কলিগদের সাথে হোক সামঞ্জস্যপূর্ণ ফর্মাল রিলেশনশিপ

কলিগদের সাথে হোক সামঞ্জস্যপূর্ণ ফর্মাল রিলেশনশিপ

আপনি বরাবরই হাসিখুশি, সকলের সঙ্গে মজা করতে ভালবাসেন। আর এই কারণে বন্ধুবান্ধব মহলে বেশ জনপ্রিয়। ভেবেছিলেন অফিসেও ঠিক এমনই থাকবেন। কিন্তু অফিস আর কলেজের মধ্যে যে কয়েক যোজন পার্থক্য আছে, তা আপনি আন্দাজও করতে পারেননি। প্রথমদিকে সকলের সঙ্গে বেশ মানিয়ে নিলেও আপনার ইমেজটাই হয়ে উঠল আপনার শত্রু। কেউ যেন আপনাকে সিরিয়াসলি নেয় না, পিছনেও নানা মন্তব্য করে। নিন্দুকেরও অভাব নেই। কেউ ভাবেন আপনি ফ্লার্টবাজ তো কারও মতে আপনি গায়ে পড়া। আর আপনি ভাবেন যে কাকে দোষ দেবেন, নিজেকে না সহকর্মীদের! আসলে অফিসে সহকর্মীদের সঙ্গে বন্ধুর এবং ফর্মাল রিলেশনশিপের সঠিক ব্যালেন্স বজায় রাখা এখানে খুব জরুরী।

কী করবেন

  • কলিগদের সঙ্গে সম্পর্কের রসায়নে প্রধান উপকরণ প্রোফেশনালিজম। অফিস আওয়ার্সে কাজ যেন সবসময় আপনার টপ প্রায়োরিটি হয়। সহকর্মীদের সঙ্গে আলাপচারিতার সময়ও কাজ সংক্রান্ত আলোচনাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিন।
  • সহকর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখাটা খুবই প্রয়োজনীয়। দেখা হলে উইশ করা, প্রয়োজনে সাহায্য করা, হঠাৎ অ্যাবসেন্ট হলে ফোন করে খোঁজ নেওয়া- এ সবই একজন বন্ধু এবং কলিগ হিসেবে আপনার কর্তব্য, কিন্তু সকলের সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করাটা বোধহয় ঠিক নয়।
  • সফল টিমওয়ার্কের জন্যে নিজের ইগো নিয়ন্ত্রণে রাখা খুবই জরুরি। ছোটখাটো মন কষাকষি যেন ঝগড়ার পর্যায়ে না পৌঁছায় সে সম্পর্কে সতর্ক থাকুন।
  • অফিসে অবসর সময়টুকু শুধুমাত্র গসিপ করে ব্যয় করবেন না। ছোটখাটো মন্তব্য সবাই করে থাকেন কিন্তু সেটা অতিরঞ্জিত করে কুৎসা ছড়ানো কুরুচির পরিচয়। পিছনে সমালোচনা করার চেয়ে সোজাসুজি কথা বলে নেওয়া অনেক বেশি কার্যকর।
  • নিজস্ব ধ্যানধারণা অন্যের উপরে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন না। প্রত্যেকেরই কাজ করার নিজস্ব ধরন থাকে, সেই নিজস্বতাকে সম্মান করে চলুন।

তথ্যসূত্রঃ আউরিস.কম

পূর্ববর্তী গার্লিক চিকেন
পরবর্তী প্রচলিত সিগারেটের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের পরামর্শ গবেষকদের