Author: Hello Bangla News

  • ‘থালাভিয়ার ১৭০’ ছবিতে ৩২ বছর পর আবার একসঙ্গে অমিতাভ ও রজনীকান্ত

    ‘থালাভিয়ার ১৭০’ ছবিতে ৩২ বছর পর আবার একসঙ্গে অমিতাভ ও রজনীকান্ত

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: আজ থেকে ৩২ বছর আগে অমিতাভ বচ্চন ও রজনীকান্তকে একসঙ্গে অভিনয় করতে দেখা যাবে। সেই সময় তাঁরা অভিনয় করেছিলেন ‘হম’, ‘অন্ধা কানুন’ এবং ‘গ্রেফতার’ ছবিতে। এখন ব্যস্ততার তু্ঙ্গে এই দুই অভিনেতা। তার পরেও হাতের কাজ শেষ করে একসঙ্গে অভিনয় শুরু করবেন। যে ছবিতে তাঁদের একসঙ্গে দেখা যাবে তার নাম ‘থালাভিয়ার ১৭০’।

    ভারতের চিত্রজগের আকাশে দুই সফল তারাকা বলিউডের অমিতাভ ও দক্ষিণের রজনীকান্ত। আবারও বড় পর্দায় দর্শকের হৃদয়ে জোয়ার আনবেন দুই ইন্ডাস্ট্রিরির এই দুই তারকা। বয়স হয়েছে, তবু ক্লান্তি নেই অমিতাভ কিংবা রজনীর। অপর দিকে এই সুপারস্টার একসঙ্গে হওয়াতে ইতিমধ্যে সাজ সাজ রব পড়ে গেছে বলিউড চলচ্চিত্র মহলে।

    সদ্য ‘জেলার’ ছবির কাজ শেষ করেছেন রজনীকান্ত। এখন মনোনিবেশ করেছেন ‘লাল সালাম’ ছবির কাজে। এর পরই দক্ষিণের তারকা কাজ শুরু করবেন অমিতাভের সঙ্গে। ছবিটি পরিচালনা করবেন ‘জয় ভীম’-এর পরিচালক টিজে জ্ঞানাভেল। বিভিন্ন ভাষায় ছবিটি ডাব করা হবে। এটি হতে চলেছে রজনীকান্তের ১৭০তম ছবি, তাই তাঁর প্রতি সম্মান জানিয়েই ছবির এমন নামকরণ।

    শোনা যাচ্ছে, অমিতাভের চরিত্রটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে ‘থালাভিয়ার ১৭০’-তে। ছবিটির কাজ কবে থেকে শুরু হবে, সে কথা অবশ্য নির্দিষ্ট করে জানাননি নির্মাতারা। শোনা যাচ্ছে, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ছবির শুটিং আরম্ভ হবে।

    নায়ক অমিতাভকে শীঘ্রই আবার দেখা যাবে দীপিকা পাড়ুকোনের সঙ্গে, ‘প্রোজেক্ট কে’ নামের তেলুগু ছবিতে। এ ছাড়াও অমিতাভ কাজ করছেন ঋভু দাশগুপ্তের পরবর্তী ছবি ‘সেকশন ৮৪’-তে। আশা করা যাচ্ছে তার পরই যোগ দেবেন ‘থালাভিয়ার ১৭০’-এর সেটে।

    সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

  • ওয়ার্ল্ড অব ওয়ার্ক সামিটে যোগ দিতে সুইজারল্যান্ডের পথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    ওয়ার্ল্ড অব ওয়ার্ক সামিটে যোগ দিতে সুইজারল্যান্ডের পথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ মঙ্গলবার সকালে সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন। সেখানে তিনি ১৪ থেকে ১৫ জুন জেনেভায় অনুষ্ঠেয় ‘ওয়ার্ল্ড অব ওয়ার্ক সামিট : সোশ্যাল জাস্টিস ফর অল’ এ যোগ দিবেন।

    প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট সকাল ১০ টা ১৪ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে যায়।

    মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সংসদের উপনেতা বেগম মতিয়া চৌধুরী, মন্ত্রী পরিষদ সচিব, মুখ্যসচিব, তিন বাহিনী প্রধানগণ, পুলিশের মহাপরিদর্শক এবং ডিপ্লোমেটিক কোরের প্রধান বিমান বন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান।

    স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৫টায় (বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৯টা) ফ্লাইটটি জেনেভা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার, ইউএনএইচসিআর প্রধান ফ্লিপো গ্র্যান্ডি ১৪ জুন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর অবস্থানস্থলে সাক্ষাৎ করবেন।

    এর পরে, প্রধানমন্ত্রী প্যালাইস ডি নেশনস-এ সুইস কনফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট অ্যালেন বারসেটের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। সাক্ষাতের পর সেখানে বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যে জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির বিষয়ে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হতে পারে।

    বিকেলে, প্রধানমন্ত্রী প্যালাইস ডি নেশনস-এ ‘ওয়ার্ল্ড অফ ওয়ার্ক সামিট ২০২৩’ এর প্লেনারিতে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে।

    ১৫ জুন, প্রধানমন্ত্রী ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডাব্লিউইএফ) অফিসে ডাব্লিউইএফ এর প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ক্লাউস শোয়াবের সাথে একটি বৈঠকের পরে ‘এ টক অ্যাট দ্য ডাব্লিউইএফ’-এ তাঁর যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

    সেখানে তিনি ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডাব্লিউইএফ) আয়োজিত ‘নিউ ইকোনমি অ্যান্ড সোসাইটি ইন স্মার্ট বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখবেন।

    সন্ধ্যায়, ডাব্লিউটিও মহাপরিচালক ড. ওকোনজো-আইওয়ালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর অবস্থানস্থলে সাক্ষাত করবেন। সন্ধ্যায় তিনি একটি কমিউনিটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

    শেখ হাসিনা ১৬ জুন সকাল ১১টায় (স্থানীয় সময়) ঢাকার উদ্দেশে জেনেভা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করবেন। আগামী ১৭ জুন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।

    ‘দ্য ওয়ার্ল্ড অফ ওয়ার্ক সামিট ২০২৩: সকলের জন্য সামাজিক ন্যায়’ হচ্ছে সামাজিক ন্যায়বিচারের সমর্থনে অধিকতর, সমন্বিত এবং সুসংগত পদক্ষেপের প্রয়োজনে বিশ্বব্যাপী সোচ্চার হওয়ার একটি উচ্চ-পর্যায়ের ফোরাম।

    এটি সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য একটি গ্লোবাল কোয়ালিশন গঠনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা ও অবহিত করার সুযোগ দেবে। আন্তর্জাতিক শ্রম অফিসের ৩৪৭তম অধিবেশনে গভর্নিং বডি এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে।

    ফ্রান্সের সাবেক প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদ, পানামার সাবেক প্রেসিডেন্ট জুয়ান কার্লোস ভারেলা এবং ২০১৪ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী কৈলাশ সত্যার্থী, এবং  নিয়োগকর্তা ও শ্রমিকদের প্রতিনিধিসহ বেশ কয়েকজন উচ্চ-পর্যায়ের অতিথি সম্মেলনে ভাষণ দেবেন।

    দুই দিনের এই শীর্ষ সম্মেলনটি আরও টেকসই এবং ন্যায়সঙ্গত বিশ্ব তৈরিতে সামাজিক ন্যায়বিচারের মূল ভূমিকা তুলে ধরবে এবং সামাজিক ন্যায়বিচারকে এগিয়ে নিতে এবং নীতির সুসমন্বয় নিশ্চিত করার জন্য বর্ধিত ও অধিকতর সঙ্গত যৌথ পদক্ষেপের কৌশল নিয়ে আলোচনা করবে।

    এ সম্মেলন হচ্ছে অংশগ্রহণকারীদের জন্য একটি ফোরাম যেখানে তারা সামাজিক ন্যায়বিচার সম্পর্কে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ও অগ্রাধিকারগুলো সম্পর্কে মতবিনিময় করার পাশাপাশি সামাজিক ন্যায়বিচারকে এগিয়ে নিতে তাদের পদক্ষেপ ও অঙ্গীকারগুলো তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছেন।

    সূত্র: বাসস

  • সাইপ্রাসে ইদুরের হাত থেকে চাষের জমি রক্ষা করছে পেঁচা

    সাইপ্রাসে ইদুরের হাত থেকে চাষের জমি রক্ষা করছে পেঁচা

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: কৃষিপ্রধান দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি সাইপ্রাস । কিন্তু ইদানিং চাষের জমিতে ইদুরের উৎপাত বেড়ে যাওয়ায় ফসল রক্ষার্থে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পরিবেশ রক্ষাকারি পাখি পেঁচাকে। দেশটির সমাজমাধ্যম বিষয়টি বেশ আলোচনায় এসেছে।

    এক সময়ে ইদুরের তাণ্ডবে জমির ফসল অধিকংশ নষ্ঠ হয়ে যেত।  সবচেয়ে সমস্যায় পড়তে হত সাইপ্রাসের সেইসব কৃষকদের, যাদের জমির বিস্তার রয়েছে রিপাবলিক অব সাইপ্রাস এবং রিপাবলিক অব নর্দান সাইপ্রাসের মধ্যবর্তী অঞ্চল পর্যন্ত। সব সময়ে সীমান্ত পেরিয়ে জমির ঠিক মতো দেখাশোনা করতে পারতেন না কৃষকরা। ফলে ইদুর এসে নষ্ট করে যেত ফসলের এক বিরাট অংশ।

    এই সমস্যার মোকাবিলা করতে এগিয়ে আসে ‘বার্ডলাইফ’ নামে এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। দুই সীমান্তের মধ্যবর্তী ওই এলাকায় বিভিন্ন গাছের ডালে পেঁচাদের থাকার মতো প্রায় ৫০টি কাঠের বাক্স বসায় তারা। একই সঙ্গে কৃষকদের ইদুর মারার বিষের ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে বলা হয়। বদলে ইদুর নিয়ন্ত্রণে রাখার দায়িত্বটি পেঁচাদের উপরেই ছেড়ে দেওয়ার আর্জি জানান কর্তৃপক্ষ।

    প্রায় এক দশক ধরে চলছে এই অভিযান। যার ভিত্তিতে বার্ডলাইফেরই করা এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে, বছরে কম করে হলেও পাঁচ হাজার ইদুর মারে ওই অঞ্চলে চাষের জমির আশপাশে বাসা বাঁধা পেঁচারা। বিশেষত ‘বার্ন’ প্রজাতির পেঁচাদেরই দেখা মেলে সেখানে। গোটা ইউরোপ জুড়ে যাদের সংখ্যা কমে আসায় এক সময়ে চিন্তায় পড়েছিলেন পরিবেশবিদেরা। এই প্রক্রীয়ার ফলে একদিকে যেমন রক্ষা পাচ্ছে পেঁচা জাতীয় পাখি অন্য দিকে ইদুরের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে কৃষকের জমির ফসল।

    সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

  • ঈদের একটি মিষ্টি রেসিপ

    ঈদের একটি মিষ্টি রেসিপ

    ফিরনি

    উপকরণ: গরুর দুধ-২লিটার, পোলাও চাল-১০০ গ্রাম, কনডেন্স মিল্ক-১কাপ, এলাচ-২টা, দারচিনি- ২টুকরা, কাজু বাদাম কুচি-৬/৭ টা, পেস্তা বাদাম কুচি-সাজানোর জন্য।

    ঈদের একটি মিষ্টি রেসিপ

    প্রণালি:

    একটা প্যানে গরুর দুধ নিয়ে চুলয় ভালো করে  গরম নিতে হবে। এবারে পোলার চাল  আগে থেকে ৩০ মিনিট ভিজিয়ে রাখতে হবে, দুধে বলক আসলে চাল দিয়ে দিবেন। এবারে দারচিনি, এলাচ দিয়ে হাল্কা আচে রান্না করতে হবে। ঘন হয়ে আসার আগেই কনডেন্স  মিল্ক দিয়ে ভালো কিরে নাড়তে হবে। এবারে কাজু বাদাম আর গুড়া দুধ সামান্য পানি দিয়ে গুলিয়ে নিয়ে ফিরনির মধ্যে দিয়ে দিন। ঘন হয়ে আসলে নামিয়ে বাটিতে পরিবেশন করুন। উপর থেকে পেস্তা কুচি দিয়ে সাজিয়ে নিন। তৈরি হয়ে গেল মজার ফিরনি।

    রেসিপি দিয়েছেন: নুজহাত দীবা

  • বঙ্গবন্ধুর ২০০ বক্তৃতা সম্বলিত ‘ভায়েরা আমার’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    বঙ্গবন্ধুর ২০০ বক্তৃতা সম্বলিত ‘ভায়েরা আমার’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ২০০টি ভাষণ সম্বলিত ‘ভায়েরা আমার’ শিরোনামে একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আজ সোমবার মন্ত্রীসভার বৈঠকের শুরুতে বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

    প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে বলা হয়েছে, ‘ভাইয়েরা আমার (মাই ব্রাদার্স)’ নামটি প্রধানমন্ত্রী নিজেই দিয়েছেন। এছাড়া তিনি বইটির ভূমিকাও লিখেছেন।

    প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার নজরুল ইসলাম ভাষণগুলো সংগ্রহ, সংকলন ও সম্পাদনা করেছেন। বইটি প্রকাশ করেছে জিনিয়াস পাবলিকেশন ।

    জাতির পিতার এই ভাষণ সমগ্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এতে এখন পর্যন্ত পাওয়া সকল ভাষণ অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।

    বইটির দুশো ভাষণের মধ্যে বাংলাদেশ বেতারের আর্কাইভস থেকে পাওয়া টেপ/সিডি থেকে একশোরও বেশি ভাষণ সংগ্রহ করা হয়েছে।

    প্রতিটি ভাষণের যথার্থতা ও নির্ভরযোগ্যতা যথাযথভাবে যাচাই করা হয়েছে।

    বইটিতে প্রতিটি ভাষণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হাইলাইট করে আলাদাভাবে প্রদর্শন করা হয়েছে। এছাড়া সূচিতে ভাষণের বিষয়বস্তু, সাল ও তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতির পিতার ভাষণ শুধু বাংলাদেশেই নয়, সমগ্র বিশ্বে এক অমূল্য সম্পদ।

    বইয়ের ভূমিকায় প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, “নতুন প্রজন্ম বিশেষ করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থকদের বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শুধু পড়াই নয়, সেগুলোর মর্মার্থ অনুধাবন করে নিজ নিজ জীবনে অনুশীলন করতে হবে।”

    তিনি আরো উল্লেখ করেন,“জাতির পিতা সোনার বাংলা গড়তে সোনার মানুষ চেয়েছিলেন। এই সোনার মানুষ হতে হলে জাতির পিতার আদর্শ ও জীবনাচরণ চর্চা করা অত্যাবশ্যক। ”

    বইটির সম্পাদক নজরুল ইসলাম উল্লেখ করেন, ভাষণসমগ্রটি রাজনীতিবিদ, শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী ও আগামী প্রজন্মের জন্যে গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত হবে।

    সূত্র: বাসস

  • শেষ হলো শিল্পকলার ১০ দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসব

    শেষ হলো শিল্পকলার ১০ দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসব

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে ভাওয়াইয়া গানের অনুষ্ঠান ‘মাটি সুর’ এর পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শেষ হলো ১০ দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসব। বাংলাদেশের সাংস্কৃতির ধারাকে বিকশিত রাখতে শিল্পকলা একাডেমি ‘১লা জুন থেকে ১১ জুন পর্যন্ত’ ১০ দিনব্যপী   আয়োজন করে ‘সাংস্কৃতিক উৎসব২০২৩’ ।

    গতকাল রবিবার বিকেল সংগীত আবৃত্তি ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে আয়োজিত ‘মাটি সুর’ অনুষ্ঠানের শেষ দিনের পরিবেশনায় অংশ নেন প্রবীণ শিল্পীরা।

    এর আগে ১লা জুন প্রথম দিন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয় পঞ্চকবির গান পরিবেশনার মধ্য দিয়ে। বাংলা সাহিত্যে পঞ্চকবি হলেন পাঁচজন কবি যাঁরা কবিতা লেখার পাশাপাশি একইসাথে গীতিকার, সুরকার এবং গায়ক- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, রজনীকান্ত সেন ও অতুলপ্রসাদ সেন।

    শেষ হলো শিল্পকলার ১০ দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসব

    ২য় দিন পরিবেশিত হয় দেশের গানের অনুষ্ঠান; প্রিয় দেশমাতৃকা।

    ৩য় দিনের পরিবেশনায় ছিলো বিভিন্ন জেলা থেকে আগত বাউল শিল্পীদের নিয়ে পরিশেনা বাউল গানের অনুষ্ঠান; অচিনপাখি।

    ৪র্থ দিন পরিবেশিত হয় বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের গান নিয়ে অনুষ্ঠান; সিনেমার গান।

    ৫ম দিন, প্রবীণ ও গুণী শিল্পীদের অংশগ্রহণে পরিবেশিত হয় ‘ধ্রুবতার ‘ এতে অংশ নেন বুলবুল মহলানবীশ, আকরামুল ইসলাম, সাইদুর রহমান বয়াতি, তিমির নন্দী, ফাতেমা তুজ জোহরা এবং জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়ের মতো গুণী শিল্পীরা।

    ৬ষ্ঠ দিন পরিবেশিত হয় পালাগানের অনুষ্ঠান: ‘লোকগাঁথা’

    গ্রাম বাংলার বহুল জনপ্রিয় লোক ঐতিহ্য পালাগানে অংশ নেন লতিফ সরকার ও রুমা সরকার, ১ম পর্বের আয়োজনে পালার নাম ছিলো ‘শরীয়ত এবং মারফত’।

    দ্বিতীয় পর্ব অংশ নেন মহারাজ আবুল সরকার বনাম আকলিমা বেগম। পালার নাম: ‘নবুয়াত বেলায়েত’

    ৭ম দিনেও পরিবেশিত হয় পালাগানের অনুষ্ঠান: ‘লোকগাঁথা’

    প্রথম পর্বে পালাগান পরিবেশন করেন বাউল মাতা আলেয়া বেগম ও দেলোয়ার হোসেন বয়াতি, পালার নাম: ‘গুরু- শিষ্য’।

    দ্বিতীয় পর্বের পরিবেশনায় অংশ নেন শাহ আলম ও মুক্তা সরকার, পালার নাম: ‘নারী -পুরুষ’।

    ৮ম ও ৯ম দিন পরিবেশনায় ছিলো শিশু-কিশোরদের নিয়ে অনুষ্ঠান: “নতুন যৌবনের দূত”

    শেষ হলো শিল্পকলার ১০ দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসব

    এই দিন সাংস্কৃতিক পরিবেশনার শুরুতে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী। তিনি বলেন- “শিশুদের মনন বিকাশে গুরুত্ব দিয়ে প্রকৃতির সান্নিধ্যে বেড়ে ওঠতে তাদের সহায়তা করতে হবে। প্রকৃতি থেকে তাদের জ্ঞান আহরণের সুযোগ দিতে হবে। পরীক্ষার ফলাফল মেধা মুল্যায়নের অনুষঙ্গ নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিশুদের কেবল অনুশাসনের মধ্যে রাখলে চলবে না। তাদের সুস্থ মনোজগতের বিকাশে প্রকৃতির সাথে বেড়ে ওঠার স্বাধীনতা দিতে হবে।

    প্রতিশ্রুতিশীল, বরেণ্য ও প্রবীণ শিল্পীদের অংশগ্রহণে ১০ দিন ব্যাপী চলা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমালার ভাবনা ও পরিকল্পনায় ছিলেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী এবং অনুষ্ঠান আয়োজনে সমন্বয়ক ছিলেন একাডেমির কর্মকর্তা সাদিয়া বিনতে আফজাল।

  • কমনওয়েলথ দেশগুলোর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য ব্যবসা জোরদার করা উচিত: প্রধানমন্ত্রী

    কমনওয়েলথ দেশগুলোর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য ব্যবসা জোরদার করা উচিত: প্রধানমন্ত্রী

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক:  গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় কমনওয়েলথ এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কাউন্সিলের (সিডব্লিউইআইসি) ডেপুটি চেয়ারম্যান লর্ড হুগো জর্জ উইলিয়াম সুইয়্যারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সঙ্গে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি বলেন, কমনওয়েলথ ভুক্ত দেশগুলোর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য নিজেদের মধ্যে ব্যবসা জোরদার করা উচিত। কমনওয়েলথ দেশগুলো ছাড়াও, শেখ হাসিনা কমনওয়েলথ বহির্ভূত দেশগুলোর সঙ্গে, বিশেষ করে তেল সমৃদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো যেমন সৌদি আরব এবং কাতারের সঙ্গে শক্তিশালী ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে তোলার উপরও জোর দেন।

    পরে প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার নজরুল ইসলাম জানান, প্রধানমন্ত্রীকে ১৩-১৪ সেপ্টেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠেয় প্রথমবারের মতো ‘কমনওয়েলথ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম’-এর বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে।

    বাংলাদেশসহ কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে সিডব্লিউইআইসি এই ফোরামটির আয়োজন করবে। ফোরাম  অনুষ্ঠানের আয়োজনের জন্য প্রধানমন্ত্রী সিডব্লিউইআইসি’কে স্বাগতজানান। বৈঠকে শেখ হাসিনা কমনওয়েলথের ভূমিকার কথা স্মরণ করে বলেন, কমনওয়েলথ তাকে দেশে ফেরার অনুমতি   দিতে ২০০৭ সালের তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে চাপ দিয়েছিল। তত্ত্বাবধায়ক সরকার তার বাংলাদেশে ফেরার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল।

    প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যরা হলেন- সিডব্লিউইআইসি ডিরেক্টর অব অপারেশন ড্যানিয়েল সিন লেনো, কৌশলগত উপদেষ্টা জিল্লুর হোসেন এমবিই এবং কৈৗশলগত অংশীদার শাহিনুজ্জামান। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র : বাসস

  • দ্বিতীয় বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতলো অস্ট্রেলিয়া

    দ্বিতীয় বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতলো অস্ট্রেলিয়া

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: প্রথমবার ফাইনালে উঠে দ্বিতীয় বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতলো অস্ট্রেলিয়া।  ভারতকে ২০৯ রানে হারায় অস্ট্রেলিয়া। এর আগের বার চাম্পিয়ন হয়েছিলো নিউজিল্যান্ড। পর পর দুইবার ফাইনালে উঠে ভারত ট্রফি জয় করতে ব্যর্থ হয়। এবার ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয় ইংল্যান্ডের ওভালে। এর আগেরবার ২০২১ সালে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে ইংল্যান্ডের সাউদাম্পটনে নিউজিল্যান্ডের কাছে ৮ উইকেটে হেরেছিলো ভারত। বিশ্বের তারকা ব্যাটসম্যান সমন্বয়ে গঠিত ভারত এবারও হতাশ করেছে নিজ দেশের সমর্থকদের। গতবার ভারত দলের অধিনায়ক ছিলো বিরাট কোহলি এবার অধিানয়কত্ব করেছেন রোহিত শর্মা। গতবার দলের হেড কোচ ছিলে রবি শাস্ত্রী, এবার রাহুল দ্রাবিড়।

    দল নির্বাচন থেকে শুরু করে দল পরিচালনায় ভারতের অনেক ক্রতি ছিলো বলে মনে করেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। যেমন দলে রাখা হয়নি অশ্বিনকে।  টেস্ট ম্যাচে সবচেয়ে সফল বোলার হচ্ছেন অশ্বিন। তাছাড়া টপ অর্ডার ব্যর্থ হয়েছে। বিশেষ ভাবে সুভমন গিল দুই ইনিংসেই ব্যর্থ। তাছাড়া আইপিএলে শর্ট ফরমেটে সফর হলেও টেস্টে ম্যাচে সফর হতে না পরাটার জন্য গিল দায়ি নন। কেননা শর্ট ফরমেটের মেজাজ থেকে বেরিয়ে আসা কঠিন ছিলো। সেই অর্থে পূজারাও প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। তবে কিছুট হলেও দুই ইনিংসে লড়াই করেছে রাহানে। অন্য ব্যাটসম্যানরা সবাই অফ স্ট্যাম্পের বাইরের বল খেলতে গিয়ে আউট হয়েছে। বিশেষ ভাবে কোহলি, পুজারা, রোহিত মতো অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানরা ব্যার্থ হয়েছে ।

    তবে সবচেয়ে বড় ভুল সিদ্ধান্ত ছিল টসে জিতে ফিল্ডিং নেওয়া। এতে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসের ৪৬৯ বিরাট রানের বোঝা ভারতিয় ব্যাটসম্যানরা মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়ে। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার বোলাররা দারুন বল করেছ।

    ফাইনাল জিততে টেস্টের চতুর্থ দিন ৪৪৪ রানের টার্গেট পায় ভারত। দিন শেষে ৩ উইকেটে ১৬৪ রান করেছিলো টিম ইন্ডিয়া। অধিনায়ক রোহিত শর্মা ৪৩, শুভমান গিল ১৮ ও চেতেশ্বর পূজারা ২৭ রানে আউট হন। বিরাট কোহলি ৪৪ ও আজিঙ্কা রাহানে ২০ রানে অপরাজিত ছিলেন। ৭ উইকেট হাতে আরও ২৮০ রান দরকার ছিলো ভারতের।

    গতকাল পঞ্চম দিনের সপ্তম ওভারে প্রথম উইকেট হারায় ভারত। অস্ট্রেলিয়া পেসার স্কট বোল্যান্ডের বলে দ্বিতীয় স্লিপে ডান দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে কোহলির দুর্দান্ত ক্যাচ নেন স্টিভেন স্মিথ। ৭টি চারে ৭৮ বলে ৪৯ রান করেন কোহলি। চতুর্থ উইকেটে কোহলি-রাহানে ১৫৭ বলে ৮৬ রান যোগ করেন।

    কোহলির বিদায়ে উইকেটে আসেন রবীন্দ্র জাদেজা। দু’বল খেলে কোন রান না করেই বোল্যান্ডের বলে আউট হন জাদেজা। এরপর উইকেটরক্ষক শ্রীকর ভরতকে নিয়ে এক ওভারে দুই উইকেট হারানোর ধাক্কা সামলে উঠার চেষ্টা করেন রাহানে। জুটিতে ৯ ওভার ভালোভাবে কাটিয়েও দেন তারা।

    কিন্তু দশম ওভারের রাহানেকে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন অস্ট্রেলিয়ার পেসার মিচেল স্টার্ক। ৭টি চারে ১০৮ বল খেলে ৪৬ রান করেন রাহানে।

    দলীয় ২১২ রানে ষষ্ঠ ব্যাটার হিসেবে রাহানের আউটের পর ভারতের লেজ ছেঁটে ফেলেন অস্ট্রেলিয়ার স্পিনার নাথান লিঁও। শেষ চার উইকেটের তিনটিই নেন তিনি। ৬৩ দশমিক ৩ ওভারে ২৩৪ রানে গুটিয়ে যায় ভারত।

    শেষদিকে ভরত ২৩, শারদুল ঠাকুর শূন্য, উমেশ যাদব ১ ও মোহাম্মদ সিরাজ ১ রানে আউট হন। ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন মোহাম্মদ সামি।

    বল হাতে অস্ট্রেলিয়ার লিঁও ৪১ রানে ৪টি উইকেট নেন। এছাড়াও বোল্যান্ড ৩টি, স্টার্ক ২টি ও প্যাট কামিন্স ১টি উইকেট নেন। ফাইনালের সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ট্রাভিস হেড। প্রথম ইনিংসে ১৬৩ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮ রান করেন তিনি।

    আইসিসি ইভেন্টে এই নিয়ে সপ্তম শিরোপা জিতলো অস্ট্রেলিয়া। ওয়ানডে বিশ্বকাপ পাঁচবার, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ একবার এবং এবার আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিনশিপের শিরোপা ঘরে তুললো অসিরা।

    সংক্ষিপ্ত স্কোর কার্ড :

    অস্ট্রেলিয়া : ৪৬৯ (হেড ১৬৩, স্মিথ ১২১, সিরাজ ৪/১০৮) ও ২৭০/৮ ডি (ক্যারি ৬৬*, জাদেজা ৩/৫৯)।

    ভারত : ২৯৬ (রাহানে ৮৯, কামিন্স ৩/৮৩) ও ২৩৪ (কোহলি ৪৯, লিঁও ৪/৪১)।

  • ইলন মাস্কের নিউরালিংক অনুমতি পেলো মানবমস্তিষ্কে চিপ স্থাপনের

    ইলন মাস্কের নিউরালিংক অনুমতি পেলো মানবমস্তিষ্কে চিপ স্থাপনের

    মানব মস্তিষ্কে বিশেষ ধরনের চিপ স্থাপনের বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষার অনুমতি পেয়েছে ইলন মাস্কের মালিকানাধীন নিউরালিংক। এর ফলে মানুষের মস্তিষ্কে চিপ স্থাপনের মাধ্যমে সরাসরি কম্পিউটারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব হবে। সম্প্রতি এক টুইটে বিষয়টি জানিয়েছে নিউরালিংক।

    বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অথরিটি (এফডিএ) নিউরালিংককে মানুষের মস্তিষ্কে চিপ স্থাপনের বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষার অনুমতি দিয়েছে। নিউরালিংক হলো এমন একটি প্রকল্প, যার মাধ্যমে মানুষের মস্তিষ্কে চিপ স্থাপন করা হবে। যার ফলে সেই ব্যক্তির মস্তিষ্কের সঙ্গে কম্পিউটারের সরাসরি সংযোগ স্থাপিত হবে। টেসলা, স্পেসএক্স ও টুইটারসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের মালিকানার পাশাপাশি এ উদ্যোগের মালিকও ইলন মাস্ক। এ প্রযুক্তিতে নিউরালিংকই প্রথম চিপ বসাতে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রতিষ্ঠানটি টুইটে বলেছে, ‘এ খাতে এটিই প্রথম ঘটতে যাচ্ছে।’ তারা আরও বলেছে, ‘আমরা উচ্ছ্বসিত যে, আমরা প্রথমবার মানুষের মস্তিষ্কে চিপ স্থাপনের (ইমপ্ল্যান্ট) বিষয়ে পরীক্ষা চালানোর জন্য এফডিএ-র অনুমতি পেয়েছি।’

    নিউরালিংক টুইটে আরও বলেছে, ‘এটি মূলত নিউরালিংকের সঙ্গে এফডিএ-র ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ফলাফল।’ তবে কারা নিউরালিংকের প্রথমবারের ইমপ্ল্যান্টে অংশ নেবেন, সে বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এর আগে, গত বছর ইলন মাস্ক বলেছিলেন, ‘আমরা আমাদের প্রথম মানব ইমপ্ল্যান্টের জন্য প্রস্তুত হতে কঠোর পরিশ্রম করছি এবং স্পষ্টতই আমরা অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে চাই। পাশাপাশি একজন মানুষের মধ্যে ডিভাইসটি স্থাপন করার আগে তা ভালোভাবে কাজ করবে কিনা, সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে চাই।’

    নিউরালিংক দল জানিয়েছে মস্তিষ্কের চিপটি প্যারালাইজড এবং অন্যান্য স্নায়বিকভাবে-অক্ষম রোগীদের নড়াচড়া এবং আবার যোগাযোগ করার ক্ষমতা দেওয়ার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।  আরও বলেছে যে এটি কারও দৃষ্টি পুনরুদ্ধার করতেও সক্ষম হতে পারে।
    তথ্যসূত্রঃ আলজাজিরা

  • বাবা সুনীলের সঙ্গে প্রায়ই রাজনীতি নিয়ে কথা কাটাকাটি হত সঞ্জয়ের

    বাবা সুনীলের সঙ্গে প্রায়ই রাজনীতি নিয়ে কথা কাটাকাটি হত সঞ্জয়ের

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: সুনীল দত্ত ষাটের দশকে ফিল্মে অভিনয় শুরু করার পর বেশ দাপটের সঙ্গে কাজ করেন এবং বলিপাড়ার প্রথম সারির অভিনেতাদের তালিকায় নাম লিখিয়ে ফেলেছিলেন । পরে অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজনা এবং পরিচালনার দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি। বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করে ১৯৮১ সালে ফিল্মজগতে পা রাখেন সুনীলের পুত্র সঞ্জয় দত্তও। ‘রকি’ ছবির মাধ্যমে বলিপাড়ায় আগমন সুদর্শন সঞ্জয়ের। রোমান্টিক ধরার অভিনেতা হিসাবে এক দিকে তিনি যেমন প্রশংসা কুড়িছিলেন, ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ঠিক তেমনই বার বার বিতর্কে জড়িয়ে পড়তেন তিনি। মাদক ও সন্ত্রাস তাঁকে পিছনে নিয়ে যায়।

    সেই সময় সঞ্জয় এক সাক্ষাৎকারে জানান,  মায়ের মৃত্যুর পর আরও বেশি পরিমাণে মাদকের প্রতি আসক্তি বৃদ্ধি পেয়েছিল তাঁর। জানা জায় সঞ্জয় নাকি তাঁর মাকে ছাড়া অন্য কিছু ভাবতে পারতেন না। বাবা সুনীলের সঙ্গে প্রায়ই তাই কথা কাটাকাটি হত।

    নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে এক জনপ্রিয় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে যান সঞ্জয়। সেখানকার মঞ্চে উঠে সঞ্জয় তাঁর বাবার বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ করতে থাকেন। দর্শক সারিতে তখন ছিলো তারকাভরা ।

    সঞ্জয় দাবি করেন, তাঁর বাবা জীবনে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আশির দশকে সঞ্জয় যখন তাঁর কেরিয়ার শুরু করেন, তার কয়েক বছরের মধ্যেই সুনীল রাজনীতিতে যুক্ত হন। রাজনীতির পাশাপাশি যদিও সিনেমাজগতের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি।

    কিন্তু রাজনীতিক হওয়ার ক্ষমতা ছিল না সুনীলের, এমনটাই দাবি করেন সঞ্জয়। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বলিপাড়ার নামী তারকারা। সকলের সামনেই বাবার সম্পর্কে এমন মন্তব্য করেন সঞ্জয়।

    সঞ্জয় বলেন, ‘‘আমার বাবার উচিত রাজনীতি ছেড়ে দেওয়া। অভিনয় নিয়েই তাঁর ব্যস্ত থাকা প্রয়োজন। উনি বড় ভাল মনের মানুষ। জনগণের উন্নতির জন্য তিনি কাজও করতে চান। কিন্তু তাঁকেও বুঝতে হবে যে এটি শুধুমাত্র এক জনের দায়িত্ব নয়।’’

    বিনোদন

    সঞ্জয় আরও বলেন, ‘‘বাবা সহজ-সরল মানুষ। তাই লোকজন বাবাকে যা বোঝান, বাবা সেটাই বোঝেন। অনেকে এমন রয়েছেন যাঁরা নিজেদের কার্যসিদ্ধির জন্য বাবাকে দিয়ে ইচ্ছামতো কাজ করিয়ে নেন। বাবাও ভাল মনে সেই কাজ করে ফেলেন। এ ভাবে তাঁর ভালমানুষির সুযোগ নেওয়া হচ্ছে।’’

    সঞ্জয়ের সঙ্গে তাঁর বাবার যে বার বার অশান্তি হয় সে কথাও জানান অভিনেতা। মঞ্চে দাঁড়িয়ে সঞ্জয় বলেন, ‘‘আমার আর বাবার মধ্যে মাঝেমধ্যেই ঝগড়া হয়। প্রতি বার ঝগড়ার বিষয়বস্তু একই হয়। তা হল রাজনীতি।’’

    সুনীলকে রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ারও পরামর্শ দেন সঞ্জয়। অভিনেতা বলেন, ‘‘বাবা খুবই সৎ এবং ভাল। দেশের জন্য তিনি ভালই করতে চান। কিন্তু তিনি যে একা দেশবাসীদের জন্য কিছু করতে পারবেন না তা বুঝতে পারছেন না।’’

    সঞ্জয়ের বক্তব্য, ‘‘যে দিন থেকে বাবা রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছেন, সে দিন থেকে তাঁর চিন্তা বেড়ে গিয়েছে। আমার মনে হয় তিনি বহু বছর যে কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন, সেই কাজেই ফিরে যাওয়া উচিত। রাজনীতি ছেড়ে যাওয়া প্রয়োজন বাবার।’’

    ২০০৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘মুন্নাভাই এমবিবিএস’ ছবিতে সুনীল এবং সঞ্জয়কে একসঙ্গে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছিল। ক্যামেরার সামনে পিতা-পুত্রের জুটি দর্শকের মনে ধরেছিল।

    সঞ্জয় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বলেন, ‘‘সকলে মনে করেন যে মা আমার সবচেয়ে প্রিয়। কিন্তু বাবা যে আমার জীবনে কতটা, তা কেবল আমি জানি। বাবা প্রতি মুহূর্তে আমাকে অনুপ্রেরণা দেন।’’

    সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা