Category: লাইফস্টাইল

  • ঈদে ইজি ফ্যাশনের বর্ণিল শার্ট

    ঈদে ইজি ফ্যাশনের বর্ণিল শার্ট

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ৮ এপ্রিল, ২০২৪: রমজান শেষে ঈদের আনন্দে যদি নতুন শার্ট না থাকে তাহলে ঈদের আনন্দটাই যেন নিরানন্দ হয়ে যায়। আর এক্ষেত্রে যদি ডিজাইন আর রঙে বৈচিত্র্য ও ভিন্নতা থাকে তাহলে ঈদের আনন্দটা হয়ে উঠে আরেকটু বর্ণিল। আনন্দপ্রিয় ও ফ্যাশন সচেতন তরুণদের ঈদকে আরো রঙিন করে তুলতে শীর্ষস্থানীয় ফ্যাশন হাউজ ইজি তাদের ঈদের সমাহারে মনকাড়া ডিজাইনের শার্টের সন্নিবেশ ঘটিয়েছে। বাহারি ডিজাইনের বৈচিত্র্যময় নতুন নান্দনিক পোশাকে সব সময় নিজেদের ভিন্নতা তুলে ধরার লক্ষ্যে এবারের ঈদেও ইজি তাদের স্বকীয়তা বজায় রেখে  রং ছড়িয়েছে নতুন ও মনকাড়া ডিজাইনের শার্টে। ফ্যাশন প্রিয়দের মন রাঙাতে  আকর্ষণীয় সব পোশাক ও ফ্যাশন অনুষঙ্গে সেজেছে দেশীয় ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রির এই মুহূর্তেও সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্র্যান্ড “ইজি” ফ্যাশন হাউসের  আউটলেটগুলো। ছেলেদের ফ্যাশনে এক্সক্লুসিভ কালেকশনে  বরবারই একধাপ এগিয়ে ইজি।

    সব ধরনের ক্রেতাদের  কথা মাথায় রেখেই  তাদের ঈদ  আয়োজন। এবারের ঈদে বাহারি সব ডিজাইন কালেকশন রয়েছে  ইজি শোরুম গুলোতে  । এবারের বিশেষ আয়োজন  থাকছে নতুন  নতুন ডিজাইনের সব শার্ট। অসংখ্য নতুন ডিজাইনের টি- শার্ট, পলো -শার্ট, ফরমাল শার্ট,ক্যজুয়াল শার্ট, পাঞ্জাবি, , কটি,  কাবলি পাঞ্জাবি  প্যান্ট ইত্যাদি।

    ইজির স্বত্তাধিকারী ও ডিজাইনার  তৌহিদ চৌধুরী বলেন, শুধু মুনাফা নয় কাস্টমারদের সেবা দেওয়া মূল লক্ষ্য। ঢাকা ছাড়া ও আমাদের বাংলাদেশের সকল জেলাতেই ইজির শো-রুম রয়েছে।

    https://www.facebook.com/easyfashionltd.bd?mibextid=ZbWKwL

  • ঈদের ডেজার্ট: অরেন্জ ব্রেড মালাইকারি

    ঈদের ডেজার্ট: অরেন্জ ব্রেড মালাইকারি

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ৮ এপ্রিল, ২০২৪: চলে এসেছে মুসলিম উম্মার সবচেয়ে বড় উৎসব ঈদুল ফিতর। এই দিনে ডেজার্ট কিন্তু  থাকতেই হয় টেবিলে। ডেজার্ট খেয়ে নামাজে যাওয়াটা সুন্নাহ। এবারের ঈদে একটি মজার ডেজার্ট টেবিলে রাখতে পারেন যার নাম   অরেন্জ ব্রেড মালাইকারি।

    Culinary Artist - Jinia Islam (2)
    Culinary Artist – Jinia Islam (2)

    উপকরণ:

    ব্রেডপিস -৫/৬ টা, দুধ-এক কাপ, চিনি-২ টেবিলচামচ‍, গুড়াদুধ-হাফ কাপ, ঘি-২চা চামচ, কমলার রস-২ টেবিলচামচ, ফুড কালার-১ ড্রপ, দুধ-৪ কাপ, গুড়া দুধ-এক কাপ, কনডেনস্ড মিল্ক-৩ টেবিল চামচ, হুইপড ক্রিম-হাফ কাপ, চিনি-১ টেবিল চামচ, অরেন্জ এসেন্স-১ ড্রপ, পেস্তা বাদাম, আমন্ড, কাঠ বাদাম

     

    প্রস্তুত প্রণালি :

    প্রথমে ব্রেডের ভিতরের মালাই  তৈরির জন্য এক কাপ দুধ জাল করে তাতে চিনি, গুড়া দুধ, একটু  কমলা ফুড কালার এবং কমলার রস বা এসেন্স দিয়ে চুলায় দিয়ে নাড়তে থাকবো ভালো করে যেন দলা পেকে না যায়। ঘন হলে এলে তাতে ঘি দিয়ে নেড়ে নামিয়ে ঠান্ডা করে নিতে হবে। এখন ব্রেড পিস গুলোকে বেলুনি দিয়ে বেলে ফ্ল‍্যাট করে নিতে হবে। ব্রেডেরর মধ‍্যে দুধের মালাই পুর করে ব্রেড রোল করে নিবো।

    এখন প‍্যানে দুধ জাল করে চার কাপ দুধ দুই কাপ করে নিবো। গুড়া দুধ, কন্ডেসন্ড মিল্ক, চিনি দিয়ে ভালো করে নেড়ে চুলায় দিবো। দুধ ঘন হয়ে এলে হুইপ ক্রিম দিয়ে ভালো করে নেড়ে  একটু অরেন্জ এসেন্স দিয়ে নামিয়ে ব্রেড রোলের উপরে ঢেলে দিবো গরম গরম। এই দু টা ব্রেডের উপরে গরম ই ঢালতে হবে।

    ঢেকে রাখবো। পরে সব বাদাম কুচি ও কমলার খোসা  কুচি করে ছিটিয়ে দিবো সাথে শুকনো গোলাপের পাপড়ি। হয়ে গেলো দারুন মজার অরেন্জ ব্রেড মালাইকারি।

     

    রন্ধন শিল্পী: জিনিয়া ইসলাম

  • ঈদের রান্না: ঘি চপ

    ঈদের রান্না: ঘি চপ

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল  – ৭ এপ্রিল, ২০২৪: ঈদ এসেই গেলো। আর এই ঈদে আপনার ঘরে ডাইনিং এ থাকতে হবে মজার মছার রেসিপি। তাই এবারের ঈদে আপনাদের জন্য  থাকছে মজার ঘি চপ। চলুন কিভাবে ঘি চপ বানানো যায় সেটাই দেখি।

    Recipe - Shanta Islam (2)
    Recipe – Shanta Islam (2)

    উপকরণ:

    চিকেন কিমা-২ কাপ,  সিদ্ধ আলু-৩ কাপ, বিস্কুটের গুঁড়া-৩ কাপ, কাঁচা মরিচ কুচি-২ টেবিল চামচ, ধনেপাতা কুচি -১/২ কাপ , পেঁয়াজ কুচি-১ কাপ, ভাজা জিরা গুড়া-১/২ চা,চামচ, পেঁয়াজ বেরেস্তা-১/২ কাপ, লবণ-পরিমাণ মতো, কালো গোলমরিচ গুঁড়া-১/২ চা চামচ, ঘি-১/২ কাপ, ডিম-৩ টি, লিকুইড দুধ-     ১/৩ কাপ, ময়দা-২ টেবিল চামচ, ঘি-১১/২ চা চামচ।

     

    প্রস্তুত প্রণালী :

    প্রথমে একটি ফ্রাই প্যানে ঘি , লবণ চিকেন কিমা দিয়ে রান্না করতে হবে। যখন একটু কালার চলে আসবে তখন এর মধ্যে পেঁয়াজ কুচি, কাঁচামরিচ কুচি, ধনেপাতা কুচি দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে নামিয়ে নিতে হবে। এবার আরেকটি প্যানে ঘি আর ময়দা দিয়ে ভালো করে ভেজে নেব। ময়দার কাঁচা গন্ধ চলে গেলে এর মধ্যে লিকুইড দুধ দিয়ে নেড়ে, এর মধ্যে চিকেন কিমা আর একদমই অল্প পানি দিয়ে রান্না করবো, পানি শুকিয়ে এলে নামিয়ে নেব। এবার একটি বোলে মেশ করা সিদ্ধ আলু, ঘি, জিরা গুড়া, গোল মরিচ গুঁড়া, পেঁয়াজ বেরেস্তা, পরিমাণ মতো লবণ দিয়ে , ভালো করে মাখিয়ে, চপের মত শেপ দিয়ে এর ভিতরে চিকেনের পুর ভরে চপ বানিয়ে নিতে হবে। এরপর বিস্কুটের গুঁড়ার সাথে কোট করে, ফেটানো ডিমে চুবিয়ে আবার বিস্কুটের গুঁড়ায় কোট করে, ডুবো তেলে ভেজে পরিবেশন করুন গরম গরম মজাদার  “ঘি চপ”। এই মজার চপ টি আপনি ঈদে পোলাও বা বিরিয়ানির সাথে সার্ভ করতে পারেন।

    রেসিপি দিয়েছেন: শান্তা ইসলাম

  • জেন্টল পার্কের ঈদের পোশাক

    জেন্টল পার্কের ঈদের পোশাক

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল  – ৭ এপ্রিল, ২০২৪: ঈদে চলতি ধারার পাশাপাশি অনেকে ঐতিহ্য ও আধুনিকতা একসঙ্গে ধারণ করতে চান। পোশাকের কাট, প্যাটার্ন ও নকশার সমন্বয়ে তাই গুরুত্ব থাকে ক্রেতা চাহিদার। এই প্রেক্ষিতে এবারের ঈদে জেন্টল পার্কের পোশাকের মূল বিষয় ফেস্টিভ মুডে আভিজাত্য। সময়টা ঝাঁঝালো গরম হওয়ায় তাই কাপড় ও রংয়ে পেয়েছে বিশেষ গুরুত্ব।  রুচিশীল ও ট্রেন্ডি পোশাক, প্যাটার্নে আনা হয়েছে ভিন্নতা, থাকছে দেশি ঘরানার ফিউশনও। মোটিফের সঙ্গে মিলিয়ে নানা রঙের ফেব্রিক ও স্টাইলিংয়ের সমন্বয় সমৃদ্ধ করেছে জেন্টল পার্কের এবারের ঈদ আয়োজন। মুসলিম নারীদের পোশাকের সংযমী ক্সবশিষ্ট্যকে প্রাধান্য দিয়ে আরাম, সহজে পরিধানযোগ্য ও অভিজাত মডেস্ট পোশাক সংগ্রহও থাকছে জেন্টল পার্কে।

    অন্যদিকে, সকালে নামাজ থেকে শুরু করে সারা দিনের ঘোরাঘুরি-আড্ডা এবং রাতে ঈদের পার্টিতে অংশ নেবার পাঞ্জাবিতেও থাকছে কাট ক্সবচিত্র্য এবং ভ্যালু এডিশন। উৎসবের পোশাকসংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নিয়ে ফ্যাশন ব্র্যান্ড জেন্টল পার্কের চেয়ারম্যান ও চিফ ডিজাইনার শাহাদাৎ চৌধুরী বাবু জানান, “শুধু পোশাকের ম্যাটেরিয়াল নয়, পোশাকের নকশা ও কাটিং সবকিছুতেই থাকছে উপমহাদেশীয় ফিউশন ও দেশীয় আবহের নিরীক্ষাধর্মী উপস্থাপনা। ঈদে থাকছে বিভিন্ন ডিজাইনের নিট, ওভেন ও  ফ্যাশন এক্সেসরিজ পণ্য। গরমের কারণে রঙ ও উৎসব ভিত্তিক পোশাকে দেয়া হয়েছে বিশেষ যত্ন। এসব রেডি টু ওয়ার আপনাকে দিবে সামারে সাতন্ত্র্য লুক। পাশাপাশি জেন্টল পার্কের ফরমাল বা ক্যাজুয়াল রেডি টু ওয়ারগুলো ঈদ বাদেও পরা যাবে বছরজুড়েই।”

    উল্লেখ্য, ঈদ উৎসবে দেশীয় পোশাক কেনাকাটাতে আগ্রহ বাড়াতে জেন্টল পার্কের দেশজুড়ে থাকা ৫২টি স্টোরে থাকছে বিভিন্ন ব্যাংক কার্ডে ক্যাশবাকসহ অনলাইন কেনাকাটাতে মূল্যছাড় সুবিধাও। এ ছাড়া পাশ্চাত্য ঘরনার পোশাকের ক্ষেত্রে ছেলেদের পোলো টি-শার্ট, ক্যাজুয়াল শার্ট, জিনসসহ স্টাইলিশ সব পোশাকও রয়েছে। মেয়েদের পোশাকেও ওয়েস্টার্ন প্যাটার্নের টপস, টিউনিক, কামিজ, কর্ডস, লেয়ারিং জামা, বটম কালেকশন দিয়ে নিজেদের ঈদ ও গরমের সংগ্রহ সাজিয়েছে ব্র্যান্ডটি। ফ্যাশনিস্তাদের ঈদের সকল পোশাক বা পণ্যের হালনাগাদ তথ্য মিলবে জেন্টল পার্কের ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজ ও ওয়েব সাইটে। সারাদেশের স্টোরের পাশাপাশি ঈদ

    পণ্য অর্ডার করা যাবে ১০% মূল্যছাড়ে অনলাইনে। ঠিকানা : www.gentlepark.com

     

    ডিজাইন ও প্রডাক্ট লাইন, পণ্য বিপণন, ঈদ অফার নিয়ে বিস্তারিত জানতে হোয়াটস আপে যোগাযোগ : ০১৯১১৬২৮০৯৯

  • ঈদের রান্না : চিকেন মালাই কাবাব

    ঈদের রান্না : চিকেন মালাই কাবাব

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ৬ এপ্রিল, ২০২৪: রমজান মাস শেষ হলে আসবে আমাদের সবেথেকে বড় উৎসব ঈদ। ঈদের দিনটিতে প্রতিটি বাড়িতে আয়োজন করা হয় মজাদার খাবার। আজ একটি ঈদের খাবারের রেসিপি দেওয়া হলো। আপনি ইচ্ছা করলেই বাসায় তা রান্না করতে পারেন।

    Recipe Jahanara Akhtar Neela (2)
    Recipe Jahanara Akhtar Neela (2)

     

    উপকরণ

    চিকের-২৫০ গ্রাম, আদা রসুন বাটা-২ চা চামচ, কাবাব মসলা-১ চা চামচ, সাদা গোল মরিচ গুড়া-হাফ চা চামচ, ডানো ক্রিম-হাফ কাপ, ভাজা বেসন-প্রয়োজন মতো, কাসুরি মেথি-হাফ চা চামচ, গুড়া দুধ-দুই টেবল চামচ, লবন, চিনি-স্বাদ মতো, চিকেন পাউডার-২ চা চামচ, লেবুর রস-২ চা চামচ, টক দই-৩ চা চামচ, ভাজা জিড়া গুড়া-হাপ চা চামচ, ভাজা ধনিয়া গুড়া-হাফ চা চামচ এবং বাটার পরিমান মতো।

     

    প্রস্তুত প্রণালী :

    চিকেন এর সাথে সকল উপকরন এক সাথে ভালো ভাবে মেখে মেরিনেট করে ওভার নাইট রাখুন, বাটার ছাড়া,। সাসলিক এর কাঠিতে চিকেন এর পিস গুলি গেথে নিতে হবে, হাল্কা আগুনে বাটার ব্রাশ করে কাবাব এর সিক গুলি দিয়ে এ পিট ও পিট করে ভেজে নিতে হবে। ভাজা শেষ করে একটা স্টিল এর বাটিতে কয়লা গরম করে তাতে ঘি এড করে স্মোকি একটা ফ্লেবার দিতে পারেন।  তৈরি হয়ে গেলো আমার চিকেন মালাই কাবাব।

    রেসিপি দিয়েছেন: জাহানারা আকতার নীলা

  • লা রিভের ঈদ পোশাক

    লা রিভের ঈদ পোশাক

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল  – ৬ এপ্রিল, ২০২৪: ইন্ডালজেন্স শিরোনামে ঈদের অভিজাত কালেকশন লঞ্চ করেছে দেশের ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড লা রিভ। ব্র্যান্ডটির এক্সক্লুসিভ লেবেল নার্গিসাসে যুক্ত হয়েছে অভিজাত পার্টি পোশাকের নজরকাড়া সব ডিজাইন। নারী, পুরুষ, টিন, কিড ও নিউবর্ন- পরিবারের সবার জন্যই ঈদের সবচেয়ে ট্রেন্ডি স্টাইল যোগ হয়েছে ঈদ কালেকশনে।

    আভিজাত্যে সিল্ক ও মসলিনের ব্যবহার চিরায়ত। লা রিভ ঈদ কালেকশনে মসলিন, সিল্কের পাশাপাশি ক্রেপ, সিল্ক ও ভিসকোস-ব্লেন্ড, অরগাঞ্জা, ভিসকোস, ফেইলি, স্ট্রেচড-ফেইলি, প্রিমিয়াম কটন, জর্জেট, ক্রেপ জর্জেট, রামি, স্লাব কটন কাপড় ব্যবহার করা হয়েছে। কারচুপি, এম্ব্রয়ডারি, স্ক্যালোপ, কাটওয়ার্ক, লেজার কাট, প্যাচওয়ার্ক, ফয়েল প্রিন্টের রুচিশীল ব্যবহার পোশাকগুলিতে উৎসবের আমেজ নিয়ে এসেছে। প্রিন্ট-স্টোরিতে এবার প্রাধান্য পেয়েছে টার্কিশ মোটিফ ও ইসলামিক প্যাটার্ন।

    নারীদের জন্য পার্টি, এথনিক ও ক্যাজুয়াল সব ধরনের অনুষ্ঠান উপযোগি থাকছে এই কালেকশনে। পুরুষদের জন্য রয়েছে প্ল্যাকেটে মিনিমাল ও ভারি কাজ করা পাঞ্জাবি, শার্ট, পোলো ও টিশার্ট এবং ডেনিম ও প্যান্ট পাজামার নতুন ডিজাইন। ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেটসহ সব আউটলেটে পাওয়া যাবে। ঘরে বসেও লা রিভের অনলাইন থেকে কেনা যাবে।

  • নিয়মিত কয়েকটি ব্যায়াম করলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ানো যায়

    নিয়মিত কয়েকটি ব্যায়াম করলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ানো যায়

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল  – ৬ এপ্রিল, ২০২৪: মানুষের জীবনে কখনও কখনও এমন অবস্থার সৃষ্টি হয় যখন সে অনেক কিছুর মনে রাখতে পারে না। বয়সের সাথে সাথে আমাদের স্মৃতিশক্তি লোপ পায়। তবে আশার কথা হচ্ছে, মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কয়েকটি কৌশন ও ব্যায়াম করলে ফিরিয়ে আনা যায়। এই নিয়মগুলো মানলে আপনিও আপনার স্মৃতিশক্তি সতেজ রাখতে পারবেন। এই ধরণের ৮ টি ব্যায়ামের কথা এখানে তুলে ধারা হলো।

     

    ১. ব্যায়াম:

    শরীর চর্চা বা ব্যায়াম করলে আমাদের মস্তিষ্কের উন্নতি ঘটে। ব্যায়ামের কারণে মস্তিষ্কের সাইন্যাপসিস বা যে অংশে দু’টি কোষের নিউরনের মধ্যে স্নায়বিক বৈদ্যুতিক স্পন্দন আদান-প্রদান ঘটে তা বেড়ে যায়। ফলে মস্তিষ্কে আরও বেশি যোগাযোগ স্থাপিত হয় এবং অতিরিক্ত কোষ গঠিত হয়।

    হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকার মানে হচ্ছে আপনি আরও বেশি অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারবেন এবং শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে পারবেন। আর আপনি যদি বাসার বাইরে বা খোলা যায়গায় শরীর চর্চা করেন তাহলে সেটি আরও বেশি ভালো। কারণ এতে করে আপনি বেশি পরিমাণে ভিটামিন ডি শোষণ করতে পারবেন।

    ব্যায়াম করার সময় নতুন কোনও পরিবেশ ঘুরে দেখুন। এতে অন্য মানুষের সাথে মতামত বিনিময় করা কিংবা তাদের কাছ থেকে নতুন কিছু শেখার সুযোগ হয়। এর মাধ্যমে নতুন কোষগুলোর জন্য আপনি একটি সার্কিট তৈরি করতে পারবেন। যেমন, আপনি যদি বাগান করতে পছন্দ করেন, তাহলে একা বাগান না করে কোনও একটি গ্রুপের সাথে যুক্ত হয়ে বাগান করতে শুরু করুন কিংবা আপনার যে শখটি আছে তা একা একা না করে একই শখ রয়েছে এমন একটি গ্রুপের সাথে যুক্ত হয়ে যান। এতে নতুন বন্ধু তৈরি হবে।

    শুধু মনে রাখবেন, আপনাকে একটি ভালো সময় কাটাতে হবে। কোন কিছু শেয়ার করার ইচ্ছা বা ভাগাভাগি করার ইচ্ছা মস্তিষ্কে সামাজিক মিথষ্ক্রিয়া ও ব্যায়ামের উপকারিতা বাড়িয়ে দেয়।

     

    ২. চলতি পথে মুখস্থ করা:

    চলতি পথে মুখস্থ করার অভ্যাস বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণিত এবং অভিনেতারা এই বিষয়টির চর্চা করেন। বলা হয় যে, আপনি চলার পথে যদি নতুন কোনও শব্দ বা নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করেন তাহলে সেটি বেশি মনে থাকে। ভবিষ্যতে যদি আপনাকে কোনও প্রেজেন্টেশন বা কোনও বক্তব্য দিতে হয় তাহলে আপনি হাঁটতে হাঁটতে সেটি পড়ে দেখতে পারেন। এমনকি মস্তিষ্ককে মনে রাখতে সাহায্য করতে নাচানাচিও করে দেখতে পারেন।

     

    ৩. সঠিক খাবার খান:

    আপনি যে পরিমাণ শক্তি ও গ্লুকোজ গ্রহণ করেন তার ২০ শতাংশ সরাসরি আপনার মস্তিষ্কে যায়। এ কারণে আপনার মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা নির্ভর করে দেহের গ্লুকোজের পরিমাণের উপর। আপনার দেহের গ্লুকোজের মাত্রা যদি নিয়ন্ত্রণে না থাকে তাহলে আপনার মন ও মস্তিষ্ক অনেকটাই কুয়াশাচ্ছন্ন বা ঝাপসা মনে হতে পারে। আমরা যখন পছন্দের খাবার খাই তখন আমাদের মস্তিষ্কে ডোপামিন নামে এক ধরনের রাসায়নিক নির্গত হয়। এর কারণে আমরা খাওয়ার সময় শান্তি অনুভব করি। কিন্তু শুধু মস্তিষ্কের ক্ষুধা মেটালেই চলে না, পেটের ক্ষুধাও মেটানো দরকার।

    মানুষের পরিপাকতন্ত্রে প্রায় ১০০ ট্রিলিয়ন অণুজীব থাকে। এরা স্নায়ু ব্যবস্থার মাধ্যমে মস্তিষ্কের সাথে যুক্ত থাকে। আর তাই মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখতে হলে এসব অণুজীবের একটা ভারসাম্য রাখতে হয়। পেটকে বলা যায় ‘দ্বিতীয় মস্তিষ্ক’। স্বাস্থ্যকর ও বৈচিত্র্যপূর্ণ খাবার এসব অণুজীবের মাত্রা ঠিক রাখে এবং মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখে। মস্তিষ্কের কোষ চর্বি দিয়ে গঠিত। তাই খাবার থেকে চর্বি একেবারে বাদ দেয়াটা ঠিক নয়। বিভিন্ন রকমের বাদাম, বীজ, অ্যাভোকাডো, মাছ, রোজমেরি ও হলুদ থেকে প্রাপ্ত ফ্যাটি অ্যাসিড মস্তিষ্কের জন্য ভালো। একই সাথে একা একা না খেয়ে অনেকের সাথে মিলে খাওয়ার চেষ্টা করুন। সামাজিকীকরণ আপনার মস্তিষ্কে স্বাস্থ্যকর খাবারের সুফল বাড়িয়ে দেয়।

     

    ৪. বিরতি নিন:

    কিছু চাপ বা স্ট্রেস থাকাটা সবসময়ই দরকার কারণ এটি আমাদের জরুরি অবস্থায় দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখাতে সহায়তা করে। এটি কর্টিসল নামে এক ধরনের হরমোনের নিঃসরণকে সহায়তা করে যা সাময়িকভাবে আমাদেরকে উজ্জীবিত করে এবং কোনও কিছুর উপর মনোযোগ দিতে সাহায্য করে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তা এবং অতিমাত্রায় অস্বস্তিকর চাপ আমাদের মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর। আর এ কারণেই সময় মতো বিরতি নেয়া এবং আমাদের মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দেয়াটা জরুরি।

    তাই সবকিছু থেকে সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে বিরতি নেয়ার অর্থ হচ্ছে, আপনি আপনার মস্তিষ্কের ভিন্ন একটি অংশ ব্যবহার করছেন। আমাদের মস্তিষ্কে স্বাভাবিকভাবে একটি নিউরাল নেটওয়ার্ক থাকে যার কাজ হচ্ছে মানুষকে কল্পনা করার ক্ষমতা বা দিবাস্বপ্ন দেখার সক্ষমতা দেয়া। স্মৃতি ধরে রাখার জন্য এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সবকিছু থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে বিরতি নেয়ার মাধ্যমে আমরা আমাদের মস্তিষ্কের এই অংশকে সক্রিয় করি এবং সেটিকে কাজ করার সুযোগ করে দেই।

    যদি আপনার সবকিছু থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া এবং মস্তিষ্ককে শান্ত করাটা কঠিন মনে হয়, তাহলে ধ্যান করার মতো কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করে দেখতে পারেন। ধ্যান স্ট্রেস হরমোনের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করে।

     

    ৫. নতুন চ্যালেঞ্জ নিন:

    মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়ানোর একটি ভালো উপায় হচ্ছে একে কোনও একটা চ্যালেঞ্জ দেয়া, যেমন, নতুন কিছু শেখা। আর্ট ক্লাসে অংশ নেয়া কিংবা নতুন কোনও ভাষা শেখার মতো কাজ আপনার মস্তিষ্কের স্থিতিস্থাপকতা বাড়ায়।

     

    এর অংশ হিসেবে আপনি আপনার পরিবার কিংবা বন্ধুদের সাথে মিলে কোনও একটি অনলাইন গেম শুরু করতে পারেন। এটা শুধু আপনার জন্য একটা চ্যালেঞ্জই হবে না; অন্যদের সাথে প্রতিযোগিতার মানে হচ্ছে আপনার সামাজিক মিথষ্ক্রিয়া বাড়বে। আর সামাজিক মিথষ্ক্রিয়ার মাধ্যমে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করাটা মস্তিষ্কের সক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

     

    ৬. গান শুনুন:

    সঙ্গীত মস্তিষ্ককে অসাধারণ উপায়ে উদ্দীপিত করে। আপনি যদি গান শোনার সময় কিংবা বাদ্য যন্ত্র বাজানোর সময় কারও মস্তিষ্কের চিত্র দেখেন তাহলে দেখবেন যে তার মস্তিষ্কের সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

    গান সাধারণ বোধশক্তি ও স্মৃতিকে শক্তিশালী করে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত রোগীরাও সবার শেষে যা ভুলে যায় তা হচ্ছে গান। তাই নিজে গান করুন বা গান শুনুন।

     

    ৭. পড়া এবং ঘুম:

    আপনি যদি দিনের বেলায় নতুন পড়েন তাহলে, আপনার মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষগুলোর মধ্যে এক ধরনের সংযোগ স্থাপিত হয়। আর আপনি যখন ঘুমিয়ে যান তখন ওই সংযোগ শক্তিশালী হয় এবং আপনি যা শিখেছেন তা স্মৃতিতে পরিণত হয়।

    এ কারণে স্মৃতির জন্য ঘুম খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

    এ কারণে আপনি যদি কাউকে ঘুমানের আগে কোনো কিছু মুখস্থ করতে দেন তাহলে পরের দিন সকালেও সেটি আরো ভালভাবে মনে করতে পারবেন। কিন্তু কাউকে যদি আপনি সকালে কোনো কিছু মুখস্থ করতে দেন এবং সন্ধ্যায় সেটি মনে করতে বলেন তাহলে তারা সেটি তেমন ভালোভাবে মনে করতে পারবে না।

    তাই আপনি যদি কোন পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকেন তাহলে ঘুমাতে যাওয়ার আগে প্রশ্নের উত্তরগুলো মাথায় একবার ঝালিয়ে নিন। আর আপনি যদি কোন বেদনাদায়ক ঘটনার শিকার হয়ে থাকেন তাহলে ঘুমাতে যাওয়ার আগে সেটি মনে করা থেকে বিরত থাকুন। কারণ তাহলে এটি আপনার ওই স্মৃতিকে শক্তিশালী করতে পারে এবং এ সম্পর্কিত নেতিবাচক আবেগ বাড়তে পারে।

    একই কারণে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ভয়ঙ্কর মুভি কিংবা গল্প শোনা থেকে বিরত থাকুন। এর পরিবর্তে দিনের বেলায় আপনি যেসব ভাল বা সুখকর অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন সেগুলো মনে করার চেষ্টা করুন। যাতে করে আপনার মস্তিষ্ক ওই ভাল স্মৃতিতে আটকে থাকে।

     

    ৮. ভালোভাবে জেগে উঠুন:

    ঘুম যেমন স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তেমনি আপনি কীভাবে ঘুম থেকে জেগে উঠছেন সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আপনি দিনের বেলায় কতটা সচেতন ও চাঙ্গা থাকবেন তা নির্ভর করবে আপনি কীভাবে ঘুম থেকে জেগে উঠছেন তার উপর । সাধারণত অন্ধকার ঘরে ঘুমানো উচিত এবং আলো বাড়ার সাথে সাথে ধীরে ধীরে জেগে উঠা উচিত। সাধারণত ভোর বেলা এ ধরণের পরিস্থিতি থাকে।

    সূর্যের আলো বন্ধ চোখের পাতার ভেতর দিয়ে গিয়ে মস্তিষ্ককে প্রস্তুত করে জেগে উঠার জন্য। যাতে করে কর্টিসল হরমোনের নিঃসরণ পর্যাপ্ত হয়। কারণ আপনার দেহে এই হরমোনের মাত্রাই ঠিক করে যে আপনার মস্তিষ্ক সারাদিন কতটা কার্যক্ষম থাকবে। এক্ষেত্রে আপনি এমন একটি অ্যালার্ম সিস্টেম কিনতে পারেন যেটি ভোর হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি করে বা ধীরে ধীরে আলো বাড়ায় এবং আপনি স্বাভাবিকভাবেই জেগে উঠতে পারেন।

    আর যাদের ঘুম অনেক গভীর হয় তারা এই আলোর সাথে যাতে শব্দ থাকে সেটিও খেয়াল রাখুন।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • নিত্য উপহারের টি-শার্টের প্রাপ্ত অর্থ দেওয়া হবে ‘হেল্প গাজার’ তহবিলে

    নিত্য উপহারের টি-শার্টের প্রাপ্ত অর্থ দেওয়া হবে ‘হেল্প গাজার’ তহবিলে

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ৫ এপ্রিল, ২০২৪: নিত্য উপহারের মাধ্যমেই বাংলাদেশে টি-শার্ট জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।এই হাউসটির নিত্য নতুন ডিজাইন ভাবনা প্রকাশ পেয়েছে আধুনিক আঙ্গিকের টিশার্টে।এখানে ব্যবসায়িক দিকটি প্রাধান্য না দিয়ে একজন ডিজাইন শিল্পীকে প্রতিষ্ঠিত করার প্রয়াসে নিত্য উপহারের অবদান অনেক।নিত্য উপহার বাংলাদেশে টি-শার্ট শিল্পকে একেবারে দেশীয় ঘরানায় মোড় দিয়েছে। একটি পশ্চিমা পোশাকের ওপরও কীভাবে দেশি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ফুটিয়ে তোলা যায়, তা দেখিয়ে দিয়েছে ফ্যাশন হাউজ ‘নিত্য উপহার’। এই কারণে ব্যতিক্রমী একটি ধারার সৃষ্টি হয়েছে নিত্য উপহারের মাধ্যমে। এই ধারাবাহিকতায় এবার আনা হয়েছে এক ভিন্ন প্রকাশ ‘অ্যারন বুশনেল স্ট্রিট, প্যালেস্টাইন’ টি-শার্ট । তার থেকে প্রাপ্ত আয় ‘হেল্প গাজা’ তহবিলে দেয়া হবে। বড়দের জন্য এই টি-শার্ট, ডিজাইন করেছেন শিল্পী রাইয়ান রহমান। দাম ৪৪০ টাকা।

    Daily Gift T-Shirt - Lifestyle - 5 April 2024 (2)
    Daily Gift T-Shirt – Lifestyle – 5 April 2024 (2)

    এছাড়া ঈদ উৎসবে সবার জন্য ১০০ ভাগ কটন নতুন নতুন ডিজাইনের টি-শার্ট পাওয়া যাচ্ছে। টিশার্টের সাইজ, পরিমাণ, ঠিকানা ও ফোন নাম্বার আমাদের জানালে, আপনার সাথে ফোনে কথা বলে কুরিয়ারে টিশার্ট পাঠিয়ে দেয়া যাবে। এছাড়া সরাসরি ওয়েবসাইট থেকেও অর্ডার করতে পারবেন।https://nityaupahar.shop/product…/new-arrival-half-sleeve/

  • এই গরমে সজীব থাকুন এই ১০ টি নিয়ম মেনে

    এই গরমে সজীব থাকুন এই ১০ টি নিয়ম মেনে

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ৪ এপ্রিল, ২০২৪: জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বৈশাখ শুরুর দশ দিন আগে থেকেই দেশে শরু হয়েছে প্রচন্ড তাপমাত্রা। মঙ্গলবার ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি। বুধবার দুপুর দুইটায় ঢাকায় তাপমাত্রা ছিল ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যদিও আর্দ্রতার কারণে বাস্তবে গরম ছিল আরো বেশি। আজ বৃহস্পতিবার রাজশাহীর তাপমাত্রা ছিল ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    এদিকে আবহাওয়া দপ্তর বলছে, ১৮ থেকে ২০ এপ্রিলের মধ্যে তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময় নিজেকে সুস্থ রাখতে এই নিয়মগুলো পালন করুন। কেননা এই ধরণের গরমে সতর্ক থাকলে অনেক বিপদ থেকে মুক্ত থাকা যায়।

     

    এই গরমে মেনে চলুন এই দশটি নিয়ম

    ১. সূর্যের আলো এড়িয়ে চলা:

    সকাল ১২টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত রোদের তীব্রতা বেশি থাকে। এ সময় জরুরি কাজ না থাকলে বাইরে বের না হওয়াটাই ভালো।

     

    ২. ছাতা ব্যবহার:

    বাইরে বের হলে অবশ্যই ছাতা ব্যবহার করা, যাতে সরাসরি রোদের মধ্যে থাকতে না হয়। এ সময় চওড়া কিনারাযুক্ত টুপি, ক্যাপও ব্যবহার করা যেতে পারে। যারা মাঠেঘাটে কাজ করেন, তারা মাথায় ‘মাথাল’ জাতীয় টুপি ব্যবহার করতে পারবেন, যা তাদের রোদ থেকে রক্ষা করবে।

     

    ৩. বেশি করে পানি পান করা:

    গরমে ঘাম হয়ে শরীর থেকে প্রচুর পরিষ্কার পানি বের হয়ে যায়, তখন ইলেট্রোলাইট ইমব্যালান্স তৈরি হতে পারে। এ কারণে এই সময়টাতে প্রচুর পানি পান করতে হবে। লবণ মিশিয়ে পানি পান করতে পারলে আরো ভালো। ফলের জুস খাওয়া শরীরের জন্য ভালো, তবে এ জাতীয় জুস খাওয়ার সময় দেখে নিতে হবে সেটি পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত পানি দিয়ে তৈরি কিনা। খোলা, পথের পাশের দুষিত পানি বা সরবত এড়িয়ে চলতে হবে।

     

    ৪. সূতির কাপড় পরতে হবে:

    গরমের এই সময়টায় জিন্স বা মোটা কাপড় না পরে সুতির নরম কাপড় ব্যবহার করতে হবে। এ ধরণের কাপড়ে অতিরিক্ত ঘাম হবে না এবং শরীর ঠাণ্ডা রাখতে সহায়তা করবে। গরমের সময় কালো বা গাঢ় রঙের কাপড় এড়িয়ে সাদা বা হালকা রঙের কাপর পরিধান করা ভালো, কারণ হালকা কাপড় তাপ শোষণ করে কম।

     

    ৫. সঠিক জুতা নির্বাচন:

    গরমের সময় খোলামেলা জুতা পরা উচিত, যাতে পায়ে বাতাস চলাচল করতে পারে।কাপড় বা সিনথেটিকে বাদ দিয়ে চামড়ার জুতা হলে ভালো, কারণ এতে গরম কম লাগে। সম্ভব হলে মোজা এড়িয়ে চলা যেতে পারে।

     

    ৬. ভারী ও ফাস্টফুড এড়িয়ে চলুন:

    এ জাতীয় খাবার হজম করতে সময় বেশি লাগে। ফলে সেটি শরীরের ওপর বাড়তি চাপ ফেলে এবং শরীরের উষ্ণতা বাড়িয়ে দেয়। বিশেষ করে অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য সেটি আরো বড় সমস্যা তৈরি করতে পারে। খাবারের মেন্যু থেকে গরমের সময় তেলযুক্ত খাবার, মাংস, বিরিয়ানি, ফাস্টফুড ইত্যাদি বাদ দেয়া যেতে পারে। বরং শাকসবজি ও ফলমূল বেশি করে খাওয়া যেতে পারে।

     

    ৭. পুরনো বা বাসী খাবার না খাওয়া:

    গরমে খাবার-দাবার তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়।ফলে বাসী খাবার বা আগের দিন রান্না করা খাবার খাওয়ার আগে দেখে নিতে হবে যে, সেটি নষ্ট কিনা। এ জাতীয় খাবার খেলে ডায়রিয়া, পাতলা পায়খানাসহ পেটের অসুখ হতে পারে।

     

    ৮. ঘরে পানি ভর্তি বালতি রাখা:

    এসি না থাকলেও সমস্যা নেই। ঘরের ভেতর ফ্যানের নীচে একটি পানি ভর্তি বালতি রাখুন, যা ঘরকে খানিকটা ঠাণ্ডা করে তুলবে।

     

    ৯. প্রতিদিন অবশ্যই গোসল করা:

    গরমের সময় প্রতিদিন অবশ্যই গোসল করতে হবে, যা শরীর ঠাণ্ডা রাখবে। দিনে একাধিকবার হাত, মুখ, পায়ে পানি দিয়ে ধুতে পারলে ভালো। বাইরে বের হলে একটি রুমাল ভিজিয়ে সঙ্গে রাখতে হবে, যা দিয়ে কিছুক্ষণ পর পর মুখ মুছে নেয়া যাবে।

     

    ১০. হিট স্ট্রোকের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা:

    প্রচণ্ড গরমে শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে তাপমাত্রা বেড়ে গেলে হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হতে পারে।

    ফলে মাংসপেশি ব্যথা, দুর্বল লাগা ও প্রচণ্ড পিপাসা হওয়া, দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস, মাথাব্যথা, ঝিমঝিম করা, বমিভাব ইত্যাদি লক্ষণ দেখা গেলে প্রেশার পরীক্ষা করে দেখতে হবে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

    এই রমহানে সেহেরি ও ইফতারের সময় প্রচুর পরিমান পানি পান করতে হবে। ইফতারে রাখতে হবে ফল ও শরবত।তবেই প্রচন্ত গরম থেকে নিজেকে সুস্থ রাখা সম্ভব।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • ঢাকা রিজেন্সিতে বৈশাখী ঈদ উদযাপনে এক্সক্লুসিভ অফার

    ঢাকা রিজেন্সিতে বৈশাখী ঈদ উদযাপনে এক্সক্লুসিভ অফার

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ৪ এপ্রিল, ২০২৪: ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট ঈদের আনন্দে একটি বিশেষ ঈদ উল ফিতর অফার ঘোষণা করেছে। পহেলা বৈশাখের ধারাবাহিকতায়- বাংলা বছরের প্রথম দিন, ঢাকা রিজেন্সি আপনাকে আমাদের জমকালো ভোজের স্বাদ উপভোগ করার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছে।

    ব্যতিক্রমী অভিজ্ঞতা প্রদানের অঙ্গীকারের অংশ হিসাবে, অতিথিরা ঐতিহ্যবাহী বাঙালি সুস্বাদু খাবার এবং আন্তর্জাতিক রন্ধনপ্রণালী সমন্বিত একটি সুস্বাদু খাবার গ্রহণ করতে পারেন। পৃষ্ঠপোষকরা এর জনপ্রিয় গ্র্যান্ডিওজ রেস্তোরাঁয় ৪৯৯৯ টাকা মূল্যের একটি বিশেষ ‘বাই ওয়ান গেট ওয়ান’ ফ্রি অফার সহ বুফে ডিনারে আপনি ও আপনার প্রিয়জনের সাথে ঈদ উদযাপনে আনন্দ ভাগ করে নিতে পারেন।

    এছাড়াও, ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে আপনার অভিজ্ঞতা বাড়াতে, হোটেলটি আপনার ঈদ উদযাপন যে অসাধারণ কিছু নয় তা নিশ্চিত করে, অন্যান্য বিভিন্ন পরিষেবার উপর ছাড় দিতে পেরে খুশি। এটি একটি আরামদায়ক স্পা ট্রিটমেন্ট, পুলে সতেজ সাঁতার, বা হোটেলের মার্জিত আবাসনে বিলাসবহুল থাকার ব্যবস্থাই হোক না কেন, ঢাকা রিজেন্সিতে সবার জন্য উপভোগ করার মতো কিছু রয়েছে। বিলাসবহুল আবাসন থেকে শুরু করে ২০% ডিসকাউন্টের সাথে স্পা ট্রিটমেন্টগুলিকে উপভোগ করা পর্যন্ত, অতিথিরা তাদের ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে যাওয়ার সময় বিশেষ সুবিধা উপভোগ করতে পারেন।

    এই অফারটি ব্যতিক্রমী আতিথেয়তার অভিজ্ঞতা প্রদানের জন্য ঢাকা রিজেন্সির অঙ্গীকারের একটি প্রমাণ, যেখানে অতিথিরা একটি বিলাসবহুল এবং স্বাগতপূর্ণ পরিবেশে ঈদের উৎসবের চেতনায় নিজেকে নিমজ্জিত করতে পারেন।

    এই ঈদে ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে আমাদের সাথে যোগ দিন চমৎকার খাবার ও দিনটি ‍উপভোগ করার জন্য। রিজার্ভেশন এবং অনুসন্ধানের জন্য, অনুগ্রহ করে ০১৭১৩৩৩২৬৬১ এ যোগাযোগ করুন বা ভিজিট করুন: https://fb.me/e/1XMJTnP7K