Category: লাইফস্টাইল

  • জেনে নিন ধূমপান থেকে বেরিয়ে আসার কিছু কৌশল

    জেনে নিন ধূমপান থেকে বেরিয়ে আসার কিছু কৌশল

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ৩০ মে, ২০২৪: গবেষণায় দেখা গেছে, যারা একবার কৌতূহল বশত একটি সিগারেট পান করেছে তাদের অনেকেই পরবর্তীতে পুরাদস্তুর ধূমপায়ী হয়ে গেছেন। যারা ধূমপান করে তারা যেমন নিজের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে তেমনি আশেপাশের যারা থকে তারাও স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ে। তবে শিশু, বৃদ্ধ এবং নিভিন্ন রোগে আক্রান্তরা ধূমপানের বিরুপ প্রভাবে পড়ে খুব তাড়াতাড়ি।ধুমপান সাধাণত একজনের দেখে অন্যজন বেশি আসক্ত হয়।

    তামাকজাত পণ্য ব্যবহারের কারণে প্রতি বছর বিশ্বে ৬০ লাখ মানুষ মারা যায়। এর মধ্যে ধূমপানের বিষয়টি সবচেয়ে সামনে আসে।

    চিকিৎসকরা জানিয়েছেন আপনি কিভাবে ধূমপান ছাড়বেন:

    চিকিৎসকদের মতে ধূমপান একটি আসক্তির মতো। এখান থেকে বেরিয়ে আসতে চাইলে নিম্নোক্ত পন্থাগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে।

    ১. আজ এখুনি ধূমপান ছাড়ার প্রতিজ্ঞা করুন। টেবিল কিংবা পকেটে রাখা সিগারেটের প্যাকেট ডাস্টবিনে ছুঁড়ে ফেলুন

    ২. একদিন ধূমপান না করে দেখুন। এরপর পার্থক্য অনুভব করার চেষ্টা করুন। এরপর দুইদিন, তিনদিন ধূমপান থেকে দূরে থাকুন। তাহলে অভ্যাস গড়ে উঠবে।

    ৩. আপনার আশপাশে যারা ধূমপান বর্জন করেছে তাদের অনুসরণ করুন। তাদের স্বাস্থ্যগত কী পরিবর্তন এসেছে সেটি জানার চেষ্টা করুন।

    ৪. একটা হিসেবে করে দেখুন তো সিগারেট কিংবা তামাকজাত পণ্যের জন্য প্রতিমাসে আপনার কত টাকা খরচ হয়? হিসেব করে দেখলে ধূমপান ছাড়া আপনার জন্য সহজ হবে। সে টাকা জমিয়ে অন্য খাতে খরচ করতে পারেন।

    ৫. আপনার ধূমপায়ী বন্ধুদের সঙ্গ সুকৌশলে এড়িয়ে চলুন।

    ৬. সিগারেট ছাড়ার পর মুখে চুইংগাম কিংবা আদা চিবোতে পারেন। তাহলে ধূমপানের প্রতি আকর্ষণ কমে আসবে।

    ৭. যে সময়টিতে আপনার ধূমপান করতে ইচ্ছা করবে সে সময়ে রাস্তায় হাঁটুন। তাহলে ধূমপানের চাহিদা থাকবে না।

    ৮. যে কোন জায়গায় ধূমপান কর্নার থেকে দূরে থাকুন

    ৯. ধূমপান বিরোধী এবং স্বাস্থ্য সচেতনতার বই পড়তে পারেন

    ১০. নিরুপায় হলে সর্বশেষ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে কাউন্সেলিং-এর সহায়তা নিতে পারেন।

    ধূমপান ছাড়ার জন্য আপনার একটি সিদ্ধান্তই যথেষ্ট।

  • রান্না: ইলিশ খিচুড়ি

    রান্না: ইলিশ খিচুড়ি

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ২৯ মে, ২০২৪: আমাদের সাবর প্রিয় মাছ হচ্ছে ইলিশ ।ঠিক তেমনি ভাবে আমাদের জনপ্রিয় রান্নগুলোর মধ্যে খিচুড়ি অন্যতম।এবার সবার এই প্রিয় রান্নাটি একসঙ্গে তৈরি করেছেন রন্ধন শিল্পীরা। আজ দেওয়া হলো ইলিশ খিচুড়ির রেসিপি।

    Culinary artist Kaniz Fatema Ruma
    Culinary artist Kaniz Fatema Ruma

    উপকরণ:

    ইলিশ মাছ-৫ টুকরা, পেঁয়াজ বাটা-২ চা চামচ, হলুদ গুড়া-২চা চামচ, মরিচ গুড়া-১ চা চামচ, ধনিয়া গুড়া-১ চা চামচ, পেয়াজ কুঁচি-২টেবল চামচ, সরিষার তেল-১/৩ কাপ, রান্নার তেল-১/৩ কাপ, সরিষা বাটা (একটু লবন ও ২টা কাঁচা মরিচ সহ বাটা)-২ চা চামচ, কাঁচা মরিচ-৬/৭ টি, পোলাও চাল-দেড় কাপ, হাল্কা ভাজা মুগ ডাল-১/২ কাপ, গরম পানি-সাড়ে তিন কাপ, লবন-পরিমান মত।

    প্রণালী:

    প্রথমে মাছ গুলো ভাল মত ধুয়ে এতে পরিমান মত লবন, সরিষা বাটা,হলুদ গুড়া,মরিচ গুড়া,সরিষার তেল,ধনিয়া গুড়া, পেঁয়াজ  বাটা দিয়ে মেখে আধা ঘণ্টা রেখে দিব।

    এবার চাল ডাল ধুয়ে একটা ঝাঁঝড়িতে ঝড়া দিয়ে রাখবো।

    এবার মাছ এ মাখা মাখা পানি দিয়ে ৫ মিনিট হাই হিট এ রান্না করে নিব। মাছ গুলো হাল্কা সিদ্ধ হবে, শক্ত ভাব থাকবে। মাছ গুলো মশলা থেকে উঠিয়ে আলাদা করে নিব।

    এবার একটি  হাড়িতে রান্নার তেল দিয়ে পেঁয়াজ কুঁচি দিয়ে হাল্কা করে ভেজে নিয়ে মাছের মশলা গুলো দিয়ে ভালভাবে কষিয়ে নিব। মশলা থেকে তেল বের হয়ে এলে চাল ডাল দিয়ে একটু ভাজা ভাজা করে গরম পানি   দিয়ে দিব। এ সময় খিচুড়ি তে যে পরিমান লবন দরকার দিয়ে ঢেকে দিব। মাঝে একবার খিচুড়ি নেড়ে দিতে হবে। খিচুড়ি যখন ৭০% হয়ে যাবে এবং পানি চালের গায়ে গায়ে থাকবে, তখন অর্ধেক খিচুড়ি তুলে নিয়ে মাছ গুলো বিছিয়ে দিয়ে কাঁচা  মরিচ ছিটিয়ে দিয়ে বাকী খিচুড়ি দিয়ে ঢেকে দিব। এ সময় ঢাকনা আর খুলা যাবেনা। হাড়ির  নিচে তাওয়া দিয়ে দমে দিয়ে রাখবো ১০ মিনিট। চুলার আঁচ মিডিয়াম থাকবে। ১০ মিনিট পরই হয়ে যাবে মজাদার ইলিশ খিচুড়ি। খিচুড়ি বাড়ার সময় এক সাইড থেকে বাড়তে হবে যাতে মাছ ভেঙে না যায়। প্রথমে খিচুড়ি বেড়ে পরে উপরে মাছ দিয়ে পরিবেশন করতে হবে মজাদার ইলিশ খিচুড়ি।

    রেসিপি দিয়েছেন: কানিজ ফাতেমা রুমা

  • রান্না: চিকেন কিমার তাওয়া কাবাব

    রান্না: চিকেন কিমার তাওয়া কাবাব

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ২৭ মে, ২০২৪: কাবাব মানেই এক অন‍্য রকম অনুভূতি আসে মনে। গরম গরম স্মোকি কাবাব সাথে রুটি বা যে কোন গরম রাইস সঙ্গে খাওয়া যায়। কাবাব মূলত আফগানিস্তান তুরস্ক আরব দেশের খাবার। এখন এশিয়া মহাদেশে ছাড়িয়ে সারা বিশ্বে জনপ্রিয় হয়েছে। চিকেন বিফ মাটন দিয়ে কাবাব তৈরি করা হয়।

    আজ থাকছে খুব মজার একটি কাবাব। যার নাম চিকেন কিমার তাওয়া কাবাব। এমন বর্ষার দিনে এই খাবরটি বেশ যায়।

    Culinary artist Jiniya Islam.
    Culinary artist Jiniya Islam.

    উপকরণ:                    

    চিকেন কিমা-২৫০ গ্রাম, পেয়াজ মিহি কুচি-৪ টেবিল চামচ, কাচা মরিচ কুচি-১ চা চামচ, আদা বাটা                  -১ চা চামচ, রসূন বাটা-১ চা চামচ, গরম মসলা গুড়া-১ চা চামচ, গোল মরিচ গুড়া-১/২ চা চামচ, চিলি ফ্লেক্স-১/২ চা চামচ, লেবুর রস-২ চা চামচ, লেমন জেস্ট-১ চা চামচ, লবণ-                  পরিমান মতো, মরিচ গুড়া-১ চা চামচ, চিনি-১/২চা চামচ, কিসমিস কুচি-২ চা চামচ, জাফরান দুধ-         ১ চা চামচ, কেওড়া পানি-১ চা চামচ, গুড়া দুধ-১ টে চামচ, ডিম-১ টা, কর্ন ফ্লাওয়ার- ২ টে চামচ, ধনেপাতা কুচি-২ টে চামচ, পুদিনা পাতা কুচি-২ টে চামচ, তেল ভাজার জন‍্য-২/৩ টে চামচ।

    প্রস্তুত প্রণালী :

    ১|প্রথমে কিমা থেকে পানি ভালো করে ঝড়িয়ে নিতে হবে।

    ২| কিমাতে তেল ছাড়া সব উপকরন মিশিয়ে ভালো করে মাখাতে হবে। প্রায় দশ মিনিট। যত মাখানো হয়  কাবাব ততই বাইন্ডিং মজবুত হয়  এবং জুসি হয়।

    ৩| একটা ননস্টিক প‍্যানে এক টে চা তেল দিয়ে তার উপরে কিমা ঢেলে  সমান করে পুরো প‍্যানে বিছিয়ে দিতে হবে। এর উপরে বাকি তেল ঢেলে মিডিয়াম আচে ঢেকে রান্না করতে হবে। অন‍্যদিকে কয়লা আগুনে দিতে হবে। অল্প দম আচে কাবাবের একপাশ উল্টে দিতে হবে। ২০/২৫ মিনিটে কাবাব হয়ে যাবে । পুড়া কয়লায় গি ঢেলে দিয়ে ধোয়া উঠলেই সাথে সাথে কিমার কাবাবে দিয়ে ঢাকনা দিতে হবে যেন ধোয়া বের হতে না পারে।

    কাবাব নামিয়ে কেটে নিতে হবে।

    প্লেটে স‍্যালাড এর মাঝে রেখে গরম গরম আফগান রাইস বা  রুটি,  পরোটা,  খিচুরি বিরিয়ানি সবকিছুর সাথে পরিবেশন কযা যায়।

    রেসিপি দিয়েছেন: জিনিয়া ইসলাম।

  • রান্না: হাড়িয়া কাবাব

    রান্না: হাড়িয়া কাবাব

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ২৫ মে, ২০২৪: রন্ধন শিল্পীরা রান্নায় নিয়ে এসছে ভিন্নতা। আজ দেওয়া হয়েছে হলো একটি ভিন্ন ধর্মি খাবার “হাড়িয়া কাবাব” এর রেসিপি। আপনি্ ইচ্ছা করলেই ঘরে বসেই সহজে রান্না করতে পারবেন এই মজাদার খাবারটি।

    Recipe given by Umme Salma
    Recipe given by Umme Salma

    উপকরণ:

    মাংস ছোট টুকরা করে কাটা-৩ কাপ, পিঁয়াজ কুচি হাফ কাপ, আদা বাটা হাফ চা চামচ, রসুন বাটা ১চা চামচ, জিরা গুঁড়া হাফ চা চামচ, গরম মসলা গুঁড়া হাফ চা চামচ, টক দই হাফ কাপ, লিকুইড দুধ এক কাপ, চিন এক চা চামচ, লবণ পরিমাণ মত, ঘি দুই টেবিল চামচ, তেল হাফ কাপ, লাল মরিচের গুঁড়া দুই টেবিল চামচ, ব্রেডক্রাম ২টেবিল চামচ।

     

    প্রস্তুত প্রণালী:

    প্রথমে গ্ৰেভি টা রেডি করে নিতে হবে। চুলায় একটা প্যান বসিয়ে তার মধ্যে তেল দিয়ে দিব এবার এর মধ্যে এক এক করে পিঁয়াজ কুচি ও সব ধরনের মসলা দিয়ে টকদই ও মাংসের কিমা দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিয়ে এর মধ্যে দুধ ও পানি দিয়ে ভালো করে রান্না করে নিতে হবে।রান্না যখন অর্ধেক হবে এবার বাকি ১ কাপ কিমার সাথে মরিচের গুঁড়া, ঘি, লবণ, চিনি ব্রেডক্রাম, আদা রসুন বাটা দিয়ে ভালো করে মেখে ছোট ছোট বল বানিয়ে গ্ৰেভির মধ্যে ছেড়ে দিয়ে এবার ভালো করে রান্না করে নিব। উপরে তেল চলে আসলে এক টেবিল চামচ ঘি দিয়ে নামিয়ে পরিবেশন করব।পোলাও ভাত রুটি সব কিছুর সাথে খাওয়া যাবে।

    রেসিপি দিয়েছেন: উম্মে সালমা

  • কুলফি: বাদামের ফ্লেবারে কুলফি মালাই

    কুলফি: বাদামের ফ্লেবারে কুলফি মালাই

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ২৪ মে, ২০২৪: এখন গরম তাই এই সময় চাই এমন খাবার যা সুস্বাদু ও ঠান্ডা। এই ধরনের একটি স্বাস্থ্যকর খাবার হচ্ছে কুলফি মালাই। বাদামের ফ্লেবারে কুলফি মালাইটি পাঠিয়েছে কলকাতার রন্ধন শিল্পী সুতপা দে। আপনি ইচ্ছা করলে ঘরেই তৈরি করতে পারেন এই রেসিপি।

    Culinary artist Sutpa Dey
    Culinary artist Sutpa Dey

    উপকরণ:

    তরল দুধ ৫০০ গ্রাম, পাউডার দুধ-২ কাপ, ফ্রেশ ক্রিম বা হেভি ক্রিম-হাফ কাপ (যেকোনো ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে বা সুপারশপে পেয়ে যাবেন), পেস্তা বাদাম কুঁচি-২ চামচ, কাজু বাদাম কুঁচি-২ চামচ, চিনি-১ কাপ।

     

    প্রণালী:

    প্রথমে তরল দুধ জ্বাল করে ঘন করে নিন। এবার গুঁড়া দুধ আস্তে আস্তে যোগ করুন ও নাড়তে থাকুন।দুধ ঘন ও হলুদ হয়ে গেলে এতে চিনি ও ফ্রেশ ক্রিম বা হেভি ক্রিম দিয়ে ভালোভাবে নাড়াচাড়া করুন।এবার পেস্তা ও কাজু বাদাম ব্লেন্ডারে গুঁড়া করে নিন কিংবা মিহি করে কুঁচি করেও নিতে পারেন। দুধের মিশ্রণে বাদাম কুঁচি দিয়ে আইসক্রিমের মোল্ডে বা কাপে ঢেলে দিন। এবার ডিপ ফ্রিজে রাখুন। ঠান্ডা হয়ে জমে গেলেই রেডি সুস্বাদু কুলফি মালাই! জাফরান আর বাদাম কুঁচি ছড়িয়ে সার্ভ করতে পারেন।

     

    রেসিপি দিয়েছেন: সুতপা দে

  • বিশেষ পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ আম ডায়াবেটিস রোগীরাও খেতে পারে

    বিশেষ পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ আম ডায়াবেটিস রোগীরাও খেতে পারে

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ২৩ মে, ২০২৪: আমের মৌসুম শুরু না হলেও আর বাজারে ইতোমধ্যে গাছপাকা রসালো আম ওঠা শুরু হয়েছে। আম সবার প্রিয় একটি ফল। তবে আম যে শুধুমাত্র তার স্বাদের জন্য অনন্য, তা নয়। এই ফলটি বিশেষ পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ।

    তবে আমে প্রাকৃতিকভাবেই চিনির পরিমাণ বেশি। তাই এটি খেলে মানুষের শরীরের স্যুগারের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। এ কারণে অনেকে বলে থাকেন, ডায়াবেটিস রোগীদের আম খাওয়া উচিৎ না। কিন্তু আম কি আসলেই ডায়াবেটিসের মাত্রা বৃদ্ধির কারণ? এক গবেষণাপত্রে দেখা গেছে যে ডায়াবেটিস রোগীদের আম খাওয়া বন্ধ করে দেওয়া উচিৎ না।

    আমের পুষ্টিগুণ:

    পুষ্টিবিদরা জানিয়েছেন, পাকা আমে প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি, শর্করা, আমিষ, ভিটামিন এ, বিটা ক্যারটিন, পটাশিয়াম ইত্যাদি থাকে। তাই, কাঁচা আমের তুলনায় আঁশযুক্ত পাকা আম শরীরের জন্য বেশি ভালো। পাকা আমে পর্যাপ্ত পরিমাণ আঁশ জাতীয় উপাদান পেকটিন থাকে, যা পাকস্থলিতে থাকা খাদ্যকে ভালোভাবে পরিপাক হতে সাহায্য করে।

    এছাড়া, আমের বিশেষ কিছু এনজাইম খাদ্য উপাদানের প্রোটিনকে ভালোভাবে ভেঙে ফেলতে কাজ করে। যা সামগ্রিকভাবে পরিপাক ক্রিয়ায় অবদান রাখে। আমে থাকা ভিটামিন সি, ভিটামিন এ ও অন্যান্য ২৫ ধরনের ক্যারোটেনয়েডস শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। বিশেষ করে, আমে থাকা ভিটামিন এ দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে ও চোখের চারপাশের শুষ্কভাবও দূর করে।

    আমে প্রচুর বিচাক্যরটিন থাকায় এবং ভিটামিন এ , ই থাকায় আমাদের স্কিন খুব ভালো রাখে এবং এটি খেলে চোখের দৃষ্টি শক্তিও ভালো থাকে।

    শুধু তাই নয় ক্যান্সার প্রতিরোধের ক্ষেত্রেও সহায়ক ভূমিকা পালন করে আম।

    কৃষি তথ্য সার্ভিসের বর্ণনা অনুযায়ী, পাকা আমে যেহেতু কাঁচা আমের তুলনায় শর্করার পরিমাণ বেশি, তাই কাঁচা আম দেহের শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। লিভারের সমস্যায় কাঁচা আম উপকারী। এটি বাইল এসিড নিঃসরণ বাড়ায়। অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়াকে পরিষ্কার করে। দেহে নতুন রক্ত তৈরিতে সাহায্য করে।

    সবমিলিয়ে, আমে থাকা নানা ধরনের পুষ্টি উপাদানের জন্য এটি উপরে উল্লিখিত বিষয়ের বাইরেও খসখসে চামড়া, চুলপড়া, হজমের সমস্যা দূর করতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। একাধারে অতুলনীয় স্বাদ ও একাধিক পুষ্টিগুণের কারণেই একে ফলের রাজা বলা হয়।

     

    একজন মানুষের দৈনিক কতটুকু আম খাওয়া উচিৎ। এটা নির্ভর করে একজন মানুষের শারীরিক পরিস্থিতি কেমন, তার উপর। এ বিষয়ে পুষ্টিবিদরা জানিয়েছেন একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ অনায়াসেই দৈনিক দু’টো আম খেতে পারেন। ফজলি আমে ভিটামিন এ, পটাশিয়াম, বিটা ক্যারোটিনের পরিমাণ অনেক।

    তবে যারা কিডনি বা ডায়াবেটিসের রোগী, আম খাওয়ার ক্ষেত্রে তাদেরকে সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদরা।

    কিডনি রোগীদের ডাক্তার ও পুষ্টিবদের সাথে পরামর্শ করে আম খাওয়া উচিৎ। কারণ আমে প্রচুর পটাশিয়াম থাকে, যা কিডনির জন্য ক্ষতিকর। এছাড়া, যুক্তরাজ্যে ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস-এর প্রস্তাব অনুযায়ী ১৯ থেকে ৬৪ বছরের পূর্ণবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন ৪০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি প্রয়োজন। যেহেতু এক কাপ আমে প্রায় ৬০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি থাকে, সেহেতু অন্য কোনও জটিলতা না থাকলে একজন সুস্থ মানুষ ওই পরিমাণ আম খেতেই পারেন।

    পুষ্টিবিদরা আরও জানিয়েছে, প্রতি ১০০ গ্রাম আমে ৭৯ থেকে ৮২ গ্রাম ক্যালরি পাওয়া যায়। এছাড়া, একটি আমের ৭৫ থেকে ৮৫ শতাংশ পানি থাকে। তবে মজার বিষয় হলো, আমে কোনও ‘কোলেস্টেরল’ থাকে না। এমনকি এতে ক্ষতিকর লবণও নেই। তারপরও অনেকেই মোটা হয়ে যাওয়ার ভয়ে আম খেতে চান না।

    ডায়াবেটিস রোগী কতটুকু আম খেতে পারবেন?

    অনেকেই বলে থাকেন, ডায়াবেটিস রোগীরা আম খেতে পারবেন না। যদিও এ বিষয়ে গবেষণার ফলাফল এবং চিকিৎসকদের বক্তব্য ভিন্ন কথা বলছে। ২০১৮ সালে প্রকাশিত ‘ম্যাংগো অ্যান্ড ডায়াবেটিস’ শীর্ষক এক গবেষণাপত্রে দেখা গেছে যে ডায়াবেটিস রোগীদের আম খাওয়া বন্ধ করে দেওয়া উচিৎ না। তবে তাদেরকে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী আম খেতে হবে।

    এই গবেষণায় বলা হয়েছে, যদি সতর্কতার সাথে আম খাওয়া হয়, তাহলে ডায়াবেটিসের মাত্রা বৃদ্ধি পাবে না। তবে একসাথে অনেকখানি না খেয়ে অল্প আম খাওয়া উচিৎ। যেমন, একজন ডায়াবেটিক রোগী দৈনিক ১০০ থেকে ১৫০ গ্রাম আম খেতে পারেন। অথবা, দিনের ভিন্ন ভিন্ন সময়ে তিনি ৫০ গ্রাম করে তিনবারও আম খেতে পারেন।

    কিন্তু সাধারণত আম খেলে মানুষ একটি বা কয়েক টুকরা আম খায়। তবে যখন আম দিয়ে শরবত বানানো হয়, তখন সেখানে একাধিক আম ব্যবহার করা হয়। শুধু তাই না, সঙ্গে কিছুটা চিনিও দেওয়া হয়। তখন তাতে চিনির মাত্র দ্বিগুণ হয়ে যায়। তাই, আমের শরবত খাওয়ার চেয়ে অল্প পরিমাণ আম খাওয়া ঢের ভালো।

    সুতরাং, ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চললে কোনোপ্রকার সমস্যা ছাড়াই ডায়াবেটিস রোগীরা পরিমিত পরিমাণ আম খেতে পারবেন।

    বেশ কয়েক বছর ধরে দেশে বিভিন্ন জাতের আম বাংলাদেশে চাষ হচ্ছে। এখন রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার পাশাপাশি রংপুর ও দিনাজপুরেও আম ভালো উৎপন্ন হয়। এখন দেশের প্রতিটি অঞ্চলে হাইব্রিট আম চাষ হচ্ছে। তবে এবার আবহাওয়ার কারণে দেশে আমের উৎপাদন কম। আবার বিশ্বের পাঁচটি দেশ বাংলাদেশের আম নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তাই ধারণা করা হচ্ছে এবার আমের ঘাতটি দেখা দিতে পারে।এ কারণে দামও বাড়তে পারে।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • রান্না: পেঁয়াজ ছাড়া তরকারী নিরামিষ শুক্তো

    রান্না: পেঁয়াজ ছাড়া তরকারী নিরামিষ শুক্তো

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ২১ মে, ২০২৪: দেশে প্রতি বছরের একটা সময়ে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যায়। এদিকে আমাদের পেঁয়াজ ছাড়া তরকারী রান্না করতে পারিনা। তাই রন্ধন শিল্পীরা এই মসলাটি ছাড়াই মজাদার তরকারী রান্না শুরু করেছে। আজ দেওয়া হলো “পেপেঁয়াজ ছাড়া তরকারী নিরামিষ শুক্তো” রান্নার একটি রেসিপি।

    রান্না পেঁয়াজ ছাড়া তরকারী নিরামিষ শুক্তো - লাইফস্টাইল - ২১ মে ২০২৪
    রান্না পেঁয়াজ ছাড়া তরকারী নিরামিষ শুক্তো – লাইফস্টাইল – ২১ মে ২০২৪

    উপকরণ:

    মিষ্টি কুমড়া কিউব করে কাটা-১কাপ, বেগুন-ছোট করে কাটা-দেড় কাপ, সজনে ডাটা-৩টা পরিষ্কার করে টুকরো করে নেয়া, চাল কুমড়া-কিউব করে কাটা-১ কাপ, পটল-ছিলে ছোট টুকরো করে নেয়া-১কাপ, করোলা-২ টা চাক চাক করে কাটা, পাঁচ ফোড়ন-১চা চামচ, আদা বাটা-১চা চামচ, সরিষা ১চা চামচ, পোস্তদানা ১ চা চামচ-একসাথে বেটে নিতে হবে, লবন-স্বাদ মত, তেজ পাতা ও শুকনা মরিচ-২ টি করে, আস্তজিরা-আধা চা চামচ, হলুদ গুড়া-১চা চামচ, মরিচগুড়া-১চা চামচ, ধনে গুড়া-১চা চামচ, সরিষার তেল-১/৩ কাপ, চিনি-১চা চামচ, ঘি-১টেবল চামচ( অপশনাল, না দিলেও হবে)

     

    প্রণালী:

    করোলা, মিষ্টি কুমড়া ও বেগুন সামান্য তেলে ভেজে আলাদা তুলে রাখতে হবে। এবার কড়াই এ সরষের তেল গরম করে তেজপাতা, শুকনা মরিচ, পাঁচ ফোড়ন, ও জিরা দিয়ে ফোড়ন দিয়ে আদাবাটা ও লবন দিয়ে কষিয়ে নিতে হবে। সামান্য পানি দিয়ে হলুদ, মরিচ, ধনিয়া গুড়া দিয়ে মশলা কষিয়ে নিয়ে ভেজে রাখা সবজি ও সজনে বাদে অন্য সব সবজি গুলো দিয়ে দিতে হবে। পরিমান মত পানি দিয়ে সবজি গুলো ঢেকে রান্না করতে হবে। এর মধ্যেই সরিষা ও পোস্তদানা বাটা দিয়ে দিতে হবে। সবজি গুলে কিছুটা সিদ্ধ হয়ে এলে ভেজে রাখা সবজি ও সজনে ডাটা দিয়ে রান্না করতে হবে। এ পর্যায়ে চিনি দিয়ে দিতে হবে। সব  সবজী সুন্দরভাবে সিদ্ধ হয়ে এলে লবনটা চেক করে নিতে হবে। এই পর্যায়ে এক টেবল চামচ ঘি দিয়ে শুক্তো টা নামিয়ে নিতে হবে। ঘি না দিলেও হবে তবে ঘিতে টেস্ট টা বেড়ে যায় অনেক। আর এই শুক্তো টা একটু ঝোল ঝোল হলেই খেতে ভালো লাগে।

    রন্ধন শিল্পী: কানিজ ফাতেমা রুমা

  • শরবত : তেঁতুল শরবত

    শরবত : তেঁতুল শরবত

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ১৮ মে, ২০২৪: তেঁতুল এমন একটি ফল যার নাম শুনলে জিভে জল আসেবে। এই তেঁতুলে আছে টারটরিক নামক উপাকারীএ্যাসিড যা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং খাবার হজমেও সহায়তা করে। অসহনীয় এই গরমে তেঁতুলের সরবত আমাদের শরীরকে যেমন ঠান্ডা রাখে তেমনি ওজন নিয়ন্ত্রণ করে। আজ দেওয়া হলো তেঁতুলের শরবতের রেসিপি।

    Farzana Haque went to Recife
    Farzana Haque went to Recife

    উপকরণ:

    পাকা  তেঁতুল-১/৪ কাপ, আঁখের গুড়-১/২ কাপ, ঠান্ডা পানি-৪ কাপ, লেবুর রস-১টেবিল চামচ, লবণ স্বাদ অনুযায়ী, চাট মসলা স্বাদ অনুযায়ীম এবং বরফ কুটি।

     

    প্রণালী: তেঁতুলের খোসা এবং বীজ ছড়িয়ে ১ ঘন্টা পাানিতে ভাল করে ভিজিয়ে রাখতে হবে। অতপর ভেজানো তেঁতুল থেকে ক্বথ বের করে নিতে হবে। এবার ব্লেন্ডারে তেঁতুলের ক্বথ, গুড়, ভাজা জিরা গুড়া, লবণ, চাট সমলা দিয়ে ভাল করে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। শরবতটা ভালকরে ছেকে বরফ ‍কুচি দিয়ে সার্ভিং গ্লাসে পরিবেশন করতে হবে তেঁতুলের মাজাদার শরবত।

     

     

    রেসিপি দিয়েছেন : ফারজানা হক

  • মানসিক চাপ কমালে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব

    মানসিক চাপ কমালে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ১৬ মে, ২০২৪: কোন ব্যক্তি যদি মানসিক চাপ কমাতে পারে তাহলে উচ্চ রক্তচাপ থেকে নিয়েজে নিরাপদ রাখতে পারে। শুধু মানসিক চাপ নয় খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণ সহ বেশ কিছু নিয়ম মানলে উচ্চ রক্তচাপের ঝুকি কমে।

    চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায়, উচ্চ রক্তচাপেরই আরেক নাম হাইপারটেনশন। বিশ্বব্যাপী প্রায় ১৫০ কোটি মানুষ উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন।

    বাংলাদেশে এক চতুর্থাংশ মানুষ উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন বলে চিকিৎসকেরা বলছেন। আর তাতে পুরুষের চেয়ে নারীরা বেশি ভুগছেন।

    কেন হয় উচ্চ রক্তচাপ?

    এক সময় ধরে নেয়া হত কেবল বয়স্ক মানুষ অর্থাৎ ৪০ বছরের বেশি হলেই কারো উচ্চ রক্তচাপের আশঙ্কা তৈরি হয়। কিন্তু এখন চিকিৎসকেরা বলছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অল্পবয়সীদের মধ্যেও এ রোগ দেখা যাচ্ছে। চিকিৎসকরা বলছেন সবচেয়ে বড় শঙ্কার ব্যাপার হচ্ছে, বেশিরভাগ মানুষ নিজেরা উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন সে সম্পর্কে জানেন না। তার ফলে তারা হার্ট অ্যাটাক বা হার্ট ফেইলিওরের মত বড় ধরণের কোন অসুস্থতায় আক্রান্ত হন, যার পরিণতিতে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

    কিন্তু নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চললে এ নীরব ঘাতকের হাত থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব। সেজন্য সবার আগে প্রয়োজন শনাক্ত করা যে আপনার রক্তচাপ বিপৎসীমার নিচে আছে কি না, আর না থাকলে কী করতে হবে।

    উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণ কী?

    ঘাড় ব্যথা, বুক ধড়ফড় করা এবং বমি বমি ভাব হলেই বুঝতে হবে এটাই রোগের প্রধান লক্ষণ। এই সব লক্ষণ দেখার পরও একদিন এক ব্যক্তি অজ্ঞান হয়ে যান। হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসকেরা জানান যে তার একটি মাইল্ড স্ট্রোক হয়েছে। এবং তার রক্তচাপ অনেক বেশি। কয়েকদিন হাসপাতালে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকার সময় দেখা গেল উচ্চ রক্তচাপ ছাড়া তার আর কোন বড় সমস্যা মানে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস কিংবা কিডনি রোগ নেই। তখন চিকিৎসকেরা জানান উচ্চ রক্তচাপের কারণেই তার স্ট্রোক হয়েছিল।

    সাধারণভাবে চিকিৎসকরা কয়েকটি লক্ষণের কথা বলেছেন, যেমন ঘাড় ও মাথা ব্যথার পাশাপাশি মাথা ঘোরা, অল্পে রেগে যাওয়া, রাতে ভালো ঘুম না হওয়া, অস্থির লাগা– এমন লক্ষণ দেখা গেলে সতর্ক হতে হবে, এবং রক্তচাপ পরিমাপ করে দেখতে হবে।

    কখন বোঝা যাবে উচ্চ রক্তচাপ ?

    হৃৎপিণ্ডের ধমনীতে রক্ত প্রবাহের চাপ বেশি থাকলে তাকে উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেশার বলা হয়। চিকিৎসকরা বলেছেন, যখন কোন মানুষের রক্তচাপ পরিমাপের দুটি একক, অর্থাৎ সিস্টলিক প্রেশার, যাকে প্রেশারের উপরের পরিমাপক বলা হয়, এবং ডায়াস্টলিক প্রেশার, যাকে সহজভাবে নিচের দিকের রক্তচাপ পরিমাপক বলা হয়, সেখানে নির্ধারিত মাত্রার উপরে রক্তচাপ চলে যায়।

    একজন সুস্থ মানুষের রক্তচাপ থাকার কথা ১২০/৮০ মিলিমিটার মার্কারি। কিন্তু সেটি যদি কারো পরপর দুইদিন ১৪০/৯০ এর বেশি থাকলে তখন সেটিকে উচ্চ রক্তচাপ বলে চিহ্নিত করা হয়। তবে রোগীর বয়স ৮০ বছর বা তার বেশি হলে রক্তচাপের পরিমাপক বেশি হবে।

    কীভাবে বাড়ে রক্তচাপ?

    চিকিৎসকরা বলেছেন, উচ্চ রক্তচাপ কিভাবে বাড়ে সেটি নির্দিষ্ট করে জানা যায় না। তবে, অনেক সময়ই উচ্চ রক্তচাপের প্রাথমিক কারণের সাথে বংশগতির সম্পর্ক থাকে। তবে যাদের অল্প বয়সে উচ্চ রক্তচাপ শনাক্ত হয়, তাদের রক্তচাপ বেশি থাকার কিছু কারণ দেখা যায়, যার কারণে কারো রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে:

    * কিডনি সমস্যা

    * রক্তনালী সরু হয়ে গেছে

    * হরমোন সমস্যা

    * থাইরয়েড সমস্যা, পিটুইটারি গ্লান্ডের সমস্যা

    * মস্তিষ্কে কোন সমস্যা থাকলে

    * স্টেরয়েড গ্রহণের ধারাবাহিকতা থাকলে

    উচ্চ রক্তচাপ থেকে বাঁচতে কী করতে হবে:

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, উচ্চ রক্তচাপের কারণে প্রতি বছর বিশ্বে প্রায় ৯৪ লাখ মানুষ মারা যান, এবং এটি পৃথিবীতে অসুখে ভুগে মারা যাওয়ার প্রধান কারণ।

    চিকিৎসকরা বলেছেন, উচ্চ রক্তচাপের কারণে শরীরের মাথা থেকে পা পর্যন্ত আক্রান্ত হতে পারে। প্রথমেই এ থেকে স্ট্রোক হতে পারে, যা থেকে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হতে পারে। এরকম ক্ষেত্রে রোগীর মৃত্যুর সম্ভাবনা থাকে।

    স্ট্রোক থেকে অন্ধত্ব, শরীরের বিভিন্ন প্রত্যঙ্গ অবশ হয়ে যাওয়া এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে

    এ থেকে হার্ট অ্যাটাক এবং হার্ট ফেইলিওর হতে পারে।

    এছাড়া উচ্চ রক্তচাপের কারণে কিডনি বিকল হয়ে যেতে পারে।

    ফলে চিকিৎসকেরা মনে করেন, সতর্ক হওয়া ছাড়া উপায় নেই।

    যেসব পদক্ষেপের মাধ্যমে সুস্থ থাকা যাবে:

    * খাবারে আলগা লবণ বাদ দিতে হবে

    * ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে

    * শাক-সবজি, ফলমূল বেশি করে খেতে হবে

    * নিয়মিত কায়িক পরিশ্রম করতে হবে

    * নিয়মিত রক্তচাপ পরিমাপ করতে হবে

    * রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে

    * তামাক ও তামাক জাতীয় বস্তু ত্যাগ করতে হবে

    * পরিমিত ঘুমাতে হবে

    * স্ট্রেস বা মানসিক চাপ কমাতে হবে

    * চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করতে হবে, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়া বন্ধ করা যাবে না

    উচ্চ রক্তচাপ বিষয়ক গাইডলাইন :

    বাংলাদেশের সরকারের উচ্চ রক্তচাপ বিষয়ক একটি গাইডলাইন আছে, যাতে কম ওষুধ সেবন করে এবং জীবনযাপন পদ্ধতিতে পরিবর্তন এনে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টাকে উৎসাহিত করা হয়েছে।

    এই গাইডলাইনের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশব্যাপী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রক্তচাপ পরিমাপের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    সেইসঙ্গে একটি চার্ট বা টেবিল করে দেয়া হয়েছে, যেখানে উচ্চ রক্তচাপ কত থাকলে কী ব্যবস্থা নিতে হবে, এবং কী ওষুধ খেতে হবে, সেগুলো চিহ্নিত করে দেয়া হয়েছে।

    তাই উচ্চ রক্তচাপের প্রধান কারন মাসনিক চাপ নয় এর সঙ্গে অনেক কিছু যুক্ত। খাওয়া দাওয়া, পরিশ্রম অনেক কিছুই নিয়ন্ত্রনে রাখতে হয়। তাই সবাইকে উচ্চ রক্তচাপ বিষয়ে সচেতন হতে হবে।

    সুত্র: বিবিসি বাংলা

  • শরবত: দিলখুশ_শরবত

    শরবত: দিলখুশ_শরবত

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ১৪ মে, ২০২৪: এই গরমে আপনার চাই শরবত। আজ দেওয়া হলো ‘দিলখুশ শরবত’ তৈরির রেসিপি। যা ঘরে বসেই আপনি সহজেই তৈরি করতে পারবেন।

    Recipe given by - Hura Jannat
    Recipe given by – Hura Jannat

    উপকরণ :

    তরমুজের জুস, মাল্টা জুস, কোমল পানীয়, পুদিনা পাতা, লেবু স্লাইস, বরফ কুচি।

     

    প্রস্তত প্রণালী:

    প্রথম জুস বের করে নিব। গ্লাসে পুদিনা পাতা, লেবু স্লাইস দিয়ে একটু চেপে রস বের করে নিব। বরফ কুচি দিয়ে মাল্টা জুস,  কোমল পানীয়, তরমুজের জুস দিব।বরফ কুচি আর পুদিনা পাতা দিয়ে সার্ভ করব। তৈরী হয়ে গেল রিফ্রেশিং ড্রিংকস “দিলখুশ শরবত”

     

    রেসিপি দিয়েছেন : হুরে জান্নাত