Author: Hello Bangla News

  • করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ টাকা

    করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ টাকা

    আগামী অর্থবছরের বাজেটে ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা ৪ লাখ টাকা করার দাবি জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশন (এফবিসিসিআই)। এখন ব্যক্তি শ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা তিন লাখ। সেই সঙ্গে দেশের আবাসন খাতের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় পাঁচ থেকে ১০ বছরের জন্য বিনা প্রশ্নে ফ্ল্যাট কিনে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ বহাল রাখা দরকার বলেও মনে করে এফবিসিসিআই।

    বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পরামর্শক কমিটির ৪৩তম সভায়’ এ দাবি জানায় সংগঠনটি। এনবিআর ও এফবিসিআই যৌথভাবে এই সভার আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এফবিসিসিআই সভাপতি জসিম উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম।

    সংস্থাটির মতে, ফ্ল্যাট, প্লট, বাণিজ্যিক ভবন ও বিপণিবিতানে বিনিয়োগের জন্য বিনা প্রশ্নে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুবিধা বহাল রাখা প্রয়োজন। আগামী ১০ বছর পর্যন্ত এ সুবিধা রাখা হলে দেশে এজাতীয় সম্পদ ও প্রবৃদ্ধি বাড়বে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ‘জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পরামর্শক কমিটির ৪৩তম সভায়’ এ দাবি জানানো হয়।

    এফবিসিসিআইয়ের পক্ষে বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন সংগঠনটির সভাপতি। শিল্প পরিচালনার ব্যয় কমানোর জন্য আমদানি পর্যায়ে অগ্রিম আয়করের (এআইটি) হার ধাপে ধাপে কমিয়ে ৩ শতাংশ করার প্রস্তাব করেন তিনি। বর্তমানে অগ্রিম আয়করের হার ৫ শতাংশ। উল্লেখ্য যে, অগ্রিম আয়করের হার ৩০ জুন ২০১০ পর্যন্ত ৩ শতাংশ ছিল। তিনি বলেন, জীবনযাত্রার ব্যয়, মূল্যস্ফীতি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে ব্যক্তি করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা ৩ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা এবং নারী ও সিনিয়র নাগরিকদের জন্য সাড়ে ৩ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে সাড়ে ৪ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করছি।

    দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রদত্ত শুল্ক ও কর সুবিধার সমতায়ন এবং বর্তমানে বিশ্বব্যাপী অনুসৃত ‘আয় যেখানে কর সেখানে’ নীতিমালা গ্রহণ ও  সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি এবং ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধি করার জন্য সকল উপজেলা পর্যায়ে আয়কর দফতর স্থাপন করার প্রস্তাব তুলে ধরা হয়৷

    এদিকে আসন্ন বাজেটকে সামনে রেখে আরও বেশ কিছু সংস্কার প্রস্তাব তুলে ধরে সংগঠনটি। এফবিসিসিআইয়ের প্রস্তাবনাগুলো হলো- শুল্কায়ন, পণ্য খালাস এবং সকল প্রকার শুল্ক ও কর পরিশোধ ত্বরান্বিত করার জন্য অনলাইন প্রক্রিয়াসহ ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো (এনএসডব্লিউ) সংক্রান্ত কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়ন করা।

    উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি পর্যায়ে আরোপিত সকল শুল্ক ও কর এবং খালাস প্রক্রিয়া বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা, বিশ্ব কাস্টমস সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক উত্তম ব্যবস্থাবলীর সাথে সংগতিপূর্ণ করা।

    ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কার্যকর করে ফাঁকি দেওয়া কর আদায়ের জন্য প্রণোদনা হিসাবে নিয়মিত স্কেলের বেতন ভাতাদির অতিরিক্ত হিসেবে কর কর্মকর্তাকে পুরস্কার দেওয়ার বিধান বাতিল করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। এতে কর আদায়ে হয়রানি বন্ধ হবে বলে করছে এফবিসিসিআই।

    প্রস্তাবনায় আরও বলা হয়, রাজস্ব আহরণ এবং রাজস্ব পলিসি কার্যক্রম পৃথক করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন বিভাগ গঠন করার প্রস্তাব দেওয়া হয়।

    প্রস্তাবনায় বলা হয়, উৎপাদনশীল এবং রপ্তানিমুখী গ্রামীণ ও ক্ষুদ্র শিল্পসহ নারী উদ্যোক্তাদের সমন্বয়ে খাতভিত্তিক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে যৌথ ব্যবস্থাপনায় বন্ডেড ওয়্যার হাউজ এবং বিতরণ ব্যবস্থা স্থাপনের মাধ্যমে ই-কমার্সের সাথে প্রতিযোগিতা করতে সক্ষম করা। উৎপাদন এবং রপ্তানি বৃদ্ধির সুবিধার্থে সংশ্লিষ্ট সকল রপ্তানি এবং শিল্প খাতে করমুক্ত রেয়াতি হারে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ইত্যাদি সরবরাহের সংস্থান করা।

     

  • পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচল শুরু

    পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচল শুরু

    দীর্ঘ সাড়ে ৯ মাস পর দক্ষিণাঞ্চলবাসীর স্বপ্নের পদ্মা সেতু দিয়ে মোটরসাইকেল চলাচল শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৫টা ৫৫ মিনিটে পারাপার শুরু হয়। সেতুর বাম পাশে সার্ভিস লেন দিয়ে চলাচল করছেন মোটরসাইকেলচালকরা। আজ সকাল ৬টা থেকে মোটরসাইকেল চলাচল শুরু হয়। পদ্মা সেতু উত্তর থানা মোড় থেকে সারিবদ্ধভাবে টোলপ্লাজায় পৌঁছে নির্ধারিত টোল দিয়ে সেতুতে উঠছেন মোটরসাইকেল আরোহীরা। ডেডিকেটেড লেনসহ মাওয়া টোলপ্লাজার ২টি বুথ দিয়ে আদায় করা হচ্ছে টোল।

    আজ সকালে সরেজমিন দেখা যায়, পদ্মা উত্তর থানা থেকে মাওয়া টোল প্লাজা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চালকদের উপচেপড়া ভিড়। মাওয়া টোল প্লাজা থেকে অভিমুখের সড়কজুড়ে রয়েছে হাজারো মোটরসাইকেল। গভীর রাত থেকে সেতুতে পারাপারের জন্য মোটরসাইকেল নিয়ে টোলপ্লাজার অভিমুখের সড়কে অবস্থান নেয় তারা।

    জানা গেছে, পদ্মা সেতুর টোল প্লাজার আগে সেতু উত্তর থানার পূর্ব পাশ দিয়ে কয়েকশ মোটরসাইকেল আরোহী লাইনে অপেক্ষা করছেন। পদ্মা সেতু দিয়ে পারাপার হতে অনেকে বুধবার রাত ১১টা থেকে অপেক্ষা করছিলেন বলে জানিয়েছেন কয়েক মোটরসাইকেলচালক। আবার অনেকে সেহরি খেয়ে রওনা দেন।

    এদিকে প্রতি মিনিটে ৪টি মোটরসাইকেল পারাপারের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও গড়ে ৮ থেকে ১০টি মোটরসাইকেল টোল প্লাজা পার হতে পারছে।সর্বশেষ আড়াই ঘণ্টায় প্রায় তিন হাজার মোটরসাইকেল আরোহী মাওয়া টোল প্লাজা অতিক্রম করে।
    তবে ছয়টি শর্ত মেনে মোটরসাইকেলচালকরা পদ্মা সেতু পার হচ্ছেন। সেতু কর্তৃপক্ষ মাইকিং করে সবাইকে ১০০ টাকার নোট হাতে রাখতে বলছেন।

    দীর্ঘদিন পর সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচল শুরু হওয়ায় উচ্ছ্বাসিত তারা। এসময় একে অন্যকে নিয়ম মানার বিষয়ে উৎসাহ দেওয়ার চিত্র দেখা যায়। এছাড়াও পদ্মা বহুমুখী সেতুর কর্মীরা সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচলে ছয়টি শর্ত সম্বলিত লিফলেট বিতরণ করছেন বাইকারদের কাছে। এদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় টোলপ্লাজায় পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেটসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে। এখন পর্যন্ত কোনো বিশৃঙ্খলার চিত্র দেখা যায়নি।

  • সাবেক সভাপতি জাফর আহমেদের মৃত্যুতে তথ্যমন্ত্রীর শোক

    সাবেক সভাপতি জাফর আহমেদের মৃত্যুতে তথ্যমন্ত্রীর শোক

    চট্টগ্রাম নগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও চট্টগ্রাম কলেজের সাবেক ভিপি জাফর আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দু:খ প্রকাশ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

    আজ ভোরে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৬৫ বছর বয়সে তার ইন্তেকালের সংবাদে শোকাহত মন্ত্রী প্রয়াত জাফর আহমেদের আত্মার শান্তি কামনা করেন ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

    চট্টগ্রাম-৭ আসনের সংসদ সদস্য তথ্যমন্ত্রী হাছান তার শোকবার্তায় বলেন, ‘চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার উত্তর এওচিয়া খান বাড়ির মরহুম হাজী ছৈয়দ নূরের পুত্র জাফর আহমেদ তার জীবদ্দশায়  চট্টগ্রাম কলেজের ভিপি, নগর ছাত্রলীগের সভাপতি এবং পলোগ্রাউন্ড বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতিসহ বিভিন্ন সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। আমরা সবাই তার আত্মার শান্তির জন্য প্রার্থনা করি।’

  • প্রধানমন্ত্রীর উপহার ২শ’টি মডেল মসজিদে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে

    প্রধানমন্ত্রীর উপহার ২শ’টি মডেল মসজিদে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার ২শ’টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে এ বছর পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।

    দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে সারাদেশে নির্মাণাধীন ৫৬৪টি মডেল মসজিদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে ৪ দফায় ২শ’টি মডেল মসজিদ উদ্বোধন করেছেন। মডেল মসজিদসমূহে এবার পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজের জামায়াত আয়োজন করা হবে বলে ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

    উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৪ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে মডেল মসজিদ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই অনুযায়ী ৯ হাজার ৪৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৫৬৪টি মসজিদের মধ্যে চার দফায় ২শ’টির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। অবশিষ্ট মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের নির্মাণ কাজও দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। (বাসস)

  • ছাদ বাগান ও নগর সবুজায়ন

    ছাদ বাগান ও নগর সবুজায়ন

    নগর সবুজায়ন সাধারণত নগর স্থাপনায় গাছপালা, ফল এবং শাকসব্জির বাগানের ক্রমবর্ধমান অনুশীলনকে বোঝায়। সাধারণত ছোট জায়গা যেমন বারান্দা, ছাদ বা একটু প্রশস্ত জায়গায় বাগান বা কৃষি করার মাধ্যমে নগরকে সবুজায়ন করার বিষয়টি সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কারণ লোকেরা তাদের নিজস্ব তাজা শাক-সবজী ও ফলমূল উত্পাদন বৃদ্ধি করতে, স্থায়ীকরণ ও প্রচারের মাধ্যমে শহুরে পরিবেশের সাথে প্রকৃতির পুণঃমিলনীর চেষ্টা করে যাচ্ছে।

    নগর সবুজায়ন আমাদের নাগরিক জীবনে বেশকিছু সুবিধা দিতে পারে-

    তাজা ফসল উৎপাদন: ছাদ বাগানের মাধ্যমে লোকেরা তাদের নিজ বাগানের ফল, শাকসবজি এবং ভেষজ উদ্ভিদ উৎপাদন করছে। এসব বাজারের কেনা সবজী বা ফলমূলের চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদ কারন রাসায়নিক সার ব্যবহার করা হয়না। তাছাড়াও এসব ফল বা সবজী হয় সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর।

    যান্ত্রিক জীবনে নির্মল প্রকৃতি: ছাদ বাগান বা নগর সবুজায়ন প্রকল্পগুলো তাজা খাদ্য উৎপাদনের পাশাপাশি,  কার্বন ডাই অক্সাইড হ্রাস করতে সহায়তা করতে পারে। শহুরে পরিবেশে মাটির স্বাস্থ্য এবং জীববৈচিত্র্যকে উন্নত করতে পারে নগর জীবনকে কিছুটা নির্মলতা ফিরিয়ে আনে।

    শহরে ছাদ বাগান: বাংলাদেশ এগ্রিকালচার ইনফরমেশন সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা শহরে প্রায় সাড়ে চার লাখ ছাদ রয়েছে। যার আয়তন ৪,৫০০ হেক্টরের বেশি। বেশির ভাগ ছাদ খালি ছিল, কিন্তু আজকাল বাড়ির মালিকরা তাদের অবসর সময় কাটাতে এবং তাদের ছাদ সবুজ করার জন্য ছাদ বাগান তৈরি করছেন। বর্তমানে,রাজধানীতে প্রায় ৩০,০০০ ছাদ বাগান রয়েছে – যা মোট ছাদের ৭% জুড়ে।

    শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, ঢাকার ছাদ বাগানের মালিকদের প্রায় ৪১% তরুণ, ৩০% মধ্যবয়সী এবং ২৯% বয়স্ক।

    মানসিক স্বাস্থ্য উপকারিতা: বাগান করা মানসিক স্বাস্থ্যের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে থাকে, মানসিক চাপ হ্রাস এবং শিথিলকরণ করে।

    প্রকৃতির সাথে একাত্মতা: ছাদ বাগান করার মাধ্যমে উদ্ভিদবিজ্ঞান, বাস্তুশাস্ত্র এবং টেকসই প্রাকৃতিক পরিবেশ সৃষ্টি ও রক্ষা সম্পর্কে শেখার সুযোগগুলি ঘটে থাকে।

    নগরে উষ্ণতা কমাতেঃ  দিন্ দিন বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশেও এর বাইরে নয়। ঢাকার নগর জীবনে কিছুটা স্বস্তি নিয়ে আসতে পারে ছাদ বাগান। নগরের তাপমাত্রা কমিয়ে আনতে অনেক দেশেই বাড়ির ছাদ, বারান্দা, গ্যারেজ, ফুটপাত, পার্ক, সরকারি খাস ভূমি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রতিটি পর্যায়ে কৃষি উৎপাদন বিশেষ করে উদ্যান ফসল ও বাহারি ফুলের গাছের সমন্বয়ে তৈরি করা হচ্ছে সবুজ নগরায়ন। শুধু প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ নয় বরং একান্ত ব্যক্তিগত উদ্যোগেই এদেশে ছাদ বাগানের সূচনা ঘটেছে এবং ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

    ছাদ কৃষি ও নগর সবুজায়নে সাথে আপনাকে সূর্যের আলো এবং উপযুক্ত স্থান, মাটির গুণমান এবং গাছের জন্য পানির ব্যবস্থাপনার মতো কারণগুলি বিবেচনা করতে হবে। বাগান ক্লাস, ওয়ার্কশপ এবং এলাকায় সবুজায়নের প্রোগ্রামগুলো বাস্তবিক প্রক্রিয়ায় করা যেতে পারে। এমনকি, অনলাইনে বিভিন্ন গাছপ্রেমী গ্রুপগুলোর সাথে এলাকাভিত্তিক গাছ লাগানোর প্রকল্প নিয়ে কর্মসূচি পালন করা যেতে পারে।

  • সব গুলো দল নতুন নেতৃত্বে খেলবে বিশ্বকাপে

    সব গুলো দল নতুন নেতৃত্বে খেলবে বিশ্বকাপে

    ভারতে হতে যাচ্ছে আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপের ১৩তম আসর। গতবারের মতো এবারও বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলবে ১০ দল। এরই মধ্যে সাতটি দল চূড়ান্ত হয়ে গেছে। তবে সবকটি দলেরই অধিনায়ক নতুন।

    এ বছরের শেষ দিকে ভারতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ওয়ানডে বিশ্বকাপ। অংশ নিচ্ছে দশটি দেশ। তবে গত বিশ্বকাপে অংশ নেয়া অধিনায়কদের কেউই থাকছেন না এই আসরে। ২০১৯ বিশ্বকাপে এমন কেউ না কেউ ছিলেন, যারা আগের আসরেও অধিনায়ক ছিলেন।

    ২০১৯ আসরে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা, ২০১৫ আসরেও দায়িত্বে ছিলেন ম্যাশ। ২০২০ সালে অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেয়া মাশরাফি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নেই তিন বছর। বাংলাদেশ দলকে এখন নেতৃত্ব দিচ্ছেন তামিম ইকবাল।

    চার বছর আগে বিশ্বকাপের আগমুহূর্তে নাটকীয়ভাবে আফগানিস্তানের অধিনায়কত্ব পেয়েছিলেন গুলবাদিন নাইব। এবারের দায়িত্বে হাশমতুল্লাহ শহিদি।

    গত আসরে অস্ট্রেলিয়াকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন অ্যারন ফিঞ্চ। তিনি এখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরে। দায়িত্বে প্যাট কামিন্স। অবসর নিয়েছেন ইংল্যান্ডের বিশ্বকাজয়ী অধিনায়ক এউইন মরগানও। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের অধিনায়ক এখন জস বাটলার।

    ২০১৯ বিশ্বকাপে ভারতের দলপতি বিরাট কোহলি এখনও খেলে যাচ্ছেন। তবে, ব্যাটিংয়ে মনোযোগ দিতে নেতৃত্ব ছেড়েছেন কোহলি। বর্তমানে ভারতের অধিনায়ক রোহিত শর্মা।

    পাকিস্তান দলের নেতৃত্বে এখন বাবর আজম। গত আসরে নেতৃত্ব দেয়া সরফরাজ এই মুহূর্তে দলে থিতু নন। চূড়ান্ত পর্ব প্রায় নিশ্চিত করে ফেলা দক্ষিণ আফ্রিকা দলে ফাফ ডু প্লেসিও জায়গা পাচ্ছেন না। নেতৃত্বে টেম্বা বাভুমা।

    গত আসরে খেলা শ্রীলঙ্কা আর ওয়েস্ট ইন্ডিজ এখনও চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করতে পারেনি। জুনে জিম্বাবুয়ে বাছাইপর্বে অংশ নেবে তারা। বাছাইপর্বে ভালোভাবে পার হলে নতুন অধিনায়ক থাকবে এ দুই দলেরও।

    নানা ঘটনা, দুর্ঘটনায় একজন একজন করে নয়জনই কাটা পড়েছে আগের বিশ্বকাপ থেকে। সম্ভাবনা ছিল শুধু কেইন উইলিয়ামসনের। তবে, পায়ের চোটে কয়েক মাসের জন্য মাঠের বাইরে ছিটকে গেলেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়কও।

     

  • ঈদের ছুটিতে পুঁজিবাজার সব ধরনের সূচকের উত্থানে লেনদেন শেষ হয়েছে

    ঈদের ছুটিতে পুঁজিবাজার সব ধরনের সূচকের উত্থানে লেনদেন শেষ হয়েছে

    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এর বাজার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, মঙ্গলবার ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স অবস্থান করছে ৬ হাজার ২২৮ দশমিক ৬৫ পয়েন্টে, যা গত কার্যদিবসের তুলনায় বেড়েছে ৫ দশমিক ৫৯ পয়েন্ট। এ ছাড়া ডিএসইএস সূচক শূন্য দশমিক ৮১ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১ হাজার ৩৪৯ দশমিক ৪০ পয়েন্টে। আর ডিএসই-৩০ সূচক অবস্থান করছে ২ হাজার ২০২ দশমিক ৮৪ পয়েন্টে। এটি গত কার্যদিবসের তুলনায় বেড়েছে শূন্য দশমিক ৭৮ পয়েন্ট।

    মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) পুঁজিবাজারে সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস শেষে এ তথ্য জানা যায়।

    ঈদের ছুটির আগে শেষ কর্মদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মঙ্গলবার সব ধরনের সূচকের উত্থানে লেনদেন শেষ হয়েছে। সূচক উত্থানের একই অবস্থা অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই)। পাশাপাশি উভয় পুঁজিবাজারেই বেড়েছে লেনদেন।

    ডিএসইর বাজার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, মঙ্গলবার ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স অবস্থান করছে ৬ হাজার ২২৮ দশমিক ৬৫ পয়েন্টে, যা গত কার্যদিবসের তুলনায় বেড়েছে ৫ দশমিক ৫৯ পয়েন্ট। এ ছাড়া ডিএসইএস সূচক শূন্য দশমিক ৮১ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১ হাজার ৩৪৯ দশমিক ৪০ পয়েন্টে। আর ডিএসই-৩০ সূচক অবস্থান করছে ২ হাজার ২০২ দশমিক ৮৪ পয়েন্টে। এটি গত কার্যদিবসের তুলনায় বেড়েছে শূন্য দশমিক ৭৮ পয়েন্ট।

    এ ছাড়া মঙ্গলবার ডিএসইতে ৩১১টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৭২টি কোম্পানির, কমেছে ৪৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৯৫টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

    ডিএসইতে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণও। এদিন লেনদেন হয়েছে ৫৫৮ কোটি ৫৪ লাখ টাকার শেয়ার, যা আগের কার্যদিবস থেকে ১১৫ কোটি ৪ লাখ টাকা বেশি। গত কার্যদিবসে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ৪৪৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকার শেয়ার।

    লেনদেনের শীর্ষে ছিল ইউনিক হোটেল। এ ছাড়া জেমিনি সি ফুড, এপেক্স ফুটওয়্যার, ইস্টার্ন হাউজিং, জেনেক্স ইনফোসিস, আমরা নেটওয়ার্কস, সি পার্ল, নাভানা ফার্মা, ওরিয়ন ইনফিউশন ও বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন ছিল শীর্ষ ১০টি প্রতিষ্ঠানের তালিকায়।

    দেশের অপর পুঁজিবাজার সিএসইতেও এদিন বেড়েছে সূচকের পরিমাণ। মঙ্গলবার সিএসইতে সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১২ দশমিক ৮৯ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৩৫৩ দশমিক ৭০ পয়েন্টে। এ ছাড়া সিএসই-৩০ সূচক ৪ দশমিক ৫১ পয়েন্ট ও সিএসসিএক্স সূচক ৬ দশমিক ৮৯ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১৩ হাজার ৪০২ দশমিক ৮৬ পয়েন্টে ও ১০ হাজার ৯৯৯ দশমিক ৮৯ পয়েন্টে।

    সিএসআই সূচক শূন্য দশমিক ৩৬ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৫১ দশমিক ৬৯ পয়েন্টে। বেড়েছে সিএসই-৫০ সূচকও। সূচকটি শূন্য দশমিক ৫৩ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩১৪ দশমিক ০৯ পয়েন্টে।

    সিএসইতে এদিন বেড়েছে লেনদেনও। মঙ্গলবার লেনদেন হয়েছে ৫ কোটি ৭১ লাখ টাকা শেয়ার। গত কার্যদিবসে ৪ কোটি ৬৪ লাখ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। লেনদেন কমেছে ১ কোটি ৭ লাখ টাকা।

    সিএসইতে ১১৮টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৩৬টির, কমেছে ২৬টি ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৬টির কোম্পানির শেয়ার দর।

  • বেইজিংয়ে হাসপাতালে আগুনে ২৯ জনের মৃত্যু

    বেইজিংয়ে হাসপাতালে আগুনে ২৯ জনের মৃত্যু

    চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) একটি হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন।  কিন্তু এ ঘটনার বিষয়ে খুব বেশি তথ্য জানায়নি কর্তৃপক্ষ।  এমনকি আগুন লাগার পরে আট ঘণ্টা পর্যন্ত বিষয়টি পুরোপুরি গোপন রাখা হয় রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমগুলোতে।

    প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, সংস্কার চলাকালে দাহ্য রঙের সামগ্রীতে আগুন লেগে এই ঘটনা ঘটেছে। বেইজিংয়ের চ্যাংফেং হাসপাতালে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দুপুর ১টার ঠিক আগে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রায় আধঘণ্টা চেষ্টা করে আগুন নেভানো হয়। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

    এই ঘটনায় যাদের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে তিনজন ছাড়া সবাই রোগী। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিসিটিভি জানিয়েছে, ‘হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ সংস্কার ও নির্মাণের সময় স্ফুলিঙ্গের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়। স্ফুলিঙ্গ সেখানে থাকা দাহ্য রঙের মধ্যে থাকা উদ্বায়ী পদার্থের সংস্পর্শে এসে আগুন জ্বলে ওঠে।’ আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গেই সাততলা ভবন থেকে কয়েক ডজন মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ৩৯ আহতের মধ্যে ২১ জনের আবস্থা গুরুতর বলে জানান কর্মকর্তারা।

    লি নামে একজন বয়স্ক বাসিন্দা সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘আমি প্রচুর ধোঁয়া ছিল দেখতে পাচ্ছিলাম।’

    শহরের শীর্ষ কর্মকর্তারা আগুন লাগার পরেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ ছাড়া এই দুর্ঘটনার কারণ দ্রুত শনাক্ত এবং সংশ্লিষ্ট দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহি করার কথা বলেন। বুধবার বেইজিংয়ের পাবলিক সিকিউরিটি ব্যুরোর একজন মুখপাত্র ঘোষণা করেছেন, এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ১২ জনকে আটক করা হয়েছে এবং হাসপাতাল সংস্কারকারী সংস্থার প্রতিনিধিদেরও আটক করা হয়েছে। আগুনে ২৯ জনের মৃত্যুর পর পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

    সূত্র : আলজাজিরা

  • আগুন লাগানোর অভ্যাস বিএনপিরই রয়েছে: কাদের

    আগুন লাগানোর অভ্যাস বিএনপিরই রয়েছে: কাদের

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, আগুন লাগানোর অভ্যাস বিএনপিরই রয়েছে। এখন দেশের মার্কেটগুলোতে অগ্নিকাণ্ডের মাধ্যমে অর্থনীতিতে ধ্বস নামানোর ষড়যন্ত্র হচ্ছে।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, আজকে বিএনপির গায়ে জ্বালা, এই সংকটেও বাংলাদেশ কেন ভালো আছে? সরকার হটানোর যে আগুন নিয়ে খেলছে, সে আগুনই পুড়িয়ে মারবে বিএনপিকে।

    মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় রাজধানীর ২৩, বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত ঈদ উপহার বিতরণী অনুষ্ঠানে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

    আওয়ামী লীগ জনগণের রাজনীতি করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কাছে ক্ষমতা হলো বিপদে মানুষের পাশে থাকা। বিএনপি ক্ষমতা ও পকেটের রাজনীতি করে। বিএনপি কাছে ক্ষমতা হলো ভোট চুরি করা। আওয়ামী লীগ ষড়যন্ত্র করে না, ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছে বারবার। আওয়ামী লীগ জনগণের উন্নয়ন করে, বিএনপি করে পকেটের উন্নয়ন।’

    তিনি বলেন, লজ্জা-শরম থাকলে বিএনপি অগ্নিকাণ্ডের দোষ আওয়ামী লীগের উপর চাপাতো না।

    আওয়ামী লীগ জনগণের রাজনীতি করে মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, বিএনপি ক্ষমতা ও পকেটের রাজনীতি করে। আওয়ামী লীগের কাছে ক্ষমতা হলো বিপদে মানুষের পাশে থাকা আর বিএনপি কাছে ক্ষমতা হলো ভোট চুরি।

    প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আওয়ামী লীগ ইফতার মাহফিলের আয়োজন না করে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, বিএনপি বিত্তবানদের নিয়ে ফাইভ স্টার হোটেলে ইফতার করছে। আর আওয়ামী লীগ সাধারণ মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করছে।

    বাংলাদেশ ভালো আছে বলে বিএনপির গায়ে এত জ্বালা ধরছে কেন, প্রশ্ন রাখেন ওবায়দুল কাদের।

  • ঈদের ছুটিতে বাড়ি যাওয়ার পূর্বে যা করতে বললেন আইজিপি

    ঈদের ছুটিতে বাড়ি যাওয়ার পূর্বে যা করতে বললেন আইজিপি

    ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার আগে মূল্যবান স্বর্ণালংকার ও টাকা-পয়সা আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে রেখে যেতে নগরবাসীর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।

    বুধবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে ঘরে ফেরা মানুষের ঈদযাত্রা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ অনুরোধ জানান।

    ঈদুল ফিতরের ছুটি শুরু হয়েছে আজ বুধবার। অনেকেই দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে রাজধানীতে থাকেন কাজের প্রয়োজনে। ঈদের ছুটিতে তারা গ্রামের বাড়িতে যান। তবে ঢাকা ছেড়ে বাড়িতে যাওয়ার আগে তাদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে বলেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন।

    বুধবার দুপুর ১টার দিকে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ঢাকায় বাসা ছেড়ে যাওয়ার আগে সবাই যেন তাদের নগদ অর্থ, গহনা ও অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র সঙ্গে নিয়ে যান অথবা আত্মীয়দের কাছে রেখে যান।

    তিনি বলেন, ঈদের ছুটিতে লোকজন গ্রামে চলে গেলে ঢাকা ফাঁকা হয়ে যাবে। এ সময় ফাঁকা বাসায় নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার রেখে যান অনেকে, কিন্তু সেটি না করে মূল্যবান জিনিসপত্র ও নগদ অর্থ নিকট আত্নীয়ের বাসায় অথবা সম্ভব হলে সঙ্গে নিয়ে যাওয়া ভালো।

    তিনি আরও বলেন, ঈদে বিপুল সংখ্যক মানুষ গ্রামে চলে গেলে রাজধানীর অনেক এলাকায় চুরি হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। এ ব্যাপারে লোকজনকে সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

    বাড়ি যাওয়ার পথে অপরিচিত যাত্রী বা সহযাত্রীর দেওয়া খাবার না খাওয়ারও পরামর্শ দেন তিনি।