হ্যালো বাংলা ডেস্ক: কৃষিপ্রধান দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি সাইপ্রাস । কিন্তু ইদানিং চাষের জমিতে ইদুরের উৎপাত বেড়ে যাওয়ায় ফসল রক্ষার্থে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পরিবেশ রক্ষাকারি পাখি পেঁচাকে। দেশটির সমাজমাধ্যম বিষয়টি বেশ আলোচনায় এসেছে।
এক সময়ে ইদুরের তাণ্ডবে জমির ফসল অধিকংশ নষ্ঠ হয়ে যেত। সবচেয়ে সমস্যায় পড়তে হত সাইপ্রাসের সেইসব কৃষকদের, যাদের জমির বিস্তার রয়েছে রিপাবলিক অব সাইপ্রাস এবং রিপাবলিক অব নর্দান সাইপ্রাসের মধ্যবর্তী অঞ্চল পর্যন্ত। সব সময়ে সীমান্ত পেরিয়ে জমির ঠিক মতো দেখাশোনা করতে পারতেন না কৃষকরা। ফলে ইদুর এসে নষ্ট করে যেত ফসলের এক বিরাট অংশ।
এই সমস্যার মোকাবিলা করতে এগিয়ে আসে ‘বার্ডলাইফ’ নামে এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। দুই সীমান্তের মধ্যবর্তী ওই এলাকায় বিভিন্ন গাছের ডালে পেঁচাদের থাকার মতো প্রায় ৫০টি কাঠের বাক্স বসায় তারা। একই সঙ্গে কৃষকদের ইদুর মারার বিষের ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে বলা হয়। বদলে ইদুর নিয়ন্ত্রণে রাখার দায়িত্বটি পেঁচাদের উপরেই ছেড়ে দেওয়ার আর্জি জানান কর্তৃপক্ষ।
প্রায় এক দশক ধরে চলছে এই অভিযান। যার ভিত্তিতে বার্ডলাইফেরই করা এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে, বছরে কম করে হলেও পাঁচ হাজার ইদুর মারে ওই অঞ্চলে চাষের জমির আশপাশে বাসা বাঁধা পেঁচারা। বিশেষত ‘বার্ন’ প্রজাতির পেঁচাদেরই দেখা মেলে সেখানে। গোটা ইউরোপ জুড়ে যাদের সংখ্যা কমে আসায় এক সময়ে চিন্তায় পড়েছিলেন পরিবেশবিদেরা। এই প্রক্রীয়ার ফলে একদিকে যেমন রক্ষা পাচ্ছে পেঁচা জাতীয় পাখি অন্য দিকে ইদুরের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে কৃষকের জমির ফসল।
সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা










