Author: Hello Bangla News

  • টিভি লাইভে হঠাৎ অসুস্থ তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান

    টিভি লাইভে হঠাৎ অসুস্থ তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান

    তুরস্কে একটি টেলিভিশনে সাক্ষাৎকার দেয়ার সময় অসুস্থ হয়ে পড়ার পর নির্বাচনী প্রচারণা স্থগিত করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তায়েপ এরদোয়ান। সাক্ষাৎকারের মধ্যে মি. এরদোয়ান অসুস্থ হয়ে পড়ায় অনুষ্ঠানটির সম্প্রচার হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে যায়।

    তবে ২০ মিনিট বিরতির পর অনুষ্ঠানটি শুরু হলে এরদোয়ান জানান যে ‘পাকস্থলীর ফ্লু’ এর কারণে তিনি সাময়িকভাবে অসুস্থ বোধ করছেন।

    পরে তিনি টুইট করেন যে, ‘চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী আজ আমি বিশ্রাম করবো।…আগামীকাল থেকে আমরা আমাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাবো।”

    ঊনসত্তর বছর বয়সী এরদোয়ান তার রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দিতাপূর্ণ নির্বাচনের জন্য প্রচারণা চালাচ্ছেন।

    তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কেমাল কিলিচদারোগলু ছয়টি দলের একটি জোটের নেতা হিসেবে নির্বাচন করছেন।

    প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান অসুস্থ হওয়ার পর অনেক নেতার মত তিনিও তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

    তুরস্কের স্বাস্থ্য মন্ত্রী ফাহরেতিন কোচা বৃহস্পতিবার জানান যে প্রেসিডেন্টের শরীরের অবস্থা ভালো। মি. এরদোয়ান যত দ্রুত সম্ভব তার পূর্ব নির্ধারিত নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করবেন।

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় টেলিভিশনে লাইভ সাক্ষাৎকার দেয়ার সময় মি. এরদোয়ান যখন অসুস্থ হয়ে পড়েন, তখন তার পাশে বেশ কয়েকজন সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।

    টেলিভিশন চ্যানেল উলকে টিভি ও কানাল সেভেন – যাদেরকে সরকারের সমর্থক হিসেবে মনে করা হয় – মি. এরদোয়ানের সাক্ষাৎকারটি সরাসরি সম্প্রচার করছিল।

    একজন সাংবাদিক একটি প্রশ্ন করার পরপরই ক্যামেরায় তার চিন্তিত মুখ দেখা যায়। এরপরই টেলিভিশন স্ক্রিন অন্ধকার হয়ে যায়।

    মি. এরদোয়ান অবশ্য কিছুক্ষণের মধ্যেই টিভিতে এসে ব্যাখ্যা দেন যে অসুস্থ থাকায় তিনি সূচী বাতিল করতে চেয়েছিলেন।

    পরে তিনি দু:খপ্রকাশ করে বলেন, “ব্যস্ততার মধ্যে আমাদের অনেক সময় এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়।”

    এই অনুষ্ঠানের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তুরস্কের বাইরের কয়েকটি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে জল্পনা শুরু হয় যে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের হার্ট অ্যাটাক হয়েছে।

    তবে মি. এরদোয়ানের যোগাযোগ বিভাগের প্রধান ফেপাহরেতিন আলতুন প্রেসিডেন্টের স্বাস্থ্য নিয়ে এসব ‘ভিত্তিহীন দাবি অস্বীকার’ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিবৃতি দিয়েছেন। যেসব অ্যাকাউন্ট থেকে ‘গুজব’ ছড়ানো হয়েছে, সেসব অ্যাকাউন্টের স্ক্রিনশটও প্রকাশ করেছেন তিনি।

    এসব গুজবের জবাব দিয়ে তিনি টুইট করেন: “যত মিথ্যা তথ্যই ছড়ানো হোক, তুরস্কের মানুষ ১৪ই মে’র নির্বাচনে তাদের নেতা এরদোয়ানের সাথে থাকবে এবং তার একে পার্টি বিজয়ী হবে।”

    গত ২১ বছর ধরে মি. এরদোয়ান ক্ষমতায় আছেন। এই প্রথমবার টিভিতে লাইভ ইন্টারভিউ চলাকালে তার অসুস্থ হওয়ার মত ঘটনা ঘটলো।

    এর আগে ২০১১ এবং ২০১২ সালে তার পাকস্থলীতে অস্ত্রোপচার হয়। সেসময়ও তার স্বাস্থ্য নিয়ে নানা কানাঘুষা তৈরি হয়েছিল।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • ওয়াশিংটনের উদ্দেশে টোকিও ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী

    ওয়াশিংটনের উদ্দেশে টোকিও ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য সফরের দ্বিতীয় ধাপে শুক্রবার ওয়াশিংটনের উদ্দেশে টোকিও ত্যাগ করেছেন।

    প্রধানমন্ত্রীর স্ক্রিপ্টরাইটার এম নজরুল ইসলাম বার্তা সংস্থা বাসসকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী ইউনাইটেড এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট টোকিওর হানেদা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আজ বিকেলে (জাপানের স্থানীয় সময়) ওয়াশিংটন ডিসির উদ্দেশে যাত্রা করে।

    প্রধানমন্ত্রী ওয়াশিংটন ডিসিতে আগামী ১ মে বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে ৫০ বছরের অংশীদারত্ব উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। ওয়াশিংটন ডিসির ডালাস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ ইমরান প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবেন।

    যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে যুক্তরাজ্য ও অন্যান্য কমনওয়েলথভুক্ত রাজ্যের রাজা ও রানি হিসেবে চার্লস তৃতীয় এবং তাঁর পত্নী ক্যামিলার রাজ্যাভিষেকের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী আগামী ৪ মে লন্ডনের উদ্দেশে ওয়াশিংটন ডিসি ত্যাগ করবেন।

    এর আগে ২৫ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি বিশেষ ভিভিআইপি ফ্লাইট (বিজি১৪০৩) ১৫ দিনের জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে সরকারি সফরের প্রথম ধাপে জাপান যায়। প্রধানমন্ত্রীকে জাপানে লালগালিচা সংবর্ধনা এবং বিমানবন্দরে স্ট্যাটিক গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।

    সূত্র : বাসস

  • পরীক্ষামূলক গ্যাস উত্তোলন শুরু ভোলার ইলিশা-১ কূপ থেকে

    পরীক্ষামূলক গ্যাস উত্তোলন শুরু ভোলার ইলিশা-১ কূপ থেকে

    দ্বীপজেলা ভোলায় ইলিশা-১ নামের আরও একটি কূপ থেকে পরীক্ষামূলক গ্যাস উত্তোলন শুরু করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স)। এখানে ১৮০ থেকে ২০০ বিসিএফ ঘনফুট গ্যাসের মজুতের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ব কোম্পানিটি। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ১৫ মে থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্যাস উত্তোলন হবে।

    ভোলার শাহবাজপুর ও ভোলা নর্থ নামের আলাদা দু’টি গ্যাসক্ষেত্রে ৯টি কূপ খনন করা হয়। এসব কূপে মোট গ্যাস মজুদের পরিমাণ এক দশমিক ৭ টিসিএফ ঘনফুট বলে নিশ্চিত করেছে বাপেক্স।

    খনন কাজ শুরুর পৌনে দুই মাসের মাথায় শুক্রবার সকাল সাতটা থেকে আগুন প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে গ্যাস উত্তোলন শুরু করা হয়। কূপটি সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত।

    বাপেক্সের তত্ত্বাবধানে রাশিয়ার তেল-গ্যাস অনুসন্ধান কোম্পানি গ্যাজপ্রোম এই উত্তোলন কাজ করছে। বিশ্ব বাজারে জ্বালানি সংকটের মধ্যেই এ নিয়ে ভোলায় শাহবাজপুর ও নর্থ জোনে মোট নয়টি কূপে গ্যাস মজুতের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেল। গত ৯ মার্চ ইলিশা-১ নামের এই কূপের খনন কাজ শুরু করে বাপেক্সের প্রতিনিধি দল।

    বাপেক্সের ভূ-তাত্ত্বিক বিভাগের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মো. আলমগীর হোসেন বলেন, কূপটিতে আগুন প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে এখন পরীক্ষা চলছে। মাটির ৩ হাজার ৪৩৩ মিটার গভীরতায় এ গ্যাসের সন্ধান মিলেছে, যা প্রায় ৪ কিলোমিটার বিস্তৃত।

    ভোলার শাহবাজপুর ও ভোলা নর্থ নামের আলাদা দুটি গ্যাসক্ষেত্রে মোট ৯টি কূপ খনন করা হয়। এসব কূপে মোট গ্যাস মজুদের পরিমাণ ১ দশমিক ৭ টিসিএফ ঘনফুট।

    এর আগে গত ২৩ জানুয়ারি সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের দক্ষিণ চরপাতা গ্রামে ভোলা নর্থ-২ নামে একটি কূপে পরীক্ষামূলকভাবে আগুন প্রজ্জলনের মাধ্যমে গ্যাস উত্তোলন শুরু করা হয়। ১৯৯৪-৯৫ সালে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার শাহবাজপুরে প্রথম গ্যাসের সন্ধান মিলে। এর পর থেকেই একের পর এক গ্যাস কূপের সন্ধান পাওযায়। যা বর্তমানে ৯টি কূপে এসে দাঁড়িয়েছে। গ্যাসের সম্ভাবনা যাচাই করতে আগামী অক্টোবর থেকে নতুন করে তেল গ্যাস অনুসন্ধান করবে বাপেক্সের ভূ-তাত্ত্বিক বিভাগ।

    ভোলায় আবিষ্কৃত কূপগুলোর মধ্যে থেকে বর্তমানে কেবল ৪টি কূপ থেকে গ্যাস উত্তোলন হচ্ছে। প্রতিদিন ১৪০ এমএমসিএফ গ্যাস উত্তোলন করা গেলেও এর সম্পূর্ণ ব্যবহার হচ্ছে না। বর্তমানে ৪টি বিদ্যুৎ প্লান্টসহ ক্ষুদ্র কয়েকটি শিল্প প্রতিষ্ঠানে গ্যাস ব্যবহার হচ্ছে। এতে মাত্র ৮০ এমএমসিএফ গ্যাস ব্যবহার হচ্ছে। গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ প্লান্ট থেকে বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে দৈনিক ৪৮৫ মেগাওয়াট।

    এদিকে গ্যাসের মজুদ থাকলেও আবাসিক ও বাণিজ্যিক সংযোগের অনুমতি দেয়া হচ্ছে না। ফলে মজুদ গ্যাসের ব্যবহার নিশ্চিত হচ্ছে না। ভোলায় গ্যাসের মজুদ থাকায় ইতোমধ্যে বেশ কিছু শিল্প প্রতিষ্ঠান শিল্পায়নের কাজ শুরু করেছে। অনেক প্রতিষ্ঠান জমি অধিগ্রহণ করেছে। ওই সব প্রতিষ্ঠানও ইতিমধ্যে গ্যাসের জন্য আবেদন করে। এ ছাড়া আবাসিক সংযোগের জন্য প্রায় দুই হাজার আবেদন ঝুলে আছে। নতুন গ্যাস সংযোগের জন্য চলতি বছরে বেশ কয়েকবার মানববন্ধন ও জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে ‘ঘরে ঘরে গ্যাস চাই’ আন্দোলন কমিটি।

  • গুগল খুঁজে দিবে আপনার হারানো ফোন

    গুগল খুঁজে দিবে আপনার হারানো ফোন

    ব্যবহারকারীরা চুরি যাওয়া আইফোন থেকে শুরু করে আইপ্যাড, ম্যাক, এবং এয়ার ট্যাগ হারিয়ে গেলেও তা খুঁজে পাওয়া যাবে আইফোনে ‘Find My Device’ নামে চমৎকার একটি ফিচারের মাধ্যমে। মূলত এটি একটি নেটওয়ার্ক ফিচার

    এমনকি, সেই ডিভাইস যদি ওয়াই-ফাই বা ব্লুটুথের রেঞ্জের মধ্যে না থাকে বা ডিভাইসটি বন্ধ থাকে, তা-ও সেটির সন্ধান পাওয়া যেতে পারে। গুগল ও এবার সেরকমই একটি প্রযুক্তি নিয়ে আসছে। সম্প্রতি 91 Mobiles-এর একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে Google Find My Device ফিচারটি তখনও কাজ করবে, যখন ফোনটি সুইচ অফ করা থাকবে। টিপস্টার কুবা কুবা ওজেচোওস্কি এই খবরটি জানিয়েছেন। অর্থাৎ গুগলের এই ফাইন্ড মাই ডিভাইস ফিচারটি এক্কেবারে অ্যাপলের মতোই হতে চলেছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, এই ফিচারটিকে বলা হবে Pixel Power Off Finder!

    কুবা জানিয়েছে, টেক জায়ান্টটি একটি বিরাট নেটওয়ার্ক তৈরি করতে চলেছে সমস্ত অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের জন্যই। অ্যাপল এয়ার ট্যাগের ক্ষেত্রে যেমন অপশনাল সাপোর্ট বা UWB লোকেটর ট্যাগ থাকে, তেমনই গুগল এরও নিজস্ব ট্যাগ কোডনেম ‘grogu’ এবং আরও অনেক কিছু থাকবে। ইতিমধ্যেই গুগল তার অ্যান্ড্রয়েড ১৪ এর প্রথম দিকের সোর্স কোডটি OEM-দের সঙ্গে শেয়ার করেছে, যেগুলি আর্লি অ্যাক্সেস প্রোগ্রামে (EAP) তালিকাভুক্ত হয়েছে।

    সোর্স কোডে থাকছে একটি নতুন হার্ডওয়্যার অ্যাবস্ট্রাকশন লেয়ার (HAL) ডেফিনিশন, যাকে ‘hardware.google.bluetooth.p ower_off finder’ বলা হচ্ছে। কোডের কমেন্ট অনুযায়ী, ডিভাইসের ব্লুটুথ চিপে প্রিকম্পিউটেড ফিঙ্গার নেটওয়ার্ক কি গুলি পাঠানো হবে। পরে, ফোন বন্ধ হলেও সেগুলি গুগলের কাছে থেকে যাবে। তার দ্বারাই শেষ অবধি হারিয়ে যাওয়া ফোন খুঁজে পাওয়ার কাজটি সহজ হবে। আইফোনের ক্ষেত্রেও ফাইন্ড মাই ডিভাইস ফিচারটি ঠিক এই ভাবেই কাজ করে।

    তথ্যসূত্রঃ গ্যাজেট ৩৬০

  • ৯৬ বছর বয়সে চলে গেলেন আমেরিকান কিংবদন্তী – হ্যারি বেলাফন্টে

    ৯৬ বছর বয়সে চলে গেলেন আমেরিকান কিংবদন্তী – হ্যারি বেলাফন্টে

    হ্যারি বেলাফন্টে ছিলেন একজন আমেরিকান গায়ক, অভিনেতা এবং নাগরিক অধিকার কর্মী। ছয় দশকেরও বেশি সময় জুড়ে তাঁর বিস্তৃত প্রশংসিত এক কর্মজীবন। হ্যারি বেলাফন্টে তাঁর আবেগ এবং প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে শিল্পকলায় চ্যাম্পিয়ন। মানবিক সমস্যা এবং নাগরিক অধিকারে ন্যায়বিচারে দেখিয়েছেন আলোর পথ।৯৬ বছর বয়সে চলে গেলেন আমেরিকান কিংবদন্তী - হ্যারি বেলাফন্টে

    তিনি ১৯৫০ এর দশকে ট্রিনবাগোনিয়ান ক্যালিপসো সঙ্গীত শৈলীর জনপ্রিয়তার মাধ্যমে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। তিনি ব্লুজ, ফোক, গসপেল এবং আমেরিকান স্ট্যান্ডার্ড সহ বিভিন্ন জেনারে রেকর্ড এবং পারফর্ম করেছেন।

    বেলাফন্টে ‘কারমেন জোন্স’, ‘আইল্যান্ড ইন দ্য সান’ এবং ‘অডস এগেইনস্ট টুমরো’ সহ বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। বিনোদন শিল্পে তার অবদানের জন্য জিতেছেন বহু পুরস্কার। যেমন একাধিক গ্র্যামি, একটি এমি, একটি টনি এবং একটি কেনেডি সেন্টার পুরষ্কার।

    তাঁর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ছিল তার রাজনৈতিক এবং মানবিক সক্রিয়তায়। যেখানে তিনি নাগরিক অধিকার আন্দোলনকে সমর্থন করেছিলেন এবং জাতিগত ও সামাজিক ন্যায়বিচারের দিকে কাজ করেছিলেন। তিনি মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের ঘনিষ্ঠ আস্থাভাজন ছিলেন। ১৯৮৫ সালে তিনি আফ্রিকায় জরুরী দুর্ভিক্ষ ত্রাণের জন্য সচেতনতা বাড়াতে, গ্র্যামি পুরস্কার বিজয়ী গান “উই আর দ্য ওয়ার্ল্ড” এবং ৫০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থ এককভাবে সাহায্য করেছিলেন।

    ২৫ এপ্রিল, ২০২৩- ৯৬ বছর বয়সে প্রয়াত হোন গায়ক হ্যারি বেলাফন্টে। মঙ্গলবার ম্যানহাটনের আপার ওয়েস্ট সাইডে নিজ বাসভবনেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন গায়ক। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু হয় শিল্পীর। বেলাফন্টের দীর্ঘদিনের সঙ্গী তথা তাঁর মুখ্যপাত্র কেন সানসাইনই (Ken Sunshin) খবরটি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন।

    তথ্যসূত্রঃ সিএনএন, ব্রিটানিকা, অল মিউজিক.কম

  • মুশফিককে পেছনে ফেলে কোহলির নতুন বিশ্বরেকর্ড

    মুশফিককে পেছনে ফেলে কোহলির নতুন বিশ্বরেকর্ড

    চিন্নাস্বামীতে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ২১ রানে হেরেছে কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু। দল হারলেও একটি রেকর্ড গড়েছেন বিরাট কোহলি। তিনি পেছনে ফেলেছেন বাংলাদেশের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিমকে।

    অন্যদিকে ভারতের তারকা ব্যাটার বিরাট কোহলি। মনোমুগ্ধকর ব্যাটিংয়ে নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। তারই ধারাবাহিকতায় এবার মুশফিকের রেকর্ডে ভাগ বসালেন ভারতের সাবেক এ অধিনায়ক।

    রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর ঘরের মাঠ হিসেবে বিবেচিত চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামটি। আইপিএলের এই ফ্রাঞ্চাইজিতে শুরু থেকেই খেলছেন কোহলি। যে কারণে ঘরের মাঠে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলারও সুযোগ পেয়েছেন তিনি। আর এটাকেই কাজে লাগিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক।

    স্বীকৃত টি-২০তে এক ভেন্যুতে এতদিন সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডের মালিক ছিলেন মুশি। তবে সেই রেকর্ড নিজের নামে করে নিলেন কোহলি।

    বুধবার কলকাতার বিপক্ষে ফিফটি হাঁকিয়ে এক মাঠে সবচেয়ে বেশি রান করার রেকর্ডটা নিজের করে নেন কোহলি। আগে এই রেকর্ডটা ছিল মুশফিকুর রহিমের দখলে। টি-টোয়েন্টিতে ব্যাঙ্গালুরুর মাঠে ৩ হাজার ১৫ রান করেছেন কোহলি। যা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এক মাঠে যে কোনো ক্রিকেটারের সর্বোচ্চ সংগ্রহ।

    কোহলির এই রেকর্ডের ফলে পেছনে পড়েছেন মুশফিক। সাবেক টাইগার অধিনায়ক মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে ২ হাজার ৯৮৯ রান করেছেন। এক মাঠে সর্বোচ্চ রানের তালিকার সেরা পাঁচে আছেন আরও দুই বাংলাদেশি।

  • বাংলাদেশ অবশ্যই বিনিয়োগের আঞ্চলিক কেন্দ্র হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

    বাংলাদেশ অবশ্যই বিনিয়োগের আঞ্চলিক কেন্দ্র হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরো বেশি পরিমাণে বিশাল আকারের জাপানী বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, সরকারের বাস্তবসম্মত নীতির কারণে বাংলাদেশ বিনিয়োগ, শিল্পায়ন ও রপ্তানির জন্য আঞ্চলিক কেন্দ্র হতে যাচ্ছে।

    টোকিও’তে ওয়েস্টিন হোটেলের গ্যালাক্সি বল রুমে বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিটের উদ্বোধন কালে তিনি আজ বলেন, ‘আমাদের বাস্তবসম্মত নীতি এবং দূরদৃষ্টির কারণে বাংলাদেশ নিশ্চিত ভাবে বিনিয়োগ, শিল্পায়ন এবং এই অঞ্চলে এবং এর বাইরে বিভিন্ন গন্তব্যে রপ্তানির আঞ্চলিক কেন্দ্র হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে।’

    বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) যৌথভাবে ‘বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সুযোগ’ শীর্ষক এই সম্মেলনের আয়োজন করে।

    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে জেসিসিআই এবং এফবিসিসিআই-এর অন্তর্ভুক্ত বাংলাদেশ ও জাপানের বেসরকারি কোম্পানির মধ্যে ১১টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর (এমওইউ) বিনিময় করা হয়।
    সম্মেলনে উপস্থাপনা করেন বিএসইসির চেয়ারম্যান (সিনিয়র সচিব) অধ্যাপক শিবলী রুবায়াত-উল-ইসলাম।

    বাংলাদেশে বিনিয়োগে রিটার্ন ধারাবাহিকভাবে বেশি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এ ছাড়াও বাংলাদেশের ব্যবসাবান্ধব রাজস্ব ও অ-আর্থিক নীতি ও প্রণোদনা, স্থিতিশীল গণতন্ত্র, বিচক্ষণ শাসন ও নেতৃত্ব বিদেশি বিনিয়োগে ভালো রিটার্নের নিশ্চয়তা দিচ্ছে।

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে আপনাদের আশ্বস্ত করতে পারি যে, বাংলাদেশ বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের জন্য অটুট ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা দেয়। তাই আমরা, বিশেষ করে জাপানি বিনিয়োগকারীসহ বিশ্বের সকল বিনিয়োগকারীকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগগুলো দেখার জন্য স্বাগত জানাই।’

    তিনি বলেন, ‘তবে, প্রকৃত বিনিয়োগ এখনও কম। আমরা জাপানের কাছ থেকে আরও বিনিয়োগ চাই। আমি আপনাদের সবাইকে বাংলাদেশে ব্যবসা ও বিনিয়োগের সম্ভাবনাগুলো অনুসন্ধান করতে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ১৭ কোটি মানুষের দেশ যেটি নিজেই একটি ক্রমবর্ধমান বাজার এবং প্রায় তিন বিলিয়ন ভোক্তার একটি বৃহৎ বাজারের কেন্দ্রস্থলে এর অবস্থান ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য একটি বিশাল আকর্ষণ প্রদান করে।

    শেখ হাসিনা বলেন, এইচএসবিসি গ্লোবাল রিসার্চ প্রজেকশন রিপোর্ট ইঙ্গিত করে যে, বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে যুক্তরাজ্য ও জার্মানিকে ছাড়িয়ে বিশ্বব্যাপী নবম বৃহত্তম ভোক্তা বাজার হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় ও জাপানি বিনিয়োগকারীদের মনে করিয়ে দেন যে, যেহেতু তারা সচেতন যে কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বব্যাপী বিপর্যয় সৃষ্টি করেছে এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করেছে।

    তিনি বলেন, ‘তবে, আমরা কার্যকর পদক্ষেপ এবং হস্তক্ষেপের মাধ্যমে সংকট মোকাবেলা করতে পেরেছি। আমাদের অর্থনীতি শক্তিশালী স্থিতিস্থাপকতা দেখিয়েছে, প্রবৃদ্ধি বজায় রেখেছে এবং এখনও অস্থির বিশ্ব আর্থিক পরিস্থিতি এবং সরবরাহের দিকের সীমাবদ্ধতার চাপকে ধরে রেখেছে। বাংলাদেশ তার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রেখেছে এবং ২০২১-২০২২ অর্থবছরে জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭.১% ধরে রেখেছি। ইউক্রেন যুদ্ধ সত্ত্বেও, আমরা চলতি অর্থবছরে ৬.৫% বৃদ্ধির হার অর্জন করছি।’
    বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতির কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আইসিটি, ইলেকট্রনিক্স, অবকাঠামো, চামড়া, টেক্সটাইল, আতিথেয়তা ও পর্যটন, ভারী শিল্প, রাসায়নিক ও সার এবং এসএমইর মতো বিভিন্ন খাতে সুযোগ অনেক বেড়েছে।

    সরকার প্রধান বলেন, ‘আমাদের সরকার ব্যবসা করার সাবলীল, সহজ এবং কার্যকর উপায়গুলো সহজতর করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করছে।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদেশি বিনিয়োগের জন্য তাঁর সরকার ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, হাই-টেক এবং সফটওয়্যার পার্ক নির্মাণ করছে।

    তিনি বলেন, ‘আমি জাপানি বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করতে চাই যে, বাংলাদেশ আপনাদের জন্য প্রস্তত, এবং সেখানে গেলে আপনাদের দুর্দান্ত অভিজ্ঞতা হবে। আপনারা ব্যবসার সুবিধার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত সংস্থা এবং কাঠামো সুবিধার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

    শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগকারীদের সুবিধার্থে বিশেষকরে সরকারি-বেসরকারি যৌথ অর্থনৈতিক সংলাপের (পিপিইডি) মতো উচ্চ পর্যায়ের যৌথ প্ল্যাটফর্ম রয়েছে।
    তিনি বলেন, সম্প্রতি ১১ এপ্রিল ২০২৩-এ অনুষ্ঠিত ৫ম পিপিইডি বৈঠকের ফলাফলকে বাংলাদেশ স্বাগত জানায়।

    তিনি বলেন, ‘যেহেতু, বাংলাদেশ ২০২৬ সালের মধ্যে এলডিসি থেকে স্নাতক হতে চলেছে, আমরা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের জন্য একটি অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি সম্ভব করার জন্য জাপানের সাথে কাজ করছি।’

    বাংলাদেশি ও জাপানি কোম্পানিগুলোর মধ্যে সহযোগিতা দেখে প্রধানমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেন।
    তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য যেসব কোম্পানি আজ প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, আমি তাদের সফল অংশীদারিত্ব কামনা করছি। আমরা জাপানি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে বিশেষকরে আড়াইহাজারে জাপানি অর্থনৈতিক অঞ্চলে আরও বিনিয়োগ আশা করি।’

    জাপানে বসবাসরত অনাবাসী বাংলাদেশি এবং বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মানুষের সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা তাদের রেমিটেন্সের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে।

    ‘আমি তাদের আরো উদ্যোক্তা বিকাশ, ব্যবসায়িক উদ্যোগে এবং তাদের জাপানি বন্ধুদের সাথে যৌথ উদ্যোগে জড়িত হওয়ার জন্যও আহ্বান জানাচ্ছি,’ তিনি বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ একটি সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

    তিনি বলেন, ‘আমরা চাই আপনারা সবাই আমাদের উন্নয়ন ও অর্জনের অংশীদার হোন। বাংলাদেশে বিনিয়োগ করুন। আমরা নিশ্চিত যে, আপনার বিনিয়োগ আপনাকে ব্যাপক সাফল্য এনে দেবে।’
    শেখ হাসিনা বলেন, আমরা জাপানের কাছ থেকে আরও বিনিয়োগ চাই।

    তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের রূপকল্প-২০২১ ও রূপকল্প-২০৪১ অনুযায়ী তাঁর সরকারের ধারাবাহিকতায় তারা আমার জনগণের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন করে চলেছে।

    তিনি বলেন, ‘একটি দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে এখন ‘উন্নয়নের রোল মডেল’ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে এবং দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়ন, ডিজিটালাইজেশন, খাদ্য উৎপাদন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা থেকে শুরু করে অনেক ক্ষেত্রে উদাহরণ স্থাপন করেছে।

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের সহনশীল জনগণ এখন আশা ও আশাবাদ নিয়ে ২০২৬ সালের মধ্যে এলডিসি বিভাগ থেকে একটি উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে।’

    তিনি বলেন, ‘আমরা ২০৪১ সালের মধ্যে একটি আধুনিক, উন্নত এবং জ্ঞানভিত্তিক ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ এর দিকে আমাদের যাত্রায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।’

    গত বছর বাংলাদেশ জাপানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করেছে ।
    তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ধংসযঞ্জে পরিণত হওয়া থেকে বিস্ময়করভাবে উন্নয়নের মডেলে পরিণত হওয়া জাপানের একজন একনিষ্ঠ ভক্ত।

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদেরও একই রকম গল্প আছে। আমাদের জাতির পিতা ১৯৭১ সালে যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশ গড়ার কাজ শুরু করেছিলেন। দুর্ভাগ্যবশত, তিনি তাঁর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারেননি কারণ, তিনি এবং তাঁর পরিবারের প্রায় অধিকাংশ সদস্যকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। আমি ও আমার ছোট বোন শেখ রেহানা বিদেশে অবস্থান করায় প্রাণে বেঁচে যাই।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে আমি আমার পিতা ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি আধুনিক ও উন্নত দেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছি।

    আলোচনার শুরুতেই তিনি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্মরণ করেন, যিনি নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং ১৯৭১ সালে আমাদের একটি নিজস্ব মাতৃভূমি বাংলাদেশ উপহার দিয়েছিলেন।

    তিনি বলেন, ‘১৯৭২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি দ্রুতই জাপান আমাদের নতুন দেশকে স্বীকৃতি দেয়। তারপরে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালের অক্টোবরে জাপান সফর করেন এবং দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বের ভিত্তি স্থাপন করেন।’

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এবং বিডা’র নির্বাহী চেয়ারম্যান (সিনিয়র সচিব) লোকমান হোসেন মিয়া প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

    জাপানের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী নিশিমুরা ইয়াসুতোশি, জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশনের (জেইটিআরও) চেয়ারম্যান ইশিগুরো নোরিহিকো, জাপান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (জেসিসিআই) কেন কোবায়াশিসহ জাপান ও বাংলাদেশের সিইও এবং শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র চুক্তি উত্তর কোরিয়াকে মোকাবিলায়

    যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র চুক্তি উত্তর কোরিয়াকে মোকাবিলায়

    উত্তর কোরিয়ার লাগাতার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার মধ্যেই যুগান্তকারী পরমাণু চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া। উত্তর কোরিয়ার পরমাণু-হুমকি মোকাবেলায় দেশ দুটি এই চুক্তিতে স্বাক্ষর। খবর বিবিসির।

    নতুন এই চুক্তি অনুযায়ী, ওয়াশিংটন পর্যায়ক্রমে দক্ষিণ কোরিয়ায় মার্কিন পারমাণবিক সশস্ত্র সাবমেরিন মোতায়েন এবং সিউলকে পারমাণবিক পরিকল্পনা কার্যক্রমে যুক্ত করতে সম্মত হয়েছে।

    বিবিসি জানায়, নতুন চুক্তির অধীনে ওয়াশিংটন পর্যায়ক্রমে দক্ষিণ কোরিয়ায় তাদের পরমাণু অস্ত্র সজ্জিত সাবমেরিন মোতায়েন করবে। এ ছাড়া সিউলকে তারা নিজেদের পারমাণবিক পরিকল্পনা কার্যক্রমের অংশ করতেও সম্মত হয়েছে।

    ওয়াশিংটনের এ ঘোষণা উত্তর কোরিয়ার আক্রমণ প্রতিরোধে মিত্রদের সহযোগিতা জোরদার করবে বলে মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

    উত্তর কোরিয়া যেভাবে তাদের পরমাণু অস্ত্র উন্নয়নের কাজে অগ্রগতি অর্জন করেছে, তা ওয়াশিংটন ও সিউল উভয়ের জন্যই মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইয়ুন সুক ইওলের যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময়ই এই চুক্তির কথা ঘোষণা করা হলো। দক্ষিণ কোরিয়াকে আশ্বস্ত করে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, যদি উত্তর কোরিয়া পরমাণু-অস্ত্র ব্যবহার করে বা তাদের সেই অস্ত্রের ব্যবহার থেকে থামাবার দরকার হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের পরমাণু-অস্ত্র ব্যবহার করবে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের কোনো শহরে যদি পরমাণু অস্ত্র হামলার ঝুঁকি থাকে, তাও তারা দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য এই কাজ করবে।

    পিয়ংইয়ং তাদের কৌশলগত পরমাণু অস্ত্র উন্নয়নের কাজে অনেকখানি অগ্রগতি অর্জন করেছে। যে অস্ত্র দিয়ে তারা দক্ষিণ কোরিয়ায় হামলা চালাতে সক্ষম হবে। যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে হামলা চালাতে সক্ষম দূরপাল্লার অস্ত্র পরিমার্জনের কাজেও এগিয়ে চলছে দেশটি।

    মিত্র দেশ হিসেবে অতীতে হওয়া একটি চুক্তির অধীনে যুক্তরাষ্ট্র আগেই যে কোনো হামলার বিরুদ্ধে দক্ষিণ কোরিয়াকে সুরক্ষা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ জন্য যদি প্রয়োজন পড়ে, তবে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের প্রতিশ্রুতিও ওয়াশিংটন আগেই দিয়ে রেখেছে।

    কিন্তু দক্ষিণ কোরিয়ার কেউ কেউ সেই প্রতিশ্রুতিতে সন্দেহ প্রকাশ করতে শুরু করেছে এবং দেশটিকে নিজস্ব পারমাণবিক কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

    তবে যুক্তরাষ্ট্রের সুরক্ষা প্রতিশ্রুতি নিয়ে নিজের মধ্যে কোনো সন্দেহ নেই বলে জানিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইয়ুন সুক-ইয়ল। রাষ্ট্রীয় সফরে বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন।

    তিনি বলেন, ওয়াশিংটনের ঘোষণা প্রতিরক্ষা বৃদ্ধি, আক্রমণ প্রতিরোধ এবং পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে মিত্রদের রক্ষা করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের একটি ‘অভূতপূর্ব’ প্রতিশ্রুতি হিসেবেই চিহ্নিত হবে।

    দুই দেশের মধ্যে নতুন যে চুক্তিটি হয়েছে, সেটি দীর্ঘ কয়েক মাসের আলোচনার ফসল বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রশাসনের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা।

  • অতিরিক্ত গরমে লাইন বেঁকে ট্রেনের ৭ বগি লাইনচ্যুত

    অতিরিক্ত গরমে লাইন বেঁকে ট্রেনের ৭ বগি লাইনচ্যুত

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অতিরিক্ত গরমের কারণে রেললাইন বেঁকে যাওয়ায় মালবাহী ট্রেনের সাতটি বগির চাকা লাইনচ্যুত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরতলির দাড়িয়াপুর রেলগেটসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রাম ও সিলেটের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

    অতিরিক্ত গরমে রেললাইন বেকে এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা মালবাহী ট্রেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন অতিক্রম করে। জেলা শহরের গোকর্ণ এলাকা অতিক্রম করে সদর উপজেলার দারিয়াপুর এলাকায় পৌঁছলে ট্রেনের সাতটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে। এতে চট্টগ্রাম ও সিলেটের সঙ্গে ঢাকা অভিমুখী এই রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তবে পাশে থাকা ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রাম ও সিলেট অভিমুখী রেলপথ দিয়ে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত মাস্টার রফিকুল ইসলাম জানান, চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকা অভিমুখী কনটেইনার বহনকারী মালবাহী ট্রেনের সাতটি বগি দারিয়াপুর এলাকায় লাইনচ্যুত হয়। আখাউড়া থেকে উদ্ধারকারী ট্রেনকে খবর দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় প্রায় ৫০০ মিটার রেললাইনের স্লিপার ভেঙে গেছে।

  • ঢাকা-টোকিও বিনিয়োগ সম্পর্ক উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যেতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

    ঢাকা-টোকিও বিনিয়োগ সম্পর্ক উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যেতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে ৫০ বছরের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মূল্যায়ন করে পরবর্তীতে উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, ‘আমি নিশ্চিত যে জাপানের সাথে আমাদের গত পঞ্চাশ বছরের ঈর্ষণীয় সহযোগিতা আগামী পঞ্চাশ বছর এবং তার পরেও অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। আসুন আমাদের ব্যবসা ও বিনিয়োগ সম্পর্ককে পরবর্তীতে উচ্চস্তরে নিয়ে যাই।’

    বৃহস্পতিবার সকালে টোকিওর ওয়েস্টিনের সাকুরায় জাপানিজ বিজনেস লিডারদের (সিইও) সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন।

    তিনি বলেন, গত পাঁচ দশকে আমাদের দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের দৃষ্টান্তমূলক ফলাফল দেখে আগামী বছরগুলোতে বাংলাদেশে জাপানের বৃহত্তর পদযাত্রার প্রত্যাশা আমাদের।
    প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি জাপানের ব্যবসায়ীদের মতামতকে গুরুত্ব দেন এবং তাদের পরামর্শগুলো নোট করেছেন।

    তিনি বলেন, ‘টোকিওতে আমাদের দূতাবাস বাংলাদেশে আপনাদের উদ্যোগকে সহযোগিতা ও সহজতর করতে প্রস্তুত। অনুগ্রহ করে আপনাদের জন্য অপেক্ষারত ব্যবসা এবং বিনিয়োগের সম্ভাবনাগুলো অনুসন্ধান করতে বাংলাদেশে আসুন।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা ইতোমধ্যে বাংলাদেশে জাপানি কোম্পানির (আরও জাপানি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে) উত্থাপিত বেশ কয়েকটি নিয়ন্ত্রক ও নীতিগত সমস্যা সমাধান করেছেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, তিনি নিজে বাংলাদেশ-জাপান জয়েন্ট পাবলিক- প্রাইভেট ইকোনমিক ইকোনমিক ডায়ালগ (পিপিইডি) গঠনের উদ্যোগ নিয়েছেন এবং তিনি সন্তুষ্ট যে, পিপিইডি’র ৫ম রাউন্ড ২০২৩ সালের ১১ এপ্রিল জাপানে তার আগমনের ঠিক আগে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

    তিনি বলেন, ‘আমরা ব্যবসায়িক পরিবেশের উন্নতি অব্যাহত রাখব এবং বাংলাদেশে ব্যবসা করতে আপনাদের সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করব।’

    তিনি উল্লেখ করেন,  দক্ষিণ এশিয়ায় আমাদের সবচেয়ে উদার বিদেশী বিনিয়োগ ব্যবস্থা রয়েছে।
    তিনি বলেন, ‘প্রতিযোগিতামূলক খরচ, প্রচুর মানবসম্পদ, উচ্চ ক্রয়ক্ষমতাসহ বিশাল দেশীয় ভোক্তা বাজার এবং ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্তের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ বিনিয়োগের জন্য একটি অত্যন্ত লাভজনক অবস্থান হিসেবে দ্রুত আবির্ভূত হচ্ছে।’

    শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশাধিকার উন্নত করার মাধ্যমে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক কেন্দ্র হতে সচেষ্ট।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁরা সারাদেশে অর্থনৈতিক অঞ্চল, হাই-টেক/সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক স্থাপন করছেন।

    তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সংযোগের কেন্দ্র হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্টা করতে পরিকল্পিত অবকাঠামোগত ভিত্তি তৈরি করছে। আজ, আমি আপনাদের খোলামেলা এবং উৎপাদনশীল ধারণাগুলো শুনে খুশি। এটি আমাদের বন্ধুত্বপ্রতীম উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও প্রসারিত ও শক্তিশালী করবে।’

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এ সময় উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বাংলাদেশ ও জাপানের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

    শেখ হাসিনা জাপানের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
    তিনি বলেন, ‘প্রায় চার বছর আগে ২০১৯ সালে আমি টোকিওতে আপনার সাথে শেষ দেখা করেছিলাম। আমি খুশি তারপর থেকে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা, বিনিয়োগ, বাণিজ্য এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রমে অনেক কিছু ঘটেছে।’

    বাংলাদেশ ও জাপান গত বছর দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন আগামী ৫০ বছরে আমাদের সম্পর্ককে আরও নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছি।

    তিনি বলেন, কোভিড-১৯ মহামারির মধ্যেও জাপানের সাথে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ২০২১-২২ অর্থবছরে প্রথমবারের মতো বিলিয়ন মার্কিন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে।

    তিনি বলেন, ‘গত কয়েক বছরে বাংলাদেশে কাজ করা জাপানি কোম্পানির সংখ্যা ক্রমাগত বেড়েছে বিশেষকরে ২০১৪ সাল থেকে যখন আমরা আমাদের ‘বিস্তৃত অংশীদারিত্ব এবং বিগ-বি উদ্যোগের অধীনে জাপানের প্রতিশ্রুতিতে প্রবেশ করি’।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাপানি ব্যবসায়ীরাও বাংলাদেশের ব্যবসার এই ক্রমবর্ধমান প্রবণতাকে অনুসরণ করছেন এবং তারা জাপানের বিদ্যমান ব্যবসা সম্প্রসারণ অথবা বাংলাদেশে নতুন ব্যবসা চালু করতে ইতিবাচকভাবে ঝুঁকেছেন।

    তিনি বলেন, ‘আজ আপনাদের সাথে আমার আলোচনার মাধ্যমে আমি আপনাদেরকে আশ্বস্ত করতে চাই যে, আমার সরকার এবং সব সংস্থা বাংলাদেশে ব্যবসায়িক প্রচেষ্টায় আপনাকে এবং জাপানের আমাদের অন্যান্য বন্ধুদের সাহায্য করতে আগ্রহী।’

    বৈঠকে জাপানের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতারা বাংলাদেশে বিনিয়োগ নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।

    সূত্র : বাসস