Author: Hello Bangla News

  • ৭.৫% প্রবৃদ্ধির হার অর্জনের লক্ষে বুধবার থেকে বাজেট অধিবেশন শুরু

    ৭.৫% প্রবৃদ্ধির হার অর্জনের লক্ষে বুধবার থেকে বাজেট অধিবেশন শুরু

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: আগামীকাল বুধবার থেকে একাদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু হচ্ছে ।

    জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামীকাল বিকেল ৫টায় জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হবে।

    রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের ধারা (১) অনুযায়ী তাকে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সংসদের ২৩তম অধিবেশন আহ্বান করেন।

    অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল ১ জুন আগামী অর্থবছরের জাতীয় বাজেট পেশ করবেন। আগামী ২৫ জুন সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট পাস হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    জানা গেছে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং উচ্চ জিডিপি প্রবৃদ্ধির গতি বজায় রাখার লক্ষে সম্ভাব্য বাজেটের আকার হবে ৭৬১,৭৮৫ কোটি টাকা।

    সরকার এই সময় আগামী অর্থবছরে ৭.৫% প্রবৃদ্ধির হার অর্জনের লক্ষে রয়েছে যেখানে প্রায় ৬.৫% মূল্যস্ফীতি। আগামী বছরে মোট বিনিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা হবে জিডিপি’র ৩৩.৮ শতাংশ।

    সূত্র : বাসস

  • রুই মাছের চপ

    রুই মাছের চপ

    উপকরণ :

    রুই মাছ : ৪ পিচ, আলু : ২ টা মাঝারি, আদা + রসুন  বাটা : ১ চা চামচ, মরিচ গুঁড়া : ১/২ চা চামচ, জিরা গুরা: ১ চা চামচ, কাবাব  মসলা: ১ চা চামচ, কাচা মরিচ : ১ টেবিল চামচ, লেবুর রস: ১টেবিল চামচ, ধনিয়া পাতা কুচি: ১ টেবিল চামচ, ডিম : ১ টা।, লবন: ১ চামচ, পিয়াজ ভাজা : ২ টেবিল চামচ, তেল : ভাজার জন্য পরিমাণ মতো। রুই মাছের চপ

    প্রনালি:

    একটা প্যানে মাছ গুলো সামান্য মরিচ গুঁড়া, হলুদ ও লবণ দিয়ে সিদ্ধ করে নিতে হবে । আর একটা  পাতিলে আলু সিদ্ধ করে নিন। মাছ গুলো থেকে কাটা বেছে নিতে হবে।আলু গুলো ভালো করে মথে নিন। তারপরে একে এক সব উপকরণ গুলো মিশিয়ে নিতে হবে। এবার  গোল গোল করে চপের মতো তৈরী করে  নিন। এভাবে একটা প্লেটে করে ডিপ ফ্রিজে রেখে  ফ্রোজেন করে রাখতে পারি। এখন চপ গুলো ডুবো তেলে ভেজে নিতে হবে। হয়ে যাবে রুই মাছের চপ। যেসব বাচ্চা রা বা বড় রা কাটার ভয়ে মাছ খায় না তাদের কে এভাব খাওয়ানো যেতে পারে। বাচচা দের টিফিনে ঝটপট দেওয়া যাবে। বাচ্চারা  বুঝতে পারবে না  এটা কিসের  চপ খাচ্ছে।

    রেসিপি দিয়েছেন : ফারজানা রহমান সুইটি, সুইট’স কিচেন।

  • আইপিএলের রুদ্ধশ্বাস ফাইনালে অবিশ্বাস্য জয় চেন্নাইয়ের

    আইপিএলের রুদ্ধশ্বাস ফাইনালে অবিশ্বাস্য জয় চেন্নাইয়ের

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: গত বছর লিগ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে হেরে যখন নবম স্থানে থেকে বিদায় নিচ্ছে চেন্নাই সুপার কিংস, দলের অধিনায়ক মহেন্দ্র সিংহ ধোনি জানিয়েছিলেন, এই ব্যর্থতা ভুলে পরের বার সমর্থকদের মনে হাসি ফোটাতে চান তাঁরা। এ বছর সেটাই করে দেখালেন ধোনিরা। অবশ্য গতবার রবীন্দ্র জাদেজা ছিলেন দলের নেতৃত্বে। মাঝপথে আবার দলের হাল ধরেন ধোনি। এবার তাঁর নেতৃত্বেই গতবারের চাম্পিয়ন গুজরাটক ৫ উইকেটে হরিয়ে পঞ্চম বারের জন্য ট্রফি জিতলেন ধোনিরা। ছুঁয়ে ফেললেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে।

    রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে শেষ ২ বলে জিততে দরকার ছিল ১০ রান। মোহিত শর্মা তার আগের চারটি বলে মাত্র ৩ রান দিয়েছিলেন। দেখে মনে হচ্ছিল চ্যাম্পিয়ন হওয়া সময়ের অপেক্ষা গুজরাত টাইটান্সের। কিন্তু শেষ ২ বলে বদলে গেল খেলার সব হিসেব। পঞ্চম বলে ছক্কা মারলেন রবীন্দ্র জাদেজা। শেষ বলে চার মেরে দলকে জিতিয়ে দিলেন রবীন্দ্র জাদেজা। পঞ্চম বারের জন্য আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হলেন মহেন্দ্র সিংহ ধোনি।

    প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ২১৪ রানের পাহাড় গড়ে গুজরাট টাইটান্স। বৃষ্টি আইনে ১৫ ওভারে ১৭১ রানের টার্গেট পায় চেন্নাই সুপার কিংস। ম্যাচের শেষ দুই বলে ১০ রানের প্রয়োজনে ১টি করে চার-ছক্কায় চেন্নাইকে অবিশ্বাস্য জয়ের স্বাদ দেন অলরাউন্ডার রবীন্দ্র জাদেজা।

    আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে রিজার্ভ ডে’তে গড়ানো গতরাতের ফাইনালে টস জিতে প্রথমে বোলিং করতে নামে চেন্নাই। ব্যাট হাতে নেমে গুজরাটকে ৭ ওভারে ৬৭ রানের সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার ঋদ্ধিমান সাহা ও সুবমান গিল। জাদেজার বলে ধোনির দুর্দান্ত স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে পড়ে ২০ বলে ৭টি চারে ৩৯ রান করে থামেন ফর্মের তুঙ্গে থাকা গিল। এ নিয়ে আইপিএলে নিজের ২৫০তম ম্যাচে  ৩০০তম ডিসমিসাল করেন ধোনি।

    গিল ফেরার পর তিন নম্বরে নামা সাই সুদর্শনকে নিয়ে গুজরাটের রানের চাকা দ্রুত ঘুড়িয়েছেন ঋদ্ধি। দ্বিতীয় উইকেটে ৪২ বলে ৬৪ রান যোগ করেন তারা। এই জুটিতে হাফ-সেঞ্চুরি তুলে পেসার দীপক চাহারের বলে আউট হন ৫টি চার ও ১টি ছক্কায় ৩৯ বলে ৫৪ রান করা ঋদ্ধি।

    ১৪তম ওভারে দলীয় ১৩১ রানে ঋদ্ধি ফিরলেও গুজরাটের রান তোলায় ভাটা পড়েনি। ব্যাট হাতে চেন্নাইয়ের বোলারদের শাসন করেছেন সুদর্শন। তার চার-ছক্কায় তোপে ১৯তম ওভারেই ২শ রান পায় গুজরাট। ঐ সময় ৮৪ রানে অপরাজিত ছিলেন সুদর্শন। পেসার মাথিশা পাথিরানার করা ইনিংসের শেষ ওভারের প্রথম দুই ছক্কা মেরে সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগান সুদর্শন। কিন্তু তৃতীয় বলে আউট হলে সেঞ্চুরি বঞ্চিত হন । ৮টি চার ও ৬টি ছক্কায় ৪৭ বলে ৯৬ রান করেন সুদর্শন। শেষ দিকে অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়ার ১২ বলে অপরাজিত ২১ রানের সুবাদে ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২১৪ রানের বড় সংগ্রহ পায় গুজরাট। চেন্নাইয়ের পাথিরানা ৪৪ রানে ২ উইকেট নেন।

    এরপর চেন্নাই ইনিংসে ৩ বল হবার পর বৃষ্টিতে বন্ধ হয় খেলা। প্রায় দুই ঘন্টা খেলা বন্ধ থাকলে বৃষ্টি আইনে ১৫ ওভারে ১৭১ রানের নতুন টার্গেট পায় চেন্নাই। ৩৯ বল খেলে ৭৪ রানের সূচনা করেন চেন্নাইয়ের দুই ওপেনার ঋুতুরাজ গায়কোয়াড় ও নিউজিল্যান্ডের ডেভন কনওয়ে। সপ্তম ওভারে দ্বিতীয়বারের মত আক্রমনে এসে চেন্নাইয়ের দুই ওপেনারকে বিদায় দেন গুজরাটের আফগানিস্তানী স্পিনার নূর আহমেদ। গায়কোয়াড় ১৬ বলে ২৬ এবং কনওয়ে ২৫ বলে ৪৭ রান করেন।

    ৭৮ রানের মধ্যে দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পড়লেও আজিঙ্কা রাহানের মারমুখী ব্যাটিংয়ে লড়াইয়ের থাকে চেন্নাই। ২টি করে চার-ছক্কায় ১৩ বলে ২৭ রান করে আউট হন রাহানে। উইকেটে এসেই রাহানের পথ অনুসরণ করে দ্রুত ব্যাট চালিয়ে ৮ বলে ১টি চার ও ২টি ছক্কায় ১৯ তুলে ফিরেন আইপিএলে শেষ ম্যাচ খেলতে নামা আম্বাতি রাইদু। এরপর ক্রিজে এসে প্রথম বলেই ক্যাচ আউট হন অধিনায়ক ধোনি। রাহানে-রাইদু ও ধোনির উইকেট নেন পেসার মোহিত শর্মা।

    শেষ দুই ওভারে ২২ রানের প্রয়োজন পড়ে চেন্নাইয়ের। ১৪তম ওভারে ৮ রান তুলতে পায় চেন্নাই। মোহিতের করা শেষ ওভারে ১৩ রানের দরকারে প্রথম চার বলে মাত্র ৩ রান পায় চেন্নাই। এতে শেষ দুই বলে ১০ রানের সমীকরণ পায় তারা। পঞ্চম বলে লং-অন দিয়ে ছক্কা মারেন জাদেজা। শেষ বলে ৪ রানের দরকারে শর্ট ফাইন লেগ দিয়ে বাউন্ডারি আদায় করে জয় নিশ্চিত করেন জাদেজা। ৬ বলে অপরাজিত ১৫ রান করেন জাদেজা। ২টি ছক্কায় ২১ বলে অনবদ্য ৩২ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন শিবম দুবে। গুজরাটের মোহিত ৩টি ও নূর ২টি উইকেট নেন। ম্যাচ সেরা হন কনওয়ে এবং টুর্নামেন্ট সেরা হয়েছেন গিল।

    আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে এবার গুজরাট ফেবারিট হলেও ধনিকে সমর্থন দিয়েছে সারা স্টেডিয়ামের দর্শকরা। সম্ভবত এটাই ছিলো ধনির শেষ আইপিএল তাই স্টেডিয়ামের হলুদ জার্সি পরে তাঁকে স্বাগত জানিয়েছে অধিকাংশ দর্শক। শুধু তাই নয় ম্যাচ শেষে রবীন্দ্র জাদেজা বলেন, “আমরা আমাদের এই শিরোপা ধোনিকে উৎসর্গ করছি”।

    রানার আপ দলের অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া বলেছেন, “আমি হেরেছি, খারাপ লাগছে কিন্তু ধোনির কাছে হেরেছি তাই আমি মনে করি এতে কোনও সমস্যা নেই”

    সূত্র : বাসস

  • আমরা শান্তিতে বিশ্বাস করি, সংঘাতে নয়: শেখ হাসিনা

    আমরা শান্তিতে বিশ্বাস করি, সংঘাতে নয়: শেখ হাসিনা

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০২৩ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা শান্তিতে বিশ্বাস করি, সংঘাতে নয়। বাংলাদেশ সর্বদা শান্তিতে বিশ্বাস করে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য যা যা করা দরকার সবই করবে।’

    শেখ হাসিনা গতকাল আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০২৩ উপলক্ষে  প্রধান অতিথি’র ভাষণে কথা বলেন।

    তিনি বলেন, ‘আমরা যে কোনো সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধান চাই।’

    প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমরা অস্ত্র প্রতিযোগিতা চাই না। কারণ নারী, শিশু ও প্রতিটি পরিবার এতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ে। তাই তাদের এই দুর্ভোগ থেকে রক্ষা করাই আমাদের লক্ষ্য।’

    সরকার বলেন, বিশ্বে শান্তি নিশ্চিত করা অতীতের চেয়ে এখন বেশি কঠিন। কারণ, অশুভ শক্তি প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষের জীবনের শান্তি কেড়ে নিচ্ছে।

    তিনি বলেন, ‘প্রযুক্তির সাম্প্রতিক বিকাশ ও অগ্রগতির সাথে সাথে অশুভ শক্তির নতুন হুমকি বাড়ছে।’

    শেখ হাসিনা বলেন, প্রযুক্তি মানুষকে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নসহ সব ক্ষেত্রে সুযোগ দিচ্ছে। কিন্তু এর পাশাপাশি আমরা এটাও দেখছি যে- অপশক্তিগুলোও প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে এবং মানুষের জীবনের শান্তি কেড়ে নিচ্ছে। কাজেই জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে শান্তিরক্ষীদের জটিল বহুমাত্রিক পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হবে।

    তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন যে, ‘আর এজন্য, উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে শান্তিরক্ষা মিশনকে সমৃদ্ধ করার প্রয়োজনীয়তা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।’

    শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর সরকার বিশ্বের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং ও বিপজ্জনক অঞ্চলে জটিল পরিস্থিতি মোকাবেলায় সর্বদা বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীদের সর্বাধুনিক প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রস্তুত করেছে।

    তিনি বলেন, ‘আমরা মিশন এলাকার পরিবেশ, আবহাওয়া এবং ভূখণ্ডের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ পোশাক, অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ নিশ্চিত করছি। তাছাড়া সরকার শান্তিরক্ষীদের যোগাযোগের জন্য বাংলাদেশ কন্টিনজেন্টে আধুনিক মাইন-প্রতিরোধী, অতর্কিত হামলা-সুরক্ষিত যানবাহন ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করেছে।

    সরকার প্রধান আরো বলেন, ‘আধুনিক প্রযুক্তি এবং প্রশিক্ষণ অন্তর্ভুক্ত করা একটি চলমান প্রক্রিয়া- যা আমরা ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখব।’

    অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ ও জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গুয়েন লুইস।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে শান্তি প্রতিষ্ঠায় আত্মদানকারী বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে ‘বাংলাদেশ ইন গ্লোবাল পিস’ শীর্ষক একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শিত হয়।

    নিহত পাঁচজন শান্তিরক্ষীর পরিবারের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন। তিনি পাঁচজন আহত শান্তিরক্ষীর হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

    পরে, প্রধানমন্ত্রী ইন্টারন্যাশনাল পিসকিপার জার্নাল উন্মোচন করেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২৩ আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসের থিম- ‘পিস বিগিনস উইথ মি’ খুবই সময়োপযোগী বলে তিনি মনে করেন । তিনি আরো বলেন, এই নীতিবাক্য নিয়ে আমরা আমাদের জাতির পিতার দেখানো পথে বিশ্ব শান্তির জন্য কাজ করব এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পৃথিবী দেয়ার চেষ্টা করব- এটাই আজ আমাদের অঙ্গীকার।

    শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা যাতে আরও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জাতিসংঘের আহ্বানে সাড়া দিতে পারে সেজন্য তাঁর সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

    তিনি আরো বলেন, আমি আশা করি বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীরা তাদের দক্ষতা, পেশাদারিত্ব, সাহসিকতা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে দেশের সম্মান ও ভাবমূর্তি উজ্জ্বল রাখবে।

    সরকার প্রধান বলেন, আপনারা (শান্তিরক্ষীরা) সংঘাত প্রতিরোধ, বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা, মানবাধিকার নিশ্চিত করতে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় অক্লান্ত পরিশ্রম করেন।

    তিনি বলেন, “আপনাদের আন্তরিক কাজের কারণে ওই সব দেশের জনগণ আপনাদের নিঃশর্ত ভালোবাসা দিয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘বাংলাদেশী কন্টিজেন্টের সঙ্গে যুক্ত অনেক দেশের স্থানীয় নাগরিকরা আপনাদের কাছ থেকে বাংলা সংস্কৃতি ও ভাষা শিখেছেন। আপনারা অন্যান্য দেশের সহকর্মী শান্তিরক্ষীদের সম্মান ও ভালবাসা অর্জন করেছেন। কোভিড-১৯ মহামারীর মধ্যেও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আপনাদের পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও নিষ্ঠার প্রশংসা করা হয়েছে।’

    তিনি বলেন, বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীরা বিশ্বশান্তি বজায় রাখতে এবং দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার ক্ষেত্রে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

    বর্তমানে বাংলাদেশের ৭ হাজার ৪৩৬ শান্তিরক্ষী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন ও কার্যক্রমে নিয়োজিত আছে আর এই সংখ্যা বিশ্বব্যাপী মোতায়েন শান্তিরক্ষীদের মোট সংখ্যার প্রায় ৯ দশমিক ৮ শতাংশ। এর মধ্যে ৫৭২ জন বাংলাদেশী নারী শান্তিরক্ষীও রয়েছে।

    শেখ হাসিনা আরো বলেন, জাতিসংঘ মহাসচিব আরও নারী শান্তিরক্ষী পাঠানোর অনুরোধ করায় আমরা নারী শান্তিরক্ষীদের সংখ্যা বাড়ানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখছি।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীরা বিশ্বের ৪০টি দেশে জাতিসংঘের ৬৩টি মিশন সফলভাবে সম্পন্ন করেছে।

    বর্তমানে বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীরা জাতিসংঘের ১৪টি মিশন ও কার্যক্রমে নিয়োজিত আছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২০টি, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দুটি, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর চারটি ও বাংলাদেশ পুলিশের তিনটি দল এসব মিশনে কাজ করছে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ দক্ষিণ সুদানের আবেইতে একটি ফোর্স প্রোটেকশন ব্যাটালিয়ন মোতায়েন করেছে- যেখানে মালিতে একটি কুইক রিঅ্যাকশন ফোর্স হিসেবে একটি মেকানাইজড ইনফ্যান্ট্রি কোম্পানি, কঙ্গোতে একটি বিস্ফোরক অস্ত্র নিষ্পত্তি প্লাটুন এবং মধ্যাঞ্চলে একটি লেভেল-২ হাসপাতাল কন্টিনজেন্ট যুক্ত করেছে। মালিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি নতুন আর্মড ইউটিলিটি হেলিকপ্টার ইউনিট, বেস ডিফেন্স কন্টিনজেন্ট হিসেবে একটি নতুন মেকানাইজড ইনফ্যান্ট্রি কোম্পানি এবং বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি এয়ারফিল্ড সাপোর্ট ইউনিট মোতায়েন রয়েছে।

    শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ফোর্স কমান্ডার, ডেপুটি ফোর্স কমান্ডার এবং সেক্টর কমান্ডার হিসেবে বিভিন্ন মিশনে নিয়োজিত রয়েছেন।

    জাতির পিতার আদর্শ অনুসরণ করে তারা বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

    তিনি আরো বলেন, ‘শান্তিরক্ষা মিশন ছাড়া অন্যান্য আন্তর্জাতিক ফোরামেও আমরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করি ও অবদান রাখি।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘে ‘শান্তির সংস্কৃতি’ প্রস্তাব পেশ করে- ১৯৯৯ সালে যা সর্বসম্মতিভাবে গৃহীত হয়। তখন থেকে প্রতিবছর জাতিসংঘে বাংলাদেশের ফ্ল্যাগশিপ রেজুলেশন ‘শান্তির সংস্কৃতি’ সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়।

    শেখ হাসিনা আরো বলেন, জাতিসংঘ ২০০০ সালকে ‘আন্তর্জাতিক শান্তির সংস্কৃতির বছর’ ও ২০০১-২০১০ কে ‘শান্তির সংস্কৃতি ও অ-সংঘাতের দশক’ ঘোষণা করে।

    তিনি বলেন, এগুলো বাংলাদেশের জাতির পিতার বৈদেশিক নীতিকেই অনুসরণ করে। তিনি বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় ছিলেন দৃঢ়-প্রতিজ্ঞ। যার ফলে বাংলাদেশ জাতিসংঘের ‘ব্লু হেলমেট’ পরিবারের সদস্য হয়ে উঠে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৮৮ সালে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের সাথে যোগ দেয়। পরে, ১৯৮৭ সালে বাংলাদেশ পুলিশ এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী ১৯৯৩ সালে শান্তিরক্ষী বাহিনীর সাথে যুক্ত হয়।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিগত ৩৫ বছর ধরে সুনামের সাথে শান্তিরক্ষা বাহিনীতে কাজ করে যাচ্ছে। সর্বোচ্চ সৈন্য ও পুলিশ সদস্য এই বাহিনীতে দেশের জন্য অবদান রেখে যাচ্ছে এবং এর পাশাপাশি জাতিসংঘের বিভিন্ন শান্তিরক্ষা অভিযানে সক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহণ করছে।

    শেখ হাসিনা আরো বলেন, ‘আজ শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে আন্তজাতিক অঙ্গণে বাংলাদেশ একটি নির্ভরযোগ্য নাম।’

    অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ সুদান, মালি, লেবানন, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র ও ডিআর কঙ্গোসহ বিভিন্ন দেশে মোতায়েন বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীদের সাথে ভার্চুয়ালি কথা বলেন।

    সূত্র : বাসস

  • হ্যাক হওয়া ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার করুন সহজে

    হ্যাক হওয়া ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার করুন সহজে

    বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ইনস্টাগ্রাম। সেলিব্রেটি থেকে শুরু করে সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সঙ্গে সাধারণ ব্যবহারকারীও রয়েছে ইনস্টাগ্রামে। যাদের মধ্যে আছে আট থেকে আশি সব বয়সী মানুষের। যেমনি ব্যবহারকারীর সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে তেমনি বাড়ছে সাইবার অপরাধীদের সংখ্যাও।

    প্রায়ই অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়ে যাচ্ছে। তবে এখন অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়ে গেলে আর চিন্তার কোনো কারণ নেই। সেই অ্যাকাউন্ট আবার ফিরে পাওয়ার একটি সহজ পন্থা নিয়ে হাজির হয়েছে ইনস্টাগ্রাম। সম্প্রতি একটি বৈশিষ্ট্য যোগ করেছে, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা তাদের হ্যাক হওয়া অ্যাকাউন্ট রিট্রিভ করার সুযোগ পাবেন।

    যেভাবে হ্যাক হওয়া ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার করবেন-

    > আপনার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট খুলতে যদি কোনো সমস্যার সম্মুখীন হন, তাহলে মোবাইল ফোন বা ডেস্কটপ থেকে Instagram.com/hacked- যান।

    > এখানে আপনাকে একাধিক অপশন দেখানো হবে। যদি মনে হয় অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়ে গিয়েছে, তাহলে সেই অপশন বেছে নিন।

    > এছাড়াও আপনি ফরগট ইওর পাসওয়ার্ড, লস্ট অ্যাক্সেস টু টু ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন বা ইওর অ্যাকাউন্ট হ্যাজ বিন ডিসেবলড এই সব অপশনগুলোর যে কোনো একটি বেছে নিতে পারেন।

    > আপনার অ্যাকাউন্টে কী সমস্যা হচ্ছে, সেই অপশনটা বেছে নিলে তারপর থেকে ধাপে ধাপে পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করে নিলেই আপনার হ্যাক হওয়া অ্যাকাউন্ট আবারও ব্যবহারযোগ্য হয়ে উঠবে।

    সূত্র: ট্রিবিউন ইন্ডিয়া

  • বাটা মরিচে ইলিশ মাছের ঝোল

    বাটা মরিচে ইলিশ মাছের ঝোল

    উপকরণ:

    ইলিশ মাছ দেড় কেজি ১ টা, পেঁয়াজ কুঁচি-পেঁয়াজ বাটা ২ কাপ, লবন স্বাদ মত, হলুদের গুড়ো হাফ চামচ, মরিচ বাটা ২ চামচ, আদা বাটা হাফ চামচ, জিরো গুড়ো হাফ চামচ, টমেটো পেস্ট ১ কাপ, কাঁচা মরিচ ৪ টা, সয়াবিন তেল পরিমাণ মত, ফিসসস সামান্য, ধনিয়া পাতা কুঁচি, চিনি হাফ চামচ

    বাটা মরিচে ইলিশ মাছের ঝোল

    প্রস্তুতি  প্রণালী

    লেজ আর মাথা ছাড়া ইলিশ মাছের টুকরো নিতে হবে। কড়াইয়ে তৈল দিয়ে পেঁয়াজ কুঁচি ভেজে নিবো। এবার পেঁয়াজ বাটা, মরিচ বাটা, আদা-রসুন-বাটা, জিরা গুড়া, টমেটো পেস্ট, লবন, ফিসসস দিয়ে কষিয়ে নিতে হবে। কষানো হলে  দেখবেন তৈল উপরে উঠে আসছে। তখন ইলিশ মাছ দিয়ে দিন। মাছ দিয়ে আবারও মশল্লা সাথে ভালো করে কষিয়ে নিন। এবার ১ কাপ পানি দিয়ে কাঁচা মরিচ দিন ঢাকনা দিয়ে ঝোল কে ঘন করে নিন। ধনিয় পাতা কুঁচি দিয়ে নামিয়ে পরিবেশন করুন। বাটা মরিচে ইলিশ মাছের ঝোল।  বাটা মরিচ দিয়ে ইলিশের মাছ রান্না করলে এর স্বাদ দিগুণ বেড়ে যায়।

    রেসিপি দিয়েছেন: সাজিয়া ফেরদৌস, সাজিয়া’স কিচেন

  • আজও বৃষ্টি হলে যে নিয়মে হবে আইপিএলের ফাইনাল ম্যাচ

    আজও বৃষ্টি হলে যে নিয়মে হবে আইপিএলের ফাইনাল ম্যাচ

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় বৃষ্টির কারণে ভেস্তে গেল আইপিএলের ফাইনাল। চেন্নাই সুপার কিংস বনাম গুজরাট টাইটান্স ম্যাচে একটি ওভারও খেলা হয়নি। তবে যেহেতু ফাইনাল ম্যাচ তাই সোমবার রিজার্ভ ডে হিসাবে রাখা হয়েছে। রাত ৭.৩০ মিনিটে টস হবে। রাত ৮টা থেকে খেলা শুরু। একই নিয়মে খেলা হবে। তবে যদি সেমবারও খেলা না হয়, তা হলে চ্যাম্পিয়ন হয়ে যাবে গুজরাট টাইটান্স। কারণ, পয়েন্ট তালিকায় গুজরাটই শীর্ষে রয়েছে। রানার্স হবেন চেন্নাই ।

    দুপুর-বিকেল থেকেই দর্শকরা ভিড় জমাতে শুরু করেন রবিবার নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে । অনেকেই ধরে নিয়েছেন এটিই ধোনির শেষ ম্যাচ। তাই হলুদ জার্সি গায়ে দর্শকরা আসেন স্টেডিয়ামে। গুজরাট টাইটান্সের ঘরের মাঠে খেলা হলেও দেখে তা বিন্দুমাত্র বোঝার উপায় ছিল না। এ বারের আইপিএলে ধোনি যখন যে শহরে খেলেছেন, সর্বত্রই এই একই ছবি দেখা গিয়েছে।

    আগে থেকেই রবিবার আহমেদাবাদে বৃষ্টির পূর্বাভাস ছিল। সেই মতো সন্ধ্যা নামতেই শুরু হয় বৃষ্টি। বেশ জোরে বৃষ্টি হচ্ছিল। ফলে মাঠ ঢাকা ছিল কভারে। কিন্তু আউটফিল্ডে বেশ কিছু জায়গায় জল জমতে শুরু করেছিল। যে বেগে বৃষ্টি হচ্ছিল, তাতে ফাইনাল রবিবার হবে কি না তা নিয়ে সংশয় শুরু হয়।

    বৃষ্টি আইনে যে নিয়মে ফাইনাল খেলা হবে:

    আজকেও যদি বৃষ্টি হয় তাহলে খেলা শুরু হওয়ার কাট অফ টাইম (যে সময়ের মধ্যে খেলা শুরু হলে অন্তত ৫ ওভার করে খেলা হবে) জানিয়ে দিয়েছে আইপিএল কতৃপক্ষ। রাত ১০.০৫ মিনিট পর্যন্ত সময় ছিল। অর্থাৎ, রাত ১০.০৫ মিনিটের আগে যদি খেলা শুরু করা যেত তা হলে এক ওভারও কমত না। পুরো ৪০ ওভারের খেলা হত।

    আর বৃষ্টি দেরিতে থামলে খেলা পরে শুরু হলে, সেই ক্ষেত্রে খেলার ফয়সালা হতে গেলে দু’টি দলকে অন্তত ৫ ওভার করে খেলতে হত। অর্থাৎ, মোট ১০ ওভারের খেলা করাতেই হত। সেই খেলা শুরু হওয়ার শেষ সময় ছিল রাত ১২.৩৬ মিনিট। অর্থাৎ, তার মধ্যে খেলা শুরু না হলে খেলা ভেস্তে যাবে। চাম্পিয়ন হবে গুজরাট টাইটান্স।

    সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

  • তুরস্কের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পুন:নির্বাচিত এরদোয়ান

    তুরস্কের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পুন:নির্বাচিত এরদোয়ান

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: তুরস্কে ইতিহাসে প্রথমবারের মত দ্বিতীয় প্রেসিডেন্ট ধাপের নির্বাচনে পুন:নির্বাচিত জয় পেয়েছেন রেচেপ তায়েপ এরদোয়ান। তিনি প্রায় দুই দশক ধরে ক্ষমতায় রয়েছেন।  রবিবার রাতে আঙ্কারার সমর্থকদের উদ্দেশ্যে মি. এরদোয়ান বলেন, “সাড়ে আট কোটি মানুষের পুরো দেশই আজ জিতেছে।”

    যদিও তার এই ঐক্যের ডাককে অনেকে সমালোচনা করেছেন। কারণ নির্বাচনে জয়ী হওয়ার দাবি করার পাশাপাশি বিরোধী নেতা কেমাল কিলিচদারুলুকে ব্যঙ্গ করেও মন্তব্য করেছেন তিনি। এছাড়া কারাগারে থাকা কুর্দিশ এক নেতা এবং এলজিবিটি কমিউনিটিকে সমর্থন করে তৈরি করা নীতির সমালোচনাও করেছেন।

    বিরোধী নেতা মি. কিলিচদারুলু অবশ্য এখনো স্পষ্টভাবে হার স্বীকার করেননি।

    তিনি অভিযোগ করেছেন এবারে ‘সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে পক্ষপাতদুষ্ট নির্বাচন হয়েছে।

    মি. কিলিচদারুলু বলছেন যে, প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের রাজনৈতিক দল তার বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সব রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করেছে। প্রায় পূর্ণাঙ্গ ফলাফল প্রকাশ করার পর দেখা যায়, মি. এরদোয়ান প্রায় ৫২ শতাংশ ভোট পেয়েছেন।

    এরদোয়ানের গোছানো প্রচারণার বিপরীতে মি. কিলিচদারুলু টিকতেই পারেননি। প্রথম দফায় দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান ছিল ২৫ লাখের মত। দ্বিতীয় দফায়ও সেই ব্যবধান ছিল ২০ লাখের বেশি।

    সাত বছর আগে ২০১৪ সালে তুরস্কে নির্বাচনের পদ্ধতি পরিবর্তন করা হয়। সেসময় থেকে সরাসরি প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করতে ভোট দিতে পারে মানুষ। ভোট গ্রহণের দিন বেশ আগে থেকেই জয় উদযাপন শুরু করেন প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান।

    বিকেলে তুরস্কের সবচেয়ে বড় শহর ইস্তান্বুলে একটি বাসের ওপর দাঁড়িয়ে সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন তিনি। এরপর সন্ধ্যায় মি. এরদোয়ান তার প্রাসাদের সামনে জড়ো হওয়া তিন লাখ বিশ হাজার মানুষ উপস্থিতে বিশাল জনসমাগমের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন।

    এই নির্বাচনকে তুরস্কের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আখ্যা দিয়ে মি. এরদোয়ান বলেছেন, “কে জিতেছে, তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হল তুরস্ক জিতেছে।”

    তার প্রতিদ্বন্দ্বীকে ব্যঙ্গ করে বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি বলেন, “বাই বাই বাই কেমাল।”

    বিরোধী দলের নির্বাচনি প্রচারণার বেশ কিছু প্রতিশ্রুতির সমালোচনা করেন মি. এরদোয়ান। এর মধ্যে এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায়কে সমর্থন করে, এমন নীতির কঠোর সমালোচনা শোনা যায় মি. এরদোয়ানের মুখে। তিনি বলেন, পরিবার নিয়ে তার আদর্শের বিরোধী এ ধরণের নীতি।

    চূড়ান্ত ফলাফল এখনো নিশ্চিতভাবে ঘোষণা হয়নি, কিন্তু তুরস্কের সর্বোচ্চ নির্বাচন কাউন্সিল বলছে যে মি. এরদেোয়ানের বিজয় নিয়ে কোনো সন্দেহই আর নেই। এই নির্বাচনের পর প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের ২৫ বছর ধরে তুরস্কের ক্ষমতায় থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হল।

    বিজয় উদযাপনের লক্ষ্যে এদিন আঙ্কারায় প্রেসিডেন্টের প্রাসাদের দরজা খুলে দেয়া হয় সাধারণ মানুষের জন্য। এতে যোগ দেন আঙ্কারার সব জায়গা থেকে সমর্থকরা জড়ো হন। উপস্থিত অনেককেই দেখা যায় প্রাসাদের বাইরে ঘাসের ওপর তুরস্কের পতাকা রেখে নামাজ আদায় করতে। এক রাতের জন্য তুরস্কের অর্থনৈতিক সংকট ভুলে গিয়েছিল মানুষ। তবে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান নিজেও স্বীকার করেছেন যে মূল্যস্ফীতিই এখন তুরস্কের এক নম্বর ইস্যু।

    প্রশ্ন উঠছে, তিনি এই সমস্যার সমাধান করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত কিনা। তুরস্কে বছরে প্রায় ৪৪ শতাংশ হারে মূল্যস্ফীতি বাড়ছে। দেশটিতে খাদ্য, বাড়ি ভাড়া ও অন্যান্য পণ্যের দাম ব্যাপক হারে বেড়েছে।

    এই মূল্যস্ফীতির জন্য মি. এরদোয়ানের গতানুগতিক অর্থনৈতিক ধারা অনুসরণ না করা এবং সুদের হার না বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে দায়ী করে থাকেন সমালোচকরা। ডলারের বিপরীতে তুরস্কের মুদ্রা লিরার দামেও রেকর্ড দরপতন হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিদেশি মুদ্রার চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে। তবে এরদোয়ানের সমর্থকরা অর্থনৈতিক টানাপোড়েন নিয়ে খুব একটা চিন্তা করছেন না। তারা সারা বিশ্বে তাদের নেতার জনপ্রিয়তার বিষয়টি নিয়ে বেশ সন্তুষ্ট।

    সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে মি. এরদোয়ানের কঠোর নীতিরও প্রশংসা করেন তার সমর্থকরা। তারা এক্ষেত্রে ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলতে বোঝেন কুর্দিশ মিলিট্যান্টদের।

    প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান ফেব্রুয়ারিতে তুরস্কের ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলের উন্নয়নেরও অঙ্গীকার করেছেন।

    এরদোয়ানের এই বিজয়কে অনেকেই মুসলিম বিশ্বের জন্যও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন। ইস্তান্বুলের তাসকিম স্কোয়ারে জয় উদযাপন করতে এসেছিলেন ফিলিস্তিনি নাগরিক আলা নাসার, তার গায়ে জড়ানো ছিল তুরস্কের পতাকা।

    তিনি বলছিলেন যে মি. এরদোয়ান নিজের দেশের উন্নয়নের পাশাপাশি ‘আরব ও মুসলিম বিশ্বকেও সমর্থন করছেন।’

    দুই হাজার ষোলো সালে বানচাল হয়ে যাওয়া এক সেনা অভ্যুত্থানের পর মি. এরদোয়ান প্রধানমন্ত্রীর পদ বাতিল করেন এবং ব্যাপক ক্ষমতা কুক্ষিগত করেন। এবারের নির্বাচনের আগে তার বিরোধীরা অঙ্গীকার করেছিল যে তারা এই পদ্ধতির পরিবর্তন করবে।

    এদিকে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পুন:নির্বাচিত হওয়ায় রেচেপ তায়েপ এরদোয়ানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব।

    সূত্র : বিবিসি বাংলা

  • রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর দৃঢ় প্রতিশ্রুতি প্রয়োজন

    রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর দৃঢ় প্রতিশ্রুতি প্রয়োজন

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে ওআইসিসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর দৃঢ় প্রতিশ্রুতি প্রয়োজন।’

    গতকাল গণভবনে ওআইসি মহাসচিব হিসেইন ব্রাহিম তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন।

    বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন ।

    শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের স্বদেশে পাঠিয়ে তাদের সমস্যা সমাধানে সহায়তা করতে ওআইসি সদস্য দেশগুলোর দৃঢ় প্রতিশ্রুতি কামনা করেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁরা মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছেন এবং ওআইসি সদস্য দেশগুলো কাছ থেকে  রোহিঙ্গাদের জন্য তহবিল সংগ্রহের আহ্বান জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি রয়েছে এবং জনগণ শান্তিতে বসবাস করছে।

    ওআইসি মহাসচিব রোহিঙ্গা সমস্যা ওআইসির জন্য একটি অগ্রাধিকার বিষয় উল্লেখ করে যোগ করেন, ‘রোহিঙ্গারা তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত।’

    ওআইসি মহাসচিব বলেন, ওআইসির কাছে বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ।

    তিনি বলেন, ওআইসিতে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

    তিনি আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মহান অবদানের কথাও স্মরণ করেন।

    ওআইসি মহাসচিব বিশ্ব শান্তিতে অবদানের জন্য বঙ্গবন্ধুর জুলিও-কুরি শান্তি পুরস্কার পাওয়ার ৫০তম বার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান।

    বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর এমবাসেডর এটলার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এম. তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (সমুদ্র বিষয়ক ইউনিট) রিয়ার এডমিরাল (অব.) মো. খুরশেদ আলম উপস্থিত ছিলেন।

    ওআইসির সহকারি মহাসচিব রাষ্ট্রদূত আসকার মুসিনভও উপস্থিত ছিলেন।

    ওআইসি মহাসচিব হিসেন ব্রাহিম তাহা পাঁচ দিনের সফরে শনিবার ঢাকায় এসেছেন।

    ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) চ্যান্সেলর হিসেবে ওআইসি মহাসচিব আগামীকাল ৩০ মে (মঙ্গলবার) প্রতিষ্ঠানটির ৩৫তম সমাবর্তনে যোগ দেবেন।

    সূত্র : বাসস

  • শিশুকে ভরপুর এনার্জি দিতে যেসব খাবারে বেশি প্রাধান্য দিবেন

    শিশুকে ভরপুর এনার্জি দিতে যেসব খাবারে বেশি প্রাধান্য দিবেন

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক : শিশুর শরীরের যত্ন নিতে প্রতিদিনের খাওয়াদাওয়ার উপর নজর দেওয়া জরুরি। সন্তানের প্লেটে কী খাবার রাখছেন, তার উপর নির্ভর করছে শিশুর বিকাশ কত দ্রুত হবে। চকোলেট, আইসক্রিম, বাইরের নানা ধরনের খাবার খাওয়ার বায়না বাচ্চারা করেই থাকে। কিন্তু সেই খাবারগুলি আদতে শিশুর শরীরের ক্ষতি করে। তাই এই ধরনের খাবার থেকে শিশুকে দূরে রাখা একান্ত জরুরি। স্বাস্থ্যকর খাবারের তালিকা বেশ দীর্ঘ। কিন্তু কোন খাবারগুলি খাওয়ালে সুস্থ এবং সতেজ থাকবে সন্তান, তা জেনে নেওয়া দরকার।

    ডিম

    ডিমে প্রচুর মাত্রায় প্রোটিন রয়েছে। শিশুকে প্রাণবন্ত রাখতে প্রোটিনের ভূমিকা অপরিসীম। প্রতিদিনের খাবারে তাই ডিম রাখুন। একটি ডিমই শিশুর শরীরে প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল, সব কিছুর চাহিদা পূরণ করবে। প্রতি দিন একটি সেদ্ধ ডিম খাওয়ালে শিশুর শরীর ভাল থাকবে। এ ছাড়া ডিমের পোচ, অমলেটও মাঝেমাঝে খাওয়ানো যেতে পারে। এতে তাদের স্বাদবদল হবে।

    আলু

    শিশুর দৈনিক খাদ্যতালিকায় শুধু প্রোটিন বা ফাইবার নয়, কার্বোহাইড্রেটও রাখতেই হবে। কার্বোহাইড্রেটের সবচেয়ে ভাল উৎস হল আলু। আলুতে থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিড শিশুকে ভিতর থেকে চাঙ্গা রাখবে। তাই শিশুর নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন আলু। আলু সিদ্ধ করে সামান্য মাখন, নুন আর গোলমরিচ দিয়ে চটজলদি শিশুদের জন্য বানিয়ে ফেলুন ‘ম্যাশ্ড‌ পটেটো’।

    মুরগির মাংস

    প্রোটিনের অন্যতম সেরা উৎস হল মুরগির মাংস। এই খাবার শিশুর পেশি মজবুত করে। তবে প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় মুরগির মাংস রাখবেন না। সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন খাওয়াতে পারেন। সব রকম সব্জি দিয়ে মুরগির স্টু শিশুদের খাওয়ানো যেতে পারে।

    দুগ্ধ জাতীয় খাবার

    দুধ, দই এবং পনিরে রয়েছে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টির ভাল উৎস। অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োজন এমন বাচ্চাদের জন্য ডেইরী প্রোডাক্ট হতে পারে ভাল বিকল্প। পুডিং, পিজ্জা, পাস্তা ঘরে তৈরি করেই শিশুদের খুশি করে খাওয়াতে পারেন।

    ফল ও শাকসবজী

    ফল এবং শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, ভিটামিন এবং খনিজ থাকে যা বাচ্চাদের সুস্থ ও শক্তিমান রাখতে সাহায্য করে। আপেল, কলা, কমলা, ব্রোকলি এবং মিষ্টি আলু সবই ভালো বিকল্প। জুস, কাস্টার্ড বা বিভিন্ন মজাদার খাবার তৈরি করেও তাদের আগ্রহী করতে পারেন এসব স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়াতে।

    তথ্যসূত্রঃ ডব্লিউএইচও, বেটার হেলথ, কিডস হেলথ