হ্যালো বাংলা ডেস্ক : শিশুর শরীরের যত্ন নিতে প্রতিদিনের খাওয়াদাওয়ার উপর নজর দেওয়া জরুরি। সন্তানের প্লেটে কী খাবার রাখছেন, তার উপর নির্ভর করছে শিশুর বিকাশ কত দ্রুত হবে। চকোলেট, আইসক্রিম, বাইরের নানা ধরনের খাবার খাওয়ার বায়না বাচ্চারা করেই থাকে। কিন্তু সেই খাবারগুলি আদতে শিশুর শরীরের ক্ষতি করে। তাই এই ধরনের খাবার থেকে শিশুকে দূরে রাখা একান্ত জরুরি। স্বাস্থ্যকর খাবারের তালিকা বেশ দীর্ঘ। কিন্তু কোন খাবারগুলি খাওয়ালে সুস্থ এবং সতেজ থাকবে সন্তান, তা জেনে নেওয়া দরকার।
ডিম
ডিমে প্রচুর মাত্রায় প্রোটিন রয়েছে। শিশুকে প্রাণবন্ত রাখতে প্রোটিনের ভূমিকা অপরিসীম। প্রতিদিনের খাবারে তাই ডিম রাখুন। একটি ডিমই শিশুর শরীরে প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল, সব কিছুর চাহিদা পূরণ করবে। প্রতি দিন একটি সেদ্ধ ডিম খাওয়ালে শিশুর শরীর ভাল থাকবে। এ ছাড়া ডিমের পোচ, অমলেটও মাঝেমাঝে খাওয়ানো যেতে পারে। এতে তাদের স্বাদবদল হবে।
আলু
শিশুর দৈনিক খাদ্যতালিকায় শুধু প্রোটিন বা ফাইবার নয়, কার্বোহাইড্রেটও রাখতেই হবে। কার্বোহাইড্রেটের সবচেয়ে ভাল উৎস হল আলু। আলুতে থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিড শিশুকে ভিতর থেকে চাঙ্গা রাখবে। তাই শিশুর নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন আলু। আলু সিদ্ধ করে সামান্য মাখন, নুন আর গোলমরিচ দিয়ে চটজলদি শিশুদের জন্য বানিয়ে ফেলুন ‘ম্যাশ্ড পটেটো’।
মুরগির মাংস
প্রোটিনের অন্যতম সেরা উৎস হল মুরগির মাংস। এই খাবার শিশুর পেশি মজবুত করে। তবে প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় মুরগির মাংস রাখবেন না। সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন খাওয়াতে পারেন। সব রকম সব্জি দিয়ে মুরগির স্টু শিশুদের খাওয়ানো যেতে পারে।
দুগ্ধ জাতীয় খাবার
দুধ, দই এবং পনিরে রয়েছে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টির ভাল উৎস। অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োজন এমন বাচ্চাদের জন্য ডেইরী প্রোডাক্ট হতে পারে ভাল বিকল্প। পুডিং, পিজ্জা, পাস্তা ঘরে তৈরি করেই শিশুদের খুশি করে খাওয়াতে পারেন।
ফল ও শাকসবজী
ফল এবং শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, ভিটামিন এবং খনিজ থাকে যা বাচ্চাদের সুস্থ ও শক্তিমান রাখতে সাহায্য করে। আপেল, কলা, কমলা, ব্রোকলি এবং মিষ্টি আলু সবই ভালো বিকল্প। জুস, কাস্টার্ড বা বিভিন্ন মজাদার খাবার তৈরি করেও তাদের আগ্রহী করতে পারেন এসব স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়াতে।
তথ্যসূত্রঃ ডব্লিউএইচও, বেটার হেলথ, কিডস হেলথ










