Author: Hello Bangla News

  • বাংলাদেশে অফুরন্ত কর্মসংস্থান আছে: সালেহ উদ্দিন

    বাংলাদেশে অফুরন্ত কর্মসংস্থান আছে: সালেহ উদ্দিন

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১০ আগস্ট, ২০২৪: বাংলাদেশে অফুরন্ত কর্মসংস্থান আছে, বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে অফুরন্ত কর্মসংস্থান আছে। সুতরাং আমার মনে হয় নেতৃত্ব আর ব্যবস্থাপনা থাকলে সমস্যা হবে না। দ্রুত সবকিছু সমাধান করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা একটা মসৃণ পথ করে যাবো, খুব বেশিদিন তো আমাদের থাকার ইচ্ছা নেই, সেক্ষেত্রে পরে বাংলাদেশ যেন এগিয়ে যেতে পারে।”
    আজ শনিবার (১০ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
    সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, “ক্রান্তিলগ্নে আমাদের ওপর একটি দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। আমি বলি ছাত্র-জনতা সবার পক্ষ থেকে সেটি দেওয়া হয়েছে। এটি খুব কঠিন সময়। আমাদের কনসার্ন হলো দেশের ছাত্র-জনতার সংগ্রামে এটি আসছে। আমাদের এখন প্রধান কাজ আইনশৃঙ্খলা ঠিক করা। এটা যদি আমরা না করতে পারি তাহলে কিন্তু সমস্যা তৈরি হবে।”
    অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, “আইনশৃঙ্খলা শুধু রাস্তাঘাটের নয়, ব্যাংকগুলো চালু করাসহ যেগুলো আছে, সেগুলো আমরা চেষ্টা করছি ইমেডিয়েটলি ঠিক করতে। চ্যালেঞ্জ যেগুলো আছে তারমধ্যে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ তো আছেই। সামষ্টিক ক্ষেত্রে, মূল্যস্ফীতির ক্ষেত্রে যে সমস্যা আছে আমরা ইমেডিয়েটলি চেষ্টা করবো।”
    ড. সালেহ উদ্দিন বলেন, “আমার দৃষ্টিভঙ্গি অর্থনীতি যদি থমকে যায়, থমকে গেলে কিন্তু অনেক সময় লাগে (একটা গাড়ি মতো)। তাদের ব্যাংকের ওপর চাপ পরে। তাই চাচ্ছি গতিটা যেন সচল করতে পারি।”

  • ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আশফাকুল ইসলাম

    ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আশফাকুল ইসলাম

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১০ আগস্ট, ২০২৪: বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম দেশের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ।
    আজ শনিবার (১০ আগস্ট) বিকেলে সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
    এদিকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের ৫ বিচারপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আজকের মধ্যে তারা সবাই রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগ পত্র জমা দেবেন।
    পদত্যাগ করতে যাওয়া আপিল বিভাগের ৫ বিচারপতি হলেন, বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, বিচারপতি আবু জাফর সিদ্দিকী, বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন, বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলাম ও বিচারপতি কাশেফা হোসেন।
    এর আগে প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান পদত্যাগ করেছেন ।

  • পদত্যাগ করেছেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান

    পদত্যাগ করেছেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১০ আগস্ট, ২০২৪: প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দাবির মুখে পদত্যাগ করেছেন।
    আজ শনিবার (১০ আগস্ট) বেলা ৩টার দিকে সচিবালয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল।
    আইন উপদেষ্টা বলেন, প্রধান বিচারপতি কিছুক্ষণ আগে পদত্যাগ পত্র আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দিয়েছেন।
    পদত্যাগপত্র গৃহীত হওয়ার পরবর্তী প্রক্রিয়া নিয়ে তিনি বলেন, আইন উপদেষ্টা হিসেবে এটা আমার স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার অফিসে যাবে। উনি এখন রংপুরে আছেন। উনি সম্ভবত প্লেনে আছেন। উনি নেমে আসার পর ওনার সম্মতি সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। তারপর উনি এটা গ্রহণ করলে কার্যকর হয়ে যাবে। আমরা আশা করছি এটা আজকের মধ্যেই হবে। এরপর নতুন নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে।
    নতুন প্রধান বিচারপতি কে হচ্ছেন- জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, এটা অবশ্যই আমাদের প্রধান উপদেষ্টার মতামত গ্রহণ করব। সবার বিবেচনা সাপেক্ষে আমরা চেষ্টা করব সবচেয়ে যোগ্য, নিরপেক্ষ, সৎ একজন যেন নিয়োগ পান।
    আপিল বিভাগের আরো কয়েকজন বিচারপতির পদত্যাগ নিয়ে উপদেষ্টা বলেন, আপিল বিভাগের অন্যান্য যারা বিচারপতি আছেন তাদের পদত্যাগের বিষয়ে ছাত্র জনতার পক্ষ থেকে পদত্যাগের দাবি আছে বলে আমি শুনেছি। আমি শুনেছি, টেলিভিশন দেখেছি যে অন্যরাও পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মন্ত্রণালয়ে আসেনি। আমরা অপেক্ষা করছি।
    এর আগে প্রধান বিচারপতিসহ আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পদত্যাগ দাবিতে আজ সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বর্ধিত ভবনের সামনে বিক্ষোভ করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

  • সেপ্টেম্বরে আসবে রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জ্বালানি: ডিজি – রোসাটম, রাশিয়া

    সেপ্টেম্বরে আসবে রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জ্বালানি: ডিজি – রোসাটম, রাশিয়া

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক:  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন রোসাটমের মহাপরিচালক (ডিজি) অ্যালেক্সি লিখাচেভ। আজ সকালে অনুষ্ঠিত উক্ত সাক্ষাৎকালে রোসাটমের  ডিজি জানিয়েছেন রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের (আরএনপিপি) পারমাণবিক জ্বালানি আগামী সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশে আসবে।

    প্রধানমন্ত্রী ও রোসাটমের ডিজির বৈঠকের বিষয়াদি লিখাচেভের বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, ‘আরএনপিপির কাজ শত বাধা অতিক্রম করে এগিয়েছে এবং এই কেন্দ্রের জন্য পরমাণু জ্বালানি সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশে পৌঁছবে।’

    ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের বৈঠকের বিষয় নিয়ে বলেন, রোসাটম ডিজি প্রধানমন্ত্রীকে আরএনপিপি’র সার্বিক অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করাসহ প্রকল্পটি নিয়ে আলোচনা করেন এবং আরএনপিপি’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন নিয়েও কথা বলেন।

    প্রেস সচিব  জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কভিড-১৯ মহামারি এবং বৈশ্বিক সংকট সত্ত্বেও আরএনপিপি’র কাজ এগিয়ে নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।

    তিনি রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রযুক্তি ও আর্থিক সহায়তার জন্য রাশিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    মহান মুক্তিযুদ্ধে এবং যুদ্ধ পরবর্তী বাংলাদেশ পুনর্গঠনে রাশিয়ার সমর্থন ও সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা ভবিষ্যতেও রাশিয়ার সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

    শেখ হাসিনা ও অ্যালেক্সি লিখাচেভের বৈঠকের সময়ে আরও উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, এম্বাসেডর এট-লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব এম. তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জিয়াউল হাসান, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. শহীদ হোসেন এবং রাশিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত কামরুল আহসান ।

    সূত্র: বাসস

  • হার্ট ভালো রাখুন

    হার্ট ভালো রাখুন

    নিত্যদিনের স্ট্রেস, জাঙ্ক ফুডপ্রীতি, সেডেনটারি লাইফস্টাইল ইত্যাদির প্রভাব শরীরের এই বিশেষ অঙ্গের ভাল থাকা আজকাল সত্যিই দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে। ফলস্বরুপ যে কোনও বয়সের হানা দিচ্ছে হৃদযন্ত্রের নানা জটিল অসুখ। হার্টের বিভিন্ন ঝুঁকির কারন ও হার্ট ভালো রাখার টিপস নিয়ে আলোচনায় কনসালটেন্ট কার্ডিওলজিস্ট ডাঃ শুভানন রায় বলেন-

    হার্টের জন্য রিস্ক ফ্যাক্টর

    হার্টের অসুখের ক্ষেত্রে মূলত ৫ টি রিস্ক ফ্যাক্টর রয়েছে। সেগুলি হল-

    ১. উচ্চ রক্তচাপঃ এই সমস্যা হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য খুব ক্ষতিকারক। এতে হার্টের রক্তবাহী ধমনি তথা হার্টের উপর চাপ পড়ে।

    ২. ব্যক্তিগত পারিবারিক ইতিহাসঃ যাদের একবার কোনও হার্টের সমস্যা হয়েছে বা হার্টের সমস্যার কোনও পারিবারিক ইতিহাস রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে হার্টের সমস্যা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা অন্যান্যদের তুলনায় অনেকটাই বেশি।

    ৩. ধূমপানের অভ্যাসঃ যারা নিয়মিত ধূমপান করেন (তা অল্পই হোক বা বেশি), তারাও কিন্তু হাই রিস্ক গ্রুপের আওতায় পরেন।

    ৪. ডায়বেটিসঃ উচ্চ রক্তচাপের মতো ডায়বেটিসও হার্টের পক্ষে ক্ষতিকারক। যাদের ডায়বেটিস রয়েছে, তারা নিয়মিত চেক-আপে থাকুন।

    ৫. ওবিসিটিঃ ওজন অতিরিক্ত হলে শরীরে ফ্যাট এবং কোলেস্টেরলের মাত্রাও বেশি থাকা স্বাভাবিক। তাই ওবিসিটির সমস্যা থাকলে তা নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করুন।

    প্রতিরোধের উপায়ঃ

    যাদের পরিবারের কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট বা হার্ট অ্যাটাকের ইতিহাস আছে, তাদের খুব ছোটবেলাতেই কার্ডিয়াক অ্যাসেসমেন্ট করা প্রয়োজন। ছোটবেলাতেই অসুখ ধরা পড়লে তার চিকিৎসা দ্রুত করা সম্ভব। হার্টের অসুখ প্রতিরোধ করার জন্য সঠিক জীবনযাত্রার খুব বড় ভূমিকা রয়েছে।

    নিয়মিত শরীরচর্চা, ছোট বয়সে খেলাধূলা, জাঙ্কফুড আসক্তি থেকে সরে আসা, ডায়েটে শাকসবজি ও ফল (বিশেষ করে মৌসুমী ফল) রাখা, মাছ, বাদাম, মুরগী খাদ্যতালিকায় রাখা, রেড মিট পরিহার করা ইত্যাদি খাদ্য তালিকার মাঝে রাখতে হবে এবং হার্টের জন্য ক্ষতিকর জীবন অভ্যাস ও হার্টের জন্য ক্ষতিকর খাদ্য বাদ দিতে হবে।

    সুস্থ হার্ট রক্ষায় টিপসঃ  

    • ব্যাড কোলেস্টেরল হার্টের অন্যতম প্রধান শত্রু। তাই খাওয়াদাওয়ার দিকে বিশেষ গুরুত্ব দিন। জাঙ্ক ফুড যতোটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।
    • রান্নায় সঠিক তেল বাছুন। ঘি এবং মাখনের পরিবর্তে অলিভ অয়েল, সয়াবিন তেল অথবা সরিষার তেল ব্যবহার করতে পারেন।
    • নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাস রাখুন। প্রতিদিন সিড়ি ওঠানামা করা হাঁটা ,সাইক্লিং, হালকা জগিং, ইত্যাদির অভ্যাস থাকলে ভাল।

    তথ্যসূত্রঃ হেলথ.গভ

  • ওয়াগনার গ্রুপের বিদ্রোহ পুতিনের অবস্থানের জন্য একটি বড় আঘাত

    ওয়াগনার গ্রুপের বিদ্রোহ পুতিনের অবস্থানের জন্য একটি বড় আঘাত

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: ওয়াগনার গ্রুপের ভাড়াটে সৈন্যদের বিদ্রোহের পর রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের অবস্থান নড়বড়ে হয়ে পড়েছিল বলে মনে করেন অনেক বিশ্লেষক। যদিও দ্রুতই পরিস্থিতি সামাল দিতে চুক্তি করেছে ক্রেমলিন এবং ওয়াগনার বাহিনী। এর পরেও অনেক প্রশ্ন এখনও অমীমাংসিত রয়ে গেছে। কেননা মস্কোতে জারি করা জরুরী নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখনও বহাল রয়েছে।

    ক্ষমতা গ্রহণের দুই দশকের মধ্যে কখনো এই ধরনের বিশাল চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়নি ভ্লাদিমির পুতিনকে।

    উত্তেজনা প্রশমন হলেও ঝুঁকি এখনো কিছু রয়েছে বলে মনে করেন অনেক বিশ্লেষক। রাশিয়ার বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, পুতিনকে খুব শক্তিশালী ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে না। বরং তাকে বিধ্বস্ত মনে হচ্ছে।

    শনিবার সকালে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেয়া ভাষণে মি. পুতিন যে বক্তব্য দিয়েছেন তাতে ওয়াগনারের বিরুদ্ধে তার ঘৃণা এবং বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ প্রতিফলিত হয়েছে। ওই ভাষণে তিনি ওয়াগনার নেতা ইয়েভগেনি প্রিগোশিনের বিরুদ্ধে ‘পিছন থেকে ছুরি মারা’ এবং রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ আনেন।

    এরপর থেকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি এবং সামনে তিনি নতুন কোন ভাষণ দেবেন কিনা সেটাও পরিকল্পনা করা হয়নি।

    রবিবার রাষ্ট্রীয় টিভিতে আগে থেকে রেকর্ড করা সাক্ষাৎকারে-যা বিদ্রোহের আগে রেকর্ড করা হয়েছিল-সেখানে মি. পুতিন বলেছিলেন যে তিনি ইউক্রেন যুদ্ধের অগ্রগতির বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী।

    মস্কোতে এখনও সন্ত্রাসবিরোধী নিরাপত্তা ব্যবস্থা বহাল রয়েছে। তবে প্রেসিডেন্ট পুতিন এই মুহূর্তে রাশিয়ার রাজধানীতে আছেন কিনা তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। কেউ কেউ ধারণা করছেন মি. পুতিন কোন না কোনভাবে আক্রমণ করবেন – ইউক্রেনে সেনা হামলা অথবা রাশিয়ার অভ্যন্তরে বিরোধীদের ওপরও হতে পারে সে হামলা।

    পোলিশ এমইপি রাদেক সিকোরস্কি মনে করেন, এই ঘটনার পর মি. পুতিনের শাসন ‘একই সাথে আরও কর্তৃত্ববাদী এবং আরও নৃশংস’ হয়ে উঠতে পারে।

    প্রিগোশিন কী বিদ্রোহের পেছনের ছিলেন?

    বিদ্রোহের পেছনের প্রধান ব্যক্তি, ইয়েভগেনি প্রিগোশিন, একজন স্বাধীন মানুষ। তিনি রাশিয়ার সামরিক নেতৃত্বকে উৎখাতের চেষ্টা করলেও তার বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিদ্রোহের অভিযোগ তুলে নেয়া হয়েছে। তবে ক্রেমলিন এবং ওয়াগনারের মধ্যে যে চুক্তি হয়েছিল তার পুরো বিবরণ জানা যায়নি। প্রিগোশিন রাতের আধারে মিলিয়ে যাবেন, রুশ বিশ্লেষকরা তা আশা করেন না।

    এই ভাড়াটে গ্রুপের নেতা দীর্ঘদিন পর্দার আড়ালে কাজ করছেন। অথচ তিনি ইউক্রেনের হাজার হাজার যোদ্ধা জন্য এমনকি প্রেসিডেন্ট পুতিনের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। তিনি ক্রেমলিনের জন্য বছরের পর বছর বিতর্কিত কাজ করেছেন। বিশেষ করে সিরিয়ায় যুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০১৪ সালে ইউক্রেন যুদ্ধ পর্যন্ত, যখন ক্রাইমিয়া রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়। কিন্তু মি. পুতিনের কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করার পরে – এবং কারো কারো মতে রুশ প্রেসিডেন্টকে অপমান করার পরে প্রশ্ন উঠেছে -প্রিগোশিনের নিরাপত্তার কী গ্যারান্টি দেওয়া হয়েছে? সামনে তার ভূমিকা কী হবে সেই উত্তর জানা এখনও বাকি রয়েছে।

    পর্যবেক্ষকরা প্রশ্ন করছেন যে, বেলারুশিয়ান নেতা আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো প্রিগোশিনের উপর কতটা নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হবেন – যদি তিনি সত্যিই মিনস্কে যান? এবং, ওয়াগনার বাহিনী তাকে অনুসরণ করলে, তারা রাশিয়া, বেলারুশ এবং ইউক্রেনের জন্য কী হুমকি সৃষ্টি করবে?

    ওয়াগনার গ্রুপের এখন কী হবে?

    এই সশস্ত্র বিদ্রোহের আগে, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে মি. পুতিনের যুদ্ধে কয়েক হাজার ওয়াগনার ভাড়াটে সৈন্য অংশ নিয়েছিল। কিন্তু স্বাধীন সেনাবাহিনী হিসেবে ওয়াগনারের দিন শেষ হয়ে আসছে। কিন্তু স্বল্পস্থায়ী বিদ্রোহ শেষ হওয়ার সাথে সাথে – এবং প্রিগোশিন এখন দৃশ্যত নির্বাসনে যাচ্ছেন – এই অবস্থায় অনেকেরই প্রশ্ন যে এখন তার যোদ্ধারা কী করবে।

    বিদ্রোহের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ার ভিডিওতে দেখা গেছে ওয়াগনার সৈন্যরা রোস্তভ-অন-ডন শহর ছেড়ে চলে যাচ্ছেন, যেখানে তারা সামরিক ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল। রোস্তভ এবং মস্কোর মাঝামাঝি থাকা ভোরোনজের গভর্নর বলেছেন, ওয়াগনার বাহিনী তার অঞ্চলও ছেড়ে যাচ্ছে।

    এটা স্পষ্ট নয় যে, তারা এখন কেবল সহযোগিতা করবে নাকি রাশিয়ার নিয়মিত সামরিক বাহিনীতে একীভূত হবে – বা রাশিয়ার নিয়মিত সৈন্যরা এখন স্বেচ্ছায় তাদের সাথে কাজ করবে কিনা, তা পরিষ্কার নয়।

    তারা কি কেবল ইউক্রেনের বিদ্যমান বিরোধপূর্ণ অঞ্চলে যুদ্ধে করতে যাবে, যেমনটা রুশ রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বলছে? কিছু বিশ্লেষক উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, যোদ্ধারা প্রিগোশিনকে পশ্চিমে অনুসরণ করতে পারে যদি তিনি বেলারুশে যান ।

    এ বিদ্রোহ কিভাবে ইউক্রেনে যুদ্ধ প্রভাবিত করবে?

    ওয়াগনার গ্রুপ ইউক্রেনের যুদ্ধে সবচেয়ে সফল সৈন্য দল পাঠিয়েছে, যদিও এর অনেক যোদ্ধাকে কারাগার থেকে আনা হয়েছে, স্বাধীনতার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ফ্রন্টলাইন সার্ভিসের হয়ে লড়াই করতে প্রলুব্ধ করা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, বাখমুত শহর রাশিয়ার দখলে আনতে এই ওয়াগনার সৈন্যদের ব্যাপক সম্পৃক্ততা ছিল।

    রাশিয়া দাবি করেছে যে, ওয়াগনার বাহিনীর বিদ্রোহ এখন পর্যন্ত ইউক্রেন অভিযানে কোন প্রভাব ফেলেনি। তবে, যা ঘটছে রুশ বাহিনী নিঃসন্দেহে সে ব্যাপারে জানতে পেরেছে এবং এ খবরে তারা হতাশ হতে পারে।

    শনিবারের ঘটনার পর আগামী দিনগুলোয় কী ধরণের প্রতিক্রিয়া হতে পারে, সেটি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে কেউ কেউ বলছেন যে, রাশিয়ায় সামনের দিনগুলোয় প্রতিদ্বন্দ্বী ইউনিটগুলির মধ্যে লড়াই শুরু হতে পারে।

    ইউক্রেনে, রাশিয়া তার সম্পৃক্ততা বাড়াতে পারে এমন উদ্বেগের মধ্যে সামরিক নেতারা সীমান্তের অস্থিতিশীলতার সুযোগ নিতে পারে। কিয়েভের বাহিনী দখলদারদের দখলকৃত এলাকা পুনরুদ্ধার করতে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছে এবং তাদের বিশ্বাস যে রাশিয়ার এই অস্থিরতা তাদের জন্য ‘বড় সুযোগ’ তৈরি করবে।

    ইউক্রেনে নিযুক্ত সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিল টেলর বিবিসিকে বলেছেন, ওয়াগনার যোদ্ধাদের আকস্মিক বিদ্রোহের ফলে রাশিয়ার যে কৌশলগত দুর্বলতা সামনে এসেছে তা কাজে লাগাতে ইউক্রেনীয় বাহিনী ‘ভাল অবস্থানে’ রয়েছে।

    যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যরা কি আগে থেকে জানত?

    প্রিগোশিনের বিদ্রোহের বিষয়ে মার্কিন গুপ্তচর সংস্থাগুলো আগে থেকেই ইঙ্গিত পেয়েছিল। এই সপ্তাহের শুরুতে কংগ্রেসের প্রধান নেতাদের পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে বিষয়টি জানানো হয়, মার্কিন মিডিয়ার প্রতিবেদন তাই বলছে। সিএনএন জানিয়েছে, মার্কিন গোয়েন্দারা দেখেছে যে, ভাড়াটে গোষ্ঠীর নেতা রাশিয়ার সীমান্তের কাছে অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং অন্যান্য সরঞ্জাম সংগ্রহ করছেন।

    নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, মার্কিন গোয়েন্দা প্রধানরা কয়েক মাস ধরে প্রিগোশিন এবং রাশিয়ান প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের মধ্যে বিরূপ সম্পর্কের উপর নজর রাখছিলেন এবং গোয়েন্দারা মনে করেন যে ইউক্রেনের যুদ্ধ ওয়াগনার এবং রুশ সামরিক বাহিনী উভয়ের জন্যই খারাপ হয়েছে।

    এদিকে, ওয়াশিংটন পোস্ট বলেছে যে যুক্তরাষ্ট্র হয়তো জেনেছে যে প্রিগোশিন জুনের মাঝামাঝি থেকে কিছু পরিকল্পনা করছেন।

    এর মূল লক্ষ্য ছিল ১০ই জুন রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি ডিক্রি। যেখানে মন্ত্রণালয় ওয়াগনার গ্রুপের মতো সমস্ত বিদ্রোহী দলগুলোকে নির্দেশ দিয়েছিল – সরকারের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করতে, যা কার্যকরভাবে প্রিগোশিনের ভাড়াটে সৈন্যদের দখলে নেওয়া হবে। প্রেসিডেন্ট পুতিনকেও তার নিজস্ব গোয়েন্দারা বলেছিল যে প্রিগোশিন কিছু একটা ষড়যন্ত্র করছে।

    ঠিক কখন মি. পুতিনকে বলা হয়েছিল তা স্পষ্ট নয়, তবে সেটি ‘অবশ্যই ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় আগে’ ছিল, শনিবার এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে পত্রিকাটি বলেছে।

    সঙ্কট ঘনীভূত হওয়ার সাথে সাথে মি. পুতিন জাতির উদ্দেশ্যে যে ভাষণ দিয়েছেন সেখানে দেখা যায় যে তিনি এই হুমকিকে কতটা গুরুত্বের সাথে দেখছেন। তাই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে রাশিয়ার জনগণ এখন  কি মনে করেন?

    টেলিগ্রামে একজন শীর্ষস্থানীয় রাশিয়া বিশ্লেষক তাতিয়ানা স্ট্যানোভায়া লিখেছেন, “এলিট বাহিনীর মধ্যে অনেকেই ব্যক্তিগতভাবে পুতিনকে দোষারোপ করবে যে সবকিছু এতদূর গড়াল অথচ প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে যথাযথ প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। কিন্তু এই পুরো ঘটনাটি পুতিনের অবস্থানের জন্যও একটি আঘাত।”

    যদিও সামগ্রিক রুশ জনমত সম্পর্কে এক কথায় কিছু বলা কঠিন।

    সূত্র : বিবিসি বাংলা

  • রেডি মসলায় গরুর মাংসের কালা ভুনা

    রেডি মসলায় গরুর মাংসের কালা ভুনা

    উপকরণ: গরুর মাংস-২ কেজি, আদা বাটা-২ টেবিল চামচ, রসুন বাটা-দেড় টেবিল চামচ, পেয়াজ বেরেস্তা-১/২ কাপ, রাধুনী কালা ভূনা মশলা-বড় প্যাকেটের মশলা, কালো গোল মরিচ গুড়া-১/২ চা চামচ, লাল মরিচ গুড়া-১ টেবিল চামচ, ভাজা জিরা গুড়া-১ চা চামচ, টকদই-১/২ কাপ, ডার্ক সয়াসস-৩ টেবিল চামচ, লবণ-পরিমাণমতো, সরিষার তেল-১/২ কাপ, সয়াবিন  তেল-১/৪ কাপ, পানি-২ কাপ, গরম মশলা গুড়া-১ চা চামচ, কাঁচা মরিচ-৭/৮ টি, হলুদ গুড়া-  ১/২ চা চামচ, তেজপাতা, এলাচ, লবঙ্গ,  দারুচিনি পরিমান মত।

    রেডি মসলায় গরুর মাংসের কালা ভুনা

    প্রস্তুত প্রণালি: মাংসের পানি ভালো করে ঝরিয়ে নিতে হবে। তারপর মাংসের মধ্যে কালা ভুনা বড় প্যাকেটের মশলা দিতে হবে। লাল মরিচ গুড়া, গোল মরিচ গুড়া, ভাজা জিরা গুড়া, হলুদ গুড়া, টকদই, সয়াসস,  তেজপাতা, এলাচ, লবঙ্গ, দারুচিনি, আদা বাটা, রসুন বাটা,  পেয়াজ বেরেস্তা, লবন,  সয়াবিন তেল, গরম মশলার গুড়া ও ২ কাপ পানি দিয়ে মাখিয়ে মাংস রাখতে হবে প্রায় ১ ১/২ ঘন্টা। এরপর মাংসের মধ্যে কালা ভুনা মশলার ছোট প্যাকেটের মশলা দিতে হবে। অন্য পাত্রে ১/২ কাপ সরিষার তেল দিয়ে তারমধ্যে  কাঁচা মরিচ ও পেয়াজ কিউব করে কেটে সামান্য ভেজে মাংস ঢেলে দিতে হবে। এখন মাংসের মধ্যে গরম মশলা গুড়া দিয়ে নামিয়ে নিতে হবে। গরম গরম পরিবেশন করতে হবে খিচুড়ি, পোলাও, ভাত বা রুটি পরোটার সাথে।

    রেসিপি দিয়েছেন: কানিজ ফারজানা আইভি

  • নাসিরউদ্দিন শাহকে আজকের এই অবস্থানে পৌঁছানোর জন্য দীর্ঘ সংগ্রামের পথ পড়ি দিতে হয়েছে

    নাসিরউদ্দিন শাহকে আজকের এই অবস্থানে পৌঁছানোর জন্য দীর্ঘ সংগ্রামের পথ পড়ি দিতে হয়েছে

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: ভারতের চলচ্চিত্র জগতের প্রথম সারির একজন অভিনয় শিল্পী হিসেবে নাসিরউদ্দিন শহের নাম-যশ-খ্যাতির কথা সবার জানা। তবে রাতারাতি তিনি তারকা বনে যান নি। আজকের এই অবস্থানে পৌঁছানোর জন্য তাঁকে দীর্ঘ সংগ্রামের পথ পড়ি দিতে হয়েছে । প্রথম যে বার তিনি ক্যামেরার সামনে এসেছিলেন বিশেষ কিছু প্রাপ্তি হয়নি অভিনেতার। সেই সময় একটি রাস্তায় ভিড়ের দৃশ্যে একটি ছোট ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন নাসিরউদ্দিন শাহ। ১৯৬৭ সালে ‘আমন’ ছবিকে অতিরিক্ত চরিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন মাত্র সাত টাকা। অঙ্কটি শুনে এ কালের দর্শক চমকে যাবেন। উক্ত ছবিতে প্রথম সারির অভিনেতাদের মধ্যে ছিলেন রাজেন্দ্র কুমার এবং সায়রা বানু । বর্তমানে প্রতিটি ছবিতে অভিনয়ের জন্য নাসিরউদ্দিন শাহ কোটি টাকার উপর আয় করে থাকেন।

    কিভাবে নাসিরউদ্দিন শাহ প্রথম ক্যামেরার সামনে এলেন সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, , রাস্তার ধারে এক রেস্টুরেন্ট ছিল। সেখানে গিয়ে ভিড় জমাতেন নাসির এবং তাঁর মতো ভাগ্যান্বেষীরা। সেখান থেকে ১০ জনকে নিয়ে যান এক ব্যক্তি। শুধু জানান, শুটিংয়ে যেতে হবে।’

    নাসিরুদ্দিনও নট্রাজ স্টুডিয়োতে চলে যান নির্দেশ মতো। অনেক কসরত করে ভিড়ের মধ্যে প্রথম সারিতে দাঁড়াতে পারেন তিনি, যেটি ক্যামেরায় ধরা দেয়। সেই প্রথম পর্দায় আসা। উচ্ছ্বসিত নাসির লাফাতে লাফাতে বাড়ি গিয়ে সুখবরটি দেন। লজ্জায় বলতে পারেন না তাঁর চরিত্রটি আসলে কতটুকু। বরং জানান, ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। পরে ছবিমুক্তির পর পরিবারকে জানান, সেই দৃশ্যগুলি সব সম্পাদনায় বাদ পড়েছে।

    নাসিরের কথায়, “আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল আনন্দটাই। কী যে ভাল লেগেছিল প্রথম অভিনয়ে, তা প্রকাশ করার ভাষা ছিল না। যখন শট নেওয়া হচ্ছিল, ক্যামেরা আমার মুখের কাছাকাছি আনা হয়। নিজের প্রতিবিম্ব দেখতে পেয়েছিলাম সেখানে, জাদুর মতো লেগেছিল। সেই স্মৃতি ভোলার নয়।”

    সেই ছোট চরিত্রের অভিনেতা ইতিমধ্যে প্রায় ১০০টির বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন। ২০০৬ সালের বলিউড চলচ্চিত্র ইউ হোতা তো কেয়া হোতা পরিচালনা করেছেন, এখানে অভিনয় করেছিলেন ইরফান খান এবং কঙ্কনা সেন শর্মা।

    তিনি ১৯৭৫ সালের হিন্দি চলচ্চিত্র নিশান্তে বিশ্বন চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তার চলচ্চিত্র শিল্পীর জীবন শুরু হয়েছিল। এরপর ‘জুনুন’, ‘আক্রোশ’, ‘পার’ ‘চক্র’, ‘মাসুম’, ‘ত্রিকাল’, ‘ওমকারা’, ‘ফিরাক’, ‘পিপলি লাইভ’সহ একাধিক সিনেমায় দুর্দান্ত অভিনয় করে শক্তিমান অভিনেতা হিসেবে স্থান করে নিয়েছেন তিনি।

    বাণিজ্যিক ছবির পাশাপাশি আর্টফিল্মগুলোতে তার অভিনয় সর্বাধিক প্রশংসিত হয়েছে। সর্বশেষ সৃজিত মুখার্জীর ‘বেগমজান’ সিনেমায় ‘রাজা সাব’ চরিত্রে অনবদ্য অভিনয়ে দর্শকমাৎ করেছেন তিনি।

    পরবর্তীতে তিনি হিন্দি চলচ্চিত্রের পাশাপাশি ইংরেজি এবং ভারতের অন্যান্য ভাষায় বেশ কয়েকটি সিনেমা করেছেন ।

    ১৯৮৪ সালে গৌতম ঘোষ পরিচালিত পার ছবিতে অভিনয়ের জন্য তিনি বেশ সুনাম কুড়িয়েছেন। ছবিটিতে আরও যারা অভিনয় করেন তাদের মধ্যে ছিলেন শাবানা আজমি ও ওম পুরি । নওরঙ্গিয়া চরিত্রে অভিনয়ের জন্য নাসিরউদ্দিন শাহ ভলপি কাপ জিতেছিলেন। ছবিটি সমরেশ বসু রচিত বাংলা গল্প পাড়ী অবলম্বনে নির্মিত।

    ভারতীয় চলচ্চিত্রে তার অবদানের জন্য ভারত সরকার তাকে ১৯৮৭ সালে ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মশ্রী ও ২০০৩ সালে ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মভূষণ পদকে ভূষিত করে। এছাড়া তিনি ১৯৭৯ সালে    স্পর্শ ছবিতে অভিনয়ের জন্য , ১৯৮৪ সালে পার ছবির জন্য শেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন। ২০০৬   সালে ইকবাল ছবিতে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা হিসেব জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। ১৯৮৪ সালে তিনি ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে ভল্পি কাপ পুরস্কার পেয়েছেন।

    অভিনেতা নাসিরউদ্দিন শাহ ভারতের ‘ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামা’র একজন শিক্ষার্থী ছিলেন। সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি শিখতে গিয়েছি, কারণ আমার জানার আগ্রহ ছিল। আমাকে অভিনয় শিখতে হবে বলে, আমি সেখানে যাইনি। আমি নিজের চারপাশের জগতটাকে আরও ভালো করতে জানতে ও বুঝতে সেখানে যাই।’ বলিউডের সব মহাতারকার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘অভিনয় যাদের অস্থিমজ্জায় মিশে আছে, তাঁদের তা স্কুলে গিয়ে শিখতে হয় না। দিলীপ কুমার, অমিতাভ বচ্চন, কমল হাসান- তাঁরা তো কখনও কোনো অভিনয়ের স্কুলে যাননি। কিন্তু তাঁদের মতো নিখুঁত অভিনেতা কয়জন আছেন। আমি মনে করি, একজন অভিনেতা নিজেই নিজেকে শেখায় প্রতিনিয়ত। এরপর কোনো স্কুলে থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়া তাঁর অভিনয়ের জন্য সহায়ক হিসেবে কাজ করে না।’

    শীঘ্রই নাসিরউদ্দিন শাহকে দেখা যাবে ওয়েব সিরিজ় ‘তাজ: ডিভাইডেড বাই ব্লাড’-এ। তিনি ২০১৪ সালে তার আত্মজীবনী শুরু করেন, যার শিরোনাম অ্যান্ড দেন ওয়ান ডে: অ্যা মেমোরি ।

  • জাতীয় সংসদে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকার বাজেট পাস

    জাতীয় সংসদে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকার বাজেট পাস

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: বৈশ্বিক মহামারি করোনা পরবর্তী পরিস্থিতি এবং চলমান ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাবে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সফলভাবে মোকাবিলা করে বর্তমান সরকারের চলমান উন্নয়ন বজায় রাখা এবং উচ্চতর প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যকে সামনে রেখে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকার বাজেট পাস হলো জাতীয় সংসদে।

    আজ সোমবার (২৬ জুন) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল চলতি অর্থবছরের বাজেট পাসের জন্য প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

    জাতীয় সংসদে গত ১ জুন ‘উন্নয়নের অভিযাত্রার দেড় দশক পেরিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা’ এ প্রতিপাদ্য সংবলিত  বাজেট তিনি প্রস্তাব করেন।

    বাজেট পাসের প্রক্রিয়ায় মন্ত্রীরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ব্যয় নির্বাহের যৌক্তিকতা তুলে ধরে সংসদে মোট ৫৯টি মঞ্জুরি দাবি উত্থাপন করেন। এই মঞ্জুরি দাবিগুলো সংসদে কণ্ঠভোটে অনুমোদিত হয়। এসব মঞ্জুরি দাবির যৌক্তিকতা নিয়ে বিরোধীদল ও স্বতন্ত্ররা মিলে ১০ জন সংসদ সদস্য মোট ৫০২টি ছাঁটাই প্রস্তাব তোলেন। এর মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়, এ দুটি মঞ্জুরির দাবিতে আনা ছাঁটাই প্রস্তাবের ওপর বিরোধী দলের সদস্যরা আলোচনা করেন। পরে কণ্ঠভোটে ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো নাকচ হয়ে যায়।

    ছাঁটাই প্রস্তাবে আলোচনা করেন, জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমাম, কাজী ফিরোজ রশীদ, রুস্তম আলী ফরাজী, রওশন আরা মান্নান, শামীম হায়দার পাটোয়ারী, পীর ফজলুর রহমান, গণফোরামের মোক্কাবির খান ও স্বতন্ত্র সদস্য রেজাউল করিম বাবলু।

    এরপর সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে নির্দিষ্টকরণ বিল-২০২৩ পাসের মাধ্যমে ২০২৩- ২৪ অর্থবছরের বাজেট অনুমোদন করেন। এর আগে গতকাল ২৫ জুন সংসদে অর্থবিল ২০২৩ পাসের মাধ্যমে বাজেটের আর্থিক ও কর প্রস্তাব সংক্রান্ত বিধি-বিধান অনুমোদন করা হয়।

    এদিকে ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের বাজেটে পরিচালনসহ অন্যান্য খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৭৫ হাজার ২৮১ কোটি। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ২ লাখ ৭৭ হাজার ৫৮২ কোটি টাকা। নতুন অর্থবছরের জিডিপি হার নির্ধারণ করা হয়েছে ৭.৫ শতাংশ। মোট জিডিপির পরিমাণ ধরা হয়েছে ৫০ লাখ ৬ হাজার ৭৮২ কোটি টাকা।

    এবারের বাজেটে ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা, যা মোট জিডিপির ৫ দশমিক ২ শতাংশ। ঘাটতি মেটাতে বৈদেশিক উৎস থেকে ১ লাখ ২ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩৯৫ কোটি টাকা সংগ্রহের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী।

    রাজস্ব হিসেবে ৫ লাখ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। লক্ষ্যমাত্রা অনুসারে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সংগ্রহ করবে ৪ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যান্য উৎস থেকে সংগ্রহ করা হবে আরও ৭০ হাজার কোটি টাকা।

    ২০২২-২৩ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা, যা আগামী অর্থবছরের চেয়ে ৬৭ হাজার কোটি টাকা কম। প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যয়ের খাতগুলোর মধ্যে পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৭৫ হাজার ২৮১ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন ব্যয় ২ লাখ ৭৭ হাজার ৫৮২ কোটি টাকা।

    নতুন অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সরকার যেভাবেই হোক আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতির লাগাম ৬ শতাংশের মধ্যে টেনে রাখতে চায়। নতুন অর্থবছরের জিডিপি হার নির্ধারণ করা হয়েছে ৭.৫ শতাংশ। মোট জিডিপির পরিমাণ ধরা হয়েছে ৫০ লাখ ৬ হাজার ৭৮২ কোটি টাকা।

    চলতি অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৮ হাজার ৬৭১ কোটি টাকা বেশি বৈদেশিক ঋণ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নেওয়া হবে। ঋণগ্রস্ত বেশি হওয়ায় অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের সুদ পরিশোধের জন্য বেশি টাকা গুনতে হবে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে।

    বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা, যোগাযোগ অবকাঠামো, ভৌত অবকাঠামো, আবাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, কৃষি, মানবসম্পদ উন্নয়ন খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

  • দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সড়কে সক্রিয় থাকবে পুলিশের মোটরসাইকেল টহল: আইজিপি

    দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সড়কে সক্রিয় থাকবে পুলিশের মোটরসাইকেল টহল: আইজিপি

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে আজ সোমবার (২৬ জুন) রাজধানীর গাবতলী স্থায়ী পশুর হাট পরিদর্শন করেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। এসময় ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক, অতিরিক্ত কমিশনার (অ্যাডমিন) এ কে এম হাফিজ আক্তার, অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) ড. খ. মহিদ উদ্দিন, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) হারুন অর রশীদ, সিটিটিসি প্রধান মো. আসাদুজ্জামানসহ অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

    পশুর হাট পরিদর্শন শেষে আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন সাংবাদিকদের  জানান, ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ঘরেফেরা মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ও নির্ধারিত সময়ে গমন নিশ্চিত করতে ২৪ ঘণ্টা সড়কে থাকবে ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি, পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ওসিসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা। অনেক সময় অভিযোগকারীদের যথাসময়ে সেবা দেওয়া সম্ভব হয় না। এজন্য এবার সড়কে সক্রিয় থাকবে পুলিশের মোটরসাইকেল টহল। যাতে দ্রুত সময়ে অভিযোগ পাওয়ামাত্রই ব্যবস্থাগ্রহণ করা যায়।

    পুলিশ মহাপরিদর্শক আরও বলেন, গত ঈদুল ফিতরে সবার সার্বিক সহযোগিতায় ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে পেরেছি। সাধারণ মানুষ আশ্বস্ত হয়েছেন ও যার যার গন্তব্যে নির্বিঘ্নে এবং যথাসময়ে গমন করতে পেরেছেন। এবারের ঈদযাত্রাও নির্বিঘ্ন করতে সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

    আইজিপি বলেন, মেট্রোপলিটন পুলিশ হাইওয়ে পুলিশ, টুরিস্ট পুলিশ, জেলা পুলিশ রেলওয়ে পুলিশ, র‌্যাব, আর্ম পুলিশ ব্যাটালিয়ন, নৌ পুলিশ, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশসহ সব ইউনিট একযোগে কাজ করছে। আমরা মালিক শ্রমিক, হাটের ইজারাদার ও যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেছি। কেউ হয়রানির শিকার হচ্ছেন কি না তা জানার চেষ্টা করেছি। এখন পর্যন্ত সব স্বস্তিদায়ক রয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।

    আইজিপি আরও বলেন, এর আগে আমরা গাজীপুর সাভার বাইপাইল এলাকা পরিদর্শন করেছি। সড়কের অবস্থার বিষয়ে মানুষের জেনেছি। ঈদযাত্রা সরজমিনে পরিদর্শন করেছি। সাধারণ মানুষ নিরাপদে নির্বিঘ্নে যার যার গন্তব্যে যাচ্ছেন। যোগাযোগ ব্যবস্থার বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে, পদ্মাসেতু হয়েছে। আগের মতো অবস্থা আর নেই যে মানুষ বাসের ছাদে চড়ে গন্তব্যে যাবেন। ঈদযাত্রায় সড়কের অবস্থার কথা ভেবে মানুষ আগে বাড়িতে নাকি রাস্তায় ঈদের নামাজ পড়বেন সেই শঙ্কায় থাকতেন, তবে সে পরিস্থিতি এখন আর নেই। গত ঈদুল ফিতরের ঈদযাত্রা ছিল স্মরণকালের স্বস্তিদায়ক।

    গত ঈদের অভিজ্ঞতার আলোকে এবারের ঈদযাত্রা নিশ্চিতে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

    সাধারণ যাত্রীদের উদ্দেশে আহ্বান জানিয়ে আইজিপি বলেন, যেকোনো সমস্যায় প্রয়োজনে নিকটস্থ পুলিশে খবর দিন অথবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করুন। আপনার অভিযোগ জানান, পুলিশ দ্রুত সময়ের মধ্যে আপনার অভিযোগের নিষ্পত্তি করবেন।

    ফিটনেসবিহীন ও লাইসেন্সবিহীন যানবাহন না চালানোর জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হয়েছে, টেলিভিশনে টিভিসি চালানো হয়েছে। খালি পিকাপ বা ট্রাকে যাত্রী হিসেবে উঠবেন না। এরপরও যদি কোনো যাত্রী ট্রাক-পিকাপে ওঠেন তাহলে পুলিশ সদস্যরা দেখামাত্রই তাদের সড়কে নামিয়ে দেবেন। সুতরাং নেমে ভোগান্তিতে পড়ার আগে স্বাভাবিক গণপরিবহন ব্যবহার করুন। অতিরিক্ত যাত্রী হিসেবে বাসে, ট্রেনে বা নৌপরিবহনে গমন না করতে অনুরোধ জানান আইজিপি।

    তিনি বলেন, ঈদুল ফিতরের চেয়ে ঈদুল আজহায় পুলিশের দায়িত্ব বেশি। এবার সড়কে শুধু ঈদযাত্রায় কোরবানির হাটের নিরাপত্তা দিতে হচ্ছে পুলিশকে। পাশাপাশি মৌসুমি ফল ও কোরবানির হাটে পশুবাহী যানবাহনকে নিরাপত্তা দিচ্ছে পুলিশ।

    আইজিপি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, যারা জাল টাকার কারবার করেন তারা হুঁশিয়ার হয়ে যান। আমরা গত দুই মাসে ৩  কোটি ৬১ লাখ জাল টাকা উদ্ধার করেছি, গ্রেপ্তার করেছি কারবারিদের। সাম্প্রতিক সময়ে দেড় কোটি জাল টাকা উদ্ধার ও কারবারিদের গ্রেপ্তার করেছি। অজ্ঞানপার্টি মলমপার্টি, ছিনতাইকারিসহ যারা প্রতারণার সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। সাবধান হয়ে যান, প্রতারণামূলক কাজে জড়ালে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কেউ প্রতারিত হলে সঙ্গে সঙ্গে ৯৯৯ নম্বরে খবর দিন, পুলিশ ব্যবস্থা নেবে।

    ঈদের ছুটিতে যারা ঢাকাসহ শহর ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে যাবেন তাদের উদ্দেশে আইজিপি বলেন, আমরা ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলা পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য। বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে ঈদ উপলক্ষ্যে জনসমাগম বাড়বে সে কারণে নিরাপত্তা নিশ্চিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ কর্মকর্তারা দিবারাত্রি দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন।