Author: Hello Bangla News

  • আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবো ইনশাআল্লাহ: প্রধানমন্ত্রী

    আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবো ইনশাআল্লাহ: প্রধানমন্ত্রী

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে বলেন, ‘আমাদের মনে রাখতে হবে যে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবো ইনশাআল্লাহ, এই বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতি এগিয়ে যাবে, আত্ম মর্যাদা ও আত্মসম্মান নিয়ে বিশ্ব অঙ্গনে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। আমরা কারো কাছে মাথা নত করবো না। এটি আমাদের অঙ্গীকার।’

    প্রধানমন্ত্রী আজ তাঁর কার্যালয়ে অসচছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে উপবৃত্তি, টিউশন ফি ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে ভাষণে এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের শিশুরা খুবই মেধাবী এবং তাদের মেধা বিকাশে উপবৃত্তি দেয়া হচ্ছে যা আমাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখবে।”

    এসময় তিনি আরও বলেন, “ আমরা যদি শিশুদের মেধা বিকাশের সুযোগ করে দিই, তাহলে কেউ এ দেশকে পেছনে ঠেলে দিতে পারবে না।”

    তিনি আরও বলেন, ‘আজ আমাদের শিশুরা তাদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পেয়েছে এবং এখন তাদের উদ্ভাবনী ক্ষমতা প্রকাশ পাচ্ছে। কেউ দেশকে পেছনে ঠেলে দিতে পারবে না, অন্ধকারে ফেলে দিতে পারবে না।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল প্রতিভা অন্বেষণ মেধা বিকাশে একটি মহৎ উদ্যোগ, যেখান থেকে অনেক মেধাবী শিশু বের হয়ে আসছে।

    শেখ হাসিনা বলেন, আজ বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল। আমরা পথ দেখিয়েছি। আমাদের মেধাবী শিশুরা এই্ পথেই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

    শেখ হাসিনা বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে এই দেশকে স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে গড়ো তোলা হবে। এই দেশে থাকবে স্মার্ট জনগণ, স্মার্ট সরকার, স্মার্ট অর্থনীতি এবং স্মার্ট সমাজ।

    আজকের যুগ বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও গবেষণার যুগ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্যে নিজেদের প্রস্তুত করতে বলেন।

    কৃষি গবেষণায় বাংলাদেশ যথেষ্ট সাফল্য অর্জন করেছে উল্লেখ করে তিনি এখন চিকিৎসা বিজ্ঞান গবেষণায় আরো গুরুত্ব দেয়ার ওপর জোর দেন।

    তিনি বলেন, আমরা সব সেক্টরে এগিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু আমাদের গবেষণা একটি ক্ষেত্রে কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে, আর তা হলো স্বাস্থ্য খাত। আমরা চিকিৎসা বিজ্ঞান গবেষণায় গুরুত্ব দিচ্ছি..আমি মনে করি এটিকে আরো গুরুত্ব দেয়া দরকার।

    শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার গবেষণার ক্ষেত্র সম্প্রসারিত করেছে। সরকার সমুদ্রবিজ্ঞান গবেষণা এবং ব্লু ইকোনমিকে গুরুত্ব দিয়েছে। কারণ এটি ভবিষ্যতে দেশের অর্থনীতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

    অনুষ্ঠানে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীর বক্তৃতার কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি সত্যিই আশাবাদী এই দেশকে আর কেউ পিছিয়ে নিয়ে যেতে পারবে না।’

    শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সেশনজট ও অস্ত্র সহিংসতা থেকে মুক্ত রাখতে সফলভাবে সক্ষম হয়েছে। ৬-৮ বছর ধরে সেশন-জট ছিল এবং অতীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত অস্ত্রের ঝনঝনানি হতো।

    তিনি বলেন, ‘আমরা অন্তত দাবি করতে পারি যে ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে ক্যাম্পাসকে সেই পরিবেশ থেকে মুক্ত করতে পেরেছি।’

    বাংলাদেশের ৫০ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ২০০৯ সাল থেকে একটি গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকায় দেশ উন্নয়নের যাত্রায় এগিয়ে যাচ্ছে।

    তিনি বলেন, আমাদের শিক্ষার হার ৭৫ শতাংশে উন্নীত হয়েছে এবং আমরা খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছি।

    সারা বিশ্বে এখন জনগণের দুর্ভোগ বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যদিও বাংলাদেশের মানুষও উচ্চ মূল্যস্ফীতির কবলে পড়েছে, তবুও এখানে খাদ্যশস্য পাওয়া যায়। (খাদ্যশস্যের) অভাব নেই।

    মাধ্যমিক থেকে স্নাতক (পাস) এবং এর সমমানের প্রতিষ্ঠানের অস্বচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে উপবৃত্তি ও টিউশন ফি বিতরণ উদ্বোধনের পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষন-২০২৩-(বঙ্গবন্ধু ক্রিয়েটিভ ট্যালেন্ট সার্চ-২০২৩) এর সবচেয়ে মেধাবী শিক্ষার্থীদের পুরস্কার প্রদান এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বৃত্তি পুরস্কার-২০২২ প্রদানের জন্য এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী।

    প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্মৃতি কর্মকার তার স্বাগত বক্তব্যে বলেন, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও স্নাতক (পাস) ও সমমানের প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৫৩,৬০,০০০ শিক্ষার্থী উপবৃত্তি ও টিউশন ফি হিসেবে মোট ১,২০০ কোটি টাকা পাচ্ছে।

    শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ও টিউশন ফি মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে বিতরণ করা হচ্ছে।

    তিনি বলেন, এছাড়া ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ১৫ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে, যারা বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ-২০২৩-এর মাধ্যমে পুরস্কৃত হয়েছেন, এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ২২ জন শিক্ষার্থীকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বৃত্তি পুরস্কার-২০২২-এ ভূষিত করা হয়েছে।

    ১৫ জন শিক্ষার্থীর প্রত্যেকে একটি ক্রেস্ট, সনদ এবং ২ লাখ টাকা এবং বৃত্তি পুরস্কার-২০২২-এর জন্য নির্বাচিত ২২ শিক্ষার্থীর প্রত্যেকে একটি ক্রেস্ট, সনদ এবং ৩ লাখ টাকা পেয়েছে।

    সূত্র: বাসস

  • আগামী এশিয়া কাপ ক্রিকেট হতে পারে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কায়

    আগামী এশিয়া কাপ ক্রিকেট হতে পারে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কায়

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: ক্রিকেট খেলা সংক্রান্ত ওয়েসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফোতে প্রকাশিত এক রিপোর্টে বলা হয়েছে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কায় হতে পারে আগামী এশিয়া কাপ ক্রিকেট।

    ২০২৩ এশিয়া কাপের জন্য পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) প্রস্তাবিত ‘হাইব্রিড মডেল’ অনুমোদন পেতে পারে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলে (এসিসি)।

    আয়োজক পাকিস্তানের সাথে নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে বেছে নেয়া হবে শ্রীলঙ্কাকে। নিরপেক্ষ ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে ভারতের ম্যাচগুলো।

    হাইব্রিড মডেল অনুসারে, পাকিস্তানে চার বা পাঁচটি ম্যাচ হতে পারে। ভারতের সবগুলো ম্যাচ হবে শ্রীলঙ্কায়। এমনকি ভারত ফাইনালে উঠলেও, নিরপেক্ষ ভেন্যুতে হবে শিরোপা নির্ধারনী ম্যাচটি।

    ইএসক্রিকইনফো জানিয়েছে, এই সপ্তাহের শেষ দিকেই চূড়ান্ত ঘোষণা দিতে পারে এসিসি। ১ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর এশিয়া কাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ।পাকিস্তানের মাটিতে সবগুলো ম্যাচ লাহোরে অনুষ্ঠিত হবে।

    সম্ভাব্য অনুমোদনে এশিয়া কাপ নিয়ে অচলাবস্থার অবসান ঘটাতে পারে। এশিয়া কাপের সাথে জড়িত আছে আইসিসি ইভেন্টও। এ বছর ভারতে অনুষ্ঠেয়  ওয়ানডে বিশ্বকাপ নিয়ে  সবচেয়ে সমস্যা হচ্ছিলো।  সেই সাথে পাকিস্তানের মাটিতে ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিও। কেননা ভারত-পাকিস্তান  পরস্পর দুই দেশ সফরে  রাজি নয়।  এশিয়া কাপের এমন সমাধানে  বিশ্বকাপে পাকিস্তান ক্রিকেট দলেল ভারত সফরের সমস্যারও সমাধান হচ্ছে।

    ভারতীয়  ক্রিকেট দল পাকিস্তান সফরে  রাজি না হওয়ায় সমস্যা সমাধানে হাইব্রিড মডেলের প্রস্তাব করা হয়। ভারতীয়র দলের অস্বকৃতিতে  আয়োজক হিসেবে এশিয়া কাপের স্বত্ব ধরে রাখতে মডেল উপস্থাপন করে  বপাকিস্তান।

    প্রাথমিকভাবে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে দ্বিতীয় ভেন্যু হিসেবে প্রস্তাব করেছিলো পাকিস্তান। কিন্তু সেপ্টেম্বরে মধ্যপ্রাচ্যের গরম আবহাওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বাংলাদেশ।

    ছয় জাতির আগামী এশিয়া কাপে একই গ্রুপে খেলবে দুই চিরপ্রতিন্দ্বন্দি ভারত-পাকিস্তান। এই গ্রুপের অন্য দল নেপাল। ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এবারের এশিয়া কাপ ৫০ ওভারে অনুষ্ঠিত হবে। অন্য গ্রুপে লড়বে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান।

    ২০২২ আসরের  নিয়ম অনুসারে দুই গ্রুপের সেরা দুই দল সুপার ফোরে খেলবে। সুপার ফোরের শীর্ষ দুই দল ফাইনাল খেলবে। ১৩ দিনে সর্বমোট ১৩টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

    সূত্র: বাসস

  • বিল্ডিং কোড অনুযায়ী ভূমিকম্প সহনীয় স্থাপনা তৈরির বাধ্যবাধকতা রয়েছে: তাজুল ইসলাম

    বিল্ডিং কোড অনুযায়ী ভূমিকম্প সহনীয় স্থাপনা তৈরির বাধ্যবাধকতা রয়েছে: তাজুল ইসলাম

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: ভূমিকম্পের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ২০২২ সালের ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড অনুযায়ী সাত দশমিক পাঁচ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় স্থাপনা তৈরির বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ভূমিকম্পের ক্ষয়-ক্ষতি প্রতিরোধে এই নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

    তাজুল ইসলাম গতকাল শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের সিনেট হলে অনুষ্ঠিত ‘১৮৯৭ সালের ১২ জুন ভারতীয় উপমহাদেশের মহাভূমিকম্প স্মরণে ভূমিকম্প ঝুঁকি নিরসনে প্রস্তুতি এবং সতর্কতা’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) প্রফেসর ড. এ এস এম মাকসুদ কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  দুর্যোগ ও ত্রান প্রতিমন্ত্রী ড. মো. এনামুর রহমান।

    তাজুল ইসলাম বলেন,  ভূমিকম্প সহনীয় পরিকল্পিত  নগরায়ন করারর কোন বিকল্প নেই। এজন্য শহরে উন্মুক্ত ও সবুজ স্থান যেমন লাগবে, তেমনি লাগবে জলাধর ও স্কুল-কলেজ।

    মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শহরের সুবিধা গ্রামে পৌঁছে দেওার জন্য যোগাযোগ ব্যবস্থা ও কমিউনিটি ক্লিনিকসহ গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়নে অবিরাম কাজ করে চলেছেন। এতে শহরের ওপর চাপ কমবে এবং মানুষ নিজের এলাকায় থাকতে উৎসাহিত হবেন।

    ড. মো. এনামুর রহমান বলেন, ২০১৬ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে ঢাকা শহরে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ৭২ হাজার ঘর-বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং দেড় লাখের বেশি মানুষ মারা যাবে। সুতরাং ভূমিকম্পের বিষয়ে জনগণকে সচেতন করার বিকল্প নেই এবং ভূমিকম্পের সময় করণীয় বিষয়ে সকলকে প্রশিক্ষণ দিতে হবে।

    ড. মো. এনামুর রহমান আরো বলেন, ২০৭১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ভূমিকম্প সহনীয় দেশ হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছে সরকার।

    সূত্র: বাসস

  • বিফ রোস্ট

    বিফ রোস্ট

    বিফ রোস্ট মূলত ইংলিশদের খাবার। কিন্তু এখন এই বিফ রোস্টের জনপ্রিয়তা বাংলাদেশেও অনেক বেড়ে গেছে। এখানে বিফ রোস্ট তৈরির উপকরণ ও প্রণালি সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেব।

    উপকরণ:

    বিফ চাক-এক কেজি, লবন-স্বাদমতো, পেপে বাটা-দুই টেবিল চামচ, গোল মরিচ গুড়া-হাফ চা চামচ, লেবুররস-দুই টেবিল চামচ, পেয়াজ বাটা-চার টেবিল চামচ, আদা বাটা-দুই টেবিল চামচ, রসূন বাটা-দেড় টেবিল চামচ, পোস্তদানা বাটা-এক চা চামচ, গরম মসলা গুড়া-এক চা চামচ, শুকনা মরিচ গুড়া-দুই চা চামচ, দৈ বা ক্রিম-হাফ কাপ, ঘি-হাফ কাপ, বিফ স্টক-দুই কাপ।

    বিফ রোস্ট

    প্রস্তুত প্রণালি:

    প্রথমে গরুর মাংসের চাক টি ভালো করে ধুয়ে পেপার টাওয়ালে মুছে নিতে হবে। কাটা চামচ দিয়ে কেচে নিতে হবে। আবার মুছে ছাকনিতে লবন ও গোল মরিচগুঁড়া এবং পেপে বাটা দিয়ে মেরিনেট করে রাখতে হবে প্রায় ছয় থেকে সাত ঘন্টা।

    একটা বাটিতে লেবুর রস, আদা, রসূন ও পিয়াজ বাটা, শুকনা মরিচগুঁড়া, গরম মসলা গুড়া, পোস্তবাটা, লবন, মাখিয়ে নিতে হবে।

    এখন চুলায় প‍্যান গরম করে তাতে ঘি দিতে হবে। মসলার মিশ্রন ঢেলে দিয়ে ক্রমাগত নাড়তে হবে যাতে পুরে না যায়। এখন বিফের চাক টা দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। চুলার আগুনের তাপ কমিয়ে দিতে হবে। এপাশ ওপাশ করে দিতে হবে কিছুক্ষণ পর পর। বিশ মিনিট পর চুলা থেকে নামিয়ে পিস করে কেটে নিন। এবং  আবার চুলায় প‍্যানে  মসলায় বিফের পিস গুলো দিয়ে ঢেকে দিন। পনের মিনিট রেখে নামানোর আগে ক্রিম বা দৈ দিতে হবে।

    বিভিন্ন সবজির সাথে এই বিফ রোস্ট গরম গরম পরিবেশন করুন।

    রেসিপি দিয়েছেন: রাজিয়া সুলতানা

  • পাকিস্তানের বৃষ্টি জনিত দুর্যোগে ২৫ জনের প্রাণহানি

    পাকিস্তানের বৃষ্টি জনিত দুর্যোগে ২৫ জনের প্রাণহানি

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: পাকিস্তানে বৃষ্টি জনিত দুর্যোগে অন্তত ২৫ জনের প্রাণহানি হয়েছে। আহত হয়েছে ১৪৫ জন। দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সাইবার পাখতুন খোয়া প্রদেশে এই দুর্যোগের ঘটনা ঘটেছে। প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।

    জানা গেছে, প্রদেশের বান্নু জেলায় ১৫ জনের প্রাণহানি এবং আরো একশ জন আহত হয়েছে। এছাড়া লাক্কি মারওয়াত জেলায় পাঁচজনের প্রাণহানি এবং ৪২ জন আহত হয়েছে।

    কারাক জেলায় চার জন এবং দেরা ইসমাইল খান জেলায় একজনের প্রাণহানি ও দুজন আহত হয়েছে। প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ আরো জানিয়েছে, প্রদেশে মোট ১৭ জন পুরুষ, একজন নারী ও সাত শিশু প্রাণ হারিয়েছে।

    পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শনিবার শাহবাজ শরীফ এসব প্রাণহানিতে গভীর শোক ও দু:খ প্রকাশ এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

    প্রধানমন্ত্রী দুর্গত এলাকায় ত্রাণ কার্যক্রম চালাতে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।

  • ভারত ও বাংলাদেশ সব দিক থেকেই একে অপরের ওপর নির্ভরশীল: কৃষিমন্ত্রী

    ভারত ও বাংলাদেশ সব দিক থেকেই একে অপরের ওপর নির্ভরশীল: কৃষিমন্ত্রী

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমাদের  প্রতিবেশী দেশ ভারত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সহযোগিতা করেছে। জীবন বাজি রেখে আমাদের পাশে থেকে যুদ্ধ করেছে এবং চরম আত্মত্যাগ স্বীকার করেছে।  উভয় দেশ সব দিক থেকেই একে অপরের ওপর নির্ভরশীল।

    ড. আব্দুর রাজ্জাক গতকাল শুক্রবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় ভারতের কলকাতার পিয়ারলেস ইন হোটেলে ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক  নিয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায়  প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

    সারা বিশ্বে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বাঙালিদের যোগসূত্র বাড়ানোর লক্ষ্যে গড়ে উঠা  সংগঠন ‘বাংলা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড’ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

    ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, অসাম্প্রদায়িকতা, ধর্মনিরপেক্ষতা,  গণতন্ত্র ও বাঙালি জাতীয়তাবাদের আদর্শ নিয়ে ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন আওয়ামী  লীগ  প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সেদিন থেকে এখন পর্যন্ত আওয়ামী  লীগ এসব আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়নি। ধর্মনিরপেক্ষতা- অসাম্প্রদায়িকতার সাথে কোন আপোষ করেনি।

    তিনি বলেন, আওয়ামী  লীগ ক্ষমতায় থাকুক বা না থাকুক, সবসময়ই অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছে, আন্দোলন- সংগ্রাম করেছে। কিন্তু দেশে বিএনপিসহ কিছু দল রয়েছে, যারা ক্ষমতায় আসার জন্য সবসময়ই ধর্মকে ব্যবহার করে।

    বাঙালি বিশ্বে অন্যতম শ্রেষ্ঠ জাতি হতে পারে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন,  বাংলাদেশ ও ভারতের  বাঙালিরা শতাব্দীর পর শতাব্দী একসাথে থেকেছে। এখন বাস্তবতার কারণে দুটি দেশ, ভৌগোলিক অবস্থান ও রাষ্ট্রীয় পরিচয় ভিন্ন হলেও  বাঙালিদের চিন্তা-চেতনা, খাদ্যাভ্যাস, জীবনাচরণ, ভাষা- সংস্কৃতিসহ প্রায় সবকিছুই এক ও অভিন্ন। সকলে মিলে একসঙ্গে কাজ করলে বিশ্বে বাঙালিরা অন্যতম শ্রেষ্ঠ জাতি হিসেবে পরিণত হতে পারে।

    সামাজিক বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশের অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরে কৃষিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান আওয়ামী  লীগ সরকার ২০০৮ সালের ডিসেম্বর মাসে নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে ক্ষমতায় আসে। সেই নির্বাচনে আমরা জনগণের বিপুল সমর্থন নিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। ২০১৫ সালে আমরা দানা জাতীয় খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছি। সামাজিক ইনডেক্সগুলিতেও  আমরা খুব ভালো ফল করেছি। অনেক ক্ষেত্রে ভারতের চেয়েও এগিয়ে আছি।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলা ওয়ার্ল্ড ওয়াইডের সভাপতি এবং কলকাতা ও মুম্বাই হাইকোর্টের সাবেক প্রধান বিচারপতি চিত্ততোষ মুখোপাধ্যায়।

    এসময় বাংলাদেশের অতিথিবৃন্দের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান,  ব্যারিস্টার আমীর-উল- ইসলাম, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার, বিশিষ্ট সাংবাদিক স্বদেশ রায়, কলকাতায় বাংলাদেশের উপ হাইকমিশনার আন্দালিব ইলিয়াস, ভারতের রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য পবিত্র সরকার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

    কলকাতা  প্রেস ক্লাবের সভাপতি স্নেহাশিস সুরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় কলকাতা থেকে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট চিকিৎসক সুকুমার মুখোপাধ্যায়, সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অশোক গঙ্গোপাধ্যায়, বিচারপতি সমরেশ বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রখ্যাত আইনজীবী  বিমল চ্যাটার্জী, আইনজীবী ও সংসদ সদস্য  বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য, শিক্ষাবিদ ড. পবিত্র সরকার, অধ্যাপক শোভন লাল দত্তগুপ্ত, দিল্লির শিব নাদার ইনস্টিটিউট অব এমিনেন্সের অধ্যাপক আশিস ভট্টাচার্য, ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট ইউনিভার্সিটির প্রাক্তন উপাচার্য ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন সহ উপাচার্য অধ্যাপক অশোক রঞ্জন ঠাকুর, নেতাজী সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য অধ্যাপিকা  মণিমালা দাস, বিশিষ্ট বিজ্ঞানী অধ্যাপক পার্থ ঘোষ প্রমুখ।

    একই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রখ্যাত সাংবাদিক  ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আবদুল গাফফার চৌধুরীর ওপর নির্মিত তথ্যচিত্রের উন্মোচন করেন মন্ত্রী।

    সূত্র: বাসস

  • শেখ হাসিনার ১৫তম কারামুক্তি দিবস আজ

    শেখ হাসিনার ১৫তম কারামুক্তি দিবস আজ

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: আজ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১৫তম কারামুক্তি দিবস।  ২০০৮ সালের এই দিনে শেখ হাসিনা ১১ মাস বন্দী থাকার পর, জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় স্থাপিত বিশেষ সাব-জেল থেকে মুক্তি পান।

    ২০০৭ সালে ১/১১-এর রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর, ক্ষমতা গ্রহণ করা সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই আওয়ামী লীগ সভাপতিকে তার ধানমন্ডির বাসভবন সুধা সদন থেকে গ্রেফতার করা হয়।

    শেখ হাসিনা বন্দিদশায় অসুস্থ হয়ে পড়ায় আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনসহ বিভিন্ন মহল থেকে তাকে জেল মুক্তি দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর দাবি ওঠে। বিভিন্ন মহল থেকে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত ও বারংবার দাবি ও চাপে তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।

    ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট জোট দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজয় অর্জন করে এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য প্রধানমন্ত্রী হন। এরপর আওয়ামী লীগ ২০১৪ ও ২০১৮ সালের সাধারণ নির্বাচনেও বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করে।

    সূত্র: বাসস

  • ব্যক্তিগত তথ্য সরানোয় মেটাকে রেকর্ড অংকের জরিমানা

    ব্যক্তিগত তথ্য সরানোয় মেটাকে রেকর্ড অংকের জরিমানা

    ইউরোপে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য যুক্তরাষ্ট্রের সার্ভারে স্থানান্তর করায় ফেসবুকের মালিকানা প্রতিষ্ঠান মেটাকে রেকর্ড অংকের জরিমানা করেছে ইউরোপিয়ান ডাটা প্রটেকশন বোর্ড। সোমবার এক বিবৃতিতে ১৩০ কোটি ডলার জরিমানার কথা জানায় ইউরোপীয় সংস্থাটি।

    আইরিশ ডাটা প্রটেকশন কমিশনের তদন্তে অভিযোগের প্রমাণ পেয়ে ওই জরিমানা করা হয়। খবর এএফপি ও সিএনএনের ইউরোপে মেটার পুরো কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে আইরিশ ডাটা প্রটেকশন কমিশন। ইউরোপের তথ্য সুরক্ষা আইন বা জিডিপিআরের অধীনে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন বা ১৩০ কোটি ডলারই সবচেয়ে বড় অঙ্কের জরিমানা। এর আগে ২০২১ সালে আমাজনকে ৮০৫ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করা হয়।

    ছয় মাসের মধ্যে ইউরোপীয় ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তর বন্ধ করতে বলা হয়েছে মেটাকে। ইউরোপিয়ান ডাটা প্রটেকশন বোর্ডের চেয়ার আঁন্দ্রে জেলিনেক বলেন, ‘ইউরোপে লাখ লাখ ব্যবহারকারী রয়েছে ফেসবুকের। তাদের তথ্য যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তরের বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। কারণ স্থানান্তরের কাজটি নিয়মিত পদ্ধতিগতভাবে করা হয়।’ তবে ইউরোপে ফেসবুক বন্ধ করে দেওয়া হয়নি বলে জানায় ইউরোপিয়ান ডাটা প্রটেকশন বোর্ড।

    প্রযুক্তি

    ফেসবুকের দাবি প্রত্যাখ্যান করে আয়ারল্যান্ডের ডেটা প্রটেকশন কমিশন জানিয়েছে, মেটা তথ্য নিরাপত্তা আইনের ২৫ নম্বর অনুচ্ছেদ ভঙ্গ করেছে। কারণ, অনলাইনে ফাঁস হওয়া তথ্যগুলো কাজে লাগিয়ে স্প্যাম বার্তা পাঠানোর পাশাপাশি বিভিন্নভাবে প্রতারণা করা সম্ভব। তাই এ জরিমানা করা হয়েছে।

    তথ্যসূত্রঃ টাইমস.কম

  • চিকেন মাশরুম ললিপপ

    চিকেন মাশরুম ললিপপ

    উপকরণ:  চিকেন কিমা-১ কাপ, পুদিনাপাতা ১/৪ কাপ, কাঁচামরিচ  কুঁচি-৪/৫ টা, চাট মসলা-১ চা চামচ, লেবুর রস-১ চা চামচ, পাউরুটি-২ পিছ, লবন স্বাদ  মতো, চিকেন পাউডার ১  টেবিল চামচ, মাশরুম ১/৪ কাপ কুচি, কনফ্লাওয়ার-১ চা চামচ, ডিম-দুই থেকে তিনিটি, তেল-ভাজার জন্য।

    চিকেন মাশরুম ললিপপ

    প্রনালি: চিকেন কিমা, পাউরুটি, পুদিনাপাতা, কাঁচামরিচ ব্লানডারে ব্লান্ড করে তার মাঝে, চাট মসলা, চিকেন পাউডার, লবন, লেবুর রস, মাশরুম কুচি দিয়ে, ডিম ও কনফ্লাওর দিয়ে মেখে নিতে হবে। তার পর ললিপপ সাইজ করে কাঠি করে করে ডোবা তেলে ভেজে তুলে পরিবেশন করতে হবে।  বিকেলের নাস্তায় চিকেন মাশরুম ললিপপ একটি মাজাদার খাবার।

    রেসিপি দিয়েছেন: নাসরীন নওরোজ স্বপ্না

  • বেঙ্গল শিল্পালয়ে বরকত হোসেন ও অসিত কুমারকে সুর সংগীতে স্মরণ

    বেঙ্গল শিল্পালয়ে বরকত হোসেন ও অসিত কুমারকে সুর সংগীতে স্মরণ

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: সদ্য প্রয়াত দুই শাস্ত্রীয় সংগীত শিক্ষক বরকত হোসেন ও অসিত কুমারকে শ্রদ্ধা জানাতে বেঙ্গল শিল্পালয় গতকাল সন্ধ্যায় আয়োজন করে সুর-সংগীতে স্মরণ অনুষ্ঠান । এই দুই ব্যক্তি শুধু সংগীত শিক্ষক ছিলেন না, ছিলেন বেঙ্গলের স্বজন। সংগীত শিক্ষক বরকর হোসেনে জন্ম ১৯৫৮ সালে এবং অসিত কুমারের জন্ম ১৯৬৭ সালে। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস এই সংগীত জনের মৃত্যু ২০২৩ সালের মে মাসে। একজন চিরবিদান নিলেন ৯মে ও অপরজন ১২মে। স্বাভাবিক মৃত্যু হলেও তাঁদের চলে যাওয়াটা খুব মর্মস্পর্শী। বিশেষ ভাবে তাদের কাছে যারা এই দুই ব্যক্তির স্বানির্ধে ছিলেন। অল্প সময়ের ব্যবধানে চলে যাওয়া দুই ব্যক্তির নিয়ে বেঙ্গেলের এই আয়োজনের নাম দেওয়া হয় ‘সুর সংগীতে স্মরণ’।

    বেঙ্গল শিল্পালয়ে বরকত হোসেন ও অসিত কুমারকে সুর সংগীতে স্মরণ

    বেঙ্গল শিল্পালয়ের তৃতীয় তলার অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক লুভা নাহিদ চৌধুরী। তার পরে অসিত কুমারকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন শাশ্বতী পাল। সবশেষে দুই সংগীত জন ও শাস্ত্রীয় সংগীতের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এ এফ এম রেজোয়ান ।

    এর পর দুই শিল্পীর উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করে সংগীত পরিবেশনা শুরু হয়। প্রথমে সারেঙ্গীতে ‘রাগ পটদীপ’ বাদনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। পরিবেশন করেন বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়ের এসরাজ বিভাগের শিক্ষার্থী শৌণক দেবনাথ ঋক।

    এর পরে খেয়াল ‘রাগ ভীমপলশ্রী’ পরিবেশনা করেন লক্ষ্যাপার পরম্পরার খেয়াল বিভাগের শিক্ষার্থী তান্দ্রিতা সরকার। তাঁর সাথে তবলয় সংগত করেছেন কৃষ্ণ দাস, হারমোনিয়ামে আওলাদ হোসেন এবং তানপুরায় প্রিয়াংকা মোদক। সর্বশেষে সুর সংগীতে স্মরণ অনুষ্ঠানে সেতারে ‘রাগ চারুকেশী’ পরিবেশন করেন বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়ের প্রক্তন শিক্ষার্থী এবং লক্ষ্যাপার পরম্পরার শিক্ষক নিশিত দে। তাঁকে তবলায় সংগত করেন বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়ের তবলা বিভাগের শিক্ষার্থী এবং সহকারী শিক্ষক প্রশান্ত ভৌমিক।

    অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন, ডঃ খন্দকার তাজমী নূর।

    বিপুল সংখ্যক দর্শক অনুষ্ঠানটি উপভোগ করে। এবং পরে বেঙ্গল আয়োজিত চা চক্রে অংশ নেয়।

    এখানে উল্লেখ থাকে যে আজ শনিবার সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়ের গ্রীষ্ম বৈঠকে পরিবেশন করা হবে শাস্ত্রীয়সংগীত-ধ্রুপদ সেতার খেয়াল।