Author: Hello Bangla News

  • দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চান হাসিনা ও এরদোয়ান

    দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চান হাসিনা ও এরদোয়ান

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তুরস্কের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়িপ এরদোয়ান বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চান । প্রেসিডেন্ট হিসেবে পুন:নির্বাচিত হওয়ার পর গতকাল বুধবার রাত ১১টা ১৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে টেলিফোন করে একথা বলেন এরদোয়ান।

    প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘রিসেপ তায়িপ এরদোয়ান বুধবার রাত ১১টা ১৫ মিনিটের দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে টেলিনফোনে কথা বলেন। এ সময় দুই নেতা শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং প্রায় ১০ মিনিট একে অপরের সাথে কথা বলেন।’

    টেলিফোনে কথা বলার সময় শেখ হাসিনা দ্বিতীয় দফা নির্বাচনে বিজয় অর্জন করে পুন:নির্বাচিত হওয়ায় তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে অভিনন্দন জানান। এ নির্বাচনে ৮৬ শতাংশেরও বেশি ভোট পড়ে।

    তিনি তুরস্কের জনগণ সঠিক নির্বাচন করায় আনন্দ প্রকাশ করেন। যা দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের পর প্রমাণিত হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে, বাংলাদেশের জনগণ ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারির ভূমিকম্পের মতো যেকোন প্রয়োজনে তুরস্কের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণের পাশে দাঁড়াতে অবিচল থাকবে।

    দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে তার বিজয়ে বাংলাদেশের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণ মানসিকভাবে তুরস্কের উল্লসিত জনগণের সাথে যোগ দেওয়ায় প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    এ লক্ষে তিনি বাংলাদেশের জনগণকে ধন্যবাদ জানান এবং দু’দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরো জোরদার করার ইচ্ছে ব্যক্ত করেন।

    পরিশেষে, শেখ হাসিনা প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান ও তার পরিবারের সদস্যদের শুভেচ্ছা জানান এবং তার মাধ্যমে তুরস্কের জনগণের অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

    সূত্র : বাসস

  • সরকার দেশের অর্থনীতিকে প্রাণবন্ত রাখতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

    সরকার দেশের অর্থনীতিকে প্রাণবন্ত রাখতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: গতকাল বুধবার থেকে শুরু হয়েছে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন । প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম থেকে নির্বাচিত ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্য এম এ লতিফের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  বলেন, ‘কোভিড-১৯ মহামারী ও ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক মন্দা সত্ত্বেও সরকার দেশের অর্থনীতিকে প্রাণবন্ত রাখতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।’ সংসদে সংসদ নেতা বলেন, দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টিকারী করোনাভাইরাস মহামারী ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দা, মুদ্রাস্ফীতি ও অস্থিতিশীলতা মোকাবেলা করে সরকার দ্রুত দেশের অর্থনীতিকে প্রাক-করোনাভাইরাস উচ্চ প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। তিনি  বলেন, ‘কোভিড-১৯-এর তীব্র সংকট সত্ত্বেও ২০১৯-২০ অর্থবছরে আমাদের প্রবৃদ্ধি ছিল ৩.৪৫ শতাংশ, যা সেই সময়ে বিশ্বের সর্বোচ্চ ছিল।’ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলস্বরূপ ২০২০-২১ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬.৯৪ শতাংশ বেড়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এটি ২০২১-২২ অর্থবছরে আরও বেড়ে ৭.১০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।’ এ সময় তিনি অর্থনীতিকে চাঙ্গা রাখতে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। এগুলোর মধ্যে রয়েছে সরকারি ব্যয় যৌক্তিকীকরণ, সামাজিক সুরক্ষা, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও কৃষি খাতে ভর্তুকি, রপ্তানি প্রণোদনা, রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি, মুদ্রানীতি ইত্যাদি।

    ঢাকা থেকে নির্বাচিত জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য সৈয়দ আবু হোসেনে নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের কর্মকাণ্ডের ফলেই নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে এবং দরিদ্র মানুষ এর সুফল পাচ্ছে।

    পদ্মাসেতুতে রেল সংযোগ বিষয়ে পিরোজপুর থেকে নির্বাচিত জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য রুস্তম আলী ফরাজীর অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা অংশে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে এবং ২০২৪ সালের জুন  থেকে যশোর বিভাগ পর্যন্ত রেল চলাচল শুরু করা সম্ভব হবে।

    সূত্র : বাসস

  • নৌবাহিনীর ৭৭৩ জন নবীন নাবিকের শিক্ষা সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত

    নৌবাহিনীর ৭৭৩ জন নবীন নাবিকের শিক্ষা সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: খুলনাস্থ নৌঘাঁটি বানৌজা তিতুমীর প্যারেড গ্রাউন্ডে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ৭৭৩ জন নবীন নাবিকের শিক্ষা সমাপনী কুচকাওয়াজ গতকাল বুধবার অনুষ্ঠিত হয়। নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম শাহীন ইকবাল প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও সালাম গ্রহণ করেন। পরে তিনি কৃতি নবীন নাবিকদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করেন।

    নৌবাহিনীর এ/২০২৩ ব্যাচের নবীন নাবিকদের মধ্যে মো. মেহেদী হাসান মারুফ পেশাগত ও সকল বিষয়ে সেরা চৌকস নাবিক হিসেবে ‘নৌপ্রধান পদক’ লাভ করেন। মো. আল-আমিন দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে ‘কমখুল পদক’ এবং মো. ইব্রাহীম তৃতীয় স্থান অধিকার করে ‘তিতুমীর পদক’ লাভ করেন।

    নৌপ্রধান নবীন নাবিকদের উদ্দেশ্যে ভাষণে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসামান্য অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। সেই সাথে তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণকারী বীর নৌসেনা ও মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের কথা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন।

    তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অসামান্য প্রজ্ঞা, দুরদর্শিতা ও দিকনির্দেশনায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী আজ একটি আধুনিক ও ত্রিমাত্রিক নৌবাহিনী হিসেবে সুপরিচিত। একটি সমৃদ্ধশালী নৌবাহিনী গড়ে তোলার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে নৌবহরে সাবমেরিনসহ আধুনিক প্রযুক্তির যুদ্ধজাহাজ যুক্ত হয়েছে। পাশাপাশি নৌবাহিনীর সাবমেরিনসমূহের অপারেশনাল কর্মকান্ড ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কুতুবদিয়ার পেকুয়ায় সাবমেরিন ঘাঁটি ‘বানৌজা শেখ হাসিনা’ কমিশনিং করা হয়েছে।

    তিনি বলেন, পটুয়াখালীর পায়রা বন্দরের কাছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় ও সমুদ্র এলাকার নিরাপত্তায় নির্মিত ‘বানৌজা শের-ই-বাংলা’ ঘাঁটি শীঘ্রই কমিশনিং করা হবে। যেখানে বড় পরিসরে নবীন নাবিকদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনায় আধুনিক সুবিধা সম্বলিত অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে নৌবাহিনীর জন্য খুলনা শীপইয়ার্ডে নির্মিত চারটি পেট্রোল ক্রাফ্ট এর নির্মাণ শেষ হয়েছে যা অতিশীঘ্রই নৌবহরে যুক্ত হবে।

    নৌপ্রধান নৌবাহিনীর এই উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে এবং আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় উচ্চ মনোবল ও সাহস নিয়ে নবীন নাবিকদের একযোগে দেশের জন্য কাজ করার নির্দেশনা দেন।

    তিনি নৌঘাঁটি তিতুমীরে নবীন নাবিক প্রশিক্ষণ বিদ্যালয় থেকে অর্জিত জ্ঞান যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে নিজেদেরকে যোগ্য নাবিক হিসেবে গড়ে তোলা এবং ভবিষ্যৎ কর্মজীবনে এই প্রশিক্ষণ কাজে লাগিয়ে জাতীয় নিরাপত্তা ও অগ্রগতির পথে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের আহবান জানান।

    তিনি পেশা হিসেবে দেশ সেবা ও দেশ গড়ার পবিত্র দায়িত্বকে বেছে নেয়ায় নবীন নাবিকদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

    সেই সঙ্গে তাদেরকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, দেশপ্রেম ও স্বাধীনতার আদর্শে উজ্জ্বীবিত হয়ে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিজেদের নিয়োজিত করার পরামর্শ দেন তিনি।

    কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে সহকারী নৌপ্রধান (পার্সোনেল), খুলনা নৌ অঞ্চলের আঞ্চলিক কমান্ডারসহ উচ্চ পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং নবীন নাবিকদের অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র : বাসস

  • যেসব খাবার মাইক্রোওয়েভে গরম করলে আপনার স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে

    যেসব খাবার মাইক্রোওয়েভে গরম করলে আপনার স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে

    আধুনিক জীবনযাপনের সঙ্গী মাইক্রোওয়েভ। এই বৈদ্যুতিক যন্ত্র ছাড়া রান্নাঘর যেন অচল। দ্রুত খাবার গরম করা ছাড়াও অনেকে রান্নার কাজেও মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করেন। কিন্তু কিছু খাবার রয়েছে যা মাইক্রোওয়েভ ওভেনে গরম করে খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা করেছে। কারণ সে খাবারগুলোতে স্বাস্থ্য ঝুঁকির সম্ভাবনা রয়েছে। এখানে কিছু উদাহরণ দেয়া হলো:

    প্রক্রিয়াজাত খাবার ও রান্না মাংস

    খাদ্য নিয়ন্ত্রণে প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুসারে, একটি মাইক্রোওয়েভে প্রক্রিয়াজাত খাবার ও মাংস পুনরায় গরম করলে কোলেস্টেরল জারণ হয়। এই যৌগ শরীরে গেলে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়ে। এ কারণে এসব খাবার মাইক্রোওয়েভে গরম করা ঠিক নয়।

    ভাত

    অনেকেরই মাইক্রোওয়েভে ভাত গরম করে খাওয়ার অভ্যাস আছে। এই অভ্যাস মোটেও ভালো নয়।  কারন এতে করে ক্ষতিকারক ব্যাকটিরিয়া বৃদ্ধি পায় যা খাদ্যে বিষক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। রান্না ভাত মাইক্রোওয়েভে গরম করলে তাতে ব্যাসিলাস ‘সেরেসাস’ নামক ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয়। এই ব্যাকটেরিয়া শরীরে গিয়ে টক্সিন উৎপন্ন করে। এর ফলে ডায়ারিয়া, পেটের সমস্যা হতে পারে।

    বেবি ফুড বা বুকের দুধ

    বেবিফুড থেকে তৈরি দুধ কখনওই মাইক্রোওভেনে গরম করবেন না। অনেক কর্মরত নারী ব্রেস্ট ফিড সংরক্ষণ করেন বাচ্চার জন্য। মায়ের অনুপস্থিতিতে সেটা শিশুকে পান করানো হয়। সেটাও মাইক্রোওয়েভ ওভেনে গরম করবেন না।

    হট মরিচ

    যখন কোনও মাইক্রোওয়েভে উত্তপ্ত হয়, তখন গরম মরিচগুলিতে ক্যাপসাইসিন (মরিচ থেকে উৎপন্ন ব্যাকটেরিয়া ক্যামিকেল কম্পাউন্ড) বৃদ্ধি পেতে পারে এবং এতে করে কিছু লোকের হাচি,কাশি,এলার্জি এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

    সিদ্ধ ডিম

    আগে থেকে সিদ্ধ করে রাখা খোসাসহ ডিম কোনওভাবেই ওভেনে গরম করা ঠিক নয়। এতে ডিমের খোসা ফেটে ছড়িয়ে পড়তে পারে ওভেনের ভিতর। সিদ্ধ ডিম গরম করতে চাইলে খোসা ছাড়িয়ে নিতে হবে। তাহলে সমস্যা হবে না।

    ব্যবহৃত পদ্ধতি নির্বিশেষে খাবার রান্না বা পুনরায় গরম করার সময় যথাযথ খাদ্য সুরক্ষা নির্দেশিকাগুলি অনুসরণ করা গুরুত্বপূর্ণ। সন্দেহ হলে, কোনও খাদ্য সুরক্ষা বিশেষজ্ঞ বা নির্দিষ্ট খাদ্য আইটেমগুলির জন্য প্রস্তুতকারকের নির্দেশাবলীর সাথে পরামর্শ করা উত্তম সিদ্ধান্ত গ্রহনে সাহায্য করবে।

    তথ্য সূত্রঃ টেস্টঅফহোম, এনডিটিভি

  • মিষ্টি ফালুদা

    মিষ্টি ফালুদা

    উপকরণ :

    তরল দুধ-১লিটার, সাবুদানা-১কাপ, চিনি –স্বাদমতো, নুডলস -১/২ কাপ, কাটা ফল – ২কাপ ( আংগুর/আপেল/আনার/কলা), বিভিন্ন বাদাম কুচি-১/৪ কাপ, জেলো-১ প্যাকেট, ভেনিলা আইসক্রীম।

    প্রনালি:

    দুধ ফুটিয়ে একটু ঘন করে নিন। এরপর এতে চিনি দিয়ে মিশিয়ে নিন। চিনি গলে  গেলে এতে সাবুদানা দিয়ে রান্না করুন। সাবুদানা প্রায় রান্না হয়ে এলে এতে নুডলস দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। সবটা রান্না হয়ে এলে নামিয়ে ঠাণ্ডা করে ফ্রিজে রাখুন।

    জেলো প্যাকেটের নিয়ম অনুযায়ী প্রস্তুত করে নিন। জেলো ছোট কিউব করে কেটে নিন। ফল কিউব করে কেটে চিনি-পানির মিশ্রণে মাখিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন, এতে ফল গুলো কালো হয়ে যাবে না।

    Sweet Faluda

    ফালুদা তৈরির সবচাইতে গুরুত্বপুর্ণ ধাপ হলো সাজানো। সুন্দর কাচের গ্লাস প্রস্তুত করতে হবে ফালুদার জন্য। প্রথমে  কয়েক রকমের ফল  রাখতে হবে গ্লাসে। এরপর ঠান্ডা সাবু এবং নুডলসের মিশ্রণ গ্লাসের তিন ভাগের এক ভাগ পুর্ণ করতে হবে। এরপর এর ওপরে দিতে হবে জেলো। একের বেশি রঙের জেলো থাকলে তা দেখতে সুন্দর লাগবে। এভাবে লেয়ার করে সম্পূর্ণ গ্লাস টি সাজাতে হবে।  সবার ওপরে আইসক্রিম, বাদামের মিশ্রণ এবং অল্প করে জেলো কুচি ও আনার দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন  করতে হবে  ঠান্ডা ঠান্ডা  ফালুদা।

    রেসিপি দিয়েছেন: ফাহিমা সুলতানা পারভীন।

  • ধূমপান ও মদ্যপান খাদ্যনালিতে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়

    ধূমপান ও মদ্যপান খাদ্যনালিতে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: ধূমপান, মদ্যপান ও তামাক সেবন খাদ্যনালিতে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। কিন্তু খাদ্যনালিতে ক্যানসার হয়েছে কিভাবে বুঝবেন। বিশেষজ্ঞরা জানয়েছেন খাদ্যনালির ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাব্য কিছু উপসর্গ রয়েছে। তবে সেগুলি বেশ সাধারণ হওয়ায় অনেকের পক্ষেই বোঝা কঠিন যে এর কারণ ক্যানসার হতে পারে। মুখ, গলা ও খাদ্যনালিতে হওয়া ফুয়েল টিউমারই এই ধরনের ক্যানসারকে ডেকে আনে। এই  উপসর্গগুলো দেখলে আপনাকে সতর্ক হতে হবে।

    ১) ঠান্ডা লাগলে গলাব্যথা হওয়া স্বাভাবিক, তবে কোনও কারণ ছাড়াই যদি শক্ত খাবার গিলতে অসুবিধা হয়। পরবর্তী কালে তরল খাবার খেতে এমনকি, ঢোঁক গিলতেও কষ্ট হতে পারে। তখনি সতর্ক হতে হবে।

    ২) তাছাড়া খাদ্যনালিতে যদি ক্যানসার বাসা বাঁধে তাহলে হজমের সমস্যাও দেখা যায়। বুকে জ্বালাভাব, বার বার ঢেকুর ওঠা, পেটে যন্ত্রণা ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

    ৩) হঠাৎ করে ওজন কমে যাওয়া, কোনও খাবারই খেতে ইচ্ছে না করা এই রোগের লক্ষণ।

    ৪) দীর্ঘ দিন ধরে কাশি, রাতে ঘুমের সময়ে শ্বাসকষ্ট, গলা ও বুকের মাঝখানে চিনচিনে ব্যথা, বিশেষ করে খাবার গিলতে গেলে কষ্ট হলে আপনাকে সতর্ক হতে হবে।

    ৫) তাছাড়া বমি বমি ভাব, ক্লান্তিবোধ, দুর্বলতা, খাওয়ার সময় দম বন্ধ হয়ে আসা বা একটানা কোষ্ঠকাঠিন্য এই রোগের লক্ষণ।

    ৬) গলার স্বরেও বদল আসতে পারে।

    যে ক্যানসারগুলির প্রকৃতি বিরল, তাদের লক্ষণগুলিও বিরল। তবে সব সময়ে মনে রাখতে হবে, উপসর্গ আছে মানেই সেটা ক্যানসার নয়। সেটি অন্য কোনও রোগেরও লক্ষণ হতে পারে। কিন্তু এই উপসর্গগুলি থাকলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করিয়ে নেওয়া প্রয়োজন যে, আদৌ ক্যানসারের সম্ভাবনা আছে কি না।

    খাদ্যনালির ক্যানসারের ঝুঁকি এড়ানোর কিছু নিয়ম :

    ধূমপান, মদ্যপান ও তামাক সেবন খাদ্যনালিতে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। এই অভ্যাস ছাড়তে হবে।

    ওবিসিটিও ক্যানসার ডেকে আনে। এ ক্ষেত্রে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা ভীষণ জরুরি। তাই পুষ্টিকর খাদ্যাভাস করতে হবে, সঙ্গে শরীরচর্চাও জরুরি। তাছাড়া খুব বেশি গরম চা, কফি পান থেকে বিরত থাকতে হবে।

    সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

  • টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় আসর থেকে বাংলাদেশ পাবে ১ লাখ ডলার

    টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় আসর থেকে বাংলাদেশ পাবে ১ লাখ ডলার

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: দ্বিতীয় টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে মুখোমুখি হবে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া । আগামী ৭ জুন ইংল্যান্ডের  ওভালে এই ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এ ম্যাচ দিয়ে পর্দা নামবে দ্বিতীয় আসরের। ফাইনালের আগে দ্বিতীয় টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ২০২১-২৩ চক্রের প্রাইজমানি ঘোষণা করেছে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

    নয় দলের দ্বিতীয় টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে সব মিলিয়ে ৩.৮ মিলিয়ন ডলার প্রাইজমানি নির্ধারণ করেছে আইসিসি। এরমধ্যে ১ লাখ ডলার পাবে বাংলাদেশ। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম আসরেও প্রাইজমানির পরিমান একই ছিলো।

    এবারের আসরের চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ১.৬ মিলিয়ন ডলার। রানার্স-আপ দল পাবে ৮ লাখ ডলার। টেবিলের শীর্ষ দুই দল হিসেবে  ফাইনালের টিকিট পায় ভারত ও অস্ট্রেলিয়া।

    টেবিলের তৃতীয় স্থানে থকা  দক্ষিণ আফ্রিকা  পাবে ৪ লাখ ৫০ হাজার ডলার। চতুর্থ স্থানের দল  ইংল্যান্ড পাবে ৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার।

    টেবিলের পঞ্চম স্থানে থাকায় ২ লাখ ডলার পাচ্ছে লঙ্কানরা। টেবিলের ষষ্ঠ থেকে নবমস্থানে থাকা দলগুলো সমান এক লাখ ডলার করে পাবে। ষষ্ঠ থেকে নবমস্থানে থাকা দলগুলো হলো- গেল আসরের চ্যাম্পিয়ন নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও বাংলাদেশ।

    প্রথম আসরের ফাইনালে ভারতকে ৮ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলো নিউজিল্যান্ড। এবার টেবিলের ষষ্ঠ স্থানে কিউইরা। সপ্তম ও অষ্টমস্থান আছে যথাক্রমে- পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টেবিলের নবম ও শেষস্থানে থেকে আসর শেষ করেছে বাংলাদেশ।

    সূত্র: বাসস

  • বর্তমানে দেশে রাজস্ব আয়ের অন্যতম বড় একটি উৎস ভ্যাট ব্যবস্থা

    বর্তমানে দেশে রাজস্ব আয়ের অন্যতম বড় একটি উৎস ভ্যাট ব্যবস্থা

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: আজ বুধবার থেকে একাদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু হচ্ছে। বাজেটে রাজস্ব আয়ে বিষয়টি বেশ আলোচিত হয়। মনে রাখতে হবে বর্তমানে বাংলাদেশে রাজস্ব আয়ের অন্যতম বড় একটি উৎস ভ্যাট ব্যবস্থা । দেশে ৯০ এর দশকে ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর ব্যবস্থা চালু হয়। মূসক চালুর সিদ্ধান্ত দেশের অর্থনীতির জন্য যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত। আজ আমরা ভ্যাট সম্পর্কে বিভিন্ন বিষয় জেনে নেব।

    চলতি অর্থ বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত মূসক বা ভ্যাট  আদায় করা হয়েছে ৮৬ হাজার ৫২৩ কোটি টাকা। গত ২০২১-২২ অর্থবছরে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট থেকে রাজস্ব আয় হয়েছে ১ লাখ ৮ হাজার ৪১৮ কোটি ২৩ লাখ টাকা। দেখা গেছে দেশের মোট আদায়কৃত রাজস্বের মধ্যে প্রায় এক তৃতীয়াংশই মূসক থেকে আদায় হওয়া অর্থ।

    এরআগে ২০২০-২১ অর্থবছরে ৯৭ হাজার ৫০৯ কোটি টাকার ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক আদায় হয়েছিল।

    এই ভ্যাট গ্রহণ ও সরকারি কোষাগারে জনা দেওয়া নিয়ে নানা ধরণের অভিযোগ আছে, বলা হয় বাংলাদেশে ব্যবসায়ীরা ক্রেতাদের কাছ থেকে মূসক আদায় করলেও অনেকেই তা সরকারি কোষাগারে জমা করেন না। ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর বা মূসক হচ্ছে একটি পরোক্ষ কর।

    কেননা কোন ক্রেতা যখন কোন পণ্য বা সেবা ক্রয় করেন, তার মূল্যের অতিরিক্ত যে কর তিনি দিয়ে থাকেন, সেটাই হচ্ছে ভ্যাট বা মূসক। এই করটি সরকারি কোষাগারে জমা দেয়ার দায়িত্ব বিক্রেতার।

    মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট বা মূসক চালু করা হয় উনিশ’শ একানব্বই সালের পহেলা জুলাই থেকে।  প্রথমে অল্প কিছু পণ্যের উপর মূসক আরোপ করা হয়েছিল। পর্যায়ক্রমে অধিকাংশ পণ্য এবং বেশ কিছু সেবা-পরিষেবা, আমদানী, পাইকারী ও খুচরা বিক্রয়কৃত পণ্যের মূসক আরোপ করা হয়। তাই এখন এটি সরকারের রাজস্ব আয়ের অন্যতম বড় একটি উৎস।

    মূসক আইন অনুযায়ী, সব ধরণের করযোগ্য আমদানি এবং করযোগ্য সরবরাহের উপর মূসক আরোপিত হয়। বাংলাদেশে পণ্য বা সেবার উপর ১৫ শতাংশ হারে মূসক আরোপের নিয়ম রয়েছে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেড় শতাংশ থেকে শুরু করে ১০ শতাংশ হারেও মূসক নির্ধারণ করা হয়ে থাকে।

    ভ্যাটের যাত্রা শুরু ইউরোপে:

    বিশ্বে ভ্যাট বা মূসকের যাত্রা শুরু মূলত ইউরোপে। এই তথ্য পাওয়া গেছে নিউইয়র্ক ভিত্তিক ফাইনান্সিয়াল মিডিয়া ওয়েবসাইট ইনভেস্টোপিডিয়ায়।  ফ্রান্সের কর কর্তৃপক্ষ ১৯৫৪ সালে প্রথম দেশ হিসেবে মূসক আরোপ করে। তবে এর প্রায় এক শতাব্দী আগে জার্মানিতে পণ্যের সাপ্লাই চেইনের প্রতিটি ধাপে কর দেয়ার রীতি প্রচলিত ছিল বলেও জানা যায়।

    শিল্পোন্নত দেশগুলোর সংস্থা অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন এন্ড ডেভেলপমেন্টের বেশিরভাগ সদস্য দেশেই ভ্যাট ব্যবস্থা চালু ছিল।

    বাংলাদেশে ভ্যাট বা মূসক চালুর তোড়জোর শুরু হয় ১৯৮৯ সালের দিকে হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদের শাসনামলে। তখন অর্থমন্ত্রী ছিলেন অধ্যাপক ড. ওয়াহিদুল হক।

    সেই সময় আন্তর্জাতিক মুদ্রা সংস্থার ফিসক্যাল অ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্টে যারা কর নীতি এবং সরকারের ব্যয় নিয়ে কাজ করে সেই বিভাগের সিনিয়র ইকোনমিস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন মি. মনসুর। তিনি বলেন, ১৯৮৮ সালে দেশ জুড়ে প্রলয়ংকারী বন্যার পর, দেশের রাজস্ব ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য কারিগরি সহায়তা দিতে আইএমএফকে আহ্বান জানিয়েছিলেন তৎকালীন অর্থমন্ত্রী অধ্যাপক ড. ওয়াহিদুল হক।

    তার অনুরোধে রাজি হয় আইএমএফ। এর অংশ হিসেবে আইএমএফ এর একটি প্রতিনিধিদল ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ সফর করে।

    আইএমএফ-এর এমন উদ্যোগের কারণ হিসেবে মি. মনসুর বলেন, সেসময় বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের তুলনায় রাজস্ব আয় অনেক কম ছিল। সেটাকে বাড়ানোটা একটা লক্ষ্য ছিল। একই সাথে ভ্যাট তখন বিশ্বজুড়ে পরিক্ষীত এবং সফল একটি ব্যবস্থা ছিল। বিশ্বের প্রায় ৭০-৮০টি দেশে এই ব্যবস্থা চালু ছিল। যার কারণে বাংলাদেশেও একই ধরণের ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল।

    আইএমএফ এর প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে এসে সরকারের সাথে কাজ শুরু করে এবং এর অংশ হিসেবে ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, ভারত ও ফিলিপিন্সের মতো ভ্যাট চালু রয়েছে এমন কয়েকটি এশিয় দেশ সফর করে। সফর শেষে বাংলাদেশের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের কাছে একটি প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়। এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ভ্যাট চালু করার বিষয়ক পরবর্তী কার্যকলাপ শুরু হয়।

    জানা গেছ্যে, ভ্যাট চালু করা নিয়ে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনা শুরুর পর তারা এর বিরোধিতা করে। এমনকি দেশের জনগণও এটা শুরুতে মানতে চায়নি। এর প্রতিবাদ জানিয়ে তারা সেসময় এনবিআর বা জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ভবন বেশ কয়েক বার ঘেরাও পর্যন্ত করেছিল।

    অবশ্য ভ্যাট চালু করার বিষয়ে তৎকালীন সরকার ইচ্ছুক ছিল বলে কাজ চলতে থাকে। রাজস্ব বোর্ডও তখন এ বিষয়ে ব্যাপক সহায়তা দিয়েছিল। সব মিলিয়ে ১৯৯০ এর দিকে যখন ভ্যাট চালু সংক্রান্ত আইন তৈরির জন্য পার্লামেন্টে তোলার প্রস্তুতি চলছিল তখন জেনারেল এরশাদের সরকার পতন হয়। এমন অবস্থায় ১৯৯০ সালের ডিসেম্বরে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসে। এই সরকারের রাষ্ট্রপতি হন বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ।

    পার্লামেন্ট না থাকার কারণে ভ্যাট সংক্রান্ত বিলটি তখন রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে অধ্যাদেশ হিসেবে জারির প্রস্তাব তোলা হয়।

    তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ এই প্রস্তাবে রাজি ছিলেন না। তার যুক্তি ছিল, তিনি অস্থায়ী সরকার প্রধান এবং তিন মাস পরেই ক্ষমতা থেকে সরে যাবেন। কিন্তু তিনি এই অধ্যাদেশ জারি করলে সেটি আইনে পরিণত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলমান থাকবে।

    পরে তিনি এই আদেশে সই করেন এবং পরে এটি অধ্যাদেশে পরিণত হয়। পরবর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর তৎকালীন অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান ভ্যাট অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করে ১৯৯১ সালের জুলাই মাস থেকে এটি চালু করেন। এখনও তা বহাল আছে এবং বর্তমানে রাজস্ব আয়ের সবথেকে বড় গ্রহণযোগ্য মাধ্যম হিসেবে চিহ্নিত ।

    সূত্র : বিবিসি বাংলা

  • পড়াশোনার জন্য আরও বেশি বিনিয়োগ করতে হবে: শেখ হাসিনা

    পড়াশোনার জন্য আরও বেশি বিনিয়োগ করতে হবে: শেখ হাসিনা

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (আইইউটি) এর ক্যাম্পাসে ৩৫তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে বলেন, ‘আমাদের সন্তানদের পড়াশোনার জন্য আরও বেশি পরিমানে বিনিয়োগ করতে হবে।’

    মুসলমানদের যথেষ্ঠ পরিমাণ সম্পদ রয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে বিজ্ঞান ও আধুনিক প্রযুক্তির উন্নয়নে যথাযথভাবে এই সম্পদ ব্যবহার করতে হবে। আমি বিশ্বাস করি- আমরা এটা করতে পারব।’

    তিনি আরো বলেন, ‘যখনই আমি ওআইসি সদস্য দেশে যাই তাদের আমি এই অনুরোধই করি।’

    সরকার প্রধান বলেন, ইসলামের স্বর্ণযুগে বিশ্ব সভ্যতা, বিজ্ঞান, ইতিহাস, সাহিত্য, দর্শন, রসায়ন, গণিত, চিকিৎসা, জ্যোতির্বিদ্যা ও ভূগোলসহ জ্ঞানের আরও অনেক শাখায় মুসলিম স্কলারদের ব্যাপক অবদান রয়েছে, যা আমাদের মুসলিমদের ঐতিহ্যের গৌরবময় ইতিহাস গড়েছে।

    তিনি বলেন, সে যুগের মুসলিম স্কলাররা সংস্কৃতি, জ্ঞান অর্জন, বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার এবং সমসাময়িক সাহিত্যে বিশ্বে আধিপত্য বিস্তার করেছিল।

    শেখ হাসিনা আরো বলেন, ‘সেই অবস্থান থেকে বর্তমানে মুসলিম উম্মাহর এই পিছিয়ে থাকার কারণগুলো আমাদের বিশ্লেষণ করা দরকার।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতির অভাব, জ্ঞান-বিজ্ঞানের অভাব এবং অন্যান্য অনেক বিষয় মুসলিম উম্মাহর পতনের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    তিনি আরো বলেন, ‘আমি মনে করি- এ হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারের জন্য আমাদের মুসলিম উম্মাহকে মতভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি মুসলিম দেশগুলোকে বিশেষ করে তাদের নিজস্ব শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও বিজ্ঞান এবং আধুনিক প্রযুক্তির বিকাশে আরও বেশি বিনিয়োগ করতে হবে।

    শেখ হাসিনা বলেন, আধুনিক যুগে মুসলিমরা মাত্র তিনটি নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, এটাই এই আধুনিক যুগে গবেষণা, প্রযুক্তি ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে মুসলিম উম্মাহর অবদানের প্রকৃত উদাহরণ।

    তিনি অভিমত ব্যক্ত করে বলেন, ‘মুসলিম জাতির এই বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে জোরালো প্রচেষ্টা প্রয়োজন- যাতে করে তারা এক্ষেত্রে আরো অবদান রাখতে পারেন।’

    ৪র্থ শিল্প বিপ্লব দ্বারা উপস্থাপিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মুসলিম সম্প্রদায়ের পিছিয়ে পড়া উচিত নয়। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিক্স, ইন্টারনেট অফ থিংস, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ও অন্যান্য খাতে।

    ওআইসি’র মহাসচিব ও ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) চ্যান্সেলর হিসেন ব্রাহিম তাহার সভাপতিত্বে এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইইউটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।

    এছাড়াও এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন ও শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনি ও বক্তব্য রাখেন।

    সমাবর্তনে ২০২১ এবং ২০২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের স্নাতক, মাস্টার্স, পিএইচডি এবং ডিপ্লোমা ডিগ্রি প্রদান করা হয়েছে।

    শিক্ষার্থীদের অসামান্য ফলাফলের জন্য দুই ধরনের স্বর্ণপদক আইইউটি স্বর্ণপদক এবং ওআইসি স্বর্ণপদক দেয়া হয়েছে।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে আইইউটির উপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

    প্রধানমন্ত্রী তাঁর অর্থায়নে আইইউটির নবনির্মিত মহিলা হলেরও উদ্বোধন করেন।

    আইইউটি বাংলাদেশের একটি শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান-যা অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশন (ওআইসি) এর অর্থায়নে পরিচালিত হয়।

    আইইউটি’র মূল উদ্দেশ্য হল ওআইসি’র সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মানবসম্পদ উন্নয়নে-বিশেষ করে প্রকৌশল, প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষার ক্ষেত্রে অবদান রাখা।

    দেশের উন্নয়নের কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁরা আগামী ১ জুন একটি নতুন অর্থবছরের বাজেট পেশ করতে যাচ্ছেন এবং এর আকার হবে ৭ লাখ কোটি টাকার বেশি।

    দেশে একটি স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিরাজ করার কারণে বিদ্যমান অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ২০০৮ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে সরকার গঠন করে, যার ফলে বাংলাদেশে আজ স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিরাজ করছে।

    শেখ হাসিনা বলেন, অনেক ঝড় এসেছে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। অনেক প্রতিবন্ধকতা তৈরি করার চেষ্টা করা হয়েছে। তবুও আমি বলব, দেশ যখন স্থিতিশীল থাকবে, দেশে অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাবাহিকতা থাকবে, তখনই দেশ সমৃদ্ধ হতে পারবে।

    সরকার প্রধান বলেন, তার সরকার জ্ঞানভিত্তিক স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে চায়। এই স্মার্ট বাংলাদেশে স্মার্ট সরকার, স্মার্ট অর্থনীতি, স্মার্ট জনসংখ্যা, একটি স্মার্ট সমাজ এবং একটি স্মার্ট জনশক্তি থাকবে।

    সূত্র : বাসস

  • অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের ক্যাশ ক্লীন রাখুন

    অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের ক্যাশ ক্লীন রাখুন

    ক্যাশ বলতে বিভিন্ন অস্থায়ী ফাইলকে বোঝায় যা সময়ের সাথে সাথে অ্যাপস স্টোরে সঞ্চয় হয়ে থাকে। ক্যাশ ডাটা উপকারী এটি অ্যাপগুলোকে দ্রুত লোড হতে এবং মসৃনভাবে চলতে সহায়তা করে। তবে একটি ফোন দীর্ঘদিন ব্যবহার করতে থাকলে ক্রমে এসব ক্যাশ জমে জমে অনেক বড় আকার ধারণ করে এবং ফোনের মূল্যবান জায়গা নষ্ট করে ফেলে। ফোনটি অ্যান্ড্রয়েড হলে খুব সহজেই এসব ক্যাশ পরিস্কার করা যায়।

    অ্যান্ড্রয়েড ফোন থেকে ক্যাশ পরিস্কারের জন্য ফোনের ‘সেটিং’ অ্যাপ চালু করতে হবে। এখান থেকে ‘অ্যাপস’ ক্যাটাগরিতে যেতে হবে। এরপর বর্ণের ক্রমঅনুসারে ফোনে ইনস্টল করা অ্যাপগুলোর তালিকা চলে আসবে। এরপর ‘স্টোরেজ’ লেখা সাবসেকশন থেকে ‘ক্লিয়ার ক্যাশ’ তে চাপ দিতে হবে।

    একই নিয়মে যে কোন অ্যান্ড্রয়েড ফোন থেকে ক্যাশ ডিলিট করা যাবে। এ কাজ করার সময় কোন ডাটা হারিয়ে যাবে না অথবা কোন অ্যাকাউন্ট লগ আউট করার প্রয়োজন হবে না। তবে কোন অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করা হচ্ছে তার ভিন্নতার ওপর প্রক্রিয়াও নির্ভর করে। স্যামসাং এবং ওয়ানপ্লাসের ফোনে একধরনের পদ্ধতি থাকে।তবে আইফোনের ক্ষেত্রে এটি এতোটা সহজ নয়। আইফোনের কিছু অ্যাপ রয়েছে যেগুলো ক্যাশ ক্লিনিং সমর্থন করে তবে বেশিরভাগই করে না।

     তথ্যসূত্রঃ হাওটুগিক