আয়ারল্যান্ড সিরিজকে সামনে রেখে টাইগারদের তিন দিনের অনুশীলন ক্যাম্প আজ শেষ হয়েছে। তাইজুল ইসলাম আর নাসুম আহমেদ, জাতীয় দলে দুজনেরই ভূমিকা প্রায় একই। দুই বাঁহাতি অফস্পিনারই নিজেদের দিনে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারেন প্রতিপক্ষের জন্য। আবার ব্যাট হাতেও দুজনের মধ্যে যে খুব একটা পার্থক্য আছে এমনটা নয়।
অনুশীলন শেষে নানা ইস্যুতে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন প্রধান কোচ হাথুরুসিংহে। এই সময় নির্দিষ্ট কিছু ক্রিকেটারদের নিয়েও কথা বলতে দেখা যায় তাকে।
সর্বশেষ ইংল্যান্ড সিরিজের ওয়ানডে দলে ডাক পেয়েছিলেন তাইজুল ইসলাম। তাইজুল সুযোগ পাওয়ায় স্বাভবিকভাবে ছিটকে যেতে হয়েছে নাসুমকে। সিরিজে মোটামুটি পারফর্ম করলেও কোনো কারণ ছাড়াই পরের সিরিজে বাদ দেয়া হয় তাইজুলকে। আয়ারল্যান্ড সিরিজে দলে ডাক পান নাসুম।
আয়ারল্যান্ড সিরিজে বেশ ধারাবাহিক পারফরম্যান্স করেছেন নাসুম। তবুও হুট করেই আবার অ্যাওয়ে সিরিজের দল থেকে বাদ দেয়া হয় তাকে। ঘোষিত টাইগার স্কোয়াডে আবারও ফেরানো হয়েছে বাঁ-হাতি স্পিনার তাইজুলকে।
তাইজুল-নাসুমের ব্যাপারে বারবারই ঘটছে একই ঘটনা। তবে বিশ্বকাপের আগে মোটামুটি পাকাপোক্ত দল তো লাগবেই। সেই দলটাকে আবার প্রস্তুতও করতে হবে। তাহলে দুজন অভিজ্ঞ খেলোয়াড়কে বারবার কেন পাল্টাপাল্টি করে দেখা হচ্ছে এমন প্রশ্ন আসে কোচ হাথুরুসিংহের সামনে। হাথুরুসিংহের স্পষ্ট জবাব, পরীক্ষা চলবে বিশ্বকাপের আগ পর্যন্ত।
বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে সাকিব আল হাসানের পর বাঁহাতি স্পিনার কে নিয়মিত খেলবেন তা নিয়ে সঠিক উত্তর কেউই দিতে পারবেন না। তার কারণ হলো তাইজুল ইসলাম ও নাসুম আহমেদ দুইজনই সমান তালে পারফর্ম করে যাচ্ছেন। এক সিরিজ একজন খেলছেন তো পরের সিরিজে আরেকজন।
শনিবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুশীলন ক্যাম্পের শেষ দিনে গণমাধ্যমের সামনে আসেন বাংলাদেশের কোচ। এই নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে দেন তাদের ব্যাখ্যা, ‘আমরা আলোচনা করেছি, আমি স্কোয়াড বড় করতে চাই। সবাইকে অনেক অভিজ্ঞতা দিতে চাই। বিশ্বকাপের আগে অবধি এমন চলতেই থাকবে।’
পারফর্ম করেও একজন খেলোয়াড়ের এমন আসা-যাওয়ার মধ্যে থাকা পারফরম্যান্সে কোন প্রভাব ফেলবে না বলে মত চন্ডিকার, ‘করবে না। কারণ তাদের সঙ্গে যথেষ্ট কথা হয়েছে। ব্যাখ্যা করেছি কেন তারা আছে, কেন নেই। আশা করি প্রভাব ফেলবে না। যদি ফেলে, তাহলে এটা চাপের মধ্যে তাদের পারফর্ম্যান্সেও ইফেক্ট করবে। ওই ধরনের খেলোয়াড় আমরা দলে চাই না।’










