Author: Hello Bangla News

  • সমৃদ্ধির জন্য শেখ হাসিনার নেতৃত্ব প্রয়োজন : আইএমএফ প্রধান

    সমৃদ্ধির জন্য শেখ হাসিনার নেতৃত্ব প্রয়োজন : আইএমএফ প্রধান

    বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়নের ভূয়োসী প্রশংসা করে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা বলেছেন, সকল বাধা-বিপত্তি মোকাবিলা করে দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতো নেতৃত্ব প্রয়োজন।

    তিনি শনিবার ওয়াশিংটনের রিজ-কার্লটন হোটেলে বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতকালে একথা বলেন।

    ক্রিস্টালিনা বলেন, ‘বাংলাদেশ বিশ্বে একটি রোল মডেল। শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে দেশটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে অভূতপূর্ণ উন্নয়ন অর্জন করেছে।’

    এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন সাংবাদিকদের জানান, আইএমএফ প্রধান বৈঠকে একটি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।

    মূলত সোমবার বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে বাংলাদেশের অংশীদারিত্বের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শেখ হাসিনা বর্তমানে এক সরকারি সফরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, আইএমএফ প্রধান বলেছেন, শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্ব কোভিড-১৯ এর পরও বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্থিতিশীল রেখেছে।

    জর্জিয়েভা আরো বলেন,  সকল বাধা-বিপত্তি মোকাবিলা করে দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর মতো নেতৃত্ব জরুরি।

    তিনি বাংলাদেশে কোভিড-১৯ মহামারিকালেও সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখায় প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করেন।

    তিনি বলেন, ব্যাপক অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সুসংযোগ স্থাপন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।

    এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তাঁর দেশের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে তাঁর সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে আইএমএফ প্রধানকে অবহিত করেন।

    তিনি আরো বলেন, দেশের উন্নয়ন একদিনে হয়নি। এটা দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার ফসল। ব্রিফিংকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার, অর্থনীতি বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন ও অর্থনীতি বিষয়ক বিভাগের সচিব শরীফা খান উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র : বাসস

  • কিংবদন্তী চার্লি চ্যাপলিনের ১৩৪ তম জন্মবার্ষিকী এবং জীবন বদলানো তাঁর সেরা কিছু উক্তি

    কিংবদন্তী চার্লি চ্যাপলিনের ১৩৪ তম জন্মবার্ষিকী এবং জীবন বদলানো তাঁর সেরা কিছু উক্তি

    ১৬ এপ্রিল ২০২৩, সাম্প্রতিক মহান কৌতুক অভিনেতা চার্লি চ্যাপলিনের ১৩৪ তম জন্মবার্ষিকী পালিত হলো। সিনেমার ইতিহাসের সবচেয়ে প্রিয় এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের একজন চার্লি চ্যাপলিন। ১৮৮৯ সালে লন্ডনে জন্মগ্রহণ করেন। চ্যাপলিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগে ব্রিটিশ মিউজিক হলগুলিতে একজন শিশু অভিনয়শিল্পী হিসাবে তার কর্মজীবন শুরু করেছিলেন মাত্র ৫ বছর বয়সে। ১৯১৩ সালে, তার কেরিয়ার চলাকালীন, তিনি নির্বাক চলচ্চিত্র যুগের সবচেয়ে স্বীকৃত এবং আইকনিক তারকাদের একজন হয়ে ওঠেন। তার মুভিতে স্মরণীয় চরিত্র, ট্র্যাম্পের জন্য ধন্যবাদ।

    কিন্তু চ্যাপলিন শুধুমাত্র একজন কৌতুক অভিনেতাই ছিলেন না। তিনি একজন যুগান্তকারী পরিচালক, চিত্রনাট্যকার এবং সুরকার ছিলেন। যিনি হলিউড এবং জনপ্রিয় সংস্কৃতিতে একটি অমোঘ চিহ্ন রেখে গেছেন৷

    চার্লি চ্যাপলিন তাঁর অসাধারণ মেধা এবং মনন দিয়ে কাজ করে গেছেন। অভিনয়ের মাধ্যমে হাসিয়েছেন মানুষকে। তাঁর অনবদ্য অভিনয় এবং সৃষ্টিগুলো আজও মানুষকে হাসিয়ে যাচ্ছে, অনুপ্রেরণা দিয়ে যাচ্ছে। তিনি তাঁর জীবনবোধ থেকে অসাধারণ সব উক্তি ও বাণী দিয়ে গেছেন। এসব উক্তি আপনার জীবনের জন্যও মূল্যবান স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম। আসুন জেনে নেই চ্যাপলিনের কিছু উল্ল্যেখযোগ্য বাণী-

    কিংবদন্তী চার্লি চ্যাপলিনের

    • এই বিশ্বে স্থায়ী কিছুই না, এমনকি আমাদের সমস্যাগুলোও না।
    • মন খুলে হাসতে হলে নিজের যন্ত্রনাগুলোর সাথে খেলতে শেখো।
    • একটি সৃষ্টিশীল কাজের ভেতরে সত্যটা যত বেশী গভীর হবে, সেটা তত বেশী সময় টিকে থাকবে।
    • আমার সব থেকে ভালো বন্ধু হল আয়না, কারণ আমি আমি যখন কাঁদি তখন সে হাসে না।
    • আমার দুঃখ কষ্টগুলো কারো কারো হাসির কারণ হয়ে থাকতে পারে কিন্তু আমার হাসিগুলি যেন কখনই কারো দুঃখের কারণ হয়ে না দাঁড়ায়।
    • আমি বৃষ্টিতে হাঁটি যাতে কেউ আমার অশ্রু দেখতে না পারে।
    • হাসি হল ঔষধ, যেটা দুঃখ থেকে মুক্তি দেয়।
    • ক্লোজ – আপে জীবন হচ্ছে ট্রাজেডি , কিন্তু লং শটে সেটা কমেডি।
    • আমরা চিন্তা করি বেশি, কাজ করি কম।
    • আমি সবকিছুতেই অসঙ্গতি চেয়েছিলাম: ব্যাগি প্যান্ট, আঁটসাঁট কোট, ছোট মাথার টুপি এবং বড় জুতা… আমি একটি ছোট গোঁফও ব্যবহার করি, যার ফলে আমাকে বয়স্ক দেখাবে কিন্তু আমার অভিব্যক্তিও লুক্কায়িত থাকবে না। আমার এই চরিত্র সম্পর্কে কোন ধারণা ছিল না। কিন্তু যখন আমি পোশাক পরিধান করি, সেই পোশাক ও মেকআপ আমাকে সেই ব্যক্তিত্বকে অনুভব করতে সাহায্য করে। আমি তাকে চিনতে শুরু করি এবং যে সময়ে আমি ক্যামেরার সামনে দাড়াই, ততক্ষণে সেই চরিত্রের জন্ম হয়।

    তথ্য সূত্রঃ উইকি ওয়ান্ড, চার্লি চ্যাপলিনের-মাই অটোবায়োগ্রাফী

  • তাইজুল-নাসুমকে নিয়ে ‘পরীক্ষা-নিরীক্ষা’ চলবে বিশ্বকাপের আগ পর্যন্ত

    তাইজুল-নাসুমকে নিয়ে ‘পরীক্ষা-নিরীক্ষা’ চলবে বিশ্বকাপের আগ পর্যন্ত

    আয়ারল্যান্ড সিরিজকে সামনে রেখে টাইগারদের তিন দিনের অনুশীলন ক্যাম্প আজ শেষ হয়েছে। তাইজুল ইসলাম আর নাসুম আহমেদ, জাতীয় দলে দুজনেরই ভূমিকা প্রায় একই। দুই বাঁহাতি অফস্পিনারই নিজেদের দিনে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারেন প্রতিপক্ষের জন্য। আবার ব্যাট হাতেও দুজনের মধ্যে যে খুব একটা পার্থক্য আছে এমনটা নয়।

    অনুশীলন শেষে নানা ইস্যুতে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন প্রধান কোচ হাথুরুসিংহে। এই সময় নির্দিষ্ট কিছু ক্রিকেটারদের নিয়েও কথা বলতে দেখা যায় তাকে।

    সর্বশেষ ইংল্যান্ড সিরিজের ওয়ানডে দলে ডাক পেয়েছিলেন তাইজুল ইসলাম। তাইজুল সুযোগ পাওয়ায় স্বাভবিকভাবে ছিটকে যেতে হয়েছে নাসুমকে। সিরিজে মোটামুটি পারফর্ম করলেও কোনো কারণ ছাড়াই পরের সিরিজে বাদ দেয়া হয় তাইজুলকে। আয়ারল্যান্ড সিরিজে দলে ডাক পান নাসুম।

    আয়ারল্যান্ড সিরিজে বেশ ধারাবাহিক পারফরম্যান্স করেছেন নাসুম। তবুও হুট করেই আবার অ্যাওয়ে সিরিজের দল থেকে বাদ দেয়া হয় তাকে। ঘোষিত টাইগার স্কোয়াডে আবারও ফেরানো হয়েছে বাঁ-হাতি স্পিনার তাইজুলকে।

    তাইজুল-নাসুমের ব্যাপারে বারবারই ঘটছে একই ঘটনা। তবে বিশ্বকাপের আগে মোটামুটি পাকাপোক্ত দল তো লাগবেই। সেই দলটাকে আবার প্রস্তুতও করতে হবে। তাহলে দুজন অভিজ্ঞ খেলোয়াড়কে বারবার কেন পাল্টাপাল্টি করে দেখা হচ্ছে এমন প্রশ্ন আসে কোচ হাথুরুসিংহের সামনে। হাথুরুসিংহের স্পষ্ট জবাব, পরীক্ষা চলবে বিশ্বকাপের আগ পর্যন্ত।

    বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে সাকিব আল হাসানের পর বাঁহাতি স্পিনার কে নিয়মিত খেলবেন তা নিয়ে সঠিক উত্তর কেউই দিতে পারবেন না। তার কারণ হলো তাইজুল ইসলাম ও নাসুম আহমেদ দুইজনই সমান তালে পারফর্ম করে যাচ্ছেন। এক সিরিজ একজন খেলছেন তো পরের সিরিজে আরেকজন।

    শনিবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুশীলন ক্যাম্পের শেষ দিনে গণমাধ্যমের সামনে আসেন বাংলাদেশের কোচ। এই নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে দেন তাদের ব্যাখ্যা, ‘আমরা আলোচনা করেছি, আমি স্কোয়াড বড় করতে চাই। সবাইকে অনেক অভিজ্ঞতা দিতে চাই। বিশ্বকাপের আগে অবধি এমন চলতেই থাকবে।’

    পারফর্ম করেও একজন খেলোয়াড়ের এমন আসা-যাওয়ার মধ্যে থাকা পারফরম্যান্সে কোন প্রভাব ফেলবে না বলে মত চন্ডিকার, ‘করবে না। কারণ তাদের সঙ্গে যথেষ্ট কথা হয়েছে। ব্যাখ্যা করেছি কেন তারা আছে, কেন নেই। আশা করি প্রভাব ফেলবে না। যদি ফেলে, তাহলে এটা চাপের মধ্যে তাদের পারফর্ম্যান্সেও ইফেক্ট করবে। ওই ধরনের খেলোয়াড় আমরা দলে চাই না।’

  • যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার ঘোষণা মারাত্মক বিপদের ঝুঁকি তৈরি করবে : কিম ইয়ো জং

    যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার ঘোষণা মারাত্মক বিপদের ঝুঁকি তৈরি করবে : কিম ইয়ো জং

    উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উনের প্রভাবশালী বোন কিম ইয়ো জং সতর্ক করে বলেছেন, পিয়ংইয়ংয়ের বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিরোধের লক্ষে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার নতুন সমঝোতা কেবলমাত্র মারাত্মক বিপদের ঝুঁকিই তৈরি করবে।

    দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে শনিবার এ কথা বলা হয়েছে। ওয়াশিংটনে বুধবার যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের সাক্ষাতকালে উভয়ে উত্তর কোরিয়ার পরমাণু তৎপরতা প্রতিরোধের বিষয়ে অঙ্গীকার করেন।

    এ প্রেক্ষিতে কিম ইউ জং বলেছেন, শত্রুরা যতো বেশি পরমাণু যুদ্ধের মহড়া দেবে, কোরীয় উপদ্বীপের আশেপাশে যতো বেশি পরমাণু অস্ত্র মোতায়েন করবে আত্মরক্ষায় আমরা ততো অনুপাতে পরমাণু কর্মসূচি জোরদার করবো।

    দেশটির সরকারি বার্তা সংস্থা ‘সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি’ এ কথা জানিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইয়ুন সুক ইয়েল এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সিউলে ওয়শিংটনের পরমাণু তৎপরতা জোরদারের লক্ষে ‘ওয়াশিংটন ঘোষণা’ জারি করেন। এর প্রতিক্রিয়ায় কিম ইয়ো জং আরো বলেন, এই সমঝোতা উত্তরপূর্ব এশিয়াসহ বিশ^কে বিপজ্জনক ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেবে। এটি এমন একটি কাজ যাকে কখনই স্বাগত জানানো যায় না।

    উল্লেখ্য, বছরের পর বছর ধরে চলা নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই উত্তর কোরিয়া তার পরমাণু তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে এবং দিন দিন তা আরো জোরদার করছে।

    সূত্র : বাসস

  • পার্বত্য জেলায় হাসি ফোটাতে সরকার কাজ করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    পার্বত্য জেলায় হাসি ফোটাতে সরকার কাজ করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    তিন পার্বত্য জেলায় বসবাসকারী মানুষের জীবনের মান উন্নয়নে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। তিনি বলেন, পার্বত্য শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের কাজ করা হচ্ছে। দেশের পার্বত্য তিন জেলা অপার সম্ভাবনাময় উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জানিয়েছেন, পাহাড়ে হাসি ফোটাতে সরকার কাজ করছে।

    শুক্রবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তন পাহাড়িদের প্রীতি সম্মিলনী ও আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। ঢাকার পাহাড়ি বিঝু, সাংগ্রাই, বৈসুক, বিষু, বিহু ও সাংক্রান পুনর্মিলনী উদযাপন কমিটি এর আয়োজন করে।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পাহাড়ে ঝর্না থেকে শুরু করে উর্বর ভূমি রয়েছে। কিন্তু কষ্টের জায়গাটা হলো, যখন দেখি তারা পিছিয়ে পড়েছে; যখন দেখি তারা অনেক সুবিধা বঞ্চিত। তবে সেই জায়গাটিতে কাজ করার জন্য আমরা সব সময় চেষ্টা করি।

    আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, তিন পার্বত্য জেলায় বিভিন্ন ধর্মের ও সম্প্রদায়ের মানুষ বাস করেন। তারা সবাই মিলেমিশে চলেন। এখানকার ঐক্য ইউনিক, এটা আমি লক্ষ্য করেছি। আমরা কাজ করছি, যাতে আপনাদের মুখে হাসি ফোটাতে পারি।

    পাহাড়িদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, সাংবিধানিকভাবে আপনাদের সংস্কৃতি, আপনাদের ভাষা ধরে রাখা আমাদের কাজ। এটা নিয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে। আপনারা বুক উঁচু করে বলবেন- আমরা চাকমা উপজাতি, আমরা মারমা উপজাতি, আমরা ত্রিপুরা উপজাতি। আমরা সেই আবর্তেই আপনাদের রাখব।

    শৈলজ বিকাশ চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মিজ বাসন্তী চাকমা, শিল্পকলা একাডেমির দায়িত্বপ্রাপ্ত মহাপরিচালক সালাউদ্দিন আহম্মদ, ঢাকা ওয়াসার সাবেক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ক্যসাচিং মারমা ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিচালক কিরীটি চাকমা প্রমুখ।

  • ঢাকাসহ প্রায় ১৭ জেলায় ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী

    ঢাকাসহ প্রায় ১৭ জেলায় ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী

    রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ১৭ জেলার ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে কালবৈশাখী ঝড়ের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এসব অঞ্চলের সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    শনিবার (২৯ এপ্রিল) রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

    আবহাওয়া অফিস থেকে জানানো হয়েছে, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, ফরিদপুর, ঢাকা, টাঙ্গাইল, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালী অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

    এদিকে, সারা দেশের আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, রোববার (৩০ এপ্রিল) সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে।

    সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। আগামী ৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এই সময়ে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে।

     

  • সারাদেশে ২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরু আগামীকাল

    সারাদেশে ২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরু আগামীকাল

    ২০২৩ সালের সংশোধিত ও পুনর্বিন্যাসকৃত সিলেবাসে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হচ্ছে রোববার (৩০ এপ্রিল)।

    পূর্ণ নম্বর ও পূর্ণ সময়ে পরীক্ষা হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। পুনর্বিন্যাসকৃত সিলেবাস হলেও এবার পরীক্ষা হবে সব বিষয়েই। ১ ০০ নম্বরের পরীক্ষায় সময় থাকছে ৩ ঘণ্টা।  এবার গত বছরের চেয়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা, অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান ও কেন্দ্রের সংখ্যা বেড়েছে।  প্রতিদিন সকাল ১০টায় শুরু হয়ে পরীক্ষা চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত।  পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে।

    মন্ত্রণালয় জানায়, এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ২০ লাখ ৭২ হাজার ১৬৩ জন। এরমধ্যে ছাত্র ১০ লাখ ২১ হাজার ১৯৭ এবং ছাত্রী ১০ লাখ ৫০ হাজার ৯৬৬ জন। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৬ লাখ ৪৯ হাজার ২৭৫ জন। এরমধ্যে ছাত্র ৭ লাখ ৭৯ হাজার ৮৭০ জন এবং ছাত্রী ৮ লাখ ৬৯ হাজার ৪০৫ জন। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২ লাখ ৯৫ হাজার ১২১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবে। এরমধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৪৩ হাজার ৯৯৩ জন এবং ছাত্রী ১ লাখ ৫১ হাজার ১২৮ জন।

    ২০২২ সালের তুলনায় ২০২৩ সালে পরীক্ষার্থী বেড়েছে ৫০ হাজার ২৯৫ জন। এরমধ্যে ছাত্রী বেড়েছে ৩৮ হাজার ৬০৯ জন। এছাড়া মোট প্রতিষ্ঠান বেড়েছে ২০৭টি এবং কেন্দ্র বেড়েছে ২০টি।

    সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের তত্ত্বীয় পরীক্ষা ৩০ এপ্রিল থেকে ২৩ মে এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ২৪ মে শুরু হয়ে ৩০ মে শেষ হবে। মাদরাসা বোর্ডে তত্ত্বীয় পরীক্ষা ৩০ এপ্রিল থেকে ২৫ মে এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ২৭ মে থেকে শুরু হয়ে ৩ জুন শেষ হবে। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের তত্ত্বীয় পরীক্ষা ৩০ এপ্রিল থেকে ২৩ মে এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ২৫ মে শুরু হয়ে ৪ জুন শেষ হবে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশিত হবে বলেও জানায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৩ সুষ্ঠু, সুন্দর ও নকলমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ২৬ এপ্রিল থেকে ২৩ মে পর্যন্ত সব কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে। শিক্ষা বোর্ডগুলো পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণকক্ষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষা কেন্দ্রগুলো অনলাইনে সার্বক্ষণিক তথ্যাদি আদান-প্রদান করবে।

    সম্প্রতি সংবাদ সম্মেলনে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, প্রশ্ন ফাঁসের কোনো সুযোগ নেই। অভিভাবকদের অনুরোধ জানাচ্ছি গুজবে কান দেবেন না। কেউ গুজব সৃষ্টি করার চেষ্টা করবেন না।

  • যে ১০ টি কারনে প্রতিদিন বই পড়া উচিত

    যে ১০ টি কারনে প্রতিদিন বই পড়া উচিত

    যদি আপনি প্রতিদিন বই না পড়ে থাকেন তাহলে এই লেখাটি পড়ার পর থেকে আজই বই পড়া শুরু করে দিন। কারন, বই কেন পড়া উচিত সে বিষয়ে এখানে দশটি পয়েন্ট নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে যা প্রতিটি মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই চলুন দেরী না করে বই পড়ার উপকারিতা গুলো জেনে নেওয়া যাক-

    ১. স্মার্ট হতে বই পড়ুন

    প্রতিটি মানুষ অন্যের থেকে স্মার্ট এবং আকর্ষনীয় ব্যক্তিত্বের হতে চায়। আপনি আসলে দেখতে কেমন তাতেই স্মার্টনেস প্রকাশ পায় না, আপনার বুদ্ধিমত্তা ও ব্যক্তিত্বের উপর স্মার্টনেসর প্রকাশ পায়। বই পড়ার অভ্যাস আপনাকে সবসময় সমৃদ্ধ করছে বিভিন্ন বিষয়ের জ্ঞান দ্বারা। তাতে করে আপনি স্মার্ট হচ্ছেন এবং এগিয়ে যাচ্ছেন অনেকের থেকে। আমরা সবাই জানি, জ্ঞানই একমাত্র সফলতার চাবিকাঠি। কারন জ্ঞান সফলতার পথকে প্রশস্ত করে। সুতরাং, বইপড়ার মাধ্যমে আপনি সবদিক থেকে স্মার্ট হতে পারবেন এবং আপনার জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারবেন।

    ২. জ্ঞানকে সমৃদ্ধিশালী করে

    বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন বই যখন আপনি পড়তে থাকবেন তখন আপনার জ্ঞান বৃদ্ধি হবে। এবং এই সমস্ত জ্ঞান আপনার জীবনে সর্বদা কাজে লাগবে। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সঠিক ভাবে চলার জন্য বই পড়ে জ্ঞান বৃদ্ধি করা একান্ত জরুরী। এই সকল জ্ঞান আপনার ক্যারিয়ারেও ভালো প্রভাব ফেলবে।

    ৩. একাগ্রতা বৃদ্ধি করে

    বর্তমানে আধুনিক প্রযুক্তির যুগে সবাই এখন ব্যস্ত হাতের মোবাইল নিয়ে। প্রতি ৫ মিনিট অন্তর দেখা যায় আপনি বিভিন্ন অ্যাপ এর নোটিফিকেশন চেক করায় ব্যস্থ হয়ে পড়ছেন। এমন কি কাজ করার সময়ও হয়তো আপনি ম্যাসেজের রিপ্লাই দিচ্ছেন। এতে করে আপনার কাজের প্রোডাক্টিভিটি কমে যাচ্ছে। অথচ আপনার যদি নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস থাকে, তাহলে আপনার নির্দিষ্ট কাজের একাগ্রতা বৃদ্ধি পাবে। এবং আপনি যেকোনো কাজে মনোযোগী এবং প্রোডাক্টিভ হতে পারবেন।

    ৪. শব্দ ভান্ডার বাড়ায়

    বই পড়ার কারণে আমাদের মধ্যে নতুন নতুন শব্দ ভান্ডার এর সৃষ্টি হয়। কোন নির্দিষ্ট জায়গায় কথা বলার সময় এই সমস্ত শব্দ ভান্ডার গুলি আমাদের চরিত্রের বিকাশ ঘটায়। এই কারণেই বই পড়লে আমাদের একটি সুন্দর চরিত্রের সৃষ্টি হয়।

    ৫. স্মৃতিশক্তি উন্নত করে

    বই পড়ার কারণে আপনার মনে নতুন নতুন চরিত্রের সৃষ্টি হয়। যেটি আপনার মস্তিষ্কের শক্তিকে উন্নত করে এবং স্মৃতিশক্তি বাড়ায়।

    ৬. মানসিক চাপ কমায়

    আপনার জীবনে যেকোনো সমস্যা থাকতে পারে যা মানসিক চাপের কারন। হতে পারে- কর্মস্থলে, ব্যক্তিগত জীবনে অথবা সম্পর্কের মাঝে। তবে যাই থাকুক না কেন, সবকিছুই হালকা হয়ে যাবে যদি আপনি চমৎকার কোনো বই পড়া শুরু করেন। কারন, গল্পের বিভিন্ন প্লট আপনাকে চিন্তার ভিন্ন জগতে নিয়ে যাবে। আপনিও হয়ে পড়বেন দুশ্চিন্তা মুক্ত।

    ৭. কল্পনা শক্তি বাড়ায়

    বই পড়ার সময় প্রত্যেকটি মানুষের কল্পনা শক্তি বৃদ্ধি পায়। যেটি মানুষের মনে নতুন নতুন ধারণা সৃষ্টি করে। যখন আপনি কোন গল্প বা উপন্যাস পড়েন তখন আপনি দেখবেন আপনার মনে নির্দিষ্ট গল্পটি সম্পর্কে একটি ছবি আঁকা হয়ে যায়। এবং আপনার কল্পনাশক্তি বলতে থাকে গল্পটা ঠিক কেমন ভাবে শেষ হবে। এবং যখন শেষ হয় তখন এটি পুরো অন্যভাবে শেষ হয়। যার কারণে আপনার মনে কৌতুহল বাড়ে। এই জন্য নিজের কল্পনা শক্তি ও কৌতূহল বৃদ্ধি করার জন্য বই পড়া উচিত

    ৮. একাকিত্বের সঙ্গী হয়

    একাকীত্ব দূর করার জন্য বই সব থেকে ভালো উপায়। আজকালকার দিনে মোবাইল ফোনকে সবাই সঙ্গী করে নেয়। কিন্তু যদি আপনি মোবাইলের মধ্যে বই পড়া শুরু করেন, তাহলে আপনার জীবনের একঘেয়েমি চলে যাবে এবং আপনি একজন ভালো বন্ধু খুঁজে পাবেন। নিজের মনকে শান্ত করতে এবং মনের মধ্যে নতুন শক্তি যোগাতে আপনিও বই পড়া শুরু করুন।

    ৯. অনুপ্রেরণা দেয়

    আপনার জীবনে সবথেকে বেশি অনুপ্রেরণা যদি কেউ দিয়ে থাকে তা হলো বই। যদি আপনি আপনার জীবনে ভিন্ন কিছু বা বড় কিছু করতে চান, তাহলে সেই অনুপ্রেরণা আপনি বই থেকে নিতে পারেন। যেকোনো কিছু ইতিবাচক চিন্তা করা এবং নতুন কিছু চেষ্টা করার জন্য বই অত্যন্ত উপকারী। আপনি বই থেকে অনুপ্রেরণা করতে সফল ব্যক্তিদের জীবনী এবং তাদের ব্যর্থতার স্টোরি পড়তে পারেন।

    ১০. লেখার দক্ষতা বৃদ্ধি করে

    আপনি যখন বিভিন্ন লেখকের বিভিন্ন বিষয়ের উপর বই পড়েন, তখন আপনার ভেতরে ভাষাতত্ত্বের বিকাশ হয়। সেকারনে উন্নত শব্দ এবং সুন্দর করে ভাষা প্রয়োগের আত্মবিশ্বাস প্রকাশ পায়। যা বাস্তব জীবনে শিক্ষাক্ষেত্রে, কর্মস্থলে বা কোথাও বক্তৃতা দেয়ার ক্ষেত্রে নিজের উপস্থাপনকে অনেক স্মার্ট করে তুলবে। যার কারনে অন্যের নিকট আপনার ভাষার গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পাবে, নেটওয়ার্কিংয়ে কাজে লাগবে এবং আপনি হয়ে উঠবেন জনপ্রিয়।

    আপনি যদি নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলেন তবে আপনি নিজেকে উন্নত করার সিড়িতে পা রাখলেন। আপনি শুরু না করা পর্যন্ত এটি বিরক্তিকর বলে মনে হতে পারে, কিন্তু একবার অভ্যাসটি নিশ্চিত করে ফেললে- নিজেকেই এই অভ্যাসের জন্য ধন্যবাদ জানাবেন।

    তথ্যসূত্রঃ লাইফহ্যাক, ইঞ্চস্মার্টার

  • ৪-০ গোলের জয় পেল বসুন্ধরা কিংস

    ৪-০ গোলের জয় পেল বসুন্ধরা কিংস

    বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ফুটবলে একেবারে অপ্রতিরোধ্য বসুন্ধরা কিংস। টানা ১৩ ম্যাচ অপরাজিত থাকার পথে রহমতগঞ্জকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে অস্কার ব্রুজনের শিষ্যরা।

    শুক্রবার (২৮ এপ্রিল) মুন্সিগঞ্জের শহীদ লেফট্যানেন্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে কিংসের হয়ে জোড়া গোল করেছেন মিগেল ফিগেইরা। একটি করে গোল করেছেন রবসন রবিনিয়ো ও আসরর গফুরভ।

    ম্যাচে প্রথমার্ধে বসুন্ধরা ৩-০ গোলে এগিয়ে ছিল। এই ম্যাচে হেরে যাওয়ায় রহমতগঞ্জের প্রিমিয়ার লিগ থেকে অবনমনের সম্ভাবনা আরো বেড়ে গেল। বসুন্ধরা ১৩ ম্যাচে ১২ জয় এবং এক ড্রয়ে ৩৭ পয়েন্ট নিয়ে তালিকায় শীর্ষে রয়েছে। অপরদিকে, রহমতগঞ্জ ১৩ ম্যাচে ৭ পরাজয়, ২ জয় এবং ৪ জয়ে ১০ পয়েন্ট নিয়ে নবম স্থানে রয়েছে। ঢঅকা আবাহনী ১৩ ম্যাচে ২৭ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।

    এবারের লিগে দুর্দান্ত ফর্মে আছে অস্কার ব্রুজনের দল বসুন্ধরা। শুক্রবার ম্যাচের শুরু থেকেই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে প্রাধান্য বিস্তার করে খেলতে থাকে বসুন্ধরা। মাত্র ৭ মিনিটের সময় রবসন আজেভেদোর গোলে এগিয়ে যায় তারা। এরপর ৩০ মিনিটের মাথায় অসরোর গাফুরোভ দলের পক্ষে দ্বিতীয় গোল করেন। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে মিগুয়েল ফিগুয়েরা দলের তৃতীয় গোলটি করেন।

    বিরতিরর পর ম্যাচের শেষ মিনিটে বসুন্ধরার ফিগুয়েরা নিজের দ্বিতীয় এবং দলের চতুর্থ গোলটি করলে রহমতগঞ্জের সব আশা শেষ হয়ে যায়।

    এদিকে, দিনের অপর এক ম্যাচে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ১-০ গোলে ঢাকা আবাহনীকে হারিয়ে দেয়। আর শেখ জামাল ২-১ গোলে বাংলাদেশ পুলিশ দলকে পরাজিত করে। মুক্তিযোদ্ধার পক্ষে ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেন এমানুয়েল উজোচুকঊ রেফারির শেষ বাঁশি বাজার ঠিক আগে। আর শেখ জামালের পক্ষে সুলেইমান সিল্লাহ ও ভালিজোনভ এবং পুলিশের পক্ষে মোহাম্মাদ শেখ বাবলু গোল করেন।

     

  • শেখ জামাল হত্যার ‘মাস্টারমাইন্ড’ জিয়াউর রহমান : তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী

    শেখ জামাল হত্যার ‘মাস্টারমাইন্ড’ জিয়াউর রহমান : তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী

    আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, মেধাবী তরুণ শেখ জামালের হত্যাকারীদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক বিএনপি এবং দলটির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ছিলেন এই হত্যাকান্ডের অন্যতম ‘মাস্টারমাইন্ড’। দুঃখজনক হলেও সত্য আজও তারা আস্ফালন করে।

    আজ সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দ্বিতীয় পুত্র শহীদ শেখ জামালের জন্মদিন উপলক্ষে বনানী কবরস্থানে তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

    শেখ জামাল ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে বঙ্গবন্ধুসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে ঘাতকদের হাতে নিহত হন।

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে শহীদ শেখ জামালের শুভ জন্মদিন। জন্মদিনে তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করি। তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। শহীদ শেখ জামাল ১৯৭১ সালে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা এবং শেখ রাসেলের সাথে পাকিস্তানিদের হাতে বন্দি ছিলেন। সেই বন্দিদশা থেকে তিনি পালিয়ে গিয়ে পায়ে হেঁটে নানাভাবে দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে আগরতলা গিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন।’

    হাছান মাহমুদ বলেন, শেখ জামাল পুরো নয় মাস মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। সম্মুখ সমরে থেকে যুদ্ধে অংশ নেন। পরবর্তীতে তিনি সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। তিনি সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট হয়েছিলেন। বিশ্ব বিখ্যাত সেনা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ব্রিটেনের ‘স্যান্ডহার্স্ট’ থেকে তিনি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। তিনি একজন মেধাবী তরুণ ছিলেন। একইসঙ্গে সংস্কৃতিমনা মানুষ ছিলেন, সংস্কৃতি চর্চা করতেন। খেলাধুলার প্রতি ছিল তার গভীর অনুরাগ।

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, শেখ জামালের হত্যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ একজন মেধাবী তরুণকে হারিয়েছিল। একজন সম্ভাবনাময় তরুণ যিনি দেশকে অনেক কিছু দিতে পারতেন, দেশ গঠনে অবদান রাখতে পারতেন, তাকে হত্যা করা হয়েছে।

    আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক আওলাদ হোসেন শামিম, দলের জাতীয় কমিটির সদস্য বলরাম পোদ্দার ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম এসময় উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র : বাসস