শিল্পকলায় সনদপত্র প্রদানের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে মিউজিক অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স-২০২৩

শিল্পকলায় সনদপত্র প্রদানের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে মিউজিক অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স-২০২৩

হ্যালো বাংলা ডেস্ক: সঙ্গীত শুধু শোনার বিষয় নয়। একটি গানের কথা, সুর বোধগম্য করতে হলে সঙ্গীতের উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশের বিষয়গুলো জানতে হবে। এই লক্ষ্যেই বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে সঙ্গীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগের ব্যবস্থাপনায় গতকাল ১৮ জুন শেষ হলো ৫ দিনব্যাপী মিউজিক অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স- ২০২৩।

কোর্সে অংশগ্রহণকারীরা আয়োজনটিকে অসাধারণ বলে অভিহিত করেছেন। এবারে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সাংবাদিকদের জন্যও এ কোর্সে অংশ নেয়ার সুযোগ দেয়া হয়। পরে সঙ্গীত নিয়ে ভাবনা ও বোধ তৈরীর লক্ষ্যে এ ধরনের কোর্সের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন প্রশিক্ষণার্থীরা। কেবল গায়ক হিসেবে নয় সঙ্গীত বিষয়ে সামাজিক বোধ তৈরীতেও এ ধরনের কোর্স সবার জন্য প্রয়োজন বলে অনুভুতি ব্যক্ত করেন কোর্সে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকসহ অনান্য পেশার প্রশিক্ষণার্থীরা।

একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকীর ভাবনা ও পরিকল্পনায় সঙ্গীত, সঙ্গীত পরিভাষা, নান্দনিকবোধ, পাঠ ও চর্চার মাধ্যমে সঙ্গীত উপস্থাপন, চিন্তা ও লেখার উৎকর্ষ সাধনের লক্ষ্যে এ কোর্সে পরিচালিত হয়।

সমাপনী কোর্সে বক্তব্যে মহাপরিচালক বলেন- ‘সাধারণ মানুষের জন্য আমরা সংস্কৃতির আন্দোলন করে যাচ্ছি। বঙ্গবন্ধু যে ক্রিয়েটিভ ইন্ডাস্ট্রি তৈরী করতে চেয়েছিলেন সেটা এখনো আমরা তৈরী করতে পারি নি। আমরা চেষ্টা করছি। ’

সবার ভাবনাগুলোকে উদার করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘নিজেকে আবিস্কার করুন, সাংস্কৃতিক জাগরণ গড়ে তুলুন। আজ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মাধ্যমে যে জাগরণ তৈরী হয়েছে, এ ধরনের এ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স সেই সংস্কৃতি আন্দোলনেরই অংশ।’

পরে অংশগ্রহণকারীদের সনদপত্র প্রদান করা হয়।

৫ দিন ব্যাপী এ মিউজিক অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স শুরু হয় গত ১৪ জুন । শেষ দিন বিকাল ৫.০০ টায় বাংলা লোকসঙ্গীত ও লোকসঙ্গীতের পরিবেশন রীতি নিয়ে আলোচনা করেন ড. জাহিদুল কবির এবং সঙ্গীত লোক সংস্কৃতি নিয়ে কথা বলেন ড. কমল খালিদ।