Author: Hello Bangla News

  • কালোজিরাঃ প্রাকৃতিক মহৌষধ

    কালোজিরাঃ প্রাকৃতিক মহৌষধ

    হাজার হাজার বছর ধরে মানুষ সুস্থ থাকার জন্য এবং বহু রোগের নিরাময়ের জন্য এই খাবারটি ব্যবহার করে আসছে, সেটি হলো- “কালোজিরা” । প্রাকৃতিক মহৌষধ। এ বিষয়ে আমাদের আরো জানাচ্ছেন ডঃ মনিরুজ্জামান। আসুন জেনে নেই কালোজিরার নানাবিধ উপকারিতা সম্পর্কে-

    রোগ নিরাময় ক্ষমতাঃ

    কালোজিরার রয়েছে জাদুকরি নিরাময় ক্ষমতা। যেমন অ্যাজমা, ব্রংকাইটিস, এলার্জিক রাইনাইটিস, ক্রনিক সর্দি-ঠান্ডা। কোল্ড এলার্জি। ডাস্ট এলার্জি, হাঁচি, শ্বাসকষ্ট যাদের লেগে থাকে, তারা যদি নিয়মিত কালোজিরা খান , দারুন উপকার পাবেন এই কালোজিরায়।

    অত্যন্ত শক্তিশালী এন্টি-অক্সিডেন্টঃ

    কালোজিরায় রয়েছে অত্যন্ত শক্তিশালী এন্টি-অক্সিডেন্ট। এবং এই এন্টি-অক্সিডেন্ট এমন একটি পদার্থ যা আপনাকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করে। এবং দেহকে নানারকম ক্ষতিকর পদার্থ ,নানারকম ফ্রি-রেডিক্যালের হাত থেকে রক্ষা করে। কালোজিরাতে যেসব এন্টি-অক্সিডেন্ট পাওয়া যায় তারমধ্যে থাইমোকুইন, কারভাক্রল, ট্যানেতথল ও ফোর-টারপিনিয়ন অন্যতম। এই সকল এন্টি-অক্সিডেন্ট ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, স্থূলতা প্রতিরোধ করতে সক্ষম।

    হার্টকে সুস্থ রাখেঃ

    কালোজিরা রক্তের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতে সক্ষম। ক্ষতিকর এলডিএল ও ট্রাইগ্লিসারাইড কমায় এবং উপকারী কোলেস্টেরল এইচডিএল বাড়ায়। তাহলে নিয়মিত যারা কালোজিরা খাবেন, আপনার এলডিএল কম থাকবে, এইচডিএল বেশি থাকবে। এতে করে আপনি সহজেই উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক, হৃদরোগ, হার্ট অ্যাটাককে প্রতিরোধ করতে পারবেন।

    লিভারকে রক্ষা করেঃ

    কালোজিরা লিভারকে নানারকম ক্ষতিকর পদার্থ থেকে রক্ষা করে। আপনি যা কিছুই খাননা কেন, ক্ষুদ্রান্ত থেকে তা রক্তে যায় এবং রক্ত থেকে লিভারে যায়। আপনার খাবারে যদি ক্ষতিকর পদার্থ থাকে, সেটা লিভারকে ক্ষতি করতে সক্ষম। এবং কালোজিরা লিভারকে এসকল ক্ষতিকর পদার্থ থেকে রক্ষা করতে পারে।

    ব্লাড সুগার কমাতে সহায়কঃ

    কালোজিরা ব্লাড সুগার কমাতে সক্ষম। ডায়বেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে রক্তের সুগার একটা বিরাট সমস্যা। যখন আপনি নিয়মিত কালোজিরা খাবেন এতে করে ব্লাড সুগার কমাতে সাহায্য করবে। আপনি সুস্থ থাকবেন। কালোজিরার রয়েছে এন্টি ব্যাকটেরিয়াল এক্টিভিটি। আপনি যখন রেগুলার কালোজিরা খাবেন এটি আপনার শরীরে এন্টি বায়োটিকের মতো কাজ করবে। এবং বিভিন্ন ক্ষতিকর পদার্থ থেকে আপনাকে রক্ষা করবে।

    পাকস্থলীর ঘা থেকে রক্ষাঃ

    নিয়মিত কালোজিরা খেলে ইহা অত্যন্ত কার্যকরভাবে পাকস্থলীতে ঘা হওয়া থেকে রক্ষা করে।

    একাধিক ক্যান্সার প্রতিরোধকঃ

    কালোজিরার রয়েছে এন্টি ক্যান্সার এক্টিভিটি। কালোজিরা একটি শক্তিশালী এন্টি ক্যান্সার ড্রাগ। আপনি যকখন রেগুলার কালোজিরা খাবেন আপনার বিভিন্নরকম ক্যান্সার থেকে প্রতিরক্ষা দিতে সক্ষম। এরমধ্যে আছে – ব্রেস্ট ক্যান্সার, প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সার, লাং ক্যান্সার, সার্ভাইকাল ক্যান্সার, প্রোস্টেট ক্যান্সার, স্কিন ক্যান্সার এবং কোলন ক্যান্সার অন্যতম।

    ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করেঃ

    সর্বোপরি, কালোজিরা আপনার ইমিউন সিস্টেমকে দারুনভাবে শক্তিশালী করে। আমরা সুস্থ থাকি যখন ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী হয়। অসুস্থ হই যখন ইমিউন সিস্টেম দূর্বল হয়। সবচেয়ে ভালো যখন আপনি ভিতর থেকে ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে কালোজিরা দারুন গুরুত্বপূর্ণভূমিকা পালন করতে পারে।

    মহানবী (সা) ১৪৫০ বছর পূর্বে বলে গেছেন- “মৃত্যু ব্যতীত সকল রোগের ঔষধ হচ্ছে কালোজিরা” – আয়েশা(রা);বোখারী। এখনকার কালের গবেষকরা গবেষণা করে বলছে, এই হাদীসটি অত্যন্ত সত্য। আপনি যদি সত্যি সত্যি সুস্থ থাকতে চান। প্রতিদিন আধা চা চামচ কালোজিরা খান। চিবিয়ে, ভর্তা বা পাউডার করে খেতে পারেন। কিছুদিন পর আপনি উপলব্ধি করতে সক্ষম হবেন যে, আপনার সুস্থতার পরিমাণ বাড়ছে এবং অসুস্থতার হার কমছে। এভাবেই আপনি সুন্দর, কর্মময়, দীর্ঘ জীবনের দিকে এগিয়ে যাবেন।

    তথ্যসূত্রঃ কোয়ান্টাম

  • হিন্দি ছবির জগতে সফলতার চার দশক পূর্ণ করলেন অনিল কাপুর

    হিন্দি ছবির জগতে সফলতার চার দশক পূর্ণ করলেন অনিল কাপুর

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: হিন্দি চলচ্চিত্র জগতে সফলভাবে চার দশক পার করলেন অনিল কাপুর। বলিউডের মতো ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের জায়গা ধরে রাখা খুব কঠিন। কিন্তু অনিল তা পেরেছেন। সফলও হয়েছেন। এই ক্ষনটিতে তার ভক্তদের সঙ্গে বিষয়টি এভাবে শেয়ার করে ইনস্টাগ্রামে অনিল লিখেছেন, ‘‘এক জন অভিনেতা হিসেবে দর্শকদের ভালবাসায় ৪০ বছর পূর্ণ করলাম।’’ এরই সঙ্গে অনিলের উপলব্ধি, ‘‘লোকে বলে ভালবেসে কোনও কাজ করলে সময় কী ভাবে কেটে যায় বোঝা যায় না। এই চার দশক চোখের নিমেষে কেটে গেল!’’

    অনিল কাপুরের কণ্যা সোনম মাপুরও বর্তমান হিন্দি সিনেমা জগতের একসজ সফল অভিনেত্রী। উপহার দিয়েছেন বেশ কিছু সুপারহিট ছবি। অনেকের কাছে আলোচিত হয়েছে তার অভিনয় দক্ষতা।

    সত্তরের দশকে সুপারহিট ‘শক্তি’ ছাড়াও বেশ কিছু দক্ষিণী ছবিতে ক্যামিয়ো চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন পর্দার ‘মিস্টার ইন্ডিয়া’। মূলত মিস্টার ইন্ডিয়া ছবির মাধ্যমে ব্যপক পরিচিতি পান অনিক কাপুর।  ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৮৭ সালের ২৫ মে। এর পর দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় পেরিয়েও এখনও ছবিটির প্রতি দর্শকদের ভাল লাগা এতটুকু কমেনি। সায়েন্স ফিকশন মূলক কোনও রোমান্টিক কমার্সিয়াল ছবি এত সাফল্য পায়নি। কল্পবিজ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে একজন সাধারণ মানুষের সুপারহিরো হয়ে ওঠার গল্প এই ছবিটির মাধ্যমেই প্রথম দেখেছিল বলিউড। আর প্রথম দর্শনেই সেই সুপারহিরোর প্রেমে পড়ে যায় সর্ব স্তরের মানুষ। বিশেষ ভাবে শিশু-কিশোর, তরুণ-তরুণী, মধ্যবয়স্ক এবং বৃদ্ধরা। সেই সময় ‘মিস্টার ইন্ডিয়া’ ভারতীয় সিনেমার অন্যতম সাড়া জাগানো বলিউড ফিল্ম। অনিল কপূররের বিপরিতে ছবিতে অভিনয় করেছিলেন শ্রীদেবী। এই ছবিতে দুর্দান্ত অভিনয় মন জয় করে নিয়েছিল দর্শকদের।  ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে কালজয়ী হয়ে যায় ‘মিস্টার ইন্ডিয়া’।

    তবে নায়ক হিসেবে অনিলের প্রথম ছবি ছিল ‘ওহ সাত দিন’। ১৯৮৩ সালে মুক্তি পেয়েছিল ছবিটি। দাদা বনি কপূর প্রযোজিত এই ছবিতে অনিলের বিপরীতে ছিলেন পদ্মিনী কোলাপুরে।

    ইনস্টাগ্রামে ভক্তদের ও সহঅভিনেতাদের ধন্যবাদের পাশাপাশি নতুন চমকের কথাও ঘোষণা করেছেন অনিল। ‘দ্য নাইট ম্যানেজার’ ওয়েব সিরিজ়ে অনিলের অভিনয় দর্শকদের পছন্দ হয়েছিল। খুব শীঘ্রই সেই সিরিজ় আসছে বলে জানিয়েছেন অভিনেতা। পাশাপাশি রণবীর কপূর অভিনীত ‘অ্যানিমাল’ ছবিতেও একটি বিশেষ চরিত্রে তাঁকে দর্শক দেখতে পাবেন বলে জানিয়েছেন অনিল। অনিলের এই পোস্টে নিজের মনোভাব ব্যক্ত করেছেন বনি কপূর। তাঁর কথায়, ‘‘তুমি আমার ভাইদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ। জীবনের প্রতিটা দায়িত্ব তুমি যথার্থ ভাবে পালন করেছ।’’ পাশাপাশি বনি উল্লেখ করেছেন যে প্রতিভা, পরিশ্রম এবং কাজের প্রতি নিষ্ঠার জন্যই আজকে অনিল এই জায়গায় এসে পৌঁছেছেন। ইন্ডাস্ট্রিতে চার দশক পূর্ণ করার জন্য হৃতিক রোশন, শিল্পা শেঠি, ফারহা খান-সহ আরও অনেকেই অনিলকে সমাজমাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

    অনিল কাপুরের জন্ম ২৪ ডিসেম্বর ১৯৫৬ সালে। তিনি অসংখ্য বলিউড সিনেমায় এবং সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সিনেমায় তাকে অভিনয় করতে দেখা যায়। পাশাপাশি তিনি গান্ধী, মাই ফাদার চলচ্চিত্র প্রযোজনার মাধ্যেম তিনি চলচ্চিত্র প্রযোজনা শুরু করেন।

    অনিল কাপুরের বলিউড চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে উমেশ মেহরার হামারে তুম্‌হারে (১৯৭৯) সিনেমায় একটি ছোট্ট চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে। তিনি বলিউডে স্বীকৃতি পান যশ চোপরার ড্রামা সিনেমা মশাল (১৯৮৪) এ টাপুরী চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে, যার জন্য তিনি সেরা সহ-অভিনেতার বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জয় করেন। তার প্রসংশিত সিনেমা মেরি জাং (১৯৮৫), অনিল কাপুর একটি হাস্যরসাত্মক টাপুরী চরিত্রে অভিনয় করেন কার্মা ছবিতে। এছাড়া ১৯৮৬ সালে, তিনি জাংবাজ, ইনসাফ কি আওয়াজ একই বছর চামেলী কি শাদী সিনেমায় তিনি অভিনয় করেন।

    ১৯৮৮ সালে, অনিল কাপুর সর্বপ্রথম ফিল্মফেয়ার সেরা অভিনেতা পুরস্কার অর্জন করেন তেজাব সিনেমায় অভিনয়ের জন্যে। তার অসফল সিনেমা রাম-অবতার এ অভনিয় করে প্রমাণ করেন। অসফল সিনেমাতেও দর্শকদের সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়। এরপরের বছর, তিনি রাম লক্ষ্মণ সিনেমায় অভিনয় করেন। যা ১৯৮৯ সালের বক্স অফিসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়কারী সিনেমা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

    তিনি আবার সেরা অভিনেতার পুরস্কার জিতেন ব্যথা (১৯৯২) সিনেমায় অভিনয়ের জন্যে। এছাড়া তিনি সমালোচক প্রসংশিত এবং বাণিজ্যিকভাবে সফল বহু সিনেমায় অভিনয় করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ ও সাত দিন (১৯৮৩), মেরি জাং (১৯৮৫), জাংবাজ (১৯৮৬), কার্মা (১৯৮৬), ভিরাসাত (১৯৯৭) এই সিনেমার জন্য তিনি ফিল্মফেয়ার সেরা অভিনেতার পুরস্কার অর্জন করেন, বিবি নাম্বার ওয়ান (১৯৯৯), তাল (১৯৯৯) এই সিনেমার জন্য তিনি তার দ্বিতীয় ফিল্মফেয়ার সেরা সহ-অভিনেতার পুরস্কার অর্জন করেন, পুকার (২০০০) এই সিনেমার জন্য তিনি সেরা অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতেন, নো এন্ট্রি (২০০৫) এই সিনেমার জন্যেও তিনি সেরা অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতেন, ওয়েলকাম (২০০৭), রেস এবং রেস ২ (২০১৩)।

    অনিল কাপুরের আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রের প্রথম অভিনয় করেন, ড্যানি বয়েলে ২০০৮ একাডেমী পুরস্কার জয়ী সিনেমা স্লামডগ মিলিয়নীরে। এই সিনেমায় অসাধারণ অভিনয়ের জন্যে তিনি স্ক্রিন অ্যাক্টরস গিল্ড অ্যাওয়ার্ড ফর আউটস্ট্যান্ডিং পাফরমেন্স বাই এ কাস্ট ইন এ মোশন পিকচার অর্জন করেন।

    একশন টেলিভিশন সিরিজ টুয়েন্টি ফোর এর অষ্টম অধিবেশনে তার কাজ আমেরিকান সংবাদপত্রে প্রশংসা অর্জন করে। সারা বিশ্বব্যপী, অনিল কাপুর সর্বজন স্বীকৃত ভারতীয় অভিনেতাদের মধ্যে একজন।

    অভিনেতা ৬৪ বছর বয়সেও সফলতার সঙ্গে অভিনয় করে যাচ্ছেন। কখন কোন বিরোধ বা সামালোচনার সঙ্গে জাড়াতে দেখা জায়নি। তবে তিনি ফিল্ম জগেতের বাসিন্দা। তাঁর পরিবারের অনেকেই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে জড়িত। তবে অনিল কাপুরের সফলতার গল্প সম্পূর্ণ ভিন্ন। কেননা তিনি তার ক্যারিয়ারে কখনো ব্যর্থতার মুখ দেখনি। ইন্ডাস্ট্রির সকলের কাছেই তিনি একজন ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। এটাই একজন অভিনেতার জন্য অনেক বড় পাওয়া। অভিনয় থেকে কবে অবসর নিবেন তা তিনি নিজেও বলতে পারছেননা। তবে ভক্তরা যতদিন চাইবে তিনি ততদিন অভিনয় করবেন বলে আশা ব্যক্ত করেন।

  • চিংড়ি বিরিয়ানী

    চিংড়ি বিরিয়ানী

    উপকরণ: পোলাওর চাল-১ কেজি, চিংড়ি মাছ-আধা কেজি, নারিকেল মিহি করে বাটা-১ কাপ, আদা ও রসুন বাটা-১ চা চামচ করে, গোটা কাঁচা মরিচ-৮/১০ টা, পেঁয়াজ বাটা- আধা কাপ, বাদাম বাটা-১ টেবিল চামচ, পেয়াজ কুচি-২ টেবিল চামচ, তৈল- আধা কাপ, মরিচ গুঁড়া-হাফ চা চামচ, গুঁড়া দুধ-২ চা চামচ, পানি পরিমান-পরিমান মত, তেজপাতা-২/৩ টা, এলাচ- ৪/৫ টা, দারুচিনি-২/৩ টুকরা, ঘি-এক টেবিল চামচ, লবন-স্বাদ মত, পানি-পরিমান মত।

    চিংড়ি বিরিয়ানী

    প্রণালি: চিংড়ির খোসা ছাড়িয়ে হলুদ লবন মাখিয়ে নিয়ে কড়াই চুলায় বসিয়ে তার মধ্যে তৈল দিয়ে চিংড়ি গুলো এক মিনিট ভেজে তুলে নিতে হবে। চিংড়ি ভাজা তেলের মধ্যেই পেয়াজ কুচি দিয়ে পেঁয়াজ গুলো বাদামি করে ভেজে তারমধ্যে পেঁয়াজ বাটা, আদা, রসুন বাটা, বাদাম বাটা, মরিচ গুঁড়া, তেজ পাতা, এলাচ, দারুচিনি, লবন দিয়ে সামান্য পানি দিয়ে মসলাগুলো কষিয়ে নিতে হবে পাঁচ মিনিট। তারপর নারিকেল বাটা দিয়ে আবারো কষিয়ে নিতে হবে পাঁচ মিনিট। তারপর চিংড়ি গলো কষানো মসলার মধ্যে দিয়ে দিতে হবে এবং মিনিট দুয়েক রান্না করতে হবে। চিংড়ি বেশী রান্না করতে হয় না। বেশী রান্না করলে ভেতরের রসালো ভাবটা চলে যায়।

    এর পর মাছগুলো উঠিয়ে নিয়ে ঐ কড়াইতেই চাল গুলো ভাল করে ভেজে নিতে হবে। তারপর পরিমান মত পানি দিয়ে দিতে হবে। এরপর গুঁড়োদুধ গুলো ঠান্ডা পানিতে গুলে নিয়ে চালের সাথে দিয়ে দিতে হবে এবং ঢাকনা দিয়ে রান্না করতে হবে ১৫/২০ মিনিট।

    পানি শুকিয়ে গেলে পোলাও হয়ে গেলে পোলাও দুই ভাগে ভাগ করে নিতে হবে তারপর চিংড়ি গুলো এবং কাঁচা মরিচগুলো বিছিয়ে দিয়ে আলাদা করে রাখা বাকি অর্ধেক পোলাও উপরে দিয়ে দিয়ে ঘি ছড়িয়ে দিয়ে দমে রাখতে হবে আরও দশ মিনিট। তারপর গরম গরম পরিবেশন করুন মজাদার চিংড়ি মাছের বিরিয়ানি।

    রেসিপি দিয়েছেন : তাসলিমা সুইটি

  • আগামীকাল থেকে পুনরায় পায়রায় বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে

    আগামীকাল থেকে পুনরায় পায়রায় বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লা পেয়েছে সেই পেক্ষিতে পায়রা কয়লাভিত্তিক প্ল্যান্টের বিদ্যুৎ উৎপাদন ২৫ জুন পুনরায় শুরু হবে। জানা গেছে কেন্দ্রটি গত ২২ জুন ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লা পেয়েছে।

    বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি (প্রা.) লিমিটেড (বিসিপিসিএল) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার এএম খুরশেদুল গতকাল বলেন, “মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের পতাকাবাহী একটি জাহাজ ‘এমভি অ্যাথেনা’ ৪১,২০৭ টন কয়লা নিয়ে ২২ জুন পায়রা বন্দরে নোঙর করেছে।”

    তিনি বলেন, পায়রা পাওয়ার প্ল্যান্ট কর্তৃপক্ষ ২৫ জুন প্ল্যান্টের একটি ইউনিট চালু করার জন্য সকল প্রস্তুতি নিয়েছে এবং পরে আরেকটি ইউনিটও চালু হবে।

    খুরশেদুল বলেন, আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ৫ জুন দুপুর ১২টায় কয়লা সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছিল।

    পায়রা বন্দরের উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) আজিজুর রহমান জানান, আগামী ১ জুলাই কয়লা নিয়ে আরেকটি জাহাজ বন্দরে আসার কথা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও ১০টি জাহাজ পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে আসার কথা রয়েছে।

    পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শাহ আব্দুল হাসিব জানান, ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লা নিয়ে যাত্রা করার ১০ দিন পর জাহাজটি পায়রা বন্দরে এসেছে। ফলে বিদ্যুৎ ঘাটতি অনেকাংশে কমে যাবে।

    পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলায় নির্মিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ১,৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম।

    সূত্র: বাসস

  • ভাড়াটে ওয়াগনার বাহিনী রাশিয়ার জন্যই হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে

    ভাড়াটে ওয়াগনার বাহিনী রাশিয়ার জন্যই হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: ওয়াগনার বাহিনী মূলত একটি ভাড়াটে সেনাদল যারা এবার রুশ সামরিক বাহিনীর হয়ে উইক্রেনীয় বাহিনীর বিপক্ষে যুদ্ধে লিপ্ত হয়। কিন্তু গঠাৎ করেই জানা যাচ্ছে রুশ সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধেই বিদ্রোহ করেছে ভাড়াটে সেনাদল ওয়াগনার গ্রুপ। ফলে রুশ বাহিনীর জন্যই বড় হুমকি হয়ে উঠেছে তারা।

    রাশিয়ার ২০১৪ সালের যুদ্ধে ক্রাইমিয়া দখলের জন্য ওয়াগনার গ্রুপের যোদ্ধারা প্রথম ভুমিকা পালন করে। এর পর ২০১৫ সালে সিরিয়াতে সরকার সমর্থক বাহিনীর পাশাপাশি থেকে যুদ্ধ করে ওয়াগনার বাহিনী, এবং সেসময় তারা তেলের খনিগুলোও পাহারা দিত। কিন্তু ইদানিং এই গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও নেতা ইয়েভগেনি প্রিগোঝিন ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি যে কোন মূল্য রাশিয়ান সেনাবাহিনীর নেতৃত্বের পতন ঘটাবেন। এরই মধ্যে তিনি দাবি করছেন ইউক্রেন থেকে সীমান্তের পার্শবর্তী রাশিয়ার রোস্তভ অঞ্চলে প্রবেশ করেছেন এবং একটা রাশিয়ান হেলিকপ্টার ধ্বংস করেছেন । এদিকে সশস্ত্র বিদ্রোহে লিপ্ত হয়েছেন এই অভিযোগে তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং তাকে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছে মস্কো।

    ভরোনেঝ অঞ্চলের গভর্নর অনুরোধ করেছেন সাধারণ মানুষদের মহাসড়ক এড়িয়ে চলার। কারণ সে পথে রাশিয়ার মিলিটারি কনভয় আসছে। টেলিগ্রামে তিনি লিখেছেন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে এবং জনসাধারণের নিরাপত্তার জন্য পরিকল্পনা নেয়া আছে।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায় ওয়াগনার যোদ্ধারা মিলিটারি কনভয় সারি নিয়ে রোস্তভের রাস্তায় আছে।

    এদিকে অনলাইনে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে যেটাতে দেখা যাচ্ছে যে রোস্তভ-অন-ডনে অবস্থিত রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের মিলিটারি হেডকোয়ার্টার্সে ঢুকছেন প্রিগোঝিন। ভিডিওতে প্রিগোঝিন বলছেন তার সৈন্যরা শহর ঘেরাও করে নেবে এবং মস্কোর দিকে যাত্রা শুরু করবে যদি প্রতিরক্ষা প্রধান সের্গেই সুইগো এবং ভ্যালেরি গেরাসিমভ তার সাথে দেখা না করেন।

    এর আগে থেকেই ভাড়াটে ওয়াগনার গ্রুপ এর নেতা ৬২ বছর বয়সী ইয়েভগেনি প্রিগোঝিন বিভিন্ন সময় যুদ্ধের কৌশল নিয়ে রাশিয়ার সেনাবাহিনীর নেতৃ্ত্বের সমালোচনা করে আসছেন। শুক্রবার তিনি তার দলের সৈন্যদের উপর এক মারাত্মক মিসাইল হামলার অভিযোগ করেন রাশিয়ার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে। মি. প্রিগোঝিন এই অভিযোগের পক্ষে কোন প্রমাণ দেখাননি তবে যারা এই হামলা করেছে তাদের শাস্তি দেয়ার শপথ নেন তিনি।

    তবে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই মিসাইল হামলার কথা অস্বীকার করে এবং প্রিগোঝিনকে সবরকম ‘অবৈধ কার্যক্রম’ বন্ধের আহবান জানায়। তার বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিদ্রোহের অভিযোগ এনেছে ক্রেমলিন। তবে কোন সামরিক অভ্যুত্থানের কথা অস্বীকার করেছেন ওয়াগনার দলনেতা।

    মি. প্রিগোঝিন বলছেন রাশিয়ার সেনাবাহিনীর ভেতর যে ‘শয়তান’ আছে তাদের থামাতে হবে এবং তিনি ‘ন্যায় বিচারের জন্য লড়াই’-এর ঘোষণা দিয়েছেন।

    রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কাছের লোক হিসেবে খ্যাত প্রিগোঝিন বলেছেন যারাই তার বাহিনীর সামনে দাঁড়াবে তাদেরই ধ্বংস করে দেয়া হবে।

    “যারা আমার সৈন্যদের এবং হাজার হাজার রাশিয়ান সৈন্যদের (যারা ইউক্রেনে যুদ্ধে লিপ্ত) হত্যা করেছে, তারা সাজা পাবে,” সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টেলিগ্রামে এক অডিও পোস্টে একথা বলেন তিনি। একইসাথে রাশিয়ার জনগণকেও তার সাথে থাকার আহবান জানান।

    ইউক্রেনের সীমান্তবর্তী শহরগুলোতে অধিবাসীদের ঘরের ভেতর শান্ত থাকার আহবান জানিয়েছে স্থানীয় গভর্ণর। এমফোর হাইওয়ে লিপেতস্ক ও ভরোনেঝ অঞ্চলের সীমান্তে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন লিপেতস্কের গভর্ণর। এমফোর মস্কোর সাথে রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের সংযোগ ঘটায় এবং একই সাথে রোস্তভ অঞ্চল ও এর প্রধান শহর রোস্তফ-অন-ডনেও যাবার রাস্তা এটি।

    মস্কোর মেয়র জানিয়েছেন রাজধানীতে সন্ত্রাস-দমন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে নিরাপত্তা নিশ্চিতে। পুরো রাশিয়াতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে, ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে এবং মস্কোর রাস্তায় সামরিক ট্রাকের দেখা মিলছে। ক্রেমলিনের মুখপাত্র তাস নিউজ এজেন্সিকে জানিয়েছে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে টিভিতে ভাষণ দেবেন প্রেসিডেন্ট পুতিন।

    যুক্তরাষ্ট্রের থিঙ্কট্যাঙ্ক দ্য ইন্সটিটিউট অফ ওয়্যার (আইএসডব্লিউ) বিশ্বাস করে ইয়েভগিনি প্রিগোঝিন ক্রেমলিনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে একটা জোরপূর্বক পরিবর্তন আনতে চান। তবে ক্রেমলিন এর বিপক্ষে অবস্থান নেয়ায় তার জন্য ‘সাফল্য পাওয়া কঠিন’ হবে। তবে রোস্তভ-অন-ডন দখলের চেষ্টা যুদ্ধে মারাত্মক প্রভাব ফেলবে। কারণ রোস্তভ হল রাশিয়ার সাউদার্ন মিলিটারি ডিস্ট্রিক্ট কমান্ড, যা যুদ্ধে বড় অবদান রাখছে।

    এখানকার সেনাবাহিনী ‘এই মূহুর্তে ইউক্রেন যে পাল্টা আক্রমণ করছে সেটা প্রতিহত করতে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে লড়াই করছে এবং একই সাথে পুরো ইউক্রেনে রাশিয়ার যৌথ বাহিনীর কমান্ড সেন্টার এখানে’।

    এই লড়াইটাকে বিশ্লেষকরা দেখছেন রাশিয়ার ক্ষমতার শীর্ষে থাকা দুজনের লড়াই হিসেবে। একদিকে ডাকসাইটে ওয়াগনার গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও নেতা, অন্যদিকে রাশিয়ার অন্যতম প্রভাবশালী মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, যারা দুজনই প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত।

    ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যখন থেকে ভাড়াটে বাহিনী ওয়াগনার যুক্ত হয়েছে তখন থেকেই রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী সের্গেই শোইগুর সঙ্গে প্রিগোঝিনের একটা বিরোধ দেখা গেছে। যার শুরুটা হয় বাখমুটের যুদ্ধ থেকে। রাশিয়ার সেনাবাহিনী যখন সুবিধা করে উঠতে পারছিল না তখন ওয়াগনার গ্রুপ ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ ডনবাস অঞ্চলের এই শহর দখল করে। এসময় প্রিগোঝিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে যথেষ্ট অস্ত্র সরবরাহ না করার অভিযোগ করেন। গত মে মাসে এক ভিডিও বার্তায় তিনি তার সৈন্যদের মৃতদেহের মাঝে দাঁড়িয়ে সের্গেই শোইগু ও চিফ অফ জেনারেল স্টাফ ভ্যালেরি গেরাসিমভের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। শুক্রবার প্রিগোঝিন দাবি করেন ইউক্রেনে যুদ্ধটা করাই হচ্ছে “যাতে শোইগু মার্শাল হতে পারেন”।

    রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে “সামাজিক মাধ্যমে প্রিগোঝিন যেসব ছড়াচ্ছেন” ওয়াগনার গ্রুপের উপর রাশিয়ান বাহিনীর হামলা নিয়ে এগুলো “সত্যি নয় এবং উত্তেজনা ছড়াচ্ছে”।

    রাশিয়ান সেনাবাহিনীর ডেপুটি প্রধান জেনারেল সের্গেই সুরুভিকিন প্রিগোঝিনের প্রতি আহবান জানিয়েছেন ‘কনভয় থামিয়ে নিজেদের ঘাঁটিতে ফেরত যাবার’।

    মার্কিন সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, ইউক্রেনে যুদ্ধরত রুশ বাহিনীর প্রায় ১০ শতাংশ হচ্ছে ওয়াগনার গ্রুপের যোদ্ধা। এর মধ্যে হাজার হাজার যোদ্ধা এসেছে রাশিয়ার কারাগারগুলোতে থাকা বন্দীদের মধ্যে থেকে। প্রথমদিকে তাদের সৈন্য সংখ্যা ছিল মাত্র ৫,০০০ – যাদের অধিকাংশই ছিল বিভিন্ন রেজিমেন্টের সাবেক সৈন্য। তবে যুক্তরাজ্যের কর্মকর্তারা বলেন, ক্রেমলিন নিয়মিত বাহিনীর জন্য লোক পেতে সমস্যায় পড়ার পর এই ওয়াগনার বাহিনী বড় সংখ্যায় সেনা নিয়োগ শুরু করে।

  • ২০৩০ বিশ্বকাপের আয়োজক হওয়ার দৌড় থেকে সরে দাঁড়ালো সৌদি আরব

    ২০৩০ বিশ্বকাপের আয়োজক হওয়ার দৌড় থেকে সরে দাঁড়ালো সৌদি আরব

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: ২০৩০ বিশ্বকাপ আয়োজন করতে চেয়েছিল মধ্যপ্রাচ্যের সম্পদশালী দেশ সৌদি আরব। এ লক্ষ্যে ঘরোয়া লিগকে ঢেলে সাজানোর জন্য ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, করিম বেনজেমাদের মতো বিদেশি ফুটবল মহাতারকাদের আনছে তারা।

    কিন্তু এক বছর না যেতেই আয়োজক হওয়ার দৌড় থেকে সরে দাঁড়ালো সৌদি আরব। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ গ্রীস এবং মিশরকে জানিয়ে দিয়েছেন, বিশ্বকাপের আয়োজক হওয়ার প্রতিযোগিতা থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।

    সৌদি আরব প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়ানোয় স্পেন, পর্তুগাল এবং মরক্কোর সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল হলো। এই তিন দেশ মিলে যৌথভাবে ২০৩০ বিশ্বকাপের আয়োজন হতে চায়।

    জানা গেছে, বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য যে প্রস্তুতির দরকার- স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো তাতে অনেক এগিয়ে আছে। প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর দিক থেকেও দেশ তিনটি স্বয়ংসম্পুর্ণ। আর সৌদি আরবকে শুরু করতে হবে অনেকটা গোড়া থেকে। বিশ্বকাপের জন্য অবকাঠামো নির্মাণ ও পারিপার্শ্বিক অনেক কাজ করতে হবে, যা এত কম সময়ে করা বেশ কঠিনসাধ্য ব্যাপার।

    অন্যদিকে দক্ষিণ আমেরিকার চার দেশ- আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে, চিলি এবং প্যারাগুয়েও সম্মিলিতভাবে ২০৩০ বিশ্বকাপ আয়োজনের দৌড়ে টিকে রয়েছে। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে এই দৌড়ে বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে।

  • আওয়ামী লীগ সরকারে থাকলে জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়: শেখ হাসিনা 

    আওয়ামী লীগ সরকারে থাকলে জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়: শেখ হাসিনা 

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: আওয়ামী লীগের ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারে থাকলে জনগণ যে লাভবান হয়, জনগণের যে ভাগ্য পরিবর্তন হয় সেটা প্রমাণিত সত্য। ’

    গতকাল শুক্রবার (২৩ জুন) বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

    ১৯৪৯ সালের এই দিনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গঠিত হয়, যা পরবর্তীতে স্বাধীনতা সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ এবং সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলে রূপান্তরিত হয়।

    শেখ হাসিনা বলেন, দেশের মানুষের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তির লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না এলে পরিবর্তন কখনোই আসত না। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলেই জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।

    প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি গৃহহীন ব্যক্তিকে একটি বাড়ি দেওয়ার লক্ষ্যে মৌলিক চাহিদা পূরণে তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, ”আমরা অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান এবং শিক্ষার মতো মানুষের প্রতিটি মৌলিক চাহিদা পূরণ করছি। আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করছি।”

    উৎপাদন বাড়ানোর প্রয়াস অব্যাহত রাখার ওপর জোর দিয়ে সরকার প্রধান বলেন,”স্বাক্ষরতার হার বৃদ্ধির ধারাবাহিকতার পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে আমাদের সক্ষমতা বাড়াতে হবে।”

    কোভিড-১৯, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ এবং নিষেধাজ্ঞা-পাল্টা নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষিতে পরিবর্তিত বৈশ্বিক পরিস্থিতির উল্লেখ করে তিনি বলেন, “(দেশের মানুষ) একটি কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, আমি এটা জানি। মানুষের দুর্ভোগ লাঘব করার জন্য আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি।”

    শেখ হাসিনা দেশের ধনী ব্যক্তিদের আশেপাশে বসবাসতারী যারা একটু দরিদ্র তাদের প্রতি খেয়াল রাখার আহ্বান জানান।

    বিগত সময়ে আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে যে উন্নয়ন, যে পরিবর্তন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না আসলে কোনোদিনই হতো না। আওয়ামী লীগ থাকলেই মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। ’

    সরকারের বিনামূল্যে ঘর ও বাড়ি দেওয়ার কর্মসূচি এবং আর মাত্র ৩০ হাজার পরিবারকে ঘর দিলে সবার জন্য ঘর নিশ্চিত হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কেউ বাংলাদেশে ভূমিহীন থাকবে না, ঠিকানা বিহীন থাকবে না। সেটাই আমাদের লক্ষ্য।’

    তিনি বলেন, ‘কোনো মানুষ অস্বাস্থ্যকরভাবে থাকবে না। সবাইকে আমরা সুন্দরভাবে ঘর-বাড়ি করে সুন্দরভাবে বাঁচার ব্যবস্থা করে দিব। এটাই হবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আওয়ামী লীগের প্রতিজ্ঞা। জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করব। ’

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে অনেক দূর আমরা এগিয়ে গেছি। ২৬ সালের মধ্যে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পাব। ’

    তিনি বলেন, ‘আমাদের উৎপাদন বৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে হবে। স্বাক্ষরতার হার বৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে হবে। অর্থনৈতিকভাবে আমাদের আরও সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে। ’সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশটাকে নিয়ে যেন আর কেউ ছিনিমিনি খেলতে না পারে। আমি জানি অনেক চক্রান্ত আছে, ষড়যন্ত্র আছে। ’

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০০১ সালে আমরা সরকারে আবার আসতে পারিনি। সেটাও আপনারা জানেন যে আমার ওপর প্রচণ্ড চাপ ছিল। যে আমাদের গ্যাস বিক্রি করতে হবে। আমি বলেছিলাম, এই গ্যাস জনগণের। আর কতটুকু আছে জানি না। কাজে আমার পক্ষে বাংলাদেশের সম্পদ, মানুষের সম্পদ, শুধু ক্ষমতার লোভে তা বিক্রি করে আমি ক্ষমতায় থাকব সেই বাপের মেয়ে আমি না। ’

    ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতার জন্য গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দিয়েছিল মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘আমরা চাইনি, কিন্তু মুচলেকা দিয়েছিলেন খালেদা জিয়া। একই জায়গায় বসেই সে ঘটনা অনেক বার বলেছি। ’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাজেটের আকার ২০০৬ সালের মাত্র ৬১,০০০ কোটি টাকা থেকে ৭৬১,৭৮৫ কোটি টাকা, জিডিপির আকার মাত্র ৪.১৫ লাখ কোটি টাকা থেকে এখন ৫০.৩১ লাখ কোটি টাকা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ২০০৬ সালের ৫.৪০ শতাংশ থেকে ৭.২৫ শতাংশে (গড় ৬%)  এডিপির আকার ২১,৫০০ কোটি টাকা থেকে ২৭৪,৬৭৪ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

    শেখ হাসিনা বলেন, মাথাপিছু আয় ২০০৬ সালে ছিল মাত্র ৫৪৩ মার্কিন ডলার তা থেকে ২,৮২৫ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। যদিও এখন তা ২,৭৬৫ মার্কিন ডলারে নেমে এসেছে। কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতেও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাড়িয়েছিল যা বিএনপি শাসনামলে ছিল মাত্র ০.৭৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এখনও ৩০.৮৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রিজার্ভ রয়েছে।

    তিনি বলেন, রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ২০০৬ সালের ১০.০৫ বিলিয়ন ডলার থেকে ৫২.৯৭ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। বার্ষিক রেমিট্যান্স প্রবাহ দাঁড়িয়েছে ২৪.০৩ বিলিয়ন ডলার যা বিএনপির আমলে ছিল ৪.৮ বিলিয়ন ডলার। রাজস্ব সংগ্রহ ৩৭,৮৭০ টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৫০০,০০০ কোটি টাকার উপরে দাঁড়িয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, দারিদ্র্যের হার বিএনপি শাসনামলে ছিল ৪১.৫১ শতাংশ থেকে থেকে কমে এখন ১৮.৭ শতাংশে, চরম দারিদ্র্যের হার ২৫.১ শতাংশ থেকে ৫.৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষায় ঝরে পড়ার হার ৪৯ শতাংশ থেকে ১৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

    তিনি আরো বলেন, ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ০.২৩ শতাংশ থেকে ৭৩.৫ শতাংশ, মোবাইল সিম সাবস্ক্রিপশনের সংখ্যা ১৯ মিলিয়ন থেকে ১৮৩ মিলিয়নে, ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যা ২০০ থেকে ৬৭০,০০০ জন, ডিজিটাল পরিষেবার সংখ্যা মুষ্টিমেয় কয়েকজন থেকে ২,১৮০ জনে উন্নীত হয়েছে।  সরকারি ওয়েবসাইটের সংখ্যা মাত্র ৯৮টি থেকে ৫১,৬৭৮টি হয়েছে।

    শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি আমলে গ্রামীণ সড়ক ৩ হাজার ১৩৩ কিলোমিটার থেকে ৮৯ হাজার ৮৭৪ কিলোমিটার করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘এর মানে আমরা বাংলাদেশে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছি।

    আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনা।

    অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন ও শফিউল আলম নাদেল, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, কেন্দ্রীয় সদস্য বেগম আখতার জাহান, ঢাকা দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফি ও ঢাকা উত্তর আওয়ামী লীগ সভাপতি বজলুর রহমান।

    সঞ্চালনা করেন, আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ এবং উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুল আওয়াল শামীম।

    সঞ্চালনা করেন, আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ এবং উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুল আওয়াল শামীম।

  • প্রযুক্তির বহুল ব্যবহারে হতে পারে এক ভয়াবহ অসুখ – ফোমো

    প্রযুক্তির বহুল ব্যবহারে হতে পারে এক ভয়াবহ অসুখ – ফোমো

    প্রযুক্তির অতি ব্যবহারের কারনে এক ধরনের জটিল মানসিক ভীতি, উদ্বিগ্নতা এবং উত্তেজনাপূর্ণ এক অনুভূতির প্রবনতা কাজ করে বেশিরভাগ মানুষের মাঝে যার নাম ফিয়ার অব মিসিং আউট (ফোমো)। এটি এমন একটি বিষয়, যা আপনার মধ্যে একধরনের অনিশ্চয়তা বা হারানোর অনুভূতির জন্ম দেয় । এসব বেশিরভাগই সোশ্যাল মিডিয়া কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয়, যেমন আপনি ভাবছেন অন্যরা হয়তো আপনার অনুপস্থিতিতে অনেক মজা করছেন বা বন্ধুরা কে কি করছেন? অথবা, অন্যদের দেখে মনে হওয়া যে তারা আমার থেকে অনেক ভালো জীবনযাপন করছেন, অথচ আপনি তাদের মতো সুখী হতে পারছেন না ইত্যাদি।

    মোটকথা, এটি আপনার মধ্যে এমন একটি অনুভূতির সৃষ্টি করে যে আপনি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মিস করছেন। কিন্তু বাস্তবতা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ভিন্ন। ফোমোর ফলে ব্যক্তির মধ্যে সামাজিক অস্বস্তি, অসন্তোষ, বিষণ্নতা, চাপের অনুভূতি, হীনম্মন্যতা, হিংসা, একাকিত্ব এবং তীব্র ক্রোধের মতো গভীর অনুভূতির সৃষ্টি হতে পারে। এমনকি এটি আপনার আত্মসম্মানকেও প্রভাবিত করতে পারে। ফোমো একটি অপেক্ষাকৃত নতুন ধরনের মনস্তাত্ত্বিক ঘটনা। বিপণন কৌশলবিদ ড্যান হারম্যান ১৯৯৬ সালে একটি গবেষণাপত্রে শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোয় পর্যবেক্ষণ করা একটি ঘটনা বর্ণনা করার জন্য ‘ফোমো’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ফোমোর অনুভূতি প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া পোস্টগুলো থেকে অনুপ্রাণিত হয়। উদ্বেগটি আপনাকে বোঝায় যে একটি উত্তেজনাপূর্ণ বা আকর্ষণীয় ঘটনা বর্তমানে অন্য কোথাও ঘটছে, যেটি সম্পর্কে আপনি অনবরত খোঁজ না রাখলে পিছিয়ে পড়বেন।

    মানুষ তাদের বাছাই করা সেরা ছবি দিয়ে অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন, যা অন্যদের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দেয়। নিজের মধ্যে কী কী অভাব রয়েছে, সে বিষয়ে সচেতনতা বাড়িয়ে তোলে।

    দ্য ওয়ার্ল্ড জার্নাল অফ ক্লিনিক্যাল কেস দ্বারা প্রকাশিত একটি ২০২১ সালের গবেষণায়, লেখক মায়াঙ্ক গুপ্তা এবং আদিত্য শর্মা লিখেছেন যে, যেকোনো ব্যক্তির জীবনযাপন ফোমোর কারনে বিভিন্ন ধরনের নেতিবাচক ভূমিকায় পরিণত হতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে:

    ঘুমের অভাব, ব্যর্থ হতাশ জীবন, মানসিক উত্তেজনা, শারীরিক সুস্থতার উপর নেতিবাচক প্রভাব, উদ্বেগ, মানসিক নিয়ন্ত্রণের অভাব।

    ফোমোর মতো প্রযুক্তিনির্ভর ভয়াবহ মানসিক ক্রাইসিস অল্প অল্প করে আমাদের জীবনকে নষ্ট করে তুলছে। এর থেকে রক্ষা পেতে আমরা প্রযুক্তিকে অস্বীকার করতে পারবো না আবার প্রযুক্তিকে পৃথিবীর থেকে উধাও করেও দিতে পারবো না। সুতরাং আমাদের সতর্ক হতে হবে যেন এমন ক্রাইসিসে আমাদের না পড়তে হয়। সেজন্য প্রথমেই দরকার –

    দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনঃ

    আপনার কিসের অভাব রয়েছে, তার ওপর মনোযোগ দেয়ার পরিবর্তে আপনার কী আছে, সেদিকে মনোযোগ দেয়ার চেষ্টা করুন। আপনার কী নেই, সেই তালিকা যদি বেশি লম্বা করে ফেলেন, তাহলে নিজেকে অসুখী মনে হবে। তাই নিজের যা আছে, সেটার মধ্যে সুখ খোঁজার চেষ্টা করুন।

    ডিজিটাল ডিটক্স করার চেষ্টা করুন

    ডিজিটাল ডিটক্স মানে হচ্ছে- সব ডিজিটাল ডিভাইস থেকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিরতি নেয়ার প্রক্রিয়া। ফোমো থেকে দূরে থাকতে এবং আপনার বাস্তব জীবনের দিকে আগ্রহী হতে ডিজিটাল ডিভাইসের ব্যবহার কমাতে হবে। এতে আপনার মধ্যে ফোমোর প্রবণতা কমে আসবে।

    বাস্তব সম্পর্ক স্থাপন

    বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় যেরকমভাবে একজন ব্যবহারকারী নিজেকে উপস্থাপন করে তার সাথে বাস্তব জীবনের সাথে অনেক সময়ই মিল থাকে না। আর আমরা প্রতিটি মানুষ বাস্তব দুনিয়ায় বাস করি এটা ভুলে যাওয়া যাবেনা। সব সময় যোগাযোগ ধরে রাখতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দ্বারস্থ হওয়া স্বাভাবিক মনে হলেও শুধু ভার্চুয়াল জগতের ওপর নির্ভরশীল না থেকে, বাস্তবে সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করতে পারেন।

    তথ্যসূত্রঃ ইউএসএটুডে

  • দিনক্ষণ চূড়ান্ত হলো ২০২৪ কোপা আমেরিকার

    দিনক্ষণ চূড়ান্ত হলো ২০২৪ কোপা আমেরিকার

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: আগামী বছর ২০ জুন থেকে শুরু হয়ে ২০২৪ কোপা আমেরিকা কাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অুনষ্ঠিতব্য এই ফুটবল টুর্ণামেন্টের তারিখ ঘোষণা করেছে দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা কনমেবল। এই প্রতিযোগিতা চলতে ১৪ জুলাই পর্যন্ত।

    কনমেবল নিশ্চিত করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাসহ দক্ষিণ আমেরিকান মোট ১০টি ফুটবল দল এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিবে। এছাড়া আরো ছয়টি দেশ কনকাকাফ থেকে অতিথি হিসেবে এই টুর্নামেন্টে খেলতে আসবে। অর্থাৎ ১৬ দল নিয়ে আগামী বছরের কোপা আমেরিকা আসর অনুষ্ঠিত হবে।

    কনমেবল সভাপতি আলেহান্দ্রো ডোমিনগুয়েজ বলেছেন ২৫ দিনের এই টুর্ণামেন্টের স্বাগতিক শহর ও স্টেডিয়ামের নাম খুব শিগগিরই ঘোষণা করা হবে। একইসাথে টুর্ণামেন্টে পূর্ণাঙ্গ সূচীও প্রকাশ করা হবে।

    এর আগে ঘোষিত ফর্মেট অনুযায়ী ২০২৩-২৪ মৌসুমের নেশন্স লিগের টুর্ণামেন্ট থেকে ফলাফলের ভিত্তিতে কনকাকাফ’র ছয়টি দল খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে।

    এদিকে আগামী বছর প্রথমবারের মত আয়োজিত ২০২৪ কনকাকাফ নারী গোল্ড কাপে কনমেবল এর শীর্ষ চারটি জাতীয় দলকে আমন্ত্রন জানানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম বারের মত আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে ১২টি দল অংশ নিবে।

    এর আগে চারবার কোপায় অংশ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র্। অতি সম্প্রতি ২০১৬ সালে অংশ নিয়ে সেমিফাইনালে খেলেছিল যুক্তরাষ্ট্র। ঐ টুর্ণামেন্টটিও যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

    ২০২৪ কোপা আমেরিকা ইকুয়েডরে অনুষ্ঠিত হবার কথা ছিল। কিন্তু নিরাপত্তা ইস্যুতে তারা আয়োজনে অস্বীকৃতি জানালে যুক্তরাষ্ট্র দায়িত্ব নেয়।

    ২০২৬ বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক এবার যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা।

  • মিয়ানমারে ছয় ঘণ্টারও কম সময়ে ৪ বার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে

    মিয়ানমারে ছয় ঘণ্টারও কম সময়ে ৪ বার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: বুধবার দিবাগত মধ্যরাত থেকে বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত ছয় ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে মিয়ানমারে চার দফায় আঘাত হেনেছে ভূমিকম্প । তবে  ভূমিকম্পের জেরে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।

    ভারতীয় বার্তাসংস্থায় মাধ্যমে আজ বৃহস্পতিবার (২২ জুন) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত ছয় ঘণ্টারও কম সময়ে চার দফায় ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে মিয়ানমার। রাত ১২টার কিছু আগে প্রথম কম্পনের প্রায় তিন ঘণ্টা পর মিয়ানমারে দ্বিতীয় দফায় কম্পন হয়। আর এর প্রায় ৩ ঘণ্টা পর তৃতীয় দফায় ভূমিকম্প প্রত্যক্ষ করে দেশটি।

    শেষে,  বৃহস্পতিবার ভোররাতে মিয়ানমারে আরও একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪.৪। এর গভীরতা ১৫ কিমি ছিল বলে জানা গেছে।

    এদিকে ভূমিকম্পের পর তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনো খবর এখনও পাওয়া যায়নি।

    এর আগে গত মে মাসে দুই দফায় ভূমিকম্পে কাঁপে মিয়ানমার। মে মাসের শুরুতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটিতে হওয়া প্রথম ভূমিকম্পটি ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে আঘাত হানে এবং রিখটার স্কেলে তার মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ২।

    এরপর একই মাসের ২২ তারিখ সকালে আঘাত হানা দ্বিতীয় দফার ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৪ দশমিক ৫। ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৪ কিলোমিটার গভীরে।

    এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষে দিকে মিয়ানমারে মাঝারি মাত্রার জোড়া ভূমিকম্প আঘাত হানে। স্থানীয় সময় বিকেলের দিকে দেশটির আয়াবতী ও রাখাইন রাজ্যে এ দুই ভূমিকম্প আঘাত হানলেও কম্পন অনুভূত হয়েছিল বাংলাদেশের কক্সবাজারেও।