ৫৩ রানের বেশি করতে পারেনি পাকিস্তানের মেয়েরা।

    মঙ্গলবার সকালেই শুরু হয় বৃষ্টি। যে কারণে ম্যাচের দৈর্ঘ্য নেমে আসে ৯ ওভারে। বৃষ্টিস্নাত উইকেটে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় বাংলাদেশ। দলীয় ৪ রানে সাথী রানিকে বোল্ড করে টাইগ্রেস শিবিরে প্রথম আঘাত হানেন ফাতিমা সানা। সেই থেকে শুরু। এরপর আর ১২ রান যোগ করতেই প্রথম সারির আরও ৫ ব্যাটারকে হারায় বাংলাদেশ নারী দল।

    ১৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে যখন ধুঁকছিল দল, তখন খাদের কিনারা থেকে দলকে টেনে তুলেন নাহিদা আক্তার। তার ১৬ বলে ২১ রানের ইনিংসে বড় করে শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেট হারিয়ে ৫৯ রান তুলে লড়াই করার পুঁজি পায় বাংলাদেশ।

    নারী ইমার্জিং এশিয়া কাপের ফাইনালে যেতে পাকিস্তানের লক্ষ্যটা ছিল ৬০ রানের। শুরুতেই পাকিস্তানের মেয়েদের চেপে ধরে বাংলাদেশের মেয়েরা। শেষ দিকে জিততে দুই ওভারে ২০ রান প্রয়োজন ছিল পাকিস্তানের। সেখান থেকে শেষ ওভারে পাকিস্তানের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৩ রানে। তবে শেষ পর্যন্ত সেই সমীকরণ মেলাতে পারেনি তারা। ফলে ৬ রানের জয়ে নারী ইমার্জিং এশিয়া কাপের ফাইনাল নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশের মেয়েরা।

    ফাইনালে বাংলাদেশ লড়বে ভারতের বিপক্ষে।

  • কাচ্চি বিরিয়ানি

    কাচ্চি বিরিয়ানি

    উপকরণ: ১ কেজি মাংস-(খাসি), লবণ-স্বাদমতো, দেড় টেবিল চামচ করে আদা বাটা ও রসুন বাটা, আধা কাপ টকদই, জর্দার রং বা জাফরান (পছন্দমতো), আধা চা চামচ দারুচিনি গুড়ো, আধা চা চামচ এলাচ গুড়ো, ৩/৪ টি লবঙ্গ, ১-চিমটি জয়ত্রী, ১/৮ চা চামচ জিরা গুড়ো, আস্ত দারুচিনি-২ খণ্ড, চিনি-১ চা চামচ, গোলমরিচ গুড়ো-আধা চা চামচ, পেস্তা বাদাম-১ মুঠো, ৩ টি তেজ পাতা, আলু (৪ খণ্ড করে কাটা)-২ টি, পেঁয়াজ বেরেস্তা-পরিমাণ মতো, পোলাওয়ের (তুলশীমালা চাল, কালিজিরা চাল, চিনিগুড়া চাল ইত্যাদি) চাল-আধা কেজি (বাসমতী হলে ভালো হয়)।

    কাচ্চি বিরিয়ানি

    প্রণালি: মাংস রান্না করার আগে ভালো করে ধুয়ে লবণ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন কয়েক ঘণ্টা মাংস লবণে থাকার কারণে নরম হয়ে যাবে এবং সহজে সেদ্ধ হবে। এরপর ধুয়ে রান্না করবেন। এরপর দইয়ে দারুচিনি ও এলাচি গুড়ো, জর্দার রং মিশিয়ে দই মাংসে দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর জয়ত্রী, গোলমরিচ, আদা-রসুন বাটাসহ বাকি সব মসলা মাংসে দিয়ে মাংস ভালো করে মেখে নিন। চাল পানিতে আলাদাভাবে সেদ্ধ করে নিন। পেঁয়াজ বেরেস্তা করে নিন ও সাথে আলুর টুকরাগুলো ভেজে নিন। এরপর মসলা মাখানো মাংস রান্নার পাত্রে ঢেলে সাজিয়ে নিন। তার ওপর ভাজা আলু ও পেঁয়াজ বেরেস্তা ছড়িয়ে দিন। এবার মাংসের ওপরে সেদ্ধ চাল সমান করে বিছিয়ে নিন। পাত্রটি চুলায় বসিয়ে দিন এবং পাত্রের মুখে ঢাকনা দিয়ে চারপাশ আটা দিয়ে বন্ধ করে দিন যাতে ভাব বাইরে না বেড়িয়ে যেতে পারে। তিন থেকে চার ঘণ্টার মধ্যে তৈরি হয়ে যাবে কাচ্চি বিরিয়ানি। এরপর মুখের ঢাকনা খুলে একটি নাড়ুনি দিয়ে এক দুইবার হালকা ভাবে নেড়ে মাংসের সাথে চাল মিশিয়ে নিন। হালকা ভাবে নাড়বেন, তা না হলে চাল ভেঙে যাবে। তৈরি হয়ে গেলে পরিবেশন করুন ‘কাচ্চি বিরিয়ানি’

    রেসিপি দিয়েছেনঃ লাভলী লিপি

  • শিল্পকলায় শেষ হলো ৭ দিনব্যাপী আয়োজন: স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যৎ

    শিল্পকলায় শেষ হলো ৭ দিনব্যাপী আয়োজন: স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যৎ

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে সঙ্গীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগের ব্যবস্থাপনায় ৭ দিন ব্যাপী স্মরণ অনুষ্ঠান: স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যৎ এর সমাপনী হলো গতকাল সোমবার । শেষ দিনে একাডেমির জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে সঙ্গীতের দুই দিকপাল পঞ্চকবির অন্যতম অতুলপ্রসাদ সেন এবং বিশিষ্ট গীতিকার ও সুরকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার স্মরণে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করা হয়।

    ১ম পর্যায়ে অতুলপ্রসাদ সেন স্মরণে প্রবন্ধ পাঠ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের প্রফেসর ড. শাহনাজ নাসরীন ইলা। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. অণিমা রায় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো: সগীর হোসেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন একাডেমির সম্মানিত সচিব জনাব সালাহউদ্দিন আহাম্মদ।

    গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার স্মরণে ২য় পর্বে আলোচনা করেন কবি জাহিদুল হক। প্রবন্ধ পাঠ করেন সেলিনা আলম। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী।

    সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন- ‘গুণী ও বরেণ্য এই মানুষদের স্মরণ ও তাদেঁর তৈরী করা পথ অনুসরণের মাধ্যমে শিল্প সাহিত্যে উৎকর্ষ সাধনের লক্ষ্যেই কাজ করছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি’।

    ৭ দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানমালার ভাবনা ও পরিকল্পনায় ছিলেন একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী এবং সমন্বয় করেন একাডেমির কর্মকর্তা খন্দকার ফারহানা রহমান ও সহকারী পরিচালক (প্রোগ্রাম, প্রোডাকশন, ডান্স) জুয়েরিয়াহ মৌলি।

  • বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সমর্থন অব্যাহত রাখবে যুক্তরাজ্য সরকার

    বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সমর্থন অব্যাহত রাখবে যুক্তরাজ্য সরকার

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সমর্থন অব্যাহত রাখবে যুক্তরাজ্য সরকার। এমন আশ্বাস দিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র, কমনওয়েলথ ও উন্নয়ন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী অ্যান-মেরি ট্রেভেলিয়ান। লন্ডনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলমকে তিনি আশ্বাস দেন।

    গতকাল সোমবার (১৯ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব জানানো হয়।

    বৈঠকে আলম অবাধ ও সুষ্ঠু সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন কমিশনকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    এফসিডিও প্রতিমন্ত্রী (ইন্দো-প্যাসিফিক) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজকীয় রাজ্যাভিষেক অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য ব্রিটিশ সরকারের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।

    তিনি বলেন, ঋষি সুনক রাজকীয় রাজ্যাভিষেকের সময় হাসিনার সঙ্গে দেখা করে সন্তুষ্ট হয়েছিলেন।

    গত মাসে প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাজ্য সফরের সময় বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য সরকারের মধ্যে এভিয়েশন ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট পার্টনারশিপের কমিউনিক যৌথ চুক্তি স্বাক্ষরে সন্তোষ প্রকাশ করেন ব্রিটিশ মন্ত্রী।

    প্রতিমন্ত্রী রোহিঙ্গা শিবিরে মানবিক সহায়তা এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও টেকসই স্বদেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে রাজনৈতিক সমর্থনের জন্য ব্রিটিশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

    তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গা সংকট যেন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টির বাইরে না যায়।

    ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উদারতার প্রশংসা করেন এবং উল্লেখ করেন যে বিষয়টি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের যথাযথ মনোযোগ দেওয়া উচিত।

    প্রতিমন্ত্রী ব্রিটিশ প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করেন বাংলাদেশ মন্ত্রিসভা গত সপ্তাহে হংকং কনভেনশন অন শিপ রিসাইক্লিং-এ যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা কনভেনশন কার্যকর হওয়ার পথ প্রশস্ত করেছে।

    ব্রিটিশ প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারকে এই সিদ্ধান্তের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং পরিবেশবান্ধব সবুজ জাহাজ চলাচল ও সামুদ্রিক নিরাপত্তার জন্য একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

    উভয় পক্ষই কমনওয়েলথ বিষয়ক বিশেষ করে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ ইস্যুতে তাদের মতামত আদানপ্রদান করে নেয় এবং ঢাকায় আসন্ন কমনওয়েলথ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম সফল হবে বলে আশা প্রকাশ করে।

    বৈঠকে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (পশ্চিম ইউরোপ ও ইইউ) কাজী রাসেল পারভেজ উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র : বাসস

  • শর্ট ফরম্যাটের ক্রিকেটের সঙ্গে মানিয়ে নিতে গিয়ে মমিনুল টেস্ট দলে অনিয়মিত হিয়েছিলেন

    শর্ট ফরম্যাটের ক্রিকেটের সঙ্গে মানিয়ে নিতে গিয়ে মমিনুল টেস্ট দলে অনিয়মিত হিয়েছিলেন

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: ২০১৩ সালে মমিনুল যখন বাংলাদেশ দলে খেলা শুরু করেন তখন সেটা ছিলো তার ক্রিকেট জীবনের সবথেকে সোনালি অধ্যায়।  বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে প্রথম এক টেস্টে দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি। তখন তাকে স্যার ডন ব্র্যাডম্যানের সাথে তুলনা করা হয়েছিল। এর কারণ সে বছর মমিনুলের ব্যাটিং গড় ছিল ৮৩। কিন্তু ১০ বছর পেরিয়েও মমিনুলের জায়গা জাতীয় দলে নিশ্চিত নয়।

    ২০১৫ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপে ব্যর্থতার পর মমিনুল ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সাথে মানিয়ে নিতে ব্যাটিং নিয়ে কিছু কাজ করেছিলেন, যা আসলে যথেষ্ট কাজে দেয়নি তার ব্যাটিং উন্নয়নে। বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিকেএসপির ক্রিকেট প্রধান নাজমুল আবেদীন ফাহিম বলেন, শর্ট ফরম্যাটে খেলার জন্য মমিনুল ব্যাটিং ভিত্তিতে কিছু মৌলিক পরিবর্তন আনে তাই তাকে আজ এই সমস্যায় পড়েতে হয়েছে।

    সে সময় মমিনুল হক টানা ১১টি টেস্ট ম্যাচে অন্তত এক ইনিংসে ৫০ এর বেশি রান করেছিলেন, এই রেকর্ডে মমিনুল হক ওয়েস্ট ইন্ডিজের ভিভ রিচার্ডস, ভারতের গৌতম গম্ভীর ও ভিরেন্দার সেহওয়াগের পাশে নাম লিখিয়েছিলেন, সবচেয়ে বেশি ছিল এবি ডি ভিলিয়ার্স ও জো রুটের টানা ১২ টেস্ট ম্যাচে অন্তত এক ইনিংসে ৫০।

    মমিনুল হকের গড় ২০১৪ সালেও ছিল ৫০ এর ওপর। তবে ২০১৫ সাল থেকে শুরু হয় মমিনুল হকের পারফরম্যান্সের ক্রমশ পতন। ২০১৫, ২০১৬ এবং ২০১৭ সালে কোনও সেঞ্চুরি করতে পারেননি এই বাঁহাতি ক্রিকেটার।

    বাংলাদেশের শীর্ষ ক্রিকেটারদের মেন্টর নাজমুল আবেদীন ফাহিমের মতে, এই সময়টায় মমিনুল নিজের আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছিলেন। ২০১৭ সালে মমিনুল হক জাতীয় দল থেকে প্রথমবারের মতো বাদ পড়েন, সেই সময় বাংলাদেশ দলের কোচ ছিলেন বর্তমানে কোচের দায়িত্বে থাকা চান্ডিকা হাথুরুসিংহে। তাই বর্তমান সময়টা মমিনুলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলছেন মি. ফাহিম।

    মমিনুল সম্প্রতি আফগানিস্তানের বিপক্ষে একটি শতক হাঁকিয়েছেন, এই শতকটি মমিনুলের জন্য স্বস্তির, কারণ তিনি হাথুরুসিংহের অধীনে এটা করেছেন, দ্বিতীয়ত ২০২১ সালের পর এটাই মমিনুলের প্রথম টেস্ট শতক। যদিও তিনিই বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি টেস্ট সেঞ্চুরির মালিক – ১২টি।

    কিন্তু ২০২২ সালে মমিনুলের পরিসংখ্যান এতোটাই দুর্বল ছিল যে, তার নামের পাশে সেঞ্চুরির সংখ্যা তখন আলোচনাতেই আসেনি।

    বাংলাদেশের হয়ে টেস্ট ক্রিকেটে অধিনায়কত্ব করা মমিনুল হক ২০২২ সালে এমন একটা সময় কাটিয়েছিলেন যেখান থেকে তার জাতীয় দলে ফেরাই কঠিন মনে হচ্ছিল একটা পর্যায়ে, সেখান থেকে মমিনুল হক ফিরেছেন ছয় ইনিংসে একটি ফিফটি ও একটি শতক দিয়ে। বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটে এখন মমিনুল হকের ১০ বছর চলছে।

    এই দশ বছরে উত্থান ও পতনের ভেতর দিয়ে গেছে তার ক্যারিয়ার।

    তবে সবচেয়ে বেশি নাটকীয় ছিল মমিনুলের ২০২২ সাল, এই সময়টায় তিনি রান পাননি একেবারেই, টানা ১১ ইনিংস মমিনুল হকের ব্যাটে এসেছে কেবলই এক অঙ্কের রান। সেই চাপ কিছুটা লাঘব হয়েছিল ভারতের বিপক্ষে মমিনুল হকের ৮৪ রানের একটি ইনিংসে।

    গত বছরের ডিসেম্বর মাসে মমিনুল হক জাতীয় দলে নিজের জায়গাটা ধরে রাখতে পেরেছেন এই এক ইনিংস দিয়েই।

    ২০২২ সালের শুরুটা তিনি করেছিলেন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৮৮ রানের একটি ইনিংস দিয়ে, শেষ করেছেন ভারতের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে ৮৪ ও ৫ করে।

    এর মাঝে মমিনুলের ওপর চাপ ছিল অধিনায়কত্বের, এরপর নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে টানা ব্যর্থ হয়েছেন ব্যাট হাতে, এই সময় মমিনুল হক মাত্র ১৩ গড়ে রান তুলেছিলেন। আফগানিস্তানের বিপক্ষে সাম্প্রতিক শতক তাই মমিনুলের জন্য একটা বাড়তি প্রেরণার উৎস, মমিনুল মনে করেন, তিনি চেষ্টা করেছেন নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী খেলার।

    শতক হাঁকানোর পর গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, “আমি খুব বেশি পরিবর্তন আনার চেষ্টা করিনি, আমি যেভাবে টেস্ট খেলি সেভাবেই করার চেষ্টা করেছি, আমার শক্তি যেখানে, সেখানেই জোর দিয়েছি”।

    তিনি বলেন, অধিনায়কত্ব না থাকলে একটা সুবিধা থাকে ‘এতো এতো চিন্তা করতে হয় না’।

    মমিনুল হক মনে করেন, “টেস্টে একটা সুবিধা থাকে যে সীমাবদ্ধতা থাকলেও সেগুলো নিয়ে কাজ করা যায়”।

    আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের রেকর্ড ব্যবধানে জয়ের ম্যাচে নাজমুল হোসেন শান্ত দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরি করেছেন, এর আগে এই রেকর্ড ছিল মমিনুলের। মমিনুল বলেন, “শান্ত বা লিটন যে ধরনের ব্যাটার দেখতে খুব সুন্দর লাগে। শান্ত খারাপ বল ছাড়ে না।”

    শান্ত ও লিটন দাসের সাথে নিজের তুলনা দিয়ে মমিনুল হক বলেন, আমার ধরনটা ভিন্ন, আমি চাইলেও এভাবে ব্যাট করতে পারবো না।

    নাজমুল আবেদীন ফাহিম ব্যাটার মুমিনুল হককে নিয়ে নিজের বিশ্লেষণে বলেন, ” প্রত্যেকের আলাদা ক্ষমতা ও দক্ষতা রয়েছে। মমিনুলেরও তাই। কিন্তু সে টেস্ট যখন শুরু করলো, ওয়ানডেতে সেই খেলা যথেষ্ট না, কিছু পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেছে, ফাউন্ডেশনে বদল এসেছে। এটা তাকে তেমন সুবিধা দেয়নি।”

    মমিনুলের ১০ বছরের টেস্ট ক্যারিয়ারের আরেকটা হাইলাইটস হলো ঘরে ও বাইরে টেস্ট পারফরম্যান্সের ফারাক।

    বাংলাদেশের মাটিতে মমিনুল হক:

    টেস্ট- ৩২, রান- ২৫৯৯, গড়- ৫০

    বাংলাদেশের বাইরে মমিনুল হক:

    টেস্ট- ২৫, রান- ১১৯২, গড়- ২৬।

    ২০১৯ সালে জুয়াড়ির সাথে কথোপকথন গোপন করার দায়ে সাকিব আল হাসানের শাস্তির কারণে মমিনুল হককে টেস্ট ক্রিকেটের অধিনায়কত্ব দেয়া হয়েছিল।

    সূত্র : বিবিসি বাংলা

  • উষ্ণায়নের কারণে হিমালয় থেকে সৃষ্টি হওয়া ১০টি নদী হারিয়ে যাবে

    উষ্ণায়নের কারণে হিমালয় থেকে সৃষ্টি হওয়া ১০টি নদী হারিয়ে যাবে

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: বিশ্বব্যাপী যে উষ্ণায়নের সৃষ্টি হয়েছে তাতে পরিবেশগত বিপর্যয়ের কারণে নানামুখি সমস্যার দেখা দিয়েছে। এই ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলীও চরম উদ্বেগের মধ্যে আছে। কেননা এই উষ্ণায়নের ফলে এশিয়ার সবচেয়ে বড় পর্বত হিমালয়ে গলছে দ্রুত গতিতে। পরিবেশ বিজ্ঞানীরা বলছে এই ভাবে বরফ গলতে থাকলে দশ বছরের মধ্যে হারিয়ে যাবে দশটি নদী। যেসব নদীর সৃষ্টি হিমালয় থেকে। পরিবেশ বিজ্ঞানীরা বলছেন গত কয়েক বছর ধরে এই উষ্ণায়ন বাড়তে থাকবে।

    জানা গেছে উষ্ণায়নের ফলে হিমালয়ের বরফ গলে যাওয়ার গতি এতটাই যে, একের পর এক হিমবাহ উধাও হয়ে যাচ্ছে। বিজ্ঞানীরা বিষয়টিকে চরম উদ্বেগের বলে মনে করছেন। তাঁরা বলছেন, গত দশকে অর্থাৎ ২০১১ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে হিমালয়ের বরফ যে গতিতে গলেছে, তা পূর্ববর্তী দশকের তুলনায় ৬৫ শতাংশ বেশি। অর্থাৎ, বরফ গলনের গতি এক দশকে ৬৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

    বিজ্ঞানীদের বক্তব্য, বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে পাহাড় পর্বতে জমে থাকা বরফ গলবে, এটাই স্বাভাবিক। বরং, বরফ গলে যাওয়াই স্বাভাবিক। কিন্তু হিমালয়ের ক্ষেত্রে যে বিষয়টি সবচেয়ে চিন্তার তা হচ্ছে এই সময়ের মধ্যে দ্রুত এত বরফ হিমালয় থেকে গলে যাবে, তা আশা করেননি কেউ। এ বিষয়ে এখন থেকেই সতর্ক হওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন তাঁরা।

    হিন্দুকুশ হিমালয়ের হিমবাহগুলি সরাসরি অন্তত ২৪ কোটি মানুষের প্রতি দিনের প্রয়োজনীয় পানির ঘাটতি মেটায়। এ ছাড়া, বিভিন্ন নদী উপত্যকায় বসবাসকারী আরও অন্তত ১৬৫ কোটি মানুষ পরোক্ষ ভাবে এই হিমবাহগুলির উপর নির্ভরশীল। সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ দেখে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, এই শতাব্দীর শেষে হিমালয়ের হিমবাহগুলি ৮০ শতাংশ আয়তন হারাবে। তাতে অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে ওই এলাকা থেকে সৃষ্টি হওয়া ১০টি প্রধান নদী এবং তাদের যাবতীয় উপনদী ও শাখানদী।

    গঙ্গা, সিন্ধু, ব্রহ্মপুত্র, মেকং, ইয়েলো, ইরাবতীর মতো ভারত ও চিনের বহু গুরুত্বপূর্ণ নদীর জলের উৎস হিমালয়ের হিমবাহ। সেগুলি গলে গেলে এই নদীতে প্লাবন দেখা দেবে। নদীর উপত্যকায় বসবাসকারী বহু মানুষের জীবন বিপন্ন হয়ে উঠবে তাতে। উপত্যকার বাসিন্দাদের শুধু বাসস্থান নয়, খাবার, বিদ্যুৎ প্রভৃতি একাধিক প্রাথমিক চাহিদা মেটে নদীর জল থেকেই।

    নেপালের ইন্টারন্যাশানাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্ট (আইসিআইএমওডি)-র রিপোর্ট অনুযায়ী, ২১০০ সালের মধ্যে হিমালয়ের হিমবাহের পরিমাণ দাঁড়াবে এক তৃতীয়াংশ। হিমবাহ অর্ধেক হয়ে যাওয়াও অসম্ভব নয়। উনবিংশ শতকের মাঝামাঝি থেকে এখন পর্যন্ত সারা বিশ্বের তাপমাত্রা সার্বিক ভাবে ১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই কারণেই বিশ্বের নানা প্রান্তে আগের চেয়ে বেশি গরম অনুভূত হচ্ছে। বেড়েছে দাবদাহের মাত্রাও। এই পরিস্থিতিতে অবিলম্বে আবহাওয়া সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানের জন্য পদক্ষেপ করতে হবে, মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।

    এই উষ্ণায়নের ফলে এবং হিমালয় থেকে সৃষ্ট ১০ টি নদী হারিয়ে গেলে বিরাট ক্ষতির মুখোমুখী হবে বাংলাদেশ। তবে একথা অনস্বীকার্য যে, বিশ্বব্যাপি দাবদাহ ফলে জলবায়ুর জলবায়ুর পরিবর্তন হচ্ছে। তবে এর জন্য শুধুমাত্র প্রাকৃতিক কারণেই নয়, এর মধ্যে মানবসৃষ্ট কারণও রয়েছে। বাংলাদেশে একাধারে সমুদ্রস্তরের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা সমস্যা, হিমালয়ের বরফ গলার কারণে নদীর দিক পরিবর্তন, বন্যা ইত্যাদি সবগুলো দিক দিয়েই ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং হচ্ছে। এছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগের মাত্রাও অনেক অনেক বেশি। তাই মানব সৃষ্ট উষ্ণায়ন অবশ্যই আমাদের কমাতে হবে। বিশেষ ভাবে এই উষ্ণায়ন কমাতে উন্নত দেশগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে।

    সূত্র : আনন্দবাজার প্রত্রিকা

  • নাইট শিফটে কাজ করছেন? সুস্থ থাকতে এই টিপস গুলো মনে রাখুন!

    নাইট শিফটে কাজ করছেন? সুস্থ থাকতে এই টিপস গুলো মনে রাখুন!

    জীবিকার জন্য অনেকেই রাত জেগে কাজ করেন, এটা খুবই সিম্পল একটা বিষয়। যেমন কল সেন্টার, টেলিকম, ই-কমার্স কোম্পানি এমন অনেক অর্গানাইজেশন আছে, যেখানে নাইট শিফটে ডিউটি থাকে। নিয়মিত নাইট শিফটে কাজ করতে হলে অনেক বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয়। কারন মানুষ বিবর্তিত হয়েছে দিনে কাজ এবং রাতে ঘুমানোর জন্য। সেক্ষেত্রে রাতের শিফটে কাজ করেন যেসব কর্মী, তাদের নানারকম স্বাস্থ্যঝুকির সম্ভাবনা রয়েছে। যেমন- হজমের সমস্যা, হার্টের সমস্যা, গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা, ওজন বেড়ে যাওয়া, এমনকি ক্যানসার হবার সম্ভাবনাও রয়েছে।

    এছাড়াও রাতে কাজ করায় স্লিপিং ডিসঅর্ডার হবার সম্ভাবনা থাকে। যেমন-

    • মনোযোগের অভাব
    • ইরিটেশন
    • অল্পতেই রেগে যাওয়া
    • ঘুমের অভাব বা অল্প ঘুম হওয়া
    • চুল পড়া
    • মাথা ব্যথা বা মাথা ঘোরা

    এজন্য রাত জেগে কাজ করলে ঘুম ও খাবারের ক্ষেত্রে মেনে চলতে হবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। গবেষণা ও পুষ্টিবিদদের পরামর্শ অনুযায়ী রাতের খাবারের গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় নিচে দেয়া হলো-

    খাবার গ্রহনের সময় নির্ধারণঃ

    রাতে কাজ করলে সাধারণভাবেই ওই ব্যক্তি দিনের বেলা তার ঘুমের চাহিদা পূরণ করেন। রাতের খাবার ভরপেট না খেয়ে একই পরিমাণ খাবার ২-৩ বারে খাওয়া যেতে পারে। কারণ একবারে খেলে অনেকেরই ঘুম আসতে পারে।

    রাতের স্ন্যাকসঃ

    রাতে হালকা ক্ষুধা লাগলেই বাদাম এবং আখরোট খাওয়া যেতে পারে। স্বাস্থ্যকর হৃদবান্ধব এই ফ্যাট আমাদের ক্ষুধা নিবারণ করে।

    হাইড্রেটেড থাকুন:

    শরীর আদ্র রাখার জন্য প্রতি ১ ঘন্টা পরপর পানি পান করা ভালো। তবে অবশ্যই অতিরিক্ত চা-কফি থেকে দূরে থাকা ভালো কারণ মাত্রাতিরিক্ত ক্যাফেইন শরীরের জন্য ভালো না।

    পুষ্টিকর খাবার বেছে নিন:

    প্রোটিন, কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট এবং ডায়েটারি ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার দীর্ঘসময় শক্তি প্রদান করতে পারে। সেজন্যে ফলের জুস বা গোটা ফল, সবজি, ভাত, মাছ, মুরগীর মাংস , ডিম এবং চর্বিহীন প্রোটিন সবই ভালো পুষ্টিকর খাবার থেকে আপনার মেনু ঠিক করে খাবার খাবেন।

    প্রক্রিয়াজাত এবং উচ্চ চিনিযুক্ত খাবার সীমিত করুন:

    প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং উচ্চ চিনিযুক্ত খাবারগুলি শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ। এবং রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে। তাই একদম বাদ না দিতে পারলে, অল্প পরিমান খেতে পারেন।

    নার্ভাস সিস্টেম ভালো রাখতেঃ

    রাত জাগার পর ঘুমিয়ে ঘুম থেকে উঠার পর ১ চা-চামচ পরিমাণ মধু খাওয়া যেতে পারে। এটি আমাদের নার্ভাস সিস্টেমকে সক্রিয় করে এবং শরীরকে চাঙ্গা করে তোলে।

    নাইট শিফটে ডিউটি থাকলে করণীয় কী কী, সেটা জেনে নিলেন। যেকোনো কাজই আনন্দের, যদি সেটা আপনি মন দিয়ে করেন! তাই মানসিকভাবে নিজেকে প্রস্তুত করে নেয়া উচিৎ। ঘুমের রুটিন ও হেলদি ডায়েট, এই দু’টো বিষয়কে প্রাধান্য দিন। মানসিকভাবে সুস্থ থাকলে আপনি শারীরিকভাবেও ফিট থাকবেন।

    তথ্যসূত্রঃ স্বাস্থ্যকথন

  • বুধবার প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

    বুধবার প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি সুইজারল্যান্ড সফর সম্পর্কে গণমাধ্যমকে অবহিত করতে, বুধবার (২১ জুন) সংবাদ সম্মেলন করবেন ।

    প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, বুধবার দুপুর ১২টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৪-১৫ জুন ‘ওয়ার্ল্ড অফ ওয়ার্ক সামিট : সোশ্যাল জাস্টিস ফর অল’-এ যোগদান শেষে শনিবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভা থেকে দেশে ফিরেন।

    ‘দ্য ওয়ার্ল্ড অব ওয়ার্ক সামিট ২০২৩ : সকলের জন্য সামাজিক ন্যায়’ হলো সামাজিক ন্যায়বিচারকে সমর্থন করার জন্য বিস্তৃত, সমন্বিত এবং সুসঙ্গত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা মোকাবেলায় সোচ্চারদের একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈশ্বিক ফোরাম।

    এটি সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য একটি বৈশ্বিক জোট গঠনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা ও অবহিত করার একটি সুযোগ দিয়েছে, যা আন্তর্জাতিক শ্রম অফিসের ৩৪৭ তম অধিবেশনে গভর্নিং বডি স্বাগত জানিয়েছে।

    সম্মেলনে বেশ কয়েকজন উচ্চ পর্যায়ের অতিথিদের পাশাপাশি মালিক ও শ্রমিকদের প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন।

    দু’দিনের শীর্ষ সম্মেলনে আরও টেকসই এবং ন্যায়সঙ্গত বিশ্ব গড়তে সামাজিক ন্যায়বিচারের মূল ভূমিকা তুলে ধরে এবং সামাজিক ন্যায়বিচারকে এগিয়ে নিতে এবং নীতির সুসঙ্গততা নিশ্চিত করার জন্য বর্ধিত এবং আরও ভালো ভাবে সমন্বিত যৌথ পদক্ষেপের কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হয়।