Category: অর্থনীতি

  • রমজানে ৮ টি পণ্য বাকিতে আমদানির সুযোগ বাংলাদেশ ব্যাংকের

    রমজানে ৮ টি পণ্য বাকিতে আমদানির সুযোগ বাংলাদেশ ব্যাংকের

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১১ জানুয়ারি, ২০২৪: রমজান এলেই দেখা যায় বাজারে কিছু পণ্যের ঘাটতি পড়ে। আবার এই সব পণ্য রমজানে অপরিহার্য।  তাই পবিত্র রমজান উপলক্ষে খেজুর, চিনি, তেল, ছোলাসহ আটটি পণ্য বাকিতে আমদানির সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী রমজান মাসে পণ্যের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখাসহ পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে এ সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

    আজ বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা ও নীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে বৈদেশিক মুদ্রা অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলোর কাছে পাঠিয়েছে।

    যে আট ধরনের পণ্যের ওপর এ সুযোগ দেওয়া হয়েছে সেগুলো হচ্ছে—ভোজ্যতেল, ছোলা, ডাল, মটর, পেঁয়াজ, মসলা, চিনি এবং খেজুর।

    নির্দেশনায় বলা হয়, এসব পণ্য ৯০ দিনের সাপ্লায়ার্স বা বায়ার্স ক্রেডিটের আওতায় আমদানি করা যাবে। এই সুবিধার সুযোগ থাকবে আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত ।

    ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, সময়মতো আমদানির অভাবে যাতে এসব পণ্যের সংকট তৈরি না হয় এবং দাম না বাড়ে সেজন্য নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ সুযোগের ফলে বাকিতে পণ্য আমদানি করা যাবে। এখন ব্যাংকগুলো যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে আমদানি ঋণপত্র (এলসি) খুললে পণ্য সময়মতো চলে আসবে। এতে পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পণ্যের জোগান নিশ্চিত হবে।

  • আমাদের রিজার্ভ ভালো অবস্থায় আছে: অর্থমন্ত্রী

    আমাদের রিজার্ভ ভালো অবস্থায় আছে: অর্থমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৯ জানুয়ারি, ২০২৪: আমাদের রিজার্ভ ভালো অবস্থায় আছে, বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেন, “আমাদের অর্থনীতির প্রাণবিন্দু, মূল এলাকা যা আছে, তা হলো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। অন্য দেশের তুলনায় আমাদের রিজার্ভ ভালো অবস্থায় আছে। আমি দাবি করব ভালো।”

    আজ মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    অর্থমন্ত্রী বলেন, “আইএমএফ যে টার্গেট (লক্ষ্যমাত্রা) দিয়েছে, তা কখনো পূরণ করা যাবে না। আইএমএফ কী টার্গেট দিয়েছে? বলুন। ১২ দিনের ইনকাম হলো আমাদের লায়াবিলিটি।”

    তিনি আরও বলেন, “আমাদের যে রেমিট্যান্স আসে, সে পরিমাণে তো আমরা লোন নিচ্ছি না।  বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আমাদের কতো আছে, রেমিট্যান্স যা আসে, আরও ডাবল করা যায়।”

    ব্যাংকিং খাত নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, “ব্যাংকিং খাতে আমরা রিফর্ম এনেছি। এ রিফর্মের কারণে আমরা এখনো জীবিত আছি। যদি আমাদের ৬-৯ সুদের হার না থাকতো….আমরা যদি আগের মতো সুদের হার ২২-২৪ শতাংশ রাখতাম, তাহলে এতদিন আমরা কোথায় চলে যেতাম, হারিয়ে যেতাম। দেশের অর্থনীতি হারিয়ে যেত, দেশের মানুষ হারিয়ে যেত। কিন্তু আজ আমরা সে কাজটি করতে দিইনি। প্রধানমন্ত্রী দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতেন, এটি সম্ভব।”

    সুদের হার বাড়ার বিষয়ে তিনি বলেন, “সুদের হার বাড়ে যদি, এটি অ্যাকুমুলেট করতে পারে, হোয়াই নট। আমরা অ্যাকুমুলেট করতে পারতাম না। আমরা সেগুলোকে রক্ষা করেছি। পরে আমাদের খেলাপি ঋণ বেড়ে যাচ্ছিল। খেলাপি ঋণ যাতে না বাড়ে, সে জন্য আমরা এটিকে বাস্তব অবস্থায় নিয়ে এলাম। আমরা সময় বাড়িয়ে খেলাপি হতে দিইনি। দু-একটি ক্ষেত্রে আমরা অস্বাভাবিক লেনদেন লক্ষ্য করেছি। সেগুলো এবার থাকবে না।”

  • শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা থাকবে

    শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা থাকবে

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৪ জানুয়ারি, ২০২৪: ৭ জানুয়ারি (রবিবার) দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন । এই উপলক্ষে নির্বাচনের আগের দুদিন, অর্থাৎ আগামী ৫ জানুয়ারি শুক্রবার ও ৬ জানুয়ারি শনিবার সংশ্লিষ্ট তফসিলি ব্যাংক খোলা থাকছে।

    আজ বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশন থেকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    এর আগে গতকাল বুধবার (৩ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) উপসচিব আতিয়ার রহমানের সই করা চিঠিতে বাংলাদেশ ব্যাংককে এ বিষয়ে অনুরোধ জানানো হয়েছিল।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দশনায় বলা হয়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, রিটার্নিং অফিসার ও নির্বাচন সংক্রান্ত ব্যয় নির্বাহের লক্ষ্যে ব্যাংক থেকে নগদ অর্থ উত্তোলনের সুবিধার্থে দুদিন ব্যাংক খোলা থাকবে।

    নির্দেশনায় আরও বলা হয়, ব্যাংক খোলা রাখার ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতপূর্বক সীমিত সংখ্যক জনবল দিয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও অন্যান্য মহানগরীসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে তফসিলি ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখা আগামী শুক্র (৫ জানুয়ারি) ও শনি (৬ জানুয়ারি) সাপ্তাহিক ছুটির দিন খোলা থাকবে।

    তবে যেসব কর্মকর্তা/কর্মচারীকে ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তা বা নির্বাচনী দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাদের উল্লিখিত ব্যাংকিং কাজে নিয়োজিত না করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয় নির্দেশনায়। ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশ জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

    বুধবার ইসি উপসচিব আতিয়ার রহমানের সই করা চিঠিতে বাংলাদেশ ব্যাংককে বলা হয়, ৭ জানুয়ারি সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ভোটগ্রহণের আগের দুদিন শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির উল্লিখিত দিনে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্মকর্তা/কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ভোটকেন্দ্র ও ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তা তথা নির্বাচন-সংক্রান্ত ব্যয় নির্বাহের লক্ষ্যে ব্যাংক থেকে নগদ অর্থ উত্তোলন ও আর্থিক লেনদেনের প্রয়োজন হবে।

  • ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে প্রবাসী আয় এলো প্রায় ১৯৯ কোটি ডলার

    ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে প্রবাসী আয় এলো প্রায় ১৯৯ কোটি ডলার

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২ জানুয়ারি, ২০২৪: ২০২৩ সালের বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে প্রবাসী আয়ে এলো ১৯৮ কোটি ৯৮ লাখ  ৭০ হাজার মার্কিন ডলার।

    আর সারা বছর ধরে প্রবাসী আয় এসেছে ২ হাজার ১৯১ কোটি ৫৭ লাখ ৬০ হাজার বা ২১ দশমিক ৯২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

    আজ মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রবাসী আয়ের এ হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে।

    বিদায়ী বছর ২০২৩-এ প্রবাসী আয়ে ওঠা-নামার মধ্য দিয়ে গেছে। প্রবাসী আয়ে নিম্নমুখী প্রবণতা বাড়ায় ডলার সংকট। এ সময় খোলা মার্কেটে ডলারের উচ্চ মূল্যের কারণে প্রবাসী আয় দেশে আসার ক্ষেত্রে ব্যাংকিং চ্যানেলের বাইরে অবৈধ হুন্ডির বাজার ছিল রমরমা। এই সময় খোলা বাজারে ডলার দাম ১২৫ টাকা ছাড়িয়ে যায়। ফলে ব্যাংকিং চ্যানেলে কমতে থাকে প্রবাসী আয়। গত সেপ্টেম্বরে স্মরণকালের সর্বনিম্নে নেমে যায় প্রবাসী আয়।

    এ সময় প্রবাসী আয় বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে কিছু উদ্যোগ নিলে খাতটি ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে। এই খাতে পরের মাস অক্টোবরে বড় ধরনের উন্নতি হয়।

    আগে প্রবাসী আয়ের ডলারের যে দামে কেনা হতো, অক্টোবর মাসে তা বাড়িয়ে ১১০ টাকা ৫০ পয়সা করা হয়। প্রণোদনা দেওয়া হতো ২ দশমিক ৫০ পয়সা হারে। আরও ২ দশমিক ৫০ শতাংশ বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো বেশি দিতে পারে-এমন অনুমতি দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এর বাইরেও বেশি টাকা দিতে পারে, এমন অনুমতিও দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

    এর আগে প্রবাসী আয় বৈধপথে ব্যাংকিং চ্যানেলে পাঠাতে সহজ করার পাশাপাশি বেশি প্রবাসী আয় পাঠানো প্রবাসীদের সম্মাননা ঘোষণা ও বেশ কিছু বাধা-নিষেধ তুলে নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এরপর থেকে প্রবাসী আয় বাড়তে থাকে।

    পরিসংখ্যান বলছে, বছরের শেষ ছয়মাস জুলাই-ডিসেম্বরে প্রবাসী আয় এসেছে এক হাজার ৭৯ কোটি ৮২ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার। এর মধ্যে জুলাই মাসেই আসে ১৯৭ কোটি ৩১ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার; আগস্টে ১৫৯ কোটি ৯৪ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার; সেপ্টেম্বরে আসে ১৩৩ কোটি ৪৩ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার;  অক্টোররে আসে ১৯৭ কোটি ১৪ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার; নভেম্বর মাসে ১৯৩ কোটি ৪০ হাজার এবং বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে আসে ১৯৮ কোটি ৯৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার।

  • স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজার থেকে তেল, ডাল ও গম কিনছে সরকার

    স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজার থেকে তেল, ডাল ও গম কিনছে সরকার

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩: দেশের নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য হিসেবে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ৬৬১ কোটি ৭৩ লাখ ৫০ হাজার ৫০০ টাকার তেল, ডাল ও গম কিনছে সরকার।

    এর মধ্যে ৩৪৮ কোটি ৪৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫০০ টাকার গম কেনা হচ্ছে। এছাড়া ১৪০ কোটি ১৬ লাখ ৬ হাজার টাকার মসুর ডাল এবং ১৭৩ কোটি ১১ লাখ টাকার ভোজ্যতেল কেনা হচ্ছে।এই তেল, ডাল ও গম কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

    আজ বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা হয়। ওই সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়। সভা শেষে সভার সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান।

    তিনি জানান, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন গম কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ইউএইর প্রতিষ্ঠান কেয়ারেল ক্রপ ট্রেডিং এলএলসির কাছ থেকে এই গম কিনতে মোট ব্যয় হবে ১৭৫ কোটি ৫ লাখ ৪৯ হাজার ৫০০ টাকা। এতে প্রতিকেজি গমের ক্রয়মূল্য পড়বে ৩৫ টাকা ১ পয়সা। আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে এই গম কিনবে খাদ্য অধিদপ্তর।

    খাদ্য মন্ত্রণালয়ের আরেক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে সিঙ্গাপুরের প্রতিষ্ঠান অ্যাগ্রো ক্রপ ইন্টারন্যাশনাল প্রাইভেট থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন গম কেনার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা কমিটি। এই গম কিনতে মোট ব্যয় হবে ১৭৩ কোটি ৪০ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। প্রতিকেজির দাম পড়বে ৩৪ টাকা ৬৮ পয়সা। এই গমও অধীন খাদ্য অধিদপ্তর আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে কিনবে।

    এছাড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ- টিসিবির জন্য ২০২৩-২৪ অর্থবছরে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ৬ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রামের ইসলাম ট্রেডিং থেকে এই মসুর ডাল কিনতে মোট খরচ হবে ৬২ কোটি ২৮ লাখ টাকা। প্রতিকেজি মসুর ডালের দাম পড়বে ১০৩ টাকা ৮০ পয়সা।

    বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আরেক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের বেঙ্গালুরু থেকে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ৮ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা কমিটি। গ্রিন নেশন বিল্ডার্সের কাছ থেকে এই মসুর ডাল কিনতে মোট ব্যয় হবে ৭৭ কোটি ৮৮ লাখ ৬ হাজার টাকা। প্রতিকেজি মসুর ডালের দাম পড়বে ১০২ টাকা ৩৬ পয়সা। এই ডালও টিসিবির জন্য কেনা হবে।

    মসুর ডালের পাশাপাশি তেল কেনার দুটি প্রস্তাব নিয়ে আসে বাণিজ্যমন্ত্রণালয়। এর মধ্যে স্থায়ীভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে বসুন্ধরা মাল্টি ফুড প্রডাক্টস লিমিটেড থেকে ৫০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ৭৮ কোটি ৬১ লাখ টাকা। প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম পড়বে ১৫৭ টাকা ২২ পয়সা। টিসিবির জন্য এই তেল কেনা হবে।

    এছাড়া টিসিবির জন্য স্থানীয়ভাবে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ৬০ লাখ লিটার রাইস ব্রান অয়েল কেনার অনুমোন দেওয়া হয়েছে। মজুমদার প্রোডাক্টস এবং এমআরটি অ্যাগ্রো প্রোডাক্টস বিডি লিমিটেড থেকে এই তেল কিনতে মোট ব্যয় হবে ৯৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা। প্রতি লিটারের জন্য খরচ হবে ১৫৭ টাকা ৫০ পয়সা।

  • দেশের একটি পরিবারের মাসিক গড় আয় ৩২,৫০০ টাকা

    দেশের একটি পরিবারের মাসিক গড় আয় ৩২,৫০০ টাকা

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩: দেশের একটি পরিবার মাসে গড় আয় করে সাড়ে ৩২ হাজার টাকা। আয়ের বিপরীতে একটি পরিবারের ব্যয় হয় সাড়ে ৩১ হাজার টাকা। অর্থাৎ একটি পরিবার মাসে এক হাজার টাকার মতো সঞ্চয় করেন। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশের পারিবারিক এই অর্থনৈতিক এই চিত্র উঠে এসেছে।

    আজ বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিসংখ্যান ভবনের অডিটোরিয়ামে ‘হাউজহোল্ড ইনকাম অ্যান্ড এক্সপেনডিচার সার্ভে’ (এইচআইইএস) ২০২২-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। বিবিএস প্রতিবেদনে জানায়, দেশের প্রতিটি খানার গড় আয় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

    এইচআইইএস ২০২২ জরিপের তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী খানার মাসিক গড় আয় ৩২ হাজার ৪২২ টাকা। যা ২০১০ ও ২০১৬ সালের জরিপে ছিল যথাক্রমে ১১ হাজার ৪৭৯ টাকা এবং ১৫ হাজার ৯৮৮ টাকা। এ ছাড়া, এইচআইইএস ২০২২ অনুযায়ী গতবারের তুলনায় এবার প্রতিটি খানার মাসিক আয় বৃদ্ধির সাথে সাথে মাসিক ব্যয়ও বেড়েছে। এইচআইইএস ২০২২ অনুযায়ী, বর্তমানে একটি খানার মাসিক ব্যয় ৩১ হাজার ৫০০ টাকা। যা ২০১০ ও ২০১৬ সালে ছিল যথাক্রমে ১১ হাজার ২০০ টাকা এবং ১৫ হাজার ৭১৫ টাকা।

    সংস্থাটি জানায়, এইচআইইএস ২০২২ এর তথ্য-উপাত্ত নিরীক্ষণে দেখা যায় খানায় খাদ্য ও খাদ্য বহির্ভূত ব্যয়ের ধারায় পরিবর্তন হয়েছে। খাদ্য বহির্ভূত ব্যয় ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। ২০২২ সালে খাদ্য ব্যয়ের শতকরা হার ৪৫.৮ শতাংশ, এবং খাদ্য বহির্ভূত ব্যয় ৫৪.২ শতাংশ। যেখানে ২০১৬ সালে খাদ্যের জন্য ব্যয় ছিল ৪৭.৭ শতাংশ এবং খাদ্য বহির্ভূত ব্যয় ৫২.৩ শতাংশ। ২০২২ সালে চালের দৈনিক মাথাপিছু গড় ভোগের পরিমাণ ছিল ৩২৮.৯ গ্রাম; যা ২০১৬ সালে ছিল ৩৬৭.২ গ্রাম এবং ২০১০ সালে ছিল ৪১৬.০ গ্রাম। ২০০৫ সালে ছিল ৪৩৯.৬ গ্রাম এবং ২০০০ সালে ৪৫৮.৫ গ্রাম। অন্যদিকে, সবজি ও মাংসের ব্যবহার ধীরে ধীরে বেড়েছে বলে জানায় বিবিএস।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্রোটিন গ্রহণের গড় পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২২ সালের তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী দৈনিক মাথাপিছু প্রোটিন গ্রহণের পরিমাণ ৭২.৫ গ্রাম, যা ২০১৬ সালে ছিল ৬৩.৮ গ্রাম। এছাড়া  ২০১০ সালে ৬৬.২৬ গ্রাম, ২০০৫ সালে ৬২.৫২ গ্রাম ও ২০০০ সালে ছিল ৬২.৫০ গ্রাম ছিল।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন— ব্র্যাকের চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন এনডিসি, সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ড. মো. কাউছার আহমেদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিবিএস মহাপরিচালক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এবং মূল প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক মহিউদ্দিন আহমেদ এমপিএইচ।

  • সেরা করদাতার ট্যাক্স কার্ড পেল ১৪১ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান

    সেরা করদাতার ট্যাক্স কার্ড পেল ১৪১ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২০ ডিসেম্বর, ২০২৩: ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানিক ভাবে কর প্রদান করাটা একটি নৈতিক দায়িত্ব। কর প্রদানের বিষয়টিক উৎসাহ দিতে সরকার সেরা করদাতার জন্য ট্যাক্স কার্ড দিয়ে থাকে। কর কার্ডধারীরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় সুবিধা ও অগ্রাধিকার পেয়ে থাকেন।

    সেরা করদাতা হিসেবে ২০২২-২৩ করবর্ষে ১৪১ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ট্যাক্স কার্ড বা কর কার্ড দেওয়া হয়েছে।

    আজ বুধবার (২০ ডিসেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) জাতীয় ট্যাক্স কার্ড ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে ৭৬ ব্যক্তি, ৫৪ প্রতিষ্ঠান ও ১১টি অন্যান্য ক্যাটাগরিতে এসব ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা সনদ ও কর কার্ড তুলে দেওয়া হয়।

    রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব খায়েরুজ্জামান মজুমদার।

    এদিকে খাদ্য ও আনুষঙ্গিক ক্যাটাগরিতে সেরা করদাতা হয়েছে প্রাণ ডেইরি লিমিটেড। এছাড়া ব্যবসায়ী ক্যাটাগরিতে টানা ১৫ বার সেরা করদাতা হয়েছেন মো. কাউছ মিয়া। তিনি হাকিমপুরী জর্দার স্বত্বাধিকারী।

    গেজেটে এবার বিশেষ শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে ‘সিনিয়র সিটিজেন’। এ ক্যাটাগরিতে ট্যাক্স কার্ড পাচ্ছেন পাঁচজন। তারা হলেন নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম দস্তগীর গাজী, খাজা তাজমহল, ডা. মোস্তাফিজুর রহমান, ফজলুর রহমান ও আব্দুল মুক্তাদির।

    কর কার্ডধারীরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় সুবিধা ও অগ্রাধিকার পাবেন। যেমন বিমানবন্দরে সিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার, তারকা হোটেলসহ সব আবাসিক হোটেলে বুকিং, নিজে, স্ত্রী বা স্বামীর ও নির্ভরশীল সন্তানের জন্য সরকারি হাসপাতালের কেবিন, আকাশ-রেল-নৌপথে সরকারি যানবাহনের টিকিট এবং জাতীয়, সিটি করপোরেশন, পৌরসভাসহ স্থানীয় সরকার আয়োজিত অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ। কর কার্ডের মেয়াদ হবে এক বছরের।

  • পদ্মা সেতুর ঋণের পঞ্চম ও ষষ্ঠ কিস্তির টাকা পরিশোধ

    পদ্মা সেতুর ঋণের পঞ্চম ও ষষ্ঠ কিস্তির টাকা পরিশোধ

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৩: নানা ধরনের ষড়যন্ত্র ও ঘাত প্রতিঘাত উপেক্ষা করে নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত হয় দেশের সর্ববৃহৎ অবকাঠামো পদ্মা সেতু। ফলে সেই অবকাঠামোটি হয়ে ওঠে আমাদের অহংকারের অনন্য প্রতীক। শুধু তাই নয় দক্ষিণাঞ্চল ঘিরে গতি পায় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। সেতু নির্মাণ প্রকল্পের জন্য নেওয়া ঋণের পঞ্চম ও ষষ্ঠ কিস্তি পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।

    আজ সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) সকালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মো. মনজুর হোসেন আনুষ্ঠানিকভাবে অর্থ বিভাগের সচিবের কাছে ঋণের পঞ্চম ও ষষ্ঠ কিস্তির ৩১৫ কোটি ৭ লাখ ৫৩ হাজার ৪৪২ টাকা হস্তান্তর করেন।

    সেতু বিভাগ জানায়, সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে দেশের সর্ববৃহৎ অবকাঠামো, আমাদের অহংকার, গর্ব, সক্ষমতা ও মর্যাদার প্রতীক পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। এতে ব্যয় হয়েছে ৩২ হাজার ৬০৫ কোটি ৫২ লাখ টাকা। নির্মাণ ব্যয়ের প্রায় পুরো অর্থ বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষকে ঋণ হিসেবে দেয় অর্থ বিভাগ।

    গত ২০২২ সালের ২৬ জুলাই সরকারের অর্থ বিভাগের সঙ্গে সংশোধিত ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। ঋণ চুক্তি অনুযায়ী ১% সুদসহ ৩৫ বছরে ঋণের টাকা ফেরত দেবে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।

    ঋণ পরিশোধের শিডিউল অনুযায়ী প্রতি অর্থবছরে চারটি কিস্তি করে সর্বমোট ১৪০টি কিস্তিতে সুদ-আসল পরিশোধ করা হবে।

    এর আগে গত ৫ এপ্রিল প্রথম ও দ্বিতীয় কিস্তি বাবদ মোট ৩১৬ কোটি ৯০ লাখ ৯৭ হাজার ৫০ টাকা এবং গত ১৯ জুন তৃতীয় ও চতুর্থ কিস্তি বাবদ ৩১৬ কেটি ২ লাখ ৬৯ হাজার ৯৩ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। গত অর্থবছরে সর্বমোট ৬৩২ কোটি ৯৩ লাখ ৩৬ হাজার ১৪৩ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।

    পঞ্চম ও ষষ্ঠ কিস্তিসহ এ নিয়ে মোট পরিশোধ হয়েছে ৯৪৮ কোটি ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৮৫ টাকা। ২০২৩ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত উক্ত টোলের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট বাবদ পরিশোধিত হয়েছে ১৪৯ কোটি ৪৭ লাখ ৯৬ হাজার ৭২১ টাকা।

    চুক্তি অনুযায়ী ২০২২-২৩ অর্থবছর থেকে সেতুটির ঋণ পরিশোধ শুরু হয়েছে এবং বাংলাদেশ সরকারের এ ঋণ পরিশোধের জন্য ২০৫৬-৫৭ অর্থবছর পর্যন্ত সময় পাবে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।

    ২০২২ সালের ২৫ জুন পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর থেকে ২০২৩ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত সংগৃহীত টোলের পরিমাণ ১ হাজার ১৬৫ কোটি ১৩ লাখ ৪১ হাজার ৩৪১ টাকা।

    কিস্তি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব, সেতু বিভাগ-বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ, অর্থ বিভাগ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • রিজার্ভ বেড়ে ২০ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে

    রিজার্ভ বেড়ে ২০ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৩: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) দ্বিতীয় ধাপের ৬৯ কোটি ( ৬৮৯ দশমিক ৮৩ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) বাজেট সহায়তা ঋণের ৪০ কোটি (৪০০ বিলিয়ন) ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ। এ‌তে ক‌রে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বে‌ড়ে ২০ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁ‌ছে‌ছে।

    আজ রবিবার (১৭ ডিসেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক এ তথ্য জানান। বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম সম্মেলন কক্ষে এটি আয়োজিত হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আইএমএফ চলতি বছরের জানুয়ারিতে মোট ৪৭০ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন করে। অর্থনীতির সংকট মোকাবিলায় এ ঋণ দেওয়া হয়। ঋণ অনুমোদনের পরপরই প্রথম কিস্তির ৪৭ কোটি ৬৩ লাখ ডলার ছাড় করে সংস্থাটি। আগামী ২০২৬ সাল পর্যন্ত সাড়ে তিন বছরে সাত কিস্তিতে পুরো অর্থ দেওয়ার কথা রয়েছে। ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি ছাড়ের জন্য গত জুন ভিত্তিক বিভিন্ন সূচকে শর্ত পালনের অগ্রগতি দেখতে গত ৪ অক্টোবর আইএমএফের একটি মিশন ঢাকায় আসে। মিশনের নেতৃত্ব দেন এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের প্রধান রাহুল আনন্দ। অবশেষে সেই ঋণ যোগ হলো।

    মেজবাউল হক বলেন, পাঁচ ব্যাংকের তারল্য সমস্যা নিয়ে যেসব কথা, তা সঠিক নয়। পাঁচ ব্যাংকে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল শাখা থেকে তারল্যের ব্যাপারে চিঠি দেওয়া হয়েছে তা একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া।

    বাংলাদেশ গত জুন শেষে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংরক্ষণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে না পারায় আইএমএফের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে যে অব্যাহতি চেয়েছিল, তা অনুমোদন করেছে সংস্থাটির পর্ষদ। একই সঙ্গে ডিসেম্বর শেষে রিজার্ভ সংরক্ষণের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ডিসেম্বর শেষে নিট রিজার্ভ থাকার কথা ছিল ২৬ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার। তবে সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৭ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার। জুন শেষে কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। তবে এক্ষেত্রে ডিসেম্বরের লক্ষ্যমাত্রা সংশোধন করা হয়নি।

  • রিজার্ভ কমার কারণ নেই: মেজবাউল হক

    রিজার্ভ কমার কারণ নেই: মেজবাউল হক

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৩: রিজার্ভ কমার কারণ নেই, বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী প‌রিচালক মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক। তিনি বলেন, ‘এ মা‌সে রে‌মিট্যান্সসহ ডলার আসার প্রবাহ ইতিবাচক রয়েছে। স‌ঙ্গে দাতা সংস্থার ঋণ যোগ হ‌চ্ছে। কিছু খরচ হ‌বে, ত‌বে আ‌য়ের চে‌য়ে ব্যয় কম হ‌বে। তাই রিজার্ভ কমার কারণ নেই।‌ ডিসেম্বরে হিসাব করে বলা যা‌বে। ত‌বে জানুয়ারিতে আকুর পেমেন্ট আ‌ছে এক বিলিয়নের মতো। সব মি‌লি‌য়ে রিজার্ভ ভা‌লো হ‌বে বলা যায়।’

    আজ বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) মেজবা উল হল হক  সংবাদ সম্মেলন করে এ কথা বলেন।

    মেজবা উল হক বলেন, ‘বর্তমানে রিজার্ভ ১৯ বিলিয়ন ডলারের কিছু ওপরে। আইএমএফ, এডিবি, দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিভিন্ন সোর্স থেকে আসা ১ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলার যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে ডিসেম্বর শেষে  রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। তবে জানুয়ারি মাসে আকুর এক বিলিয়ন ডলার দায় পরিশোধ করতে হবে। তখন রিজার্ভ আবারও কিছুটা কমবে।’

    তিনি বলেন, আইএমএফ এর বোর্ড সভায় ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি অনুমোদন হলেও তা প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করে আগামী শুক্রবারের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে যোগ হবে।

    মুখপাত্র বলেন, ‘অর্থনৈতিক নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যে আইএমএফ এর বোর্ডসভায় এ ঋণ ছাড়ের অনুমোদন প্রামণ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের গৃহীত পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে আইএমএফ। অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আগামীতেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।’

    আইএমএফ চলতি বছরের জানুয়ারিতে মোট ৪৭০ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন করে। অর্থনীতির সংকট মোকাবিলায় এ ঋণ দেওয়া হয়। ঋণ অনুমোদনের পরপরই প্রথম কিস্তির ৪৭ কোটি ৬৩ লাখ ডলার ছাড় করে সংস্থাটি। আগামী ২০২৬ সাল পর্যন্ত সাড়ে তিন বছরে সাত কিস্তিতে পুরো অর্থ দেওয়ার কথা রয়েছে। ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি ছাড়ের জন্য গত জুন ভিত্তিক বিভিন্ন সূচকে শর্ত পালনের অগ্রগতি দেখতে ৪ অক্টোবর আইএমএফের একটি মিশন ঢাকায় আসে। মিশনের নেতৃত্ব দেন এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের প্রধান রাহুল আনন্দ।

    এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার বোর্ডসভায় ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি অনুমোদন করে আইএমএফ।