Author: Hello Bangla News

  • বিএনপি নির্বাচন ভন্ডুল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত: তথ্যমন্ত্রী

    বিএনপি নির্বাচন ভন্ডুল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত: তথ্যমন্ত্রী

    নির্বাচনে বিএনপির আশা নেই এবং যে আন্তর্জাতিক চক্র আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে, তারাও ইতিমধ্যে অনুধাবন করেছে যে বিএনপিকে দিয়ে হবে না। সে কারণে বিএনপি ও সেই চক্র নির্বাচন ভন্ডুল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত। এই ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় দেশ-বিদেশে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ।

    এই মুহূর্তেই যদি নির্বাচন দেওয়া হয়, তাহলেও আওয়ামী লীগের জয়ের সম্ভাবনা অনেক বেশি বলে দাবি করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ।

    সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সারা দেশ ঘুরে দেখেছি, এই মুহূর্তেই যদি নির্বাচন দেওয়া হয়, তাহলেও আমাদের জয়লাভের সম্ভাবনা অনেক বেশি। আমরা দলকে যেভাবে সংগঠিত করতে পেরেছি, বিএনপি তা পারেনি। কারণ, দেশ থেকে নয়, তারেক রহমানের নির্দেশনায় লন্ডন থেকে তাঁরা পরিচালিত হন। বিএনপি নেতারা লন্ডনে আসেন, তারেক রহমানের নির্দেশনা নিয়ে চলে যান।’

     

    আজ রোববার সকালে লন্ডনে স্থানীয় একটি হোটেলে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সুলতান মাহমুদ শরীফের সভাপতিত্বে বৈঠকটি সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক।

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত তারেক রহমান লন্ডনে বসে যে দেশবিরোধী অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, দেশপ্রেমিক প্রবাসী জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে তা প্রতিহত করবেন, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগও নানামুখী পদক্ষেপ নেবে।

     

    তথ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তৃতায় যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের অতীত ও বর্তমান কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন।

    এ সময় আসন্ন সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) নির্বাচনে মনোনয়ন পাওয়ায় যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীকে অভিনন্দন জানিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, যুক্তরাজ্যেও নৌকার প্রার্থীর পক্ষে সিসিকের ভোটারদের মধ্যে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রচারণা চালাতে হবে।

    সংগঠনের সভাপতি প্রবীণ রাজনীতিবিদ সুলতান মাহমুদ শরীফ প্রবাসীদের পাসপোর্ট নবায়ন, নতুন পাসপোর্ট ইস্যু, নো ভিসা রিকোয়ার্ড সুবিধা ও পাওয়ার অব অ্যাটর্নি সনদ-সম্পর্কিত অসুবিধা দূর করতে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানালে মন্ত্রী যথাসাধ্য করার আশ্বাস দেন।

  • আগামীকাল থেকে কমতে শুরু করবে তাপমাত্রা, হতে পারে ভারী বর্ষণ

    আগামীকাল থেকে কমতে শুরু করবে তাপমাত্রা, হতে পারে ভারী বর্ষণ

    টানা ১৬ দিনের দাবদাহের পর আগামীকাল থেকে দেশের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমতে থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।  তবে ২৩ এপ্রিল থেকে সারাদেশে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিসহ হাওড় অঞ্চলে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

    এর আগে কবে এত প্রচণ্ড গরম পড়েছিল সেটা অনেকে মনে করতে পারছে না। বৃষ্টির জন্য দেশজুড়ে হাহাকার চলছে। এর মধ্যে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আজ সোমবার (১৭ এপ্রিল) দেশের তিনটি বিভাগের কোথাও কোথাও বৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্য দিয়ে কমবে তাপমাত্রা। পাশাপাশি আগামী ২৩ এপ্রিল থেকে সারাদেশে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিসহ হাওরাঞ্চলে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক মো. আজিজুর রহমান বলেন, আগামীকাল ১৮ এপ্রিল থেকে সারাদেশে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমতে থাকবে। ১৯ এপ্রিল থেকে ঢাকার তাপমাত্রা কমতে শুরু করবে। ১৯-২০ এপ্রিলের দিকে দেশের সিলেট, সুনামগঞ্জ, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে। তবে ২৩ এপ্রিল থেকে সিলেট সুনামগঞ্জসহ হাওড় এলাকায় ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

    এই আবহাওয়াবিদ বলেন, ২৩ এপ্রিল ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, চাঁদপুর অঞ্চলের কোনো কোনো এলাকার ওপর দিয়ে বৃষ্টি, শিলাবৃষ্টি ও কালবৈশাখী বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    আজিজুর রহমান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতোই বাংলাদেশে চরমভাবাপন্ন আবহাওয়া বিরাজ করছে। তাই দীর্ঘ তাপদাহের পর আবার ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

    ঢাকা শহরের তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য অতিরিক্ত যানবাহন, ঘরে ঘরে এয়ারকন্ডিশনিংয়ের তাপ এবং নির্মাণকাজের ফলে সৃষ্ট তাপ অন্যতম প্রধান কারণ বলে মনে করেন এই আবহাওয়াবিদ। তিনি বলেন, এ কারণে হয়তো ঢাকার পাশের মানিকগঞ্জে জেলাতেই তাপমাত্রা ঢাকার চেয়ে ২-৩ ডিগ্রি কম।

    আবহাওয়াবিদ শাহানাজ সুলতানা আজ বিকেল ৩টার আবহাওয়া প্রতিবেদন অনুযায়ী বলেন, আজ এই মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ইশ্বরদীতে। বিকেল ৩টায় ইশ্বরদীর তাপমাত্রা ছিল ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    এই আবহাওয়াবিদ জানান, আজ বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোনো কোনো এলাকায় ছিটেফোঁটা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ঢাকার অবস্থা এখনো অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

    আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল যশোর ও চুয়াডাঙ্গায় ৪১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল রংপুর বিভাগের রাজারহাটে ২১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় চলছে তীব্র তাপপ্রবাহ। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রির উপরে চলে যাওয়ায় প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন। রাজধানী ঢাকার তাপমাত্রাও ৪১ ডিগ্রির উপরে চলে যায়, যা ৫৮ বছরের রেকর্ড ভাঙে। বৃষ্টির জন্য নগরবাসী হাহাকার করছে। বৃষ্টি চেয়ে নামাজও আদায় করা হয়েছে রাজধানীতে। সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা বিরাজ করছে চুয়াডাঙ্গায়। সেখানে প্রচণ্ড গরমে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।

  • মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন

    মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    তিনি আজ সকালে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে এ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
    আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা পরে দলীয় প্রধান হিসেবে তাঁর দলের সিনিয়র সদস্যদের সাথে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আরেক দফা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

    ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেয়ার জন্যে বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠন উপলক্ষে আজ ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত হচ্ছে।

    এছাড়া আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বনানী কবরস্থানে সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ ও এম মনসুর আলীর কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

    সুত্র-বাসস

  • ধনীরা কখনোই দিনে ৮ ঘন্টা ঘুমান না

    ধনীরা কখনোই দিনে ৮ ঘন্টা ঘুমান না

    জনপ্রিয় মার্কিন টিভি উপস্থাপক স্টিভ হার্ভি বলছেন, ‘ধনী লোকেরা কখনোই দিনে ৮ ঘণ্টা ঘুমান না। সারা দিনের সময় ২৪ ঘণ্টা। তার মধ্যে ৮ ঘণ্টাই তুমি ঘুমাতে পারো না। তার মানে তুমি জীবনের এক–তৃতীয়াংশ ঘুমিয়ে কাটিয়ে দিচ্ছ। না হয় তার কথা মেনে নিলেন যে ধনী লোকেরা ৮ ঘণ্টা ঘুমান না। তাহলে কয় ঘণ্টা ঘুমান? হার্ভি নিজে কয় ঘণ্টা ঘুমান?

    বিল গেটস

    সিয়াটল টাইমসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের ঘুমের অভ্যাস নিয়ে কথা বলেছিলেন বিল গেটস। তিনি কেবল বড়লোকই নন, পরিচিত দাতব্য কর্মকাণ্ডের জন্যও। তবে ঘুমের দিক দিয়ে তিনি ইলন মাস্কের চেয়ে পিছিয়ে। গড়ে প্রতি রাতে ঘুমান ৭ ঘণ্টা করে। পাশাপাশি দিনের নানা সময়ে নেন ছোট ছোট ঘুম। যাকে বলে ‘ন্যাপ’ নেয়া। এগুলো তাকে সাহায্য করে নিজেকে চাঙা রাখতে। যাতে ধরে রাখতে পারেন মনোযোগ। বিভিন্ন কাজে ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে থাকতে পারেন সতর্ক।

    ইলন মাস্ক

    মাস্ক নতুন নতুন পরিকল্পনা ও কঠোর পরিশ্রমের জন্য বেশ পরিচিত। এমনকি মাঝেমধ্যে কাজের চাপে রাতে কারখানাতে থেকে যান বলেও শোনা যায়। সেখানেই নাকি ঘুমিয়ে নেন। ঘুমাতে যান রাত ৩টার দিকে। তবে ওঠেন সকাল ৯টা–সাড়ে ৯টার মধ্যে। মানে ঘুমান গড়ে ৬ ঘণ্টার মতো। সাধারণ মানুষের গড় ঘুমের তুলনায় বেশ কম।

    স্টিভ হার্ভি

    স্টিভ হার্ভি গড়ে প্রতি রাতে ঘুমান ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা। মনে হতে পারে, এত কম ঘুমালে নিশ্চয়ই কাজের সময় তাকে ভুগতে হয়। ঘুম ঘুম ভাব নিয়ে ঘুরে বেড়ান। সেটা একদমই নয়। এইটুকু ঘুমেই তিনি দিব্যি সারা দিন কাজ করে যান। ওঠেন খুব সকালে। আগে অবশ্য তা পারতেন না। সে অভ্যাস করার জন্যই নাকি ‘দ্য স্টিভ হার্ভি মর্নিং শো’ করা। মানে সকালের শো বেছে নেয়া।

    জেফ বেজোস

    জেফ বেজোস সিএনবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন তার ঘুমের অভ্যাসের কথা। তিনি নিজেকে সুস্থ রাখতে এবং কাজে পূর্ণ মনোযোগ ধরে রাখতে তিনি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেন পর্যাপ্ত ঘুমকে। সে জন্য তার চেষ্টা থাকে প্রতি রাতে ৮ ঘণ্টা ঘুমানোর। দিনের কাজের পরিকল্পনাও করেন সেভাবেই। ঘুমের সময়কে ঠিক রেখে।

  • জার্মানীতে পরমাণু যুগের অবসান

    জার্মানীতে পরমাণু যুগের অবসান

    জার্মানী শনিবার শেষ তিনটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ করছে। গ্রিড থেকে বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে এসব বিদ্যুৎ কেন্দ্র। আর এর মধ্যদিয়ে দেশটিতে পরমাণু যুগের অবসান ঘটতে যাচ্ছে।

    যদিও ছয়মাস আগে পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে সরে আসার কথা ছিল জার্মানির।  কিন্তু রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের কারনে এক্ষেত্রে কিছুটা বিলম্ব ঘটে।

    কারণ, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে মস্কো থেকে গ্যাস সরবরাহ কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর জার্মানিতে জ্বালানি–সংকটের আশঙ্কা বেড়ে গিয়েছিল। কিন্তু সরকারের তৎপরতা দ্রুত বিকল্প উৎসের ব্যবস্থা করা হয়। ফলে পারমানবিক উৎসের ওপর নির্ভরতা করার আর কোন কারন ছিল না।

    এদিকে জার্মানির জ্বালানি প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলো পারমাণবিক বিদ্যুৎ বন্ধ হওয়ার পর ঘাটতি পূরণ করতে আরও দ্রুতগতিতে গ্যাসচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র্র গড়ে তোলার ডাক দিয়েছে। ভবিষ্যতে এমন কেন্দ্র গ্যাসের বদলে হাইড্রোজেন দিয়েও চালানো সম্ভব হতে পারে। তবে এমন কেন্দ্রে বিনিয়োগের জন্য সরকার কোনো উৎসাহ না দেওয়ায় সেই উদ্যোগে গতি আসছে না।

    জাপানের ফুকুশিমা পারমাণবিক কেন্দ্রে বিপর্যয়ের পর জার্মান সরকার ২০১১ সালে এ ধরনের বিদ্যুৎ কেন্দ্র পুরোপুরি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়। এর আগে ২০০২ সালেও তৎকালীন সরকার নীতিগতভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

    তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পর নতুন করে কোনো কেন্দ্রের অনুমতি দেওয়া হয়নি। উল্লেখ্য, জার্মানীতে ১৯৬৭ সালে প্রথম পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের যাত্রা শুরু হয়।

    সূত্র: বাসস ডেস্ক

  • নিভৃতচারী নিঃসঙ্গ তরুণদের মাসে ৫০০ ডলার দেবে দ. কোরিয়া

    নিভৃতচারী নিঃসঙ্গ তরুণদের মাসে ৫০০ ডলার দেবে দ. কোরিয়া

    কোরিয়া হেলথ অ্যান্ড সোশাল অ্যাফেয়ার্স-এর তথ্য তুলে ধরে মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির ১৯ থেকে ৩৯ বছর বসয়ীদের ৩ দশমিক ১ শতাংশ ‘নিভৃতচারী নিঃসঙ্গ তরুণ’। যারা একটি সীমাবদ্ধ স্থানে বসবাস করে, নির্দিষ্ট সময়ের বেশি তারা বাইরের জগৎ বিচ্ছিন্ন থাকে এবং স্বাভাবিক জীবনযাপনে উল্লেখযোগ্য কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হয় তাদের, এই শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে।

    দক্ষিণ কোরিয়ার তরুণরা বাইরের জগৎ থেকে এতটাই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে যে তাদের সমাজে ‘পুনরায় অন্তর্ভুক্তির’ জন্য প্রতি মাসে টাকা দিচ্ছে সরকার।

    চলতি সপ্তাহে লিঙ্গ সমতা ও পরিবার মন্ত্রণালয় ঘোষণা দিয়েছে, বিচ্ছিন্ন সামাজিক নিভৃতচারীদের মানসিক ও আবেগ স্থিতিশীলতা ও স্বাস্থ্য বৃদ্ধিতে সহায়তায় প্রতি মাসে ৫০০ ডলার করে দেওয়া হবে।

    এই হার অনুসারে দেশটিতে এমন তরুণ বয়সীদের সংখ্যা ৩ লাখ ৩৮ হাজার। এদের মধ্যে ৪০ শতাংশের বিচ্ছিন্নতা শুরু হয়েছে কৈশোরে। এমন অবস্থায় যাওয়ার পেছনে অনেকগুলো কারণ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আর্থিক দুর্দশা, মানসিক অসুস্থতা, পারিবারিক সমস্যা বা স্বাস্থ্যগত জটিলতা।

    বৃহত্তর যুব কল্যাণ সহযোগিতা আইনের আওতায় মাসিক অর্থ প্রদানের এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য হলো তরুণরা। এই আইন সমাজ থেকে নিজেদের দূরে রাখার মানুষদের সহযোগিতার জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে। এছাড়া যাদের অভিভাবক অথবা স্কুলের সুরক্ষা নেই এবং অপরাধী হওয়ার ঝুঁকিতে আছে তাদেরও সহযোগিতা করা হয়।

    ৯ থেকে ২৪ বছর বয়সীদের মধ্যে যাদের পরিবারে চার সদস্য রয়েছেন এবং মাসিক ৪ হাজার ১৬৫ ডলারের কম, তাদেরকে প্রতি মাসে ৫০০ ডলার করে দেওয়া হবে। স্থানীয় প্রশাসনিক কল্যাণ কেন্দ্রে তরুণরা আবেদন করতে পারবে। তাদের অভিভাবক, কাউন্সেলর বা শিক্ষকরাও তাদের পক্ষ থেকে আবেদন করতে পারবেন।

    সূত্র: সিএনএন

     

  • তাপমাত্রা না কমলে পরিবেশ মন্ত্রণালয় সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেবে

    তাপমাত্রা না কমলে পরিবেশ মন্ত্রণালয় সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেবে

    সারা দেশে মৃদু থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ ছড়িয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পার হয়েছে। প্রচণ্ড গরমে হিটস্ট্রোকে মৃত্যুর খবরও পাওয়া যাচ্ছে। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছেন বয়স্ক ও শিশুরা।  এক সপ্তাহ ধরে টানা বেড়েই চলছে তাপমাত্রা। ৫৮ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ঢাকায়। ৯ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছে চুয়াডাঙ্গায়। এখনও তাপমাত্রা বেড়েই চলেছে। আজ রাতে আরও বাড়তে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছে আবহাওয়া অধিদফতর। এই অবস্থায় আরও কয়েকদিন তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়ার কথা চিন্তা করছে পরিবেশ মন্ত্রণালয়।

    চিকিৎসকরা বলছেন, চলমান দাবদাহে অসুস্থ হয়ে পড়া বয়স্ক, শিশু ও কোমরবিডিটি (বিভিন্ন ধরনের রোগে আক্রান্ত) সম্পন্নদের তাৎক্ষণিক পরিচর্যা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে বড় দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে।

    দেশে গত শুক্রবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়। ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হয়েছে ৪০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    পরিবেশমন্ত্রী মো. শাহাবুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘তাপমাত্রা প্রতিদিনই বাড়ছে। আমরাও তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ করছি। আগামী আরও কয়েকদিন এই তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ করবো। এরপরও যদি তাপমাত্রা না কমে, তাহলে পরিবেশ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা অধিদফতরের সঙ্গে বসে কিছু সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়ার চিন্তা করছি। তবে এখনই চূড়ান্ত কিছু বলা সম্ভব নয়। আমরা আপাতত পর্যবেক্ষণ করছি তাপমাত্রার অবস্থা।’

    এর আগে ১৯৬৫ সালে রাজধানীতে ৪০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ২০১৪ সালে সর্বোচ্চ ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁয়েছিল। এমন পরিস্থিতিকে জাতীয় দূর্যোগ ঘোষণা দিয়ে বিষেশজ্ঞরা এটি মোকাবিলায় এখনই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলে মনে করছেন।

    এদিকে আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, আজ দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে, চুয়াডাঙ্গা ও যশোরে ৪১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একইভাবে ঢাকার তাপমাত্রা ৪০ দশমিক ৪ ডিগ্রি থেকে আরও কিছুটা বেড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হয়েছে ৪০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একইভাবে রাজশাহীর তাপমাত্রা ৩৯ দশমিক ৫ থেকে বেড়ে আজ ৪০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়েছে, রংপুরে ৩৬ দশমিক ৭ থেকে বেড়ে ৩৬ দশমিক ৮ এবং খুলনায় ৩৯ দশমিক ৭ থেকে বেড়ে ৪১ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

    জানতে চাইলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বহির্বিভাগের মেডিসিন বিভাগের প্রধান আবাসিক চিকিৎসক (আরএস) শাইখ আব্দুল্লাহ বলেন, গত কয়েক দিন ধরে গরমে হাঁসফাঁস করছে সারা দেশের মানুষ। তীব্র আকার ধারণ করেছে তাপপ্রবাহ।

    এর আগে ২০১৪ সালে এপ্রিলে ঢাকায় তাপমাত্রার পারদ উঠেছিল ৪০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এদিকে ২০১৪ সালে যশোরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছিল ৪২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এরও আগে ঢাকায় ১৯৬৫ সালে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছিল ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।  আর ১৯৬০ সালে ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছিল ৪২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

    বেশ কয়েক দিন হলো সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অতিরিক্ত গরমে অসুস্থ হওয়া রোগী আসছে। ঢাকাসহ আশপাশের অনেকেই বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

    সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তাকে মৃদু তাপপ্রবাহ বলা হয়, ৩৮ ডিগ্রি হলে বলা হয় মাঝারি তাপপ্রবাহ আর ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে বলা হয় তীব্র তাপপ্রবাহ। সেই হিসাবে দেশের ৭ অঞ্চলের ওপর দিয়ে বইছে তীব্র তাপপ্রবাহ। আর ১৬ অঞ্চলের ওপর দিয়ে বইছে মাঝারি থেকে তীব্রতার কাছাকাছি তাপপ্রবাহ।

    তাদের অনেকে হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ, বমি, মাথাব্যথা, হিটস্ট্রোক, ডায়রিয়া, বমি, অ্যাজমা ও শ্বাসকষ্টের কথা বলছেন। অনেকে গলাব্যথা, কাশি, সর্দি ও ঘুমের সমস্যা বেড়ে যওয়ার কথা বলছেন।

    তাপ প্রবাহের বিষয়ে বলা হয়, ঢাকা, ফরিদপুর, মানিকগঞ্জ, পাবনা, বাগেরহাট, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলাসমূহের ওপর দিয়ে তীব্র তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং দেশের অন্যত্র মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

  • ডিজিটাল আইনের অপপ্রয়োগ বন্ধের চেষ্টা চলছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    ডিজিটাল আইনের অপপ্রয়োগ বন্ধের চেষ্টা চলছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপপ্রয়োগ বন্ধের চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

    রবিবার (১৬ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র সফর এবং সে দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এন্থনি ব্লিনকেনের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে (যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকে) একটা প্রশ্ন তোলা হয়েছে। আমরা বলেছি যে— আমরা মনে করি, এই আইনের প্রয়োগ কোনো কোনো ক্ষেত্রে ঠিকমতো হয়নি। সেগুলো আমরা বিচার করছি এবং যদি কোনো দুর্বলতা থাকে; তবে আমরা সেটি ঠিক করে ফেলব। তাদের দেশেও সাইবার স্পেসের আইন আছে। সব দেশেই এটি হতে পারে।’

    বাকস্বাধীনতা হরনের জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করা হয়নি বলে মন্তব্য করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের বাকস্বাধীনতা শেখানোর প্রয়োজন নাই…। দুটি কারণে এই আইন করা হয়েছে। একটি হচ্ছে ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্ঠি করে রায়ট যাতে না করতে পারে এবং আরেকটি হচ্ছে কোনো ব্যক্তিবিশেষকে কোনো কারণ ছাড়া মিথ্যা প্রচারণার মাধ্যমে অসম্মান যেন করা না হয়।’
  • প্রশিক্ষণ পাঠ্যক্রমকে সময়োপযোগী করে তোলার জন্য প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

    প্রশিক্ষণ পাঠ্যক্রমকে সময়োপযোগী করে তোলার জন্য প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তর করতে প্রশিক্ষিত জনসংখ্যার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতি বজায় রেখে প্রশিক্ষণ পাঠ্যক্রমকে যুগোপযোগী এবং সময়োপযোগী করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, ‘একটি জাতির উন্নয়নের জন্য শুধুমাত্র প্রশিক্ষণের প্রয়োজন। বিশ্ব পরিবর্তনশীল। এই সময়টি প্রযুক্তির যুগ। প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সাথে মোকাবিলা করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।’

    গণভবনে অনুষ্ঠিত জাতীয় প্রশিক্ষণ কাউন্সিলের (এনসিটি) অষ্টম সভায় আজ যোগ দিয়ে তিনি বলেন, তাঁর সরকার রূপকল্প ২০৪১-এর সাথে সঙ্গতি রেখে দেশকে একটি উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশে পরিণত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করছে।

    স্মার্ট বাংলাদেশ কী তা নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন ওঠে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ দিয়ে আমরা একটি স্মার্ট জনসংখ্যা গড়ে তুলব। আমাদের অর্থনীতি হবে প্রযুক্তিভিত্তিক স্মার্ট অর্থনীতি। এমনকি আমাদের স্বাস্থ্য ও কৃষিও হবে প্রযুক্তিনির্ভর এবং যান্ত্রিক। আমরা এই সব জিনিসে স্মার্ট হতে চাই।’

    তিনি বলেন, তাঁরা প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে সমাজ ও সরকারকে স্মার্ট হিসেবে গড়ে তুলতে চান।
    শেখ হাসিনা বলেন, এনসিটিকে প্রশিক্ষণ নীতিমালা প্রণয়নের পাশাপাশি পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন এবং সময় উপযোগী করে তোলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    তিনি বলেন, ‘আমাদের পর্যায়ক্রমে এগিয়ে যেতে হবে। আমরা সমগ্র জনসংখ্যাকে সম্পৃক্ত করে উন্নতি করতে চাই। কেউ পিছিয়ে থাকবে না এবং আমরা সবাইকে নিয়ে সমৃদ্ধির দিকে পা বাড়াব।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন বাংলাদেশ অদম্য গতিতে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের দিকে অগ্রসর হবে।

    তিনি বলেন, কোভিড-১৯ মহামারী এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ সত্ত্বেও বাংলাদেশের অগ্রগতি হয়েছে। আমরা দারিদ্র্যের হার ১৮.৭ শতাংশ এবং হার্ডকোর দারিদ্র্যের হার ৫.৬ শতাংশে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। ইনশাআল্লাহ, বাংলাদেশে কোনো চরম দারিদ্র্য থাকবে না।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকারের অক্লান্ত পরিশ্রমে বাংলাদেশ একটি মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে পৌঁছেছে কারণ, বিশ্ব বর্তমানে বাংলাদেশকে সম্মান দেখাচ্ছে। এটি আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় অর্জন।

    তিনি বলেন, তাঁর সরকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে দেশ পরিচালনা করায় বাংলাদেশ এত মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে পৌঁছেছে।

    শেখ হাসিনা বলেন, দারিদ্র্য ও ক্ষুধামুক্ত সোনার বাংলাদেশ গড়ার জাতির পিতার স্বপ্নের বাংলাদেশ অনেকটাই বাস্তবায়ন করেছে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, যখনই রাজনৈতিক নেতারা ক্ষমতায় ছিলেন বাংলাদেশ ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তির মতো প্রতিটি খাতে অলৌকিক উন্নয়ন প্রত্যক্ষ করেছে।

    তিনি বলেন, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও ব্যবস্থাপনা ছাড়া কোনো দেশই উন্নতি করতে পারে না।

    বাংলাদেশ কখনোই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সামরিক স্বৈরশাসনের অধীনে এমন অগ্রগতি প্রত্যক্ষ করেনি, তিনি বলেন, ‘দেশবাসীর এটা উপলব্ধি করা উচিত।’

    তিনি বলেন, ‘আমি দাবি করতে পারি যে ২০০৯-২০২৩ সাল পর্যন্ত অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে তা রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে হয়েছে।’

    সূত্র: বাসস

  • পর্যাপ্ত টাকা রাখতে হবে এটিএম বুথে

    পর্যাপ্ত টাকা রাখতে হবে এটিএম বুথে

    ঈদুল ফিতরের ছুটিতে গ্রাহকের সুবিদার্থে ব্যাংকের অটোমেটেড টেলার মেশিন (এটিএম) বুথে পর্যাপ্ত টাকা রাখার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পাশাপাশি পয়েন্ট অব সেল (পিওএস), অনলাইন-পেমেন্ট গেটওয়ে, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) সার্বক্ষণিক সচল থাকার বিষয়টিও নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

    একই সঙ্গে পয়েন্ট অব সেল (পিওএস), অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে এবং মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন লেনদেনের সুবিধা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অপর এক সার্কুলারে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়। সার্কুলারটি দেশের সব ব্যাংক, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডার বা পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার, পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটরের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। ওই বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।