Category: অর্থনীতি

  • শুরুতে ট্রেজারি বন্ডে ১১ কোটি ৩১ লাখ টাকা বিনিয়োগ

    শুরুতে ট্রেজারি বন্ডে ১১ কোটি ৩১ লাখ টাকা বিনিয়োগ

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২২ অক্টোবর, ২০২৩: সর্বজনীন পেনশন স্কিমে ১৫ হাজার জন চাঁদা দিয়েছেন। তাদের জমা দেওয়া চাঁদার পরিমাণ ১২ কোটি ৪৫ লাখ টাকার বেশি। প্রাথমিকভাবে ১০ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ডে ১১ কোটি ৩১ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে।

    আজ রবিবার (২২ অক্টোবর) এ বিনিয়োগের উদ্বোধন করা হয়। সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিনিয়োগের তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জাম মজুমদার। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব কবিরুল ইজদানী খান, জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সদস্য অতিরিক্ত সচিব মো. গোলাম মোস্তফা প্রমুখ।

    অর্থমন্ত্রী বলেন, ‌‌‘সর্বজনীন পেনশন তহবিল’ শিরোনামের ব্যাংক হিসাবে পেনশন স্কিমে অংশগ্রহণকারী সবার জমা করা অর্থ জমা থাকবে। এ অর্থ জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ নিরাপদ ও কম ঝুঁকিপূর্ণ উৎসে বিনিয়োগ করবে। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারের ট্রেজারি বন্ডকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

    জাতীয় পেনশন স্কিম নিরাপদ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি মনে করি আমাদের বাংলাদেশের মানুষের চাহিদার অনেকটাই মেটাতে পারবে এবং সবাই উপকৃত হবেন।

    অর্থ বিভাগের সচিব মো. খায়রুজ্জামান মজুমদার বলেন, আমরা এ পর্যন্ত ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। প্রায় ১৫ হাজার জন রেজিস্ট্রেশন করে চাঁদা দিয়েছেন তাদের জমা দেওয়া চাঁদার পরিমাণ ১২ কোটি ৪৫ লাখ টাকার বেশি। তার মধ্যে থেকে প্রথমে আমরা বড় অংশ দিয়ে ১০ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ করেছি।

    জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সদস্য অতিরিক্ত সচিব মো. গোলাম মোস্তফা বলেন, সর্বজনীন পেনশন স্কিমে জমা পড়া চাঁদার টাকা বিনিয়োগের বিধিমালা হচ্ছে। এটি চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে। শিগগিরই বিনিয়োগ বিধিমালা জারি করা হবে। তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ১১ কোটি ৩১ লাখ টাকা দিয়ে ১০ বছর মেয়াদি যে ট্রেজারি বন্ড কেনা হয়েছে তার মুনাফার হার ১০ দশমিক ৫০ শতাংশ। এটা আমাদের প্রত্যাশার থেকেও বেশি।

    সংবাদ সম্মেলনে সর্বজনীন পেনশন তহবিলের অর্থে কেনা ট্রেজারি বন্ড আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিষদের চেয়ারম্যান ও অর্থমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কবিরুল ইজদানী খান।

    পরে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আজ রবিবার (২২ অক্টোবর) দুপুর পর্যন্ত পেনশন স্কিমে ১৪ হাজার ৯২৮ জন চাঁদা জমা দিয়েছেন। তাদের জমা দেওয়া চাঁদার পরিমাণ ১২ কোটি ৪৮ লাখ ৯২ হাজার টাকা।

    এর মধ্যে প্রবাস স্কিমে ৪৪৮ জন অংশগ্রহণকারী এক কোটি ১৫ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং প্রগতি স্কিমে ৬ হাজার ৭১৯ জন ৬ কোটি ৬৬ লাখ ৯ হাজার ৫০০ টাকা জমা দিয়েছেন।

    আর সুরক্ষা স্কিমে ৬ হাজার ৭৮ জন ৪ কোটি ৩০ লাখ ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা এবং সমতা স্কিমে ১ হাজার ৬৮৩ জন ৩৭ লাখ ৩৭ হাজার টাকা জমা দিয়েছেন।

    গত ১৭ আগস্ট প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বজনীন পেনশন স্কিম উদ্বোধন করেন। এর পর পরই আবেদন শুরু হয়ে যায়। সর্বজনীন পেনশন স্কিমে ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী একজন সুবিধাভোগী ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত এবং ৫০ বছরের ঊর্ধ্ব বয়স্ক একজন সুবিধাভোগী ন্যূনতম ১০ বছর চাঁদা দিয়ে আজীবন পেনশন সুবিধা ভোগ করবেন।

  • চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি আয় বেড়েছে

    চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি আয় বেড়েছে

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৩ অক্টোবর, ২০২৩: ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর), তৈরি পোশাক খাত থেকে দেশের রপ্তানি আয় আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১১ দশমিক ৪৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৫ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো’র (ইপিবি) সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুসারে স্পেন, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস এবং ইতালিতে দেশের আরএমজি রপ্তানি যথাক্রমে ২৩ দশমিক ২৬ শতাংশ, ৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ, ১৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ এবং ২৩ দশমিক ২২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

    অন্যদিকে, জার্মানি, ইউরোপীয় ইউনিয়নের বৃহত্তম রপ্তানি বাজার, আগের অর্থবছরের (অর্থবর্ষ-২৩) জুলাই- সেপ্টেম্বর সময়ের তুলনায় ১ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন হ্রাস পেয়ে ৪ দশমিক ৪১ শতাংশ দাড়িয়েছে।

    এই তিন মাসে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ২ দশমিক ০৭ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ২ দশমিক ৭৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সময় যুক্তরাজ্য ও কানাডায় রপ্তানি যথাক্রমে ২১ দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং ৫ দশমিক ৪৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলার এবং ৩৫২ দশমিক ৮৬ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

    চলতি অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ের মধ্যে, অপ্রচলিত বাজারে পোশাক রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের মধ্যে ১ দশমিক ৮০ বিলিয়ন থেকে ২৪ দশমিক ৯৩ শতাংশ বেড়ে ২ দশমিক ২৪ বিলিয়ন হয়েছে।

    প্রধান অপ্রচলিত বাজারগুলোর মধ্যে জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় রপ্তানি যথাক্রমে ৩৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ, ৫৪ দশমিক ১১ শতাংশ এবং ৩৭ দশমিক ০১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

    তবে, এই তিন মাসে ভারতে পোশাক রপ্তানি ৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ কমেছে।

    ডেনিম এক্সপার্ট লিমিটেডের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিজিএমইএর পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল জানিয়েছেন, এই সময়ে তৈরি পোশাক থেকে রপ্তানি আয় বাড়লেও উৎপাদন খরচের পাশাপাশি অর্ডারের সংখ্যা কমেছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে বিবিধ বিলও। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী অনিশ্চয়তার মধ্যে তৈরি পোশাক খাতের সফল পরিবর্তনের জন্য অর্ডার বৃদ্ধির কোন বিকল্প নেই।

    সূত্র: বাসস

  • শরৎ মেলা নারী ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথ তৈরি করছে

    শরৎ মেলা নারী ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথ তৈরি করছে

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১২ অক্টোবর, ২০২৩: ক্ষুদ্র শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য অনুষ্ঠিত তিন দিন ব্যাপী ‘নক্ষত্র নারী শরৎ’ মেলা শেষ হয়েছে গতকাল ধানমন্ডির একটি কনভেকশন হলে। মেলায় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন ধরণের পণ্যের সমাহার দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথকে এগিয়ে নিয়েছে অনেকাংশে।মেলায় ছিলো ৪৫টি স্টল।স্টলগুলোতে ছিলো পোশাক, হস্তশিল্প সামগ্রী, জুয়েলারী ও খাদ্যপণ্য। মেলার উদ্যোক্তরা জানিয়েছে মেলায় স্থান পেয়েছে সব ইউনিক পণ্য সাম্রগ্রী। যেমন জামদানি, মসলিন, ব্লক বা টিক,মনিপুরী, সিল্কসহ দেশিয় সব ধরনের শাড়ী- থ্রীপিস। আরও ছিলো দেশীয় হাতের কাজের কুরতি, থ্রিপিস, হাতের কাজের গহনা, কড়ির গহনা, পার্লের গহনা, হরেক রকম হিজাব, আবায়া, বোরকা, ওয়েস্টার্ন ড্রেস, জুতা, ব্যাগ, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কসমেটিকস, হারবাল কসমেটিকস, নকশিকাঁথা ও কুরশিকাটার পণ্য, পাটের পণ্য, হোমমেড নানাবিধ মুখরোচক খাবার, হোম ডেকোর প্রোডাক্টস, হ্যান্ড পেইন্টের শাড়ি, হরেক রকম আচার, মধু ও ঘি। মেলায় ছিলো ফ্রি মেহেদী ও চুড়ি উৎসব। তাছাড়া ক্রেতাদের জন্য কুপনের মাধ্যমে আকর্ষনীয় অনকে অনেক পুরস্কার।মেলার আয়োক  নক্ষত্র নারী সংগঠন এর ফাউন্ডার শাহনাজ ইসলাম। তিনি বলেন, ‘নারীদের নিজস্ব পণ্য মেলার মাধ্যমে বিপনণের সুযোগ করে দিয়ে তাঁদের নিজেদের অর্থনীতির পথকে প্রশস্ত করার পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখার সক্ষমতা সৃষ্টি করছে।’

    উদ্বোধনী দিনে প্রধান অতিথি ছিলেন জাকিয়া পারভীন খানম মনি এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় নজরুল কণ্ঠশিল্পী ফাতেমা তুজ জোহরা, বিশেষ অতিথি ছিলেন তানিয়া খন্দকার স্বধিকারী প্রাচুর্য ফ্যাশন ও অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেছেন সোনিয়া সিমরান।

  • টিকা উৎপাদনে ৩৩৮ মিলিয়ন ডলারের ঋণ সহায়তা দিতে চায় এডিবি: পরিকল্পনামন্ত্রী

    টিকা উৎপাদনে ৩৩৮ মিলিয়ন ডলারের ঋণ সহায়তা দিতে চায় এডিবি: পরিকল্পনামন্ত্রী

    www.HelloBangla.News –  অর্থনীতি –  ১১ অক্টোবর, ২০২৩ : পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের টিকা উৎপাদনে ৩৩৮ মিলিয়ন ডলারের ঋণ সহায়তা দিতে চায় এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)।

    আজ বুধবার (১১ অক্টোবর) আগারগাঁওয়ের পরিকল্পনা মন্ত্রীর দপ্তরে, সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ঘণ্টাব্যাপী এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন গিন্টিং-এর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

    মন্ত্রী বলেন, আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্ট নিয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশের ভ্যাকসিন তৈরির সক্ষমতা বাড়াতে দ্রুত প্রকল্প অনুমোদন চায় এডিবি। বর্তমানে প্রকল্প প্রস্তাব তৈরির প্রক্রিয়া চলছে। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটি অনুমোদন না হলে স্বল্প সুদের ঋণ পাওয়ার বিষয়টি অনিশ্চিত হবে।

    তিনি বলেন, আগামীতে আরও নানা ধরনের ভাইরাস আসতে পারে। সেজন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি দরকার। সরকার সেজন্য একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে। সেখানে এডিবি ৩৩৮ মিলিয়ন ডলার ঋণ দেবে। এর মধ্যে অর্ধেক স্বল্প সুদে এবং অর্ধেক বাজারের দরের কাছাকাছি সুদ থাকবে। প্রকল্পটি যাতে দ্রুত অনুমোদন করিয়ে দেওয়া হয় সেজন্য এডিবি অনুরোধ করেছে।

    তিনি আরও বলেন, এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর বলেছেন, গত অর্থবছর বাংলাদেশে তার সবচেয়ে ভালো সময় কেটেছে। কাজের পরিবেশ, অর্থছাড়, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ঋণ অনুমোদন সব ক্ষেত্রেই ভালো সময় পার করেছেন এডিমন গিন্টিং।

    এ সময় এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন গিন্টিং বলেন, গত অর্থবছর বাংলাদেশের জন্য সাড়ে তিন বিলিয়ন ডলারের ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দুই বিলিয়ন ডলার স্বল্প সুদে এবং দেড় বিলিয়ন ডলার বাজার দরের কিছু কম সুদের ঋণ।

    তিনি আরও বলেন, এলডিসি উত্তরণের পরবর্তী পর্যায়ে আগামী ২০২৬ সালের পর বাংলাদেশ আর স্বল্প দামে টিকা কিনতে পারবে না। তখন আন্তর্জাতিক বাজার দর অনুযায়ীই টিকা কিনতে হবে।  তাই এখন থেকে  যেন বাংলাদেশে টিকা তৈরি হয় সেজন্য প্রকল্প বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

  • ভারতে ইলিশ রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৪৩৯ হাজার কোটি টাকা: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

    ভারতে ইলিশ রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৪৩৯ হাজার কোটি টাকা: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News –  অর্থনীতি –  ১১ অক্টোবর, ২০২৩ : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম জানিয়েছেন, চলতি অর্থবছর পর্যন্ত চার বছরে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে পাঁচ হাজার ৫৪১ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানি হয়েছে।

    তিনি বলেন, ২০১৯-২০ থেকে ২০২২-২৩ অর্থবছর পর্যন্ত পাঁচ হাজার ৫৪১ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে রপ্তানি করা হয়েছে, যা মোট ইলিশ উৎপাদনের মাত্র দশমিক পাঁচ ভাগেরও কম। এতে রপ্তানি আয় হয়েছে ৪৩৯ হাজার কোটি টাকা। সর্বশেষ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় তিন হাজার ৯৫০ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে রপ্তানির জন্য অনুমোদন দিয়েছে, তার মধ্যে ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর পর্যন্ত ৬০৯ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে রপ্তানি হয়েছে, যা থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ৬২ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় ৬৮ কোটি ২০ লাখ টাকা)।

    বুধবার (১১ অক্টোবর) প্রধান প্রজনন মৌসুমে ‘মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৩’ বাস্তবায়ন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। এসময় মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নাহিদ রশীদ, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খন্দকার মাহবুবুল হকসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    মন্ত্রী বলেন, সর্বশেষ ২০২২ সালে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানের আওতায় দুই হাজার ৬২টি মোবাইল কোর্ট, ১০ হাজার ৮২১টি অভিযানের মাধ্যমে ৩১.৪১ মেট্রিক টন ইলিশ, ৯১৯.৮৫ লাখ মিটার নিষিদ্ধ জাল জব্দ এবং দুই হাজার ৯০৮টি মামলা দায়েরের মাধ্যমে দুই হাজার ১০৭ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে জেল ও ৪৭.৩২ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এছাড়া জব্দকৃত মালামাল নিলামে বিক্রয় করে ২২.১১ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়েছে।

    তিনি জানান, মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সফলভাবে বাস্তবায়ন হওয়ায় বিগত বছর ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ করার ২২ দিনে প্রায় ৫২ শতাংশ মা ইলিশ ডিম ছাড়তে পেরেছে। ফলে গত বছর প্রায় চার লাখ পাঁচ হাজার ৫১৫ কেজি ডিম উৎপাদিত হয়েছে, যা থেকে প্রায় ৪০ হাজার ২৭৬ কোটি জাটকা ইলিশ যুক্ত হয়েছে।

  • অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন মার্কিন অধ্যাপক ক্লডিয়া গোল্ডিন

    অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন মার্কিন অধ্যাপক ক্লডিয়া গোল্ডিন

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ০৯ অক্টোবর, ২০২৩: সাহিত্য, শান্তি আর অর্থনীতি এই তিন শাখায় পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে নোবেল পুরস্কার প্রদানের অনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়। এই তিন শাখাতেই একজন করে বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে শান্তি ও অর্থনীতি এই দুই শাখায় পেয়েছেন দুইজন নারী। আজ সোমবার (৯ অক্টোবর) ঘোষণা করা হয়েছে অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ীর নাম।

    ২০২৩ সালের অর্থনীতিতে নোবেল জয় করলেন অধ্যাপক ক্লডিয়া গোল্ডিন। আজ স্থানীয় সময় বেলা পৌনে ১২টার দিকে সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে অর্থনীতি শাখার নোবেলজয়ী হিসেবে এই মার্কিন অর্থনীতিবিদ অধ্যাপকের নাম ঘোষণা করেছে সুইডেনের রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্স।

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান শুরু হয়েছে ১৯৬৯ সাল থেকে। ২০২২ সাল পর্যন্ত এই শাখায় নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে মোট ৫৪টি। চলতি বছরের ৫৫তম পুরস্কারটি অর্জন করলেন।

    ক্লডিয়া গোল্ডিন ১৯৪৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৭২ সালে শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি অর্জন করেছেন এবং বর্তমানে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপক। তিনি তৃতীয় নারী, যিনি অর্থনীতিতে নোবেল জিতলেন। নোবেলদের সব শাখার মধ্যে অর্থনীতির পুরস্কারে সবচেয়ে কমসংখ্যক নারী বিজয়ী রয়েছে। এর আগে ২০০৯ সালে এলিনর অস্ট্রম এবং ২০১৯ সালে এথার ডুফ্লো বিজয়ী হয়েছিলেন।

    স্টকহোমে নোবেলজয়ীর নাম ঘোষণার অনুষ্ঠানে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সের জুরিরা বলেন,  নারী শ্রমিকদের বাজার সম্পর্কে সাধারণ লোকজনের জানাশোনা ও বোঝাপড়ার উন্নয়নে বিশেষ অবদানের জন্য হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অধ্যাপক ও গবেষককে চলতি বছর নোবেলের জন্য যোগ্যব্যক্তি বলে মনে করেছে একাডেমি।

  • চলতি বছর আমন মৌসুমে ৪ লাখ টন সেদ্ধ চাল ক্রয় করবে সরকার

    চলতি বছর আমন মৌসুমে ৪ লাখ টন সেদ্ধ চাল ক্রয় করবে সরকার

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ০৮ অক্টোবর, ২০২৩: খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার জানিয়েছেন চলতি বছর আমন মৌসুমে ৪ লাখ টন সেদ্ধ চাল ও ১ লাখ টন আতপ চাল এবং ২ লাখ টন ধান ক্রয় করা হবে ।

    আজ রবিবার (৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সম্মেলন কক্ষে খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির (এফপিএমসি) সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

    খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ৩০ টাকা দরে ধান, ৪৪ টাকা দরে চাল এবং ৪৩ টাকা দরে আতপ চাল কেনা হবে।

    তিনি বলেন, আগামী আমন মৌসুমে সরকার ৪৪ টাকা দরে ৪ লাখ টন সিদ্ধ চাল ও ৪৩ টাকা দরে এক লাখ টন আতপ চাল এবং ৩০ টাকা কেজি গড়ে ২ লাখ টন ধান সংগ্রহ করবে সরকার। আগামী নভেম্বরের মধ্য সপ্তাহ থেকে এই সংগ্রহ শুরু হবে। মোট ৫ লাখ টন চাল ও ২ লাখ টন ধান সংগ্রহ করা হবে।

    তিনি বলেন, ইতোমধ্যে আমাদের সাড়ে ৪ লাখ মেট্রিক টন গম পাইপলাইনে রয়েছে৷ আশা করছি আমাদের মজুদ ও বিতরণ ব্যবস্থা ভালো৷ ব্যবসায়ীদের আমরা সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছি৷ সবকিছু ভালোভাবেই চলছে।

    সরকার কবে নাগাদ এসব কিনতে চায় এমন প্রশ্নের উত্তরে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা সাধারণত নভেম্বরে চাল কিনে থাকি৷ তবে কবে নাগাদ ক্রয় করা হবে সে বিষয়ে আজকের মিটিং এ সিদ্ধান্ত হয়নি৷ খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকেই সে তারিখ নির্ধারণ করা হবে৷ আশা করছি নভেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে আমরা চাল সংগ্রহ শুরু করতে পারবো।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোঃ মাহবুব হোসেন, কৃষি সচিব ওয়াহিদা আক্তার সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

  • বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য ভালো জায়গা: টিপু মুনশি

    বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য ভালো জায়গা: টিপু মুনশি

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ০৪ অক্টোবর, ২০২৩: বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য ভালো জায়গা, বলে উল্লেখ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি আপনারা আসুন বাংলাদেশে।

    টিপুমুনশি আরও জানিয়েছেন, আপনাদের ব্যবসাকে প্রসারিত করুন। বাংলাদেশে ইনভেস্টমেন্ট করে কেউ ঠকবেন না। আশা করছি আমাদের সামনের দিনগুলোতে ব্যবসায়ীক প্রসারতা আরও ভালো হবে।

    আজ বুধবার (৪ অক্টোবর) গুলশানের রেনেসাঁ ঢাকা হোটেলে এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এবং বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ডেলিগেশনের যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশে পরিচালিত ইউরোপিয়ান কোম্পানিগুলোর বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য রাখেন মন্ত্রী।

    বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করে আমাদের যা যা সমস্যা আছে, তার সমাধান করব। আমরা আরও এগিয়ে যাব। বিদেশি বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ীদের যেন কোনোরকমের বাধা না থাকে, সেদিকে আমরা লক্ষ্য রাখব। বাণিজ্যিক দিককে আরও এগিয়ে নিয়ে যাব।

    তিনি আরও বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের যেসব ইনভেস্টররা এখানে আছেন, তারা তাদের ব্যবসা এখানে আরও প্রসারিত করবেন এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

    বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার ব্যবসায়ীবান্ধব সরকার। ব্যবসায়ীদের সর্বোচ্চ সুবিধা দিতে, ব্যবসায়ীদের ব্যবসার পরিবেশ আরও প্রসারিত করতে এই সরকার বদ্ধপরিকর। সরকারের পক্ষ থেকে সবসময় ব্যবসায়ীদের ভালো পরিবেশ সৃষ্টি করতে যা যা করণীয় সব কিছুই করা হবে।

    বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মিয়া বলেন, বিদেশি ব্যবসায়ীরা যেন বাংলাদেশে খুব সুন্দরভাবে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করতে পারে, তাদের ব্যবসাকে আরও বাড়াতে পারে সেজন্য প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া আছে। আর বর্তমান সরকারের প্রতিটি ক্ষেত্রই সে অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছে। সরকার, ব্যবসায়ী, রাজনীতিক সবার পক্ষ থেকে আমাদের একটাই উদ্যোগ, যেন বাংলাদেশে সবাই ভালোভাবে বিনিয়োগ করে, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশে ব্যবসায়ী প্রসারতা সৃষ্টি করতে পারে। পাশাপাশি তারা আরও অধিক বিনিয়োগ করতে পারে এবং সেরকম স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবেশ নিশ্চিত থাকে।

    অনুষ্ঠানে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ডেলিগেশন প্রতিনিধিরাসহ আরও উপস্থিত ছিলেন এইচ অ্যান্ড এম’র রিজিওনাল কান্ট্রি ম্যানেজার জিয়াউর রহমান, বাইসাইকেল পার্টস ম্যানুফেকচার অ্যান্ড এক্সপোর্টার অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহম্মাদ মোস্তাক আহমেদ তানভির, বিজিএমইএ’র ভাইস প্রেসিডেন্ট মিরান আলী, বেসিসের প্রেসিডেন্ট রাসেল টি আহমেদ, অ্যাপেক্স ফুটওয়ার লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর প্রমুখ।

  • এক মাসে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে ৬ কোটি ৭৭ লাখ ৪৩ হাজার টাকার টোল আদায়

    এক মাসে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে ৬ কোটি ৭৭ লাখ ৪৩ হাজার টাকার টোল আদায়

    www.HelloBangla.News –  অর্থনীতি – ২ অক্টোবর, ২০২৩ : ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পটি নগরীর অভ্যন্তরীণ সড়কে গাড়ির চাপ কমাতে অনেকাংশে সহাক হয়েছৈ। এই প্রকল্পটি নগরীতে যানজট কমাতে খুব একটা সাহয়ক হয়নি। কিন্তু এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে যানবাহন চলাচলের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে ।

    দৈনিক সাড়ে ১৩ হাজারের চেয়ে বেশি যানবাহন চলাচল করছে। ফলে সরকার ক্ষতি হয়নি।  এক্সপ্রেসওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২৮ দিনে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে ৮ লাখ ৩৬ হাজার ৫৫৮টি গাড়ি চলেছে । এ সময় টোল আদায় হয়েছে ৬ কোটি ৭৭ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। তবে এর মধ্যে ৯৯ শতাংশই ব্যক্তিগত যান (প্রাইভেট কার), যার সংখ্যা ৮ লাখ ২৮ হাজার ৯৮৭টি। এদিকে এক্সপ্রেসওয়েতে চলাচল করে লাভে আছে বিআরটিসি।

     

    এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহার করলে বেসরকারি গণপরিবহনগুলো যানজট এড়াতে পারতো। কিন্তু চলতি পথের যাত্রী সংকট হবে এমন অযুহাত দেখিয়ে এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহার করছে না অন্য কোনো গণপরিবহন।

    তবে গত ১৮ সেপ্টেম্বর এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্পোরেশন (বিআরটিসি) বাস চলাচল চালু করে। শুরুর দিনে ৮টি বাস চলাচল করে সংস্থাটি রাজস্ব আয় করে প্রায় ৬৮ হাজার টাকা। তবে দ্বিতীয় দিন দ্বিগুণ হয়ে সংস্থাটি রাজস্ব আয় পায় প্রায় ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। এরপর থেকে ক্রমান্বয়ে বিআরটিসি বাড়িয়েছে বাসের সংখ্যা আর আয়ও বেড়েছে সংস্থাটির। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের শুধু প্রথমাংশ উদ্বোধন হওয়ায় এখনও চালু হয়নি একাধিক র‍্যাম্প।

    এখনও মহাখালী, বনানী ওঠার দুইটি র‍্যাম্প চালু হয়নি। বনানীর সেতু ভবন থেকে মহাখালীর তেজগাঁও পর্যন্ত যানজট ছিল আগের মতোই তীব্র।

     

    জানা গেছে, এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে সর্বনিম্ন সাড়ে ১৩ হাজার যানবাহন চলাচল না করলে সরকারকে দিতে হবে জরিমানা। তবে পুরোপুরি কাওলা থেকে কুতুবখালি পর্যন্ত চালু না হওয়া ও ৮০ হাজারের বেশি গাড়ি না চলায় এখন যে টোল আদায় হচ্ছে তার পুরোটা পাচ্ছে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোগুলো।

     

    অন্যদিকে দৈনিক সর্বোচ্চ ৮০ হাজারের বেশি যানবাহন চলাচল করলে যে রাজস্ব আদায় হবে সেটির ২৫ শতাংশ পাবে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। আর সেতু কর্তৃপক্ষ প্রাপ্ত আয় থেকে ১০ শতাংশ দেবে রেলওয়েকে। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প পরিচালক এ এইচ এম এস আকতার বলেন, পুরো এক্সপ্রেসওয়ে চালু হলে গাড়ি চলাচলের যে লক্ষ্যমাত্রা সেটি পূরণ হবে।

  • জাপান সরকার মাতারবাড়ি প্রকল্পের জন্য আরও ঋণ দেবে

    জাপান সরকার মাতারবাড়ি প্রকল্পের জন্য আরও ঋণ দেবে

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ০১ অক্টোবর, ২০২৩: জাপান সরকার মাতারবাড়ি আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কোল-ফায়ার্ড পাওয়ার প্রকল্পে আরও দেড় হাজার মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ দেবে । জাপান সরকারের ৪৪তম ওডিএ লোন প্যাকেজের ২য় ব্যাচের আওতাধীন ৭ম পর্যায়ের এই ঋণের জন্য দু’দেশের মধ্যে বিনিময় নোট ও ঋণচুক্তি সই হয়েছে।

    গতকাল শনিবার রাজধানীর আগারগাঁও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের এনইসি-২ সভাকক্ষে ঋণচুক্তি সই হয়। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব শরিফা খান এবং জাপান সরকারের পক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি ও জাইকা অফিসের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ ইচিগুচি তমোহিদে ঋণচুক্তিতে সই করেন। ইআরডি থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই ঋণচুক্তিটির আওতায় জাপান সরকার বাংলাদেশকে ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৫৬ মিলিয়ন জাপানিজ ইয়েন (আনুমানিক ১ হাজার ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) ঋণ সহায়তা দেবে। স্বাক্ষরিত ঋণের বাৎসরিক সুদের হার নির্মাণ কাজের জন্য ১.৬০, পরামর্শক সেবার জন্য ০.১০ এবং এককালীন ০.২ শতাংশ।এ ঋণ ১০ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ৩০ বছরে পরিশোধযোগ্য।

    অব্যাহত বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজার জেলার মহেশখালি উপজেলার মাতারবাড়ি এলাকায় ১২০০ মেগাওয়াট (৬০০ মে. ও. ঢ২ ইউনিট) আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কোল ফায়ার্ড পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের কাজ চলছে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ৫১ হাজার ৮৫৪ কোটি ৮৮ লাখ টাকা (জিওবি ৬,৪০৬.১৬ কোটি, জাইকা ৪৩,৯২১.০৩ কোটি, সিপিজিসিবিএল সংস্থা নিজস্ব ১,৫২৭.৬৯ কোটি)। প্রকল্পের মেয়াদকাল জুলাই ২০১৪ থেকে ডিসেম্বর ২০২৬। আগস্ট ২০২৩ সময় পর্যন্ত প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি ৭৮.৩ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৬৫.১৪ শতাংশ।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এই প্রকল্পে জাইকা কর্তৃক পর্যায়ক্রমে ঋণ সহায়তা দেয়া হচ্ছে। ইতোপূর্বে ৬টি পর্যায়ে মোট ৪ লাখ ৩৭ হাজার ৭৫৪ মিলিয়ন জাপানিজ ইয়েনের ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ৪৪তম ওডিএ লোন প্যাকেজ (২য় ব্যাচ)-এর আওতায় ৭ম পর্যায়ে ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৫৬ মিলিয়ন জাপানিজ ইয়েন দেয়া হবে।

    দ্বি-পাক্ষিক পর্যায়ে জাপান বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন সহযোগী দেশ। স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত জাপান সরকার বাংলাদেশের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নে বিভিন্ন সেক্টরে উল্লেখযোগ্য সহায়তা দিচ্ছে। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে বাংলাদেশ সরকারের অগ্রাধিকারের সাথে সামাঞ্জস্য বজায় রেখে জাপান সরকারের অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন, পল্লী উন্নয়ন, পরিবেশ উন্নয়ন এবং মানবসম্পদ উন্নয়নসহ অন্যান্য খাতের প্রকল্পে ঋণ ও বিভিন্ন প্রকার অনুদান সহায়তা হিসেবে ৩০.৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে।

    সূত্র: বাসস