Category: খেলাধুলা

  • ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের লোগো উন্মোচন

    ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের লোগো উন্মোচন

    কাতারে অনুষ্ঠিত ২০২২ বিশ্বকাপে রেশ এখনও কাটেনি। এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডায় যৌথভাবে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৬ বিশ্বকাপের লোগো উন্মোচন করা হয়েছে। আর এর মধ্যেই আসন্ন এই বিশ্বকাপের লোগো উন্মোচনও করে ফেললো ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।

    যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসে লোগো উন্মোচনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশন অব ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (ফিফা) সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এবং ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কিংবদন্তি রোনাল্ডো নাজারিও। এ সময় রোনালদোর হাতে বিশ্বকাপ ট্রফিও ছিল।

     

    ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের লোগো উন্মোচনলোগোটির ব্যাকগ্রাউন্ডে রয়েছে ‘২০২৬’ টাইফোগ্রাফির উপরে বিশ্বকাপের শিরোপা। এবারই প্রথম লোগোতে অফিসিয়াল ট্রফি ব্যবহার ঘটনা দেখা গেল। এছাড়া ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে, ‘উই আর টোয়েন্টি সিক্স (২৬)’

    বিষয়টি নিয়ে জিওন্নি ইনফান্তিনো বলেছেন, “উই আর টোয়েন্টি সিক্স হলো একটি সম্মিলিত মিছিল। এটি এমন একটি মুহূর্ত যেখানে তিনটি দেশ এবং ওই মহাদেশ একসঙ্গে বলছে, ‘আমরা বিশ্বের সবচেয়ে বড়, সেরা এবং অসাধারণ ফিফা বিশ্বকাপ উপহার দেওয়ার জন্য একত্রিত হয়েছি।”

    উন্মোচন অনুষ্ঠানে ফিফা সভাপতি বলেন, ‘খেলা অনুযায়ী বিশ্বকাপে অংশ নেয়া দলগুলো তাদের সুবিধাজনক স্থানে রাখা হবে। যেন ম্যাচ খেলতে যাতায়াত, সময় ও পরিবেশগত অসুবিধা না হয়। কাতার বিশ্বকাপে এই সুযোগ-সুবিধা পেয়েছে দলগুলো।’

    আগামী ফিফা বিশ্বকাপের লোগো একেবারেই সাদামাঠা করা হয়েছে। বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে তার পিছনে সাদা রঙয়ে ২৬ সংখ্যা লিখেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সমালোচনাও হচ্ছে।

    উল্লেখ্য, তিন দেশ নিয়ে আগামী বিশ্বকাপ হবে মোট ১৬টি স্টেডিয়ামে। এর মধ্যে ১১টি স্টেডিয়াম ১৯৯৪ সালের পর বিশ্বকাপ আয়োজনের স্বত্ত্ব পাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের। তিনটি স্টেডিয়াম মেক্সিকোর এবং কানাডার দুটি স্টেডিয়ামে খেলা হবে। এর মধ্যে ১৫টি স্টেডিয়ামের দর্শক ধারণক্ষমতা ৫০ হাজার থেকে ৮৭ হাজারের মধ্যে। কেবল কানাডার টরেন্টোর একটি স্টেডিয়ামের দর্শক ধারণাক্ষমতা ৩০ হাজার।

  • এবার একাদশের নাম দিবে সাংবাদিকরাঃ পাপন

    এবার একাদশের নাম দিবে সাংবাদিকরাঃ পাপন

    আগামী অক্টোবরে ভারতে মাঠে গড়াবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ। চার মাস বাকি থাকলেও বাংলাদেশ দল নিয়ে এখনই চলছে জোর আলোচনা। কে দলে থাকবেন, কে থাকবেন না; এ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রায়ই প্রশ্ন করেন সংবাদকর্মীরা।

    এই টুর্নামেন্টের স্কোয়াডে কারা থাকবেন, এ নিয়ে জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়ে গেছে ইতোমধ্যেই। বিশেষত কয়েকটি পজিশন নিয়ে বেশ জোর আলোচনা রয়েছে কয়েকজনের ব্যাপারে।

    বিশ্বকাপের দল নিয়ে বৃহস্পতিবার প্রশ্ন করা হয়েছিল বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনকে। জবাব দিতে গিয়ে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের সেরা একাদশ চাইবেন সাংবাদিকদের কাছেই।

    মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড ক্রিকেট টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণের পর সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন নাজমুল হাসান পাপন। কী মনে করে ঘুরে তাকালেন বিসিবি সভাপতি, একজন সাংবাদিককে উদ্দেশ্য করে বললেন, ‘আপনাদের সবার কাছে কিন্তু একটা করে দল চাইব বিশ্বকাপের, স্কোয়াড না একদম একাদশ দিতে হবে কিন্তু।’

    তিনি বলেন, ‘এখন ক্রিকেট নিয়ে সবচেয়ে বেশি সরব হচ্ছে মিডিয়া। এটাতে আমরা খুশি। আপনারা এত বেশি সম্পৃক্ত এটা আমাদেরও সাহায্য করে। সোশ্যাল মিডিয়া নিয়েও আমরা খুশি, কিন্তু ওখানে অনেকে মনে হয়েছে ক্রিকেট নিয়ে কোন ধারণাই নেই, কিন্তু মন্তব্য করেই যাচ্ছে।’

    এরপরই বিশ্বকাপের একাদশ নিয়ে সাংবাদিকদের কোর্টে বল ঠেলে দিয়ে পাপন বলেন, ‘আপনারা এখানে যারা আছেন তারা ক্রিকেট সম্পর্কে প্রত্যেকেই, আমার চেয়ে বেশি জানেন এমন বহু লোক আছে। আমি চিন্তা করছি আপনাদের সবার কাছে কিন্তু একটা করে দল চাইব বিশ্বকাপের, স্কোয়াড না একদম একাদশ দিতে হবে কিন্তু। এটা হলে ভালো হয় না? জানতে তো পারলাম। আপনারা কি মনে করেন কাকে খেলানো উচিত।’

    এরপরই বিশ্বকাপের সম্ভাব্য স্কোয়াডের একটি তালিকাও দেন পাপন। বোর্ড প্রধান জানিয়ে দেন, প্রথম ছয়জনকে কোনওভাবেই বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই, ‘তামিম, লিটন, শান্ত, হৃদয়, মুশফিক, সাকিব- এই ছয়জনের মধ্যে কাউকে তো আপনারা বাদ দিবেন বলে মনে হয় না। ওপেনিংয়ে নাঈম শেখ ও বিজয় ভালো পারফর্ম করছে, তারাও আসতে পারে। কে আসবে আমি জানি না। আমার পর্যবেক্ষণ বললাম। আমার ধারণা ওপেনিংয়ে (বাড়তি) একজনকে তারা নেবে। ইনজুরির জন্য ব্যাকআপ লাগবে।’

    পেসারদের নিয়ে পাপনের ব্যাখ্যা, ‘আমার ধারণা তিনটা পেসার খেলবে নিশ্চিত। সাকিব যদি খেলে একটা স্পিনার খেলবে। পাঁচটা বোলার ছাড়া তো বিশ্বকাপ খেলবেন না। হাসান আছে, তাসকিন, শরীফুল, এবাদত, মোস্তাফিজ আছে, যে কেউ খেলতে পারে। চারজন পেসারও খেলতে পারে। যদি তিনজন স্পিনার নিয়ে খেলে তাহলে ছয়টা বোলার নিয়ে খেলতে গেলে বাড়তি স্পিনার লাগবে। বাড়তি থাকে একটা জায়গা সেখানে আছে মেহেদী হাসান মিরাজ। আমার মনে হয় না কেউ বলবে মিরাজকে বিশ্বকাপ স্কোয়াড থেকে বাদ দেওয়া উচিত।’

  • আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক মার্টিনেজ কলকাতায় আসছেন

    আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক মার্টিনেজ কলকাতায় আসছেন

    আগামী জুলাইয়ে কলকাতায় আসছেন বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। সতদ্রু দত্ত ফাউন্ডেশনের ‘সিটি অফ জয়’ নামক প্রচারণার অংশ হিসেবে ভারতে দুই দিন থাকবেন কাতার বিশ্বকাপের গোল্ডেন গ্লাভস পুরস্কার বিজয়ী। এমন তথ্যই উঠে এসেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে।

    আর্জেন্টাইন আলোচিত গোলরক্ষককে কলকাতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছেন শতদ্রু দত্ত। তার উদ্যোগেই এর আগে ভারতে পা রাখেন কিংবদন্তি পেলে ও দিয়েগো ম্যারাডোনা। ধারণা করা হচ্ছে, মার্টিনেজের ভ্রমণের সম্ভাব্য তারিখ ২০-২১ জনু কিংবা ১-৩ জুলাই। কলকাতায় ভ্রমণে তার সঙ্গে সবকিছু স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং চূড়ান্ত তারিখ শীগগিরই ঘোষণা করা হবে বলে জানা গেছে।একইসঙ্গে ভারতের ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলীর সঙ্গে একটি সৌজন্য সাক্ষাৎও রয়েছে মার্টিনেজের। একই সঙ্গে, মোহনবাগান ক্লাব পরিদর্শনে যাওয়ার কথাও রয়েছে ৩০ বছর বয়সী এই গোলরক্ষকের।

    লিওনেল মেসির নেতৃত্বে ৩৬ বছর পর কাতারে বিশ্বকাপ জেতে আর্জেন্টিনা। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে উত্তেজনাপূর্ণ কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে দুটি পেনাল্টি শট ঠেকিয়েছিলেন এমি এবং ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষেও সেটির পুনরাবৃত্তি করেছেন।

    ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব অ্যাস্টন ভিলার হয়ে খেলেন মার্টিনেজ। কলকাতা সফরে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে দেখা করবেন। একইসঙ্গে ভারতের ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলীর সঙ্গে একটি সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হবেন। এ ছাড়া মোহনবাগান ক্লাব পরিদর্শনে যাওয়ার কথা রয়েছে ৩০ বছর বয়সী এই গোলরক্ষকের।

    মার্টিনেজের সঙ্গে আলাপকালে শতদ্রু দত্ত জানান, কলকাতার পাশাপাশি বাংলাদেশেও জনপ্রিয়তা রয়েছে মোহনবাগানের। সে সময় বাংলাদেশের নাম শুনে মার্টিনেজ সঙ্গে সঙ্গে বলেন, আমরা বাংলাদেশ সম্পর্কে জানি। আমরা তাদের (উন্মাদনা) দেখেছি।

  • ১০ জুন বাংলাদেশে আসছে আফগানিস্তান ক্রিকেট দল

    ১০ জুন বাংলাদেশে আসছে আফগানিস্তান ক্রিকেট দল

    পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে আগামী ১০ জুন বাংলাদেশ সফরে আসছে আফগানিস্তান ক্রিকেট দল। সফরে একটি টেস্ট, তিনটি ওয়ানডে ও দুটি টি-টোয়েন্টিতে টাইগারদের মোকাবিলা করতে হবে আফগানদের।

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) বুধবার বাংলাদেশ-আফগানিস্তানের দ্বিপক্ষীয় সিরিজের সূচি ঘোষণা করে। খবর বাসসের।

    সূত্র জানিয়েছে, পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে ১০ জুন ঢাকায় পা রাখবেন মোহাম্মদ নবী-রশিদ খানরা। ১৪ থেকে ১৮ জুন মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে হবে একমাত্র টেস্ট। প্রথমভাগে টেস্ট খেলে ভারতে সিরিজ খেলতে যাবেন আফগানরা।

    ১৯ জুন ভারত সফরে যাবে আফগানিস্তান। ভারতের মাটিতে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে তারা।

    পরে বাংলাদেশে ফিরে ৫, ৮ ও ১১ জুলাই ওয়ানডে খেলবে দুই দল। সব খেলাই চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।

    পরে সিলেটের মাটিতে ১৪ ও ১৬ জুলাই টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে টাইগাররা আফগানদের মোকাবিলা করবে।

    এখন পর্যন্ত একবার টেস্ট ফরম্যাটে মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান।

    ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে চট্টগ্রামের মাটিতে হওয়া ঐ টেস্টে আফগানদের কাছে ২২৪ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ।

    বাংলাদেশের সঙ্গে আফগানিস্তানের দুটি টেস্ট ও তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলার কথা ছিল, কিন্তু ভারত সফরে যেতে একটি করে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি বাতিল করার অনুরোধ করে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড।

    বিসিবি সেই অনুরোধ আমলে নিয়ে আফগানিস্তানের সফর সূচি সমন্বয় করে।

  • সম্ভাব্য সবকিছুই করবে মেসিকে ফেরাতে বার্সার সভাপতি

    সম্ভাব্য সবকিছুই করবে মেসিকে ফেরাতে বার্সার সভাপতি

    আগামী জুনে মেসির সঙ্গে পিএসজির চুক্তি শেষ হবে। লিওনেল মেসি সামনের মৌসুমে কোথায় খেলবেন তা এখনো নিশ্চিত নয়। কোনো সূত্র বলছে তিনি সৌদি আরবের একটি ক্লাবে যোগ দিয়েই ফেলেছেন। কেউ কেউ বলছেন মেসি বার্সায় ফিরবেন।

    মেসির ফরাসি ক্লাবটির সঙ্গে অনিশ্চিত আর্জেন্টাইন তারকার ভবিষ্যত। ক্লাব ফুটবলে তার সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ নিয়ে সৌদি আরবের ক্লাব, যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাবের পাশাপাশি আলোচনায় আছে বার্সেলোনায় ফেরার সম্ভাবনাও। এমন গুঞ্জনের পালে হাওয়া জুগিয়েছেন খোদ ক্লাবটির প্রেসিডেন্ট হুয়ান লাপোর্তা। তার মতে, ন্যু ক্যাম্পে মেসিকে ফেরাতে সম্ভাব্য সবকিছু করবে বার্সা।

    ‘মেসিকে ফেরাতে আমরা সম্ভাব্য সবকিছু করব’ ২৭ তম লা লিগা শিরোপা নিশ্চিত করার পর বার্সা সভাপতি হুয়ান লাপোর্তাকে মেসি বিষয়ক প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। সেখানেই তিনি এই মন্তব্য করেন।

    সম্প্রতি এসপানিওলকে হারিয়ে লা লিগার শিরোপা নিশ্চিত করেছে বার্সেলোনা। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদকে তারা অনেক আগেই পিছিয়ে দিয়েছিল। তাই তাদের শিরোপা উৎসবের ছিল কেবল কিছু সময়ের অপেক্ষা। তবে মেসি বিহীন কাতালান ক্লাবটি এই প্রথম লা লিগায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। তাই তো শিরোপা জয়ের পর এই মহাতারকা প্রসঙ্গই বারবার ওঠে এসেছে। সেখানে মেসির বার্সায় ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন লাপোর্তা।

    তারই বরাত দিয়ে দলবদলের বিশ্বস্ত সাংবাদিক ও স্কাই স্পোর্টস ইতালির সাংবাদিক ফ্যাব্রিজিও রোমানো একটি টুইট করেছেন। স্পেনের কিংস লিগের দল জিজান্তেস এফসিতে কথাটি বলেছেন লাপোর্তা, ‘দীর্ঘদিন ধরেই আমরা পরের মৌসুম নিয়ে কাজ করছি। তাকে (মেসি) ফেরাতে আমরা সম্ভাব্য সবকিছুই করব।’

    মেসির প্রত্যাবর্তনের প্রসঙ্গে লাপোর্তা আরও বলেন, ‘এটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মেসির সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। একে অপরকে বার্তা পাঠিয়েছি। প্যারিসে কিছু অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখে পড়েছিল সে।’

    এদিকে মেসির ফেরা অসম্ভব বলে মনে করেন কোম্যান। ইএসপিএনকে তিনি বলেছেন, ‘মনে হয় না মেসি বার্সেলোনায় ফিরবে। বুসকেটস বার্সেলোনা ছেড়েছে। জর্দি আলবাও থাকছে না। তিনজনই খুব ভালো বন্ধু। আমি মোটেও অবাক হব না, যদি বাকি দুই বন্ধুর সঙ্গে মেসি সৌদি আরব বা যুক্তরাষ্ট্রের লিগে খেলতে চলে যায়।’

  • সম্ভবত ইংল্যান্ডে এটাই আমার শেষ ম্যাচ: তামিম

    সম্ভবত ইংল্যান্ডে এটাই আমার শেষ ম্যাচ: তামিম

    ক্রিকেট ক্যারিয়ারের শুরুতে ২০১০ সালে ইংল্যান্ড সফরে প্রথম গিয়ে লর্ডস ও ম্যানচেস্টারে টেস্ট সেঞ্চুরি করে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন তামিম ইকবাল।

    তামিম ইকবালের বয়স হয়ে গেছে ৩৪। এরই মধ্যে টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নিয়েছেন। ওয়ানডে-টেস্ট খেলে গেলেও খুব বেশি দিন যে খেলবেন না তার একটা আভাস মিলেছে গতকাল। রোববার নাটকীয়ভাবে আয়ারল্যান্ডকে ৫ রানে হারিয়ে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়ের পর তামিম বলেছেন, ‘সম্ভবত ইংল্যান্ডের মাটিতে এটাই আমার শেষ ম্যাচ।’

    ভবিষ্যৎ সফর সূচি অনুযায়ী আগামী তিন-চার বছরে ইংল্যান্ডের মাটিতে বাংলাদেশের খেলার সম্ভাবনা নেই। আইরিশদের তৃতীয় ওয়ানডেতে ৫ রানে হারিয়ে ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে ওয়ানডে অধিনায়ক বলেছেন, ‘এখানকার দর্শকদের সমর্থন আমার কাছে সব সময়ই স্পেশাল। আমি অবশ্য নিশ্চিত নই যে আবার ইংল্যান্ডে খেলতে পারবো কিনা। যেহেতু ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেভাবে খেলা হয় না। আর আগামী তিন-চার বছরেও কোনও সফর নেই। তাই মনে হচ্ছে ইংল্যান্ডে এটাই হয়তো আমার শেষ ম্যাচ। আর সেটা আমি খুব উপভোগও করেছি।’

    সাম্প্রতিক সময়ে বামহাতি ব্যাটারকে বড় স্কোর পেতে খুব সংগ্রাম করতে হয়েছে। ৯ ইনিংস পর আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতে হাফসেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন। খেলেছেন সর্বোচ্চ ৮২ বলে ৬৯ রানের একটি ইনিংস। তার ব্যাটে ভর করেই বাংলাদেশ ২৭৪ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে। জবাবে দারুণ লড়াইয়ে ৯ উইকেটে ২৬৯ রানে থেমেছে আইরিশ দল।

    ইংলিশ কন্ডিশনে বামহাতি তামিমের রেকর্ডও অনেক ভালো। ১৮ ওয়ানডেতে ৩৭.৭৭ স্ট্রাইক রেটে ৬৮০ রান করেছেন। আছে চার ফিফটি এবং এক সেঞ্চুরি। টেস্টেও সেঞ্চুরি আছে দুটি। যার মধ্যে ২০১০ সালে ঐতিহাসিক এক সেঞ্চুরি করেছেন লর্ডসে।

    ২০২৩ থেকে ২০২৭ পর্যন্ত করা আইসিসির ভবিষ্যৎ সফরসূচি পরিকল্পনায় ইংল্যান্ডে বাংলাদেশের কোনো সফর নেই। ততদিন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার আর টেনে নেওয়ার ইচ্ছা না থাকারই আভাস দিলেন তামিম।

  • বাংলাদেশি ব্যাটারদের আজ কঠিন পরীক্ষা, টার্গেট ৩২০

    বাংলাদেশি ব্যাটারদের আজ কঠিন পরীক্ষা, টার্গেট ৩২০

    পরিচিত কন্ডিশনে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের প্রদর্শনী করল আয়ারল্যান্ড। ৩১তম ওয়ানডেতেই চতুর্থ সেঞ্চুরি পেয়ে গেলেন হ্যারি টেক্টর। আরেক ব্যাটার জর্জ ডকরেল বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশি বোলারদের কচুকাটা করলেন। দুজনের ৬ষ্ঠ উইকেট জুটি বাংলাদেশি বোলারদের নাকের জলে চোখের জলে করে ছেড়েছে। নির্ধারিত ৪৫ ওভারে আইরিশদের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৬ উইকেটে ৩১৯ রান। সিরিজে এগিয়ে যেতে হলে বাংলাদেশি ব্যাটারদের আজ কঠিন পরীক্ষাই দিতে হবে।

    প্রথম ওয়ানডে বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ায় সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন ভেঙেছে আয়ারল্যান্ডের। শুক্রবার দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় তারা। শূন্য করে ফিরে যান পল র্স্টালিং। পেসার হাসান মাহমুদ ১৬ রানে তুলে নেন দ্বিতীয় উইকেট। এরপর আন্দ্রে বালর্বিনি ও হ্যারি টেক্টর ৯৮ রানের জুটি গড়েন।

    চেমসফোর্ডের এসেক্স কাউন্টি গ্রাউন্ডে কর্তিত ৪৫ ওভারের ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে নামা বাংলাদেশকে শুরুতেই সাফল্য এনে দেন তরুণ পেসার হাসান মাহমুদ। ইনিংসের প্রথম ওভারের পঞ্চম বলেই দলীয় ১ রানে পল স্টার্লিংয়ের (০) দুর্দান্ত ক্যাচ নেন মুশফিকুর রহিম। ফিল্ড আম্পায়ার সাড়া না দিলেও রিভিউ নিয়ে জয়ী হয় বাংলাদেশ। ৭ম ওভারে ফের হাসান মাহমুদের সাফল্য। তার বলে মিরাজের তালুবন্দি হয়ে ফিরেন অপর ওপেনার স্টিফেন দোহেনি (১২)। এরপর অধিনায়ক অ্যান্ড্রু বালবার্নি এবং হ্যারি টেক্টর প্রতিরোধ গড়েন।

    ২১তম ওভারেই তিন অংক স্পর্শ করে আয়ারল্যান্ডের স্কোর। ৫৩ বলে ফিফটি তুলে নেন টেক্টর। ৫৭ বলে ৪২ রান করা অ্যান্ড্রু বালবার্নিকে মুশফিকের গ্লাভসবন্দি করে ১০৪ বলে ৯৮ রানের জুটি ভাঙেন শরীফুল। এই পেসারের দ্বিতীয় শিকার লরকান টাকার (১৬)। কার্টিস ক্যাম্ফারকে (৮) লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন তাইজুল। এরপরই হ্যারি টেক্টর ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি তুলে নেন ৯৩ বলে। ৩৬ ওভারে আইরিশদের স্কোর দুইশ ছাড়ায়। টেক্টরের সঙ্গী হয়ে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন জর্জ ডকরেল। মাত্র ৩১ বলে তুলে নেন ফিফটি।

    টেক্টর ফিরে যাওয়ার আগে খেলেন ১৪০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। ৪২তম ওভারে এবাদতের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ১১২ বলের মুখোমুখি হয়ে দশটি ছক্কা ও সাতটি চার মারেন তিনি। জর্জ ডকরেল খেলেন ৭৪ রানের হার না মানা ইনিংস। তিনি ৪৭ বল খেলে চারটি ছক্কা ও তিনটি চার মারেন।

    মিরাজের বলে বিস্ফোরক ডকরেলের ক্যাচ ছাড়েন সাকিব। সেঞ্চুরিয়ান হ্যারি টেক্টর থামেন ইবাদতের বলে বোল্ড হয়ে। তার আগে ১১৩ বলে ৭ চার ১০ ছক্কায় খেলেন ১৪০ রানের বিস্ফোরক ইনিংস। তার বিদায়ে ভাঙে ডকরেলের সঙ্গে ৬৮ বলে ১১৫ রানের বিষ্ফোরক ৬ষ্ঠ উইকেট জুটি। শেষ পর্যন্ত ৪৫ ওভারে ৬ উইকেটে ৩১৯ রান তোলে আয়ারল্যান্ড। ৪৭ বলে ৩টি চার এব ৪টি ছক্কায় ৭৪* রানে অপরাজিত থাকেন ডকরেল। আট নম্বরে নামা মার্ক অ্যাডায়ারও ৮ বলে ২ ছক্কায় ২০ রান করেন। বাংলাদেশের হয়ে ২টি করে উইকেট নেন হাসান মাহমুদ এবং শরীফুল ইসলাম।

     

  • জাতীয় দলে খেলতে গেলেও আইপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকদের অনুমতি নিতে হবে

    জাতীয় দলে খেলতে গেলেও আইপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকদের অনুমতি নিতে হবে

    আইপিএলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ থাকলে ক্রিকেটাররা নিজ দেশের জাতীয় দলে খেলতে গেলেও ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকদের অনুমতি নিতে হবে।

    কোটিপতি লিগ হিসেবে বিশ্ব ক্রিকেটে জনপ্রিয় ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল)। ফ্র্যাঞ্চাইজি এ টুর্নামেন্টে বিশ্বের তারকা ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য নতুন পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে আইপিএল কর্তৃপক্ষ।

    ইংল্যান্ডের একটি সংবাদমাধ্যমের দাবি, জোফরা আর্চার হতে পারেন এ ধরনের প্রথম ক্রিকেটার। যিনি দেশের আগে পাকাপাকিভাবে বেছে নিতে পারেন ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটকে। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স তাকে ধরে রাখার জন্য বার্ষিক চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছে। আর্চার প্রস্তাব মেনে নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে তাকে ইংল্যান্ড দলে রাখতে হলে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আগাম অনুমতি নিতে হবে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডকে।

    ক্রিকেট খেলুড়ে দলগুলো তাদের তারকা ক্রিকেটারদের সঙ্গে বার্ষিক চুক্তি সই করে থাকে। সেই চুক্তির মতোই এবার বিশ্বের তারকা ক্রিকেটারদের সঙ্গে বার্ষিক চুক্তিসই করতে যাচ্ছে আইপিলের ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকরা। এ চুক্তি কার্যকর হলে ক্রিকেটাররা বিভিন্ন দেশের লিগেও খেলার সুযোগ পাবেন।

    কারণ সেরা ক্রিকেটারদের ধরে রাখতে বার্ষিক চুক্তির দিকে এগোচ্ছেন আইপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকরা।

    চোটের জন্য গত বছর আইপিএল খেলতে পারেননি আর্চার। এবারো কনুইয়ের চোটের জন্য প্রতিযোগিতার মাঝপথে দেশে ফিরে গেছেন। গত বছর নিলামে আর্চারকে ৮ কোটি টাকা দিয়ে কিনেও সেই অর্থে লাভ হয়নি মুম্বাইয়ের।

    আগামী দিনে যাতে এমন সমস্যা না হয়, তা নিশ্চিত করতেই আর্চারের সঙ্গে বার্ষিক চুক্তির ভাবনা মুম্বাই কর্তৃপক্ষের। তাহলে আর্চার বছরে কতগুলো ম্যাচ দেশের হয়ে খেলবেন, কোন কোন সিরিজে খেলবেন- এসব কিছুই নির্ধারণ করবে মুম্বাই। ফ্র্যাঞ্চাইজির অনুমতি না নিয়ে তাকে খেলাতে পারবে না ইংল্যান্ড।

    আর্চার মুম্বাইয়ের সঙ্গে বার্ষিক চুক্তিতে থাকলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের টি-টোয়েন্টি লিগে খেলতে পারবেন।

    ইংল্যান্ডের সংবাদমাধ্যমটির দাবি, শুধু আর্চার নন ইংল্যান্ডের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার রয়েছেন ফ্র্যাঞ্চাইজির নজরে। তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন অ্যালেক্স হেলস। ২০২২ সালের নিলামে কলকাতা নাইট রাইডার্স তাকে কিনলেও আইপিএল থেকে তিনি নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন। তার সঙ্গেও বার্ষিক চুক্তি করতে যাচ্ছে আইপিএলের একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি।

    সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

  • মাস সেরার আইসিসির পুরস্কার হাতে পেলেন সাকিব

    মাস সেরার আইসিসির পুরস্কার হাতে পেলেন সাকিব

    গেল মার্চে ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে পরপর দুই সিরিজে দারুণ পারফর্ম করেছিলেন সাকিব আল হাসান। তাই মার্চ মাসের আইসিসির সেরা ক্রিকেটার সংক্ষিপ্ত তালিকা মনোনয়ন পেয়েছিলেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। টাইগার অলরাউন্ডারের প্রতিপক্ষ ছিলেন দুই জন। নিউজিল্যান্ডের কেন উইলিয়ামসন ও আরব আমিরাতের আসিফ খানকে পেছনে ফেলে প্রথমবারের মতো আইসিসির মাস সেরার পুরস্কার জিতেছেন সাকিব। আর আজ মেনস প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ অ্যাওয়ার্ডের পুরস্কার হাতে পেলেন এই অলরাউন্ডার। আইসিসির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের এক টুইটারে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

    বাংলাদেশের টাইগার অলরাউন্ডার সাকিবকে মাস সেরা পুরস্কার দেওয়ার কারণ, তিনি সেই মাসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন। সেটিকেই বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। জস বাটলারদের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ হারলেও ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে উজ্জ্বল ছিলেন সাকিব। এছাড়া সিরজে সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক ও উইকেটশিকারি তালিকায় ও ছিলেন উপরে। তাই মার্চের সেরা হয়েছেন টাইগার এই অলরাউন্ডার।

    ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ওয়ানডে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে হারলেও অলরাউন্ড নৈপুণ্যে দারুণ উজ্জ্বল ছিলেন সাকিব। টাইগারদের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহের পাশাপাশি সর্বোচ্চ উইকেট শিকারিও হয়েছিলেন টাইগার ক্রিকেটের এই পোস্টার বয়। সিরিজের শেষ ম্যাচে ৭১ বলে খেলেছিলেন ৭৫ রানের অনবদ্য ইনিংস, আর বল হাতে ৪ উইকেট নিয়ে দলকে জিতিয়ে হয়েছিলেন ম্যাচসেরা।

    অপরদিকে ইংলিশদের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ব্যাটে বলে আলো ছড়িয়েছেন সাকিব যার ফলে ঘরে মাঠে জস বাটলারদেরকে হোয়াইটওয়াশ করে বাংলাদেশ। এরপর আয়ারল্যান্ডে সিরিজেও সে ধারাবাহিকতায় অব্যাহত রাখে টাইগার অলরাউন্ডার। মার্চে মোট ১২ ম্যাচ খেলে টাইগার আলরাউন্ডার ৩৫৩ রান ও বল হাতে তুলেন ১৫টি উইকেট।

    এর আগে মার্চ মাস সেরা হয়ে সাকিব বলেছেন, ‘আমি এই পুরস্কার জিতে গর্বিত, বিশেষজ্ঞ প্যানেলকে ধন্যবাদ জানায় যারা আমার জন্য ভোট করেছেন। এই স্বীকৃতি আমার কাছে অনেক মূল্যবান কারণ অনেকগুলো প্রতিভাবান ক্রিকেটার থেকে এ মাসে বিশেষ পারফরম্যান্স এসেছে।’

  • ৯ উইকেটে ২৪৬ রান তুলেছে বাংলাদেশ

    ৯ উইকেটে ২৪৬ রান তুলেছে বাংলাদেশ

    আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে আগে ব্যাটিং করতে নেমে ইনিংসের প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। সেই থেকে নিয়মিত বিরতিতেই উইকেট হারিয়েছে তামিম ইকবালের দল। এর মধ্যে মাঝখানে মুশফিকুর রহিম দারুণ এক ফিফটি তুলে নিয়েছেন। এছাড়া নাজমুল হোসেন শান্ত, সাকিব, তৌহিদ হৃদয়রা কিছুটা সাপোর্ট দেওয়ায় ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৪৬ রান তুলেছে বাংলাদেশ।

    ইংল্যান্ডের বাউন্সি কন্ডিশনে ইনিংসের শুরুতেই বাংলাদেশকে চেপে ধরেছিল আইরিশ পেসাররা। জশ লিটল-মার্ক অ্যাডায়ারের তোপের মুখে সুবিধা করতে পারেননি দুই ওপেনার তামিম ইকবাল-লিটন দাস। তবে মিডল অর্ডার ব্যাটাররা প্রতিরোধ গড়লেও কেউই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত মুশফিকের হাফ সেঞ্চুরিতে লড়াই করার পুঁজি পায় বাংলাদেশ।

    চেমসফোর্ডে টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৪৬ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬১ রান করেন মুশফিক। ৬১ রানে ৩ উইকেট হসিকার করে ইনিংসের সেরা বোলার লিটল।

    ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতে ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। আইরিশদের হয়ে বল হাতে ইনিংস ওপেন করা জশ লিটল প্রথম ওভারেই বেশ ভুগিয়েছেন বাংলাদেশি ব্যাটারদের। নতুন বলে এই পেসারের বাড়তি সুইং আর পেস সামলাতে পারেননি লিটন। ইনিংসের চতুর্থ বলটি অফ স্টাম্পের ওপর ইয়র্কার করেছিলেন লিটল, সেখানে সোজা ব্যাটে ডিফেন্স করতে গিয়ে ব্যাটে-বলে করতে পারেননি লিটন। তাতে বল আঘাত হানে তার প্যাডে। আর আম্পায়ার তাতে আঙ্গুল তুলতে খুব একটা সময় নেননি।

    লিটনের বিদায়ের পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তামিম ইকবালও। যদিও শুরুটা ভালোই করেছিলেন এই ওপেনার। দুই বাউন্ডারিতে ভালো শুরুর আভাস দিয়েও থিতু হতে পারেননি বাংলাদেশ অধিনায়ক। চতুর্থ ওভারের পঞ্চম বলটি অফ স্টাম্পের অনেকটা বাইরে ফুলার লেন্থে করেছিলেন মার্ক অ্যাডায়ার। সেখানে বড় শট খেলতে গিয়ে তামিমের ব্যাটের কানা ছুঁয়ে বল চলে যায় উইকেটকিপার লরকান টাকারের গ্লাভসে। তাতে আউটের আবেদন করেন আইরিশরা। কিন্তু আম্পায়ার তাতে সাড়া দেননি। ফলে রিভিউ নেয় তারা। তাতে সিদ্ধান্ত বদলে আউট দিত্যে বাধ্য হন আম্পায়ার।

    দুই ওপেনারের বিদায়ের পর দলের হাল ধরেন সাকিব আল হাসান ও নাজমুল হোসেন শান্ত। তাদের দৃঢ়তায় দলীয় অর্ধশতক পূরণ করে বাংলাদেশ। কিন্তু শুরুর পাওয়ার প্লে শেষে আর বেশিক্ষণ টিকতে পারলেন না সাকিব। ১২তম ওভারের প্রথম বলে গ্রাহাম হিউমকে ডাউন দ্য উইকেটে এসে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ব্যাটে বলে করতে পারেননি সাকিব। তাতে বল সরাসরি আঘাত হানে তার উইকেটে। সাজঘরে ফেরার আগে ২১ বলে ২০ রান করেছেন এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার।

    সাকিব ফিরে যাওয়ার পরও দুর্দান্ত ব্যাটিং করছিলেন শান্ত। শুরুতে কিছুটা ধীরগতির ব্যাটিং করলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসেন এই টপ অর্ডার ব্যাটার। হৃদয়ের সঙ্গে চতুর্থ উইকেট জুটিতে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করে ব্যাক্তিগত হাফ সেঞ্চুরির খুব কাছেই ছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর মাইলফলক ছুঁতে পারেননি। ২২তম ওভারের চতুর্থ বলে কুর্টিস ক্যাম্পারকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে সীমানায় অ্যাডায়ারের হাতে ধরা পড়েন শান্ত। ৭ চারে ৬৬ বলে ৪৪ রান এসেছে তার ব্যাট থেকে।

    দেশের মাটিতে সর্বশেষ সিরিজে দুর্দান্ত খেলেছিলেন তাওহিদ হৃদয়। নিজের অভিষেক সেই সিরিজের ফর্ম টেনে নিতে পারলেন না ইংল্যান্ডে। আইরিশ পেসারদের সামলে উইকেটে থিতু হলেও ইনিংস বড় করতে পারলেন না এই তরুণ ব্যাটার। ২৭তম ওভারের তৃতীয় বলটি অফ স্টাম্পের বাইরেফুল লেন্থে করেছিলেন গ্রাহাম হিউম। এই পেসারকে ডিফেন্স করতে গিয়ে আউট সাইড এইডজে ধরা পড়েন হৃদয়। উইকেটের পেছনে দুর্দান্ত ক্যাচ নিয়েছেন লরকান টাকার। সাজঘরে ফেরার আগে ৩১ বলে ২৭ রান করেছেন হৃদয়।

    ১২২ রানে পঞ্চম উইকেট হারানোর পর দায়িত্ব বেড়ে গিয়েছিল মিরাজের। সেটার ছাপও ছিল তার ব্যাটিংয়ে। অভিজ্ঞ মুশফিকের সঙ্গে দেখে-শুনেই খেলছিলেন এই তরুণ অলরাউন্ডার। কিন্তু হঠাৎ মাথা গরম করে বআইপড ডেকে আনেন তিনি! ৩৮তম ওভারের তৃতীয় বলে জর্জ ডকরেলকে স্লগ সুইপ করেন মিরাজ। কিন্তু ব্যাটে-বলে ঠিকমতো টাইমিং না হওয়ায়  এইডজ হয়ে বল ওপরে উঠে যায়। তাতে ধোহেনির হাতে ধরা পড়েন ২৭ রান করা মিরাজ।

    জন্মদিনে খেলতে নেমে ট্যাক্টরের কাছ থেকে যেন উপহার পেলেন মুশফিক! ৩১তম ওভারের চতুর্থ বলটি অফ স্টাম্পের বাইরে লেন্থ ডেলিভারী ছিল, মুশফিক কাট করার পর হাওয়া ভাসতে ভাসতে বল চলে যায় ব্যাকওয়াড পয়েন্টে। সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা হ্যারি ট্যাক্টর জায়গায় দাঁড়িয়ে বলের নাগাল পেলেও হাতে জমাতে পারেননি। তাতে ১৯ রানে জীবন পাওয়া মুশফিক ৬৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন। তার ব্যাট থেকে এসেছে সর্বোচ্চ ৬১ রানের ইনিংস। যা এই মাঠে ওয়ানডেতে কোনো ব্যাটারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যাক্তিগত ইনিংস।

    ৪৫তম ওভারে মুশফিক ফিরে গেলে অলআউটের শঙ্কায় পরে বাংলাদেশ।  তবে শেষদিকে তাইআজুল ৩৬ বলে ১৪ এবং শরীফুল ১৫ বলে ১ ছক্কায় ১৬ রান করে অবদান রাখেন। ৩ উইকেট নেন জস লিটল।

    ২টি করে নিয়েছেন মার্ক অ্যাডায়ার এবং গ্রাহাম হিউম।