হ্যালো বাংলা ডেস্ক: ধূমপান, মদ্যপান ও তামাক সেবন খাদ্যনালিতে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। কিন্তু খাদ্যনালিতে ক্যানসার হয়েছে কিভাবে বুঝবেন। বিশেষজ্ঞরা জানয়েছেন খাদ্যনালির ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাব্য কিছু উপসর্গ রয়েছে। তবে সেগুলি বেশ সাধারণ হওয়ায় অনেকের পক্ষেই বোঝা কঠিন যে এর কারণ ক্যানসার হতে পারে। মুখ, গলা ও খাদ্যনালিতে হওয়া ফুয়েল টিউমারই এই ধরনের ক্যানসারকে ডেকে আনে। এই উপসর্গগুলো দেখলে আপনাকে সতর্ক হতে হবে।
১) ঠান্ডা লাগলে গলাব্যথা হওয়া স্বাভাবিক, তবে কোনও কারণ ছাড়াই যদি শক্ত খাবার গিলতে অসুবিধা হয়। পরবর্তী কালে তরল খাবার খেতে এমনকি, ঢোঁক গিলতেও কষ্ট হতে পারে। তখনি সতর্ক হতে হবে।
২) তাছাড়া খাদ্যনালিতে যদি ক্যানসার বাসা বাঁধে তাহলে হজমের সমস্যাও দেখা যায়। বুকে জ্বালাভাব, বার বার ঢেকুর ওঠা, পেটে যন্ত্রণা ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
৩) হঠাৎ করে ওজন কমে যাওয়া, কোনও খাবারই খেতে ইচ্ছে না করা এই রোগের লক্ষণ।
৪) দীর্ঘ দিন ধরে কাশি, রাতে ঘুমের সময়ে শ্বাসকষ্ট, গলা ও বুকের মাঝখানে চিনচিনে ব্যথা, বিশেষ করে খাবার গিলতে গেলে কষ্ট হলে আপনাকে সতর্ক হতে হবে।
৫) তাছাড়া বমি বমি ভাব, ক্লান্তিবোধ, দুর্বলতা, খাওয়ার সময় দম বন্ধ হয়ে আসা বা একটানা কোষ্ঠকাঠিন্য এই রোগের লক্ষণ।
৬) গলার স্বরেও বদল আসতে পারে।
যে ক্যানসারগুলির প্রকৃতি বিরল, তাদের লক্ষণগুলিও বিরল। তবে সব সময়ে মনে রাখতে হবে, উপসর্গ আছে মানেই সেটা ক্যানসার নয়। সেটি অন্য কোনও রোগেরও লক্ষণ হতে পারে। কিন্তু এই উপসর্গগুলি থাকলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করিয়ে নেওয়া প্রয়োজন যে, আদৌ ক্যানসারের সম্ভাবনা আছে কি না।
খাদ্যনালির ক্যানসারের ঝুঁকি এড়ানোর কিছু নিয়ম :
ধূমপান, মদ্যপান ও তামাক সেবন খাদ্যনালিতে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। এই অভ্যাস ছাড়তে হবে।
ওবিসিটিও ক্যানসার ডেকে আনে। এ ক্ষেত্রে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা ভীষণ জরুরি। তাই পুষ্টিকর খাদ্যাভাস করতে হবে, সঙ্গে শরীরচর্চাও জরুরি। তাছাড়া খুব বেশি গরম চা, কফি পান থেকে বিরত থাকতে হবে।
সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা










