Category: খেলাধুলা

  • এবারের নারী বিশ্বকাপে দর্শক সংখ্যা প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়েছে : ফিফা

    এবারের নারী বিশ্বকাপে দর্শক সংখ্যা প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়েছে : ফিফা

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৫ আগস্ট, ২০২৩ : বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রন সংস্থা ফিফা জানিয়েছে ২০১৯ সালের তুলনায় এবারের নারী বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে দর্শক উপস্থিতির সংখ্যা প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়েছে । অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে যৌথভাবে আয়োজিত এবারের বিশ্বকাপ অনেকাংশেই প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে গেছে বলেও উল্লেখ করেছে ফিফা।

    ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা থেকে প্রকাশিত ডাটা অনুযায়ী গ্রুপ পর্বে ৪৮ ম্যাচে এ পর্যন্ত ১২ লাখ ২২ হাজার ৮৩৯ সমর্থক মাঠে উপস্থিত ছিল। চার বছর আগে ফ্রান্সের গ্রুপ পর্বের ৪৮ ম্যাচের তুলনায় যা ২৯ শতাংশ বেশী। এবারের বিশ্বকাপে গড়ে প্রতিদিন ২৫ হাজারের কিছু বেশী দর্শক মাঠে উপস্থিত ছিল। সাধারণত নিউজিল্যান্ডের তুলনায় অস্ট্রেলিয়ায় বেশী দর্শকের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

    ডানেডিনে কোস্টারিকার বিরুদ্ধে জাপানের ২-০ গোলের জয়ের ম্যাচটি দেখেছে ৭ হাজারের কম মানুষ। এ পর্যন্ত ১৭ লাখ ১৫ হাজার টিকেট বিক্রি হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে ১.৩ মিলিন টিকেট বিক্রয়ের লক্ষ্য ছিল, যা গ্রুপ পর্বেই ছাড়িয়ে গেছে।

    ফিফা নারী ফুটবল প্রধান সারাই বারেমান বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, ‘আমি আত্মবিশ্বাসী ফাইনাল পর্যন্ত ১.৯ মিলিয়ন ভক্ত স্টেডিয়ামের গেটে পা রাখবে। টুর্নামেন্ট এখনো পর্যন্ত চমৎকার ভাবে এগিয়ে চলছে। অনেক দিক থেকেই যা আমাদের প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে গেছে। সারা বিশ্বজুড়ে টেলিভিশন সম্প্রচারের দিক থেকেও ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে।’

    নেদারল্যান্ডের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাচটি আমেরিকায় সবচেয়ে বেশী মানুষ টিভিতে উপভোগ করেছে।

    বারেমান আরো জানিয়েছেন এবারের বিশ্বকাপে এটাই প্রমানিত হয়েছে নারী ফুটবল অনেকদুর এগিয়েছে। শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে অনেকেই গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছে।

    গতবারের ইউরোপীয়ান চ্যাম্পিয়নশীপ রানার্স-আপ জার্মানী, ইতালি, ব্রাজিল ও অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন কানাডা নক আউট পর্বে যেতে পারেনি। তাদের পরিবর্তে শেষ ষোলয় উঠেছে মরক্কো, নাইজেরিয়া, জ্যামাইকা ও দক্ষিণ আফ্রিকা।

    ফিফা জনিয়েছে সব মিলিয়ে নারী দর্শক উপস্থিতির বিশয়টি খেলাধুলার ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

    সূত্র: বাসস

  • এলপিএলে ব্যাট-বল হাতে পারফরম্যান্সের ধারা অব্যাহত রেখেছেন সাকিব

    এলপিএলে ব্যাট-বল হাতে পারফরম্যান্সের ধারা অব্যাহত রেখেছেন সাকিব

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ২ আগস্ট, ২০২৩: লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে (এলপিএল) ব্যাট-বল হাতে আবারও ঝলসে উঠেছেন বাংলাদেশের অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। পর পর দুই ম্যাচেই ব্যাট –বল হাতে সফল বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার। গতরাতে গল টাইটান্সের দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাট হাতে ২১ বলে ৩০ রান এবং বল হাতে ২ উইকেট নিয়েছেন সাকিব। তার অলরাউন্ড নৈপুন্যে গল টাইটান্স ৮৩ রানে হারিয়েছে বি-লাভ ক্যান্ডিকে। এবারের আসরে নিজের প্রথম ম্যাচে ডাম্বুলা আউরার বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে ২৩ ও বোলিংয়ে ১ উইকেট নিয়েছিলেন সাকিব।

    কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামে গল টাইটান্স। টপ অর্ডার ব্যাটাররা বড় ইনিংস খেলতে না পারলে ৬০ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় গল। এরপর ক্রিজে আসেন সাকিব।

    সাকিবকে পেয়ে মারমুখী হয়ে উঠেন ক্রিজে থাকা নিউজিল্যান্ডের টিম সেইফার্ট। তার ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ১৩তম ওভারেই ১শ রান পায় গল। ১৪তম ওভারে কামিন্দু মেন্ডিসের বলে পরপর দু’টি ছক্কা মারেন সাকিব। ১৮তম ওভারে রান আউট হওয়ার আগে সাকিব ২টি ছক্কায় ২১ বলে ৩০ রান করেন ।
    ২৩ বলে হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ নিয়ে ৭৪ রানে আউট হন সেইফার্ট।

    জবাব দিতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে যায় ক্যান্ডি। গল বোলারদের তোপে পাওয়ার প্লেতে ৩৬ রানে ৫ উইকেট হারায় তারা। নবম ওভারে প্রথমবারের মত আক্রমনে এসে প্রথম ডেলিভারিতেই উইকেট তুলে নেন সাকিব। পাকিস্তানের আসিফ আলিকে ৩ রানে শিকার করেন তিনি। নিজের তৃতীয় ওভারে দ্বিতীয় উইকেটের দেখা পান সাকিব। আরেক পাকিস্তানী আমির জামালকে ৬ রানে বিদায় দেন তিনি।

    শেষ পর্যন্ত ১৭ বল বাকী থাকতে ৯৭ রানে গুটিয়ে যায় ক্যান্ডি। ব্যাট-বল হাতে সফল হলেও ম্যাচ সেরা হতে পারেনি সাকিব।

    সূত্র: বাসস

  • মামলায় জিতে ওয়ার্নার পেলেন তিন কোটি টাকা

    মামলায় জিতে ওয়ার্নার পেলেন তিন কোটি টাকা

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দলের ক্রিকেটার ডেভিড ওয়ার্নার তিন ফরম্যাটের জন্য একজন দক্ষ খেলোয়াড়। নিজ দেশের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে নিয়মিত খেলে থাকেন। সেই সুবাদে অনেক অর্থ যোগ হয় তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে। এবার খেলে নয় মাঠের বাইরের এক ঘটনায় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আরও ভারী করলেন অস্ট্রেলিয়ার এই তারকা ওপেনার।

    নিয়ম ভঙ্গ করায় সাবেক স্পন্সর স্পার্টানের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছিলেন ওয়ার্নার। সেই মামলায় জয়ী হয়েছেন ৩৬ বছর বয়সী ক্রিকেটার। এজন্য প্রায় ৪ লাখ ২২ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার পেয়েছেন ওয়ার্নার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৩ কোটি ৪ লাখ ১৩ হাজার টাকা।

    ২০১৮ সালে স্পার্টানের সঙ্গে চুক্তি করেন ওয়ার্নার। একই সঙ্গে আরও বেশ কয়েকজন বর্তমান এবং সাবেক ক্রিকেটারের সঙ্গে চুক্তি ছিল অস্ট্রেলিয়া ভিত্তিক কোম্পানিটির। একসঙ্গে এতো অর্থের যোগান না দিতে পেরে মালিকানা হারায় স্পার্টান। এই কোম্পানির মালিকানা কিনে নেয় বেশ কিছু প্রাইভেট বিনিয়োগকারীরা।

    মালিকানা বদলের পাশাপাশি পরবর্তীতে কোম্পানিটি ডিএসসি নামে বদলে যায়। ২০২১ সালে ডিএসসির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন ওয়ার্নার। যদিও চুক্তি অনুযায়ী তার বকেয়া পরিশোধ করেনি স্পার্টান। সেই বকেয়া পেতে আইনী পদক্ষেপ নেন ওয়ার্নার।

    বিচার প্রক্রিয়া শেষে সম্প্রতি এই মামলার রায় হয়েছে। যেখানে সিডনি জেলা আদালতের বিচারক ম্যাথু ডিকার ওয়ার্নারকে এ অর্থ পরিশোধের রায় দেন। রায় অনুযায়ী, ওয়ার্নারকে বকেয়া বাবদ ৩ লাখ ৮২ হাজার ৯৪০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার পরিশোধ করবে স্পার্টান। এছাড়া সাবেক স্পন্সরের কাছ থেকে আরও ৩৯ হাজার ৭৮৬ অস্ট্রেলিয়ান ডলার পাবেন ডেভিড ওয়ার্নার। আইনি ভাবে বিজয়ী হওয়ায় খুশি এই ক্রিকেটার।

  • লা লিগার ২০২৩-২৪ মৌসুমের সূচী প্রকাশ

    লা লিগার ২০২৩-২৪ মৌসুমের সূচী প্রকাশ

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: লা লিগার ২০২৩-২৪ মৌসুমের সূচী প্রকাশ করা হয়েছে। লা লিগার নতুন মৌসুম শুরু হবে আগামী ১২ আগস্ট । ক্লাবগুলোর ব্যস্ততা দেখে মনে হচ্ছে আগামী মৌসুমটা ক্লাবগুলোর জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে।

    রিয়াল মাদ্রিদ বার্সেলোনার কাছ থেকে যেকোন মূল্যে লা লিগার হারানোর শিরোপাটা উদ্ধার করতে চায়। সে লক্ষ্যে ইংলিশ মিডফিল্ডার জুড বেলিংহামকে বরুসিয়া ডর্টমুন্ড থেকে ১০৩ মিলিয়ন ইউরোতে দলে ভিড়িয়েছে। এছাড়া ১২০ মিলিয়ন ইউরোর বেশী ব্যয় করে পিএসজির কিলিয়ান এমবাপ্পে অথবা টটেনহ্যামের হ্যারি কেনের যেকোন একজনকে দলে নিতে আগ্রহী গ্যালাকটিকোরা। তারকা স্ট্রাইকার করিম বেনজেমা সৌদি আরবে চলে যাওয়ায় তার জায়গা পূরনে উঠেপড়ে লেগেছে কার্লো আনচেলত্তির রিয়াল মাদ্রিদ।

    এদিকে আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ বার্সেলোনা ২০১৯ সালের পর প্রথমবারের মত গত মৌসুমে লা লিগা শিরোপা জয় করে। ম্যানচেস্টার সিটি মিডফিল্ডার ইকে গুনডোগানকে ফ্রি ট্রান্সফার সুবিধা দলে ভেড়ানো এখন তাদের জন্য সময়ের ব্যপার।

    গত মৌসুমের দ্বিতীয় ভাগে স্পেনে সম্ভবত সেরা দল এ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ আঁতোয়ান গ্রীজম্যানের নেতৃত্বে বেশ সফলভাবেই লিগ শেষ করেছে। তাদের আশা এবার মাদ্রিদ-বার্সার আধিপত্য খর্ব করে আবারো নিজেদের প্রমান করা।

    এদিকে শীর্ষ চারে থেকে মৌসুম শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে রিয়াল সোসিয়েদাদ, সেভিয়া, ভিয়ারিয়াল, রিয়াল বেটিস ও এ্যাথলেটিক ক্লাব। সংক্ষিপ্ত সময় দ্বিতীয় বিভাগে কাটিয়ে আবারো লা লিগায় ফেরা গ্রানাডা, লাস পালমাস ও আলাভেসও নিজেদের সামর্থ্যরে প্রমানে শতভাগ দিতে প্রস্তুত।

    লা লিগার নতুন মৌসুম শুরু হবে আগামী ১২ আগস্ট । প্রথম দিনেই মাঠে নামছে দুই জায়ান্ট বার্সেলোনা ও মাদ্রিদ। কঠিন সফরে বার্সেলোনার প্রতিপক্ষ হোসে বোরডালার গেতাফে। অতীতে এই দলটির বিরুদ্ধে বেশ কঠিন সময় পার করেছে বার্সা। গত মৌসুমে প্রথম ম্যাচে ১-০ গোলের কষ্টার্জিত জয়ের পর দ্বিতীয় ম্যাচে গোলশুন্য ড্র করেছে জাভি হার্নান্দেজের দল।

    সেপ্টেম্বরে আন্তর্জাতিক বিরতির আগে ২৭ আগস্ট ভিয়ারিয়াল ও ৩ সেপ্টেম্বর ওসাসুনার বিরুদ্ধে মাঠে নামবে বার্সা। কঠিন এই চ্যালেঞ্জের পর চার ম্যাচের তিনটিই খেলবে ঘরের মাঠে, প্রতিপক্ষ রিয়াল বেটিস, সেল্টা ভিগো ও সেভিয়া। অক্টোবরের এই সময়ের মধ্যে আবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপ পর্বও শুরু হয়ে যাবে।

    এদিকে এ্যাথলেটিকোর পর দ্বিতীয় ম্যাচে ২০ আগস্ট আলমেরিয়া ও ২৭ আগস্ট সেল্টা সফরে যাবে রিয়াল মাদ্রিদ। এরপরপরই মাদ্রিদ ডার্বিতে ৩ সেপ্টেম্বর বার্নাব্যুতে গেতাফেকে আতিথ্য দিবে।

  • ২০৩০ বিশ্বকাপের আয়োজক হওয়ার দৌড় থেকে সরে দাঁড়ালো সৌদি আরব

    ২০৩০ বিশ্বকাপের আয়োজক হওয়ার দৌড় থেকে সরে দাঁড়ালো সৌদি আরব

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: ২০৩০ বিশ্বকাপ আয়োজন করতে চেয়েছিল মধ্যপ্রাচ্যের সম্পদশালী দেশ সৌদি আরব। এ লক্ষ্যে ঘরোয়া লিগকে ঢেলে সাজানোর জন্য ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, করিম বেনজেমাদের মতো বিদেশি ফুটবল মহাতারকাদের আনছে তারা।

    কিন্তু এক বছর না যেতেই আয়োজক হওয়ার দৌড় থেকে সরে দাঁড়ালো সৌদি আরব। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ গ্রীস এবং মিশরকে জানিয়ে দিয়েছেন, বিশ্বকাপের আয়োজক হওয়ার প্রতিযোগিতা থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।

    সৌদি আরব প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়ানোয় স্পেন, পর্তুগাল এবং মরক্কোর সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল হলো। এই তিন দেশ মিলে যৌথভাবে ২০৩০ বিশ্বকাপের আয়োজন হতে চায়।

    জানা গেছে, বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য যে প্রস্তুতির দরকার- স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো তাতে অনেক এগিয়ে আছে। প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর দিক থেকেও দেশ তিনটি স্বয়ংসম্পুর্ণ। আর সৌদি আরবকে শুরু করতে হবে অনেকটা গোড়া থেকে। বিশ্বকাপের জন্য অবকাঠামো নির্মাণ ও পারিপার্শ্বিক অনেক কাজ করতে হবে, যা এত কম সময়ে করা বেশ কঠিনসাধ্য ব্যাপার।

    অন্যদিকে দক্ষিণ আমেরিকার চার দেশ- আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে, চিলি এবং প্যারাগুয়েও সম্মিলিতভাবে ২০৩০ বিশ্বকাপ আয়োজনের দৌড়ে টিকে রয়েছে। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে এই দৌড়ে বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে।

  • দিনক্ষণ চূড়ান্ত হলো ২০২৪ কোপা আমেরিকার

    দিনক্ষণ চূড়ান্ত হলো ২০২৪ কোপা আমেরিকার

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: আগামী বছর ২০ জুন থেকে শুরু হয়ে ২০২৪ কোপা আমেরিকা কাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অুনষ্ঠিতব্য এই ফুটবল টুর্ণামেন্টের তারিখ ঘোষণা করেছে দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা কনমেবল। এই প্রতিযোগিতা চলতে ১৪ জুলাই পর্যন্ত।

    কনমেবল নিশ্চিত করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাসহ দক্ষিণ আমেরিকান মোট ১০টি ফুটবল দল এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিবে। এছাড়া আরো ছয়টি দেশ কনকাকাফ থেকে অতিথি হিসেবে এই টুর্নামেন্টে খেলতে আসবে। অর্থাৎ ১৬ দল নিয়ে আগামী বছরের কোপা আমেরিকা আসর অনুষ্ঠিত হবে।

    কনমেবল সভাপতি আলেহান্দ্রো ডোমিনগুয়েজ বলেছেন ২৫ দিনের এই টুর্ণামেন্টের স্বাগতিক শহর ও স্টেডিয়ামের নাম খুব শিগগিরই ঘোষণা করা হবে। একইসাথে টুর্ণামেন্টে পূর্ণাঙ্গ সূচীও প্রকাশ করা হবে।

    এর আগে ঘোষিত ফর্মেট অনুযায়ী ২০২৩-২৪ মৌসুমের নেশন্স লিগের টুর্ণামেন্ট থেকে ফলাফলের ভিত্তিতে কনকাকাফ’র ছয়টি দল খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে।

    এদিকে আগামী বছর প্রথমবারের মত আয়োজিত ২০২৪ কনকাকাফ নারী গোল্ড কাপে কনমেবল এর শীর্ষ চারটি জাতীয় দলকে আমন্ত্রন জানানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম বারের মত আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে ১২টি দল অংশ নিবে।

    এর আগে চারবার কোপায় অংশ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র্। অতি সম্প্রতি ২০১৬ সালে অংশ নিয়ে সেমিফাইনালে খেলেছিল যুক্তরাষ্ট্র। ঐ টুর্ণামেন্টটিও যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

    ২০২৪ কোপা আমেরিকা ইকুয়েডরে অনুষ্ঠিত হবার কথা ছিল। কিন্তু নিরাপত্তা ইস্যুতে তারা আয়োজনে অস্বীকৃতি জানালে যুক্তরাষ্ট্র দায়িত্ব নেয়।

    ২০২৬ বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক এবার যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা।

  • এজবাস্টনে অ্যাশেজের প্রথম টেস্টে রোমাঞ্চকর জয় অস্ট্রেলিয়ার

    এজবাস্টনে অ্যাশেজের প্রথম টেস্টে রোমাঞ্চকর জয় অস্ট্রেলিয়ার

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: এজবাস্টনে অ্যাশেজের প্রথম টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার জয় ২ উইকেটে। ২৮১ রানের লক্ষ্য তারা ছুঁয়ে ফেলে শেষ দিনের ৫.৩ ওভার বাকি থাকতে।  টেস্টের পঞ্চম দিনের প্রথম সেশন বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ার পরও রোমাঞ্চ ছড়িয়েছে ম্যাচটিতে। এক প্রান্তে মাটি কামড়ে পড়ে থেকে দলকে টানলেন উসমান খাওয়াজা। ম্যাচ একটু একটু করে হেলে পড়ল অস্ট্রেলিয়ার দিকে। খাওয়াজাকে ফিরিয়েই আশা জাগাল ইংল্যান্ড। প্যাট কামিন্সের মহামূল্যবান এক ইনিংস ও ন্যাথান লায়নের সঙ্গে অসাধারণ নবম উইকেট জুটির নৈপুণ্যে রোমাঞ্চকর জয় পেল অস্ট্রেলিয়া। ৭৩ বলে ৪টি চার ও ২টি ছক্কায় অপরাজিত ৪৪ রানের ইনিংস খেলে দলের জয় নিয়ে ফেরেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক।

    ৯ নম্বরে কামিন্স যখন ক্রিজে যান, তখনও জয় থেকে ৭২ রান দূরে অস্ট্রেলিয়া। অ্যালেক্স কেয়ারি অষ্টম ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরার সময় তাদের দরকার ছিল ৫৪ রান। লায়নের সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন ৫৫ রানের জুটিতে দলকে কাঙ্ক্ষিত ঠিকানায় পৌঁছে দেন কামিন্স।

    জয়ের ভিতটা গড়ে দেন অবশ্য খাওয়াজা। প্রথম ইনিংসে ৩২১ বলে ১৪১ রান করা ওপেনার এবার ১৯৭ বলে ৭ চারে খেলেন ৬৫ রানের ইনিংস।

    এজবাস্টনে যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়ায় জয় এটি। গত বছর সর্বোচ্চ ৩৭৮ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ইংল্যান্ড হারিয়েছিল ভারতকে।

    বার্মিংহামে মঙ্গলবার শেষ দিনে অস্ট্রেলিয়ার দরকার ছিল ১৭৪ রান, ইংল্যান্ডের ৭ উইকেট। বৃষ্টিতে প্রথম সেশন ভেস্তে যাওয়ার পর খেলা শুরু হয় স্থানীয় সময় দুপুর সোয়া দুইটায়। দিনের সম্ভাব্য ৬৭ ওভার বাকি তখন।

    আগের দিন মার্নাস লাবুশেন ও স্টিভেন স্মিথকে বিদায় করে ইংল্যান্ডকে লড়াইয়ে ফেরানো স্টুয়ার্ট ব্রড শেষ দিন বেশিদূর যেতে দেননি ‘নাইটওয়াচম্যান’ স্কট বোল্যান্ডকে। অফ স্টাম্পের বাইরের বলে ড্রাইভ করে কিপারের গ্লাভসে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি ২০ রান করে।

    এক প্রান্তে ধৈর্যের প্রতিমূর্তি হয়ে ছিলেন খাওয়াজা। ট্রাভিস হেড প্রথম ১৩ বলে করেন ১ রান। পরে তার ব্যাট থেকেই আসে শেষ দিনে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম বাউন্ডারি। কাটা আঙুল নিয়ে বোলিং করা মইন আলির তিন বলের মধ্যে তিনি মারেন আরও দুটি চার। ওই ওভারেই অফ স্পিনারের দারুণ ডেলিভারিতে স্লিপে ক্যাচ দেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। অস্ট্রেলিয়ার দরকার তখনও ১৩৮ রান, ইংল্যান্ডের চাই ৫ উইকেট।

    শেষ দিনে খেলা প্রথম ৫০ বলে খাওয়াজা করেন স্রেফ ৭ রান। বাঁহাতি ব্যাটসম্যান পঞ্চাশ স্পর্শ করেন ১৪৩ বলে।

    ২০১২ সালে ভারতের বিপক্ষে রিকি পন্টিংয়ের পর প্রথম অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান হিসেবে কোনো টেস্টে ৫০০ বা এর বেশি বল খেললেন খাওয়াজা, ৫১৮ বল। এজবাস্টনে যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়ায় জয় এটি। গত বছর সর্বোচ্চ ৩৭৮ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ইংল্যান্ড হারিয়েছিল ভারতকে।

    ৩৪ বছরের মধ্যে প্রথম অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার হিসেবে দেশের বাইরে অ্যাশেজের কোনো টেস্টে সেঞ্চুরি ও ফিফটি করলেন খাওয়াজা। তার আগে সবশেষ এমন কিছু করে দেখিয়েছিলেন মার্ক টেইলর। ১৯৮৯ সালে লিডসে ১৩৬ ও ৬০ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি।  ক্যামেরন গ্রিনের সঙ্গে খাওয়াজার অবিচ্ছিন্ন ৪০ রানের জুটিতে চা-বিরতিতে যায় অস্ট্রেলিয়া। শেষ সেশনে ৩৮ ওভারে দরকার ছিল ৯৮ রান।  বিরতির পর গ্রিনকে ফিরিয়ে ৪৯ রানের জুটি ভাঙার পাশাপাশি আবার লড়াই জমিয়ে তোলেন অলি রবিনসন। অ্যাঙ্গেলে ভেতরে ঢোকা বল স্টাম্পে টেনে আনেন ২৮ রান করা গ্রিন।  আক্রমণে এসে নিজের দ্বিতীয় ওভারে খাওয়াজাকে থামান বেন স্টোকস। স্লোয়ার বল বাঁহাতি ওপেনারও টেনে টানেন স্টাম্পে।  তখনও অস্ট্রেলিয়ার দরকার ৭২ রান।  এরপর দলকে এগিয়ে নেন অ্যালেক্স কেয়ারি ও প্যাট কামিন্স।

    ৮০ ওভারের পর নতুন বল না নিয়ে পুরনো বলেই চালিয়ে যায় ইংল্যান্ড। তাতেই মেলে আরেকটি সাফল্য। এই ওভারে রুটকে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন কেয়ারি।  সেখান থেকে কামিন্স ও লায়নের ওই জুটি।

    রুটের এক ওভারে কামিন্সের দুই ছক্কায় আবার জমে ওঠে লড়াই। পরের ওভারে লায়নের কঠিন ক্যাচ নিতে পারেননি স্টোকস।  এরপর একটু একটু করে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান কামিন্স ও লায়ন। দরকার যখন আর ৩ রান, রবিনসনের অফ স্টাম্পের বল থ্যার্ড ম্যান দিয়ে খেলেন কামিন্স, ফিল্ডার সীমানায় বল আটকাতে ব্যর্থ হওয়ার পর উল্লাসে মেতে ওঠে অস্ট্রেলিয়া শিবির।

    টেস্ট ম্যাচ শেষে নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে। সত্যিই কি ভুল করেছিলেন বেন স্টোকস! ভুল করেছিলেন বার্মিংহ্যামে প্রথম দিন ডিক্লেয়ার করে!

    ভুল করেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে ক্রমাগত মইন আলি ও জো রুটকে দিয়ে বল করিয়ে! ভুল করেছিলেন অফ স্টাম্পের বাইরে বল না করে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটারদের শরীর লক্ষ্য করে বল করার পরিকল্পনা করে! অ্যাশেজের প্রথম টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারের পরে আরও বেশি করে আলোচনার কেন্দ্রে ইংল্যান্ডের খেলার পদ্ধতি। একটু বেশি আক্রমণাত্মক খেলতে গিয়েই কি ডুবতে হল ইংল্যান্ডকে? শর্ট ফরম্যাটের খেলার দাপটে হারিয়ে যেতে বসেছিলো টেস্ট ম্যাচ। এজবাস্টনে আবার টেস্ট ম্যাচ প্রাণ ফিরে পেয়েছে। তবে যাই হোক অনেকদিন পর একটি উপভোগ্য টেস্ট দেখলো দর্শকরা। বিশেষ ভাবে উসমান খাওয়াজার ইনিংসটি আলো ছড়িয়েছে।

    এই জয়েরে ফলে ৫ ম্যাচের সিরিজে প্রথমটির পর ১-০তে এগিয়ে অস্ট্রেলিয়া ।

    সংক্ষিপ্ত স্কোর:

    ইংল্যান্ড ১ম ইনিংস: ৩৯৩/৮ ডিক্লে.

    অস্ট্রেলিয়া ১ম ইনিংস: ৩৮৬

    ইংল্যান্ড ২য় ইনিংস: ২৭৩

    অস্ট্রেলিয়া ২য় ইনিংস: (লক্ষ্য ২৮১) (আগের দিন ১০৭/৩) ৯২.৩ ওভারে ২৮২/৮ (খাওয়াজা ৬৫, বোল্যান্ড ২০, হেড ১৬, গ্রিন ২৮, কেয়ারি ২০, কামিন্স ৪৪*, লায়ন ১৬*; অ্যান্ডারসন ১৭-১-৫৬-০, ব্রড ২১-৩-৬৪-৩, রবিনসন ১৮.৩-৭-৪৩-২, মইন ১৪-২-৫৭-১, রুট ১৫-২-৪৩-১, স্টোকস ৭-২-৯-১)

    ম্যান অন দা ম্যাচ: উসমান খাওয়াজা

  • পাকিস্তানকে হারিয়ে নারী এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশ

    পাকিস্তানকে হারিয়ে নারী এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশ

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: নারী ইমার্জিং টিমস এশিয়া কাপের সেমি-ফাইনালে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম ব্যাটিং করে  ১৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়েও অবিশ্বাস্য জয় পেয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ জিতেছে ৬ রানে।

    হংকংয়ের টিন কং রোড রিক্রেয়েশন গ্রাউন্ডে দ্বিতিয় সেমি ফাইনালে শুরুতে ব্যাটিংয়ে নেমে ৭ উইকেট হারিয়ে নির্ধারিত ৯ ওভারে ৫৯ রান করে বাংলাদেশ নারী দল। জবাবে ৯ ওভার খেলে ৪ উইকেট হারিয়ে ৫৩ রানের বেশি করতে পারেনি পাকিস্তানের মেয়েরা।

    মঙ্গলবার সকালেই শুরু হয় বৃষ্টি। যে কারণে ম্যাচের দৈর্ঘ্য নেমে আসে ৯ ওভারে। বৃষ্টিস্নাত উইকেটে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় বাংলাদেশ। দলীয় ৪ রানে সাথী রানিকে বোল্ড করে টাইগ্রেস শিবিরে প্রথম আঘাত হানেন ফাতিমা সানা। সেই থেকে শুরু। এরপর আর ১২ রান যোগ করতেই প্রথম সারির আরও ৫ ব্যাটারকে হারায় বাংলাদেশ নারী দল।

    ১৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে যখন ধুঁকছিল দল, তখন খাদের কিনারা থেকে দলকে টেনে তুলেন নাহিদা আক্তার। তার ১৬ বলে ২১ রানের ইনিংসে বড় করে শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেট হারিয়ে ৫৯ রান তুলে লড়াই করার পুঁজি পায় বাংলাদেশ।

    নারী ইমার্জিং এশিয়া কাপের ফাইনালে যেতে পাকিস্তানের লক্ষ্যটা ছিল ৬০ রানের। শুরুতেই পাকিস্তানের মেয়েদের চেপে ধরে বাংলাদেশের মেয়েরা। শেষ দিকে জিততে দুই ওভারে ২০ রান প্রয়োজন ছিল পাকিস্তানের। সেখান থেকে শেষ ওভারে পাকিস্তানের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৩ রানে। তবে শেষ পর্যন্ত সেই সমীকরণ মেলাতে পারেনি তারা। ফলে ৬ রানের জয়ে নারী ইমার্জিং এশিয়া কাপের ফাইনাল নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশের মেয়েরা।

    ফাইনালে বাংলাদেশ লড়বে ভারতের বিপক্ষে।

  • শর্ট ফরম্যাটের ক্রিকেটের সঙ্গে মানিয়ে নিতে গিয়ে মমিনুল টেস্ট দলে অনিয়মিত হিয়েছিলেন

    শর্ট ফরম্যাটের ক্রিকেটের সঙ্গে মানিয়ে নিতে গিয়ে মমিনুল টেস্ট দলে অনিয়মিত হিয়েছিলেন

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: ২০১৩ সালে মমিনুল যখন বাংলাদেশ দলে খেলা শুরু করেন তখন সেটা ছিলো তার ক্রিকেট জীবনের সবথেকে সোনালি অধ্যায়।  বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে প্রথম এক টেস্টে দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি। তখন তাকে স্যার ডন ব্র্যাডম্যানের সাথে তুলনা করা হয়েছিল। এর কারণ সে বছর মমিনুলের ব্যাটিং গড় ছিল ৮৩। কিন্তু ১০ বছর পেরিয়েও মমিনুলের জায়গা জাতীয় দলে নিশ্চিত নয়।

    ২০১৫ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপে ব্যর্থতার পর মমিনুল ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সাথে মানিয়ে নিতে ব্যাটিং নিয়ে কিছু কাজ করেছিলেন, যা আসলে যথেষ্ট কাজে দেয়নি তার ব্যাটিং উন্নয়নে। বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিকেএসপির ক্রিকেট প্রধান নাজমুল আবেদীন ফাহিম বলেন, শর্ট ফরম্যাটে খেলার জন্য মমিনুল ব্যাটিং ভিত্তিতে কিছু মৌলিক পরিবর্তন আনে তাই তাকে আজ এই সমস্যায় পড়েতে হয়েছে।

    সে সময় মমিনুল হক টানা ১১টি টেস্ট ম্যাচে অন্তত এক ইনিংসে ৫০ এর বেশি রান করেছিলেন, এই রেকর্ডে মমিনুল হক ওয়েস্ট ইন্ডিজের ভিভ রিচার্ডস, ভারতের গৌতম গম্ভীর ও ভিরেন্দার সেহওয়াগের পাশে নাম লিখিয়েছিলেন, সবচেয়ে বেশি ছিল এবি ডি ভিলিয়ার্স ও জো রুটের টানা ১২ টেস্ট ম্যাচে অন্তত এক ইনিংসে ৫০।

    মমিনুল হকের গড় ২০১৪ সালেও ছিল ৫০ এর ওপর। তবে ২০১৫ সাল থেকে শুরু হয় মমিনুল হকের পারফরম্যান্সের ক্রমশ পতন। ২০১৫, ২০১৬ এবং ২০১৭ সালে কোনও সেঞ্চুরি করতে পারেননি এই বাঁহাতি ক্রিকেটার।

    বাংলাদেশের শীর্ষ ক্রিকেটারদের মেন্টর নাজমুল আবেদীন ফাহিমের মতে, এই সময়টায় মমিনুল নিজের আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছিলেন। ২০১৭ সালে মমিনুল হক জাতীয় দল থেকে প্রথমবারের মতো বাদ পড়েন, সেই সময় বাংলাদেশ দলের কোচ ছিলেন বর্তমানে কোচের দায়িত্বে থাকা চান্ডিকা হাথুরুসিংহে। তাই বর্তমান সময়টা মমিনুলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলছেন মি. ফাহিম।

    মমিনুল সম্প্রতি আফগানিস্তানের বিপক্ষে একটি শতক হাঁকিয়েছেন, এই শতকটি মমিনুলের জন্য স্বস্তির, কারণ তিনি হাথুরুসিংহের অধীনে এটা করেছেন, দ্বিতীয়ত ২০২১ সালের পর এটাই মমিনুলের প্রথম টেস্ট শতক। যদিও তিনিই বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি টেস্ট সেঞ্চুরির মালিক – ১২টি।

    কিন্তু ২০২২ সালে মমিনুলের পরিসংখ্যান এতোটাই দুর্বল ছিল যে, তার নামের পাশে সেঞ্চুরির সংখ্যা তখন আলোচনাতেই আসেনি।

    বাংলাদেশের হয়ে টেস্ট ক্রিকেটে অধিনায়কত্ব করা মমিনুল হক ২০২২ সালে এমন একটা সময় কাটিয়েছিলেন যেখান থেকে তার জাতীয় দলে ফেরাই কঠিন মনে হচ্ছিল একটা পর্যায়ে, সেখান থেকে মমিনুল হক ফিরেছেন ছয় ইনিংসে একটি ফিফটি ও একটি শতক দিয়ে। বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটে এখন মমিনুল হকের ১০ বছর চলছে।

    এই দশ বছরে উত্থান ও পতনের ভেতর দিয়ে গেছে তার ক্যারিয়ার।

    তবে সবচেয়ে বেশি নাটকীয় ছিল মমিনুলের ২০২২ সাল, এই সময়টায় তিনি রান পাননি একেবারেই, টানা ১১ ইনিংস মমিনুল হকের ব্যাটে এসেছে কেবলই এক অঙ্কের রান। সেই চাপ কিছুটা লাঘব হয়েছিল ভারতের বিপক্ষে মমিনুল হকের ৮৪ রানের একটি ইনিংসে।

    গত বছরের ডিসেম্বর মাসে মমিনুল হক জাতীয় দলে নিজের জায়গাটা ধরে রাখতে পেরেছেন এই এক ইনিংস দিয়েই।

    ২০২২ সালের শুরুটা তিনি করেছিলেন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৮৮ রানের একটি ইনিংস দিয়ে, শেষ করেছেন ভারতের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে ৮৪ ও ৫ করে।

    এর মাঝে মমিনুলের ওপর চাপ ছিল অধিনায়কত্বের, এরপর নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে টানা ব্যর্থ হয়েছেন ব্যাট হাতে, এই সময় মমিনুল হক মাত্র ১৩ গড়ে রান তুলেছিলেন। আফগানিস্তানের বিপক্ষে সাম্প্রতিক শতক তাই মমিনুলের জন্য একটা বাড়তি প্রেরণার উৎস, মমিনুল মনে করেন, তিনি চেষ্টা করেছেন নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী খেলার।

    শতক হাঁকানোর পর গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, “আমি খুব বেশি পরিবর্তন আনার চেষ্টা করিনি, আমি যেভাবে টেস্ট খেলি সেভাবেই করার চেষ্টা করেছি, আমার শক্তি যেখানে, সেখানেই জোর দিয়েছি”।

    তিনি বলেন, অধিনায়কত্ব না থাকলে একটা সুবিধা থাকে ‘এতো এতো চিন্তা করতে হয় না’।

    মমিনুল হক মনে করেন, “টেস্টে একটা সুবিধা থাকে যে সীমাবদ্ধতা থাকলেও সেগুলো নিয়ে কাজ করা যায়”।

    আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের রেকর্ড ব্যবধানে জয়ের ম্যাচে নাজমুল হোসেন শান্ত দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরি করেছেন, এর আগে এই রেকর্ড ছিল মমিনুলের। মমিনুল বলেন, “শান্ত বা লিটন যে ধরনের ব্যাটার দেখতে খুব সুন্দর লাগে। শান্ত খারাপ বল ছাড়ে না।”

    শান্ত ও লিটন দাসের সাথে নিজের তুলনা দিয়ে মমিনুল হক বলেন, আমার ধরনটা ভিন্ন, আমি চাইলেও এভাবে ব্যাট করতে পারবো না।

    নাজমুল আবেদীন ফাহিম ব্যাটার মুমিনুল হককে নিয়ে নিজের বিশ্লেষণে বলেন, ” প্রত্যেকের আলাদা ক্ষমতা ও দক্ষতা রয়েছে। মমিনুলেরও তাই। কিন্তু সে টেস্ট যখন শুরু করলো, ওয়ানডেতে সেই খেলা যথেষ্ট না, কিছু পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেছে, ফাউন্ডেশনে বদল এসেছে। এটা তাকে তেমন সুবিধা দেয়নি।”

    মমিনুলের ১০ বছরের টেস্ট ক্যারিয়ারের আরেকটা হাইলাইটস হলো ঘরে ও বাইরে টেস্ট পারফরম্যান্সের ফারাক।

    বাংলাদেশের মাটিতে মমিনুল হক:

    টেস্ট- ৩২, রান- ২৫৯৯, গড়- ৫০

    বাংলাদেশের বাইরে মমিনুল হক:

    টেস্ট- ২৫, রান- ১১৯২, গড়- ২৬।

    ২০১৯ সালে জুয়াড়ির সাথে কথোপকথন গোপন করার দায়ে সাকিব আল হাসানের শাস্তির কারণে মমিনুল হককে টেস্ট ক্রিকেটের অধিনায়কত্ব দেয়া হয়েছিল।

    সূত্র : বিবিসি বাংলা

  • এক হাজার কোটি টাকারও বেশি সম্পত্তির মালিক কোহলি

    এক হাজার কোটি টাকারও বেশি সম্পত্তির মালিক কোহলি

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক:  বিশ্বে তিন ফরম্যাটেই দক্ষ যে কয়জন ক্রিকেটার আছেন তাদের মধ্যে অন্যতম একজন বিরাট কোহলি। রান পেয়েছেন নিয়মিত। যদিও তিনি এখন দলের অধিনায়ক নন। ব্যাটে ইদানিং রান পাচ্ছেনা। তার পরেও বাণিজ্যিক আয়ের কারণে আর্থিকভাবে সবার চেয়ে এগিয়ে আছেন তিনি। সম্প্রতি একটি সমীক্ষা প্রকাশিত হয়েছে যেখানে দেখা গেছে কোহলির সম্পত্তি এক হাজার কোটি টাকারও বেশি। সবার মুখে প্রশ্ন কোথা থেকে এত টাকা আয় করেন তিনি?

    বেশির ভাগ টাকাই আসে স্পনসর এবং বিপণন থেকে। তবে ক্রিকেট থেকেও তাঁর আয় কম নয়। বোর্ডের বার্ষিক চুক্তিতে সর্বোচ্চ স্তরে রয়েছেন তিনি। প্রতি বছর সাত কোটি টাকা বেতন পান কোহলি। এ ছাড়া টেস্ট পিছু ১৫ লক্ষ, এক দিনের ম্যাচ পিছু ছয় লক্ষ এবং টি-টোয়েন্টি ম্যাচ পিছু তিন লক্ষ টাকা করে পান। আইপিএলের দল আরসিবি থেকে বছরে ১৫ কোটি টাকা করে পান। ক্রিকেট থেকে মোটামুটি এটাই কোহলির আয়।

    অন্যদিকে কোহলি প্রতিটি বিজ্ঞাপন শুট করার জন্যে সাড়ে সাত থেকে ১০ কোটি টাকা করে নেন । এটি এক দিনের রোজগার। শুটিংয়ের দিনের সংখ্যা বাড়লে টাকার অঙ্কও ততটাই বাড়ে। এই মুহূর্তে কোহলি ২৬টি সংস্থার প্রধান। বিজ্ঞাপন থেকে প্রতি বছর আনুমানিক ১৭৫ কোটি টাকা আয় করেন কোহলি।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকেও কোহলির আয় কম নয়। ইনস্টাগ্রামে প্রতিটি পোস্ট করার জন্যে কোহলি ৮.৯ কোটি টাকা করে পান। টুইটারে এই টাকার অঙ্ক আড়াই কোটি। দিল্লির এই ব্যাটার বিনিয়োগকারী হিসাবেও পরিচিত। পাঁচটি স্টার্ট-আপ রয়েছে তাঁর। দু’টি নামী রেস্তরাঁ এবং একটি বস্ত্রবিপণী রয়েছে। ছোটদের জামাকাপড়ের একটি দোকানও রয়েছে।

    বিভিন্ন ক্লাবেও কোহলির বিনিয়োগ রয়েছে। অতীতে আইএসএলের ক্লাব এফসি গোয়ায় বিনিয়োগ ছিল তাঁর। এ ছাড়া একটি টেনিস দল এবং একটি প্রো-রেসলিং দলেও তাঁর বিনিয়োগ রয়েছে। মুম্বইয়ে ৩৪ কোটি এবং গুরুগ্রামে ৮০ কোটি টাকার দু’টি বাড়ি রয়েছে কোহলির। আর এসব থেকেই কোহলির সম্পত্তি এক হাজার কোটি টাকারও বেশি

    সূত্র: আনন্দবাজার প্রত্রিকা