Author: Hello Bangla News

  • মঙ্গোলিয়ান বীফ

    মঙ্গোলিয়ান বীফ

    উপকরণ:  ৪০০ গ্রাম গরুর মাংস ১/২ ইঞ্চি স্লাইস করে কাটা, ২ টেবিল চামচ তেল, ১টি লাল পেঁয়াজ-স্লাইস করে কাটা, ১ চামচ-আদা মিহি কুচি, ২টি রসুনের কোয়া, ২টি শুকনো লাল মরিচ কয়েক টুকরা, ১ টেবিল চামচ কর্ন ফ্লাওয়ার (কর্নস্টার্চ), ১ টেবিল চামচ পানির সাথে মেশানো কর্নফ্লাওয়ার, ১ টি ক্যাপসিকাম স্লাইস করে কাটা, পুদিনা পাতা-পরিমান মতো।

    মঙ্গোলিয়ান বীফ

    মেরিনেট এর জন্য উপকরণ:

    ১ টেবিল চামচ সয়া সস, ১/২ চা চামচ বেকিং সোডা, ৩ চা চামচ কর্ন ফ্লাওয়ার।

    সস তৈরী উপকরণ:

    ১/৪ কাপ সয়া সস, ১/৪কাপ মুরগির স্টক, ৩ টেবিল চামচ চিনি।

    প্রণালি : ধাপ- ১:

    মেরিনেট উপাদানের সাথে স্টক একত্রিত করে মাখিয়ে রাখতে হবে।

    ধাপ-২:  সসের জন্য উপাদানগুলি একত্রিত করুন।

    ধাপ-৩: উচ্চ তাপে একটি কড়াই বা ফ্রাইং প্যানে তেল গরম করুন। গরুর মাংস যোগ করুন এবং রান্না করুন, ভাজুন, প্রায় ২ মিনিটের মত বা সিদ্ধ  হওয়া পর্যন্ত। গরুর মাংস একটি বড় প্লেটে তুলে রাখুন।

    ধাপ -৪: একই প্যানে পেঁয়াজ দিয়ে দিন,  আদা, রসুন এবং মরিচ দিন। প্রায় এক মিনিটের মত ভাজুন। তারপর  সস যোগ করুন। আধা মিনিট রান্না করুন। তারপর কর্ন ফ্লাওয়ার মিশ্রণ যোগ করুন এবং ঘন হওয়া পর্যন্ত আঁচে রাখুন। স্প্রিং অনিয়ন সহ গরুর মাংস আবার সসে যোগ করুন এবং ভালভাবে মিশিয়ে কিছুক্ষন নাড়াচাড়া করে নামিয়ে নিন। গরম গরম পরিবেশন করুন মংগোলিয়ান বীফ।

    রেসিপি দিয়েছেন: সাকিবা বিনতে আলী।

  • এবারও দেশে উৎপাদিত গবাদিপশু দিয়েই কোরবানির চাহিদা মেটানো সম্ভব: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

    এবারও দেশে উৎপাদিত গবাদিপশু দিয়েই কোরবানির চাহিদা মেটানো সম্ভব: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: দেশে উৎপাদিত গবাদিপশু দিয়েই কোরবানির চাহিদা মেটানো সম্ভব বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। মন্ত্রী বলেন, দেশে কোরবানির পশুর কোনো ঘাটতি বা সংকট নেই। গত চার-পাঁচ বছরের মতো এবারও দেশে উৎপাদিত গবাদিপশু দিয়েই কোরবানির চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। বিদেশ থেকে পশু আমদানির কোনো প্রয়োজন নেই। পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে সীমান্ত পথে যাতে অবৈধভাবে গবাদিপশু আসতে না পারে সে জন্য কঠোর নজরদারি করা হচ্ছে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে ইতোমধ্যে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

    আজ বুধবার (১৪ জুন) সচিবালয়ে আসন্ন ঈদুল আযহা ২০২৩ উপলক্ষে কোরবানির পশুর চাহিদা নিরূপণ, সরবরাহ এবং দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে কোরবানির পশুর অবাধ পরিবহন নিশ্চিত করা সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে তিনি এ কথা জানান।

    তিনি বলেন, এ বছর কোরবানিযোগ্য মোট গবাদিপশুর সংখ্যা এক কোটি ২৫ লাখ ৩৬ হাজার ৩৩৩টি, যা গত বছরের চেয়ে চার লাখ ১১ হাজার ৯৪৪টি বেশি। এ বছর কোরবানির পশুর সম্ভাব্য চাহিদা এক কোটি তিন লাখ ৯৪ হাজার ৭৩৯টি। সে হিসেবে এ বছর পশুর ২১ লাখ ৪১ হাজার ৫৯৪টি পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, এ বছর কোরবানিযোগ্য গবাদিপশুর মধ্যে ৪৮ লাখ ৪৩ হাজার ৭৫২টি গরু-মহিষ, ৭৬ লাখ ৯০ হাজার ছাগল-ভেড়া এবং দুই হাজার ৫৮১টি অন্যান্য প্রজাতির গবাদিপশু রয়েছে।

    কোরবানি সামনে রেখে কোনো প্রকার রাসায়নিক দ্রব্য, স্টেরয়েড, হরমোন ও অ্যান্টিবায়োটিক ছাড়া নিরাপদ পদ্ধতিতে গরু হৃষ্টপুষ্ট করার কার্যক্রম বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সমন্বিতভাবে কাজ করবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এ বছর ৭২ হাজার ৫৬৩ জন খামারিকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে গবাদিপশু হৃষ্টপুষ্টকরণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়েছে।

    মন্ত্রী বলেন, এ সময় পশু খাদ্যে ভেজাল বা নিষিদ্ধ অ্যান্টিবায়োটিক ও হরমোনের ব্যবহার বন্ধে নিয়মিত সার্ভিল্যান্স ও প্রয়োজনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। এ বছর প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা সারাদেশে ৮৭ হাজার ৯৫টি খামার পরিদর্শন করে। এসব খামারে স্টেরয়েড বা হরমোনের অপপ্রয়োগ বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কোরবানির হাটে এ বছর কোনোভাবেই রোগাক্রান্ত বা অসুস্থ পশু বিক্রি করতে দেওয়া হবে না।

    গত বছরের মতো এবারও সারাদেশে পশুর প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার জন্য ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম কাজ করবে জানিয়ে শ ম রেজাউল করিম ।

    মন্ত্রী বলেন, এ বছরও সড়কপথ, রেলপথ এবং নৌপথে গবাদিপশু পরিবহনের সময় পশু ও পশু বিক্রেতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ কোরবানির পশুর ট্রাক ছিনতাই রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, জেলা প্রশাসন ও জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর যৌথভাবে কাজ করবে।

    এবারও কোনো খামারি নিজ বাড়ি থেকে পশু বিক্রি করলে তাকে হাসিল দিতে হবে না। কোনো খামারি তার পশু দূরবর্তী হাটে নিতে চাইলে, রাস্তাঘাটে জোর করে নামাতে বাধ্য করা যাবে না। এক্ষেত্রে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্থানীয় সরকার ইউনিট তথা পৌরসভা, উপজেলা বা ইউনিয়ন পরিষদ, সিটি করপোরেশন এ বিষয়টি নিশ্চিত করবে। হাটে আনার পথে কেউ পশু বিক্রি করলে তার কাছ থেকে ইজারা গ্রাহক জোর করে চাঁদা বা হাসিল আদায় করতে পাবে না।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে বিগত বছর ছয়টি পশুর হাটে ৩৩ কোটি টাকার ডিজিটাল লেনদেন হয়েছে। এ বছর ঢাকা ও চট্টগ্রামের পশুর হাটগুলোতে ক্যাশলেস বা নগদ টাকাবিহীন লেনদেনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কোরবানির পশুর হাটগুলোতে কিউআর কোড, স্মার্ট অ্যাপ, এটিএম বুথ, পয়েন্ট অব সেলস মেশিন, মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস), এজেন্ট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে লেনদেন করা হবে। এছাড়া প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সহায়তায় ২৬টি জেলায় ১০টি ব্যাংক ও তিনটি মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রোভাইডারের মাধ্যমে ডিজিটাল লেনদেনের কার্যক্রম শুরু করেছে।

    তিনি আরও বলেন, এ বছর স্বাস্থ্যসম্মতভাবে গবাদিপশু কোরবানির জন্য পশুর চামড়া ছাড়ানো ও সংরক্ষণ বিষয়ে ৩১ হাজার ৭৯৯ জন পেশাদার ও অপেশাদার কসাইকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা ২০২৩ উদযাপন উপলক্ষে সড়কের ওপরে যত্রতত্র কোরবানির পশু জবাই না করে যথাসম্ভব নির্ধারিত স্থানে কোরবানি করার জনসচেতনতা সৃষ্টির ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    বিগত তিন বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে গবাদিপশু বিক্রয় কার্যক্রম চলবে।

  • শিল্পকলায় নাট্যকার মুনীর চৌধুরী ও যাত্রাশিল্পী অমলেন্দু বিশ্বাস স্মরণে অনুষ্ঠান

    শিল্পকলায় নাট্যকার মুনীর চৌধুরী ও যাত্রাশিল্পী অমলেন্দু বিশ্বাস স্মরণে অনুষ্ঠান

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: মুনীর চৌধুরী শুধু নাট্যকারই নন, ছিলেন একাধারে শিক্ষক, গবেষক, ভাষাতত্ত্ববিদ, প্রবন্ধকার, অনুবাদক, ছোট গল্পকার, শিল্প ও সাহিত্য সমালোচক, অভিনেতা, নাট্য-নির্দেশক এবং বাংলা কিবোর্ডের প্রবর্তক। মুনীর চৌধুরী তার সময়কার বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তি। নানা প্রতিভায় বিকশিত এই ব্যক্তির জীবন ও কর্মের আলোকে গতকাল ১৩ জুন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের ব্যবস্থাপনায় সমাপ্তি ঘটে স্মরণ অনুষ্ঠানের। এর আগে ১১- ১৩ জুন ২০২৩ পর্যন্ত ৩ দিন ব্যাপী বাংলাদেশের প্রয়াত চলচ্চিত্র, নাট্য ও যাত্রা শিল্পের গুণীজন স্মরণে ‘স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যত’শিরোনামে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শেষ দিনে নাট্যকার মুনীর চৌধুরী ও যাত্রাশিল্পী অমলেন্দু বিশ্বাস স্মরণের মধ্য দিয়ে শেষ হলো নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের এ আয়োজন। অনুষ্ঠানের প্রথম ১ম পর্যায়ে মুনির চৌধুরীর জীবন ও কর্মের উপর প্রবন্ধ পাঠ করেন সৈয়দ মুহাম্মদ জুবায়ের এবং সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক আব্দুস সেলিম। আলোচক হিসেবে ছিলেন ড. আহমেদুল কবির ইয়াং এবং সাইদুর রহমান লিপন।

    আলোচনায় নাট্যকার মুনীর চৌধুরী স্মরণে বক্তারা বলেন- ইতিহাসের জন্য নাটক নয়, নাটকের জন্যই ইতিহাস। তাইতো ইতিহাসকে উপজীব্য করে তিনি নাটক লিখেছেন ঠিকই কিন্তু ইতিহাসকে পুঙ্খানুপুঙ্খ রাখার প্রয়োজন বোধ করেননি। অন্যদিকে জীবনদর্শনে অনেক পরিবর্তন আসলেও বাংলা ভাষার বিষয়ে সবসমই ছিলেন অনড়। সেটা হোক বিদেশি শক্তিদের হাত থেকে রক্ষায় অথবা বিশুদ্ধতা রক্ষায় কিংবা ভাষাকে সহজরুপে ব্যবহারের পন্থা আবিষ্কারে’।

    অনুষ্ঠানের ২য় পর্বে, যাত্রাশিল্পী অমলেন্দু বিশ্বাস স্মরণ অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন তাপস সরকার আলোচক হিসেবে ছিলেন জ্যোৎস্না বিশ্বাস এবং গোলাম সারওয়ার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লাকি ইনাম।

    পাকিস্তান আমলে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে তার ভুমিকা তুলে ধরেন বক্তারা। সেসময় আন্দোলনে যোগ দেয়ার কারণে তাঁর বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি করা হয়।

    এক সময় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী যাত্রায় অভিনয় ও যাত্রা দল পরিচালনা ও যাত্রাশিল্প বিকাশে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা তুলে ধরেন আলোচকরা ।

    পরে শিল্পী অমলেন্দু বিশ্বাস স্মরণে পরিবেশিত হয় যাত্রা: মিলন কান্তি দে’র যাত্রার অংশবিশেষ ।

  • ওয়ার্ল্ড অফ ওয়ার্ক সামিটে অংশ নিতে সুইজারল্যান্ডে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

    ওয়ার্ল্ড অফ ওয়ার্ক সামিটে অংশ নিতে সুইজারল্যান্ডে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুই দিনের সফরে বাংলাদেশ থেকে সুইজারল্যান্ডের  জেনেভায় পৌঁছেছেন। এখানে তিনি ১৪-১৫ জুন অনুষ্ঠিত ‘ওয়ার্ল্ড অফ ওয়ার্ক সামিট : সোশ্যাল জাস্টিস ফর অল’-এ যোগ দিবেন।

    প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি নিয়মিত ফ্লাইট স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ১০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ১০ মিনিট) জেনেভা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এর আগে সকাল ১০টা ১৪ মিনিটে ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে আসে।

    জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার, ইউএনএইচসিআর প্রধান ফ্লিপো গ্র্যান্ডি ১৪ জুন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর অবস্থানস্থলে সাক্ষাৎ করবেন।

    পরে, প্রধানমন্ত্রী প্যালাইস ডি নেশনস-এ সুইস কনফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট অ্যালেন বারসেটের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। সাক্ষাতের পর সেখানে বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যে জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির বিষয়ে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হতে পারে।

    বিকেলে, প্রধানমন্ত্রী প্যালাইস ডি নেশনস-এ ‘ওয়ার্ল্ড অফ ওয়ার্ক সামিট ২০২৩’ এর প্লেনারিতে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী সেখানে পৌঁছালে আইএলও’র এডিজি ও আঞ্চলিক পরিচালক তাকে অভ্যর্থনা জানাবেন। গেট থেকে সভাস্থল পর্যন্ত লাল গালিচা বিছানো হবে এবং গার্ড অব অনার প্রদান করা হবে।

    শেখ হাসিনা মাল্টার প্রেসিডেন্ট ড. জর্জ ভেলার সঙ্গেও বৈঠক করবেন। পরে তিনি আইএলও মহাপরিচালক গিলবার্ট এফ হাউংবোর সঙ্গে বৈঠক করবেন।

    প্রধানমন্ত্রী সন্ধ্যায় আইএলও এর সদর দফতরে উচ্চ পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জন্য ডিজি কর্তৃক আয়োজিত একটি নৈশভোজে যোগ দিবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

    ১৫ জুন, প্রধানমন্ত্রী ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডাব্লিউইএফ) অফিসে ডাব্লিউইএফ এর প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ক্লাউস শোয়াবের সাথে একটি বৈঠকের পরে ‘এ টক অ্যাট দ্য ডাব্লিউইএফ’-এ তাঁর যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

    সেখানে তিনি ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডাব্লিউইএফ) আয়োজিত ‘নিউ ইকোনমি অ্যান্ড সোসাইটি ইন স্মার্ট বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখবেন।

    সন্ধ্যায়, ডাব্লিউটিও মহাপরিচালক ড. ওকোনজো-আইওয়ালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর অবস্থানস্থলে সাক্ষাত করবেন। সন্ধ্যায় তিনি একটি কমিউনিটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

    শেখ হাসিনা ১৬ জুন সকাল ১১টায় (স্থানীয় সময়) ঢাকার উদ্দেশে জেনেভা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করবেন। আগামী ১৭ জুন তাঁর ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।

    ‘দ্য ওয়ার্ল্ড অফ ওয়ার্ক সামিট ২০২৩: সকলের জন্য সামাজিক ন্যায়’ হচ্ছে সামাজিক ন্যায়বিচারের সমর্থনে অধিকতর, সমন্বিত এবং সুসংগত পদক্ষেপের প্রয়োজনে বিশ্বব্যাপী সোচ্চার হওয়ার একটি উচ্চ-পর্যায়ের ফোরাম।

    এটি সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য একটি গ্লোবাল কোয়ালিশন গঠনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা ও অবহিত করার সুযোগ দেবে। আন্তর্জাতিক শ্রম অফিসের ৩৪৭তম অধিবেশনে গভর্নিং বডি এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে।

    ফ্রান্সের সাবেক প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদ, পানামার সাবেক প্রেসিডেন্ট জুয়ান কার্লোস ভারেলা এবং ২০১৪ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী কৈলাশ সত্যার্থী, এবং  নিয়োগকর্তা ও শ্রমিকদের প্রতিনিধিসহ বেশ কয়েকজন উচ্চ-পর্যায়ের অতিথি সম্মেলনে ভাষণ দেবেন।

    দুই দিনের এই শীর্ষ সম্মেলনটি আরও টেকসই এবং ন্যায়সঙ্গত বিশ্ব তৈরিতে সামাজিক ন্যায়বিচারের মূল ভূমিকা তুলে ধরবে এবং সামাজিক ন্যায়বিচারকে এগিয়ে নিতে এবং নীতির সুসমন্বয় নিশ্চিত করার জন্য বর্ধিত ও অধিকতর সঙ্গত যৌথ পদক্ষেপের কৌশল নিয়ে আলোচনা করবে।

    এ সম্মেলন হচ্ছে, অংশগ্রহণকারীদের জন্য একটি ফোরাম যেখানে তারা সামাজিক ন্যায়বিচার সম্পর্কে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ও অগ্রাধিকারগুলো সম্পর্কে মতবিনিময় করার পাশাপাশি সামাজিক ন্যায়বিচারকে এগিয়ে নিতে তাদের পদক্ষেপ ও অঙ্গীকারগুলো তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছেন।

    সূত্র: বাসস

  • শিশুদের ডেংগু হলে দ্রুত পদক্ষেপ নিন

    শিশুদের ডেংগু হলে দ্রুত পদক্ষেপ নিন

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষণায় , বিশ্বের প্রায় অর্ধেক জনসংখ্যা এখন ডেঙ্গুর ঝুঁকিতে রয়েছে এবং প্রতিবছর আনুমানিক ১০০ থেকে ৪০০ মিলিয়ন মানুষ সংক্রমণ হচ্ছে। ডেঙ্গু জ্বরে বেশির ভাগ আক্রান্ত হয় ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুরা। সাধারণত বর্ষা মৌসুমে এবং বস্তি এলাকায় ডেঙ্গু সংক্রমণের উচ্চহার দেখা যায়। এই ভাইরাসের চারটি ধরন শনাক্ত হয়েছে। একাধিক ধরনে বা দ্বিতীয়বার আক্রান্ত হলে রোগের তীব্রতা অনেক বেশি থাকে। বর্তমানে অনেক শিশু দ্বিতীয় বা তৃতীয়বার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছে বলে পরিস্থিতি জটিল হচ্ছে। এরই মধ্যে অনেক শিশুকে আবার ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে জটিল অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হচ্ছে। এ বিষয়ে খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরামর্শ আমরা জেনে নিচ্ছি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের, অধ্যাপক ডা. প্রণব কুমার চৌধুরীর (সাবেক বিভাগীয় প্রধান, শিশুস্বাস্থ্য বিভাগ) কাছ থেকে –

    শুরুতেই সনাক্ত জরুরি

    ডেঙ্গু ভাইরাস শরীরে সংক্রমণের সাধারণত ৪ থেকে ৭ দিনের মধ্যে সাধারণ উপসর্গগুলো দেখা দেয়। প্রথম ১ থেকে ৫ দিনে হঠাৎ উচ্চমাত্রার জ্বর (প্রায় ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট), বমি ভাব, বমি, শরীরে র‌্যাশ (উপসর্গের প্রথম বা দ্বিতীয় দিনে ত্বকে লাল ফুসকুড়ি বা ৪ থেকে ৭ দিনের মধ্যে হামের মতো লাল বিন্দু), হাড়ের জোড়ায় ও মাংসপেশিতে প্রবল ব্যথা ইত্যাদি হচ্ছে ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গ।

    এর সঙ্গে কিছু লক্ষণ ডেঙ্গু জ্বরের ‘বিপজ্জনক চিহ্ন’ হিসেবে স্বীকৃত। যেমন পেটব্যথা, অনবরত বমি, শরীরে পানি জমা, নাক-মাড়ি থেকে রক্তপাত, অতিরিক্ত দুর্বলতা, অস্থিরতা, ২ সেন্টিমিটারের বেশি লিভারস্ফীতি, রক্তে হিমাটোক্রিটের মান বৃদ্ধি এবং অণুচক্রিকা দ্রুত কমতে থাকা।

    ডেঙ্গু জ্বরের ৫ থেকে ৭ দিন সময়কালে ‘মারাত্মক’ চিহ্নগুলো দেখা দিতে পারে। যেমন ডেঙ্গু শক সিনড্রোম (যা ৫ শতাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়), শরীরে পানি জমা, নাড়ি দুর্বল, শরীর শীতল হওয়া, রক্তচাপ আশঙ্কাজনক হারে কমে যাওয়া, অতিরিক্ত রক্তপাত, লিভারের এনজাইম এএসটি বা এএলটির মান ১ হাজার বা এর বেশি হওয়া, অচৈতন্য অবস্থা, হৃৎপিণ্ড ও অন্যান্য অঙ্গে রোগের লক্ষণ ইত্যাদি।

    যেসব সতর্কতা দরকার

    » শিশুর জ্বর হওয়ার প্রথম ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ‘মৌসুমি জ্বর’ ভেবে সময়ক্ষেপণ করা যাবে না। এরই মধ্যে ডেঙ্গুর ‘বিপজ্জনক চিহ্ন’ বা ‘মারাত্মক’ চিহ্নগুলো প্রকাশ পায়। ফলে শিশু সংকটজনক পরিস্থিতিতে পড়ে যায়। এই মৌসুমে চিকিৎসকের সন্দেহ হলে প্রথম বা দ্বিতীয় দিনেই ডেঙ্গু এনএসওয়ান অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করে ডেঙ্গু শনাক্ত করতে পারবেন।

    » জ্বর সম্পূর্ণ নেমে যাওয়ার ২৪ ঘণ্টা পর যদি রোগী বেশি অসুস্থতা অনুভব করে, তবে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা জরুরি। প্রয়োজনে রক্ত বা প্লাজমা সঞ্চালন এবং ডেঙ্গু শক সিনড্রোমের বিশেষ চিকিৎসা নিতে হবে। মনে রাখতে হবে, জ্বর। নেমে যাওয়ার পরই আসলে জটিলতা শুরু হয়।

    » যথাযথ চিকিৎসাসেবা পেলে ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যুহার মাত্র ১ শতাংশ। কিন্তু শক দেখা দিলে তা বেড়ে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। একসঙ্গে একাধিক অঙ্গের বিকলাবস্থা (পিএমআইসি), চিকিৎসাকালীন ওভারহাইড্রেশন এবং ডায়াবেটিস ও অ্যাজমার মতো দীর্ঘমেয়াদি অসুখে ভোগা শিশুর জন্য ডেঙ্গু বেশি প্রাণঘাতী।

    » এখনো বৈশ্বিকভাবে ডেঙ্গু প্রতিরোধের প্রধান উপায় ডেঙ্গু ভাইরাসবাহী মশার কামড় থেকে বাঁচার নানা ব্যবস্থা নেওয়া। যেমন শিশুকে ফুল শার্ট, ফুল প্যান্ট ও মোজা পরানো। দিনের বেলায়ও মশারি টানিয়ে ঘুমানো।

    তথ্যসূত্রঃ ডক্টরটিভি.নেট

  • আনারসি মাছের ডিম

    আনারসি মাছের ডিম

    উপকরণ :

    আনারস-১টি, রুই মাছের ডিম-২৫০ গ্রাম, হলুদ গুঁড়া-হাফ চা চামচ, মরিচ গুঁড়া-২ চা চামচ, জিরা গুঁড়া-হাফ চা চামচ, ধনে গুঁড়া-হাফ চা চামচ, আদা বাটা-হাফ চা চামচ, রসুন বাটা-হাফ চা চামচ, লেবুর রস-১ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ কুচি-১ চা চামচ, ধনেপাতা কুচি-১ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি-১ কাপ, শুঁকনো মরিচ-৩ টি, তেল-পরিমাণমতো, লবণ-স্বাদমতো।

    আনারসি মাছের ডিম

    প্রস্তুত প্রণালী :

    প্রথমে মাছের ডিম গুলো ধুয়ে নিন। তারপর মাছের ডিম গুলো মধ্যে হলুদ গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া, জিরা গুঁড়া, ধনে গুঁড়া, স্বাদমতো লবণ এবং লেবুর রস দিয়ে ভালো মতো মাখিয়ে নিন। চুলায় একটি কড়াই দিয়ে তাতে কিছু তেল দিন। মাছের ডিম গুলোকে ছোট ছোট করে ভেজে নিন। ডিম গুলো ভাজা হয়ে গেলে সেই তেলে পেঁয়াজ কুচি, শুকনো মরিচ, আদা-রসুন বাটা দিয়ে মসলা কষিয়ে তাতে টুকরো করা আনারস দিয়ে দিন। আনারস কষানো হয়ে গেলে তাতে পরিমাণ মতো পানি দিয়ে দিন। পানি ফুটে গেলে ভাজা মাছের ডিম গুলো দিয়ে দিন। রান্না হয়ে গেলে চেরা কাঁচামরিচ এবং ধনিয়াপাতা কুচি দিয়ে পরিবেশেন করুন আনারসি মাছের ডিম। এটি গরমকালের সস্তিদায়ক খাবার।

    রেসিপি দিয়েছেন: মুনমুন জ্যোতি

  • শিল্পকলায় চলছে ৩ দিনব্যাপী থিয়েটার অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স

    শিল্পকলায় চলছে ৩ দিনব্যাপী থিয়েটার অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক:  বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের ব্যবস্থাপনায় চলছে ৩ দিনব্যাপী থিয়েটার অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স । কোর্সে প্রশিক্ষক হিসেবে রয়েছেন অভিনেতা তারিক আনাম খান। কোর্সটি চলবে ১১ জুন থেকে ১৩ জুন ২০২৩ পর্যন্ত ।

    কোর্সের ২য় দিন গতকাল সোমবার আলোচনায় ওঠে আসে নাট্য সমালোচনা ও নাটক মুল্যায়নের বিভিন্ন দিক। সেট, লাইট, কস্টিউম, প্রপস- এর যথাযথ ব্যবহার খুব জরুরি। পাশাপশি নাটকের বক্তব্য এসবের বাহুল্যতার কারনে যেন হারিয়ে না যায় কিংবা মনযোগ বিষয়বস্তু থেকে যেন সরে না যায় সেদিকে দৃষ্টি রাখার পরামর্শ দেন প্রশিক্ষক।

    কোর্সে অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্যে প্রশিক্ষক তারিক আনাম খান বলেন, নাট্য সমালোচনার ক্ষেত্রে নাটকের লক্ষ্য হবে একটি গল্পের সাবলীল অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকের সামনে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করা। দর্শক কোনভাবে যদি নাটকের বার্তার সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে না পারে নাট্য প্রযোজনার ক্ষেত্রে সেগুলোও চিহ্নিত করার বিষয়গুলোও আলোচনায় ওঠে আসে। অথ্যাৎ ঘটনা ও গল্পের সাথে লাইট ও সাউন্ডের সমন্বয়ে যেন একই ধরনের বার্তা নাটকে প্রকাশ পায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে ।

    থিয়েটার কর্মী, মঞ্চঅভিনেতা, সাংবাদিকসহ অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্সে অংশ নেন প্রায় ৪০ জন।

  • এমবাপ্পে পিএসজির সাথে চুক্তি নবায়ন করছেননা

    এমবাপ্পে পিএসজির সাথে চুক্তি নবায়ন করছেননা

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: ফরাসি তারকা ফুটবলার কিলিয়ান এমবাপ্পে পিএসজির সাথে চুক্তি নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন । ইতোমধ্যেই নিজের এই সিদ্ধান্তের কথা এমবাপ্পে ক্লাবকে জানিয়ে দিয়েছেন। এর আগে লিওনের মেসির ক্লাব ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন।

    ২৪ বছর বয়সী ফরাসি এই স্ট্রাইকারের সাথে পিএসজির বর্তমান চুক্তির মেয়াদ আগামী মৌসুমের পরে শেষ হয়ে যেত। যদিও চুক্তি অনুযায়ী আরো এক বছরের জন্য তা বৃদ্ধির শর্ত ছিল। কিন্তু এমবাপ্পে তা মেনে নেয়নি। এমবাপ্পে নতুন চুক্তিতে স্বাক্ষর না করায় আগামী বছর ফ্রি-ট্রান্সফারে তাকে ছেড়ে দেবার ঝুঁকি ছিল। সে কারনেই এবারের গ্রীষ্মেই পিএসজি এমবাপ্পেকে অন্য ক্লাবের কাছে বিক্রি করে দেবার সুযোগ কাজে লাগাতে চায়। চুক্তি নবায়ন না করার বিষয়টি পত্রের মাধ্যমে লিখিতভাবে ক্লাবকে জানিয়েছেন এমবাপ্পে। আর সেটাই ফরাসি দৈনিক এল’ইকুয়েপ প্রকাশ করেছে। মেসিকে ইন্টার মিয়ামির কাছে ছাড়া পর এবার এমবাপ্পের ক্লাব ছাড়ার সিদ্ধান্তে কার্যত পিএসজির ক্ষতিই হলো। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে এমবাপ্পের হাতে ৩১ জুলাই পর্যন্ত সময় রয়েছে।

    মূলত গত মৌসুম থেকেই এমবাপ্পের পিএসজি ছাড়া নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। গত মৌসুমে একেবারে শেষ মুহূর্তে রিয়াল মাদ্রিদের সাথে আলোচনা বন্ধ করে পিএসজির সাথে চুক্তি নবায়ন করে বিস্ময়ের জন্ম দিয়েছিলেন এমবাপ্পে। এবারও এমবাপ্পেকে দলে পেতে রিয়ালই এগিয়ে রয়েছে। গতবারের ভুল এবার আর করতে চায়না লস ব্ল্যাঙ্কোসরা। সোমবার সন্ধ্যায় পিএসজিকে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানানোর পর অবশ্য তাৎক্ষনিক ভাবে এমবাপ্পের কোন প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।

    মেসি-এমবাপ্পেকে হারানোর পর ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমারকে নিয়েও পিএসজি দু:শ্চিন্তায় রয়েছে। ২০২৫ সাল পর্যন্ত নেইমারের সাথে চুক্তি থাকলেও পার্ক ডি প্রিন্সেসে তার ভবিষ্যত নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। আসন্ন গ্রীষ্মে নেইমারের দলত্যাগ নিয়েও গুঞ্জন রয়েছে। বার্সেলোনা থেকে ২০১৭ সালে বিশ্ব রেকর্ড ফি ২২২ মিলিয়ন ইউরোতে পিএসজিতে আসার পর থেকে ইনজুরি পিছু ছাড়েনি নেইমারের। পিএসজির হয়ে এ পর্যন্ত ১৭৩ ম্যাচে ১১৮ গোল করেছেন নেইমার। কিন্তু ইনজুরি অথবা নিষেধাজ্ঞার কারনে ১০০রও বেশী ম্যাচ মিস করেছেন।

    এমবাপ্পের ক্লাব ছাড়ার এই ঘোষনায় ফরাসি লিগ জয় সত্তেও মাঠ ও মাঠের বাইরে কঠিন একটি মৌসুম কাটানো কাতারি মালিকানাধীন ক্লাবটি বেশ অস্বস্তিতে পড়লো।

    ২০১৭ সালে আগস্টে মোনাকো থেকে এক বছরের ধারে পিএসজিতে খেলতে এসেছিলেন এমবাপ্পে। পরের বছরই ১৮০ মিলিয়ণ ইউরোতে তিনি পিএসজিতে স্থায়ী হন। ২০১৮ সালে টিনএজার হিসেবে তিনি ফ্রান্সকে বিশ্বকাপের শিরোপা উপহার দেন। তারপর থেকেই নিজেকে বিশ্ব ফুটবলে অন্যতম শীর্ষসারির একজন ফরোয়ার্ড হিসেবে পরিচিত করে তুলেন। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ফ্রান্স পরাজিত হলেও এমবাপ্পে হ্যাটট্রিক করেছিলেন। পিএসজিকে এ বছর ১১তম ফরাসি লিগ শিরোপা উপহার দিয়েছেন।

    ফ্রান্স। সূত্র: বাসস

  • ভারতে একটি বন্য হাতিকে দুইবার আটক করা হয়

    ভারতে একটি বন্য হাতিকে দুইবার আটক করা হয়

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: ভারতে একটি বন্য হাতি যে কিনা চাল খেতে অভ্যস্ত এবং এই কারণে সে লোকালয়ে এসে স্থানীয় দোকানগুলিতে সে হানা দিত। এই কারণে হাতিটিকে দুইবার আটক করে কর্তৃপক্ষ। একাধিকবার তার ওপর ঘুম পাড়ানি ওষুধ ব্যবহার করা হয়েছে এবং খাবারের সন্ধানে সে যাতে মানুষের বসতির কাছে না যায় সে জন্য ২৮০ কিলোমিটার দূরের অরণ্যে তাকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। কিন্তু এর পরেও সে ফিরে আসতে চাইছে নিজ আবাসভুমে। মালয়ালম ভাষায় এই হাতিটির নাম আরিকোমবান, যার অর্থ “চালের গজদন্ত।” ।

    এদিকে হাতিটির জন্য একটি স্থায়ী আবাস খুঁজতে ভারতের বন কর্তৃপক্ষ এখন দৌড়ঝাঁপ করছে। দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কেরালা এবং তামিলনাড়ু থেকে আরিকোমবানকে অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা হয়েছে। ঐ দুটি রাজ্যে আইনি লড়াই এবং প্রাণী অধিকার নিয়ে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতেও পরিণত হয়েছে এই হাতি।  কেরালার বন্য প্রাণী অধিকার কর্মী শ্রীদেবী এস. কার্থা বলেছেন, “আরিকোমবান হয়ে উঠেছে অবিচারের মুখে প্রতিরোধের মূর্ত প্রতীক । তাকে ঘিরে ঘটনাগুলি প্রমাণ করেছে যে একটি হাতিকে অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়া কতখানি নৃশংস হতে পারে,”। এসময় তিনি আরও বলেন, “রাজ্যের মানুষের বিবেকবুদ্ধিকেও জাগিয়ে তুলেছে এই হাতি।”

    এবছরের শুরুর দিকে কেরালার ইদুক্কি জেলার চিন্নাকানালের অরণ্যে আরিকোমবানের আদি আবাসস্থলের কাছাকাছি স্থানীয়দের গ্রামবাসীদের একটি দল হাতিটিকে সরিয়ে নেয়ার দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেছিল। তাদের অভিযোগ, মানুষের সাথে হাতিটির ঘন ঘন সংঘর্ষ হচ্ছে। সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, গত কয়েক বছর ধরে বেশ ক’জন মানুষ এরই হাতির কবলে পড়ে প্রাণ হারিয়েছে। কিন্তু স্থানীয় উপজাতিরা এই দাবি প্রত্যাখ্যান করছেন। এরপর কেরালার বন বিভাগ ঘোষণা করেছিল যে আরিকোমবানকে ধরে তারা পোষ মানানোর পরিকল্পনা করছে। আরিকোমবানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে প্রাণী অধিকার কর্মীরা উচ্চ আদালতে একটি পিটিশন দায়ের করেন।

    পিপল ফর অ্যানিম্যালস-এর সদস্য মিসেস কার্থা ছিলেন আদালতে আবেদনকারীদের একজন।

    তিনি বলছেন, হাতিটি যে মানুষ হত্যা করেছে এমন কোন প্রমাণ সরকার দাখিল করতে পারেনি। গত এপ্রিল মাসে আদালতের নিয়োগ করা একটি কমিটির বিশেষজ্ঞরা সিদ্ধান্ত নেন যে হাতিটিকে অন্য জায়গায় সরিয়ে নেয়াই ভাল হবে।

    দু’দিন ধরে ১৫০ জন কর্মকর্তা আরিকমবানকে আটক করার লক্ষ্যে চিন্নাকানাল অরণ্য-জুড়ে ব্যাপক অভিযান চালান। এরপর ২৯শে এপ্রিল হাতিটিকে ধরে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরে পেরিয়ার টাইগার রিজার্ভে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু মাত্র এক মাসের মধ্যে ঐ সংরক্ষিত অরণ্য ছেড়ে আরিকোমবান প্রতিবেশী রাজ্য তামিলনাড়ুতে ঢুকে পড়ে। তাকে সেখান থেকে সরিয়ে নেয়ার জন্য তামিলনাড়ুর বন কর্মকর্তারা একই ধরনের অভিযান চালান।

    হাতিটিকে তামিলনাড়ুর কাম্বুম শহরে দেখা যায় ২৭শে মে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিওতে দেখা গেছে, আরিকোমবান ঘনবসতিপূর্ণ শহরের মধ্য দিয়ে দৌড়ে যাচ্ছে, বাড়িঘর এবং যানবাহনের ক্ষতি করছে। এসময় তিন ব্যক্তি আহত হয়। এদের মধ্যে একজন, ৬৫-বছর বয়সী আহত এক ব্যক্তি দু’দিন পর মারা যান।

    আরিকোমবানকে আটক করার চেষ্টায় কর্তৃপক্ষ সেখানে কারফিউ জারি করে। এরপর আরিকোমবানকে ঘিরে শুরু হয় আইনি লড়াই। একজন রাজনৈতিক নেতা হাতিটিকে তাদের রাজ্যে ফিরিয়ে আনার জন্য কেরালা হাইকোর্টে আবেদন করেন। কিন্তু তামিলনাড়ুতে আরিকোমবান যেসব ক্ষয়ক্ষতি করেছিল তার জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করে মাদ্রাজ হাইকোর্টে একটি পিটিশন দাখিল করা হয়। কেরালার বন মন্ত্রী এ. কে. সাসেন্দ্রন বলছেন, আরিকোমবানকে পোষ মানানোর জন্য সরকারের যে পরিকল্পনা ছিল এই সঙ্কট তার পক্ষে যুক্তিকেই প্রমাণ করেছে। হাতিটিকে অন্য জায়গায় সরিয়ে নেয়ার জন্য তিনি প্রাণী অধিকার কর্মীদের দায়ী করেন।

    কিন্তু কাম্বুম শহরের ঘটনায় দেখা গেছে যে আরিকোমবান মোটেও মানুষের জীবনের জন্য হুমকি নয়, বলছিলেন মিসেস কার্থা, “[সেখানে] তার ওপর আঘাত করা হয় এবং তাকে তাড়া করা হয়। কিন্তু এরপরও সে মানুষের ওপর কোন ধরনের আক্রমণ চালায়নি।”

    গত ৫ই জুন তামিলনাড়ুর বন কর্মকর্তারা ঘুম পাড়ানি ওষুধ ব্যবহার করে আরিকোমবানকে ধরে ফেলেন। পশ্চিমবঙ্গের শিলিগিুড়িতে একটি সড়ক। হাতি চলাচলের পথের ওপর বসতবাড়ি নির্মাণের ফলে অনেক সময় সমস্যা তৈরি হয়

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • রপ্তানী করে চলতি অর্থ বছরে বাংলাদেশ ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৯০ কোটি ৫ লাখ টাকা বৈদেশিক মুদ্রা আয় করেছে: বাণিজ্য মন্ত্রী

    রপ্তানী করে চলতি অর্থ বছরে বাংলাদেশ ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৯০ কোটি ৫ লাখ টাকা বৈদেশিক মুদ্রা আয় করেছে: বাণিজ্য মন্ত্রী

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: চলতি ২০২২-২৩ অর্থ বছরে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানী করে বাংলাদেশ ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৯০ কোটি ৫ লাখ টাকা বৈদেশিক মুদ্রা আয় করেছে বলে জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেন, ‘চলতি ২০২২-২৩ অর্থ বছরে জুলাই-এপ্রিল সময় পর্যন্ত নিটওয়্যার ওভেন, তৈরী পোশাক, হোম টেক্সটাইল, ফুটওয়্যার খাত, হিমায়িত খাদ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য এবং চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি করে ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৯০ কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়েছে।’

    মন্ত্রী গতকাল সোমবার সংসদে সরকারি দলের সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরীর টেবিলে উপস্থাপিত তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান।

    তিনি জানান, চলতি অর্থবছরে নীটওয়্যার তৈরী পোশাক খাতে রপ্তানী আয় ২ লাখ ৬ হাজার ৯১ কোটি টাকা, ওভেন তৈরী পোশাক খাতে ১৭ লাখ ৩০ হাজার ৮৬৩ কোটি টাকা, হোম টেক্সটাইল খাতে ৯ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা, ফুটওয়্যার খাতে ৩ হাজার ৮৪৪ কোটি টাকা, হিমায়িত খাদ্য রপ্তানী খাতে ৩ হাজার ৬৫১ কোটি টাকা, পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানী খাতে ৭ হাজার ৫৭৬ কোটি টাকা, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানী খাতে আয় হয়েছে ৯ হাজার ৮৯২ কোটি টাকা।

    সূত্র: বাসস