Category: অর্থনীতি

  • সরকার এক লাখ ২০ হাজার টন সার কিনবে, ৫৩১ কোটি টাকায়

    সরকার এক লাখ ২০ হাজার টন সার কিনবে, ৫৩১ কোটি টাকায়

    www.HelloBangla.News –  অর্থনীতি – ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : রাষ্ট্রীয় চুক্তির মাধ্যমে তিন দেশে থেকে ৯০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার কিনবে সরকার। এই দেশগুলো হচ্ছে সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত । এছাড়া দেশীয় প্রতিষ্ঠান কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো),  থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার কেনা হবে৷ ৫৩০ কোটি ৯৬ লাখ ৬৭ হাজার টাকায় মোট এক লাখ ২০ হাজার টন সারকেনা হবে।

    আজ বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত বৈঠকে এ সংক্রান্ত চারটি পৃথক প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।  অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

    জানা গেছে, রাষ্ট্রীয় চুক্তির মাধ্যমে সৌদি আরবের সাবিক অ্যাগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি থেকে দ্বিতীয় লটে ৩০ হাজার মেট্রিকটন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ১৩২ কোটি ২৭ লাখ ৩৯ হাজার টাকা।

    কাতারের মুনতাজাত থেকে তৃতীয় লটে ১৩৬ কোটি ৫৬ লাখ ৩৯ হাজার টাকা ব্যয়ে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির অনুমোদনও দেওয়া হয়েছে।

    ফার্টিগ্লোব ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড থেকে প্রথম লটে ৩০ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ১৩২ কোটি ২৭ লাখত ৩৯ হাজার টাকা।

    কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো), বাংলাদেশের কাছ থেকে পঞ্চম লটে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে, ১২৯ কোটি ৮৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

  • ডলার বুকিং-এর নতুন নিয়মে দাম হবে ১২৩ টাকা ৩৫ পয়সা

    ডলার বুকিং-এর নতুন নিয়মে দাম হবে ১২৩ টাকা ৩৫ পয়সা

    www.HelloBangla.News –  অর্থনীতি – ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : ভবিষ্যতের জন্য ডলার বুকিং দেওয়ার নতুন নিয়ম চালু করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ডলারের ভবিষ্যৎ দাম (ফরওয়ার্ড রেট) সর্বোচ্চ কত হবে তাও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়মে এক বছর পর ডলারের দাম বর্তমানের চেয়ে ‘এসএমএআরটি’ বা স্মার্ট হারের সঙ্গে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ পর্যন্ত বেশি নিতে পারবে ব্যাংক।

    আজ রবিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই নিয়ম চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক ।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, যে পদ্ধতিতে ঋণের সুদহার নির্ধারিত হচ্ছে, সেটি স্মার্ট বা সিক্স মান্থস মুভিং অ্যাভারেজ রেট অব ট্রেজারি বিল হিসেবে। প্রতি মাসের শুরুতে এই হার জানিয়ে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। জুলাইয়ে স্মার্ট রেট ছিল ৭ দশমিক ১০ শতাংশ। আগস্টে তা বেড়ে হয়েছে ৭ দশমিক ১৪ শতাংশ, যা চলতি সেপ্টেম্বরেও অপরিবর্তিত রয়েছে।

    কেউ এখন ভবিষ্যতের জন্য ডলারের বুকিং দিয়ে রাখলে তাকে এক বছর পর প্রতি ডলারে ১২৩ টাকা ৩৫ পয়সা পরিশোধ করতে হবে। আর মাসভিত্তিক দাম হলে তা মাস হিসাবেই কমে আসবে। বর্তমানে আমদানিতে ডলারের দাম ১১০ টাকা।

    আমদানিকারকদের কাছে বেশি দামে ডলার বিক্রির জন্য বেসরকারি খাতের ১০ ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংক গত রবিবার নতুন নিয়মটি চালু করেছে।

    ডলার ক্রয় ও বিক্রয় উভয়ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ দাম নির্ধারণ করা যায়। কোনো আমদানিকারক এখনই ডলার কিনে এক বছরের মধ্যে পণ্য আমদানি করতে পারেন। এ জন্য তাকে বর্তমান ডলারের সঙ্গে ব্যাংককে বাড়তি কমিশন দিতে হয়। ওই সময়ে দাম কমে গেলেও আমদানিকারককে বর্তমান দাম দিতে হবে। আবার দাম বেড়ে গেলে তিনি সুবিধা পাবেন। অর্থাৎ বাড়তি দাম দিতে হবে না। এদিকে রপ্তানিকারকও নির্দিষ্ট সময় ডলার বিক্রি করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে দাম কমে গেলে রপ্তানিকারক লোকসানেও পড়তে পারেন।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের পরামর্শে বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাফেদা) ও অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (এবিবি) ডলারের জোগান ও চাহিদার ওপর নির্ভর করে বিভিন্ন সময়ে ডলারের দাম নির্ধারণ করে আসছে। ডলারের আনুষ্ঠানিক দাম প্রতি মাসেই বাড়ছে।

    রেমিট্যান্স ও রপ্তা‌নি আয়ে ডলারের মূল্য এখন থেকে এক রেটে ধরা হয়েছে। গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে রপ্তানিকারকরা প্রতি ডলার ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা পাচ্ছেন। আগে যা ছিল ১০৮ টাকা ৫০ পয়সা। রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আ‌য়ে ডলারের মূল্য ৫০ পয়সা বা‌ড়ি‌য়ে ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা করা হ‌য়ে‌ছে। এছাড়া আমদানিতে ডলারের দর হবে ১১০ টাকা। আগে যা ছিল ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আন্তঃব্যাংক ব্যবস্থায় ডলার লেনদেন হচ্ছে ১১০ টাকায়।

    তবে কার্ব মার্কেট বা খোলা বাজারে নগদ এক ডলার কিনতে গ্রাহক‌দের গুনতে হচ্ছে ১১৭ টাকা থেকে ১১৮ টাকা। চিকিৎসা, শিক্ষা বা ভ্রমণের জন্য যারা বিদেশে যাচ্ছেন তাদের নগদ প্রতি ডলার কিনতে খরচ করতে হচ্ছে সর্বোচ্চ ১১৮ টাকা পর্যন্ত।

  • জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস প্রথম লাগেজ ভ্যান নিয়ে ঢাকা ছাড়ল

    জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস প্রথম লাগেজ ভ্যান নিয়ে ঢাকা ছাড়ল

    www.HelloBangla.News –  অর্থনীতি – ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩: প্রথম লাগেজ ভ্যান ৪ হাজার ৬০০ কেজি মালামাল নিয়ে ঢাকা ছেড়েছে জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস (৭১৮)। এই ট্রেনটি মূলত ঢাকা-সিলেট-ঢাকা রুটে যাতায়াত করে। ছেড়ে যাওয়া ট্রেনের নতুন নন-রেফ্রিজারেটর লাগেজ ভ্যানে (৩৬০৫) বিভিন্ন ধরণের মালামাল বুকিং নেওয়া হয়েছে। যাত্রীবাহী ট্রেনে এ মালামাল পরিবহন বাবদ রেলওয়ে আয় করেছে ১০ হাজার ২১২ টাকা। এই পথে কেজিপ্রতি পরিবহন খরচ ২ টাকা ২২ পয়সা ধরা হয়েছে।

    আজ রবিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টা ২০ মিনিটে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনের ৫ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে ট্রেনটি ছেড়ে যায়। এর আগে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন ফিতা কেটে লাগেজ ভ্যান উদ্বোধন করেন এবং সবুজ পতাকা নেড়ে ট্রেন ছাড়ার অনুমতি দেন।

    উদ্বোধনের আগে নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের পরিবহন বিভাগের চাহিদার ভিত্তিতে সবুজ শাক-সবজি, মৌসুমি ফল, ফুল, অন্যান্য পচনশীল দ্রব্য (মাছ, মাংস, দুধ), ঔষধ ও ভ্যাকসিন রেলযোগে পরিবহনের জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে লাগেজ ভ্যান ক্রয়ের উদ্যোগ গ্রহণ করে।

    বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার লক্ষ্যে ওই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য ১২৫টি লাগেজ ভ্যান (৭৫টি মিটারগেজ ও ৫০টি ব্রডগেজ) সহ আরও অন্যান্য রোলিং স্টক (৪০টি ব্রডগেজ লোকোমোটিভ, ৫৮০টি মিটারগেজ ওয়াগন ও ৪২০টি ব্রডগেজ ওয়াগন) সংগ্রহের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) ২০১৮ সালের ২৬ জুন অনুষ্ঠিত একনেক বৈঠকে অনুমোদিত হয়। পরে ওই বছর জুলাই মাসে ৭৫টি মিটারগেজ ও ৫০টি ব্রডগেজ লাগেজ ভ্যান সংগ্রহের জন্য দুটি দরপত্র আহ্বান করা হয় এবং বাংলাদেশ রেলওয়ে ও চীনের সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ২০২০ সালের ৩১ আগস্ট পৃথক দুটি চুক্তি হয়। মোট চুক্তি মূল্য ৩৫৮ কোটি ৩৯ লাখ টাকা (৭৫টি মিটারগেজ লাগেজ ভ্যানের চুক্তি মূল্য ১৮৩ কোটি ২৪ লাখ এবং ৫০টি ব্রডগেজ লাগেজ ভ্যানের চুক্তি মূল্য ১৭৫ কোটি ১৫ লাখ)।

    মন্ত্রী বলেন, রাজধানীসহ দেশের অন্যান্য বিভাগীয় ও জেলা শহরসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলে (যেখানে প্রচুর শাক-সবজি, মৌসুমি ফল, ফুল এবং অন্যান্য পচনশীল দ্রব্য যেমন– মাছ, মাংস, দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত খাবার ইত্যাদি উৎপাদিত হয়) নির্ধারিত আন্তঃনগর ট্রেনের মাধ্যমে লাগেজ ভ্যান যুক্ত করা হবে। এর মাধ্যমে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত দ্রব্য সহজে বাজারজাত করতে পারবেন এবং আর্থিকভাবে লাভবান হবেন।

    নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, আমরা এটা মাত্র শুরু করলাম, তাই ভবিষ্যতে এটাকে বহুমুখী করার জন্য অন্যান্য পরিবহনের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় আসতে হবে। আমরা ফেসিলিটিসটা দিতে চাই। আমরা আপাতত ১৬টি ট্রেনে একটি করে লাগেজ ভ্যান দিচ্ছি। চাহিদার ওপর নির্ভর করে আমরা লাগেজ ভ্যান বাড়াব।

     

     

    লাগেজ ভ্যান সুবিধা পাওয়া যেসব ট্রেন যেসব স্টেশন থেকে:

    ১ /ঢাকা-সিলেট-ঢাকা রুটের পারাবত এক্সপ্রেসে (৭০৯ / ৭১০) শুধু চট্টগ্রাম ও সিলেট স্টেশন থেকে মালামাল লোডিং বা আনলোডিং করা যাবে।

     

    ২ /সিলেট-চট্টগ্রাম-সিলেট রুটের পাহাড়িকা ও উদয়ন এক্সপ্রেসে (৭২০ / ৭২৩) শুধু চট্টগ্রাম ও সিলেট স্টেশন থেকে মালামাল লোডিং বা আনলোডিং করা যাবে।

     

    ৩ /চট্টগ্রাম-সিলেট-চট্টগ্রাম রুটের পাহাড়িকা ও উদয়ন এক্সপ্রেসে (৭১৯ / ৭২৪) শুধু চট্টগ্রাম, শ্রীমঙ্গল ও সিলেট স্টেশন থেকে মালামাল লোডিং বা আনলোডিং করা যাবে।

     

    ৪ /চট্টগ্রাম-ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম রুটের বিজয় এক্সপ্রেসে (৭৮৫ / ৭৮৬) শুধু চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, গৌ. ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ ও ভৈরব বাজার স্টেশন থেকে মালামাল লোডিং বা আনলোডিং করা যাবে।

     

    ৫ /ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ বাজার-ঢাকা রুটের ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেসে (৭৪৩ / ৭৪৪) শুধু ঢাকা, মেলান্দহ বাজার, ইসলামপুর বাজার, দেওয়ানগঞ্জ বাজার স্টেশন থেকে মালামাল লোডিং বা আনলোডিং করা যাবে।

     

    ৬ /ঢাকা-ভূয়াপুর-ঢাকা রুটের জামালপুর এক্সপ্রেসে (৭৯৯ / ৮০০) শুধু ঢাকা, তারাকান্দি, সরিষাবাড়ী, জামালপুর স্টেশন থেকে মালামাল লোডিং বা আনলোডিং করা যাবে।

     

    ৭ /ঢাকা-কিশোরগঞ্জ-ঢাকা রুটের কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেসে (৭৮১ / ৭৮২) শুধু ঢাকা, নরসিংদী, ভৈরব বাজার, কিশোরগঞ্জ স্টেশন থেকে মালামাল লোডিং বা আনলোডিং করা যাবে।

     

    ৮ /ঢাকা-মোহনগঞ্জ-ঢাকা রুটের হাওর এক্সপ্রেসে (৭৭৭ / ৭৭৮) শুধু ঢাকা, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, মোহনগঞ্জ স্টেশন থেকে মালামাল লোডিং বা আনলোডিং করা যাবে।

     

    ৯ /চট্টগ্রাম-ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের মহানগর এক্সপ্রেসে (৭২১ / ৭২২) শুধু চট্টগ্রাম, লাকসাম, কুমিল্লা ও ঢাকা স্টেশন থেকে মালামাল লোডিং বা আনলোডিং করা যাবে।

     

    ১০ /চট্টগ্রাম-ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের চট্টলা এক্সপ্রেসে (৮০১ / ৮০২) শুধু চট্টগ্রাম, ফেনী, লাকসাম, ভৈরব বাজার, নরসিংদী ও ঢাকা স্টেশন থেকে মালামাল লোডিং বা আনলোডিং করা যাবে।

     

    ১১ /ঢাকা-সিলেট-ঢাকা রুটের জয়ন্তিকা ও উপবন এক্সপ্রেসে (৭১৭ / ৭৪০) শুধু ঢাকা, শায়েস্তাগঞ্জ ও সিলেট স্টেশন থেকে মালামাল লোডিং বা আনলোডিং করা যাবে।

     

    ১২ /সিলেট-ঢাকা-সিলেট রুটের জয়ন্তিকা ও উপবন এক্সপ্রেসে (৭১৮ / ৭৩৯) শুধু সিলেট, শ্রীমঙ্গল ও ঢাকা স্টেশন থেকে মালামাল লোডিং বা আনলোডিং করা যাবে।

     

    ১৩ /ঢাকা-লালমনিরহাট-ঢাকা রুটের লালমনি এক্সপ্রেসে (৭৫১ / ৭৫২) শুধু ঢাকা, সান্তাহার, বগুড়া, গাইবান্ধা ও লালমনিরহাট স্টেশন থেকে মালামাল লোডিং বা আনলোডিং করা যাবে।

     

    ১৪ /ঢাকা-রংপুর-ঢাকা রুটের রংপুর এক্সপ্রেসে (৭৭১ / ৭৭২) শুধু ঢাকা, সান্তাহার, বগুড়া, গাইবান্ধা ও রংপুর স্টেশন থেকে মালামাল লোডিং বা আনলোডিং করা যাবে।

     

    ১৫ /ঢাকা-কুড়িগ্রাম-ঢাকা রুটের কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেসে (৭৯৭ / ৭৯৮) শুধু ঢাকা, সান্তাহার, পার্বতীপুর, রংপুর ও কুড়িগ্রাম স্টেশন থেকে মালামাল লোডিং বা আনলোডিং করা যাবে।

  • বাংলাদেশের শিক্ষা খাতে ৩০ কোটি ডলার অনুমোদন বিশ্বব্যাংকের

    বাংলাদেশের শিক্ষা খাতে ৩০ কোটি ডলার অনুমোদন বিশ্বব্যাংকের

    www.HelloBangla.News –  অর্থনীতি – ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ :  বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের শিক্ষা খাতে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুমোদন করেছে। কোভিড-১৯ মহামারি চলাকালীন  শিক্ষার ক্ষতি পুনরুদ্ধারে সহায়তার জন্য এই অর্থ অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক বোর্ড।

    বাংলাদেশ ও ভুটানে বিশ্ব ব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদুলায়ে সেক বলেন, “বাংলাদেশ বিগত বছরগুলোতে শিক্ষাক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে এবং প্রথম যে কয়েকটি উন্নয়নশীল দেশ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে  লিঙ্গ সমতা অর্জন করেছে, বাংলাদেশ তার মধ্যে অন্যতম।

    কিন্তু, কোভিড-১৯ মহামারি সময়ে দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকায়, তা শিক্ষা কার্যক্রমের ওপর ব্যাপক নেতিবাচক  প্রভাব ফেলেছে। ফলে অনেক দরিদ্র মেয়ে এ সময় স্কুল ছাড়তে বাধ্য হয়েছে।” তিনি বলেন, “শিক্ষালব্ধ জ্ঞান এবং শিক্ষার মান উন্নত করার মাধ্যমে বিশ্বব্যাংক শিক্ষার ক্ষয়-ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে বাংলাদেশকে সহায়তা দিয়ে যাবে, যাতে শিক্ষার্থীরা একটি সমৃদ্ধ এবং পরিপূর্ণ জীবন যাপনের  প্রয়োজনীয়  দক্ষতা নিয়ে স্নাতক হয়ে সমাজে প্রতিষ্ঠা পায়।”

    গতকাল শনিবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাদান কার্যক্রম ত্বরান্বিতকরণ কর্মসূচি (লার্নিং অ্যাক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন- এলএআইএসই অপারেশন) সরকারের মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মসূচিকে সহায়তা করবে। শিক্ষাদানকে এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে, এই কর্মসূচির মাধ্যমে ৬ষ্ঠ এবং ৮ম গ্রেডের গণিত, ইংরেজি এবং বাংলার মতো মূল বিষয়গুলোর ওপর আলোকপাত করা হবে, কারণ এগুলোই হচ্ছে- ভবিষ্যত শিক্ষার ভিত্তি।

    সূত্র: বাসস

  • বাজার নিয়ন্ত্রণে ভারত থেকে ডিম আমদানির সিদ্ধান্ত

    বাজার নিয়ন্ত্রণে ভারত থেকে ডিম আমদানির সিদ্ধান্ত

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩: দেশে ডিমের মূল্য বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশ বিদেশ থেকে ডিম আমদানির সিদ্ধান্ত নেয়। এর ফলে ডিমের বাজারে স্থিতিশীলতা আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ডিমের বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে ভারত থেকে আপাতত চার কোটি ডিম আমদানির অনুমোদন দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। দেশের চার প্রতিষ্ঠান এক কোটি করে এ ডিম আমদানি করতে পারবে।

    আজ সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রথম দফায় ভারত থেকে ডিম আমাদানির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন৷

    বাণিজ্য মন্ত্রণালয় গতকাল রবিবার দেশের চার প্রতিষ্ঠানকে এক কোটি করে মোট চার কোটি ডিম আমদানির অনুমতি দিয়েছে। আমদানি করা ডিম খুচরা পর্যায়ে সরকার নির্ধারিত দাম প্রতি পিস ১২ টাকায় বিক্রি হবে।

    আমদানি করা ডিম লেটার অব ক্রেডিট (এলসি) খোলার এক সপ্তাহের মধ্যে এসে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। কয়েক দিনের মধ্যেই এটি শুরু হবে।

    মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, দেশে প্রতিদিন চার কোটি ডিমের প্রয়োজন হয়। এজন্য দেশের বাজারে ডিমের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখতে প্রাথমিক পর্যায়ে সরকার আমদানির পর বাজার স্থিতিশীল আছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করবে এবং বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।

    এদিকে গত ১৪ সেপ্টেম্বর নিত্যপ্রয়োজনীয় আমিষের দাম বাড়ার মধ্যে খুচরা পর্যায়ে ডিমের দাম ১২ টাকা নির্ধারণ করে সরকার। তবে সরকারের বেঁধে দেওয়া দামের প্রভাব পড়েনি রাজধানীর কাঁচাবাজারে।

    ওইদিন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, ডিমের উৎপাদন খরচ সাড়ে ১০ টাকা হওয়ায় আমরা এই দাম নির্ধারণ করে দিয়েছি। প্রতি পিস ডিম এখন থেকে ১২ টাকায় বিক্রি করা হবে। প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এই দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

  • পেঁয়াজ, আলু, ডিমের দাম শক্তভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে: টিপু মুনশি

    পেঁয়াজ, আলু, ডিমের দাম শক্তভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে: টিপু মুনশি

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩: বেঁধে দেওয়া পেঁয়াজ, আলু, ডিমের দাম শক্তভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে, বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, । তিনি আরও বলেন, ভোক্তা অধিকারের যথেষ্ট পরিমাণ লোকের অভাব রয়েছে। এরপরেও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা শক্ত অবস্থানে রয়েছি। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দেওয়া দাম ঠিক করে দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

    আজ শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা থেকে রংপুর নগরীর সেন্ট্রাল রোডস্থ বাসভবনে এসে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।

    বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা সবাই মিলে বাজার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছি। আমাদের বিশাল বাজার। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের গোলের কিছুটা ঘাটতি থাকতে পারে। সেটি কাভার করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সুবিধা নিচ্ছেন। মুক্ত বাজার অর্থনীতিতে সব সময় ব্যবসায়ীদের যে চাপে রাখা যায়, তা কিন্তু নয়। আমরা বাজার নিয়ন্ত্রণে এক কোটি পরিবারকে সাশ্রয়ী মূল্যে খাবার দিচ্ছি।

    তিনি আরও বলেন, যখন যে পণ্যের মজুদ কমে যায় তখন সেই পণ্যের দাম নির্ধারণ করে সরকার। সেটা দেশি বা বিদেশি পণ্য হতে পারে। তিন পণ্যের বেঁধে দেওয়া দাম কার্যকর হবে। এখন থেকে খুচরা পর্যায়ে প্রতিটি ডিমের দাম হবে সর্বোচ্চ ১২ টাকা, প্রতি কেজি আলু ৩৬ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ ৬৫ টাকা। কোনো কারণ ছাড়াই বাজারে অনেক পণ্যের দাম বেড়েছে। এর মধ্যে আলু, পেঁয়াজ ও ডিমের মতো গুরুত্বপূর্ণ পণ্যও রয়েছে। এখন ন্যায্য দাম কার্যকর হবে।

  • বাজার নিয়ন্ত্রণে ডিম, আলু, পেঁয়াজের দাম নির্ধারণ

    বাজার নিয়ন্ত্রণে ডিম, আলু, পেঁয়াজের দাম নির্ধারণ

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩: ডিম, আলু ও পেঁয়াজের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। প্রতি পিস ডিমের দাম ১২ টাকা, আলুর কেজি ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা এবং পেঁয়াজের দাম ৬৪ থেকে ৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    আজ বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় কৃষিপণ্যের উৎপাদন, চাহিদা ও মূল্য পরিস্থিতি পর্যালোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের বাণিজ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।

    টিপু মুনশি বলেন, ডিমের উৎপাদন খরচ সাড়ে ১০ টাকা হওয়ায় আমরা এ দাম নির্ধারণ করে দিয়েছি। প্রতি পিস ডিম এখন থেকে ১২ টাকায় বিক্রি করা হবে। প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এ দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    ডিম আমদানির সিদ্ধান্তের ব্যাপারে তিনি বলেন, বাজার পর্যালোচনা করে সীমিত আকারে ডিম আমদানির অনুমোদন দেওয়া হবে। যদি ডিম প্রতি পিস ১২ টাকায় খুচরা পর্যায়ে বিক্রি করা হয়, তাহলে আমদানির বিষয়টি অতো গুরুত্ব পাবে না, সীমিত আকারে করা হবে। কিন্তু দাম ১২ টাকায় সীমিত না থেকে বাড়ানো হয়, কিংবা সুযোগ নেওয়া হয়, তাহলে বেশি করে আমদানি করা হবে। বাজার ঠিক রাখার জন্যই আমদানি করা হবে।

    এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ভোক্তা অধিকার থেকে শুরু করে জেলা প্রশাসকরা (ডিসি) বাজার মনিটরিং করবেন। জেলা-উপজেলাসহ বড় বড় শহরগুলোয় এই মনিটরিং চলবে। আজকের ঘোষণার পরে সর্বাত্মক শক্তি নিয়ে বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

    তিনি আরও বলেন, পেঁয়াজ স্টোর করার সুবিধা নেই। কিন্তু ডিমের ক্ষেত্রে বড়ো সুবিধাটা রয়েছে। সেটা হলো ডিম আমরা আমদানি করতে পারবো। এতে বাজারের বাড়তি দামের প্রভাবটা কমানো সম্ভব। ডিমের দাম যে ১২টাকা ঠিক করা হয়েছে, এটি খুবই ন্যায্য। কোনো অবস্থাতেই এটা কম না, যথেষ্ট ভালো দাম।

    এদিকে আলু ও পেঁয়াজের দামও বেঁধে দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ভোক্তা অধিকার মাঠে থেকে এটি মনিটরিং করবেন।

    সয়াবিন তেলের দাম পাঁচ টাকা কমে আসবে বলেও জানান মন্ত্রী। টিপু মুনশি বলেন, বাজারে কোনো কারণ ছাড়াই অনেক পণ্যের দাম বেড়েছে। এরমধ্যে আলু, পেঁয়াজ ও ডিমের মতো গুরুত্বপূর্ণ পণ্য রয়েছে। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এখন ন্যায্যদাম কার্যকর করবো।

  • দেশে বকেয়া আমদানি শুল্কের পরিমাণ ৭৬০ কোটি ৩০ লাখ টাকা: অর্থমন্ত্রী

    দেশে বকেয়া আমদানি শুল্কের পরিমাণ ৭৬০ কোটি ৩০ লাখ টাকা: অর্থমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩: আজ সংসদ অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বর্তমানে বকেয়া আমদানি শুল্কের পরিমাণ প্রায় ৭৬০ কোটি ৩০ লাখ টাকা।

    আজ সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) অর্থমন্ত্রী জাতীয় সংসদের অধিবেশনে আওয়ামী লীগের সদস্য হাবিবুর রহমানের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে এ তথ্য জানান।

    অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বকেয়া আমদানি শুল্কের পরিমাণ প্রায় ৭৬০ কোটি ৩০ লাখ টাকা। আমদানি শুল্ক অনাদায়ী থাকার কারণে বলা হয়েছে, বিভিন্ন ধরনের আইনি জটিলতার কারণে ক্ষেত্র বিশেষে আমদানি শুল্ক অনাদায়ী হয়ে থাকে। পণ্যচালান খালাসের পর নিয়মিত নিবারণী তৎপরতার অংশ হিসেবে খালাসোত্তর নিরীক্ষা (পোস্ট ক্লিয়ারেন্স অডিট) কার্যক্রম সম্পাদন করা হয় এবং এর মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে অনাদায়ী শুল্কের উদ্ভব হয়।

    তিনি বলেন, শুল্কায়ন সম্পন্ন হলেও সাময়িক অর্থ সংকটের কারণে অনেক সময় পণ্যের চালান না নেওয়ায় আমদানি শুল্ক অনাদায়ী থেকে যায়। সরকারি প্রতিষ্ঠানের আমদানির ক্ষেত্রে অধিকাংশ সময়ে বিলম্বে শুল্ক পরিশোধের ভিত্তিতে পণ্যের চালান নেওয়া হয়ে থাকে এবং পরবর্তী সময়ে পণ্য চালান সংশ্লিষ্ট শুল্ক করাদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ না করলে সেক্ষেত্রে এই চালানের আমদানি শুল্ক অনাদায়ী থেকে যায়।

    তিনি আরও বলেন, স্থানীয় ও রাজস্ব অডিট অধিদপ্তরের নিরীক্ষা এবং সংশ্লিষ্ট কাস্টম হাউস বা স্টেশনের তৎপরবর্তী বিচারাদেশের মাধ্যমে ফাঁকি দেওয়া শুল্ক আদায়ের কার্যক্রম নেওয়া হয় বিধায় আমদানি পর্যায়ে বকেয়া হয়ে যায়।

    আমদানি শুল্কের আদায়ের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, দ্য কাস্টমস অ্যাক্ট, ১৯৬৯ এ উল্লিখিত বকেয়া আদায় সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান যথাযথভাবে অনুসরণপূর্বক অনাদায়ী শুল্ক আদায়ের কার্যক্রম নেওয়া হয়। দ্য কাস্টমস অ্যাক্ট, ১৯৬৯ এ উল্লিখিত বকেয়া আদায় সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান যথাযথভাবে অনুসরণপূর্বক অনাদায়ী শুল্ক আদায়ের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম নেওয়ার ফলে এ পর্যন্ত ৪ কোটি ৪৪ লাখ টাকা আদায় হয়েছে এবং অবশিষ্ট রাজস্ব আদায়ের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

  • বাংলাদেশ বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির মধ্যে অন্যতম

    বাংলাদেশ বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির মধ্যে অন্যতম

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর সোলায়মানে কুলিবালি এই বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে যে, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হবে।

    তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির মধ্যে অন্যতম। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, দেশটি ২০৪১ সালের মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার জন্য সঠিক পথে রয়েছে, কারণ বাংলাদেশ করোনা মহামারি সত্ত্বেও এর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রেখেছে।’

    আজ মঙ্গলবার ( ৫ নেপ্টেম্বর) ঢাকায় পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে ছোটো উদ্যোগের ক্রমবিকাশ: প্রেক্ষিত আরএআইসিই প্রকল্প’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় সম্মাননীয় অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। পিকেএসএফ চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন পিকেএসএফর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. নমিতা হালদার।

    ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেন, বাংলাদেশকে জনমিতিক সুযোগ গ্রহণ করতে হলে ক্ষুদ্র উদ্যোগে বিনিয়োগ করা জরুরি। ক্ষুদ্র উদ্যোগের বিকাশে আর্থিক পরিষেবার পাশাপাশি অ-আর্থিক পরিষেবা যেমন সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক কর্মকান্ড বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

    পিকেএসএফ পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠীর ভাগ্যোন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে ড. নমিতা হালদার বলেন,  আরএআইসিই প্রকল্পটি পিছিয়ে পড়া মানুষের, বিশেষ করে তরুণদের সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে তাদের সার্বিক জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে।

    সভায় ‘বাংলাদেশে ছোটো উদ্যোগের বিকাশ: সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’ বিষয়ক উপস্থাপনায় পিকেএসএফ এর অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের দেশীয় ছোটো উদ্যোগের বিকাশে পিকেএসএফ এর বিভিন্ন কার্যক্রম ও প্রকল্পের ভূমিকা তুলে ধরেন। এছাড়া আরএআইসিই প্রকল্পের বিভিন্ন দিক নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্প সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার চক্রবর্তী।

    উপস্থাপনাসমূহের ওপর আলোচনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক এম. এ. বাকী খলীলী। অনুষ্ঠানে তৃণমূল পর্যায়ের আরএআইসিই প্রকল্পের কয়েকজন অংশগ্রহণকারী তাদের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। এছাড়া এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন পিকেএসএফ ও এর সহযোগী সংস্থাসমূহের কর্মকর্তা ও বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিবৃন্দ।

    ছোটো উদ্যোগে মানব সক্ষমতার বিকাশের লক্ষ্যে পিকেএসএফ ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ অর্থায়নে আরএআইসিই প্রকল্পটি ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে যাত্রা শুরু করে। প্রকল্পটি ৭০টি সহযোগী সংস্থার মাধ্যমে দেশের ৬৪টি জেলার ৩৩৩টি উপজেলার শহর ও শহরতলী এলাকায় বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

    উপস্থাপনাসমূহের ওপর আলোচনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক এম. এ. বাকী খলীলী। অনুষ্ঠানে তৃণমূল পর্যায়ের আরএআইসিই প্রকল্পের কয়েকজন অংশগ্রহণকারী তাদের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। এছাড়া এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন পিকেএসএফ ও এর সহযোগী সংস্থাসমূহের কর্মকর্তা ও বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিবৃন্দ।

    ছোটো উদ্যোগে মানব সক্ষমতার বিকাশের লক্ষ্যে পিকেএসএফ ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ অর্থায়নে আরএআইসিই প্রকল্পটি ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে যাত্রা শুরু করে। প্রকল্পটি ৭০টি সহযোগী সংস্থার মাধ্যমে দেশের ৬৪টি জেলার ৩৩৩টি উপজেলার শহর ও শহরতলী এলাকায় বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

  • ৫০ কোটি মার্কিন ডলার আয়ের সম্ভাবনা ফুল রপ্তানি করে: বৃষিমন্ত্রী

    ৫০ কোটি মার্কিন ডলার আয়ের সম্ভাবনা ফুল রপ্তানি করে: বৃষিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : দেশের উৎপাদিত ফুল বিদেশে রপ্তানি করে ৫০ কোটি মার্কিন ডলার করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন, কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক।
    কৃষিমন্ত্রী বলেছেন, দেশে এখন বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ফুলের চাষ বাড়ছে। দেশে ও আন্তর্জাতিক বাজারে ফুলের চাহিদা দিনকে-দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সারাবিশ্বে ৩৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ফুলের বাজার রয়েছে। এর মধ্যে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের বাজার ধরার মতো সুযোগ আমাদের রয়েছে, সে সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।’
    ড. রাজ্জাক গতকাল শুক্রবার সকালে রাজধানীর গাবতলী বাসস্ট্যান্ডের সন্নিকটে বেড়িবাঁধে কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের উদ্যোগে নির্মিত পাইকারি ফুলের আধুনিক বাজার ও প্রসেসিং সেন্টার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
    মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের অর্থনীতি সামনে আরো বিকশিত হবে। সেখানে ফুল বিরাট ভূমিকা রাখতে পারবে। সেজন্য, ফুলের উন্নত জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং তার ব্যাপক সম্প্রসারণ করতে হবে।’
    তিনি এসময় বিজ্ঞানী ও উদ্যান তত্ত্ববিদদের দ্রুত ফুলের আধুনিক জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের নির্দেশ দিয়েছেন।
    ড. রাজ্জাক বলেন, এই বাজারকে আধুনিক ও সুষ্ঠুভাবে ব্যবস্থাপনা করতে হবে। কোন রকমের অব্যবস্থাপনা যাতে না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
    টাকা পাচার-রোধে প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এই মুহূর্তে দেশে ডলারের কিছু ঘাটতি চলছে। এই ঘাটতির পিছনে একদিকে রয়েছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ও জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধি। অন্যদিকে রয়েছে দেশের ভূমিদস্যু, কিছু ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবি- যারা অর্থ পাচারের মাধ্যমে দুবাই, কানাডা, মালয়েশিয়ায় বাড়ি কিনেছেন ও সম্পদের মালিক হয়েছেন।
    তিনি বলেন, ভূমিদস্যু, কিছু ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবি অর্থ পাচার করে দিনে-দুপুরেই দেশটাকে ডাকাতি করছে। এদেরকে রুখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলস চেষ্টা করে যাচ্ছেন। কিন্তু এদেরকে মোকাবেলা করা খুবই কঠিন। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক চক্র এর সাথে জড়িত। সেজন্য, যারা অর্থ পাচার করে, সম্পদ লুটে বিদেশে নিয়ে দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করতে চায়, তাদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবেলা করতে হবে। এদের হাত থেকে জাতিকে মুক্ত করতে হবে।
    কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রুহুল আমিন তালুকদারের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ মো. বখতিয়ার, কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের সাবেক কর্মকর্তা মাসুদ করিম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক তাজুল ইসলাম পাটোয়ারী, ঢাকা ফুল ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি বাবুল প্রসাদ প্রমুখ বক্তৃতা করেন।
    অনুষ্ঠানে ফুল ব্যবসায়ীরা জানান, বর্তমানে দেশে দেড় হাজার কোটি টাকার ফুলের বাজার রয়েছে, যেখানে ১৫ লাখ মানুষ নিয়োজিত।
    সূত্র: বাসস