Category: অর্থনীতি

  • স্কুল ব্যাংকিংয়ে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়ছে

    স্কুল ব্যাংকিংয়ে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়ছে

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১১ ডিসেম্বর, ২০২৩ : স্কুল ব্যাংকিং যাত্রা শুরু পর থেকে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার আগ্রহ বেড়েছে। এতে একদিকে যেমন তাদের অর্থ সঞ্চয় হচ্ছে, অপর দিকে শিশুদের মনে ভবিষ্যত পরিকল্পনা তৈরির আগ্রহ বাড়ছে। স্কুল ব্যাংকিং বিষয়টি অবশ্যই একটি ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের মধ্যে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের ব্যাংকে জমার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে দু্ই হাজার ২৩২ কোটি ৪৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এর মধ্যে শহুরে শিশু শিক্ষার্থীদের জমা এক হাজার ৬০৩ কোটি ৬৩ লাখ ১০ হাজার টাকা। আর পল্লী অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জমার পরিমাণ ৬২৮ কোটি ৮৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

    ব্যাংকে শিক্ষার্থীদের মোট সঞ্চয়ের প্রায় ৭২ ভাগ শহরের শিশুদের। আর পল্লী অঞ্চরের শিশুদের সঞ্চয় রয়েছে ২৮ শতাংশ।

    জানা গেছে,  চলতি ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর শেষে শিক্ষার্থদের মোট ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৯ লাখ ৩৮ হাজার ২১০টি। এর মধ্যে পল্লী অঞ্চলের হিসাবের সংখ্যা ২১ লাখ ৫০ হাজার ১৭৯টি। আর শহরাঞ্চলের হিসাবের সংখ্যা ১৭ লাখ ৫০ হাজার ১৭ লাখ ৮৮ হাজার ৩১টি।

    পল্লী অঞ্চলে ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা বেশি হলেও টাকার হার কম।

    শিক্ষার্থীদের ব্যাংক মোট ব্যাংক হিসাবের মধ্যে ছেলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২০ লাখ ৫২ হাজার ৭২৬। আর মেয়ে শিক্ষার্থীদের সংখ্যা ১৮ লাখ ৮৫ হাজার ৪৮৪। মেয়ে শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কম হলেও ছেলে শিক্ষার্থীদের কাছাকাছি।

    শিক্ষার্থীদের সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ে তুলতে উৎসাহী করতে ২০১০ সালে স্কুল ব্যাংকিং কর্মসূচির উদ্বোধন করে কেন্ত্রীয় ব্যাংক। দেশে ২০১০ সাল থেকে স্কুল ব্যাংকিং চালু হয়। স্কুল ব্যাংকিংয়ে টার্গেট গ্রুপ ১১ থেকে ১৭ বছর বয়সী ছাত্রছাত্রী। যাদের কোনো আয়ের উৎস নেই। মা-বাবা, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে পাওয়া অর্থ, বৃত্তির অর্থ এবং উৎসব-পার্বণের উপহার বা নগদ কিছু বাঁচিয়ে জমা রাখার জন্য হিসাব খোলা। এর মাধ্যমে  ছেলেবেলা থেকেই ব্যাংক হিসাব খোলার নিয়মকানুন যাতে জানতে, হিসাব পরিচালনায় শিখতে এবং অভ্যাস গড়ে তুলতে পারদর্শী হয়। যাতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত অর্থ ব্যাংকে জমা রেখে সঞ্চয়ের মনোভাব গড়ে উঠে। এই প্রকল্পটি বেশ সফল হয়েছে বলে মনে করে বাংলাদেশ ব্যাংক কতৃপক্ষ।

    চলতি বছরে জুন শেষে শিশুদের ব্যাংকে হিসাবে জমার পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৩২৪ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। সে সময় ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা ছিল ৩৮ লাখ ৬৯ হাজার ৩১৮টি।

  • চার দেশ থেকে দুই লাখ টন সার কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকার

    চার দেশ থেকে দুই লাখ টন সার কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকার

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৬ ডিসেম্বর, ২০২৩: রাষ্ট্রীয় চুক্তির আওতায়  চার দেশ থেকে দুই লাখ টন সার কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। দেশগুলো হচ্ছে মরক্কো, সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। একই সঙ্গে কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) থেকে ৪০ হাজার টন সার কেনা হবে।

    এতে মোট ব্যয় হবে এক হাজার ১৮৩ কোটি ৬২ লাখ ৪০ হাজার ৬৫০ টাকা।

    এর মধ্যে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) এক লাখ ২০ হাজার টন ডিএপি এবং বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) এক লাখ ২০ হাজার টন ইউরিয়া সার রয়েছে। এ ছাড়া ৬৪ কোটি ৬০ লাখ টাকার ১০ হাজার টন ফসফরিক এসিড কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    আজ বুধবার (৬ নভেম্বর) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত পৃথক আটটি প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান সাংবাদিকদের জানান, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় একই প্রতিষ্ঠান মরক্কোর ওসিপি এসএ থেকে তিন লটে ৪০ হাজার করে এক লাখ ২০ হাজার টন ডিএপি সার কেনার পৃথক তিনটি প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ৭৫১ কোটি ৮৪ লাখ ২০ হাজার টাকা।

    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব জানান, শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় চুক্তির আওতায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফার্টিগ্লোব ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেডের কাছ থেকে ষষ্ঠ লটে ৩০ হাজার টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার ১০৮ কোটি ৯৫ লাখ ৪১ হাজার ৫০ টাকায় আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    রাষ্ট্রীয় চুক্তির মাধ্যমে কাতারের মুনতাজাত থেকে সপ্তম লটে ৩০ হাজার টন বাল্ক প্রিল্ড ইউরিয়া সার ১০৮ কোটি ৯৫ লাখ ৪১ হাজার ৫০ টাকায় আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সৌদি আরবের সাবিক এগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি থেকে অষ্টম লটে ৩০ হাজার টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার ১০৮ কোটি ৯৫ লাখ ৪১ হাজার ৫০ টাকায় আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    একই সঙ্গে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) মাধ্যমে কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের (কাফকো) কাছ থেকে দশম লটে ৩০ হাজার টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার ১০৪ কোটি ৯১ লাখ ৯৭ হাজার ৫০০ টাকায় কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    এ ছাড়া শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) মাধ্যমে চট্টগ্রামের টিএসপিসিএলের জন্য ১০ হাজার টন ফসফরিক এসিড আরব আমিরাতে মেসার্স সান ইন্টারন্যাশনাল এফজেডই (স্থানীয় এজেন্ট: মেসার্স অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইনপুট, ঢাকা) থেকে ৬৪ কোটি ৬০ লাখ ২০ হাজার টাকায় কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

  • পাঁচ মাসে রপ্তানি আয় ২ হাজার ২২৩ কোটি ২২ লাখ মার্কিন ডলার

    পাঁচ মাসে রপ্তানি আয় ২ হাজার ২২৩ কোটি ২২ লাখ মার্কিন ডলার

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৫ ডিসেম্বর, ২০২৩: চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) দেশে রপ্তানি আয় এসেছে ২ হাজার ২২৩ কোটি ২২ লাখ মার্কিন ডলার। গত ২০২২-২৩ অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বর সময়ে রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ১৯৪ কোটি ৬০ লাখ ডলার। গত বছরে তুলনায় রপ্তানি আয় বেড়েছে ১ দশমিক ৩০ শতাংশ।

    নভেম্বর মাসেই রপ্তানি আয় এসেছে ৪৭৮ কোটি ৪৮ লাখ ডলার। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

    ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, আলোচ্য সময়ে প্রধান রপ্তানি পণ্য পোশাকখাত থেকে ১ হাজার ৮৮৩ কোটি ৫৬ লাখ ডলারের আয় পাওয়া গেছে। এর মধ্যে নীট পোশাক (সোয়েটার, টি-শার্ট জাতীয় পোশাক)  রপ্তানি হয়েছে ১ হাজার ৯৯ কোটি ডলার সমমূল্যের এবং ওভেন পণ্যের (শার্ট, প্যান্ট জাতীয় পোশাক) রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৮৪ কোটি ৬২ লাখ ডলার।

    এছাড়া জুলাই-নভেম্বর সময়ে অন্যান্য প্রধান রপ্তানি পণ্য যেমন-পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে ৩৬ কোটি ১৯ লাখ ডলার, হোম টেক্সটাইল থেকে ২৯ কোটি ৯৪ লাখ ডলার, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য থেকে ৪২ কোটি ৭০ লাখ ডলার, প্লাস্টিক পণ্য থেকে ৯ কোটি ২৬ লাখ ডলার, কৃষিজাত পণ্য থেকে ৪২ কোটি ডলার, হিমায়িত মাছ থেকে ১৯ কোটি ৫১ লাখ ডলার এবং রাসায়নিক পণ্য থেকে ১৪ কোটি ডলার আয় হয়েছে।

    সূত্র: বাসস

  • সব নিয়ম মেনে ভালো পণ্য কমদামে দিতে পারি বলেই রপ্তানি হচ্ছে: বাণিজ্য সচিব

    সব নিয়ম মেনে ভালো পণ্য কমদামে দিতে পারি বলেই রপ্তানি হচ্ছে: বাণিজ্য সচিব

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৪ ডিসেম্বর, ২০২৩: সব নিয়ম মেনে উন্নত মানের পণ্য কমদামে দিতে পারি বলেই রপ্তানি হচ্ছে, বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ। তনি বলেন, ‘আমরা প্রায় ২০০ দেশে পণ্য রপ্তানি করি। এরমধ্যে কয়েকটি দেশে খুব বেশি রপ্তানি করি। সুতরাং আমাদের লক্ষ্য থাকবে, কীভাবে প্রতিযোগিতা মূল্যে কমপ্লায়েন্স অর্জন করে এবং ক্রেতার রিকোয়ারমেন্ট পূরণ করেই রপ্তানি করতে হয়। আমরা কারও দয়াদাক্ষিণ্যে রপ্তানি করি না। আমাদের শ্রমিক, উদ্যোক্তারা অনেক পরিশ্রম করেন। সব নিয়ম মেনে কোয়ালিটি পণ্য কমদামে দিতে পারি বলেই রপ্তানি হচ্ছে।’

    আজ সোমবার (৪ ডিসেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে শ্রম অধিকার সংক্রান্ত ন্যাশনাল অ্যাকশন প্লানের (এনএপি) বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনার লক্ষ্যে আয়োজিত এক সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তপন কান্তি ঘোষ। এসময় শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব এহছানে এলাহী এবং ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সভাপতি মাহবুবুল আলম উপস্থিত ছিলেন।

    তিনি বলেন, ‘আমরা সেটাকে গুরুত্ব দিচ্ছি। আমাদের চলমান যে আলোচনা বলতে পারেন, ত্রি প্লাস ফাইভ অর্থাৎ পাঁচজন রাষ্ট্রদূত ও তিনজন সচিব মিলে যে একটা প্ল্যাটফর্ম আছে, সেই বৈঠকটা এ মাসে করার কথা। সে জন্যই আজ বসেছিলাম। এতকাল যে অগ্রগতি হয়েছে, তা কীভাবে জানানো যায়। আমাদের জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ২০২১ থেকে ২০২৬ সাল এ পাঁচ বছর মেয়াদি। সেক্ষেত্রে কিছু বাস্তবায়িত হয়েছে, কিছু বাস্তবায়ন হয়নি।’

    বাণিজ্য সচিব বলেন, ‘আমাদের জাতীয় কর্মপরিকল্পনায় শ্রম অধিকার বাস্তবায়ন অধিকার নিয়ে আজ সভা করেছি। আমাদের কতটা অগ্রগতি হয়েছে এবং আগামীতে আরও কী করতে হবে, তা নিয়েই আজ কথা বলেছি। ২০২৬ সালে যেহেতু স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে, সেক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়ন কিংবা অন্য দেশগুলো বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কিছু অঙ্গীকার দেখতে চায়, সেগুলো বাস্তবায়ন নিয়েও আলোচনা করেছি।’

    তপন কান্তি ঘোষ বলেন, ‘সম্প্রতি বাংলাদেশের শ্রম আইনে সংশোধনী করা হয়েছে। অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ আইন ২০১০ সেখানেও সংশোধনী আনা হয়েছে। সংশোধনী আনার ক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়ন কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্য ছিল। তাদের চাওয়াগুলো পূরণ করার জন্য এসব সংস্কার এনেছিলাম। গত ১০ বছরে আমরা অনেক সংস্কার এনেছি। যে কারণে শ্রম আইনে তিনবার সংস্কার আনা হয়েছে। চারবার ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা করা হয়েছে। আমাদের শিল্পায়নের কর্মপরিবেশ ও শ্রম অধিকার নিয়েও আজ কথা হয়েছে। এসব ক্ষেত্রে আমরা ভালো অবস্থানে আছি।’

    আমাদের রপ্তানির সমস্যা বিষয়ে বাণিজ্য সচিব বলেন, ‘ধরেন, আমাদের বাণিজ্যে যারা বড়ো অংশীদার, ইউরোপীয় ইউনিয়নে ২৫ বিলিয়ন ডলার আমরা রফতানি করি শুল্কমুক্ত সুবিধার আওতায় আরও যুক্তরাষ্ট্রে দশ বিলিয়ন ডলার রফতানি করলেও সেখানে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাই না। বরং পৃথিবীর মধ্যে বলা যায় যে যুক্তরাষ্ট্রে আমরা অনেক বেশি শুল্ক দিয়ে রফতানি করছি। কিন্তু তাদের কিছু দাবি আছে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কনভেনশনগুলো অনুমোদন করেছি, সেই অনুযায়ী আমাদের শ্রম আইনে একটা ন্যূনতম থ্রেশহোল্ড আছে, একটি কারখানায় মোট শ্রমিকের ২০ ভাগ সদস্য যদি সংগঠন করতে চায়, তাহলে সেটা করতে পারবে। এটাকে ১০ শতাংশ করার দাবি তারা করেছিল, আমরা পনেরো শতাংশ করে দিয়েছি।’

    তিনি বলেন, ‘আর বেপজা আইনের ক্ষেত্রে সংগঠন করার অধিকার আছে, কিন্তু আমরা সেখানে ট্রেড ইউনিয়ন বলি না, আইনে সেটাকে বলা হয়েছে ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন, সেখানে তারা বলে যে ট্রেড ইউনিয়ন প্রবর্তন করত হবে। বিষয়টি প্রায়ই একই। এখনও সংগঠন হচ্ছে, তখনও সংগঠন হবে। কিন্তু নামটি যেন শ্রম সংগঠন হয়। আমরা ২০২৫ সালের জুনের মধ্যে বেপজা আইনটা সংশোধন করা হবে। সংশোধনটা কীভাবে হবে, সেটা সব অংশীজনদের মধ্যে আলোচনা করেই ঠিক করা হবে।’

    এখানে মোটাদাগে দুটি জিনিস তারা দাবি করেছে। তারা চাচ্ছে বেপজাতে শ্রম সংগঠন করার অধিকার দিতে আর থ্রেশহোল্ডটা কমিয়ে আনা অর্থাৎ শ্রমিক সংগঠন করার অধিকার ২০ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ করা।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের শ্রম অধিকার সংক্রান্ত সমঝোতায় যেসব ইস্যু ছিল, সেগুলো নিয়ে আজ কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তপন কান্তি ঘোষ বলেন, ‘ইউরোপীয় ইউনিয়নের দ্বিবার্ষিকী মূল্যায়ন প্রতিবেদন, সেটা কিন্তু সবার সঙ্গে আলোচনা করেই করা হয়েছে। সর্বশেষ ১২ থেকে ১৬ নভেম্বর একটা উচ্চপর্যায়ের দল ঢাকায় এসে সব অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। আর বাংলাদেশ যে সংস্কারগুলো নিয়ে এসেছে, সেগুলোর প্রশংসাও করেছেন। বলেছেন, আংশিকভাবে বাস্তবায়ন করেছে, এখন তাদের চাওয়াগুলো আরও বেশি বাস্তবায়ন দেখতে চান। ইউরোপীয় ইউনিয়নে বাংলাদেশ যেহেতু শুল্কমুক্ত সুবিধা পায়, সেহেতু তাদের চাওয়াগুলোকে আমরা বেশি গুরুত্ব দিই। আমাদের ৬০ শতাংশ রপ্তানি যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নে যায়। মোট রপ্তানির ৬০ ভাগ।’

    বেপজা আইনের সংশোধন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘অংশীজন যারা আছেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীসবার সঙ্গে আলোচনা করেই করা হবে কী করা হবে। এরইমধ্যে বেপজা আইনে অনেকগুলো সংশোধন আনা হয়েছে। এখন সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নেবেন, বিশেষ করে আইএলও আইনে ত্রিপক্ষীয়ভাবেই সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এটাও সরকার, শ্রমিক ও মালিকপক্ষ মিলে ঠিক করবেন, কীভাবে করা হবে। বেপজার শ্রমিক কল্যাণ অ্যাসোসিয়েশনকে ট্রেড ইউনিয়ন করতে হবে বলে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি।’

    এসব সিদ্ধান্ত লিখিতভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে অবহিত করা হবে কিনা, জানতে চাইলে সচিব বলেন, ‘২০২৫ সালের জুনের মধ্যে বেপজা আইনটাও সংশোধন করা হবে। সংশোধন করে কীভাবে হবে, সেটা সব স্টেকহোল্ডার লোচনা করেই ঠিক করা হবে। এখানে বিনিয়োগকারী আছেন, শ্রমিক আছেন, মালিকপক্ষ আছেন, সরকার আছে সবাই মিলেই ঠিক করা হবে কোন পর্যায়ে আমরা সংস্কারটা করবো। এরই মধ্যে ২০১৮ সালের বেপজা আইনে অনেক সংস্কার আনা হয়েছে। সেগুলো আমরা তাদের বলেছি এবং তারা এ ব্যাপারে সন্তুষ্ট।’

  • এলপি গ্যাসের দাম বেড়েছে

    এলপি গ্যাসের দাম বেড়েছে

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৩ ডিসেম্বর, ২০২৩: বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি), ঘোষণা অনুযায়ী ভোক্তাপর্যায়ে এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৩৮১ টাকা থেকে ২৩ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৪০৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    আজ রবিবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুর ৩টায় রাজধানীর কাওরান বাজারে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) হল রুমে এ ঘোষণা দেন চেয়ারম্যান মো. নূরুল আমিন।

    ঘোষণায় বলা হয়, সাড়ে পাঁচ কেজির সিলিন্ডার ৬৪৪ টাকা, সাড়ে ১২ কেজির সিলিন্ডার এক হাজার ৪৬৩ টাকা, ১৫ কেজির সিলিন্ডার এক হাজার ৭৫৫ টাকা, ১৬ কেজির সিলিন্ডার এক হাজার ৮৭২ টাকা, ১৮ কেজির সিলিন্ডার দুই হাজার ১০৭ টাকা, ২০ কেজির সিলিন্ডার দুই হাজার ৩৪০ টাকা, ২২ কেজির সিলিন্ডার দুই হাজার ৫৭৫ টাকা, ২৫ কেজির সিলিন্ডার দুই হাজার ৯২৬ টাকা, ৩০ কেজির সিলিন্ডার তিন হাজার ৫১১ টাকা, ৩৩ কেজির সিলিন্ডার তিন হাজার ৮৬২ টাকা, ৩৫ কেজির সিলিন্ডার চার হাজার ৯৬ টাকা ও ৪৫ কেজির সিলিন্ডার পাঁচ হাজার ২৬৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বিইআরসি চেয়ারম্যান জানান, রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে তরল অবস্থায় সরবরাহকৃত বেসরকারি এলপিজির ভোক্তাপর্যায়ে মূসকসহ মূল্য প্রতি কেজি ১১৩ টাকা ২০ পয়সায় সমন্বয় করা হয়েছে। এ ছাড়া ভোক্তাপর্যায়ে মূসকসহ প্রতি লিটার অটোগ্যাসের দাম ৬৪ টাকা ৪৩ পয়সায় সমন্বয় করা হয়েছে।এছাড়া ভোক্তাপর্যায়ে মূসকসহ অটোগ্যাসের প্রতি লিটারের মূল্য ৬৪ টাকা ৪৩ পয়সায় সমন্বয় করা হয়েছে।

    ২০২১ সালের ১২ এপ্রিলের আগে পর্যন্ত এলপিজির দর ছিল কোম্পানিগুলোর ইচ্ছাধীন। ১২ এপ্রিল দর ঘোষণার সময় বলা হয় আমদানি নির্ভর এই জ্বালানি সৌদি রাষ্ট্রীয় কোম্পানি আরামকো ঘোষিত দরকে ভিত্তিমূল্য ধরা হবে। সৌদির দর ওঠা-ওঠা-নামা করলে ভিত্তিমূল্য উঠানামা করবে। অন্যান্য কমিশন অপরিবর্তিত থাকবে। ঘোষণার পর থেকে প্রতিমাসে এলপিজির দর ঘোষণা করে আসছে বিইআরসি।

    এর আগে নভেম্বর মাসে এলপি গ্যাসের দাম ১ হাজার ৩৬৩ টাকা থেকে ১৮ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩৮১ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি।

  • আজ থেকে আবারও বাড়লো স্বর্ণের দাম

    আজ থেকে আবারও বাড়লো স্বর্ণের দাম

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৩০ নভেম্বর, ২০২৩: আজ বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) থেকে সোনার দাম আবারও  বেড়ছে। এর আগে ১৯ নভেম্বর সোনার দাম বাড়ানো হয়ছিলো। পরে গত ২৬ নভেম্বর সর্বশেষ সোনার মূল্য নির্ধারণ করেছিল বাজুস। যা ২৭ নভেম্বর থেকে কার্যকর হয়।

    গতকাল বুধবার (২৯ নভেম্বর) বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৭৫০ টাকা বাড়া‌নো হয়েছে। এর ফলে এ ক্যাটাগরির সোনার নতুন মূল্য হবে ১ লাখ ৯ হাজার ৮৭৫ টাকা (প্রতি ভরি)। যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দাম। এর আগে সোনার রেকর্ড দাম ছিল ১ লাখ ৮ হাজার ১২৫ টাকা।

    বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম বেড়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। বৃহস্প‌তিবার (৩০ নভেম্বর) থেকে নতুন দাম কার্যকর করা হবে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনা ১ লাখ ৯ হাজার ৮৭৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৪ হাজার ৮৫৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৮৯ হাজার ৯২৯ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ৭৪ হাজার ৯৪১ টাকা।

  • ব্যক্তি করদাতাদের ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় ২ মাস বাড়ছে

    ব্যক্তি করদাতাদের ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় ২ মাস বাড়ছে

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২৯ নভেম্বর, ২০২৩: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ব্যক্তি করদাতাদের ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় ৩০ নভেম্বর থেকে ২ মাস বাড়িয়ে ৩১ জানুয়ারি (২০২৪) পর্যন্ত করতে যাচ্ছে । এছাড়া কোম্পানি করদাতাদের রিটার্ন জমার মেয়াদ ১৫ জানুয়ারি থেকে দেড় মাস বাড়িয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করা হচ্ছে।

    আজ বুধবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এ সংক্রান্ত ঘোষণা দিতে যাচ্ছে। বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নির্বাচনকে সামনে রেখে সময় বাড়ানো হচ্ছে।

    চলতি নভেম্বর মাসজুড়ে চলছে আয়কর সেবা মাস, যা চলবে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত। ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ১৯ লাখ আয়কর রিটার্ন জমা হয়েছে। এ রিটার্নের বিপরীতে রাজস্ব আদায় হয়েছে চার হাজার ২০০ কোটি টাকা।

    হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান দেশে টিআইএন নম্বরধারীর সংখ্যা প্রায় ৯৪ লাখ। এর মধ্যে গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে রিটার্ন দাখিলের সংখ্যা ছিল ২২ লাখ ৯৯ হাজার ৬২৫টি। তার আগে ২০২১-২২ অর্থবছরে রিটার্ন দাখিলের সংখ্যা ছিল ২২ লাখ ৯৯ হাজার ৬২৫টি। এ বছর ৩০ লাখ ছাড়িয়ে যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সেখানে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত আয়কর রিটার্ন জমা পড়েছে দুই-তৃতীয়াংশ।

  • সরকার ৬০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানি করবে

    সরকার ৬০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানি করবে

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২২ নভেম্বর, ২০২৩: সরকার কাতার ও সৌদি আরব থেকে ৬০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার কেনার অনুমোদন দিয়েছে । আর সার কেনা হবে রাষ্ট্রীয় চুক্তির মাধ্যমে । এর পাশাপাশি ৩০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার কেনা হবে কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের (কাফকো) কাছ থেকে । এতে মোট ব্যয় হবে ৩৭২ কোটি ৩৮ লাখ ৮৯ হাজার ৫০ টাকা।

    আজ বুধবার (১৫ নভেম্বর) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    জানা গেছে, শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) কর্তৃক রাষ্ট্রীয় চুক্তির মাধ্যমে কাতারের মুনতাজাত থেকে ৬ষ্ঠ লটে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার ১২৭ কোটি ৮১ লাখ ৫৩ হাজার ৯০০ টাকায় আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) কর্তৃক সৌদি আরবের সাবিক এগ্রি-নিউট্রিনেটস কোম্পানি থেকে ৬ষ্ঠ লটে ৩০ হাজার মেট্রিা টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার ১২৩ কোটি ৪৮ লাখ ৬৩ হাজার ৯০০ টাকায় আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    এছাড়া শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) কর্তৃক কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো), বাংলাদেশের কাছ থেকে ৯ম লটে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার ১২১ কোটি ৮ লাখ ৭১ হাজার ২৫০ টাকায় ক্রয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    এরআগে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এটি প্রস্তাবের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রস্তাবটি হলো: কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) কর্তৃক সৌদি আরব, মরক্কো, তিউনিশিয়া, কানাডা, রাশিয়া এবং বেলারুশের (৬টি দেশের) সাথে নন-ইউরিয়া সার আমদনির চুক্তির ধারা অব্যাহত রাখাসহ আরও ৩টি দেশের (চীন, মালয়েশিয়া ও জর্ডান) সরকারি প্রতিষ্ঠান হতে চুক্তির মাধ্যমে নন-ইউরিয়া সার (টিএসপি, ডিএপি এবং এমওপি) আমদানির প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

  • সহজীকরণ হচ্ছে বেসরকারি কর্মচারীদের সর্বজনীন পেনশন স্কিম

    সহজীকরণ হচ্ছে বেসরকারি কর্মচারীদের সর্বজনীন পেনশন স্কিম

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২০ নভেম্বর, ২০২৩: চলতি বছরের ১৭ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চারটি সর্বজনীন পেনশন স্কিমের শুভ উদ্বোধন করেন। এই চারটির মধ্যে প্রগতি স্কিমটি বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রযোজ্য । কিন্ত এই স্কিমটিতে কিছুটা জটিলতা ছিল বলে মনে করেন বেসরকারি কর্মচারীরা।

    তাই বেসরকারি কোম্পানিতে কর্মরত কর্মচারীদের জন্য সর্বজনীন পেনশন স্কিমে অংশগ্রহণ সহজীকরণে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

    আজ সোমবার (২০ নভেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ে অর্থ বিভাগের অধীন জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মগুলোর পরিদপ্তরের মধ্যে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ সচিব ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদার। সমঝোতা স্মারকে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী চেয়ারম্যান কবিরুল ইজদানী খান এবং যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মগুলোর পরিদপ্তরের নিবন্ধক মো. আবদুছ সামাদ আল আজাদ।

    এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মালেকা খায়রুন্নেছা, অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সুলেখা রানী বসু, জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সদস্য মো. গোলাম মোস্তফাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    গত ১৭ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চারটি স্কিমের সর্বজনীন পেনশন স্কিমের শুভ উদ্বোধন করেন। এরপর যে চারটি স্কিমের মাধ্যমে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে সেগুলো হলো–প্রবাস (প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য), প্রগতি (বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য), সুরক্ষা (স্বকর্মে নিয়োজিতদের জন্য) এবং সমতা (স্বল্পআয়ের নাগরিকদের জন্য)।

    অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বেসরকারি কোম্পানিতে কর্মরত কর্মচারীদের জন্য সর্বজনীন পেনশন স্কিমে অংশগ্রহণ সহজীকরণের জন্য এ সমঝোতা স্বাক্ষরিত হয়। প্রগতি স্কিমের মাধ্যমে যেকোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন করে প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মচারীদের জন্য পেনশন হিসাব পরিচালনা করতে পারেন। এ স্কিমের অধীনে দুই, তিন, পাঁচ এবং ১০ হাজার টাকার চারটি জমার অপশন রয়েছে।

  • দেশে সোনার দাম আবার বাড়লো

    দেশে সোনার দাম আবার বাড়লো

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৯ নভেম্বর, ২০২৩: দেশের বাজারে আবার বেড়েছে সোনার দাম। দেশের ইতিহাসে সোনার দামের এটিই সর্বোচ্চ রেকর্ড। ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৭৫০ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম হয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ৩৭৬ টাকা। আজ রবিবার (১৯ নভেম্বর) থেকে থেকে এটি কার্যকর করা হবে।

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এনামুল হক ভুইয়া লিটন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার দাম বেড়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করেছে।

    নতুন মূল্য অনুযায়ী সবচেয়ে ভালোমানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম হবে ১ লাখ ৬ হাজার ৩৭৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ১ হাজার ৫৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ৮৭ হাজার ১৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ৭২ হাজার ৫৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    তবে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

    সূত্র: বাসস