Category: অর্থনীতি

  • আমদানির পর ডিমের দাম কমেছে

    আমদানির পর ডিমের দাম কমেছে

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৫ নভেম্বর, ২০২৩: বেশ কয়েক মাস ধরে দেশের বাজারে ডিমের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে। তাই সরকার গত দেড় মাসে কয়েক দফায় ২৫ কোটি ডিম আমদানির অনুমতি প্রদান করে। এর মধ্যে ৬২ হাজার ডিম দেশে পৌঁছেছে। সরকারের ডিম আমদানির এই পদক্ষেপের ইতিবাচক প্রভাব ইতোমধ্যে খুচরা বাজারে উল্লেখযোগ্যভাবে পড়েছে। কয়েকদিন আগের ১৫ টাকার ডিম এখন ১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিম প্রতি ৫ টাকা দাম কমায় ভোক্তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছে।

    সরকারি বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) প্রতিদিনের খুচরা বাজার দর অনুযায়ী, গত দুই দিনি ধরে রাজধানীর বাজারগুলোতে প্রতি হালি ফার্মের মুরগির ডিম ৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

    বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ বাসসকে বলেন,‘ ডিম আমদানি করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়, আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো ডিমের দাম কমানো। আমরা সেখানে সফল হয়েছি। সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কম দামে এখন ডিম বিক্রি হচ্ছে।’

    গত ১৪ সেপ্টেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রতিটি ফার্মের ডিমের সর্বোচ্চ খুচরা দর ১২ টাকা বেঁধে দেয়ার তিন দিন পর গত ১৭ সেপ্টেম্বর ডিম আমদানির অনুমোদন দেয়া শুরু করে মন্ত্রণালয়। এখন পর্যন্ত ২৫ কোটি ডিম আমদানির অনুমোদন দেয়া হয়।

    শুধুমাত্র ডিম নয়, আলু, তেল, পেঁয়াজসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ বাড়ানোর মাধ্যমে বাজার স্থিতিশীল বা দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    সূত্র: বাসস

  • ১৩০টি পোশাক কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে: বিজিএমইএ সভাপতি

    ১৩০টি পোশাক কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে: বিজিএমইএ সভাপতি

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১২ নভেম্বর, ২০২৩: মজুরি বৃদ্ধির পরও আন্দোলনের নামে কারখানা ভাঙচুর করা হচ্ছে, তাই ১৩০টি পোশাক কারখানার সব কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তৈরি পোশাক মালিক ও রপ্তানিকারক সমিতি বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান।

    তিনি বলেন, মজুরি বৃদ্ধির পরও আন্দোলনের নামে বিভিন্ন জায়গায় কারখানা ভাঙচুর করা হচ্ছে। মজুরি ঘোষণার পর থেকে বেশ কিছু কারখানায় অজ্ঞাতনামা কিছু উচ্ছৃঙ্খল শ্রমিক অযৌক্তিক দাবিতে বেআইনিভাবে কর্মবিরতি পালন করে কর্মকর্তাদের মারধর করেছে। কারখানার ভেতরে ব্যাপক ভাঙচুর ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতে আশুলিয়া, কাশিমপুর, মিরপুর ও কোনাবাড়ি এলাকার প্রায় ১৩০টি পোশাক কারখানা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। এসব কারখানার মালিকরা মূলত কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং কারখানার সম্পত্তি রক্ষার স্বার্থে কারখানার সব বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যেসব কারখানা শ্রমিকরা কাজ করতে আগ্রহী ,সেগুলোতে কাজ চলছে । তাদের কাজ চলমান থাকবে।

    আজ রবিবার (১২ নভেম্বর) উত্তরায় বিজিএমইএ অফিসে ‘পোশাক শিল্পে ন্যূনতম মজুরি ও বর্তমান শ্রম পরিস্থিতি’ বিষয়ক সংবাদ সম্মেলনে বিজিএমইএ সভাপতি এ কথা বলেন।

    ফারুক হাসান বলেন, আমরা যখন বৈশ্বিক ও আর্থিক চাপের মধ্যে থেকেই টিকে থাকার সংগ্রাম করছি, ঠিক তখন শিল্পকে নিয়ে শুরু হয়েছে নানা অপতৎপরতা। বিশেষ করে আমাদের শান্ত শ্রমিক গোষ্ঠীকে উসকানি দিয়ে অশান্ত করা হচ্ছে। আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে সেটা লক্ষ্য করছি, মজুরি বৃদ্ধির পরও আন্দোলনের নামে বিভিন্ন জায়গায় কারখানা ভাঙচুর করা হচ্ছে।

    বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, উদ্যোক্তারা কিন্তু অনেক সীমাবদ্ধতার মধ্যে থেকেই অনেক ঝুঁকি নিয়ে এই শিল্প পরিচালনা করছেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছেন, অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন। এমন অনেক উদ্যোক্তা আছেন, যারা লোকসান দিয়েও কারখানা সচল রেখেছেন, শুধুমাত্র ব্যবসা টিকিয়ে রাখার জন্য। শ্রমিকদেরকে বেতন দিচ্ছেন ঋণের বোঝা মাথায় রেখে।

    তিনি বলেন, শুরু থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৬ হাজার ৮৮৫টি পোশাক কারখানা বিজিএমইএ এর সদস্যপদ গ্রহণ করলেও কালের পরিক্রমায় ৩ হাজার ৯৬৪টি সদস্য কারখানা বিভিন্ন কারণে বন্ধ হয়ে গেছে। অবশিষ্ট ২ হাজার ৯২১টি সদস্য কারখানার মধ্যে ২ হাজার ৩৩৯টি কারখানা বিজিএমইএ-তে তাদের সদস্যপদ নবায়ন করেছে। এই ২ হাজার ৩৩৯টি সদস্য কারখানার মধ্যে মাত্র ১ হাজার ৬০০টি সদস্য কারখানা ক্রেতাদের কাছ থেকে সরাসরি অর্ডার এনে কাজ করছে। অর্থাৎ আমাদের এ মুহূর্তে সরাসরি রপ্তানিকারক কারখানার সংখ্যা মাত্র ১ হাজার ৬০০টি।

    তিনি আরও বলেন, ‘সদস্যপদ নবায়ন করা ২ হাজার ৩৩৯টি কারখানার মধ্যে ১ হাজার ৬০০ কারখানা বাদে বাকি কারখানাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কারখানা বিভিন্ন ব্যাংক দেনা ও দায়ের কারণে সরাসরি ব্যাক-টু-ব্যাক খুলতে পারছে না। ফলে তারা ক্রেতাদের কাছ থেকে সরাসরি অর্ডার নিতে পারছে না। এই সদস্য কারখানাগুলো মূলত সাব-কন্ট্রাক্টের মাধ্যমে তাদের ব্যবসা টিকিয়ে রেখেছে। অবশিষ্ট কারখানাগুলো ব্যাংক দেনা ও আর্থিক সংকটের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে। তবে তারা আগামীতে দেনা পরিশোধ করে ব্যবসায় ফিরে আসতে ইচ্ছুক।’

    বিজিএমইএ সভাপতি আরও বলেন, ‘শুধু করোনা মহামারির কারণে ২০২০-২১ সালে বন্ধ হওয়া কারখানার সংখ্যা ৩১৭টি এবং পরবর্তীতে অন্যান্য কারণে প্রতিযোগী সক্ষমতা ধরে রাখতে না পারার কারণে ২৬০টি কারখানা বন্ধ হয়েছে।’

  • বছরে ২৭ লাখ মেট্রিক টন আলু উদ্বৃত্ত থাকার কথা: বাণিজ্যমন্ত্রী

    বছরে ২৭ লাখ মেট্রিক টন আলু উদ্বৃত্ত থাকার কথা: বাণিজ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ০৯ নভেম্বর, ২০২৩: বছরে ২৭ লাখ মেট্রিক টন আলু উদ্বৃত্ত থাকার কথা, বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।তিনি বলেন, আলু কোল্ড স্টোরেজে আছে। এটা ঠিক ব্যবসায়ীরা কিছুটা সুযোগ নিচ্ছে। এখানে কিছু তথ্য সংক্রান্ত ব্যাপার পরিষ্কার হওয়া দরকার। আমাদের কৃষি মন্ত্রণালয় বলছে, এক কোটি ৭-৮ লাখ মেট্রিক টন আলু আমাদের দেশে উৎপাদিত হয়। আর আমরা ভোগ করি ৭০-৭৫ লাখ মেট্রিক টন। তাহলে ২৭ লাখ মেট্রিক টন আলু উদ্বৃত্ত থাকার কথা। কিন্তু আমরা এই হিসাবটি সঠিক বলে দেখছি না। আজকে আমরা সব কোল্ড স্টোরেজ হিসাব করে দেখেছি, এককেজি আলুও আমদানি হয়নি। তাহলে কোথাও ভুল রয়েছে।

    আজ বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) সকালে দেশব্যাপী এক কোটি স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ ও চালসহ টিসিবি পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম-২০২৩ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    রাজধানীর মালিবাগে অবস্থিত পিডব্লিউডি স্টাফ কোয়ার্টারে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) আঞ্চলিক কার্যালয়।

    বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আলু আজকে আমাদের দেশে ঢুকতে শুরু করেছে। ৬৮ হাজার টন আলু দেশে এসেছে । যা আমাদের জন্য কিছুই না। কিন্তু তারই প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। অসাধু ব্যবসায়ীরা বুঝতে পারছে আলু ঢুকবে, তারা দাম কমাতে শুরু করেছে। এই কথা সত্যি অসাধু ব্যবসায়ীরা বার বার সুযোগ নেয়। আমরা চেষ্টা করছি, সীমিত জনশক্তি নিয়ে এটিকে নিয়ন্ত্রণ করার।

    পেঁয়াজের দামের বিষয়ে তিনি বলেন, আজকে বিশ্বজুড়ে যে মূল্যস্ফীতি চলছে, এর প্রভাব থেকে আমরা বের হতে পারছি না। আমাদের দেশে যতটুকু পেঁয়াজ প্রয়োজন তার ৮০ শতাংশ আমরা উৎপাদন করি। ২০ শতাংশ পেঁয়াজ আমাদের সংকট রয়েছে। বেশ কয়েক বছর ধরে আমরা এটি উন্নীত করার চেষ্টা করছি। এই বছরও আমাদের ২৪ লাখ টন পেঁয়াজ প্রয়োজন। এর মধ্যে আমাদের ৭-৮ লাখ টন সংকট রয়েছে। এটি আমাদের আমদানি করতে হয়। আর আমরা ৯০ শতাংশ পেঁয়াজ আমদানি করি ভারত থেকে। কিন্তু গত কয়েক মাস আগে ভারত তাদের পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করলো। তাদের দেশেও অভাব শুরু হয়েছে।

    বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, গত দিন ১৫ আগে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানির দাম ঠিক করে দিয়েছে আটশ ডলার। অতএব ভারত থেকে যদি পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়, তাহলে আমাদের ৯০ টাকা কেজি দাম ধরতে হবে। তারপর আবার ট্যাক্স আছে, ডিউটি আছে। অর্থাৎ ভারত থেকে আমরা যদি পেঁয়াজ আমদানি করি তাহলে ১১০ থেকে ১২০ টাকা দাম পড়বে। বর্তমান পরিস্থিতিতে আমাদের এই দামেই পেঁয়াজ আনতে হবে। আমাদের দেশি পেঁয়াজও শেষ প্রান্তে। আশা করছি, আগামী মাসের মাঝামাঝিতে নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসবে, তখন পেঁয়াজের দাম কমবে।

    ডিমের দামের বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ডিম আমাদের দেশে একটিও ঢুকেনি। কিন্তু ডিম আমদানির নির্দেশ দেওয়ার পরদিন এক টাকা করে প্রতি ডিমে দাম কমে গেছে। দেড় মাস চেষ্টার পর আমরা ডিম আমদানি করতে পারলাম। বিভিন্ন আইনি জটিলতা পার করে গত দুই দিন আগে ডিম দেশে এসেছে। বাজারে ভীষণ রকমভাবে এর প্রভাব পড়েছে। আজকে কোথাও কোথাও ১০ টাকা- সাড়ে ১০টাকায় কোথাও কোথাও ডিম পাওয়া যাচ্ছে। আলুও ঢুকতে শুরু করেছে। আলুর দামও কমে যাবে।

    তিনি আরও বলেন, আমরা একটি স্বপ্নের বাংলাদেশ তৈরি করতে চেয়েছিলাম। অসংখ্য মানুষের রক্তে কেনা এই বাংলাদেশ। আমাদের এই বাংলাদেশকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ করতেই হবে। কোনো অসাধু রাজনীতিবিদ, সুযোগ সন্ধানী, যাদের মাথার ওপর এখনো পাকিস্তানের ভূত আছে, সেসব রাজনীতিবিদের হাত থেকে বাংলাদেশকে আমাদের বের করে নিয়ে আসতে হবে।

    টিসিবির স্মার্ট কার্ডের বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশকে স্মার্ট বাংলাদেশের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। তারই ধারাবাহিকতায় এক কোটি পরিবারকে টিসিবির স্মার্ট কার্ড দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। এখন থেকে আর কোথাও কোনো অসামঞ্জস্যতা থাকবে না। আমরা কয়েক মাসের মধ্যে এই এক কোটি কার্ড সবার মাঝে পৌঁছে দেবো।কেউ একটি টাকাও এর জন্য খরচ করবেন না।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ। এছাড়া অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আরিফুল হাসান, ডিএসসিসির ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মামুন রশিদ শুভ্র। এতে সহযোগিতা করেন মেসার্স জে. কে. ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. মনির হোসেন জমাদ্দার।

    এই স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রতি মাসে একটি পরিবারকে ৩০ টাকা দরে পাঁচ কেজি চাল, ১শ টাকা দরে দুই লিটার সয়াবিন তেল, ৬০ টাকা দরে দুই কেজি মশুর ডাল, ৭০ টাকা দরে এক কেজি চিনি দেওয়া হবে।

  • আজ শুরু হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শিল্পনগর থেকে পণ্য রফতানি

    আজ শুরু হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শিল্পনগর থেকে পণ্য রফতানি

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ০৯ নভেম্বর, ২০২৩: মীরসরাইয়ের বঙ্গবন্ধু শিল্পনগর থেকে আজ প্রথমবারের মতো পণ্য রফতানি শুরু হচ্ছে। চীনের মালিকানাধীন কেপিএসটি সু (বিডি) কোম্পানি লিমিটেড সব প্রক্রিয়া শেষে বেপজা থেকে অনুমোদন পেয়েছে।

    আজ বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) এই শিল্পনগর থেকে পণ্য রফতানি শুরু হচ্ছে। প্রথম চালানে জুতা তৈরির সামগ্রী প্রায় তিন লাখ ৪৯৩ হাজার মার্কিন ডলারের ইভা শিট রফতানি হবে।

    গত ৩ নভেম্বর থেকে কেপিএসটি সু (বিডি) কোম্পানি লিমিটেড বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে। ৮.০৬ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ পরিকল্পনা নিয়ে কোম্পানি এখন পর্যন্ত বিনিয়োগ করেছে ৩.৪৮ মিলিয়ন ডলার।

    জানা গেছে বিদেশে রফতানির সব প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এই চালানটি ঢাকার গাজীপুরের ব্লু ওশান ফুটওয়্যার নামের প্রতিষ্ঠানে যাবে। বিদেশি বায়ার মনোনীত কোম্পানি হিসেবে কেপিএসটি সুজ থেকে ব্লু ওশান ফুটওয়্যার জুতা তৈরির সামগ্রী নিচ্ছে। এটাকে ডিমড এক্সপোর্ট বলা হয়।

    বেপজা সূত্র জানায়, এরই মধ্যে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে চীনের মালিকানাধীন ফ্যানকুন কম্পোজিট ম্যাটেরিয়াল কোম্পানি বিডি লিমিটেড ও কাইশি লিঙ্গারি বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেড নামে আরও দুটি প্রতিষ্ঠান পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু করেছে। এর মধ্যে জুতার অ্যাকসেসরিজ উৎপাদনকারী ফ্যানকুন কম্পোজিট বিনিয়োগ করবে ২.২ মিলিয়ন ডলার, কাইশি লিঙ্গারি বিনিয়োগ করবে ৬১ মিলিয়ন ডলার।

  • বৈশ্বিক পরিস্থিতিসহ সার্বিক কারণে সবকিছুর দাম বেড়ে গেছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

    বৈশ্বিক পরিস্থিতিসহ সার্বিক কারণে সবকিছুর দাম বেড়ে গেছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৮ নভেম্বর, ২০২৩: বৈশ্বিক পরিস্থিতিসহ সার্বিক কারণে সবকিছুর দাম বেড়ে গেছে, বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।  সাংবাদিকদের তিনি বলেন, দাম বেড়েছে এর প্রভাব কাটানো সম্ভব হবে, যদি আপনারা ইতিবাচক হন। বৈশ্বিক পরিস্থিতিসহ সার্বিক কারণে এটি হয়েছে। কাজেই এটি বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচনে প্রভাব ফেলা ঠিক হবে না। এটি নির্ভর করে আপনারা কতটুকু ইতিবাচক হবেন, তার ওপর। তবে বিদ্যমান বাজার পরিস্থিতিতে শহরের দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের লোকদের খুব কষ্ট হচ্ছে।

    আজ বুধবার (৮ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ন্যাশনাল ট্যারিফ পলিসি মনিটরিং ও রিভিউ কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

    বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন,  আমার এলাকার মানুষের কষ্ট নেই। কারণ তারা আলুর দাম পাচ্ছে। আমাদের তো কৃষিভিত্তিক এলাকা। একেক এলাকা একেক রকম। ঢাকা শহরে অনেক সমস্যা। কিন্তু আজ থেকে ২০ বছর আগে আমার এলাকায় ১০টা মোটরসাইকেল ছিল, ২০০১ সালে। তখন আমি প্রথম নির্বাচন করি। আজ সেখানে হাজার হাজার মোটরসাইকেল।

    গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা প্রসঙ্গে টিপু মুনশি বলেন, দেখুন, একশ ভাগ শান্তি ঠিক করা যায় না। কেউ খুশি হবেন, কেউ অখুশি হবেন। যারা খুশি না, তারা যদি ২০ হাজার টাকা বেতন পেতেন, তাহলে খুশি হতেন। আমাদের একটি জায়গায় আসতে হবে, যেখানে দুপক্ষেরই রক্ষা হয়। ১০০ ভাগ সন্তুষ্ট করা যায় না।

    তিনি আরও বলেন, গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতনই কেবল বাড়ানো হয়নি, তাদের বেসিকের অ্যামাউন্টও বাড়ানো হয়েছে। আপনারা জানেন, সাড়ে ১২ হাজার টাকা বেতনের সঙ্গে দিনে তারা দুই ঘণ্টা ওভার টাইম করেন, একটা হাজিরা বোনাস পান। কাজেই যার বেতন সাড়ে ১২ হাজার টাকা, তিনি কিন্তু ১৬ থেকে ১৭ হাজার টাকা তুলবে। কথাটি সাধারণভাবে জানা যায় না। এরপরও প্রত্যেককে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে, তাতে মাসে অন্তত ৫০০ টাকা সাশ্রয় হবে।

    বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে যেটা দেওয়া হয়েছে, সেটা ভালো দাবি করে বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, তারপরেও কিছু বাদ থেকে যায়। আমার মনে হয়, অধিকাংশ মানুষই সেটা মেনে নেবেন।

  • পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি সাড়ে ১২ হাজার টাকা

    পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি সাড়ে ১২ হাজার টাকা

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৭ নভেম্বর, ২০২৩: গাজীপুরে বেতন বাড়ানোর দাবিতে তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের বিক্ষোভ চলছিলো বেশ কিছুদিন ধরে। এর জেরে বেশ কিছু কারখানও বাসে আগুন দেয় বিক্ষোভকারিরা। শ্রমিকাদরে দাবির প্রেক্ষিতে আজ তাদের মজুরি নির্ধারণ করাহয়। মজুরি বাড়ানোর লক্ষ্যে গঠিত নিম্নতম মজুরি বোর্ডের ৬ষ্ঠ সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এখন থেকে তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি সাড়ে ১২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    আজ মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ মজুরি ঘোষণা করেন শ্রম প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান।

    তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই আমরা এটা ঘোষণা করছি। ন্যূনতম মজুরি ৫৬ দশমিক ২৫ শতাংশ বাড়বে। আট হাজার টাকা থেকে সাড়ে ১২ হাজার টাকা হবে। সঙ্গে বছরে পাঁচ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট থাকবে।

    এর আগে বেলা সাড়ে ১২টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় মজুরি বোর্ডের সভাকক্ষে এ সংক্রান্ত  আলোচনা শুরু হয়। এতে শ্রমিকদের পক্ষ থেকে প্রতিনিধি ছিলেন সিরাজুল ইসলাম রনি। অন্যদিকে মালিকদের পক্ষ থেকে প্রতিনিধি ছিলেন সিদ্দিকুর রহমান।

    সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন নিম্নতম মজুরি বোর্ডের সচিব রাইসা আফরোজ, নিরপেক্ষ সদস্য অধ্যাপক ড. মো: কামাল উদ্দীন এবং শ্রমিকদের প্রতিনিধিত্বকারী সদস্য ও জাতীয় শ্রমিক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুলতান আহম্মদ।

    এর আগে গত ১ নভেম্বর ৫ম সভায় মজুরি বোর্ডে শ্রমিক প্রতিনিধি সিরাজুল ইসলাম রনি শ্রমিকদের নিম্নতম মজুরি ২০ হাজার ৩৯৪ টাকার প্রস্তাব করেন। অপরদিকে মজুরি বোর্ডে পোশাক কারখানার মালিকদের প্রতিনিধি সিদ্দিকুর রহমান ন্যূনতম মজুরি ১০ হাজার ৪০০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করেন। উভয়পক্ষ প্রস্তাবনায় তাদের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন।

    এদিকে, শ্রমিকদের বেতন ২৫ হাজার করার দাবিতে আন্দোলন করছে মজুরি বৃদ্ধিতে গার্মেন্টস শ্রমিক আন্দোলন, বাংলাদেশ গার্মেন্টস ও সোয়েটার্স শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র, গার্মেন্টস শ্রমিক ও শিল্পরক্ষা জাতীয় মঞ্চ, গার্মেন্টস ওয়াকার্স এলায়েন্স, বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড শিল্প শ্রমিক ফেডারেশন, গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য মঞ্চ, জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন, গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্টসহ বেশ কয়েকটি সংগঠন।

  • সৌদি আরবের ব্যবসায়ী সংগঠনের সঙ্গে এফবিসিসিআইয়ের প্রতিনিধি দলের বৈঠক

    সৌদি আরবের ব্যবসায়ী সংগঠনের সঙ্গে এফবিসিসিআইয়ের প্রতিনিধি দলের বৈঠক

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৭ নভেম্বর, ২০২৩: গতকাল সোমবার ( ৬ নভেম্বর)  সৌদি আরবে জেদ্দা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সাথে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে । দুই দেশের ব্যবসায়ীরা মনে করছে যে, বাংলাদেশ এবং সৌদি আরবের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরের উপযুক্ত সময় এখনই। উভয় দেশের এই বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা উচিৎ।

    এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, সারা বিশ্বেই ব্যবসা-বাণিজ্যের ধরণ পরিবর্তন হচ্ছে। সেই সাথে সামনে আসছে নিত্য নতুন চ্যালেঞ্জ। ২০২৬ সাল নাগাদ এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের পর বাংলাদেশও বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। এমন অবস্থায়, সমন্বিত সাপ্লাই চেইনের সুফলকে কাজে লাগিয়ে আগামী দিনের চ্যালেঞ্জসমূহ মোকাবিলা করতে বাংলাদেশ এবং সৌদি আরবকে এখনই এফটিএ (মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি) স্বাক্ষরের উদ্যোগ নিতে হবে।

    বাংলাদেশের শ্রমশক্তি রপ্তানির অন্যতম একটি গন্তব্য সৌদি আরব উল্লেখ করে এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, সৌদি আরব বর্তমানে হাই-টেক ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট এবং শিল্প বহুমুখীকরণের জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এই মূহুর্তে তাদের বিপুল দক্ষ কর্মী বাহিনীর দরকার হবে। এদিকে বাংলাদেশ এখন ”ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড” সুবিধার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ দেশে বিপুল সংখ্যক কর্মক্ষম, অভিজ্ঞ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে দক্ষ তরুণ জনশক্তি রয়েছে।

    তিনি সৌদি আরবের বিভিন্ন সেক্টরে বাংলাদেশের দক্ষ তরুণ কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও প্রসারিত করার আহ্বান জানান।

    বৈঠকে সৌদি আরবের ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তাদের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প নগরে প্রস্তাবিত সৌদি আরব বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের আহ্বান জানান মাহবুবুল আলম। একই সাথে দেশের অন্যান্য অর্থনৈতিক অঞ্চলেও সৌদি বিনিয়োগকারীদের শিল্প স্থাপনের জন্য আমন্ত্রণ জানান তিনি।

    বাংলাদেশে পরিবেশবান্ধব জ্বালানি, অবকাঠামো, গাড়ির যন্ত্রাংশ, কেমিক্যাল, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও রবোটিকসসহ বেশকিছু খাতে সৌদি আরবের বিনিয়োগ সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানানো হয় বৈঠকে।

    জেদ্দা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি  বাংলাদেশে বন্দর ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

    দুই দেশের ব্যবসায়ীদের বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই সহসভাপতি মো. খায়রুল হুদা চপল, মো. রাশেদুল হোসেন চৌধুরী রনি, মো. মুনির হোসেন, পরিচালক মো. হাবিব উল্লাহ ডন, হাসিনা নেওয়াজ, খন্দকার রুহুল আমিন, মো. আলী হোসেন শিশির, মো. এনায়েত উল্লাহ, বি এম সোহেব, সহিদুল হক মোল্লা, ফখরুস সালেহীন নাহিয়ান, সালমা হোসেন এশ, মো. আমীর হোসাইন নুরানী, মো. ফায়জুর রহমান ভূঁইয়া, সৈয়দ মোহাম্মদ বখতিয়ার প্রমুখ।

    সূত্র: বাসস

  • ভোক্তাপর্যায়ে এলপি গ্যাসের দাম বাড়লো

    ভোক্তাপর্যায়ে এলপি গ্যাসের দাম বাড়লো

    www.HelloBangla.News –  অর্থনীতি –  ২ নভেম্বর, ২০২৩: ভোক্তাপর্যায়ে এলপি গ্যাসের দাম আবার বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। এলপি গ্যাসের দাম ১ হাজার ৩৬৩ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৩৮১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    আজ বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন।

    ঘোষণায় বলা হয়েছে, বেসরকারি এলপিজির রিটেইলার পয়েন্টে ভোক্তাপর্যায়ে মূসকসহ মূল্য প্রতি কেজি ১১৫ টাকা ৯ পয়সা সমন্বয় করা হয়েছে। এছাড়া রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে তরল অবস্থায় সরবরাহকৃত বেসরকারি এলপিজির ভোক্তাপর্যায়ে মূসকসহ মূল্য প্রতি কেজি ১১১ টাকা ২৬ পয়সা সমন্বয় করা হয়েছে।

    এছাড়া ভোক্তাপর্যায়ে অটোগ্যাসের দাম মূসকসহ প্রতি লিটারের মূল্য ৬৩ টাকা ৩৬ পয়সা সমন্বয় করা হয়েছে।

    এর আগে অক্টোবর মাসে ভোক্তাপর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২৮৪ টাকা থেকে ৭৯ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩৬৩ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি।

  • প্রধানমন্ত্রী ‘টাকা পে’ কার্ড উদ্বোধন করলেন

    প্রধানমন্ত্রী ‘টাকা পে’ কার্ড উদ্বোধন করলেন

    www.HelloBangla.News –  অর্থনীতি –  ১ নভেম্বর, ২০২৩: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ন্যাশনাল কার্ড স্কিম‘টাকা পে’ উদ্বোধন করেছেন। আজ বুধবার (নভেম্বর ০১) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে এই ডেবিট কার্ড উদ্বোধন করেন তিনি।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে চালু হওয়া এই কার্ড ভিসা কার্ড, মাস্টারকার্ড ও অ্যামেক্সের মতো আন্তর্জাতিক কার্ড সেবার একটি স্থানীয় বিকল্প। পুরোপুরি দেশীয় মধ্যস্থতায় চলবে এই সেবা।

    তিনি বলেন, আমরা স্বাধীন সার্বভৌম দেশ। আমাদের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাও স্বাধীন সার্বভৌম ব্যবস্থায় গড়ে তুলতে পারছি। আমাদের পরনির্ভরশীলতা কমে যাবে। কারণ, আমরা এখন যেসব কার্ড ব্যবহার করি সেগুলো বিদেশি সংস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত। সেখানে আমাদের বৈদেশিক মুদ্রাও পে করতে হয়। এখন আর সেটা করা লাগবে না। আমাদের বিদেশি নির্ভরতাও হ্রাস পাবে। নিজস্ব নেটওয়ার্ক আমরা ব্যবহার করব, যাতে তথ্য কেউ না নিতে পারে। প্রতিটি মানুষের তথ্য যাতে সুরক্ষিত থাকে সেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা ক্যাশলেস সোসাইটি করতে চাই। আজ যে ন্যাশনাল স্কিম টাকা পে অর্থাৎ ক্যাশলেস সোসাইটি করার যে পদক্ষেপ, এটা বাংলাদেশের জন্য একটা যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

    ‘টাকা-পে’ কার্ডের মতো ভারতের রয়েছে ‘রুপি কার্ড’। একইভাবে শ্রীলঙ্কার ‘লঙ্কা-পে’, পাকিস্তানের ‘পাক-পে’, এবং মধ্যপ্রাচ্যের সৌদি আরবের ‘মাদা-কার্ড’ নামে নিজস্ব কার্ড রয়েছে। এবার ‘টাকা-পে’ চালুর মধ্য দিয়ে সেই তালিকায় যুক্ত হলো বাংলাদেশও।

    টাকা-পে কার্ড হল এক ধরনের ডেবিট কার্ড। এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন ব্যাংক ইস্যু করতে পারবে। নিয়ন্ত্রণ থাকবে বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতে। এই কার্ডের মাধ্যম প্রচলিত কার্ডের (ভিসা, মাস্টার) মতো লেনদেন করতে পারবেন গ্রাহকরা।

    বর্তমানে ক্রেডিট কার্ড দিয়ে বাংলাদেশি নাগরিকরা সবচেয়ে বেশি বিদেশি মুদ্রা খরচ করছে প্রতিবেশী দেশ ভারতে। আগামী ডিসেম্বরে ডুয়েল কারেন্সি বা দ্বৈত মুদ্রা ব্যবহারের সুবিধা যুক্ত হলে ‘টাকা-পে’ কার্ডের মাধ্যমে ভারতীয় মুদ্রা রুপিও ব্যবহার করতে পারবেন বাংলাদেশিরা।

    দ্বিপক্ষীয় লেনদেন চালু করতে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ ব্যাংক ইন্ডিয়া প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর মাধ্যমে টাকা ও রুপি বিনিময় করতে ‘টাকা পে’ কার্ড ‘ডুয়েল কারেন্সি কার্ড’-এ পরিণত হবে।

  • একনেকের সভায় ৩৭টি প্রকল্পের অনুমোদন

    একনেকের সভায় ৩৭টি প্রকল্পের অনুমোদন

     

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৩১ অক্টোবর, ২০২৩: জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩৭টি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছেন। একনেক সভায় মোট ৪৬টি নতুন ও সংশোধিত প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩৭টি প্রকল্প অনুমোদন দেন। বাকি প্রকল্পগুলো পরবর্তী একনেক সভায় উত্থাপনের জন্য বলেছেন বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা বিভাগের সচিব সত্যজিৎ কর্মকার।

    প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হবে ৫২ হাজার ৬৬৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ২১ হাজার ৫৫৭ কোটি টাকা এবং ২৯ হাজার ৫৬৮ কোটি টাকা ঋণ হিসেবে পাওয়া যাবে।

    আজ মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা।

    সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড শামসুল আলম সংবাদ সম্মেলন করেন। এসময় পরিকল্পনা কমিশনের সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

    একনেক কার্যপত্র অনুযায়ী, মোট প্রকল্পের মধ্যে ৪৪টি ও টেবিলে দুটিসহ মোট ৪৬টি নতুন ও সংশোধিত প্রকল্প এবং ছয়টি ব্যয় বৃদ্ধি ছাড়া মেয়াদ বৃদ্ধির প্রকল্প একনেকে তোলা হয়। এছাড়া, ৩২টি প্রকল্প পরিকল্পনামন্ত্রী বিভিন্ন সময়ে অনুমোদন দিয়েছেন। যেগুলো একনেক সভায় অবহিত করা হয়েছে।