ফেসবুক একটি বৃহত্তর সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে পরিণত হওয়ায় ঘরে বসেও অনেকেই আয় করার সুযোগ পাচ্ছে। ফেসবুকে নানারকম ব্যবসায়িক জটিলতা কম এবং ক্রেতাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগের ক্ষেত্রে খুব ভালো একটি মাধ্যম। পাশাপাশি সেবামূলক বা পণ্য সংক্রান্ত বিষয় বিক্রি করার প্রক্রিয়াগুলো গুছিয়ে নিতে পারলে মোটামুটি বাসায় বসেও একজন ব্যক্তি ভালো বিজনেস পরিচালনা ও আয় করতে সক্ষম হতে পারে। সেজন্য অনেকেই তার নিজের বিজনেস পেইজ তৈরি করে। কিন্তু খুব একটা রিচ অনেকেই বাড়াতে পারেনা। পোস্ট রিচ করতে হলে ফেসবুক নিজেই টাকার অপশন চালু রেখেছে, তাতে করে আপনার পোস্ট অনেকের কাছে ফেসবুক থেকেই রিচ পৌছাবে। কিন্তু আপনি যদি আপনার ক্রিয়েটিভ ট্যালেন্টের মাধ্যমে পে/ টাকা ছাড়াই পেইজের রিচ বাড়াতে চান, তাহলে অনেকগুলোর মধ্যে থেকে কিছু পরামর্শ এখানে আপনারই জন্য-
- পোস্ট দেয়ার ক্ষেত্রে উচ্চ-মানের, আকর্ষকভাবে কনটেন্ট প্রকাশ করুন। যা আপনার দর্শকদের কাছে আকর্ষণীয় এবং প্রাসঙ্গিক হবে। প্রতিদিন কনটেন্টে ও উপস্থাপনে নতুনত্ব কিছু করার চেষ্টা করুন যেন একঘেয়েমি না আসে ফলোয়ারদের।
- সঠিক সময়ে পোস্ট করুন। যখন আপনার পেইজের ফলোয়ারেরা অনলাইন হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।
- রিয়েল-টাইম, আকর্ষক কনটেন্ট প্রদান করতে Facebook লাইভ ভিডিও ব্যবহার করুন। এতে আপনার শ্রোতাদের এনগেজমেন্ট বাড়বে এবং ভালো প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে সম্ভাব্য ক্রেতাদের আস্থা বাড়বে।
- সবসময় ভিজ্যুয়াল কন্টেন্ট পোস্ট করুন। যেমন ফটো এবং ভিডিও, যেহেতু তারা টেক্সট-ভিত্তিক পোস্টের চেয়ে বেশি রিয়েক্ট পেতে থাকে।
- বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপগুলি ব্যবহার করুন, তাতে করে নতুন শ্রোতাদের তৈরি হবে। আপনার ব্র্যান্ডকে ঘিরে একটি কমিউনিটি তৈরি করুন।
- আপনার কনটেন্টগুলো সহজে খুঁজে পেতে প্রাসঙ্গিক ‘কীওয়ার্ড’ এবং ‘হ্যাশট্যাগ’ ব্যবহার করুন।
- আপনার পোস্টে বিভিন্ন ধরনের অফার, কনটেন্ট এবং পুরষ্কার ব্যবস্থা করতে পারেন। তাতে পেইজের এক্টিভিটি বাড়বে এবং শেয়ারিং এর মাধ্যমেও পেইজের রিচ বাড়বে।
- পোস্টের কমেন্টের রিপ্লাই এবং ম্যাসেজের রিপ্লাইয়ের মাধ্যমেও একটি পেইজের রিচ বাড়ে। সুতরাং এই বিষয়গুলো অবহেলা করা যাবে না। যতোটা আপনি পেইজের এক্টিভ মেম্বারদের সাথে আন্তরিক হবেন আপনার পেইজের সম্পর্কে নতুন সদস্যদের জন্যও ব্যাপারটি ততোই স্বস্তিকর হবে।
- আপনার পোস্টের সময়সূচী এবং আপনার কর্মক্ষমতা বিশ্লেষণ করতেগুরুত্বপূর্ণ একটি টুল ব্যবহার করুন। সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট টুল ব্যবহার করুন।
মনে রাখবেন যে, ধারাবাহিকভাবে মানসম্পন্ন কনটেন্ট তৈরি করা এবং পোস্ট করা – আপনার ফেসবুক পেইজের অর্গানিক গ্রোথের চাবিকাঠি। আপনার কনটেন্টে বৈচিত্র্য আনুন, ফলোয়ারের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখুন, তাদের চাহিদা বুঝতে চেষ্টা করুন। আপনার বিজনেস পেইজের রিচ বাড়বে।
তথ্যসূত্রঃ স্প্রাউটসোশ্যাল.কম ও ব্র্যান্ডওয়াচ.কম










