Author: Hello Bangla News

  • জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব থেকে দেশকে রক্ষা করা আমাদের কর্তব্য: প্রধানমন্ত্রী

    জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব থেকে দেশকে রক্ষা করা আমাদের কর্তব্য: প্রধানমন্ত্রী

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: আজ ২০২৩ বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণকালে বলেন, ‘আমি বাংলাদেশের পরিবেশ রক্ষায় সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। কারণ জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব থেকে দেশকে রক্ষা করা আমাদের কর্তব্য।’

    পরিবেশ মেলা-২০২৩, জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৩-এর উদ্বোধনের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তিনটি চারা রোপণ করেন।

    এ সময় শেখ হাসিনা আরো বলেন, ‘আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবসে আমি গাছ লাগিয়েছি। আমি আশা করি- বাংলাদেশের সবাই (জনগণ) এটি (গাছ লাগাতে) অনুসরণ করবেন।’

    সরকার প্রধান বলেন, বাংলাদেশ যাতে আরও সুন্দর, সবুজ ও উন্নত হয় সেজন্য তারা ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছেন।

    তিনি আরও বলেন, ‘আমি চাই জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশ  যেন কোনো ক্ষতির সম্মুখীন না হয়। তাই সবাইকে গাছ লাগাতে বলছি।’

    বিশ্বব্যাপী দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রেক্ষিতে ফলমূল, শাকসবজি ও অন্যান্য ফসল উৎপাদনের জন্য প্রতিটি স্থানে গাছ লাগাতে এবং প্রতিটি এলাকাকে উৎপাদনের আওতায় আনতে প্রধানমন্ত্রী জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।

    বিশ্বব্যাপী উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে অনেক উন্নত দেশও হিমশিম খাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের জনগণকে সংকট থেকে রক্ষা করতে সরকারের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা থাকবে।

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি দেশের প্রতিটি তিনটি গাছ লাগাতে অনুরোধ করতে চাই এবং যদি তা সম্ভব নাও হয়- তবে অন্তত একটি গাছ লাগান।’

    তিনি শিক্ষার্থীদের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে গাছ লাগাতে বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ- ১৯৮৫ সালে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু করে, ১৯৮৪ সালে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং বাংলাদেশ কৃষক লীগকে কর্মসূচি বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেয়া হয়।

    তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অন্তত তিনটি বনজ, ফলদ ও ভেষজ চারা রোপণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

    আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, তাঁর দল বিগত বছরের মতো এবারও আষাঢ় মাসের প্রথম দিনে বৃক্ষরোপণ অভিযান শুরু করবে।

    এ সময় আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, পরিবেশমন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন, পরিবেশ উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন ও পরিবেশ সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র : বাসস

  • পৃথিবীর একশ’রও বেশি দেশের বাজেটেই ঘাটতি থাকে: হাছান মাহমুদ

    পৃথিবীর একশ’রও বেশি দেশের বাজেটেই ঘাটতি থাকে: হাছান মাহমুদ

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক:  তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় কালে বলেন, ‘বাজেট নিয়ে যে ‘পেশাদার সমালোচক’রা বলেন তারা অনেক গবেষণা করেন, বাজেটের ঘাটতিকে বড় করে দেখান, তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি  আমাদের দেশে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে জিডিপির অনুপাতে ঘাটতি ৫ দশমিক ২ শতাংশ আর ভারতের ক্ষেত্রে এ ঘাটতি ৫ দশমিক ৯ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্রে ৬ শতাংশ, যুক্তরাজ্যে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ। অর্থাৎ ভারত, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রের বাজেট ঘাটতি বাংলাদেশের চেয়ে বেশি। শুধু তাই নয় পৃথিবীর একশ’রও বেশি দেশের বাজেটেই ঘাটতি থাকে। ’

    গতকাল রবিবার দুপুরে সচিবালয়ে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে মতবিনিময় কালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ‘রাজনৈতিক সমালোচক’রা তো বাজেট না পড়েই বক্তব্য দিয়েছেন। আসলে এ বাজেট জনবান্ধব, গরিববান্ধব। কারণ বাজেটে সরকারের পক্ষ থেকে সরাসরি উপকারভোগী, ভাতাভোগীর সংখ্যা এবং ভাতার পরিমান বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে এবং সরাসরি ২ কোটি মানুষ সরকারের কাছ থেকে নানাভাবে অর্থসহ বিভিন্ন সহায়তা পাবে। যারা পাবে তারা সবাই দরিদ্র। তাহলে কি এটি গরিববান্ধব বাজেট নয়!’

    সাংবাদিকরা এ সময় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, আমেরিকা না গেলে কিছু আসে যায় না, পৃথিবীতে অনেক মহাদেশ আছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘নতুন ভিসা নীতি ঘোষণার পর যারা যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিয়ে টেনশনে আছে, তাদের টেনশন কমানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেছেন। আমাদের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার। আমরা সেই সম্পর্ক আরো ঘনিষ্ঠ করতে চাই এবং সে কারণে আপনারা দেখেছেন যে, সরকার পররাষ্ট্র এবং আরো অন্যান্য বিষয়ে অনেক ইতিবাচক সিদ্ধান্ত  গ্রহণ করেছে। একই সাথে অন্যান্য দেশ-মহাদেশ যেমন, দক্ষিণ আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য, দূরপ্রাচ্যের আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোতে এবং ওশানিয়া অঞ্চলে বাণিজ্যের প্রচুর সম্ভাবনাময় এলাকায় আমরা বাণিজ্য বাড়াতে চাই। প্রধানমন্ত্রী সে কথাই বলেছেন।’

    কর আরোপ প্রসঙ্গে ড. হাছান বলেন, ‘বাধ্যতামূলক কর দিতে হবে এটা সঠিক নয়। যাদের টিন (ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার) সার্টিফিকেট আছে কিন্তু ট্যাক্স ফাইল করে না, তাদের ২ হাজার টাকা ফি দিয়ে ট্যাক্স ফাইল করার কথা বলা হয়েছে।’

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্য ‘সরকারের পেছনে আজরাইল দাঁড়িয়ে আছে’ এর সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, ‘আজরাইল উনাদের পেছনেও আছে, আজরাইলের সাথে শয়তানও আছে। ফখরুল সাহেব যে বিষয়কে ইঙ্গিত করে বলেছেন, সেটি যদি আজরাইল হয় তাহলে সেই আজরাইল উনাদের অনেক বেশি কাছাকাছি কারণ যার সাথে শয়তান থাকে, আজরাইল তার কাছে আগে পৌঁছায়। মির্জা ফখরুল সাহেবকে এ জন্য বলবো, এ ধরণের বক্তব্য রেখে আত্মতুষ্টির চেষ্টা করে কোনো লাভ হবে না। আপনাদের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মাঠে মারা গেছে এবং সারা দুনিয়ার কোনো জায়গা থেকে সমর্থন পায় নাই। সুতরাং আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করুন।’

    বিএনপি তাদের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলাকারী ও সংশ্লিষ্ট পুলিশের তালিকা করছে এ বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরাও তালিকা করছি। যারা আগুন সন্ত্রাস চালিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশের ওপর হামলা পরিচালনা করেছে, গাড়িঘোড়া ভাংচুর করেছে, অগ্নিসংযোগ করেছে, ভোটে বাধা দিয়েছে, তাদের এবং তাদের হুকুমদাতা, অর্থদাতাদেরও তালিকা আমরা করছি। বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ আমাদের কাছে আছে, সেগুলো এক জায়গায় করছি। আমাদের কাছ থেকে অনেকে তালিকা চেয়েছে। খুব সহসা যে সমস্ত জায়গায় দেওয়া প্রয়োজন, পৌঁছানো প্রয়োজন সে সবখানে আমরা তালিকা দেবো।’

    সূত্র : বাসস

  • বিদ্যুতের ঘাটতি বিশ্বের প্রতিটি মানুষের জীবনকে অসহনীয় করে তুলেছে: শেখ হাসিনা

    বিদ্যুতের ঘাটতি বিশ্বের প্রতিটি মানুষের জীবনকে অসহনীয় করে তুলেছে: শেখ হাসিনা

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক:  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদে বলেন, খাদ্য সংকট, মূল্যস্ফীতি, পরিচালনা ও পরিবহন ব্যয়, বিদ্যুতের ঘাটতি বিশ্বের প্রতিটি মানুষের জীবনকে অসহনীয় করে তুলেছে।

    গতকাল সংসদে ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্য আফছারুল আমীনের মৃত্যুতে আনীত শোক প্রস্তাবে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

    তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে হবে।  আমাদের চেষ্টা করতে হবে। পৃথিবীতে এই অস্বাভাবিক পরিস্থিতি কতদিন চলবে তা কেউ বলতে পারে না। হয়তো বিশ্ব পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।  তবে, আমরা আমাদের দেশের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সবকিছু করছি।

    বর্তমান অস্থির বিশ্ব পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন শেখ হাসিনা।

    তিনি আরও বলেন, কোভিড-১৯ মহামারীর ফলে সারা বিশ্বে খাদ্য সংকট, মূল্যস্ফীতি, পরিচালনা ও পরিবহন ব্যয়, বিদ্যুতের ঘাটতি এবং তার ওপর ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ প্রতিটি মানুষের জীবনকে অসহনীয় করে তুলেছে।

    সরকার প্রধান বলেন, সরকার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী শতভাগ মানুষের ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছে।

    বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেল, কয়লা বা গ্যাসের সংকট চলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখন জ্বালানি কেনা খুবই কঠিন। অনেকটা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তারপরও আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

    সরকার কাতার ও ওমানের সাথে জ্বালানি ক্রয়ের চুক্তি করেছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ইতিমধ্যে কয়লা কেনার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যাতে আমরা বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো পুনরায় চালু করতে পারি।

    তিনি আরও বলেন, সরকার জলবিদ্যুৎ আমদানির ব্যবস্থাও নিয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ আর্থ-সামাজিকভাবে এগিয়ে যাওয়ায় স্বাধীনতার সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাচ্ছে।

    তিনি উল্লেখ করেন, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ, নিষেধাজ্ঞা, পাল্টা নিষেধাজ্ঞা, বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি ও জ্বালানি তেল সংকটের কারণে শুধু বাংলাদেশ নয়, উন্নত দেশগুলোও হিমশিম খাচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, ইউরোপ-আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে জ্বালানি ঘাটতি রয়েছে। আছে লোডশেডিং বা বিদ্যুতের সীমিত ব্যবহার। খাবার থেকে শুরু করে সব কিছুর দাম বেড়েছে। এমনকি উন্নত দেশগুলোতেও অনেক লোক তাদের চাকরি হারাচ্ছে।

    বিশ্বব্যাপী একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতি অব্যাহত রয়েছে উল্লেখ কওর তিনি বলেন, “আমি জানি না আগে কখনো এমন হয়েছে কিনা। হতে পারে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর দুর্ভিক্ষ হয়েছিল।”

    আফসারুল আমিনের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি ছাত্রজীবন থেকেই ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

    “তিনি (আফসারুল আমিন) প্রতিটি সংগ্রামে ভূমিকা রেখেছেন। তিনি একজন নিবেদিত প্রাণ মানুষ ছিলেন। তার দলের প্রতি তার নিষ্ঠা ও সততা অতুলনীয় ছিল। তিনি মন্ত্রী হিসেবেও দারুণ সাফল্য  দেখিয়েছেন।”

    আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, শিক্ষা উপমন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী, ওয়াসেকা আয়শা খান, মোতাহার হোসেন ও নুরুল ইসলাম নাহিদসহ জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মুজিবুল হক চুন্নু ও মসিউর রহমান রাঙ্গা বক্তব্য রাখেন।

    আফসারুল আমিনের মৃত্যুতে সংসদে শোক প্রস্তাব উত্থাপন করেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে শোক প্রস্তাব গৃহীত হয়।

    পরে এক মিনিট নীরবতা পালন ও মোনাজাত করা হয়।

    সূত্র : বাসস

  • ইউসিবি ও উপায় এর সাথে জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউসন সিস্টেম লিমিটেডের ত্রি-পক্ষীয় চুক্তি

    ইউসিবি ও উপায় এর সাথে জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউসন সিস্টেম লিমিটেডের ত্রি-পক্ষীয় চুক্তি

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: গ্রাহকদের সেবার মান উন্নয়নে, দ্রুত বর্ধনশীল মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান উপায় এবং ইউসিবি এর সাথে সম্প্রতি ত্রিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিসন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেড (জেজিটিডিএসএল)। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

    উক্ত ত্রি-পক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপায় এর চিফ কমার্শিয়াল অফিসার জিয়াউর রহমান, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের এসইভিপি ও হেড অব ট্রান্সেকশন ব্যাংকিং মো. সেকান্দার-ই-আজম এবং জেজিটিডিএসএল-এর কোম্পানি সচিব মো. শহিদুল ইসলাম।

    চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লি. এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌ. মনজুর আহমদ চৌধুরী এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও উপায় এর পরিচালন পর্ষদ সদস্য এটিএম তাহমিদুজ্জামান। অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেজিটিডিএসএল এর মহাব্যবস্থাপকগণ সহ প্রকল্প পরিচালক প্রকৌ. লিটন নন্দী, অফিসার্স ওয়েলফেয়ার এসাসিয়েশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, প্রকল্প দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, সিবিএর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, সিলেটস্থ ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের ভিপি ও শাখা ব্যবস্থাপক মো. নাজমুল ইসলাম ও সভ্যসাচী গুপ্ত এবং উপায় থেকে হেড অব গভার্ণমেন্ট সেল্স হাসান মো. জাহিদ।

    ইউসিবি, উপায় ও জালালাবাদ গ্যাসের মধ্যে প্রয়োজনীয় কারিগরী সংযোগ স্থাপন শেষে দ্রুতই এ সেবাটি চালু করা হবে। এ চুক্তির ফলে জালালাবাদ গ্যাসের সম্মানিত গ্রাহকগণ POS ও GPRS পদ্ধতিতে জেজিটিডিএসএল কাস্টমার অ্যাপ, উপায় কাস্টমার অ্যাপ এবং উপায় এজেন্ট অ্যাপ-উভয়ের মাধ্যমেই প্রি-পেইড গ্যাস মিটারে রিচার্জ করতে পারবে।

    ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের সাবসিডিয়ারি ‘উপায়’ আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে ২০২১ সালের ১৭ মার্চ । বর্তমানে উপায় বিস্তৃত পরিসরে এমএফএস সেবা প্রদান করছে ইউএসএসডি এবং মোবাইল অ্যাপ উভয়ের মাধ্যমে। উপায় এর মাধ্যমে গ্রাহকরা সব ধরনের আর্থিক লেনদেন যেমন: ক্যাশ-ইন, ক্যাশ-আউট, ইউটিলিটি বিল পেমেন্ট, মার্চেন্ট ও ই-কমার্স পেমেন্ট, রেমিট্যান্স, বেতন ও সরকারি ভাতা গ্রহণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফি, মোবাইল রিচার্জ ছাড়াও সেতুর টোল প্রদান, ট্রাফিক ফাইন পেমেন্ট এবং ভারতীয় ভিসা ফি পেমেন্টের মতো সেবা গ্রহণ করতে পারছেন।

    ত্রি-পক্ষীয় চুক্তি দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে গ্রাহকদের সেবার মান বাড়বে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা ।

  • ভার্চুয়াল জগতের সর্বোচ্চ সুরক্ষায় টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন

    ভার্চুয়াল জগতের সর্বোচ্চ সুরক্ষায় টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন

    টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (টুএফএ) একটি নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা যা পেতে হলে একটি নিয়মিত ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড ছাড়াও একটি অতিরিক্ত শনাক্তকারী ব্যবস্থা ব্যবহার করতে হয়। ব্যাংক, ইমেইল প্রদানকারী এবং প্রিয় গেমিং প্লাটফর্ম থেকেও এই টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সেটআপ করার অনুরোধ আসে। অনেকেই এই টু ফ্যাক্টর অথিনটিকেশনের বিষয়টি বুঝতে পারে না বা কেন এটি ব্যবহার করতে হয় সেটাও পরিস্কার নয় তাদের কাছে।

    টুএফএ বঝতে হলে ওয়ান ফ্যাক্টর অথিনটিকেশন আগে বোঝতে হবে। এরপর একে বাস্তব বিশ্ব এবং ভার্চুয়াল সিকিউরিটি মডেলের সাথে তুলনা করতে হবে। বিষয়টি এভাবে বোঝানো যায়। যখন আমরা কাজ থেকে ফিরে ঘরে প্রবেশ করতে চাই তখন চাবি দিয়ে দরজার তালা খুলি। এখানে সাধারন ওয়ান ফ্যাক্টর অথিনটিকেশন ব্যবহার করা হয়েছে। এক্ষেত্রে চাবিটি ঘরের মালিক নাকি তার প্রতিবেশি অথবা অপরাধীর হাতে রয়েছে সেটি কোন বিষয় নয়। এখানে শুধুমাত্র চাবিই মুখ্য বিষয়। একইভাবে শুধুমাত্র ইউজারনেম অথবা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে ওয়েবসাইট বা কোন অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা যায়।

    ঘরের চাবি অথবা অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড যদি চুরি না হয় তাহলে তো ভালই। তবে যদি চাবি চুরি হয় তাহলে ঘরের জিনিসপত্র হাওয়া হবে; ভার্চুয়াল জগতে এটি আরো জটিল আকার ধারণ করে। ফলে টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন প্রয়োজন।

    টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন কি?

    টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন হচ্ছে মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশনের (এমএফএ) একটি অংশ। সব টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশনই মাল্টি-ফ্যাক্টর। তবে সব মাল্টিফ্যাক্টরই টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন নয়। এমএফএ সিস্টেমের জন্য তিন ,চার অথবা এরও বেশি অতিরিক্ত প্রমানীকরনের প্রয়োজন হয়। টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশনে দুই বা তিন প্রমানীকরনের ব্যবহার হয়। যেমন-

    -আপনি যা জানেন (ব্যাংক কার্ডের পনি অথবা ইমেইল পাসওয়ার্ড)
    -আপনার কাছে যা আছে (ব্যাংক কার্ড বা প্রমানীকরন টোকেন)
    -যা আপনি (ফিঙ্গারপ্রিন্টের মতো বায়োমেট্রিক্স অথবা আইরিস প্যাটার্ন)

    আপনি যদি ডেবিট কার্ড ব্যবহার করে থাকেন তাহলে আপনি টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশনের সহজ রূপ ব্যবহার করেছেন। তবে এক্ষেত্রে পিন জানা অথবা হাতে কার্ড থাকাই যথেষ্ট নয়। এটিএমএ ব্যাংক অ্যাক্সেসস রাখতে উভয়ই প্রয়োজন হবে।

    টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বিভিন্ন রূপ নিতে পারে এবং এখনো ২ থেকে ৩ প্রমানীকরনের শর্ত পূরণ করতে পারে। এটি আরএসএ সিকিউরআডির মতো ফিজিক্যল টোকেন হতে পারে যা ক্রমাগত সিকিউর কোড তৈরি করে।

    টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন কেন ও কোথায় ব্যবহার করা হবে?

    টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন ব্যবহার করা যায় এমন সবক্ষেত্রেই এটি ব্যবহার করা উচিত। নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং পরিচয় চুরি, আর্থিক লোকসান ও সর্বোপরি নানারকম ঝক্কি এড়াতে এটি খুবই ঝামেলাবিহীন সহজ উপায়। ২০১৯ সালে সম্পন্ন মাইক্রোসফটের এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, অ্যাকাউন্ট হ্যাকের যে ঘটনাগুলো ঘটেছে সেখানকার ৯৯ দশমিক ৯ শতাংশেরই টু অথেনটিফিকেশন সক্রিয় ছিলো না।

    সবকিছুর ক্ষেত্রেই কি এই টুএফএ প্রয়োজন? তার প্রয়োজন নেই। ব্যক্তিগত তথ্য থাকে না এবং প্রকৃত ইমেইল অথবা অর্থ সংক্রান্ত তথ্য থাকে না এমন ক্ষেত্রগুলোয় এই টুফ্যাক্টর প্রয়োজন হয় না।

    ক্রেডিট কার্ড অথবা প্রাথমিক ইমেইল অ্যাকাউন্টে দ্বিতীয় স্তরের অথেনটিকেশন থাকলে তা খুবই চমৎকারভাবে নিরাপত্তা বৃদ্ধি করে। অ্যাকাউন্ট চুরি অথবা অন্য কোনভাবে অবৈধ প্রবেশের ফলে যে ব্যক্তিগত এবং আর্থিক ট্রমা সৃষ্টি হয় তা টু অথেনটিফিকেশন চালুর মাধ্যমে এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব।

    যদি ব্যাংক টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালুর অফার দেয় তাহলে এটি গ্রহন করাই উচিত। পেপলের মতো ফিন্যান্সিয়াল টুলের ক্ষেত্রে বিষয়টি ভুলে যাওয়া চলবে না। এছাড়া যেসব পরিষেবা থেকে টাকা পাঠানো বা গ্রহন করা হয় সেক্ষেত্রে ২এফএ ব্যবহার করতে হবে। ফাইল ব্যাকআপ, ছবির ব্যাকআপের মতো ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহে রাখে এমন ক্ষেত্রেও ২এফএ ব্যবহার করতে হবে। ভিডিও গেম প্লাটফর্মের ক্ষেত্রেও এটি প্রয়োজনীয়।

    তথ্যসূত্রঃ আরএপি

  • কচু দিয়ে নারকেলি চিংড়ি

    কচু দিয়ে নারকেলি চিংড়ি

    উপকরণঃ

    কচুর মূল ২৫০ গ্রাম, চিংড়ি মাছ ৩০০ গ্রাম, নারকেল এর দুধ দেড় কাপ, মিহি নারকেল বাটা ১ কাপ, আদা বাটা হাফ চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, হলুদ গুড়া দেড় চা চামচ, মরিচ গুড়া ২ চা চামচ, ধনিয়া গুড়া হাফ চা চামচ, জিরা গুড়া হাফ চা চামচ, লবন স্বাদ মতো, কাচা মরিচ ফালি ৪/৫ টা, পেয়াজ কুচি ৩ টেবিল চামচ, রসুন কুচি ২ টেবিল চামচ, সয়াবিন তেল ৪ টেবিল চামচ, সরিষা তেল ২ টেবিল চামচ, ধনে পাতা সামান্য।

    কচু দিয়ে নারকেলি চিংড়িপ্রনালি:

    প্রথমে কচু পাতলা করে কেটে ধুয়ে, ফুটন্ত গরম পানিতে সিদ্ধ করে নিতে হবে। সিন্ধ কচু ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। তার পর ১ টেবিল চামচ তেল গরম করে তাতে রসুন কুচি, হাফ চামচ হলুদ, লবন ও ধনিয়া দিয়ে কচু গুলি ভাজতে হবে।

    একটা হাড়িতে ৩ টেবিল চামচ তেল গরম করে পেয়াজ কুচি দিয়ে তাতে হাফ চা চামচ আদা বাটা, ১ চা চামচ রসুন বাটা, দিয়ে কসাতে হবে। এর পর একে একে সব গুড়া মসলা এবং নারকেল বাটা দিয়ে ভালো করে কসিয়ে নিতে হবে, তেল উপরে উঠলে, চিংড়ি মাছ দিয়ে কসাতে হবে হাল্কা আচে  ভালো করে। এর পরে হাফ কাপ নারকেল এর দুধ দিয়ে অল্প গরম তাপে রাখতে হবে।  এর পর ভেজে রাখা কচুর টুকরো গুলি দিয়ে ভালো ভাবে কসিয়ে নিতে হবে তেল উপরে উঠে আসা পযন্ত। ১ কাপ ফুটন্ত গরম পানি দিয়ে কিছুক্ষন রান্না করতে হবে। বাকি  ১ কাপ নারকেল এর দুধ দিয়ে রান্না করতে হবে আরো ১৫ মিনিট মৃদু আঁচে, ঝোল ঘনো হয়ে তেল উপরে উঠে আসলে সব শেষে  কাচা মরিচ ফালি ও ধনে পাতা দিতে হবে,  লবন চেক করে নামিয়ে রাখুন। একটা কড়াইতে ১ টেবিল চামচ সরিষা তেল দিয়ে তাতে রসুন ও শুকনো মরিচ পোড়ন দিয়ে বাগাড় দিন। অল্প আচে রান্না করুন আরো ৫ মিনিট। সব শেষ উপরে এক টেবিল চামচ সরিষার তেল ছিটিয়ে দিন।  হয়ে গেলো দারুন স্বাদের কচু দিয়ে নারকেলি চিংড়ি।

    রেসিপি দিয়েছেন :জাহানারা আকতার নীলা (নাজু)

  • টেস্ট ক্রিকেট ফাইনাল ড্র হলে দুই দলকেই যুগ্ম বিজয়ী ঘোষণা

    টেস্ট ক্রিকেট ফাইনাল ড্র হলে দুই দলকেই যুগ্ম বিজয়ী ঘোষণা

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: আসছে ৭ জুন থেকে ইংল্যান্ডের ওভালে শুরু হতে যাচ্ছে  বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল। এই খেলায় অংশগ্রহণ করবে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া ।

    জিতলে ট্রফি উঠবে রোহিত শর্মা অথবা প্যাট কামিন্সের হাতে। কিন্তু  টেস্ট ম্যাচটি যদি ড্র হয়, তাহলে জিতবে কে? এই ধরণের প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে টিকেট প্রেমিকদের মনে।

    গত বার ভারত এবং নিউ জ়িল্যান্ড ফাইনাল খেলেছিল। সেই ম্যাচে হেরে যায় ভারত। এ বার অস্ট্রেলিয়া বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের লিগে শীর্ষে থেকে ফাইনালের টিকিট পায়। ভারত ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েই দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে এবং আরও এক বার ফাইনাল খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।  দুই দলেই একাধিক তারকা ক্রিকেটার রয়েছেন। রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, মহম্মদ শামিরা সহজে ছেড়ে দেবেন না। উল্টো দিকে প্যাট কামিন্স, স্টিভ স্মিথ, মিচেল স্টার্করাও তৈরি। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে ম্যাচ ড্র হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ম্যাচ ড্র হয়ে গেলে ট্রফি কারা পাবেন?

    লিগ টেবিলে শীর্ষ ছিল অস্ট্রেলিয়া। ভারত ছিল দ্বিতীয় স্থানে। এই ক্ষেত্রে ম্যাচ ড্র হলে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থাকা দলটি চাম্পিয়ন হবে। এমনটাই মনে হওয়া স্বাভাবিক। কিন্ত সেটা হচ্ছেনা। আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী ফাইনাল ড্র হলে দুই দলকেই যুগ্মবিজয়ী ঘোষণা করা হবে।

    সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

  • শেখ হাসিনা চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনের উদ্বোধন করেছেন

    শেখ হাসিনা চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনের উদ্বোধন করেছেন

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ ভার্চুয়ালি নতুন যাত্রীবাহী চিলাহাটি এক্সপ্রেস  ট্রেন- উদ্বোধন করেছেন। ট্রেনটি চিলাহাটি-ঢাকা-চিলাহাটি রুটে চলাচল করবে।

    প্রধানমন্ত্রী নীলফামারীর চিলাহাটি রেলওয়ে স্টেশনে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যোগদানের মাধ্যমে হুইসেল বাজিয়ে ও পতাকা নেড়ে ট্রেনের উদ্বোধন করেন।

    আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সহ ৮০০ জন যাত্রী বহনের ক্ষমতা সম্পন্ন নতুন চিলাহাটি এক্সপ্রেস সপ্তাহে ছয় দিন চিলাহাটি-ঢাকা-চিলাহাটিতে চলাচল করবে।

    শেখ হাসিনা চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনের উদ্বোধন করেছেনহলদিবাড়ী-চিলাহাটি রুটে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রেল যোগাযোগ পুনরায় চালু করায় চিলাহাটি রেলওয়ে স্টেশন নীলফামারী জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল হয়ে উঠেছে। পণ্য বোঝাই ওয়াগনের পাশাপাশি এই রুটে আন্তঃদেশীয় মিতালী এক্সপ্রেস চলাচল করছে।

    প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এম তোফাজ্জেল হোসেন মিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রেলওয়ে সচিব ড. মোঃ হুমায়ুন কবির। অনুষ্ঠানে রেলমন্ত্রী মোঃ নুরুল ইসলাম সুজন, এমপি বক্তব্য রাখেন।

    ২০০৯ সাল থেকে ক্ষমতায় আসার পর থেকে আওয়ামী লীগ সরকার গত ১৪ বছরে মোট ৭৪০ কিলোমিটার নতুন রেলপথ স্থাপন করেছে, ২৮০ কিলোমিটার রেলপথকে ডুয়েলগেজে রূপান্তর করেছে এবং ১৩০৮ কিলোমিটার রেলপথ পুনর্বাসন করেছে।

    এই সময়কালে, বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য মোট ১১৪টি লোকোমোটিভ সংগ্রহ করা হয়েছে এবং নতুন ৬২৩টি যাত্রীবাহী বগি এবং ৫১৬টি পণ্যবাহী ওয়াগন সংগ্রহ করা হয়েছে।

    এছাড়াও, ১৩০টি রেলস্টেশনের সিগন্যালিং সিস্টেম আধুনিকীকরণ করা হয়েছে।

    বর্তমানে দেশে যাত্রীদের চলাচলের জন্য ১৪২টি নতুন ট্রেন চলাচল করছে।

    অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ রেলওয়ের (বিআর) ওপর একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়।

    সূত্র : বাসস

  • বাংলাদেশ থেকে ৪৭ হাজার ৩শ’৭৪ জন হজযাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছেন

    বাংলাদেশ থেকে ৪৭ হাজার ৩শ’৭৪ জন হজযাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছেন

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: পবিত্র হজ পালনের জন্য ৩ জুন বুধবার পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪৭ হাজার ৩শ’৭৪ জন হজযাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছেন। এরমধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইন্স ২২ হাজার ৬৫০ জন ও সৌদি এয়ার লাইন্স ১৫ হাজার ৫৪১ জন হজ যাত্রী পরিবহন করেছে। এছাড়া  ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ৮ হাজার ৫৪১ জন হজ যাত্রী পরিবহন করেছে।

    ঢাকায় হজ অফিসের এক বুলেটিনে জানানো হয়, সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮ হাজার ৬৭৫জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩৮ হাজার ৬৯৯ জন হজ যাত্রী বিভিন্ন হজ ফ্লাইটে সৌদি আরব পৌঁছেছেন। এবার ৬০৩টি হজ এজেন্সী বাংলাদেশ বিমান এয়ার লাইন্স ও সৌদি এয়ার লাইন্সের এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স মাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ যাত্রী পরিবহণ করবে। এবার মোট ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজযাত্রী সৌদি আরব যাওয়ার অনুমতি পেয়েছে।

    চাঁদ দেখা সাপেক্ষে চলতি বছরের ২৭ জুন পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে।

    আগামী ২২ জুন বিমানের হজ ফ্লাইট শেষ হবে। গত ২১ মে থেকে হজ ফ্লাইট শুরু হয়। এরমধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও সৌদি এয়ারলাইন্স এসব হজযাত্রী পরিবহন করবে।

    আগামী ২ জুলাই হজযাত্রীদের ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে। শেষ ফিরতি ফ্লাইট হবে ২ আগস্ট।

    সূত্র : বাসস

  • বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত করতে আমরা একটি উপযুক্ত বাজেট ঘোষণা করেছি: প্রধানমন্ত্রী

    বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত করতে আমরা একটি উপযুক্ত বাজেট ঘোষণা করেছি: প্রধানমন্ত্রী

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার বিকেলে রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ ভবন (ঢাকা জেলা ও ঢাকা উত্তর আওয়ামী লীগের কার্যালয়) উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির ভাষণে বলেন, কে কি বলছে তা নিয়ে আমাদের মাথা ঘামানোর দরকার নেই। আমরা একটি উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত করার জন্য আমরা একটি উপযুক্ত বাজেট ঘোষণা করেছি।’

    ঢাকা জেলা ও ঢাকা মহানগরের হাজার হাজার উৎসাহী আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

    আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ‘দেশের মানুষ আমাদের পক্ষে আছে। তাই, আমরা বাজেট বাস্তবায়ন করতে পারব, ইনশাআল্লাহ।

    প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘প্রতি বছর বাজেট পাশের আগে কেউ কেউ বলেন, আমরা বাজেট বাস্তবায়ন করতে পারব না। কিন্তু, আমরা প্রতিটি মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি।

    প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন অনুযায়ী ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ক্ষুধা  ও দারিদ্র্যমুক্ত একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তরের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান এমপি, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, এমপি, বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু এমপি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ড. মো. এনামুর রহমান, এমপি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

    ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজীর আহমেদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সংসদ উপনেতা বেগম মতিয়া চৌধুরী এমপি, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম।

    সূত্র : বাসস