Category: লাইফস্টাইল

  • রান্না: সুইট এন্ড সাওয়ার পাইনাপেল চিকেন

    রান্না: সুইট এন্ড সাওয়ার পাইনাপেল চিকেন

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ১৩ মে, ২০২৪: আবহাওয়া যখন উত্তপ্ত তখন খাওয়অ দাওয়ার ব্যাপারেও আমাদের সতর্ক হতে হবে। এই সময় চাই এমন কিছু রান্না যা পুষ্টি জোগানোর পাশাপাশি গরমে স্বস্তি দেবে। এই ধরনের একটি রান্না হচ্ছে সুইট এন্ড সাওয়ার পাইনাপেল চিকেন। আজ দেওয়া হলো এই রান্নার রেসিপি।

    Culinary artist Shema Pushpa
    Culinary artist Shema Pushpa

    উপকরণ:

    বোনলেস  চিকেন-৩৫০ গ্রাম, লবণ সাদ-স্বাদ মত, কালো গোলমরিচ-১/৩চাচামচ, ময়দা-১/৪ কাপ, কর্নফ্লাওয়ার-২ টেবিল চামচ, বেকিং পাউডার  ১/৪ টেবিল চামচ, ঠান্ডা পানি ও চিনি-২ টেবিল চামচ।

     

    সসের  জন্য যা লাগবে:

    টমেটো সস-২টেবিল চামচ, চিলি সস-২ টেবিল চামচ, ভিনেগার-২ টেবিল চামচ, ওয়েস্টার সস-১ টেবিল চামচ, ক্যাপসিকাম লাল সবুজ, পিয়াজ কিউব করে কাটা এবং রান্নার জন্য তেল।

     

    প্রণালী:

    চিকেন এর সাথে দিয়ে দিব ব্ল্যাক পেপার লবণ একসাথে মিশাতে হবে।   ২০মিনিট রেস্টে রাখতে হবে। একটা পাত্রে  সসগুলো  ভিনেগার একসাথে মেশাতে হবে।

    অন্য একটা পাত্রে ময়দা, বেকিং পাউডার, লবণ, ডিম ঠান্ডা পানি দিয়ে একটা মিকচার বানাতে হবে।

    চুলায় তেল গরম দিব হাই হিটে  চিকেন গুলোকে ময়দার মিশ্রণে ডুবিয়ে তেলে ব্রাউন করে ভেজে  উঠাবো।

    এবার অন্য একটা পাত্রে চুলায় তেল দিয়ে ক্যাপসিকাম গুলাকে ভেজে নিব সাথে দিয়ে দিব কিউব  করে কাটা পেঁয়াজ গুলোকে। একটু ভাজা ভাজা হলে দিয়ে দেবো পাইনাপেল। এবার দিয়ে দিব চিনি ও অল্প গরম পানি। ফুটে উঠলে ভাজা মুরগির পিস গুলোকে দিয়ে দিব। রান্না করে নিব। উপর দিয়ে তিল দিয়ে পরিবেশন করতে হবে সুইট এন্ড সাওয়ার পাইনাপেল চিকেন।

    রেসিপি দিয়েছেন: সিমা পুষ্প

  • মধ্যবয়সে কিছু নিয়ম মানলে আপনি বেশিদিন সুস্থ থাকতে পারবেন

    মধ্যবয়সে কিছু নিয়ম মানলে আপনি বেশিদিন সুস্থ থাকতে পারবেন

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ১১ মে, ২০২৪: আপনি বুড়িয়ে যাবেন বা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন সেটা বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিটি মানুষ ভাবতে থাকে। কেন্তু সুস্থ থাকার বিষয়টি আমারা নিজেরাই নিয়ন্ত্রণ করতে পারি। গবেষণা সুস্থ থাকা বা বেশিদিন বেঁচে থাকাটা ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ পরিবেশের ওপর নির্ভর করে, যেটি আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। সুস্থভাবে বেশিদিন বাঁচতে, বয়সকালে অসুস্থ না থেকে হাসি খুশি ও স্বাধীনভাবে জীবন কাটাতে ছয়টি দিকে খেয়াল রাখতে হবে। এগুলো হচ্চে হাসি, বন্ধুত্ব, ঘুম, ব্যায়াম, ঠান্ডা পানিতে গোসল ও খাবর

     

    হাসি:

    পরিস্থিতি যেমনই হোক, আপনার বয়স যতোই হোক ‘হাসুন’।

    বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে একদম ছোট শিশু দিনে গড়ে ৪০০ বার হাসে। কিন্তু বয়স যতো বাড়ে হাসির পরিমাণ ততো কমে। হাসলে আমাদের মানসিক চাপ কমে যায়। সেটি নার্ভাল সিস্টেম সংক্রান্ত চাপ হোক বা হরমোন সংক্রান্ত চাপ। গবেষণায় দেখা গেছে স্ট্রেস বা উদ্বেগে ভুগছেন এমন নারীদের হৃদরোগ, স্ট্রোক বা ফুসফুসের ক্যান্সারে মারা যাওয়ার সম্ভাবনা দুই গুণ বেশি এবং পুরুষদের ক্ষেত্রে তিনগুণ বেশি।

    কিন্তু হাসি ও আশাবাদী মনোভাব মানসিক চাপ কমায়। এতে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে। সুখী ব্যক্তিদের ওপর এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে তাদের অকালে মৃত্যু হার বাকিদের তুলনায় তিন দশমিক শতাংশ কম। সুখী লোকেরা তাদের চেয়ে কম সুখীদের তুলনায় ১৮ শতাংশ বেশি বাঁচতে পারে। সুখী হতে নিজের প্রতি যত্নশীল হওয়ার পাশাপাশি নিজের ভালো লাগার কাজগুলো করতে পারেন। ভালো লাগার মানুষের সাথে সময় কাটাতে পারেন। এদিকে সুখী হওয়ার পাশাপাশি আশাবাদী হওয়া ও ইতিবাচক চিন্তাভাবনাও বেশ জরুরি। গবেষণা বলছে হতাশাবাদী ব্যক্তিদের চেয়ে আশাবাদী মানুষের অকালে মৃত্যুর ঝুঁকি ৪২ শতাংশ কম।

    তাই পরিস্থিতি যেমনই হোক, আপনার বয়স যতোই হোক ‘হাসুন’। হাসির চেয়ে ভালো ওষুধ নেই। এটি আপনাকে দীর্ঘজীবী করবে। ইতিবাচক ও আশাবাদী থাকার আরেকটি উপায় হলো প্রার্থনা করা।

    জাপানের ওকিনাওয়া শহরে শতবর্ষীদের ওপর গবেষণা চালিয়ে দেখা গিয়েছে যারা ধর্মে বিশ্বাস রাখেন এবং যার যার ধর্ম পালন করেন তারা অবিশ্বাসীদের চাইতে এক থেকে পাঁচ বছর বেশি বাঁচেন।

    কারণ তারা এই জীবনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে পরিষ্কার থাকেন। যেকোনো বিপর্যস্ত পরিস্থিতিতে তারা সৃষ্টিকর্তার কথা ভেবে সান্ত্বনা পান।

    তবে যারা ধর্মে বিশ্বাস রাখেন না তারা ধ্যান করা, বিভিন্ন সামাজিক ক্লাবে যোগ দেয়ার মাধ্যমে বেশিদিন বাঁচার স্বাদ নিতে পারেন।

     

    বন্ধুত্ব:

    বন্ধু মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।

    আইরিশ জেরিয়াট্রিশিয়ান বা বয়স্কদের রোগ বিশেষজ্ঞ রোজ অ্যান কেনির মতে, সুস্থভাবে দীর্ঘ সময় বাঁচতে বন্ধু থাকা খুব জরুরি। দীর্ঘজীবী হওয়ার জন্য ব্যায়াম, সুষম খাবার এবং ধূমপান পরিহার যেমন জরুরি, বন্ধুত্বের গুরুত্ব ঠিক তেমনই। কারণ ভালো বন্ধু মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, তার প্রভাবে আয়ুও বাড়ে।

    ভালো বন্ধু বানাবেন কীভাবে তা নিয়ে মনোবিজ্ঞানী জুলিয়ান হল্ট-লুন্ডস্ট্যাড দুটি উপায়ের কথা বলেছেন।

    ১. পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং প্রতিবেশীদের সাথে আপনার ইতোমধ্যে যে সম্পর্ক আছে তা শক্তিশালী করতে পারেন। এজন্য তাদের সাথে বেশি বেশি সময় কাটান ও যোগাযোগ বাড়ান।

    ২. তবে আপনার যদি এমন বিদ্যমান সম্পর্ক না থাকে তবে নতুন সম্পর্ক গড়ে তুলুন এজন্য বাড়তি প্রচেষ্টার প্রয়োজন।

    আপনার সাথে মিলে যায় এমন মানুষ খুঁজে পেতে অনেক মানুষকে যাচাই করতে হতে পারে। তাই আপনি যদি অল্প সময়ে ভালো বন্ধু খুঁজে না পান তাহলে ধৈর্য হারাবেন না।

    মনে রাখবেন সেরা বন্ধু রাতারাতি হয় না এবং সম্পর্ক গড়ে উঠতে সময় লাগে।

     

    ঘুম:

    আপনি যদি মধ্য বয়সে এসে পৌঁছান তাহলে প্রতি রাতে পর্যাপ্ত ঘুম হওয়া ভীষণ জরুরি। সাত থেকে নয় ঘণ্টা ঘুম হলো আদর্শ। এর চেয়ে কম ঘুম বা এর চেয়ে বেশি ঘুম আমাদের মস্তিষ্ক ও হার্টের কার্যকারিতার ওপর প্রভাব ফেলে। উদাহরণস্বরূপ, প্রতি রাতে পাঁচ থেকে সাত ঘণ্টার কম ঘুমলে প্রাথমিক মৃত্যুর ঝুঁকি ১২ শতাংশ বেশি, যেখানে প্রতি রাতে আট থেকে নয় ঘণ্টার বেশি ঘুমলে আপনার আয়ু ৩৮ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। ঘুমের সময় আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ইনট্রিগ্রেন নামে এক ধরনের আঠালো পদার্থ নিঃসরণ করে। এই ইনট্রিগ্রেন ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে টি সেলসকে সাহায্য করে। সুতরাং বুঝতেই পারছেন ঘুম আয়ু বাড়াতে কতো সাহায্য করে।

    এটা ঠিক যে বয়সের সাথে সাথে ঘুম বিপর্যস্ত হয়ে যায়। কিন্তু ঘুমের সাইকেল ঠিক করার নানা পদ্ধতি রয়েছে। সেগুলো অনুসরণ করে যে করেই হোক ঘুমের রুটিন ঠিক করুন।

     

    ঠান্ডা পানিতে গোসল:

    প্রতিদিন সকালে ঠান্ডা পানিতে গোসল, কিংবা ঠান্ডা পানিতে সাঁতার কাটা হরমায়েসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমাদের শরীরের কোষে বয়স বাড়ার গতি কমিয়ে দেয়। এতে ভালো কোষের সংখ্যা বাড়ে, রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ে, ডিপ্রেশনের ঝুঁকি কমবে, মন প্রশান্ত ফুরফুরে থাকে। যা দীর্ঘায়ুর অন্যতম নির্দেশক।

     

    ব্যায়াম:

    আয়ু বাড়াতে নিয়মিত ব্যায়াম কিংবা কায়িক পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই। আপনাকে মূলত এমন ব্যায়াম করতে হবে যা আপনার হৃৎস্পন্দন এবং শ্বাস প্রশ্বাসের গতি বাড়বে। এতে মূলত হৃদপিণ্ড, ফুসফুস ও পেশির সক্ষমতা বাড়ে। ফলে ডায়াবেটিস, স্থূলতা থেকে দূরে থাকা যায় এবং আয়ু বাড়ে।

    ব্রিটেনের এক্সারসাইজ ক্লিনিক্যাল ফিজিওলজিস্ট হিথার মিল্টন জানিয়েছেন যারা মধ্য বয়সে পৌঁছেছেন তাদের উচিত নিয়মিত হার্ট, ফুসফুস ও পেশির সক্ষমতা বাড়ানোর ব্যায়াম করা।

    সেটা হতে পারে নিয়মিত দ্রুত হাঁটা এবং ভারোত্তোলন। কার জন্য কতোটুকু মাত্রার ব্যায়াম দরকার সেটি একজন ফিটনেস বিশেষজ্ঞ বলতে পারবেন। তবে গড়ে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তির উচিত হবে সপ্তাহে ১৫০ মিনিট ব্যায়াম করা।

    গবেষণায় দেখা গিয়েছে যারা সপ্তাহে মাত্র ৭৫ মিনিট ব্যায়াম করেছেন অর্থাৎ প্রতিদিন হয়তো ১০ মিনিটের কিছু বেশি, তাদের ব্যায়াম না করাদের তুলনায় এক বছর আট মাস এবং যারা সপ্তাহে পাঁচ থেকে আট ঘণ্টা ব্যায়াম করেছেন তাদের আয়ু অন্তত চার বছর বেড়েছে। পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে টানা দুই সপ্তাহের হার্টের টিস্যু শক্তিশালী হয়, ফুসফুস বেশি পরিমাণে অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারে, রক্ত নালীগুলো আগের চেয়ে বেশি ইলাস্টিকের মতো মজবুত হয় এবং নতুন লোহিত রক্তকণিকা পেশিতে অক্সিজেন সরবরাহ করে।

    একটি ফিটনেস ওয়াচের মাধ্যমে ভিওটু ম্যাক্স, হার্ট রেট এবং স্টেপস কাউন্টের সাহায্য নিজের উন্নতি পরখ করতে পারেন। কিন্তু আপনার ব্যায়ামের সুফল নষ্ট হয়ে যেতে পারে যদি আপনি টানা এক বা দুই ঘণ্টা বসে থাকেন। এক্ষেত্রে বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অফ ইনফ্লামেশন অ্যান্ড এজিং-এর পরিচালক জ্যানেট লর্ড আধা ঘণ্টা পর পর বসা থেকে উঠে হাঁটার অথবা চেয়ারে বসে দুহাত ক্রস করে উঠবস করার পরামর্শ দিয়েছেন।

    যারা ব্যায়াম করেন না তাদের নানান রোগে ভোগার আশঙ্কা যেমন বেশি, তেমনি তারা বেশ নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। অন্যদিকে কর্মঠ মানুষেরা বেশিদিন তো বাঁচেনই তাও সুস্থ ও স্বাধীনভাবে।

     

    খাবার:

    কথায় আছে আমরা সেটাই, যা আমরা খাই। বুঝতেই পারছেন আয়ুর সাথে খাবারের যোগটা কতো ঘনিষ্ঠ। এক্ষেত্রে নরওয়ের বার্গেন ইউনিভার্সিটির ডক্টর লার্স ফাডনেস মধ্য বয়সীদের নিয়মিত ডায়েটে শস্য, বাদাম, শাকসবজি, ফল এবং পরিমিত পরিমাণে মাছ যুক্ত করতে বলেছেন। সেই সাথে বন্ধ করতে বলেছেন চিনিযুক্ত পানীয় এবং প্রক্রিয়াজাত মাংস খাওয়া। মধ্য বয়সে খাদ্যাভ্যাসের এই পরিবর্তন তাদের গড় আয়ু আগের তুলনায় ১০ বছর বাড়াত পারে। এমনকি যাদের বয়স ৭০ বছরের বেশি, তাদের আয়ু আরও চার-পাঁচ বছর বাড়তে পারে যদি তারা পরিমিত স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে শুরু করেন। এই ডায়েট একেকজনের ক্ষেত্রে একেকরকম। তাই একজন পুষ্টিবিদের পরামর্শে নিজের ডায়েট চার্ট তৈরি কর সেটা মেনে চলুন। জাপানের ওকিনাওয়া শহরে শতবর্ষী মানুষদের ওপর গবেষণা চালিয়ে দেখা গিয়েছে তাদের দীর্ঘায়ুর বড় একটি কারণ তারা ভুড়িভোজ করেন না। পেটের অন্তত ২০ শতাংশ ফাঁকা রাখেন। এতে বয়স বাড়ার গতি কমে যায়।

     

    এছাড়া ইউনিভার্সিটি অব উইসকনসিনের এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে যারা ক্যালোরি কমানোর ডায়েট করেন তাদের কোষে ফ্রি র‍্যাডিকেল তৈরি হতে পারে না, এতে কোষ সুস্থ থাকে। সেইসাথে ডিএনএ মেরামত হতে থাকে। যা শতবর্ষী মানুষদের খুব সাধারণ বৈশিষ্ট্য। বয়সকালে ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে যায়, এতে তাদের দেখতেও বয়সের তুলনায় তরুণ লাগে। এবং অবশ্যই ধূমপান, মদ পান, মাদক সেবনকে মধ্য বয়স থেকে না করতে হবে। আপনার মনে রাখার সুবিধার্থে বলা হচ্ছে মধ্যবয়স থেকে দীর্ঘায়ুর জন্য ৪টি কাজ করবেন। ৪টি কাজ করবেন না। মার্কিন গবেষক লসি স্কোল্ডিংয়ের মতে সুস্থভাবে দীর্ঘ সময় বেঁচে থাকতে যে ৪টি কাজ জীবনে যুক্ত করবেন তা হলো নিয়মিত ব্যায়াম, সুষম খাদ্যাভ্যাস, সামাজিক সম্পর্ক এবং ঘুম।

    এবং যে ৪টি জিনিষ এড়িয়ে চলবেন তা হলো: মানসিক চাপ, ধূমপান, মদপান, মাদক সেবন।

  • রান্না: সজিনা দিয়ে সোনামুগ ডাল

    রান্না: সজিনা দিয়ে সোনামুগ ডাল

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ১০ মে, ২০২৪: বিভিন্ন তথ্য থেকে পাওয়া গেছে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রিয় একটি খাবার ছিলো সজিনা দিয়ে ডালের রান্না। আজ দেওয়া হলো সজিনা দিয়ে সোনামুগ ডালের একটি রেসিপি।

    Recipe by Farzana Baten (2)
    Recipe by Farzana Baten (2)

    উপকরণ:

    সোনা মুগ ডাল-৫০০ গ্রাম, সজিনা ডাঁটা-৫টা, কাঁচা আম-১টি, তেল (সরষের) ১ কাপ, শুকনা মরিচ  আস্ত ৭টা, আস্ত জিরা-১ চামচ, সাদা সরষে-১ চা চামচ, আদা কুচি-২ চা চামচ, তেজপাতা-২টা ও  লবন-স্বাদমতো।

     

    প্রণালী:

    ডাল ধুয়ে সেদ্ধ করে নিন। এবার কড়াইতে তেজপাতা, সরষে ফোড়ন, আদা কুচি দিয়ে তেলে নেড়ে ছোট করে কাটা শাজিনা ডাঁটা দিন। নাড়ুন। কিছুটা নেড়ে ডাল ঢেলে দিন। কিছুক্ষণ নেড়ে আম দিয়ে দিন। ঘন হয়ে গেলে ১ কাপ গরম পানি দিন। লবন দিন। ঘন হয়ে এলে নামিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন দারুন স্বাদের “সজিনা দিয়ে সোনা মুগ ডাল”

    রেসিপি দিয়েছেন: ফারজানা বাতেন

  • রান্না: আচারি গোশত

    রান্না: আচারি গোশত

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ৯ মে, ২০২৪: আজ দেওয়া হলো মাজাদার আচারি গোশতের রেশিপি। আপনি বাসায় সহজে তৈরি করতে পারবেন মাজাদার এই রান্নার রেসিপিটি।

    Recipe by Umme Salma (2)
    Recipe by Umme Salma (2)

    উপকরণ:

    গরুর মাংস ১ কেজি, সরিষার তেল হাফ  কাপ, শুকনা মরিচ ৩ টা, পাঁচফোড়ন ১ টেবিল  চামচ, আস্ত জিরা ১ চা চামচ, তেজপাতা ২ টা, পেঁয়াজ কুচি দেড় কাপ, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ, লাল মরিচের গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ, লবণ স্বাদমতো, গোল মরিচ গুঁড়া হাফ চা চামচ, টমেটো কুচি ১কাপ, টক দই হাফ কাপ, গরম পানি ২‌ কাপ, কাঁচা মরিচ ৭/৮ টা।

     

    প্রণালী:

    প্রথমে কড়াইয়ে সরিষার তেল দিয়ে এর মধ্যে এক এক করে পাঁচফোড়ন, শুকনো মরিচ ,তেজপাতা ও জিরা দিয়ে একটু হালকা ভেজে নিয়ে  এর মধ্যে পিয়াজ  কুঁচি দিয়ে একটু ভেজে নিব। এবার এর মধ্যে ২ টেবিল চামচ আদা ও রসুন বাটা এবং ১ টেবিল চামচ রাঁধুনি লাল মরিচের গুঁড়া ও ১ চামচ রাঁধুনি হলুদ গুড়া দিয়ে এবং হাফ চামচ ধনে গুঁড়া ও সামান্য পানি দিয়ে কষিয়ে নিব। এবার এর মধ্যে গরুর মাংস,টক দই ও  টমেটো কুচি দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিয়ে দুই কাপ গরম পানি দিয়ে ঢাকনা দিয়ে রান্না করবো। রান্না হয়ে গেলে ঢাকনা খুলে দিব।   ও ৭-৮ টা কাঁচামরিচ দিয়ে নেড়েচেড়ে উঠিয়ে নেব। এবং পরিবেশন করব।

     

    রেসিপি দিয়েছেন: উম্মে সালমা

  • লাচ্ছি: টক দই জিরা লাচ্ছি

    লাচ্ছি: টক দই জিরা লাচ্ছি

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ৮ মে, ২০২৪: এই গরমে যারা মিষ্টি এড়িয়ে চলেন এবং যাদের বাসায় ডায়াবেটিস রোগী আছে তাদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত একটি ড্রিংক হচ্ছে টক জিরা লাচ্ছি ।

    Recipe given by Farzana Haque (2)
    Recipe given by Farzana Haque (2)

    উপকরণ:

    টাক দই-৩ কাপ, ঠান্ডা পানি-১ কাপ, তাজা জিরা গুড়-১/২চামচ, বিট লবণ-১/৪ চা চামচ, চাট মসলা-১/২ চা চামচ, লাবণ- স্বাদ অনুযায়ী, চিনি-১ চা চামচ।

     

    প্রণালী:

    সব উপকরণ গুলো একসাথে মিশিয়ে ভাল মতন ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিয়ে বরফ কুচি দিয়ে সার্ভিং গ্লাসে পরিবেশণ করুন মাজাদার টক দেই জিরা লাচ্ছি।

     

    রেসিপি দিয়েছেন: ফারজানা হক

  • রান্না: এরাবিয়ান পর্দা বিরিয়ানি

    রান্না: এরাবিয়ান পর্দা বিরিয়ানি

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল  – ৭ মে, ২০২৪: আজ দেওয়া হলো সুলতান সুলেমানের আমলের জনপ্রিয় “এরিয়ান পর্দা বিরিয়ানি”র রেসিপি। আপনি সহজেই বাসায় তৈরি করতে পারেন মজাদার এই খাবারটি।

    Recipe by Chef - Hure Jannat (2)
    Recipe by Chef – Hure Jannat (2)

    উপকরণ:

    (১) মাংসের ব্রথ তৈরী:

    গরুর মাংস-১.৫ কেজি, ৩ টি-এলাচ, ২ টুকরো-দারচিনি, তেজপাতা- ৬টি, কাঁচা মরিচ-১০টি, লবন-স্বাদমতো, পানি ৬কাপ।

    (২) বিরিয়ানির মাংস রান্না:

    বেরেস্তা ভাজা তেল-১/২কাপ, ৪-৫টি এলাচ, ২টুকরো দারচিনি, লবঙ্গ ৫-৬টি, তেজপাতা-৬টি, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, আদা বাটা ১ চামচ, রসুন বাটা ১ টেনিল চামচ, বড়ো একটি জয়ফলের অর্ধেক ও একটি জয়এী একত্রে বেটে নিতে হবে, ১/৩ কাপ কাঠ বাদাম বাটা, ১চামচ জিরা ও ধনিয়া গুড়া, ২চামচ লাল মরিচ গুঁড়া, ১কাপ ফেটানো টক দই, আস্ত কাঁচা মরিচ ১০-১২টি, লবন স্বাদমতো, পেয়াজ বেরেস্তা ১ মুট, ১ চামচ গোলাপজল, ২ চামচ শাহী গরম মশলা গুড়া/প্যাকেট বিরিয়ানির মশলা, সামান্য পরিমাণ চিনি।

    (৩) পর্দা তৈরির জন্য ময়দার ডো:

    ময়দা-৪ কাপ, ড্রাই এক্টিভ ইস্ট-২ চামচ, চিনি ২ টেবিল চামচ, লবন-১/২ চামচ, তেল-৪ টেবিল চামচ, কুসুম গরম পানি পরিমান মতো।

    (৪) বিরিয়ানির জন্য পোলাও রান্না:

    চিনিগুড়া পোলাও চাল ৬ কাপ, বেরেস্তা ভাজা তেল ১/৩ কাপ ও ১ টেবিল চামচ ঘি, ৪-৫ টি এলাচ, ২টুকরো দারচিনি, ৪-৫টি লবঙ্গ, ১চামচ কালো গোলমরিচ, ২ চিমটি শাহী জিরা, ২টা তেজপাতা, ১ চামচ আদা বাটা, ১চামাচ রসুন বাটা, ২ চামচ পেয়াজ বাটা, জয়ফল+জয়ত্রী বাটা কোয়াটার চামচ, লবণ স্বাদমতো, (মাংসের ব্রথ-৪ কাপ, দুধ-৪ কাপ, পানি ৪ কাপ) মোট ১২কাপ।

     

    প্রস্তুত প্রণালী:

    প্রথমে গরুর মাংস, এলাচ, দারচিনি, লবন,কাঁচামরিচ, ৬ কাপ পানি দিয়ে মাংস জাল করে ৪ কাপ করে নিব। হয়ে গেল মাংসের ব্রথ তৈরি।

    এবার পানি থেকে মাংস তুলে নিয়ে উপরে উল্লেখিত মশলা দিয়ে মাংস টাকে ভালোভাবে রান্না করে নিব।

    এবার আগে থেকে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখা চিনিগুড়া পোলাও চাল দিয়ে এবং উল্লেখিত পোলাও তৈরির উপকরণ দিয়ে পোলাও রান্না করে নিব।

    বিরিয়ানির পর্দা তৈরী করার জন্য ইস্ট ডো রেডি করে নিব।এবার বড়ো একটি রুটি বেলে নিয়ে একটি গর্ত পাত্রে বসিয়ে দিব।এখন আগে থেকে তৈরি পোলাও থেকে কিছুটা দিয়ে দিব এবার রান্না করা বিরিয়ানির মাংস দিব, কাঠ বাদাম কুঁচি, পেঁয়াজ বেরেস্তা, মাওয়া,আলুবোখারা দিয়ে আবার পোলাও লেয়ার দিব।সামান্য ফুডকালার ও কেওরাজল ছরিয়ে দিব।এবার রুটির বারতি অংশ দিয়ে ভালো করে মুখ আটকে দিব।

    উপর থেকে সাদা তিল ও কুসুম ব্রাশ করে প্রি হিটেড ওভেন ১৮০°তে ১০-১২ মিনিট বেক করে পরিবেশন করব মজাদার সুলতান সুলেমানের আমলের এরাবিয়ান পর্দা বিরিয়ানি।

     

    রেসিপি দিয়েছেন: হুরে জান্নাত

  • রান্না: রুই মাছের ভাজা চর্চরি

    রান্না: রুই মাছের ভাজা চর্চরি

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ৬ মে, ২০২৪: আজ দেওয়া হলো রুই মাছের ভাজা চর্চরি। বাসায় এই রান্নাটি আপনি যেন সহজে করতে পারেন তাই এর উপকরণ ও রন্ধন প্রণালী দেওয়া হলো।

    Recipe given by Tabassum Tinni
    Recipe given by Tabassum Tinni

    উপকরণ:

    একটা রুই মাছ মাথা আর লেজ ছাড়া ৭-৮ টুকরা করে নিতে হবে, তেল পরিমাণ মতো, পেঁয়াজ ৬-৮ টা, লবণ-পরিমাণ মতো, হলুদ গুড়া-১ চা চামচ, মরিচ গুড়া-১ চা চামচ, ধনিয়া গুড়া ১ চা চামচ, জিরা গুড়া ১ চা চামচ, চাট মসলা-১ চামচ সাদ বাড়ানোর জন্য, সস ৬-৮ চা চামচ, আদা /রসুন বাটা-১ চা চামচ।

     

    প্রণালী:

    প্রথম মাছ গুলো  ভালো করে ধুয়ে জালি পাএ দিয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। তার পর হলুদ গুড়া, মরিচ গুড়া, জিরা গুড়া, আদা /রসুন বাটা, চাট মসলা দিয়ে মাখিয়ে রাখতে হবে ৫ মিনিট। এর পর একটি কড়াই বা প্যান এ তেল ঢেলে দিতে হবে। তেল গরম হওয়ার পর মাখানো মাছ গুলো হালকা বাদামি রং হওয়া পযন্ত ভাজতে হবে। বাদামি রং হয়ে গেলে পিয়াজ কুঁচি গুলো দিয়ে নাড়া চাড়া করতে হবে ১০ মিনিট এর মতো। ১০ মিনিট পর ঠিক ভাজা ভাজা হয়ে আসলে সস দিয়ে আরো পাঁচ মিনিট ভাজতে হবে  খেয়াল রাখতে হবে যাতে পুড়া না লাগে। তার পর একটি সুন্দর বাটিতে তুলে ফেলতে হবে। তৈরি হয়ে যাবে রুই মাছের ভাজা চর্চরি । এর উপর দিয়ে কিছু পেয়াজ এর বেরেস্তা ছিটিয়ে  পরিবেশন করুন। এটা গরম গরম ভাত ও পোলাও এর সাথে খেতে খুব মজা।

    রেসিপি দিয়েছেন : তাবাসসুম তিন্নি

  • ড্রিংক :ব্লু মুন ড্রিংক

    ড্রিংক :ব্লু মুন ড্রিংক

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ৫ মে, ২০২৪: এই গরমে  সম্পুর্ন রিফ্রেশমেন্ট দিতে পারে ১ গ্লাস ব্লু মুন ড্রিংক। সবাই বেশ পছন্দ করে,আপনিও বানিয়ে নিতে পারেন ঝটপট এই  ড্রিংকস টি। বিশেষ ভাবে এই গরমে অতি প্রয়োজনিয় এই ড্রিং টি।

    Culinary artist Kaniz Fatema Ruma
    Culinary artist Kaniz Fatema Ruma

    উপকরণ:

    হাল্কা শাঁসযুক্ত ডাবের পানি-১ কাপ, স্প্রাইট-১/৪ কাপ, চিনি-১চা চামচ, লেবুর রস-১/২ চা চামচ, নীল ফুড কালার-১ ফোঁটা, বরফ-কয়েকটুকরা।

     

    প্রণালী:

    ডাবের পানির সাথে চিনি লেবুর রস ও রং মিলিয়ে নিতে হবে। গ্লাস এ কয়েক টুকরা বরফ দিয়ে ডাবের শরবত ঢেলে নিবো। সব শেষে স্প্রাইট ঢেলে গ্লাস এ পাতলা ডাবের শাস দিয়ে পরিবেশন করতে হবে ঠান্ডা ঠান্ডা কুল কুল ব্লুমুন ড্রিংক।

     

    রেসিপি দিয়েছেন: কানিজ ফাতেমা রুমা

  • এই গরমে স্বস্তি দিতে পারে শাহনাজের তৈরি গয়না

    এই গরমে স্বস্তি দিতে পারে শাহনাজের তৈরি গয়না

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ৩ মে, ২০২৪: এখন চলছে তীব্র গরম। কিন্তু তাই বলে অনুষ্ঠানের আয়োজনের কমতি নেই। আর একটা অনুষ্ঠানে গেলে আকর্ষণীয় পোশাকের পাশাপাশি চাই ফ্যাশনেবল গয়না। যা গরমে পরতে আরামদায়ক আবার দেখতেও চমৎকার। সোনা, রুপা বা ইমিটেশনের গয়নার বিকল্প গয়না হিসেবে  গামছা, পাট, মাটি, কাঠ, কড়ি ও উল দিয়ে আকর্ষণীয় গয়না তৈরি করেছে শাহনাজ’স কালেকশনের স্বত্বাধিকারী শাহনাজ পারভীন। ইতিমধ্যে শাহনাজ এইসব মাধ্যমে গয়না তৈরি করে বেশ সুনাম কুড়িয়েছে।বিশেষ করে গামছার তৈরি গয়না নারী মহলে সাড়া ফেলেছে। পাল্টে দিয়েছেন তরুণী এবং মধ্যবয়সী নারীদের গয়না পরার ধারণা। আজ তিনি হয়ে উঠেছেন একজন সফল উদ্যোক্তা।দেশ থেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ছড়িয়ে পড়েছে শাহনাজ’স কালেকশন ব্যতিক্রমি সব সৃষ্টির মহিমা। কিভাবে তিনি একজন সাধারণ নারী থেকে সফল হয়ে উঠলেন সেটা গল্প শুনিয়েছেন শাহনাজ পারভীন নিজেই।

    তিনি জানান, ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন দেখতে খুব ভালোবাসতাম । কখন যেনো এই স্বপ্নগুলো আমার ভিতরের প্রতিভাগুলোকে টেনে বের করে নিয়ে আসে ।‌ কেমন যেনো একটা আত্ম তৃপ্তি অনুভব করলাম । মনে হল যেনো এই স্বপ্নগুলোই আমার মনের চাওয়া পাওয়া আকাঙ্ক্ষা গুলোকে জাগ্রত করে তুলছে । নিজের মনকে প্রশ্ন করলাম আসলে কোন কাজটা করলে আমি সত্যিই খুব ভালো থাকবো ? কোন কাজটা আমাকে সত্যিই খুব আনন্দ দেয় ? নিজেকে ভালো রাখার একটা জায়গা তৈরি হয় । আমরা নিজেকে যদি ভালবাসতে না পারি, ভালো রাখতে না পারি, তাহলে অন্যকে কিভাবে আমি ভালো রাখবো ? বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে অনেক রকম ঘাত-প্রতিঘাতের সম্মুখীন হয়েছি কিন্তু কখনো হাল ছাড়িনি । কারন আমার নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাসটা ছিল সব সময় ই একটু বেশি । আর নিজের কাজের প্রতি এই আত্মবিশ্বাস টা ছিল বলেই আজ আমি নিজের একটা অবস্থান তৈরি করে নিতে পেরেছি ।

    ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন রকম হ্যান্ডিক্রাফট এর কাজ করতে আমি খুব পছন্দ করতাম । ক্রিয়েটিভ জিনিসগুলো আমাকে খুব অনুপ্রাণীত করে । খুব সাধারণ জিনিসের ভেতর থেকে অসাধারণ কিছু তৈরি করতে ই আমি খুব পছন্দ করি । পড়াশুনার পাশাপাশি অবসর সময়ে বিভিন্ন রকম পোটারির কাজ , এমব্রয়ডারি কাজ , ব্লক বাটিক গয়না এরকম বিভিন্ন ধরনের কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকতাম ।

    আমি খেয়াল করতাম ছোট ছোট যে কাজগুলোই আমি করে থাকি সবাই খুব প্রশংসা করতো , সেখান থেকেই আমার নিজের কাজের প্রতি একটা আত্মবিশ্বাস তৈরি হয় এবং কাজের প্রতি আস্তে আস্তে আরো আগ্রহ বেড়ে গেল, বিভিন্ন মহল থেকে অনুপ্রাণিত হলাম । পরের অধীনে থেকে কাজ করার ইচ্ছাটা কখনোই আমার মনকে সারা দিত না । স্বাধীনভাবে কিছু করার ইচ্ছাটা ছিল সব সময় । ইউনিক কিছু কাজ করার বা নিজে পরিধান করার মধ্যে অন্য রকম একটা ভালো লাগা কাজ করতো সব সময় । আর সেই ভালো লাগার থেকেই শুরু হয় আমার এই পথ চলা । আর এভাবে হয়ে গেলাম একজন উদ্যোক্তা।

    কাজ করছি আমাদের দেশের ঐতিহ্যপূর্ণ এবং মানসম্মত নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য নিয়ে । আমি চাই আমাদের দেশের এই ঐতিহ্যপূর্ণ পণ্যগুলো সারা বিশ্বের ছড়িয়ে পড়ুক । এই প্রোডাক্টগুলোর সম্বন্ধে সবাই জানুক এবং ব্যবহার করুক । আমাদের দেশে এখন অনেক মানসম্মত পণ্য সামগ্রী তৈরি হচ্ছে যা বিদেশি পণ্যগুলোর থেকেও কোন অংশে কম নয় ।

    আমি কাজ করছি আমাদের দেশের ঐতিহ্য গামছা দিয়ে তৈরি ইউনিক জুয়েলারি নিয়ে। এই জুয়েলারিগুলো বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পড়ার জন্য খুবই মানানসই । এই গামছা জুয়েলারি গুলো খুবই কালারফুল হয়, তাই যেকোনো শাড়ি কিংবা ড্রেস এর সাথে খুব সুন্দর মানিয়ে যায় ।আলহামদুলিল্লাহ আমার নিজের হাতে বানানো এই জুয়েলারি গুলো আমেরিকা এবং কানাডা সহ বেশ কয়েকবার দেশের বাইরে পৌছে গেছে ।

    খাঁটি সরিষার তেল ও নারিকেল তেল । শ্রীমঙ্গলের বেস্ট কোয়ালিটি চা পাতা ( ফ্রেশ টি ও গ্রিন টি ) , কুষ্টিয়া কুমারখালীর ঐতিহ্যপূর্ণ গামছা , রকমারি চাদর এবং আমার  হ্যান্ডিক্রাফট’স এর ইউনিক জুয়েলারি সহ বিভিন্ন রকম পণ্য সামগ্রী ।

    আসলে যেকোনো কাজ ভালোবেসে করলে সেটা অবশ্যই সুন্দর হবে । দরকার শুধু একাগ্রতা, একনিষ্ঠতা, সততা এবং দৃঢ় মনোবল । তবে  প্রদিটি নারীর উচিত পরিবারের মানুষদের নিজের কাজের গুরুত্বটা বোঝানো, কারণ একজনের পক্ষে পুরো পরিবারের। দায়িত্ব বহন করা সত্যিই খুব কষ্টসাধ্য ব্যাপার । পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও যদি এগিয়ে আসতে পারে তাহলে পরিবার টাও আরও স্বাচ্ছন্দ্য এবং সুখের হতে পারে।

    আজ আমার পাশে আমার পুরো পরিবার এবং গুণীজনেরা এসে দাঁড়িয়েছেন । সকলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ । আজ তারা আমার পাশে না থাকলে আমার একার পক্ষে কখনোই সফল হওয়া সম্ভব ছিল না । ইনশাআল্লাহ এভাবেই সকলের ভালোবাসা এবং সর্বাত্মক সহযোগিতায় আমার উদ্যোগ শাহনাজ’স কালেকশনের একদিন সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে।

  • রান্না: ঠান্ডা ঠান্ডা দুধ ডাবের ডেজার্ট

    রান্না: ঠান্ডা ঠান্ডা দুধ ডাবের ডেজার্ট

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ২ মে, ২০২৪: এই তীব্র গরমে আপনি যেন বাসায় তৈরি করে খেতে পারেন ঠান্ডা ঠান্ডা দুধ ডাবের ডেজার্ট, তাই আজ দেওয়া হলো এই খাবারের রেসিপি।

    Culinary Artist - Farzana Rahman Sweety
    Culinary Artist – Farzana Rahman Sweety

    উপকরণ:

    সাগুদানা-১/৪ কাপ, দুধ-২ কাপ, চিনি-১/৪ কাপ, আগার আগার পাউডার-১ টেবিল চামচ, ডাবের পানি-১টা ডাবের পানি, কাস্টারড পাউডার-১ টেবিল চামচ, চিনি-২ চা চামচ।

     

    প্রস্তুত প্রণালী:

    প্রথমে একটা হাড়িতে ডাবের পানি নিয়ে আগার পাউডার দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে জাল করে নিতে হবে। বলক উঠলে ২ চা চামচ চিনি দিয়ে আবারও জ্বাল  করে নিতে হবে ২মিনিট। একটা পাত্রে ঢেলে  ঠান্ডা হতে দিতে হবে। ।ঠান্ডা হলেই জমে যাবে। জমে গেলে ছোট ছোট টুকরা করে কেটে নিতে হবে।  এবার সাগুদানা গুলো  বেশি করে পানি দিয়ে  ভালো মত সিদ্ধ করে নিতে হবে।  একটা ঝাঁঝরি র মধ্যে ঢেলে পানি ঝড়িয়ে নিতে হবে। এবার দুধ জ্বাল দিতে হবে চিনি সহ। কাস্টারড পাউডার অল্প পানি দিয়ে গুলিয়ে দুধের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে। একটু ঘন হয়ে এলে সাগুদানা গুলো দিয়ে  নামিয়ে নিতে হবে। এবার কেটে রাখা ডাবের পুডিং গুলো দুধ সাগুর  মধ্যে ঢেলে দিতে হবে।ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে পরিবেশন করতে হবে   ঠান্ডা ঠান্ডা দুধ ডাবের ডেজার্ট।

    রেসিপি দিয়েছেন: ফারজানা রহমান সুইটি