Author: Hello Bangla News

  • কলম্বিয়ায় বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার চল্লিশ দিন পর ৪ শিশু জীবিত উদ্ধার

    কলম্বিয়ায় বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার চল্লিশ দিন পর ৪ শিশু জীবিত উদ্ধার

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: প্রায় চল্লিশ দিন আগে কলম্বিয়ার আমাজন রেইনফরেস্টে ছোট্ট একটি বিমান বিধ্বস্ত হয় । সেই জঙ্গল থেকে ক্ষুদ্র জাতিসত্তার চার শিশুকে এত দিন পর জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে এক বছর বয়সী একটি শিশুও রয়েছে।

    কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো শুক্রবার এ খবর জানিয়ে একে ‘পুরো দেশের জন্য আনন্দজনক’ বলে উল্লেখ করেন।

    চার শিশুকে জীবিত উদ্ধারের ঘটনায় টুইট করেছেন গুস্তাভো পেত্রো। তিনি লিখেছেন, ‘আমাদের পুরো দেশের জন্য আনন্দজনক খবর রয়েছে। আমাজন জঙ্গল থেকে চার শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। ৪০ দিন আগে উড়োজাহাজ দুর্ঘটনার পর থেকে ক্ষুদ্র জাতিসত্তার এই চার শিশু নিখোঁজ ছিল।’

    টুইটে গুস্তাভো পেত্রো উদ্ধার কার্যক্রমের ছবি পোস্ট করেছেন। এ ছবিতে কলম্বিয়ার সেনাবাহিনী ও স্থানীয় ক্ষুদ্র জাতিসত্তার লোকজনকে উদ্ধারকাজে অংশ নিতে দেখা গেছে।

    উদ্ধার হওয়া চার শিশুর মধ্যে একজনের বয়স মাত্র এক বছর। অন্য তিনজনের বয়স ৯ বছর, ৪ বছর ও ১৩ বছর। এরা মূলত ইউতুতু ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর।

    উল্লেখ্য, গত ১ মে ছোট আকারের বিমান সেসনা ২০৬ আমাজন জঙ্গলে বিধ্বস্ত হয়। এতে পাইলটসহ প্রাপ্তবয়স্ক তিন ব্যক্তি নিহত হয়। নিহতদের মধ্যে শিশুদের মা, একজন আত্মীয় ও পাইলট ছিলেন। বিমানে থাকা শিশুদের খোঁজ মিলছিল না। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালাতে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কুকুরসহ ১শ’ সেনা মোতায়েন করা হয়েছিল। অবশেষে দুর্ঘটনার চল্লিশ দিন পর সেই চার শিশুকে উদ্ধার করা হয়।

    সূত্র : বাসস

  • শিশুরা পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে নিয়োজিত থাকুক: প্রধানমন্ত্রী

    শিশুরা পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে নিয়োজিত থাকুক: প্রধানমন্ত্রী

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নতুন প্রজন্মকে স্থানীয় খেলাধুলার ব্যাপক সম্পৃক্ততা বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে বলেন, “স্থানীয় খেলাধুলার ওপর আরও গুরুত্ব আরোপ করা প্রয়োজন যাতে এসব খেলাধুলার চর্চা বৃদ্ধি পায়।  আমি চাই আমাদের শিশুরা পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, শারীরিক ব্যায়াম এবং সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে নিয়োজিত থাকুক।”

    গতকাল রাজধানীর বনানী এলাকায় বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে শেখ হাসিনা আন্তঃব্যাংক ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৩ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    তিনি বলেন, “খেলাধুলা, শারীরিক ব্যায়াম এবং সাংস্কৃতিক চর্চা আত্মবিশ্বাস, দেশের প্রতি ভালবাসা এবং দেশের প্রতি কর্তব্যপরায়ণতা ও দায়িত্ববোধ বৃদ্ধি করে, পাশাপাশি জনগণকে হাসি-খুশি রাখে।”

    শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার সারাদেশে (উপজেলা) মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ করছে যাতে সারা বছর সেখানে বিভিন্ন খেলাধুলা করা যায়।

    তিনি বলেন, রাজধানী ঢাকার উপকণ্ঠে পূর্বাচলে ফুটবলসহ অন্যান্য খেলাধুলার জন্য একটি স্টেডিয়াম নির্মাণের উদ্যোগ নেবে সরকার।

    তিনি বলেন, “এখন পূর্বাচলে ক্রিকেটের জন্য একটি স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হচ্ছে। আমরা পদক্ষেপ নেব যাতে ফুটবল সহ অন্যান্য খেলার জন্য এর কাছাকাছি আরেকটি স্টেডিয়াম তৈরি করা হয়। ”

    প্রধানমন্ত্রী এর আগে স্টেডিয়ামে ফাইনাল ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধ উপভোগ করেন। গ্র্যান্ড ফিনালেতে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংককে ২-১ গোলে হারিয়ে প্রথম টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতেছে ইউনিয়ন ব্যাংক।

    তিনি চ্যাম্পিয়ন দল ও রানার আপ দলের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি ও প্রাইজমানি বিতরণ করেন।

    চ্যাম্পিয়ন দলকে ৫০ লাখ টাকা এবং রানার্স আপ দলকে ৪০ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হয়। এছাড়া, তৃতীয় ও চতুর্থ স্থান লাভ করে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ৩০ লাখ টাকা এবং সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ২০ লাখ টাকা পেয়েছে।

    সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল।

    সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন এবং বিএবি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার স্বাগত বক্তব্য রাখেন।

    বাংলাদেশ আর্মি স্পোর্টস কন্ট্রোল বোর্ডের সহযোগিতায় বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি) কর্তৃক আয়োজিত প্রথম “শেখ হাসিনা আন্তঃব্যাংক ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৩” গত ১৩ মে মোট ৩৪টি ব্যাংক দলের অংশগ্রহণে শুরু হয়।

    সূত্র : বাসস

  • চুল পড়ার রোধে নারকেল তেল এবং সরিষার তেলের কম্বো

    চুল পড়ার রোধে নারকেল তেল এবং সরিষার তেলের কম্বো

    নারকেল তেল এবং সরিষার তেল বহু প্রজন্ম ধরে চুল পড়া রোধে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। নারকেল তেল এবং সরিষার তেল উভয়েরই রয়েছে অপরিহার্য ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন এবং খনিজ; যা চুলের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এই তেলগুলি মাথার ত্বকে পুষ্টি জোগাতে, চুলের গোড়া বা ফলিকলগুলিকে শক্তিশালী করতে, এবং চুল পড়া কমাতে সাহায্য করতে পারে।

    এই দুটি প্রাকৃতিক তেলের সংমিশ্রণ চুল পড়া রোধে দুর্দান্ত প্রতিকার হিসাবে প্রমাণিত হয়েছে।

    চুল পড়া রোধে নারকেল তেল

    নারকেল তেল ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ হয়ে থাকে। যা চুলের ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে, চুল পড়া রোধ করে । এটি চুল এবং মাথার ত্বককে ময়শ্চারাইজ করতে এবং চুলকে
    স্বাস্থ্যকর ও উজ্জ্বল দেখাতে সহায়তা করে।

    চুল পড়া রোধে সরিষার তেল

    সরিষার তেল একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে এবং চুলের গোড়ায় পুষ্টি জোগায়, এর ফলে চুল পড়া রোধ করে।

    চুল পড়ার জন্য নারকেল তেল এবং সরিষার তেলের কম্বো কীভাবে ব্যবহার করবেন?

    সেরা ফলাফলের জন্য এই কম্বোটি কীভাবে ব্যবহার করবেন তা

    এখানে:

    ১. নারকেল তেল এবং সরিষার তেল উভয়ই অল্প পরিমাণে গরম করুন। আপনি একটি ডাবল বয়লার ব্যবহার করতে পারেন বা চুলায় সরাসরি তেল গরম করে নিতে পারেন।

    ২. তেল গরম হয়ে গেলে একটি পাত্রে একসঙ্গে মিশিয়ে নিন।

    ৩. তেল মেশানো হয়ে গেলে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় এনে, মিশ্রণটি আপনার মাথার ত্বকে এবং চুলে লাগান। কয়েক মিনিটের জন্য বৃত্তাকার গতিতে আপনার মাথার ত্বকে মিশ্রণটি ম্যাসাজ করুন।

    ৪. মিশ্রণটি চুলে অন্তত ৩০ মিনিট রেখে দিন। তবে, সেরা ফলাফলের জন্য এটি এক ঘন্টা পর্যন্ত রাখতে পারেন।

    ৫. মিশ্রণটি সেট হতে দেওয়ার পরে, হালকা গরম পানি দিয়ে আপনার চুল ধুয়ে ফেলুন।

    ৬. সেরা ফলাফলের জন্য সপ্তাহে অন্তত দুবার এই প্রক্রিয়াটি পুনরাবৃত্তি করুন।

    এই নারকেল তেল এবং সরিষার তেলের কম্বো ব্যবহার চুল পড়া কমাতে এবং আপনার চুলকে আরও স্বাস্থ্যকর এবং আরও চকচকে দেখাতে সাহায্য করবে। দুটি তেলের হেয়ার ফল কম্বো চুল পড়া রোধে ভীষণ কার্যকর এবং ইহা প্রাকৃতিক ও নিরাপদ। এছাড়াও, এটি ব্যবহার করা সহজ কারন এতে বিশেষ কোনো উপাদান বা পণ্যের প্রয়োজন নেই। সুতরাং, আজ থেকেই এই চমৎকার মিশ্রণটি ব্যবহার করুন এবং নিজেই এর ফলাফল নির্নয় করুন!

    তথ্যসূত্রঃ বোল্ডস্কাই

  • দেশি রসুনের আচার

    দেশি রসুনের আচার

    আচার খেতে কার না ভালো লাগে। ছোট বড় সব বয়সের ই আচার পছন্দ। ভাত খিচুড়ি পোলাও বা বিরিয়ানি যাই হোক না কেন একটু আচার কিন্তু  খাবারের রুচি ও স্বাদ অনেক গুন বাড়িয়ে দেয়। আজ আমি নিয়ে এসেছি খুব মজার টক ঝাল একটি আচার। নাগা মরিচ রসূনের আচার।

    আচার বানাতে যা লাগছে

    উপকরণ:

    রসূনের কোয়া-এক কেজি, নাগা মরিচ-হাফ কেজি, লবন-স্বাদমতো, সিরকা- হাফ কাপ, মরিচ গুড়া-দুই চা চামচ, হলুদ গুড়া-এক চা চামচ, পাঁচ ফোড়ন গুড়া-    পাচ চা চামচ, তেতুলের মাড়-তিন টেবিল চামচ, চিনি-চার টেবিল চামচ, সরিষার তেল-এক কাপ, কাচা মরিচ-আট/দশটা, গোট পাচ ফোড়ন-এক চা চামচ।

    দেশি রসুনের আচার

    প্রস্তুত প্রনালি:

    প্রথমে নাগা মরিচ ও রসূন ধুয়ে পেপার টাওয়াল দিয়ে ভালো করে মুছে শুকিয়ে নিতে হবে। কড়াইতে তেল গরম করে কাচা  মরিচ ও গোটা পাচ ফোড়ন  দিতে হবে।  রসূনের কোয়া দিয়ে নাড়বো। এখন নাগা মরিচ ঢেলে দিতে হবে। একটু নেড়ে নিব ভালো করে। এখন এক এক করে এতে হলুদ গুড়া, মরিচ গুড়া লবন, সিরকা, চিনি, দিয়ে নাড়বো। পাচ মিনিট পর এতে তেতুলের মাড় দিবো নেড়ে নিবো। নাড়তে হবে ঘন ঘন যাতে পুড়ে না যায়। এখন পাচ ফোড়ন গুড়া দেতে হবে। সুঘ্রান আসবে  মরিচ রসূন ও পাচফোড়নের।

    নামিয়ে নিবো। হয়ে গেলো আমার খুব মজার ঝাল টক নাগা রসূনের আচার।

    রেসিপি দিয়েছেন: হেলেন বাওয়ার

  • বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর নিউইয়র্ক

    বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর নিউইয়র্ক

    হ্যাল বাংলা ডেস্ক: বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে আমেরিকার নিউইয়র্ক। আগে এই অবস্থানে ছিল হংকং । সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষায় বলা হয়েছে, প্রবাসী হিসাবে জীবনধারণের জন্য এক জন ব্যক্তিকে সবচেয়ে বেশি অর্থ খরচ করতে হবে নিউইয়র্কে।

    লন্ডনের আর্থিক সমীক্ষা সংস্থা ইসিএ ইন্টারন্যাশনাল প্রকাশিত ২০২৩ সালের ‘কস্ট অব লিভিং র‌্যাঙ্কিং’ শীর্ষক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ক্রমবর্ধমান মূল্যবৃদ্ধি এবং আবাসন-ব্যয় বৃদ্ধির কারণে চিনের শহর হংকংকে পিছনে ফেলে দিয়েছে নিউ ইয়র্ক। গত ডিসেম্বরে প্রকাশিত রিপোর্টে প্রথম স্থানে ছিল হংকং। এ বার ওই শহর দ্বিতীয় স্থানে নেমে গিয়েছে।

    নতুন রিপোর্ট অনুযায়ী সুইৎজারল্যান্ডের জেনেভা তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে। খরচের হিসাবে চতুর্থ স্থানে ব্রিটেনের রাজধানী লন্ডন। পঞ্চম স্থানে এশিয়ার আর এক শহর সিঙ্গাপুর। গত বছর সিঙ্গাপুর ছিল ১৩ নম্বরে। গত বছরের তুলনায় বিশ্বের বড় শহরগুলিতে জীবনধারণের খরচ অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে বলে ওই রিপোর্ট জানাচ্ছে। অতিমারির পাশাপাশি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবই এই মূল্যবৃদ্ধির কারণ বলে মনে করছেন ইসিএ ইন্টারন্যাশনালের আর্থিক বিশেষজ্ঞেরা।

    সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

  • দাবানলের কারণে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের বাতাস দূষিত হয়ে পড়েছে

    দাবানলের কারণে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের বাতাস দূষিত হয়ে পড়েছে

    হ্যাল বাংলা ডেস্ক: কানাডায় তীব্র দাবানলের কারণে বাতাসের মান খারাপ হওয়ায় উত্তর আমেরিকার এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে।লাখ লাখ মানুষকে ঘরের বাইরে বের হলে এন৯৫ মাস্ক পরার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

    আজ বৃহস্পতিবার থেকে নিউইয়র্কে বিনা পয়সায় মাস্ক বিতরণ করা শুরু হবে। কানাডা বলেছে যে, মানুষ যদি ঘরে থাকতে না পারে এবং বাইরে বের হয় তাহলে তাদের মাস্ক পরা উচিত।এদিকে দেশটির কর্মকর্তারা বলেছেন যে, বিপদজনক এই ধোঁয়াটে অবস্থা পুরো সপ্তাহ ধরে চলতে পারে। বেশিরভাগ ধোঁয়া আসছে কুইবেক থেকে। সেখানে ১৫০টির বেশি আগুন জ্বলছে।

    গতকাল বুধবার স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন যে, প্রদেশটির ১৫ হাজারের বেশি বাসিন্দাকে সরিয়ে নেয়া হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এটা এরই মধ্যে কুইবেকের সবচেয়ে খারাপ আগুনের মৌসুমে পরিণত হয়েছে।

    নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হচুল বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন “এটা একটা সাময়িক অবস্থা। এটা কোভিড নয়,” তিনি। গভর্নর আরো বলেন, নিউইয়র্ক শহরের বাস এবং ট্রেনে উচ্চ মানসম্পন্ন বাতাস পরিশোধনের ব্যবস্থা রয়েছে যার কারণে এগুলো নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করে।

    দাবানলের কারণে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের বাতাস দূষিত হয়ে পড়েছে

    কানাডার পরিবেশ বিভাগ বলেছে বৃহস্পতিবার টরেন্টোর অবস্থা আরো খারাপ হবে কারণ আরো বেশি ধোঁয়া বাতাসে ছড়িয়ে পড়বে।

    বুধবার এক বিশেষ আবহাওয়া বুলেটিনে জানায় কানাডার পরিবেশ বিভাগ জানিয়েছে,“এই ক্ষুদ্র উপাদানগুলো সাধারণত স্বাস্থ্যের মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করে। শ্বাসযন্ত্রগুলো দাবানলের ধোঁয়ায় থাকা গ্যাসের সংস্পর্শে আসা কমায় না,”

    এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থা, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বাতাসের মানকে শ্বাসযন্ত্রের রোগে ভুগছেন এমন বাসিন্দাদের জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলে ঘোষণা করেছে।

    সব মিলিয়ে উত্তর আমেরিকার লাখ লাখ মানুষ দূষিত বাতাসের ঝুঁকিতে রয়েছে বলে সতর্ক করা হয়েছে। নিউইয়র্কে কমলা রঙের কুয়াশা শহরের আকাশসীমাকে ঢেকে দিয়েছে। এছাড়া স্ট্যাচু অব লিবার্টির মতো উল্লেখযোগ্য স্থাপনাগুলোও এতে ঢেকে গিয়েছে।

    বুধবার মেয়র এরিক অ্যাডামস বলেন, “আমরা সব নিউইয়র্ক বাসীকে আহ্বান জানাচ্ছি তারা যাতে যতটা সম্ভব বাইরের কাজকর্ম কমিয়ে ফেলে।”

    নিউইয়র্কে চিড়িয়াখানায় পশুদেরকে ঘরের মধ্যে আনা হয়েছে এবং ঘোড়ায় টানা গাড়ির চলাচল বন্ধ রয়েছে।

    বুধবার ওয়াশিংটন ডিসির স্কুলগুলোতে সব ধরণের বাইরের কর্মকাণ্ড বাতিল করা হয়েছে। সেখানে বাতাসের মান ‘কোড রেড’ ঘোষণা করা হয়েছে। এদিকে ডেট্রইট হচ্ছে বিশ্বের পঞ্চম মেট্রোপলিটন শহর যার বাতাসের মান খুবই খারাপ।

    স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা মানুষদেরকে বাইরে শরীরচর্চা করতে নিষেধ করেছে এবং যত কম সম্ভব ধোঁয়ার সংস্পর্শে আসার পরামর্শ দিয়েছে। কারণ এই ধোঁয়া তাৎক্ষণিক এবং দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করবে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

    কানাডার কর্মকর্তারা বলেছেন, দেশটিতে সবচেয়ে খারাপ দাবানলের মৌসুম রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে। এর পেছনে তুলনামূলক বেশি গরম ও শুষ্ক বসন্তকালকে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই অবস্থা গ্রীষ্মকাল জুড়েও অব্যাহত থাকবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    আগুনে এরইমধ্যে কানাডায় ৩.৮ মিটার হেক্টর এলাকা পুড়ে গেছে। যা বছরের এই সময়ে গত ১০ বছরে হওয়া গড় দাবানলের তুলনায় ১২ গুন বেশি।

    শিল্পযুগের তুলনায় এরইমধ্যে পৃথিবীর তাপমাত্রা ১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে। আর বিশ্বজুড়ে সরকার প্রধানরা কার্বন নিঃসরণের হার না কমালে এই তাপমাত্রা বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে।

    বিলম্বিত ফ্লাইট:

    কানাডায় দাবানলের কারণে সীমিত দৃষ্টিসীমা তৈরি হওয়ার কারণে নিউইয়র্কের প্রধান প্রধান বিমানবন্দরগুলোতে ফ্লাইট বিলম্বিত করা হয়েছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ভ্রমণকারীদের সতর্ক করে বলেছে যে, নিউইয়র্কের লাগার্ডিয়া এবং পাশের নেওয়ার্ক ইন্টারন্যাশনাল বিমানবন্দরে ফ্লাইট দুই ঘণ্টা পর্যন্ত বিলম্ব হতে পারে।

    কানাডার দমকলবাহিনী দেশজুড়ে শুরু হওয়া ৪০০টির মতো দাবানল নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পাচ্ছে, দেশটির পূর্বাঞ্চলের বেশিরভাগ এলাকা এবং পূর্ব উপকূল ধোঁয়ার চাদরে ঢেকে গেছে। কুয়াশা নিউয়র্ক সিটির বিখ্যাত আকাশসীমাকে মুছে দিয়েছে এবং এটি মঙ্গলগ্রহ এবং পৃথিবীর ধ্বংসপরবর্তী কল্পিত দৃশ্যের মতো অবস্থা তৈরি করেছে।

    দাবানলের কারণে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের বাতাস দূষিত হয়ে পড়েছে

    বাতাসের মান ও দূষণ নিয়ে দুই দেশের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারাই হুঁশিয়ারি জারি করেছেন।

    বিশেষজ্ঞরা বলেন, দাবানলের ধোঁয়া দীর্ঘমেয়াদে নানা ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

    সেন্টার অব আরবান এনভায়রনমেন্ট নামে একটি সংস্থার পরিচালক এবং ইউনিভার্সিটি অব টরেন্টোর অধ্যাপক ম্যাথিউ অ্যাডামস বলেন, দাবানলের ধোঁয়া নিঃস্বাসের সাথে প্রবেশ করলে তাৎক্ষণিকভাবে শ্বাসকষ্ট, হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, বুক ব্যথা কিংবা চোখ, নাক এবং গলায় জ্বালাপোড়া।

    যেসব মানুষ দূরে থাকা শহরে বাস করেন কিন্তু এই দাবানলের ধোঁয়ায় দূষিত বাতাসের সতর্কতার অংশের মধ্যে রয়েছেন তাদেরকে বাইরে শরীরচর্চা কমিয়ে আনার পরামর্শ দিয়েছেন অধ্যাপক অ্যাডামস যাতে দূষিত বাতাসে তাদের শ্বাস নিতে না হয়।

    “এটা নিয়ে খুব বেশি উদ্বিগ্ন হওয়ার দরকার নেই,” তিনি বলেন। “ঘরে থাকুন এবং এর সংস্পর্শে কম আসুন।”

    কিন্তু যেসব এলাকা দাবানলের আশেপাশে, সেখানকার বাসিন্দাদের বাইরে বের হওয়ার সময় এন৯৫ মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছেন অধ্যাপক অ্যাডামস যাতে দূষিত বাতাসে নিঃশ্বাসের মাধ্যমে ক্ষুদ্র কণা কম গ্রহণ করার সুযোগ তৈরি হয়।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • দু-একদিনের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে আরও ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হবে: শেখ হাসিনা

    দু-একদিনের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে আরও ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হবে: শেখ হাসিনা

    হ্যাল বাংলা ডেস্ক: দেশে চলছে প্রচন্ড তাপদাহ। তার উপর লোডশেডিং এতে মানুষের কষ্ট বেড়েছে। এই প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা লোডশেডিং করতে বাধ্য হচ্ছি। আমি জানি, মানুষ কষ্ট পাচ্ছে, মানুষের দুঃখ-কষ্ট উপলব্ধি করতে পারি। আমরা আমাদের সাধ্যমত চেষ্টা করছি। আগামী দু-একদিনের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে আরও ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হবে। ১০-১৫ দিনের মধ্যে আরও বিদ্যুৎ যুক্ত হবে। তখন আর কোনো কষ্ট থাকবে না।’

    গতকাল ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্ভাগ্যবশত, এবার মানুষকে প্রচন্ড গরম সহ্য করতে হচ্ছে যা অস্বাভাবিক। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রিতে উঠবে তা আমরা ভাবতেও পারতাম না।’

    তিনি বলেন, বৃষ্টি নেই, এতে দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ‘উপায় খুঁজতে আমরা বারবার মিটিংয়ে বসেছি এবং এই কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করছি’, ।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে ভালো অবস্থানে রেখে প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ সরবরাহ করলেও বৈশ্বিক পরিস্থিতি সবকিছুকে বিপর্যস্ত করে দিয়েছে।

    শেখ হাসিনা বলেন, “আমাদের সব সময় মনে রাখতে হবে, এ দেশ আমাদের। এদেশের মানুষের ভাগ্য নিনিয়ে আমরা কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেব না।”

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “তিনি বলেন, “গত সাড়ে ১৪ বছরে বাংলাদেশ ব্যাপক পরিবর্তন ও উন্নয়ন হয়েছে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলব।” এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সভাপতি দলের নেতাকর্মীদের এ বিষয়ে সচেতন হতে এবং দেশের মানুষের পাশে থেকে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকা- ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরার নির্দেশ দেন, যাতে তাদের ভাগ্য নিয়ে কেউ খেলতে না পারে।

    ছয় দফা দিবস উপলক্ষে উক্ত আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “গত সাড়ে ১৪ বছরে বাংলাদেশ ব্যাপক পরিবর্তন ও উন্নয়ন হয়েছে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলব।” এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সভাপতি দলের নেতাকর্মীদের এ বিষয়ে সচেতন হতে এবং দেশের মানুষের পাশে থেকে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকা- ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরার নির্দেশ দেন, যাতে তাদের ভাগ্য নিয়ে কেউ খেলতে না পারে।

    আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ ও সহ-সভাপতি সৈয়দ আবদুল আউয়াল শামীম।

    সূত্র: বাসস

  • কুমড়ার বীজঃ বিজ্ঞান ভিত্তিক স্বাস্থ্য উপকারিতা

    কুমড়ার বীজঃ বিজ্ঞান ভিত্তিক স্বাস্থ্য উপকারিতা

    বাড়িতে রান্না হওয়া মিষ্টি কুমড়ার ভাজি বা তরকারি অনেকের কাছেই পছন্দের। কিন্তু আপনি জানলে আরও অবাক হবেন মিষ্টি কুমড়ার বীজও যে পুষ্টিতে ভরপুর। এতে আছে প্রচুর পরিমানে প্রোটিন, ফাইবার, ম্যাঙ্গানিজ, কপার, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, জিংক, আয়রন এবং অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এই পুষ্টিগুন শুধু আপনাকে সুস্থই করে না , অনেক রোগ নিরাময়েও সাহায্য করে।

    রক্তের সুগার লেভেল কমায়

    কিছু পুরানো গবেষণা অনুসারে কুমড়া, কুমড়ার বীজ বা কুমড়ার রস রক্তে সুগারকে কমাতে সাহায্য করে। যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ভালো। একটি সমীক্ষা পরামর্শ দেয় যে প্রতিদিন পর্যাপ্ত ম্যাগনেসিয়াম গ্রহণ করলে টাইপ টু ডায়েবেটিসের ঝুঁকি ১৫ শতাংশ হ্রাস পায়।

    হার্টকে ভালো রাখে

    কুমড়ার বীজের প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ম্যাগনেসিয়াম, জিংক এবং আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট রয়েছে যা আপনার হার্টের জন্য খুব উপকারি। এতে করে আপনার ভালো কোলেস্টেরল বৃদ্ধি পায়।

    ক্যান্সারের ঝুকি হ্রাস

    বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে কুমড়ার বীজে উদ্ভিদের এমন যৌগ আছে যা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দিতে সাহায্য করতে পারে, তাই যে কোনো ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকিতে থাকা মানুষদের এই স্বাস্থ্যকর বীজ খাওয়া উচিত।

    কুমড়ার বীজ খাওয়ার আরও উপকারিতাঃ

    • সঠিক হজম
    • কোষ্ঠ্যকাঠিন্য দূর করে
    • মূত্রাশয়ের রোগ প্রতিরোধ করে
    • মস্তিষ্কের শক্তি
    • পুরুষদের শুক্রানূ বৃদ্ধি
    • ভালো ঘুম

    কুমড়ার বীজ কীভাবে খাবেন

    মিষ্টি কুমড়ার বীজ নানাভাবে খাওয়া যায়। এটা আপনি কাঁচা বা ভাজা খেতে পারেন। অথবা আপনি এটা সালাদ বা স্মুদিতে যোগ করেও খেতে পারেন।

    তথ্যসূত্রঃ হেলথলাইন.কম

  • তেল ও গ্যাস ক্ষেত্রের অনুসন্ধানে চীন ১১ কিলোমিটার গভীর গর্ত খুঁড়ছে

    তেল ও গ্যাস ক্ষেত্রের অনুসন্ধানে চীন ১১ কিলোমিটার গভীর গর্ত খুঁড়ছে

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: তেল ও গ্যাস ক্ষেত্রের অনুসন্ধানে চীন এমন একটি গর্ত খুঁড়তে শুরু করেছে যার গভীরতা ১১ হাজার ১০০ মিটার ছাড়িয়ে যাবে। গত সপ্তাহে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জিনজিয়াং উইঘুর স্বায়ত্বশাসিত এলাকায় বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ টিলা মরুভূমি তাকলামাকান নামে জায়গায় এই গর্ত খোঁড়ার কাজ শুরু হয়। এই প্রকল্পটি শেষ হতে সময় লাগবে ৪৫৭ দিন। এই সময়ের মধ্যে দুই হাজার টনের বেশি ভারী যন্ত্রপাতি ও মেশিন সামলাবে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

    চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, গর্তটি মাটির ১০ স্তর ভেদ করে এমন একটি স্তুরে পৌঁছাবে যেটি প্রায় ১৪৫ থেকে ৬৬ মিলিয়ন বছর আগে ছিল।

    রাশিয়ার মানবসৃষ্ট গর্তটি সবচেয় বড়:

    এটি চীনের সবচেয়ে বড় খনন প্রকল্প যা প্রথম বারের মতো ১০ হাজার মিটার কূপ খননের প্রতিবন্ধকতা ছাড়িয়ে যাবে।

    তবে চীন যে গর্তটি খুঁড়বে সেটিই মানবসৃষ্ট গভীরতম গর্ত হবে নয়। এর আগে রাশিয়ার কোলা উপত্যকায় একটি সুপার ডিপ ড্রিলিং প্রজেক্টের অধীনে একটি গর্ত খোঁড়া হয়েছিল, যার গভীরতা ছিল ১২ হাজার ২৬২ মিটার। উনিশশো ৮৯ সালের আগ পর্যন্ত প্রায় দুই দশক ধরে ওই খনন প্রক্রিয়া চলে। চীন এমন এক সময় এ ধরণের একটি পদক্ষেপ নিলো যখন দেশটি বৈশ্বিক প্রযুক্তি ও বৈজ্ঞানিক শক্তি হিসেবে নিজের অন্তর্ভূক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিচ্ছে।

    আশ্চর্যজনকভাবে, এই কূপটি সেদিনই খোঁড়া শুরু হয় যেদিন বেইজিং ২০৩০ সালে চাঁদে পৌঁছানো প্রকল্পের অংশ হিসেবে কক্ষপথে মহাকাশ স্টেশনে তিনজন নভোচারীকে পাঠায়। কিন্তু এতো গভীর গর্ত কেন খোঁড়া হচ্ছে, যা প্রায় এভারেস্ট পর্বতের সমান এবং যা কোন বাণিজ্যিক বিমানের সর্বোচ্চ ফ্লাইট উচ্চতার সমান?

    এই গর্ত খুঁড়া প্রকল্পেরউদ্দেশ্য দুটি:

    চীনের এই গর্ত খুঁড়ার উদ্দেশ্য হচ্ছে, বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান এবং তেল ও গ্যাসের সন্ধান। রাষ্ট্রীয় পেট্রোরাসায়নিক কর্পোরেশন সিনোপেক এই প্রকল্পটি পরিচালনা করছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং স্থানীয় বিজ্ঞানীদের ভূ-পৃষ্ঠের গভীরতা নিয়ে গবেষণা করার বিষয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানোর দুই বছর পেরিয়ে যাওয়ার পর চীনে গভীরতম গর্ত খোঁড়ার এই প্রকল্প শুরু হলো।

    সিএনপিসি শুধু চীনেরই সর্ববৃহৎ তেল-গ্যাস কোম্পানি নয়, বরং বিশ্বেরও অন্যতম বড় তেল ও গ্যাস কোম্পানি এটি। এক ব্যাখ্যামূলক ভিডিওতে এই কর্মকর্তা বলেন, এই প্রকল্পটি গভীর অনুসন্ধানে নতুন মেশিন বা যন্ত্রপাতি উৎপাদনে পেট্রোচায়নার প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখবে। পেট্রোচায়না হচ্ছে একটি বিজনেস জায়ান্ট যা সিএনপিসিকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং এই প্রতিষ্ঠানটি হংকং স্টক এক্সচেঞ্জের তালিকাভূক্ত।

    চিলির ক্যাথলিক ইউনিভার্সিটি অব টেমুকোর সিভিল ওয়ার্ক এন্ড জিওলজি বিভাগের পরিচালক ও ভূপদার্থবিদ ক্রিশ্চিয়ান ফারিয়াস বিবিসি মুন্ডোকে বলেছেন, “ভূপৃষ্ঠের কাছের ১০ কিলোমিটার অনুসন্ধানে আমরা সাধারণত সিসমিক টমোগ্রাফি এবং অন্যান্য কৌশল ব্যবহার করি। এ ধরনের প্রকল্প খুব দরকারি, কারণ এগুলো এই অনুসন্ধানের পক্ষে বাস্তব প্রমাণ দেয়।”

    অধ্যাপক ফারিয়াস আরো বলেন, চীনা প্রকল্প “আমাদের সবচেয়ে উদ্ভাবনী প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতাকে পরীক্ষার সুযোগ দেবে,” এবং এ কারণে “এটি অনুসন্ধানের খুব আকর্ষণীয় একটি সুযোগ আমাদের সামনে তুলে ধরতে পারে।”

    গ্যাস এবং তেল:

    প্রকল্পের দ্বিতীয় উদ্দেশ্যের বিষয়ে সিএনপিসি বলছে যে, তারা এশীয় দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অতি-গভীর তেল ও গ্যাস ক্ষেত্রের অনুসন্ধান করছে। মাটির এতো গভীরে অর্থাৎ সাধারণত পাঁচ হাজার মিটার গভীরে হাইড্রোকার্বনের মজুদ সাধারণত থাকে সাগর উপকূলে যেখানে পাথর এবং পলির স্তর ঘন থাকে।

    তবে কিছু স্থলভাগেও এমন মজুদ পাওয়া যায় যেমন অববাহিকা বা পাললিক এলাকা।

    এই বিষয়টি হচ্ছে তারিম অববাহিকায় যেখানে তাকলামাকান মরুভূমি অবস্থিত, সেখানে বিপুল পরিমাণে তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ থাকতে পারে।

    তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, মাটির কঠিন অবস্থা এবং উচ্চ মাত্রায় চাপ ও চরম তাপমাত্রার কারণে তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের উত্তোলনের সময় ব্যাপক প্রযুক্তিগত এবং কারিগরি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে।

    “এবং গর্তের স্থিতিস্থাপকতা ধরে রাখাটাও একটা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে,” বলেন অধ্যাপক ফারিয়াস।

    যদিও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন ১২ কিলোমিটার পর্যন্ত গভীরতা ধরে রাখতে পেরেছিলো। তবে, বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, মাটির এতো নিচে পৌঁছানোটা আজও প্রচণ্ড জটিল।

    “এই নির্মান প্রকল্পের সমস্যাটা অনেকটা দুটি পাতলা স্টিলের তারের উপর একটা বড় ট্রাক চালিয়ে যাওয়ার মতো কঠিন,” চাইনিজ একাডেমি অব ইঞ্জিনিয়ারিং এর একজন বিজ্ঞানী সান জিনশেং সিনহুয়া সংবাদ সংস্থাকে বলেন।

    একইসাথে তাকলামাকান মরুভূমিতে কাজ করার জন্য কঠোর পরিবেশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সেখানে শীতের সময় তাপমাত্রা মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামে এবং গ্রীষ্মের সময় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে।

    সূত্র : বিবিসি বাংলা

  • পরবর্তী ২৪ ঘন্টা দেশে তীব্র তাপ প্রবাহ অব্যাহত থাকবে

    পরবর্তী ২৪ ঘন্টা দেশে তীব্র তাপ প্রবাহ অব্যাহত থাকবে

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: দেশের রাজশাহী, দিনাজপুর, যশোর ও নীলফামারী জেলার ওপর দিয়ে তীব্র তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস । আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘন্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ কথা জানানো হয়েছে।

    আবহাওয়া অফিস সূত্রে আরও জানানো হয়, কুমিল্লা, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও বান্দরবান জেলাসহ ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগসমুহ এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের অবশিষ্টাংশের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারী ধরনের তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

    চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

    এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। আজ সকাল ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আদ্রতা ছিল ৬৮ শতাংশ।

    গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল দিনাজপুর ও সৈয়দপুরে ৪০ দশমিক ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস এবং আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বান্দরবানে ২৩ দশমিক ৩ ডিগ্রী সেলসিয়াস। একই সময়ে ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৮ দশমিক ৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৩০ দশমিক ৪ ডিগ্রী সেলসিাস ।

    আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬টা ৪৪ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ভোর ৫টা ১১ মিনিটে।

    সূত্র : বাসস