Category: খেলাধুলা

  • ইন্টার মিয়ামি ছেড়ে বেকহ্যাম পুত্র রোমিও এখন ব্রেন্টফোর্ড ‘বি’ দলে

    ইন্টার মিয়ামি ছেড়ে বেকহ্যাম পুত্র রোমিও এখন ব্রেন্টফোর্ড ‘বি’ দলে

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক:  মেজর লিগ সকারে(এমএলএস) বাবার ক্লাব ইন্টার মিয়ামি ছেড়ে ডেভিড বেকহ্যামের ছেলে রোমিও এখন প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব ব্রেন্টফোর্ডের ‘বি’ দলে যোগ দিয়েছেন । এর আগে রোমিও ধারে এই ক্লাবে ছিলেন ।  প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

    এক বছরের চুক্তিতে ব্রেন্টফোর্ডের দ্বিতীয় দলটিতে খেলবেন রোমিও। ২০ বছর বয়সী রোমিওর বাবা ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক বেকহ্যাম ইন্টার মিয়ামির মালিক। গত মৌসুমের দ্বিতীয় ভাগে রোমিও ব্রেন্টফোর্ড-বি দলে ধারে খেলেছেন। গত মৌসুমে ব্রেন্টফোর্ডকে প্রিমিয়ার লিগে উন্নীত হতে রোমিও সহযোগিতা করেছেন। ঐ সময়ে তিনি ব্রেন্টফোর্ডের হয়ে ১৫টি ম্যাচ খেলেছেন। মিডলসেক্স সিনিয়র কাপে নেশন্স লিগের ক্লাব উইলডিস্টোনের বিরুদ্ধে রোমিও গোলও করেছেন।

    ব্রেন্টফোর্ড বি দলের কোচ নিল ম্যাকফালেন আশা করছেন পশ্চিম লন্ডনের ক্লাবটির হয়ে এই তরুণ নিজেকে আরো পরিনত করতে পারবেন। এ সম্পর্কে ম্যাকফালেন বলেন, ‘আমরা জানুয়ারিতে রোমিওকে দলভূক্ত করি। দলের হয়ে সে দারুন পারফর্ম করেছে। মৌসুমের শেষভাগে সে অসাধারণ খেলেছে। বিশেষ করে ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক ম্যাচে রোমিও প্রমান করেছে ধারে আমাদের এখানে খেলতে এসে সে কি শিখেছে। তার উন্নতিতে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে চাই। আগামী মৌসুমেও তার সাথে কাজ করতে আমরা মুখিয়ে আছি।’

    ইন্টার মিয়ামির হয়ে ২০২২ মেজর লিগ সকারে ২০ ম্যাচে রোমিও ১০টি এ্যাসিস্ট করেছেন।

    ডেভিড বেকহ্যাম ২০১৩ সালে ফুটবল থেকে অবসরের আগে বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ, এলএ গ্যালাক্সি, এসি মিলান, পিএসজি ও ইংল্যান্ডের হয়ে খেলেছেন।

    সূত্র: বাসস

  • আফগানিন্তানের বিপক্ষে ৫৪৬ রানের রেকর্ড গড়া জয় বাংলাদেশের

    আফগানিন্তানের বিপক্ষে ৫৪৬ রানের রেকর্ড গড়া জয় বাংলাদেশের

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: বাংলাদেশ দলে ছিলেননা নিয়মিত টেস্ট দলের অধিনায়ক বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। তাই অধিনায়কের দায়িত্ব পড়ে সহ অধিনায়ক লিটন দাসের উপর। আর সেই লিটনের নেতৃত্বে এসেছে আফগানিন্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের ৫৪৬ রানের রেকর্ড গড়া জয়।

    মিরপুর টেস্টে শুরু থেকে শেষ অবধি এই ম্যাচে ছিল বাংলাদেশের একচেটিয়া দাপট। প্রথম ইনিংসের শেষদিকে দ্বিতীয় দিনের প্রথম ঘন্টায় ২০ রানে পাঁচ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। অবশ্য সেদিন দুই দলের মোট ১৬ উইকেট পড়েছিলো । দিনটিতে ছিলো বোলারদের দাপ। তাই সেই ব্যথা ভুলে গিয়ে ব্যাটসম্যান ও বোলারদের একচেটিয়া দাপটে বাংলাদেশ চতুর্থ দিন প্রথম সেশনেই গুটিয়ে দিলো আফগানিস্তানকে।

    মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে একমাত্র টেস্টে আফগানিস্তানকে ৫৪৬ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ৩৮২ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ, আফগানিস্তান অলআউট হয় ১৪৬ রানে। পরে বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেট হারিয়ে ৪২৫ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে। ৬৬২ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১১৫ রানের বেশি করতে পারেনি আফগানরা।

    বাংলাদেশের এই জয়টি রেকর্ড গড়ার। ১৯২৮ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৬৭৫ রানে জেতে ইংল্যান্ড। ছয় বছর পর ইংল্যান্ডকে ৫৬২ রানে হারায় অস্ট্রেলিয়া। এরপর রানের ব্যবধানে তৃতীয় সর্বোচ্চ বড় জয় এটি। বাংলাদেশেরও রানের ব্যবধানে সবচেয়ে বড় জয়।

    দুই উইকেট হারিয়ে ৪৫ রান নিয়ে দিন শুরু করে আফগানিস্তান। বিশাল রান তাড়া করতে নামা দলটির হার ছিল স্রেফ সময়ের ব্যাপার। বাংলাদেশের বোলাররা কাজটুকু কত দ্রুত করতে পারেন অপেক্ষা ছিল সেটি দেখার।

    চতুর্থ দিনে এসে প্রথম উইকেট এনে দেন এবাদত হোসেন। এই পেসারের বলে উইকেটরক্ষক লিটন দাসের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে সাজঘরে ফেরত যান নাসির জামিল। এর আগে ২২ বল খেলে ৬ রান করেন তিনি।

    এরপর ব্যাটিংয়ে আসেন বাহির শাহ। আফগানিস্তানের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে দুর্দান্ত খেলা এই ব্যাটার একাদশে ছিলেন না। কিন্তু অধিনায়ক হাশমাতুল্লাহ শাহিদী আগের দিন তাসকিনের বাউন্সারে মাথায় আঘাত পেয়েছিলেন। তার কনকাশন বদলি হিসেবে নামেন তিনি।

    বাহিরের প্রথম টেস্ট ইনিংস অবশ্য স্মরণীয় হয়নি। শরিফুল ইসলামের বলে এক চারে ১৩ বলে ৭ রান করা এই ব্যাটারের দারুণ ক্যাচ নেন স্লিপে দাঁড়ানো তাইজুল ইসলাম। আফগানদের ইনিংস ধরে ছিলেন রহমত শাহ। তাকে ফেরান তাসকিন আহমেদ। অফ স্টাম্পের বাইরের বল তার ব্যাট ছুঁয়ে লিটনের গ্লাভসে যায়। এর আগে ৭৩ বলে ৩৬ রান করেন তিনি।

    আফগানিস্তানের করিম জানাত ১৮ বলে ১৮ রান করে তাসকিনের বলে হয়ে যান বোল্ড। এর মাধ্যমে আফগানিস্তান দলের দ্বিতীয় ইনিংসের সমাপ্তি ঘটে ১১৫ রানে।

    সংক্ষিপ্ত স্কোর:

    বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৩৮২

    আফগানিস্তান ১ম ইনিংস: ১৪৬

    বাংলাদেশ ২য় ইনিংস: ৪২৫/৪ ইনিংস ঘোষণা

    আফগানিস্তান ২য় ইনিংস: ১১৫ (আগের দিন ৪৫/২) (রহমত ৩০, শাহিদি ১৩ আহত অবসর, জামাল ৬, জাজাই ৬, বাহির ৭, জানাত ১৮, হামজা ৫, আহমাদজাই ১, মাসুদ ৪*, জাহির ৪ আহত আউট; শরিফুল ১০-১-২৮-৩, তাসকিন ৯-২-৩৭-৪, তাইজুল ৫-১-১৯-০, মিরাজ ২-০-৫-০, ইবাদত ৭-২-২২-১)

    ফল: বাংলাদেশ ৫৪৬ রানে জয়ী

    দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি করে ম্যাচসেরা হয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত।

  • দ্বিতীয় দিন শেষে হাতে ৯ উইকেট রেখে বাংলাদেশ এগিয়ে ৩৭০ রানে

    দ্বিতীয় দিন শেষে হাতে ৯ উইকেট রেখে বাংলাদেশ এগিয়ে ৩৭০ রানে

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিন সকালটা দুর্দান্ত বোলিং করেছে আফগানিস্তানের বোলাররা। ৫ উইকেটে ৩৬২ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন শুরু করে বাংলাদেশ। কিন্তু আর মাত্র ২০ রান যোগ করেই শেষ ৫ উইকেট হারিয়ে ৩৮২ রানে অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ দল। এর পর পাল্টা আঘাত হানে বাংলাদেশের বোলাররা। ১৪৬ রানেই গুটিয়ে দেয় আফগানিস্তানকে। ইবাদত নিয়েছেন ৪ উইকেট। শরীফুল, মিরাজ ও তাইজুল প্রত্যেকে নেয় ২ টি করে উইকেট।

    বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে এক উকেট হারিয়ে করেছে ১৩৪ রান। দ্বিতীয় দিনশেষে এগিয়ে গেছে ৩৭০ রাসে।

    প্রতিপক্ষকে ফলো-অন করানোর সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ, লিড ছিল ২৩৬ রানের। প্রথম ইনিংসে ৩৯ ওভার করতে হলেও গরমের কথা ভেবেই হয়তো আবারও ব্যাটিংয়ে নামে তারা। মাহমুদুল হাসান দ্রুতগতিতে ১৭ রান করার পর থামলেও নাজমুল ও জাকির ইনিংস গড়েছেন দারুণভাবে। দুই বাঁহাতিই ফিফটি পেয়েছেন, দুজনই অপরাজিত ৫৪ রানে। দুজনের জুটি অবিচ্ছিন্ন ১১৬ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে ৯ উইকেট হাতে রেখে বাংলাদেশ এগিয়ে ৩৭০ রানে।

    প্রথম ইনিংসে ব্যর্থ হয়েছিলেন, এবার দারুণ ইতিবাচক জাকির পূর্ণ করলেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফিফটি।  অপর দিকে ফিফটি পূর্ণ করেছেন প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করা নাজমুলও। দেখার বিষয় বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইংনিসে কত রানের লিড নিয়ে ইনিংস ঘোষণা করে। বা কোথায় গিয়ে  থামে বাংলাদেশের ইনিংস।

  • মিরপুর টেস্টে প্রথম দিনে বাংলাদেশ করেছে ৫ উইকেটে ৩৬২ রান

    মিরপুর টেস্টে প্রথম দিনে বাংলাদেশ করেছে ৫ উইকেটে ৩৬২ রান

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: আজ শুরু হয়েছে বাংলাদেশ ও আফগানস্তানের মধ্যকার একমাত্র টেস্ট। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। দিনশেষে ৫ উইকেটে ৩৬২ রানের বড় স্কোরে নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে বাংলাদেশ। দলের ইনিংস শুরু করেন মাহমুদুল হাসান জয় ও জাকির হাসান। দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলে আফগানিস্তানের হয়ে অভিষেক হওয়া পেসার নিজাত মাসুদের বলে আউট হন জাকির। ২ বল খেলে ১ রান করেন তিনি। দলীয় ৬ রানে জাকিরকে হারানোর পর জয়ের সাথে দ্বিতীয় উইকেটে ২৬৭ বলে ২১২ রানের জুটি গড়েন শান্ত। টেস্ট ক্যারিয়ারের তৃতীয় হাফ-সেঞ্চুরি তুলে আফগানিস্তানের স্পিনার রহমত শাহর বলে ৭৬ রানে আউট হন জয়।  ১৩৭ বলের ইনিংসে ৯টি চার মারেন শান্ত। নাজমুল হোসেন শান্ত আউ হয়েছেন ১৭৫ রানে। খেলেছেন ১৮৭ বল। চার মেরেছেন ২৩টি ও ছয় ২টি।

    মুমিনুল হক ১৫ ও লিটন দাস ৯ রান করে আউট হয়ে যান। এখন খেলছেন মুশফিকুর রহিম ও মেহেদী হাসান মিরাজ। দুজনের জুটি অবিচ্ছিন্ন ৭২ রানে, ৪৩ রানে ব্যাটিং করছেন মিরাজ, মুশফিক অপরাজিত ৪১ রানে।

    মিরপুর টেস্টে আজ প্রথম দিন ৭৯ ওভার খেলা হয়েছে।

  • এমবাপ্পে পিএসজির সাথে চুক্তি নবায়ন করছেননা

    এমবাপ্পে পিএসজির সাথে চুক্তি নবায়ন করছেননা

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: ফরাসি তারকা ফুটবলার কিলিয়ান এমবাপ্পে পিএসজির সাথে চুক্তি নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন । ইতোমধ্যেই নিজের এই সিদ্ধান্তের কথা এমবাপ্পে ক্লাবকে জানিয়ে দিয়েছেন। এর আগে লিওনের মেসির ক্লাব ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন।

    ২৪ বছর বয়সী ফরাসি এই স্ট্রাইকারের সাথে পিএসজির বর্তমান চুক্তির মেয়াদ আগামী মৌসুমের পরে শেষ হয়ে যেত। যদিও চুক্তি অনুযায়ী আরো এক বছরের জন্য তা বৃদ্ধির শর্ত ছিল। কিন্তু এমবাপ্পে তা মেনে নেয়নি। এমবাপ্পে নতুন চুক্তিতে স্বাক্ষর না করায় আগামী বছর ফ্রি-ট্রান্সফারে তাকে ছেড়ে দেবার ঝুঁকি ছিল। সে কারনেই এবারের গ্রীষ্মেই পিএসজি এমবাপ্পেকে অন্য ক্লাবের কাছে বিক্রি করে দেবার সুযোগ কাজে লাগাতে চায়। চুক্তি নবায়ন না করার বিষয়টি পত্রের মাধ্যমে লিখিতভাবে ক্লাবকে জানিয়েছেন এমবাপ্পে। আর সেটাই ফরাসি দৈনিক এল’ইকুয়েপ প্রকাশ করেছে। মেসিকে ইন্টার মিয়ামির কাছে ছাড়া পর এবার এমবাপ্পের ক্লাব ছাড়ার সিদ্ধান্তে কার্যত পিএসজির ক্ষতিই হলো। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে এমবাপ্পের হাতে ৩১ জুলাই পর্যন্ত সময় রয়েছে।

    মূলত গত মৌসুম থেকেই এমবাপ্পের পিএসজি ছাড়া নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। গত মৌসুমে একেবারে শেষ মুহূর্তে রিয়াল মাদ্রিদের সাথে আলোচনা বন্ধ করে পিএসজির সাথে চুক্তি নবায়ন করে বিস্ময়ের জন্ম দিয়েছিলেন এমবাপ্পে। এবারও এমবাপ্পেকে দলে পেতে রিয়ালই এগিয়ে রয়েছে। গতবারের ভুল এবার আর করতে চায়না লস ব্ল্যাঙ্কোসরা। সোমবার সন্ধ্যায় পিএসজিকে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানানোর পর অবশ্য তাৎক্ষনিক ভাবে এমবাপ্পের কোন প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।

    মেসি-এমবাপ্পেকে হারানোর পর ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমারকে নিয়েও পিএসজি দু:শ্চিন্তায় রয়েছে। ২০২৫ সাল পর্যন্ত নেইমারের সাথে চুক্তি থাকলেও পার্ক ডি প্রিন্সেসে তার ভবিষ্যত নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। আসন্ন গ্রীষ্মে নেইমারের দলত্যাগ নিয়েও গুঞ্জন রয়েছে। বার্সেলোনা থেকে ২০১৭ সালে বিশ্ব রেকর্ড ফি ২২২ মিলিয়ন ইউরোতে পিএসজিতে আসার পর থেকে ইনজুরি পিছু ছাড়েনি নেইমারের। পিএসজির হয়ে এ পর্যন্ত ১৭৩ ম্যাচে ১১৮ গোল করেছেন নেইমার। কিন্তু ইনজুরি অথবা নিষেধাজ্ঞার কারনে ১০০রও বেশী ম্যাচ মিস করেছেন।

    এমবাপ্পের ক্লাব ছাড়ার এই ঘোষনায় ফরাসি লিগ জয় সত্তেও মাঠ ও মাঠের বাইরে কঠিন একটি মৌসুম কাটানো কাতারি মালিকানাধীন ক্লাবটি বেশ অস্বস্তিতে পড়লো।

    ২০১৭ সালে আগস্টে মোনাকো থেকে এক বছরের ধারে পিএসজিতে খেলতে এসেছিলেন এমবাপ্পে। পরের বছরই ১৮০ মিলিয়ণ ইউরোতে তিনি পিএসজিতে স্থায়ী হন। ২০১৮ সালে টিনএজার হিসেবে তিনি ফ্রান্সকে বিশ্বকাপের শিরোপা উপহার দেন। তারপর থেকেই নিজেকে বিশ্ব ফুটবলে অন্যতম শীর্ষসারির একজন ফরোয়ার্ড হিসেবে পরিচিত করে তুলেন। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ফ্রান্স পরাজিত হলেও এমবাপ্পে হ্যাটট্রিক করেছিলেন। পিএসজিকে এ বছর ১১তম ফরাসি লিগ শিরোপা উপহার দিয়েছেন।

    ফ্রান্স। সূত্র: বাসস

  • দ্বিতীয় বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতলো অস্ট্রেলিয়া

    দ্বিতীয় বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতলো অস্ট্রেলিয়া

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: প্রথমবার ফাইনালে উঠে দ্বিতীয় বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতলো অস্ট্রেলিয়া।  ভারতকে ২০৯ রানে হারায় অস্ট্রেলিয়া। এর আগের বার চাম্পিয়ন হয়েছিলো নিউজিল্যান্ড। পর পর দুইবার ফাইনালে উঠে ভারত ট্রফি জয় করতে ব্যর্থ হয়। এবার ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয় ইংল্যান্ডের ওভালে। এর আগেরবার ২০২১ সালে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে ইংল্যান্ডের সাউদাম্পটনে নিউজিল্যান্ডের কাছে ৮ উইকেটে হেরেছিলো ভারত। বিশ্বের তারকা ব্যাটসম্যান সমন্বয়ে গঠিত ভারত এবারও হতাশ করেছে নিজ দেশের সমর্থকদের। গতবার ভারত দলের অধিনায়ক ছিলো বিরাট কোহলি এবার অধিানয়কত্ব করেছেন রোহিত শর্মা। গতবার দলের হেড কোচ ছিলে রবি শাস্ত্রী, এবার রাহুল দ্রাবিড়।

    দল নির্বাচন থেকে শুরু করে দল পরিচালনায় ভারতের অনেক ক্রতি ছিলো বলে মনে করেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। যেমন দলে রাখা হয়নি অশ্বিনকে।  টেস্ট ম্যাচে সবচেয়ে সফল বোলার হচ্ছেন অশ্বিন। তাছাড়া টপ অর্ডার ব্যর্থ হয়েছে। বিশেষ ভাবে সুভমন গিল দুই ইনিংসেই ব্যর্থ। তাছাড়া আইপিএলে শর্ট ফরমেটে সফর হলেও টেস্টে ম্যাচে সফর হতে না পরাটার জন্য গিল দায়ি নন। কেননা শর্ট ফরমেটের মেজাজ থেকে বেরিয়ে আসা কঠিন ছিলো। সেই অর্থে পূজারাও প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। তবে কিছুট হলেও দুই ইনিংসে লড়াই করেছে রাহানে। অন্য ব্যাটসম্যানরা সবাই অফ স্ট্যাম্পের বাইরের বল খেলতে গিয়ে আউট হয়েছে। বিশেষ ভাবে কোহলি, পুজারা, রোহিত মতো অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানরা ব্যার্থ হয়েছে ।

    তবে সবচেয়ে বড় ভুল সিদ্ধান্ত ছিল টসে জিতে ফিল্ডিং নেওয়া। এতে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসের ৪৬৯ বিরাট রানের বোঝা ভারতিয় ব্যাটসম্যানরা মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়ে। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার বোলাররা দারুন বল করেছ।

    ফাইনাল জিততে টেস্টের চতুর্থ দিন ৪৪৪ রানের টার্গেট পায় ভারত। দিন শেষে ৩ উইকেটে ১৬৪ রান করেছিলো টিম ইন্ডিয়া। অধিনায়ক রোহিত শর্মা ৪৩, শুভমান গিল ১৮ ও চেতেশ্বর পূজারা ২৭ রানে আউট হন। বিরাট কোহলি ৪৪ ও আজিঙ্কা রাহানে ২০ রানে অপরাজিত ছিলেন। ৭ উইকেট হাতে আরও ২৮০ রান দরকার ছিলো ভারতের।

    গতকাল পঞ্চম দিনের সপ্তম ওভারে প্রথম উইকেট হারায় ভারত। অস্ট্রেলিয়া পেসার স্কট বোল্যান্ডের বলে দ্বিতীয় স্লিপে ডান দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে কোহলির দুর্দান্ত ক্যাচ নেন স্টিভেন স্মিথ। ৭টি চারে ৭৮ বলে ৪৯ রান করেন কোহলি। চতুর্থ উইকেটে কোহলি-রাহানে ১৫৭ বলে ৮৬ রান যোগ করেন।

    কোহলির বিদায়ে উইকেটে আসেন রবীন্দ্র জাদেজা। দু’বল খেলে কোন রান না করেই বোল্যান্ডের বলে আউট হন জাদেজা। এরপর উইকেটরক্ষক শ্রীকর ভরতকে নিয়ে এক ওভারে দুই উইকেট হারানোর ধাক্কা সামলে উঠার চেষ্টা করেন রাহানে। জুটিতে ৯ ওভার ভালোভাবে কাটিয়েও দেন তারা।

    কিন্তু দশম ওভারের রাহানেকে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন অস্ট্রেলিয়ার পেসার মিচেল স্টার্ক। ৭টি চারে ১০৮ বল খেলে ৪৬ রান করেন রাহানে।

    দলীয় ২১২ রানে ষষ্ঠ ব্যাটার হিসেবে রাহানের আউটের পর ভারতের লেজ ছেঁটে ফেলেন অস্ট্রেলিয়ার স্পিনার নাথান লিঁও। শেষ চার উইকেটের তিনটিই নেন তিনি। ৬৩ দশমিক ৩ ওভারে ২৩৪ রানে গুটিয়ে যায় ভারত।

    শেষদিকে ভরত ২৩, শারদুল ঠাকুর শূন্য, উমেশ যাদব ১ ও মোহাম্মদ সিরাজ ১ রানে আউট হন। ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন মোহাম্মদ সামি।

    বল হাতে অস্ট্রেলিয়ার লিঁও ৪১ রানে ৪টি উইকেট নেন। এছাড়াও বোল্যান্ড ৩টি, স্টার্ক ২টি ও প্যাট কামিন্স ১টি উইকেট নেন। ফাইনালের সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ট্রাভিস হেড। প্রথম ইনিংসে ১৬৩ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮ রান করেন তিনি।

    আইসিসি ইভেন্টে এই নিয়ে সপ্তম শিরোপা জিতলো অস্ট্রেলিয়া। ওয়ানডে বিশ্বকাপ পাঁচবার, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ একবার এবং এবার আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিনশিপের শিরোপা ঘরে তুললো অসিরা।

    সংক্ষিপ্ত স্কোর কার্ড :

    অস্ট্রেলিয়া : ৪৬৯ (হেড ১৬৩, স্মিথ ১২১, সিরাজ ৪/১০৮) ও ২৭০/৮ ডি (ক্যারি ৬৬*, জাদেজা ৩/৫৯)।

    ভারত : ২৯৬ (রাহানে ৮৯, কামিন্স ৩/৮৩) ও ২৩৪ (কোহলি ৪৯, লিঁও ৪/৪১)।

  • আগামী এশিয়া কাপ ক্রিকেট হতে পারে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কায়

    আগামী এশিয়া কাপ ক্রিকেট হতে পারে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কায়

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: ক্রিকেট খেলা সংক্রান্ত ওয়েসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফোতে প্রকাশিত এক রিপোর্টে বলা হয়েছে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কায় হতে পারে আগামী এশিয়া কাপ ক্রিকেট।

    ২০২৩ এশিয়া কাপের জন্য পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) প্রস্তাবিত ‘হাইব্রিড মডেল’ অনুমোদন পেতে পারে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলে (এসিসি)।

    আয়োজক পাকিস্তানের সাথে নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে বেছে নেয়া হবে শ্রীলঙ্কাকে। নিরপেক্ষ ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে ভারতের ম্যাচগুলো।

    হাইব্রিড মডেল অনুসারে, পাকিস্তানে চার বা পাঁচটি ম্যাচ হতে পারে। ভারতের সবগুলো ম্যাচ হবে শ্রীলঙ্কায়। এমনকি ভারত ফাইনালে উঠলেও, নিরপেক্ষ ভেন্যুতে হবে শিরোপা নির্ধারনী ম্যাচটি।

    ইএসক্রিকইনফো জানিয়েছে, এই সপ্তাহের শেষ দিকেই চূড়ান্ত ঘোষণা দিতে পারে এসিসি। ১ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর এশিয়া কাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ।পাকিস্তানের মাটিতে সবগুলো ম্যাচ লাহোরে অনুষ্ঠিত হবে।

    সম্ভাব্য অনুমোদনে এশিয়া কাপ নিয়ে অচলাবস্থার অবসান ঘটাতে পারে। এশিয়া কাপের সাথে জড়িত আছে আইসিসি ইভেন্টও। এ বছর ভারতে অনুষ্ঠেয়  ওয়ানডে বিশ্বকাপ নিয়ে  সবচেয়ে সমস্যা হচ্ছিলো।  সেই সাথে পাকিস্তানের মাটিতে ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিও। কেননা ভারত-পাকিস্তান  পরস্পর দুই দেশ সফরে  রাজি নয়।  এশিয়া কাপের এমন সমাধানে  বিশ্বকাপে পাকিস্তান ক্রিকেট দলেল ভারত সফরের সমস্যারও সমাধান হচ্ছে।

    ভারতীয়  ক্রিকেট দল পাকিস্তান সফরে  রাজি না হওয়ায় সমস্যা সমাধানে হাইব্রিড মডেলের প্রস্তাব করা হয়। ভারতীয়র দলের অস্বকৃতিতে  আয়োজক হিসেবে এশিয়া কাপের স্বত্ব ধরে রাখতে মডেল উপস্থাপন করে  বপাকিস্তান।

    প্রাথমিকভাবে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে দ্বিতীয় ভেন্যু হিসেবে প্রস্তাব করেছিলো পাকিস্তান। কিন্তু সেপ্টেম্বরে মধ্যপ্রাচ্যের গরম আবহাওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বাংলাদেশ।

    ছয় জাতির আগামী এশিয়া কাপে একই গ্রুপে খেলবে দুই চিরপ্রতিন্দ্বন্দি ভারত-পাকিস্তান। এই গ্রুপের অন্য দল নেপাল। ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এবারের এশিয়া কাপ ৫০ ওভারে অনুষ্ঠিত হবে। অন্য গ্রুপে লড়বে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান।

    ২০২২ আসরের  নিয়ম অনুসারে দুই গ্রুপের সেরা দুই দল সুপার ফোরে খেলবে। সুপার ফোরের শীর্ষ দুই দল ফাইনাল খেলবে। ১৩ দিনে সর্বমোট ১৩টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

    সূত্র: বাসস

  • এই পাঁচ ফুটবলারের মধ্যে একজন পাবেন বর্ষসেরা ব্যালন ডি’অর পুরস্কার

    এই পাঁচ ফুটবলারের মধ্যে একজন পাবেন বর্ষসেরা ব্যালন ডি’অর পুরস্কার

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: ব্যালন ডি’অর খেতাব হচ্ছে ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কার । এই পুরস্কার ইতিহাসের পাতায় একজন খেলোয়াড়কে অবিষ্মরণীয় করে রাখে।

    এই পুরস্কারটির আকর্ষনিয় দিক হচ্ছে প্রতিবছর গণমাধ্যম প্রতিনিধি, জাতীয় দলের অধিনায়ক ও কোচদের ভোটের ভিত্তিতে নির্বাচিত হয় বর্ষসেরা খেলোয়াড়। তাই প্রতিবছর সারা বিশ্বের ক্রীড়ামোদিরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকে ব্যালন ডি’অর খেতাবজয়ী তারকা আবিস্কারের জন্য। কারণ এই খেতাবে ভুষিত ফুটবলারকে পৃথিবীর সবচেয়ে ব্যতিক্রমী ও প্রতিভাবান ফুটবলার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই খেতাবটি একজন ফুটবলারের নিরলস প্রচেষ্টা ও একনিষ্ঠ সাধনার ফসল। যা অর্জনের মাধ্যমে ওই খেলোয়াড়কে কিংবদন্তী হিসেবে পরিচিতি পায়।

    ফুটবলের  বিশ্বখ্যাত  ওয়েবসাইট  গোল  ডট কমের  দৃষ্টিতে আসন্ন ২০২৩ ব্যালন ডি’অরের জন্য ফেভারিট পাঁচ  ফুটবলার।

    ১. আর্লিং হালান্ড (ম্যানচেস্টার সিটি): প্রিমিয়ার লিগ ও এফএ কাপ জয়ের পর ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে ট্রেবল হিসেবে মহাদেশীয় শিরোপা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের অপেক্ষায় থাকা আর্লিং হালান্ড ইতোমধ্যে গোল মেশিন হিসেবে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলদাতার  কিংবদন্তীর আসনে স্থান করে নিয়েছেন।

    ইতোমধ্যে প্রিমিয়ার লিগে ৩৬ গোল করে ইউরোপীয় গোল্ডেন বুট নিশ্চিত করে ফেলেছেন এই নরওয়েজিয়ান। ইন্টার মিলানের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে তিনি যদি গোল করে সিটিকে শিরোপা এনে দিতে পারেন, তাহলে হয়তো লিওনেল মেসিকে টপকে ২০২৩ সালের ব্যালন ডি’অর জয় করে নিতে পারেন তিনি। ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে এই মৌসুমে সব প্রতিযোগিতায় ৫২ ম্যাচে ৫২ গোল করেছেন হালান্ড।

    ২. লিওনেল মেসি (প্যারিস সেন্ট জার্মেই): বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে শিরোপা এবং ব্যক্তিগত ভাবে গোলন্ডেন বল জয়ের মাধ্যমে রেকর্ড অস্টম ব্যালন ডি’অর খেতাব জয়ের অন্যতম দাবীদার হয়ে উঠেছেন মেসি।

    তবে উল্লেখযোগ্য গোল সত্বেও ঘরোয়া ফুটবল খুব একটা সুখকর ছিলনা আর্জেন্টাইন কিংবদন্তীর। পিএসজিকে লিগ ওয়ানের শিরোপা জয়ে ভুমিকা রাখলেও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে নিজ ক্লাবের ছিটকে পড়াটা ছিল মেসির জন্য হতাশার। এবারো হয়তো ব্যালন ডি’অর খেতাব জয় করতে পারেন মেসি।

    এই মৌসুমে পিএসজির হয়ে সব প্রতিযোগিতায় ৪১ ম্যাচে ৩৫ বছর বয়সি মেসি  ২১ গোল করেছেন।

    ৩. কিলিয়ান এম্ববাপ্পে (প্যারিস সেন্ট জার্মেই): বায়ার্ন মিউনিখের কাছে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলয় পরাজিত হওয়াটা কিলিয়ান এম্বাপ্পের প্রথম ব্যালন ডি’অর জয়ে কিছুটা অন্তরায় হিসেবে দেখা দিয়েছে। তবে ক্লাব এবং দেশের হয়ে গোল করার দুর্দান্ত দক্ষতাই তার বর্ষ সেরার খেতাব জয়ের জন্য যথেষ্ট।

    এই মৌসুমে ক্লাব এবং দেশের হয়ে ৫০টিরও বেশী গোল করেছেন ফরাসি স্ট্রাইকার। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ থেকে তিনি জয় করে এনেছেন গোল্ডেন বুট। শুধু তাই নয় আর্জেন্টিনার বিপক্ষে বিশ্বকাপের ফাইনালে ফ্রান্সের হয়ে হ্যাটট্রিকের বিরল এক কৃতিত্বও অর্জন করেছেন এমবাপ্পে।

    এছাড়া এই মৌসুমে পিএসজির হয়ে ৪৩টি ম্যাচে অংশ নিয়ে ২৪ বছর বয়সি এম্ববাপ্পে ৪১ গোল করেছেন।

    ৪. কেভিন ডি ব্রুইনা (ম্যানচেস্টার সিটি): সাম্প্রতিক মৌসুমগুলোতে ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে অসাধারণ খেলছেন কেভিন ডি ব্রুইনা। ২০২২-২৩ মৌসুমটি এর ব্যতিক্রম ছিলনা। ডি ব্রুইনা সিটির অনন্য এক আবিস্কার এবং অসাধারণ পাস দেয়ার দক্ষতা এবং দলীয় লক্ষ্য অর্জনে ধারাবাহিক ভুমিকার মাধ্যমে সমর্থক ও পন্ডিতদের বিষ্মিত করে চলেছেন ।

    ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে এই মৌসুমে সব প্রতিযোগিতায় ৪৮টি ম্যাচে ১০ গোল করেন ডি ব্রুইনা। প্রিমিয়ার লিগ ও এফএ কাপ জয়ী এই তারকা ২০২৩ ব্যালন ডি’অর জয়ের অন্যতম দাবীদার।

    ৫. ভিক্টর ওসিমেন (নাপোলি): এই মৌসুমে নিজেকে দারুন ভাবে এগিয়ে নিয়েছেন নাপোলির  ভিক্টর ওসিমেন। নায়কোচিত পাফর্মেন্সের মাধ্যমে এখন নিজেকে বিশ্বসেরা স্ট্রাইকারদের একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি।

    লুসিয়ানো স্পালেত্তির দলের হয়ে দুর্দান্ত পারফর্মেন্সের মাধ্যমে নাইজেরিয় এই আন্তর্জাতিক নাপোলিকে সিরি এ লীগের শিরোপা এনে দেয়ার পাশাপাশি পৌঁছে দিয়েছেন উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে।

    নাপোলির হয়ে ২০২২-২৩ মৌসুমে সব ধরনের প্রতিযোগিতায় ৩৮টি ম্যাচে অংশ নিয়ে ৩০ টি গোল করেন ওসিমহেন। ওই দক্ষতার মাধ্যমে ব্যালন ডি’অর খেতাব জয়ের দাবীদারদের পাশে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এই নাইজেরীয় তারকা।

    সূত্র : বাসস

  • ক্রিকেটের তিনটি নিয়মের পরিবর্তন হয়েছে

    ক্রিকেটের তিনটি নিয়মের পরিবর্তন হয়েছে

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল কয়েকটি ক্রিকেট নিয়মের পরিবর্তন এনেছে যা পহেলা জুন ২০২৩ থেকে কার্যকর হয়েছে । সাথে ছোটখাটো কিছু নিয়মের বদলও এসেছে ক্রিকেটে।

    আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী কমিটি পুরুষ ও নারী ক্রিকেট কমিটি থেকে পাওয়া নানা ধরনের পরামর্শ থেকে এই বদলগুলো আনতে সম্মত হয়েছে।

    মাটির কাছাকাছি থাকা বল ক্যাচ ধরার বেলায় সূক্ষ্ম ব্যবধানে অনেক ক্রিকেটার আউট হয়েছেন বা ফিল্ডার ক্যাচটি মিস করেছেন। এই ধরনের সিদ্ধান্তের সময় থার্ড আম্পায়ার আউট অথবা নট আউট বলার আগে মাঠে থাকা আম্পায়ার থার্ড আম্পায়ারকে ‘সফট সিগন্যাল’ দিতেন।

    এই ‘সফট সিগন্যাল’ হচ্ছে আম্পায়ারের প্রাথমিক ধারণা। যা থেকে ধারণা নিয়ে থার্ড আম্পায়ার সিদ্ধান্ত নিতেন আগে। কিন্তু পহেলা জুন থেকে আম্পায়াররা মাঠ থেকে কোনও সিদ্ধান্তে প্রভাব রাখবেন না।

    অনেক সময়ই এই সফট সিগন্যাল মাথায় রেখে থার্ড আম্পায়ার সিদ্ধান্ত দিতেন।

    অর্থাৎ থার্ড আম্পায়ার কোনও পূর্ব অনুমিত ধারণা ছাড়াই মাঠে থাকা আম্পায়ারদের সাথে আলোচনা করে এবং ফুটেজ প্রমাণ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।এই সফট সিগন্যাল নিয়মটিকে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া বলছে, ‘সংশয়পূর্ণ’।

    ক্রিকেটারদের অনেকেই এই ‘সফট সিগন্যাল’- এর বিপক্ষে কথা বলেছেন।

    অস্ট্রেলিয়ান ফাস্ট বোলার জশ হ্যাজলউড এই বছরের জানুয়ারি মাসে গণমাধ্যমে বলেন, “যেহেতু থার্ড আম্পায়ারের সাহায্য নেয়া হয়েছে এর মানে মাঠের আম্পায়াররা নিশ্চিত নন। তাহলে এই সফট কলের কোনও প্রয়োজন নেই”।

    ইংল্যান্ডের টেস্ট অধিনায়ক বেন স্টোকস ও ভারতের হরভজন সিংও এই সফট কলের বিপক্ষে কথা বলেছেন।

    হরভজন সিং বলেছিলেন, এটা শুধু শুধু সময় নষ্ট ছাড়া আর কিছুই না।

    বেন স্টোকস টুইট করে বলেছিলেন, “সফট কল নিয়ে অনেক বিতর্ক হয়। থার্ড আম্পায়ারের কাছে সব ধরনের প্রযুক্তি রয়েছে এবং মাঠের আম্পায়াররা যখন দ্বিধায় থাকেন তখন এটা সরাসরি থার্ড আম্পায়ারকেই পাঠানো উচিৎ”।

    ভিরাট কোহলি ভারতের অধিনায়ক থাকাকালীন ২০২১ সালে বলেছিলেন, “আম্পায়াররা যে নিশ্চিত না এটা বললে তো সমস্যা দেখি না আমি। এসব সিদ্ধান্তের কারণে অনেক সময় ম্যাচের ফলাফলে প্রভাব পড়ে”।

    ক্রিকেট নিয়ে অ্যামাজন প্রাইমের ডকুমেন্টারি দ্য টেস্টে দেখা গেছে, অস্ট্রেলিয়ার মার্নাস ল্যাবুশেইন ২০১৯ সালের অ্যাশেজে লর্ডস টেস্টে আউট হওয়ার পর ড্রেসিং রুমে গিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।

    তিনি বলছিলেন, “আমি বুঝতেই পারছি না এটা কেন মাঠে আউট দেয়া হলো, যদি আপনি না জানেন থার্ড আম্পায়ারের কাছে পাঠান”।

    সবশেষ দক্ষিণ আফ্রিকার অস্ট্রেলিয়া সফরে অন্তত তিনটি ক্যাচ ধরা নিয়ে সংশয় ও দ্বিধা দেখা গিয়েছিল, ম্যাচের পরে এনিয়ে অধিনায়করাও নিজেদের অসন্তুষ্টির কথা প্রকাশ করেছিলেন।

    আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের পুরুষ ক্রিকেট কমিটির চেয়ার সৌরভ গাঙ্গুলি বলেছেন, ‘সফট সিগন্যাল অপ্রয়োজনীয় একটি বিষয় এবং এটা অনেক সময়ই খুব অস্পষ্ট’।

    তবে জনপ্রিয় ক্রিকেট উপস্থাপক ও বিশ্লেষক হারশা ভোগলে অবশ্য ভিন্নমত পোষণ করেছেন, তিনি বলেন, “বাউন্ডারি লাইনের জন্য নতুন এই নিয়ম কার্যকরী হতে পারে কারণ সে পর্যন্ত আম্পায়ারের দৃষ্টি যায় না কিন্তু টেলিভিশন ক্যামেরায় আপনি তাই দেখাবেন যা আপনি দেখতে চাইবেন, তাই মাঠের আম্পায়াররা কী অনুভব করছেন তার একটা মূল্যায়ন থাকার প্রয়োজন ছিল”।

    অনেকেই এই টুইটের মন্তব্যের ঘরে হারশা ভোগলের সাথে দ্বিমত পোষণ করেছেন।

    কেউ কেউ মনে করেন, সফট সিগন্যালে আম্পায়ারদের সিদ্ধান্তটি ফিল্ডারের অতি মাত্রায় আনন্দ প্রকাশ ও  নামের ওপর নির্ভর করে।

    আরও দুটি নতুন নিয়ম:

    বেশ কয়েকটি জায়গায় হেলমেট পরিধান করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, সৌরভ গাঙ্গুলি বলেছেন ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা নিয়ে ভাবা হচ্ছে এখন।

    প্রথমত, ব্যাটাররা ফাস্ট বোলারের মুখোমুখি হলে

    দ্বিতীয়ত, উইকেটকিপার স্ট্যাম্পের পেছনে দাঁড়ালে

    তৃতীয়ত, উইকেটে ব্যাটারের সামনের দিকে কাছাকাছি কোনও ফিল্ডার দাঁড়ালে

    এই তিন ক্ষেত্রে এখন ক্রিকেটারকে হেলমেট পরতেই হবে।

    আরেকটি নিয়ম হচ্ছে, ফ্রি হিটের বলে, বল স্ট্যাম্পে লাগার পরেও যদি কোনও রান হয় সেটা স্কোরকার্ডে যোগ হবে। এটা এতোদিন মাঠে কার্যকর ছিল, কিন্তু ক্রিকেট আইনে ছিল না।

    যেমন পাকিস্তান বনাম ভারতের বিশ্বকাপ টি-টোয়েন্টির ম্যাচে মেলবোর্নে শেষ ওভারে ভিরাট কোহলি মোহাম্মদ নাওয়াজের ফ্রি হিট বলে বোল্ড হওয়ার পরেও দৌড়ে রান নিয়েছিলেন তিনটি।

    এই ছোট বিষয়গুলো ম্যাচে অনেক সময় প্রভাব ফেলে, বিশেষত যেসব ম্যাচে সামান্য ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়।

    এই নিয়মগুলো যুক্ত হয়েছে যা ক্রিকেটকে আরও আকর্ষনিয় করে তুলবে মলে মনে করা হচ্ছে।

    সূত্র : বিবিসি বাংলা

  • টেস্ট ক্রিকেট ফাইনাল ড্র হলে দুই দলকেই যুগ্ম বিজয়ী ঘোষণা

    টেস্ট ক্রিকেট ফাইনাল ড্র হলে দুই দলকেই যুগ্ম বিজয়ী ঘোষণা

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: আসছে ৭ জুন থেকে ইংল্যান্ডের ওভালে শুরু হতে যাচ্ছে  বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল। এই খেলায় অংশগ্রহণ করবে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া ।

    জিতলে ট্রফি উঠবে রোহিত শর্মা অথবা প্যাট কামিন্সের হাতে। কিন্তু  টেস্ট ম্যাচটি যদি ড্র হয়, তাহলে জিতবে কে? এই ধরণের প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে টিকেট প্রেমিকদের মনে।

    গত বার ভারত এবং নিউ জ়িল্যান্ড ফাইনাল খেলেছিল। সেই ম্যাচে হেরে যায় ভারত। এ বার অস্ট্রেলিয়া বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের লিগে শীর্ষে থেকে ফাইনালের টিকিট পায়। ভারত ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েই দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে এবং আরও এক বার ফাইনাল খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।  দুই দলেই একাধিক তারকা ক্রিকেটার রয়েছেন। রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, মহম্মদ শামিরা সহজে ছেড়ে দেবেন না। উল্টো দিকে প্যাট কামিন্স, স্টিভ স্মিথ, মিচেল স্টার্করাও তৈরি। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে ম্যাচ ড্র হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ম্যাচ ড্র হয়ে গেলে ট্রফি কারা পাবেন?

    লিগ টেবিলে শীর্ষ ছিল অস্ট্রেলিয়া। ভারত ছিল দ্বিতীয় স্থানে। এই ক্ষেত্রে ম্যাচ ড্র হলে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থাকা দলটি চাম্পিয়ন হবে। এমনটাই মনে হওয়া স্বাভাবিক। কিন্ত সেটা হচ্ছেনা। আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী ফাইনাল ড্র হলে দুই দলকেই যুগ্মবিজয়ী ঘোষণা করা হবে।

    সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা