Author: Hello Bangla News

  • পুলিশ সদস্যদের আরো জনবান্ধব হওয়ার  নির্দেশ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি

    পুলিশ সদস্যদের আরো জনবান্ধব হওয়ার  নির্দেশ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিটি সদস্যকে তাদের কার্যক্রমে আরো জনবান্ধব হওয়ার  নির্দেশ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন ।

    বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন আজ রবিবার দুপুরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

    বৈঠক শেষে প্রেস সচিব মোঃ জয়নাল আবেদীন রাষ্ট্রপতির বরাত দিয়ে জানান, “পুলিশ সদস্যদের কাজ যাতে জনবান্ধব হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।” রাষ্ট্রপতি বলেন, পুলিশকে জনগণের বন্ধু হিসেবে কাজ করতে হবে। জনস্বার্থে বিভিন্ন মামলার নিষ্পত্তিতে যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলেরও নির্দেশ দেন তিনি।

    রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, “তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশের ফলে সাইবার ক্রাইম বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাইবার ক্রাইম মোকাবেলায় পুলিশের প্রতিটি সদস্যকে প্রযুক্তি জ্ঞানে প্রশিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে”।

    রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করে ভবিষ্যতেও এই তৎপরতা অব্যাহত রাখার পরামর্শ দেন।

    পুলিশ মহাপরিদর্শক বাংলাদেশ পুলিশের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।

    রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বডুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এসএম সালাহউদ্দিন ইসলাম, প্রেস সচিব মোঃ জয়নাল আবেদীন এবং সচিব (সংযুক্ত) মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র : বাসস

  • হোয়াইট পাস্তা

    হোয়াইট পাস্তা

    উপকরণ :

    পাস্তা ২০০ গ্রাম, মুরগির মাংস-১ কাপ কুচি করা, বাটার ৩ টেবিল চামচ, রশুন কুচি ১ টেবিল চামচ, দুধ ২ কাপ, ময়দা ৩ টেবিল চামচ, লবন পরিমান মত, গোল মরিচ গুড়া ১ চা চামচ, পাস্তা প্যাকেট মসলা ১ প্যাকেট।

    প্রস্তুত প্রণালী: ফুটন্ত গরম পানিতে অল্প লবন দিয়ে পাস্তা ৪/৫ মিনিট সিদ্ধ করুন। সিদ্ধ পাস্তা ছাকনিতে রেছে ঠান্ডা খাবার পানি ঢেলে শীতল ও ঝর ঝরে করুন।

    একটি পাত্রে বাটার দিন বাটার গরম হলে তাতে রশুন কুচি দিয়ে ভাজুন। এবার কুচি করা মুরগির মাংস দিয়ে ভাজুন, মুরগির মাংস ভাজা হলে ময়দা দিয়ে ভাজুন, ময়দা ভাজা হলে তাতে দুধ ঢেলে দিন। ভালভাবে নাড়–ন দুধ ফুটে ঘন হয়ে এলে সিদ্ধ করা পাস্তাগুলো ছেড়ে দিন। এবার পাস্তার প্যাকেটের মসলা ও গোলমরিচের গুড়ো + লবন ছিটিয়ে দিন। সব একসাথে মিশে গেলে উপরে আর ১ চামুচ বাটার ছিটিয়ে দিন। হয়ে গেল মজাদার হোয়াইট পাস্তা।

    রেসিপি দিয়েছেন : পপি খান

  • আইপিএল ফাইনালে আজ মুখোমুখি হচ্ছে চেন্নাই ও গুজরাট

    আইপিএল ফাইনালে আজ মুখোমুখি হচ্ছে চেন্নাই ও গুজরাট

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: গত বছর প্রথম খেলতে এসেই আইপিএল জয়ের স্বাদ পেয়েছিল গুজরাট । অপর দিকে মহেন্দ্র সিংহ ধোনির চেন্নাই সুপার কিংস আইপিএলের দ্বিতীয় সফল দল। চার বার আইপিএল ট্রফি জিতেছেন ধোনিরা।  টানা দু’বার আইপিএল ফাইনাল খেলবেন হার্দিকরা। উল্টো দিকে গত বার লিগ টেবিলে ন’নম্বরে শেষ করা চেন্নাই এ বার ফাইনালে। মর্যাদা রক্ষার লড়াইয়ে ধোনিরা। অন্য দিকে হার্দিকরা চাইবেন চ্যাম্পিয়নের তকমা ধরে রাখতে। আজ রবিবার আইপিএলের ফাইনালে আহমেদাবাদে মুখোমুখি চেন্নাই এবং গুজরাট।

    এ বারের আইপিএল শুরু হয়েছিল এই দুই দলের খেলা দিয়েই। সে বার গুজরাত জিতেছিল পাঁচ উইকেটে। পরে প্রথম কোয়ালিফায়ারে আবার মুখোমুখি হয় চেন্নাই এবং গুজরাট। সেই ম্যাচ ১৫ রানে জিতে সরাসরি ফাইনালের টিকিট পেয়ে যান ধোনিরা। গুজরাট দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে হারায় পাঁচ বারের আইপিএলজয়ী মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে। এ বার ট্রফির লড়াইয়ে নামবে দুই দল। যে ম্যাচ হারলে আগের সব জয়ের উৎসবই ম্লান হয়ে যাবে। ১৬তম আইপিএলে দশম বার ফাইনাল খেলছে চেন্নাই। এর মধ্যে চার বার জিতেছে। অর্থাৎ বাকি ছ’বার হারতে হয়েছে ধোনিদের।

    চেন্নাই দলের কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং ফাইনালের আগে বলেন, “ফাইনালে আমরা পরিবেশ, পরিস্থিতি নিয়ে ভাবছি না। দু’রকমের পিচ রয়েছে আহমেদাবাদে। কোনও একটা বেছে নেওয়া হবে। কিন্তু আমরা সেই নিয়ে কোনও চিন্তা করছি না। গত বারের থেকে অনেক ভাল জায়গায় রয়েছে আমাদের দল।”

    চেন্নাই দলের হয়ে ব্যাট হাতে রুদ্ররাজ গায়কোয়াড় এবং ডেভন কনওয়ে ছন্দে রয়েছেন। কিছু ম্যাচে রান পেয়েছেন শিবম দুবে। ধোনি শেষের দিকে নেমে কয়েক বলে রানের গতি বাড়িয়ে দিচ্ছেন। রবীন্দ্র জাদেজা রান পাচ্ছেন। বল হাতে মাথিশা পাথিরানা ভয় ধরাচ্ছেন ব্যাটারদের মনে। স্পিনারদের মধ্যে জাদেজা, মইন আলি এবং মাহেশ থিকসানা ছন্দে রয়েছেন। ফাইনালেও তাঁদের উপর ভরসা করেই দল গড়বেন ধোনি। তবে মইন ব্যাট খুব একটা হাসেনি এবার।

    অন্য দিকে গুজরাত দলে একাধিক ম্যাচ জেতানো ক্রিকেটার রয়েছেল বলে বিশ্বাস করেন হার্দিক। এবার আইপিএলে সবার আগে প্লে-অফের যোগ্যতা অর্জন করেছে গুজরাট ধারাবাহিকতা দেখিয়েছে শুরু থেকে। প্রতিটি ক্রিকেটারের মধ্যে আত্মবিশ্বাস দেখা গিয়েছে। গত বার নতুন অধিনায়ক ছিলেন হার্দিক এ বার অনেক বেশি পরিণত। তাঁর মধ্যেও আত্মবিশ্বাস দেখা যায়। ধোনিদের বিরুদ্ধে কোয়ালিফায়ারে হেরে যাওয়ার পরেও তাঁর মুখে ফাইনাল খেলার কথা শোনা গিয়েছিল। ঘরের মাঠে ফাইনাল হওয়ায় কিছুটা সুবিধা হার্দিকদের।

    সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

  • প্রচলিত সিগারেটের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের পরামর্শ গবেষকদের

    প্রচলিত সিগারেটের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের পরামর্শ গবেষকদের

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: দেশি ও আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও নীতিপ্রণেতারা ২০৪০ সালের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে নিকোটিন-নির্ভর বিকল্প পণ্যসমূহ ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া এবং নিয়মতান্ত্রিকভাবে বাজারজাতকরণের সুপারিশ করেছেন। তাছাড়া গবেষকরা জনস্বাস্থ্য রক্ষা ও ধূমপানের ক্ষতি হ্রাসের জন্য প্রচলিত সিগারেটের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের পরামর্শ দেন।

    রাজধানীতে তামাকের ক্ষতি হ্রাসকরণ বিষয়ে আয়োজিত এক সম্মেলনে গবেষকরা বলেন তামাকের ক্ষতি হ্রাস ধারণাটি প্রাপ্ত বয়স্ক ধূমপায়ীদের ধূমপান ছাড়াতে বৈজ্ঞানিক গবেষণা অনুযায়ী এখন পর্যন্ত সবচেয়ে সফল উপায়। এর মাধ্যমে যারা ধূমপান ছাড়তে আগ্রহী, তারা প্রচলিত সিগারেটের বিকল্প হিসেবে তুলনামূলক কম ক্ষতিকর পণ্য (রিডিউসড রিস্ক প্রোডাক্ট) ব্যবহার করে। এই সকল পণ্য থেকে প্রচলিত সিগারেটের মতো টার তৈরী হয় না। যার ফলে এই পণ্যগুলো প্রচলিত সিগারেটের তুলনায় ৯৫ শতাংশ কম ক্ষতিকর। সম্মেলনে বিভিন্ন দেশ থেকে আগত গবেষক ও বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন অর্থ, শিল্প, বাণিজ্য, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিরা।

    বর্তমানে যুক্তরাজ্য, সুইডেন, নিউজিল্যান্ড, কানাডাসহ বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত এবং উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে ধূমপানের হার কমিয়ে আনতে দেশগুলো সরকার এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রচলিত সিগারেটের তুলনায় কম ক্ষতিকর পণ্যসমূহ যেমন ভেপ, ই-সিগারেট, স্নুস ইত্যাদি ব্যবহার করতে উৎসাহিত করছে।

    অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাবেক এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এবং ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোল (এফসিটিসি) প্রণয়নের অন্যতম পথিকৃৎ ডা. ডেরেক ইয়াক বাংলাদেশের এফসিটিসি তৈরীর পেছনে অবদানের প্রশংসা করে বলেন, ‘ক্ষতিহ্রাস কৌশল আগে থেকেই এফসিটিসির অংশ ছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত এর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন বাংলাদেশে হয়নি। বাংলাদেশের সুযোগ রয়েছে দেশটির অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য ক্ষতিহ্রাস কৌশলকে প্রাধান্য দেওয়ার। এতে বহু মানুষের প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হবে।’

    অনুষ্ঠানে ধূমপানের ক্ষতি হ্রাস বিষয়ক বিশেষজ্ঞ এবং ওয়ার্ল্ড মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশেনের সাবেক মহাসচিব ডা. ডিলন হিউম্যান বলেন, জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার প্রধান লক্ষ্য হলো রোগ প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ এবং রোগের কারণে অকাল মৃত্যু ঠেকানো। তিনি বলেন, ‘এতোদিনের প্রচলিত তামাক নিয়ন্ত্রণ কৌশল দিয়ে বাংলাদেশকে ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত করা সম্ভব হবে না।’

    জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুনের জনস্বাস্থ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. হিউম্যানের মতে, বর্তমানে বিশ্বে ১৪০ কোটি ধূমপায়ী আছে, যার দুই কোটি বাংলাদেশে। প্রচলিত তামাক নিয়ন্ত্রণ কৌশল এদের জন্য মৃত্যুর পরোয়ানার শামিল। এমন পরিস্থিতি উত্তোরণে তামাকের ক্ষতি হ্রাসে সমন্বিত কৌশল, বিজ্ঞান এবং কম ক্ষতিকর বিকল্পের নিয়ন্ত্রিত বাজার ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন ডিলন।

    হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও তামাকের ক্ষতি হ্রাস নিয়ে ৭০টির বেশি গবেষণায় কাজ করা ডা. কনসটেন্টিনোস ফার্সিলিনোস বলেন, “ইউকে হেলথ সিকিউরিটি এজেন্সির গবেষণায় ধূমপানের ক্ষতিহ্রাস কৌশলের বিকল্প ভেপিং সাধারণ সিগারেটের তুলনায় ৯৫ শতাংশ কম ক্ষতিকর বলে প্রমাণিত হয়েছে। ভেপিং এবং নিকোটিন চুইংগাম ধূমপানের আসক্তি কাটানোর জন্য অন্যতম সহায়ক হিসেবে গবেষণায় প্রমাণিত। ডা. হোসির মতে, ধূমপায়ীদের দীর্ঘদিনের অভ্যাস ছাড়তে বিকল্পে আগ্রহী করে তুলতে হবে। এক্ষেত্রে স্বাস্থ্যসেবা পেশায় যুক্ত ব্যক্তিদের করণীয় অনেক। তিনি বলেন, “ভোক্তা এবং রোগীদের সঠিক তথ্য এবং পণ্যের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জানাতে হবে। যদি তারা ধূমপান একেবারে ছাড়তে না পারে তবে তাদের তুলনামূলক কম ক্ষতিকর পণ্য বেছে নিতে সহায়তা করতে হবে।“

    আলোচকেরা বলেন, বাংলাদেশ সকল বাধা মোকাবিলা করে এগিয়ে যাওয়ার জন্য সুপরিচিত এবং বিশ্বের অন্যতম দ্রুত ক্রমবর্ধন অর্থনীতির দেশ হিসেবে পরিচতি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে তামাকমুক্ত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। এই লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশের প্রয়োজন উন্নত বিশ্বে সাফল্য লাভ করেছে এমন নির্ভরযোগ্য ও পরীক্ষিত ক্ষতি হ্রাস কৌশল অনুসরণ করা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ তামাকমুক্ত হওয়ার পাশাপাশি এশিয়া এবং সারা বিশ্বের কাছে একটি রোল মডেল হয়ে উঠবে।

    সম্মেলনে ভোক্তাদের পক্ষ থেকে আলোচনায় অংশ নেন ভয়েস অব ভেপার্স বাংলাদেশের মুখপাত্র মাসুদ উজ জামান, ওয়ার্ল্ড ভেপার্স আলিয়ান্স এর পরিচালক মাইকেল ল্যান্ডাল ও গবেষণা সংগঠন উই আর ইনোভেশন এর প্রধান ফ্রেডরিকো ফার্নান্ডেজ।

    সূত্র: বাসস

  • কলিগদের সাথে হোক সামঞ্জস্যপূর্ণ ফর্মাল রিলেশনশিপ

    কলিগদের সাথে হোক সামঞ্জস্যপূর্ণ ফর্মাল রিলেশনশিপ

    আপনি বরাবরই হাসিখুশি, সকলের সঙ্গে মজা করতে ভালবাসেন। আর এই কারণে বন্ধুবান্ধব মহলে বেশ জনপ্রিয়। ভেবেছিলেন অফিসেও ঠিক এমনই থাকবেন। কিন্তু অফিস আর কলেজের মধ্যে যে কয়েক যোজন পার্থক্য আছে, তা আপনি আন্দাজও করতে পারেননি। প্রথমদিকে সকলের সঙ্গে বেশ মানিয়ে নিলেও আপনার ইমেজটাই হয়ে উঠল আপনার শত্রু। কেউ যেন আপনাকে সিরিয়াসলি নেয় না, পিছনেও নানা মন্তব্য করে। নিন্দুকেরও অভাব নেই। কেউ ভাবেন আপনি ফ্লার্টবাজ তো কারও মতে আপনি গায়ে পড়া। আর আপনি ভাবেন যে কাকে দোষ দেবেন, নিজেকে না সহকর্মীদের! আসলে অফিসে সহকর্মীদের সঙ্গে বন্ধুর এবং ফর্মাল রিলেশনশিপের সঠিক ব্যালেন্স বজায় রাখা এখানে খুব জরুরী।

    কী করবেন

    • কলিগদের সঙ্গে সম্পর্কের রসায়নে প্রধান উপকরণ প্রোফেশনালিজম। অফিস আওয়ার্সে কাজ যেন সবসময় আপনার টপ প্রায়োরিটি হয়। সহকর্মীদের সঙ্গে আলাপচারিতার সময়ও কাজ সংক্রান্ত আলোচনাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিন।
    • সহকর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখাটা খুবই প্রয়োজনীয়। দেখা হলে উইশ করা, প্রয়োজনে সাহায্য করা, হঠাৎ অ্যাবসেন্ট হলে ফোন করে খোঁজ নেওয়া- এ সবই একজন বন্ধু এবং কলিগ হিসেবে আপনার কর্তব্য, কিন্তু সকলের সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করাটা বোধহয় ঠিক নয়।
    • সফল টিমওয়ার্কের জন্যে নিজের ইগো নিয়ন্ত্রণে রাখা খুবই জরুরি। ছোটখাটো মন কষাকষি যেন ঝগড়ার পর্যায়ে না পৌঁছায় সে সম্পর্কে সতর্ক থাকুন।
    • অফিসে অবসর সময়টুকু শুধুমাত্র গসিপ করে ব্যয় করবেন না। ছোটখাটো মন্তব্য সবাই করে থাকেন কিন্তু সেটা অতিরঞ্জিত করে কুৎসা ছড়ানো কুরুচির পরিচয়। পিছনে সমালোচনা করার চেয়ে সোজাসুজি কথা বলে নেওয়া অনেক বেশি কার্যকর।
    • নিজস্ব ধ্যানধারণা অন্যের উপরে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন না। প্রত্যেকেরই কাজ করার নিজস্ব ধরন থাকে, সেই নিজস্বতাকে সম্মান করে চলুন।

    তথ্যসূত্রঃ আউরিস.কম

  • গার্লিক চিকেন

    গার্লিক চিকেন

    একঘেয়ে খাবারে  মাঝে মাঝেই  একটু ব্যতিক্রমি খাবার রুচির যেমন স্বাদ বাড়ায় তেমনি খাবারের আগ্রহ ও বাড়িয়ে দেয়। গার্লিক চিকেন হলো  চাইনিজ একটি খাবার । তবে  আমাদের দেশসহ সারা বিশ্বেই এখন এর জনপ্রিয়তা অনেক। গার্লিক চিকেন খুব সহজেই ঘরে তৈরি করে সবাইকে চমকে দেয়া খুব সহজ। চলুন দেখি রেসিপি টি কিভাবে তৈরি করা যায়।

    উপকরণ  ও পরিমাণ :

    বোনলেস চিকেন  পাতলা স্লাইস- ৬ পিস, লবন-স্বাদমতো, কালো গোলমরিচ গুড়া-হাফ চা চামচ, লেবুর রস-এক চা চামচ।

    উপরের উপকরন গুলি ভালো করে মাখিয়ে মেরিনেট করে রাখতে হবে পরে বাটার-তিন টেবিল চামচ, রসূন কুচি-দুই চা চামচ, ফেশ ক্রিম-দুই টেবিল চামচ, চিকেন স্টক-দুই টেবিল চামচ, চিকেন পাউডার-এক চা চামচ, লবন-স্বাদমতো, চিনি-এক চিমটি।

    গার্লিক চিকেন
    জিনিয়া ইসলাম

    সাজানোর জন্য:

    ধনে পাতা কুচি -এক টেবিল চামচ, লেবু স্লাইস দুই পিস-সস   সামান‍্য

    প্রস্তুত প্রণালি:

    প্রথমে প্যানে বাটার দিতে হবে। মেরিনেটেড চিকেনের পিস গুলো বাটারে ভেজে নিতে হবে। দুপাশে লাল হলে নামিয়ে নিবো। তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন পুড়ে না যায় এবং বেশি কুক না হয়। ভাজা হলে নামিয়ে নিবো।

    এখন প্যানে আরেকটু বাটার দিয়ে রসূন কুচি দিবো। একটু নেড়ে তাতে চিকেন স্টক দিবো। লবন দিবো। চিকেন পাউডার দিবো। এরপর ফ্রেশ ক্রিম দিবো। চিনি দিবো। হালকা নেড়ে তাতে চিকেন ভাজা পিস গুলো ঢেলে দিবো। গ্রেভি ঘন হবে। চিকেনের গায়ে লেগে গেলে নামিয়ে নিবো। উপরে ধনে পাতা কুচি চিটিয়ে দিবো।

     

    রোস্টেড পাউরুটি বা রুমালি রুটি বা ফ্রাইড রাইসের সাথে পরিবেশন করুন খুব মজার গার্লিক চিকেন।

    রেসিপি দিয়েছেন: জিনিয়া ইসলাম

  • মুম্বাইকে ৬২ রানে হারিয়ে ফাইনালে গুজরাট

    মুম্বাইকে ৬২ রানে হারিয়ে ফাইনালে গুজরাট

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের দ্বিতীয় কোয়ালিফাইয়ারে গুজরাট ৬২ রানে হারিয়েছে মুম্বাইকে। আর এই জয় এসেছে ওপেনার শুভমান গিলের সেঞ্চুরি ও পেসার মোহিত শর্মার দুর্দান্ত বোলিং নৈপুন্যে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে বিদায় করে আইপিএলের ফাইনাল নিশ্চিত করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন গুজরাট টাইটান্স। ৬০ বলে ১২৯ রানের ম্যাচ জয়ী ইনিংস খেলেন গিল। বল হাতে ১০ রানে ৫ উইকেট নেন মোহিত। ফাইনালে  গুজরাটের প্রতিপক্ষ  মহেন্দ্র সিং ধোনির চেন্নাই সুপার কিংস।

    আহমেদাবাদে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে গুজরাট। উইকেটরক্ষক ঋদ্ধিমান সাহাকে নিয়ে ৩৮ বলে ৫৪ রানের সূচনা করেন গিল। ১৬ বলে ১৮ রান করে মুম্বাই স্পিনার পিযুষ চাওলার শিকার হন ঋদ্ধি। দ্বিতীয় উইকেটে সাই সুদর্শনের সাথে ৬৪ বলে ১৩৮ রান যোগ করেন গিল। এই জুটিতেই ৪৯ বলে এই মৌসুমে তৃতীয় সেঞ্চুরি করেন  গিল। সর্বশেষ চার ম্যাচে তিনটি সেঞ্চুরি করলেন তিনি।

    ১৭তম ওভারে দলীয় ১৯২ রানে গিলকে থামান  পেসার আকাশ মাধওয়াল। ৭টি চার ও ১০টি ছক্কায় ৬০ বলে ১২৯ রান করেন গিল। এই ইনিংস খেলার পথে এবারের আসরে এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৮৫১ রান করেন   গিল। আইপিএল ইতিহাসে চতুর্থ ক্রিকেটার হিসেবে এক আসরে ৮শ বা তার বেশি রানের নজির গড়লেন গিল। এর আগে এক আসরে ৮শ বা তার বেশি রান করেছিলেন বিরাট কোহলি, ডেভিড ওয়ার্নার ও জস বাটলার।

    গিল ফেরার পর সুদর্শন ৩১ বলে ৪৩ ও অধিনায়ক হার্ডিক পান্ডিয়া ১৩ বলে অপরাজিত ২৮ রান করেন। এতে ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ২৩৩ রানের পাহাড় পড়ে গুজরাট।

    জবাবে ২১ রানের মধ্যে দুই ওপেনার নেহাল ওয়াহধেরা ও অধিনায়ক রোহিত শর্মাকে হারিয়ে চাপে পড়ে মুম্বাই। এরপর অস্ট্রেলিয়ার ক্যামেরুন গ্রিন ২০ বলে ৩০ ও তিলক ভার্মা ১৪ বলে ৫টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৪৩ রানে আউট হন। এক প্রান্ত আগলে মারমুখী মেজাজে হাফ-সেঞ্চুরি তুলে মুম্বাইয়ের জয়ের আশা বাঁচিয়ে রাখেন সূর্যকুমার যাদব।

    ১৫তম ওভারে প্রথমবারের মত আক্রমনে এসে মুম্বাইয়ের ব্যাটিং লাইন-আপে ধস নামান মোহিত। এতে ১০ বল বাকী থাকতে ১৭১ রানে অলআউট হয় মুম্বাই। বল হাতে মাত্র ১৪ ডেলিভারিতে ১০ রানে ৫ উইকেট নেন মোহিত। টি-টোয়েন্টিতে এটিই ক্যারিয়ার সেরা বোলিং মোহিতের। মুম্বাইয়ের পক্ষে ৩৮ বলে সর্বোচ্চ ৬১ রান করেন সূর্য। ম্যাচ সেরা হন গিল।

    আগামীকাল রবিবার  রাত ৮টায় আহমেদাবাদে আইপিএলের ফাইনালে চেন্নাই সুপার কিংসের মুখোমুখি হবে গুজরাট।

    সূত্র: বাসস

  • স্পিকার ড. শিরীন শারমিন জাপানের ন্যাশনাল মিউজিয়াম পরিদর্শন করলেন

    স্পিকার ড. শিরীন শারমিন জাপানের ন্যাশনাল মিউজিয়াম পরিদর্শন করলেন

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: জাপানের ন্যাশনাল মিউজিয়াম ফর ইমার্জিং সাইন্স এন্ড ইনোভেশন পরিদর্শন করলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ।

    প্রতিষ্ঠানটিতে পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়, প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন-সাইক্লোন, ভূমিকম্প প্রভৃতির পূর্বাভাস সংক্রান্ত বিষয় ইত্যাদি উদ্ভাবনী গবেষণা হয়ে থাকে।

    ন্যাশনাল মিউজিয়াম ফর ইমার্জিং সাইন্স এন্ড ইনোভেশনের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ইওচি ইতো এবং ড. হিরোনোবু তাকাগি স্পীকারকে স্বাগত জানান। এ সময় আধুনিক সমাজের সাথে সমন্বয় রেখে পরিবেশ সংরক্ষণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, মানুষের চলাফেরায় দিকনির্দেশক সহযোগিতা করতে পারে এরূপ নেভিগেশন রোবট, ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন মডিউল, সমগ্র বিশ্বের বাস্তবিক ভিশন প্রদানকারী এলইডি প্যানেল, এন্ড্রয়েড প্রযুক্তি, সাইবার লিভিং ল্যাব ইত্যাদি উদ্ভাবনী বিষয়ে ন্যাশনাল মিউজিয়াম ফর ইমার্জিং সাইন্স এন্ড ইনোভেশনের বিশেষজ্ঞ দল বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকারকে বর্ণনা করেন।

    পরিদর্শনকালে জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমদ, আ ফ ম রুহুল হক এমপি, আবুল কালাম মো. আহসানুল হক চৌধুরী এমপি, বদরুদ্দোজা মো. ফরহাদ হোসেন এমপি, খাদিজাতুল আনোয়ার এমপি ও কানিজ ফাতেমা আহমেদ এমপি উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া স্পীকারের স্পাউস সৈয়দ ইশতিয়াক হোসাইন, পুত্র সৈয়দ ইবতেশাম রফিক হোসাইন, অতিরিক্ত সচিব মো. নূরুজ্জামান, স্পিকারের একান্ত সচিব অতিরিক্ত সচিব এম এ কামাল বিল্লাহ, যুগ্মসচিব মো. তারিক মাহমুদ এবং স্পিকারের সহকারী একান্ত সচিব উপসচিব মো. রাশেদ ইকবাল চৌধুরী এসময় উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র: বাসস

  • পাঁচ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী পেলেন ‘দ্যাগ হ্যামারশোল্ড মেডেল’

    পাঁচ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী পেলেন ‘দ্যাগ হ্যামারশোল্ড মেডেল’

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: শান্তিরক্ষা মিশনে কর্তব্যরত অবস্থায় জীবন উৎসর্গকারী পাঁচ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীকে মর্যাদাপূর্ণ মরণোত্তর ‘দ্যাগ হ্যামারশোল্ড মেডেল’ প্রদান করেছে জাতিসংঘ। এই শাস্তিরক্ষীরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে কর্তব্যরত অবস্থায়  মৃত্যুবরণ করেন । এই পদকটি জাতিসংঘের দ্বিতীয় মহাসচিব দ্যাগ হ্যামারশোল্ড এর নামে প্রবর্তিত হয়।

    বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেজের কাছ থেকে বাংলাদেশের পক্ষে এ মেডেল গ্রহণ করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত।

    সম্মাননা অনুষ্ঠানে ২০২২ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে কর্তব্যরত অবস্থায় ৩৯টি দেশের নিহত ১০৩ জন শান্তিরক্ষীকে তাদের সর্বোচ্চ ত্যাগের জন্য এ মেডেল প্রদান করা হয়। বাংলাদেশের পাঁচজন জীবন উৎসর্গকারী শান্তিরক্ষীদের মধ্যে সার্জেন্ট মোহাম্মদ মনজুর রহমান আবেইতে (সুদান ও দক্ষিণ সুদানের সীমান্ত এলাকা) ইউনিসফা মিশনে, ল্যান্স কর্পোরাল কফিল মজুমদার দক্ষিন সুদানের আনমিস মিশনে, সৈনিক মোহাম্মদ শরিফ হোসেন, সৈনিক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এবং সৈনিক মোহাম্মদ জসীম উদ্দীন মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্রের মিনুসকা মিশনে কর্তব্যরত ছিলেন।

    আত্মোৎসর্গকারী শান্তিরক্ষীদের পক্ষে মেডেল গ্রহণের পর এই অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে সাধারণ পরিষদ হলে রক্ষিত শোক বইয়ে স্বাক্ষর করেন রাষ্ট্রদূত মুহিত। শোকবার্তায় তিনি শান্তিরক্ষায় জীবন দানকারী সকল শান্তিরক্ষীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং অপূরণীয় এই ক্ষতির জন্য তাঁদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।

    বাংলাদেশ বর্তমানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রম শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ। এ মুহূর্তে বাংলাদেশের প্রায় ৭ হাজার ৫০০ জন শান্তিরক্ষী বিশ্বের ৯টি মিশনে কর্তব্যরত রয়েছেন। দায়িত্বরত অবস্থায় এ পর্যন্ত ১৬৬ জন বাংলাদেশী শান্তিরক্ষী জীবন উৎসর্গ করেছেন।

    সূত্র: বাসস

  • ২৫ মে বিশ্ব থাইরয়েড দিবসে চাই জনসচেতনতা

    ২৫ মে বিশ্ব থাইরয়েড দিবসে চাই জনসচেতনতা

    থাইরয়েড সম্পর্কে জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজ ২৫ মে, বিশ্ব থাইরয়েড দিবস। অবসাদ, বিষণ্ণতা, ভুলে যাওয়া রোগ হতে পারে ‘থাইরয়েড’ জনিত কারনে। বিশ্বব্যাপী ৭৫ কোটি মানুষ থাইরয়েড সমস্যায় ভুগছেন। এ ব্যাপারে সচেতনতা বাড়াতে ২০০৯ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন সংগঠন গত কয়েক বছর ধরে দিবসটি যথাযথভাবে পালন করে থাকে। দিবসটির এবারের মূল বার্তা হলো- থাইরয়েড এবং যোগাযোগ।

    থাইরয়েড হরমোনজনিত একটি সমস্যা। থাইরয়েড প্রজাপতির ডানার মতো শরীরের একটি গ্রন্থি। যা গলার ষড়যন্ত্রের দুই পাশে থাকে। এ গ্রন্থির রং বাদামি। ঘাড়ের কাছে থাইরয়েড গ্ল্যান্ড থেকে নিঃসারিত হরমোন শরীরের মেটাবোলিজমকে নিয়ন্ত্রণ ও শরীরের প্রতিটি কোষকে প্রভাবিত করে। এই হরমোন শরীরের শক্তি, পুষ্টি ও অক্সিজেন উৎপাদন করতে সহায়তা করে। এর ব্যতিক্রম হলেই শরীরে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। এই প্রসঙ্গে ডা. মারুফা মোস্তারী (সহকারী অধ্যাপক, এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগ) জানান এর ধরন, কারন, লক্ষণ, রোগ নির্নয় ও চিকিৎসা সম্পর্কে-

    ধরনঃ

    কয়েক ধরনের থাইরয়েড সমস্যা দেখা যায়। যেমন থাইরয়েড হরমোনের স্বল্পতা বা হাইপোথাইরয়ডিজম, হরমোন বেশি নিঃসরণ হওয়া বা হাইপারথাইরয়েডিজম। এ দুটি প্রধান সমস্যা ছাড়াও থাইরয়েড ফোলা, থাইরয়েড টিউমার ও থাইরয়েড ক্যানসারের মতো সমস্যাও হতে পারে।

    কারনঃ

    নানা কারণে থাইরয়েডের সমস্যা হতে পারে। এ হরমোন উৎপাদনে আয়োডিনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আয়োডিন কম থাকলে থাইরয়েড হরমোন কম উৎপন্ন হবে অথবা থাইরয়েড ফুলে যাবে। এই ফুলে যাওয়াকেই বলা হয় গলগণ্ড। আবার জন্মগতভাবে থাইরয়েড গ্রন্থির ত্রুটিতেও থাইরয়েডে সমস্যা দেখা দেয়। কারও থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে তার সন্তানদেরও এ সমস্যা হতে পারে। শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থার ত্রুটি এবং অ্যান্টিবডি তৈরির কারণে থাইরয়েডে সমস্যা দেখা দেয়।

    লক্ষণঃ প্রজননক্ষম নারীদের হাইপোথাইরয়েডিজমের হার পুরুষদের তুলনায় প্রায় দশ গুণ বেশি, জটিলতাও বেশি। অস্বাভাবিক ওজন বৃদ্ধি, সব সময় ক্লান্তিবোধ, অনিয়মিত মাসিক বা দীর্ঘদিন অতিরিক্ত মাসিকের মতো সমস্যা, স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে যাওয়া, চুল ও ত্বক শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে যাওয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, বারবার গর্ভপাত, বন্ধ্যত্বসহ বিভিন্ন লক্ষণ দেখা দেয়। শিশুদের বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত, বয়ঃসন্ধি বিলম্ব ও মানসিক বিকাশে সমস্যাও দেখা দেয়। অন্যদিকে হাইপারথাইরয়েডে হঠাৎ করেই ওজন কমা, কাঁপুনি, উদ্বেগ, অত্যধিক ঘাম ও ঋতুচক্রে কম রক্তক্ষরণের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। থাইরয়েডে সমস্যার কারণে মাংসপেশির ক্ষয় বেড়ে যায়, সক্ষমতা কমে যায়। চোখ বড় হয়ে যেতে পারে।

    রোগ নির্ণয়ঃ

    উপসর্গ ছাড়াই চিকিৎসকেরা রক্তে ফ্রি থাইরক্সিন এবং টিএসএইচ (থাইরয়েড-স্টিমুলেটিং হরমোন) পরীক্ষা করতে দিতে পারেন। প্রয়োজনে থাইরয়েডের নানা অ্যান্টিবডি, গলার আলট্রাসনোগ্রাফি, রেডিও-আয়োডিন আপটেক পরীক্ষাও করতে হতে পারে। ক্যানসার সন্দেহ করলে সুই দিয়ে গলা থেকে টিস্যু নিয়ে বা বায়োপসি করার দরকার হতে পারে। নারীদের সন্তান নেওয়ার আগে ও গর্ভাবস্থায় উপসর্গ না থাকলেও থাইরয়েড পরীক্ষা করা নিরাপদ।

    চিকিৎসাঃ

    হাইপোথাইরয়েডিজমের ওষুধ সাধারণত আজীবন খেতে হয়। বারবার পরীক্ষা করে ওষুধের মাত্রা ঠিক করা প্রয়োজন। খুব অল্প কিছু ক্ষেত্রে থাইরয়েডে অস্ত্রোপচার দরকার হয়। থাইরয়েড সন্দেহ হলে অবশ্যই একজন হরমোনবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    তথ্যসূত্রঃ ডক্টরটিভি