Category: বিনোদন

  • শিল্পকলায় হয়ে গেল মনোমুগ্ধকর চীনা বসন্ত উৎসব

    শিল্পকলায় হয়ে গেল মনোমুগ্ধকর চীনা বসন্ত উৎসব

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১৮ জানুয়ারি, ২০২৪: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ও চীন দূতাবাসের যৌথ আয়োজনে “ভয়েসেস অব স্প্রিং: গোল্ডেন ড্রিমস” সম্প্রতি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। চীনের নতুন বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন দেশটির মান্যবর রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন,  সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ড. দীপু মণি এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সম্মানিত মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী।

    অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ড. দীপু মণি বলেন, “বিগত দিনে চীন আমাদের জাতীয় সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা, ভৌগলিক অখণ্ডতা এবং বাইরের হস্তক্ষেপ থেকে নিরাপদ থাকতে সহযোগিতা করেছে। আমাদের মহান নেতাদের যৌথ দিকনির্দেশনায় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কে অনেক উন্নতি হয়েছে। চীনের সহযোগিতায় ১৪টি মেগা প্রকল্প সম্পন্ন হয়েছে এবং চলছে। এসব মেগা প্রকল্পের মাধ্যমে চীনের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।”

    শিল্পকলায় হয়ে গেল মনোমুগ্ধকর চীনা বসন্ত উৎসব  -  বিনোদন - ১৮ জানুয়ারি ২০২৪ (২)
    শিল্পকলায় হয়ে গেল মনোমুগ্ধকর চীনা বসন্ত উৎসব – বিনোদন – ১৮ জানুয়ারি ২০২৪ (২)

    দীপু মণি বলেন, “চীনের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অনেক পুরোনো। আমরা আমাদের সংস্কৃতি ও ইতিহাস সম্পর্কে চীনের হিউয়েন সাং ও ফা-হিয়েনের লেখনি থেকে অনেককিছু জেনেছি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৫০ এর দশকে চীন ভ্রমণ করেছেন। দ্বি-পাক্ষিক সুসম্পর্কের ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবার নির্বাচিত হওয়ায় চীনের রাষ্ট্রেপতি শিজিন পিং ও প্রিমিয়ার স্টেট কাউন্সিল লি ছিয়াং প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।”

    মন্ত্রী আরও বলেন, “চীন-বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক বিনিময়ে প্রাচ্যের দুটি সভ্যতার দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন হয়েছে। আজকের অনুষ্ঠানে ইউয়ান প্রদেশের সাংস্কৃতিক কর্মীদের ও বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের যৌথ পরিবেশনা থেকে তরুণ প্রজন্ম উদ্বুদ্ধ হবে।”

    অনুষ্ঠানে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বসন্তের মাধ্যমে চীনা বর্ষপঞ্জির শুরু হয়। সীমানা পেরোনো সে আয়োজনটি নানা দেশের পাশাপাশি হচ্ছে বাংলাদেশেও। এ উৎসবের মাধ্যমে চীন ও বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ক আগামী দিনে আরও বেশি গুরুত্ববহ হবে।

    অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, চীনের ইউনান প্রভিন্সিয়াল কমিটি অব সিপিসির পাবলিসিটি বিভাগের ভাইস মিনিস্টার ও ইউনান প্রভিন্সিয়াল সিভিলাইজেশ্যন অফিসের ডিরেক্টর পেঙ বেঙ উপস্থিত ছিলেন।

    বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব ও চীনের নতুন বর্ষ বরণ উপলক্ষ্যে ইউনান প্রদেশ থেকে আগত শিল্পীদল ও বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন উপভোগ করেন সন্মানিত অতিথি ও বিপুল সংখ্যক দর্শক।

  • সালমান খানের পরিবার এখন ৫২৫৯ কোটি টাকার মালিক

    সালমান খানের পরিবার এখন ৫২৫৯ কোটি টাকার মালিক

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১৬ জানুয়ারি, ২০২৪: বলিউযে যে সব পরিবার ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে সফলতার সঙ্গে পদচারনা করেছে বা এখনও করছে তাদের মধ্যে অন্যতম কাপুর পরিবার, সেলিম খান পরিবার, অমিতাভ বচ্চন পরিবার, সাইফ আলী খান পরিবার এবং শাহরুখ খান পরিবার। এই পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে বলিউডে রাজত্ব করছে এবং একটি পরিবারিক ঐতিহ্য বজায় রেখে নিজের সম্পদের পরিমান একটা উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।

    কিন্তু এই সব পরিবাগুলোর থেকে সবচেয়ে সফল এবং ধনী পরিবার বলা হচ্ছে সেলিম খানের পরিবারকে। জানা গেছে বলিউডের সেলিম খানের পরিবার বহু বছর ধরে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে সক্রিয়। সেলিম খান দিয়ে শুরু হওয়া বলিউডে তাদের যাত্রা এখন তৃতীয় প্রজন্মে পৌঁছেছে। সালমান খানের বাবা সেলিম খান বলিউডের একজন বিখ্যাত লেখক যার কলম থেকে অনেক হিট ছবির গল্প এসেছে।

    সেলিম খান “সরহদি লুটেরা” চলচ্চিত্রটি নির্মানের সময় প্রথমবারের মত জাভেদ আখতারের সাথে কথা হয়। সেলিম ছোট চরিত্রে অভিনয় করা একজন অভিনেতা ছিলেন এবং সরহদি লুটেরা চলচ্চিত্রটি ছিল তার সর্বশেষ অভিনীতি চলচ্চিত্র। প্রাথমিকভাবে ১৯৭০ দশকের সময়ে মানুষের চিত্রনাট্য, গল্প এবং সংলাপে কৃতিত্ব দেখানোর মত কোন ধারণা ছিলনা। রাজেশ খান্না সর্বপ্রথম সেলিম খান এবং জাভেদ আখতারকে “হাতি মেরে সাথি” নামের চলচ্চিত্রে চিত্রনাট্য লেখক হিসেবে সুযোগ দেন। এছাড়াও তাদের ব্যবসাসফল জনপ্রিয় চলচ্চিত্রগুলির মধ্যে রয়েছে: ইয়াদো কি বারাত (১৯৭৩), জাঞ্জির (১৯৭৩), হাত কি সাফাই (১৯৭৪), দিওয়ার (১৯৭৫), শোলে (১৯৭৫), প্রেমাদা কান্নিকি, চাচা ভাতিজা (১৯৭৭), ডন (১৯৭৮), ত্রিশূল (১৯৭৮), মনুশুলু চেছিনা দঙ্গালু, যুগনধার, দোস্তানা (১৯৮০), ক্রান্তি (১৯৮১), জামানা (১৯৮৫) এবং মি. ইন্ডিয়া (১৯৮৭)।তারা একত্রে প্রায় ২৪টির মত চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন। এর মধ্যে চলচ্চিত্রের মধ্যে ২০টি ব্যবসাফল হিট ছবি। পরে অবশ্য দুই বন্ধু আলাদা হয়ে কাজ শুরু করে। সেলিম খান জাভেদ আক্তারের সাথে আলাদা হওয়ার পরে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত কোন চলচ্চিত্রের সাথে সক্রিয় ছিলেন না। তিনি ১৯৮৩ সাল থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত মাত্র ১০টি চলচ্চিত্রের জন্য স্ক্রিপ্ট লিখেছিলেন। জাভেদ আক্তারের সাথে বিভক্তির পর তার লেখা স্ক্রিপ্টগুলি হল নাম, কবজা, তুফান, জুর্ম, আকায়লা, পাথ্তার কি ফুল, মাস্ত কালেন্দার, আ গালে লাগ জা, মাজদাহার, দিল তেরা দিওয়ানা (১৯৯৬)। সালমান খান পাত্থার কি ফুল এবং মাঝদার চলচ্চিত্রে তার পিতা সাথে কাজ করেন। এর পরে নায়ক হিসেবে সালানের উত্তরণ ঘটে এবং এখনও তা বহাল আছে।

    সুতরাং, এটা সুস্পষ্ট যে শিল্পে এই ধরনের একটি সফল পরিবারও অর্ধেক পরিমাণ সম্পদ ভোগ করবে। আজ, আমরা আপনাকে এই পরিবারের মোট সম্পদ সম্পর্কে বলব। আপনি জেনে আরও অবাক হবেন যে সালমান খান একাই তার দুই ভাইয়ের মোট সম্পদের চেয়ে বেশি।

    খান পরিবারের নামে নথিভুক্ত সম্পত্তির ৫০ শতাংশের একক মালিক সালমান খান। একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, সালমান খানের মোট সম্পত্তির পরিমাণ ২০০০ কোটি রুপি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে সঠিকভাবে গণনা করলে, সালমান খানের সম্পদ দাঁড়াবে ২৯১৬কোটি রুপি। এই রিপোর্ট অনুসারে, পুরো খান পরিবারের সম্মিলিত সম্পদের পরিমাণ ৫২৫৯ কোটি টাকা।

    এছাড়াও, যদি আমরা খান পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের কথা বলি, সালমান খানের দুই ভাই আরবাজ খান এবং সোহেল খান মোট সম্পদের দিক থেকে তার থেকে অনেক পিছিয়ে। প্রতিবেদন অনুসারে, উভয়ের সম্পদ সহ তাদের মোট সম্পদের পরিমাণ ৯০০ কোটি টাকা। এতে আরবাজ খানের মোট সম্পত্তি ৫০০ কোটি টাকা এবং সোহেল খানের মোট সম্পত্তি ৩৩৩ কোটি টাকা। এ ক্ষেত্রে তার বাবা সেলিম খানও তাদের দুজনের চেয়ে এগিয়ে। তার মোট মূল্য ১০০০ কোটি রুপি যা সালমা খান, হেলেন এবং তাদের সন্তানদের মধ্যে সমানভাবে ভাগ করা হবে।

    সেলিম খান এখন চিত্রনাট্যে ও গল্প লেখার কাজে খুব একটা সক্রিয় না হলেও তার তিন ছেলে সফলতার সঙ্গে কাজ করছেন। এই কারণে সেলিম পরিবারকে অর্থ ও ঐশ্বর্যের দিক দিয়ে সেরা বলা হচ্ছে। কেননা সালমান খানের প্রতিটি ছবি এখনও ব্যবসা সফল। তাছাড়া তাদের প্রোডাকশন ব্যবসাও চুটিয়ে চলছে।

  • শিল্পকলা পদক ২০২১ ও ২০২২ পাচ্ছে ১৯ ব্যক্তি ও ১ প্রতিষ্ঠান

    শিল্পকলা পদক ২০২১ ও ২০২২ পাচ্ছে ১৯ ব্যক্তি ও ১ প্রতিষ্ঠান

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১৬ জানুয়ারি, ২০২৪: বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিকাশের প্রধান ক্ষেত্র হচ্ছে শিল্পকলা একাডেমি। শিল্প সংস্কৃতি ঋদ্ধ সৃজনশীল মানবিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এবং একে প্রতিষ্ঠা দিতে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রতি বছর সংস্কৃতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য শিল্পকলা প্রদক প্রদান করে থাকে। শিল্প ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ‘শিল্পকলা পদক ২০২১ ও ২০২২’ ঘোষণা করেছে। সোমবার সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, শিল্পকলা পদক ২০২১ ও ২০২২ পাচ্ছেন মোট ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে শিল্পকলা পদক ২০২১ পাচ্ছেন ১০ গুণীজন ও সংগঠন। অন্যদিকে শিল্পকলা পদক ২০২২ পাচ্ছেন আরও ১০ গুণীজন।

    ২০২১ সালের শিল্পকলা পদক পাচ্ছেন যন্ত্রসঙ্গীতে মো. নূরুজ্জামান, নৃত্যকলায় শারমীন হোসেন, কণ্ঠসংগীতে সাদি মহম্মদ, চারুকলায় শিল্পী বীরেন সোম, নাট্যকলায় অধ্যাপক আবদুস সেলিম, লোকসংস্কৃতিতে মো. নহীর উদ্দিন, চলচ্চিত্রে ড. মতিন রহমান, আবৃত্তিতে কাজী মদিনা, যাত্রাশিল্পে এম. এ. মজিদ এবং সৃজনশীল সাংস্কৃতিক সংগঠন হিসাবে জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ।

    ২০২২ সালের শিল্পকলা পদক পাচ্ছেন যন্ত্রসঙ্গীতে ফোয়াদ নাসের, নৃত্যকলায় সাজু আহম্মেদ, কণ্ঠসংগীতে এলেন মল্লিক, চারুকলায় অধ্যাপক অলক রায়, নাট্যকলায় খায়রুল আলম সবুজ, লোকসংস্কৃতিতে সুনীল কর্মকার, ফটোগ্রাফিতে রফিকুল ইসলাম, আবৃত্তিতে মীর বরকতে রহমান, যাত্রাশিল্পে অরুণা বিশ্বাস এবং সৃজনশীল সাংস্কৃতিক গবেষক হিসাবে ড. সফিউদ্দিন আহমদ।

    শিগগিরই রাষ্ট্রপতির অনুমতির প্রেক্ষিতে ও তারিখ নির্ধারণ সাপেক্ষে শিল্পকলা পদক ২০২১ ও ২০২২ প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। সম্মাননা হিসেবে পদকপ্রাপ্ত গুণীজন প্রত্যেকে পাবেন একটি করে স্বর্ণপদক, সনদপত্র এবং এক লাখ টাকার চেক।

  • জন্মদিনে ঋত্বিক নাট্যপ্রাণ লিয়াকত আলী লাকী শুভেচ্ছায় সিক্ত

    জন্মদিনে ঋত্বিক নাট্যপ্রাণ লিয়াকত আলী লাকী শুভেচ্ছায় সিক্ত

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১৫ জানুয়ারি, ২০২৪: ন্যাটাঙ্গনের সকলের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায় সিক্ত হলেন ঋত্বিক নাট্যজন এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী। শিল্পবন্ধু পর্ষদের আয়োজনে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে শনিবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হলো সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও গুণীজন জনাব লিয়াকত আলী লাকীর ৬৮ তম জন্মদিন। দিনটি উপলক্ষ্যে সারাদেশ থেকে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছে শিশু শিল্পীরা। বিকেলের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিভিন্ন দলের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেছেন সংস্কৃতি অঙ্গনের গুণী ব্যক্তিত্বরা।

    অনুষ্ঠানে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুস ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান মহাপরিচালককে। বক্তব্যে তিনি বলেন- “সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে লিয়াকত আলী লাকী সংস্কৃতি ক্ষেত্রে যে আদর্শকে জীবনে ধারণ করেছেন তা আজীবন বয়ে বেড়াচ্ছেন।”

    তিনি আরও বলেন – “লিয়াকত আলী লাকী সময়ের প্রতি দায়বদ্ধ একজন শিল্পী। মুক্তিযুদ্ধ ও প্রগতির আদর্শ তিনি ধারন করেছেন। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার কঠিন সময়ে সৈরাচার বিরোধী লড়াই ,সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ১৯৭৬ সালের সেই সময়ে ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় থেকেছেন, সংস্কৃতিকে ধারণ করেই আলো ছড়িয়ে দিয়েছেন সবখানে”।

    এর আগে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান নাট্যব্যক্তিত্ব মঞ্চসারথি আতাউর রহমান। বক্তব্যে তিনি বলেন “সহকর্মী বন্ধুর মতো লিয়াকত আলী লাকী সবার আগে এগিয়ে এসেছেন, চাইলে অনেক কিছু হতে পারতেন কিন্তু নিজেকে ছড়িয়ে দিয়েছেন কর্মের মধ্যে, শিশুদের মধ্যে, বাঙালিত্ব ছড়িয়ে দিয়েছেন সবার মাঝে ”।

    এছাড়াও ইন্টারন্যাশনাল থিয়েটার ইন্সটিটিউট (আইটিআই) এর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য প্রদান করেন এর সাধারণ সম্পাদক দেবপ্রসাদ দেবনাথ। বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী মিনু হক, নাট্যব্যক্তিত্ব ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির চেয়ারম্যান লাকী ইনাম, বিশিষ্ট নাট্য ব্যক্তিত্ব ও অভিনেতা ঝুনা চৌধুরী অনুষ্ঠানে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য প্রদান করেন। এছাড়াও শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন পথ নাট্য পরিষদের মিজানুর রহমান, আবৃত্তি পরিষদের আজাদুর রহমান আজাদ, গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের সাবেক সেক্রটারী আকতারুজ্জামান, চারুশিল্পী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কামাল পাশা। পরে বিশিষ্ট কন্ঠশিল্পী ফাতিমাতুজ্জুহুরা গানে গানে শুভেচ্ছা জানান জনাব লিয়াকত আলী লাকীকে।

    অনুষ্ঠানে বিভিন্ন জেলা থেকে শিল্পকলা একাডেমির পরিবেশনা উপস্থাপন করা হয়। মহাপরিচালককে শুভেচ্ছা জানিয়ে ভার্চুয়ালি সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করে জেলা শিল্পকলা একাডেমির সঙ্গীত ও নৃত্যদল । এছাড়াও জন্মদিনে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন, গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের বিভিন্ন নাট্য সংগঠন, নৃত্য শিল্পী সংস্থা, সঙ্গীত, সাংবাদিক, সাহিত্যিকসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানানো হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাংস্কৃতিক অঙ্গণের গুণী ব্যক্তিত্বরা। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পক্ষ থেকে সকল বিভাগ শিল্পী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ ফুল দিয়ে আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করে।

    নানান আয়োজন ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার শেষ পর্যায়ে জেলা পর্যায় ও প্রত্যন্ত এলাকা থেকে আসা সকল সংগঠন ও বিশিষ্টজনদের কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির ক্ষমতায়ন জরুরি। যে রাজনীতিতে সংস্কৃতি, সাহিত্য নাই তা রাজনীতি হতে পারে না। রাজনীতির মাপকাঠি শিল্প- সাহিত্য, সংস্কৃতি।” তিনি আরো বলেন- “যে সাংস্কৃতিক আন্দোলন আমরা শুরু করেছি, তা হয়তো সফল করে যেতে পারবোনা। তবে যারা আজ আমার পাশে আছে তারাই সফল করবে এবং দেশকে উন্নত করবে”। আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বছরব্যাপী অনুষ্ঠানমালার ঘোষণা দেন তিনি।

    পরে মিলনায়তনে থাকা দর্শক এবং মঞ্চের শিশুদের নিয়ে সুর মিলিয়ে “মাগো ভাবনা কেন” গান পরিবেশন করেন তিনি।

  • বিয়ে করেছেন শোবিজ তারকা অর্ষা ও ইমরান

    বিয়ে করেছেন শোবিজ তারকা অর্ষা ও ইমরান

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১৪ জানুয়ারি, ২০২৪:  নতুন বছরের প্রথম মাসেই দেশীয় শোবিজে বিয়ের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। স্যোশাল মিডিয়ার তথ্যে জাান গেছে বিয়ে করলেন তরুণ প্রজন্মের আলোচিত অভিনেত্রী নাজিয়া হক অর্ষা এবং নির্মাতা ও অভিনেতা মোস্তাফিজুর নূর ইমরান।

    আজ রবিবার (১৪ জানুয়ারি) নাজিয়া হক অর্ষা বিয়ের খবর নিশ্চিত করে স্যোশাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট করেছেন। ছবির ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘প্রকৃতি আর পরিবার নিয়ে এখন আমি থেকে আমরা। আনুষ্ঠানিকভাবে আমরা বিবাহিত।’ তবে কবে কোথায় বিয়ে করেছেন সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি অর্ষা।

    জানা গেছে, দুই থেকে তিন মাস আগে দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে ঘরোয়া আয়োজনে বিয়েটা সেরেছেন জনপ্রিয় এই দুই তারকা।

    নাজিয়া হক অর্ষা লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতা দিয়ে শোবিজে পদার্পণ করেন। তারপর থেকে টেলিভিশন নাটকে অভিনয় করে দর্শক হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন । দুই দশকের ক্যারিয়ারে শতাধিক টিভি নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। চলতি সময়ে একাধিক ওয়েব ফিল্মে অভিনয় করছেন। ‘নেটওয়ার্কের বাইরে’, ‘১৯৭১ সেই সব দিন’, ‘সাবরিনা’সহ বেশ কয়েকটি আলোচিত সিনেমা সিরিজে অভিনয় করেছেন অর্ষা।

    অন্যদিকে মোস্তাফিজ নূর ইমরান ২০১১ সালে গেরিলা সিনেমা দিয়ে অভিনয় শুরু করেন। ‘মহানগর’ সিরিজের পুলিশ কর্মকর্তা মলয় চরিত্রে অভিনয় করে আলোচিত হয়েছেন তিনি। ‘কাইজার’, ‘জাহান’সহ বেশ কয়েকটি কনটেন্টে অভিনয় করেছেন ইমরান।

    নাজিয়া হক অর্ষা এসআরকে স্টুডিওস’ এর ডাবিংকৃত কোরিয়ান সিরিজ হোটেল ডেল-লুনা’সহ আরও বেশ কিছু মু্ভিতে কন্ঠ দিয়েছেন।

  • ১৪০ ভাষায় গান গেয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড ভারতের সুচেতার

    ১৪০ ভাষায় গান গেয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড ভারতের সুচেতার

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৮ জানুয়ারি, ২০২৪: ভারতের ভাষা , নৃত্যকলা, সংগীত, স্থাপত্যশৈলী, খাদ্যাভ্যাস ও পোষাকপরিচ্ছদ এক এক অঞ্চলে এক এক প্রকারের। ভারতের সংস্কৃতি কয়েক সহস্রাব্দ-প্রাচীন এই সব বৈচিত্র্যপূর্ণ আঞ্চলিক সংস্কৃতি ও রীতিনীতিগুলির একটি সম্মিলিত রূপ। ভারতের সংস্কৃতি ও ভাষার বৈচিত্র্যের কারণে ১৪০ ভাষায় গাণ গেয়ে বিশ্বে পরিচিত হলেন সুচেতা সতীশ নামের এক তরুণী।

    এই তরুণী ১৪০ টি ভাষায় গান গেয়ে নতুন রেকর্ড স্থপন করতে পেরেছেন। আর  এই কারণে তিনি জায়গা করে নিতে পেরেছেন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে।

    জানা গেছে সুচেতা সতীশ ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কেরালার বাসিন্দা । গত বছরের নভেম্বরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) দুবাইয়ে তিনি ১৪০টি ভাষায় গান করেন।

    আর নিজের সেই গানের প্রতিভা প্রদর্শন করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড স্থাপন করেছেন তিনি। ভারতিয় বিভিন্ন নিউজ মাধ্যম থেকে এই থত্য পাওয়া গেছে।

    জানা গেছে, দুবাইয়ে গত বছরের ২৪ নভেম্বর ১৪০টি ভাষায় গান করেন সুচেতা সতীশ। তার সেই গানের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ইনস্টাগ্রামে শেয়ারও করেন তিনি।

    মূলত দুবাইয়ে গত বছর জলবায়ু সম্মেলন যে সব দেশ যোগ দিয়েছিল, সেই সব দেশের বিভিন্ন ভাষায় গান করে এই নতুন গিনেস রেকর্ড গড়েন ওই তরুণী।

    গিনেসের পক্ষ থেকে এই রেকর্ডের সনদ হাতে পেয়ে সুচেতা নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে লিখেছেন, ‘সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদে নতুন রেকর্ড গড়তে পেরেছি। ২০২৩ সালের ২৪ নভেম্বর, ৯ ঘণ্টায় ১৪০টি ভাষায় গানের রেকর্ড গড়েছি আমি। জলবায়ু সম্মেলনে এই গান গেয়েছিলাম আমি। আপনাদের শুভেচ্ছা এবং সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ।’

    উল্লেখ্য, দুবাইয়ে গত বছর আয়োজিত হয়েছিল কপ-২৮ সম্মেলন। সেই সম্মেলনে ভারতসহ বিশ্বের ১৪০টি দেশ যোগ দেয়। ওই সম্মেলনে পরিবেশ সচেতনতার বার্তা নিয়ে গান করেন সুচেতা। আর সেখানেই বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ভাষায় গান গাওয়ার বিরল নজির গড়েন তিনি।

  • পশ্চিমবঙ্গের নাট্যোৎসবে পরিবেশিত হলো ভাগের মানুষ

    পশ্চিমবঙ্গের নাট্যোৎসবে পরিবেশিত হলো ভাগের মানুষ

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৭ জানুয়ারি, ২০২৪: ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কল্যাণী নাট্যচর্চা কেন্দ্র আয়োজিত ২৯তম নাট্যোৎসব সম্প্রতি সম্পন্ন হয়েছে। উৎসবে ঢাকার  ‘সময় নাট্যদল’ পরিবেশন করে তাদের জনপ্রিয় প্রযোজনা ‘ভাগের মানুষ’। সাদাত হোসেন মান্টোর গল্প থেকে এটি নাট্যরূপ দিয়েছেন মান্নান হীরা। আর নির্দেশনায় ছিলেন প্রয়াত আলী যাকের।

     

    নাটক দেখে কবি ও প্রাবন্ধিক তমাল কান্তি সাহা নিজের মাতামত তুলে ধরেণ এভাবে,মানব সভ্যতার চোখে  কৃষ্ণপক্ষের রাত্রির তমসা ঘন হয়ে এলে ভাগ অঙ্কটি গণিতবিদ্যা ছেড়ে রাষ্ট্রীয় জীবনে ভাগের মানুষ অথবা মানুষের ভাগ হয়ে যায়। একটি ব্যক্তিগত নাম শেষ পর্যন্ত হয়ে দাঁড়ায় একটি ভূখণ্ড বা একটি স্থানিক নাম, যা ছিল একদা কারুর জননী জন্মভূমি। বিষাণ সিংয়ের নাম হয়ে যায় পাকিস্তানের একটি জায়গার নাম টোবা টেক সিং। কারণ যে বাস্তভিটের  জল বাতাস, যে মাটির উর্বরাশক্তি তাকে লালন পালন করেছে সেই উপাদানিক ঐশ্বর্য নির্মাণ করেছে তার দেহের রক্ত মাংস তো বটেই তার শ্বাস-প্রশ্বাস চলাচলের পথ সুগম করেছে। সে তার জনয়িত্রী মাটিকে ছাড়বে কেন?

    কে পাগল, কারা পাগল?পাগল কি সত্যি উন্মাদ? তার মধ্যে রয়েছে তো দেশচেতনার উন্মাদনা! ক্ষমতায়ন বা মসনদ লাভ করবার জন্য যারা দেশকে দ্বিখন্ড করে তারা মানসিক উন্মাদ, না যারা তথাকথিত মানসিক চিকিৎসালয়ে বিভিন্ন দৈহিক বিভঙ্গে আচার-আচরণে কথাবার্তায় প্রকৃত সত্যকে উন্মোচন করে তারা মানসিক বিকারগ্রস্ত?  প্রকৃত খুনি হয়েও বাঁচবার তাগিদে যে পাগলখানায় আশ্রয় নেয় পাগলের অভিনয় করে সে তবে কি? পাগলের কল্পনা শক্তি কি তথাকথিত সুস্থ মানুষের চেয়েও সুদূর প্রসারিত নাহলে পাগলেরা কিভাবে যথাক্রমে  মোহন চাঁদ করম চাঁদ গান্ধী, উইনস্টন চার্চিল, মোহাম্মদ আলী জিন্না, স্ট্যালিন, হিটলার,অথবা বার এট ল হয়ে যায়!

     

    পাগলের ভেতর কি দেশপ্রেম, জন্মভূমির প্রতি ভালবাসার উজ্জীবন থাকে? তার মধ্যে কি তাকে শ্লেষ তির্যক ব্যঙ্গের ধ্রুপদী সত্য নিহিত থাকে! না হলে সে কেন বারবার উচ্চারণ করবে হিন্দুস্তান পাকিস্তান! হিন্দুস্তান পাকিস্তান? পাকিস্তান হিন্দুস্তান! পাকিস্তান হিন্দুস্তান? পাকিস্তানের অবস্থান কোথায়? আকাশের দিকে! হিন্দুস্তানের অবস্থান কোথায়? মাটির দিকে! তার চেতনায় হিন্দুস্তান পাকিস্তানের কোন অস্তিত্বই নেই।

     

    পাগলরা জানে শুধু, তার দেশ ভারতবর্ষ এবং এটা আদি অকৃত্রিম সত্য। তাহলে হিন্দুস্তান শব্দটি এলো কোত্থেকে! পাকিস্তান শব্দটি এলো কোত্থেকে? তারা পাগল হলেও ভাবতে থাকে, যখন প্রকৃত ক্ষমতার পাগলদের মধ্যে এই দেশ সম্পর্কিত চেতনা থাকে না। তারা তো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার প্রলোভনে হিংস্র উন্মত্ত পাগল, দাঙ্গায় রক্তাক্ত তাদের হাত।

     

    পাগলদের দেশ কোথায়? তারা তো জাত পাত ধর্ম বর্ণের ঊর্ধ্বে। তাদের একটাই পরিচয় তারা জন্মভূমি পাগল। তাদের অনুভব একটাই এই দেশ এই মাটি এই আশ্চর্য পাগলদের। ধর্মের নয়, সম্প্রদায়ের নয়, মন্দির মসজিদ গুরুদুয়ারা গির্জা নয়, মানুষের অস্তিত্বেই  দেশের অস্তিত্ব।

    দেশাত্মবোধের প্রকৃত অনুভবে টোবা টেক সিংরা চায় না দেশ ভাগ। তাই হিন্দুস্তান-পাকিস্তান বিভাজন এই দস্যুর বুলেটে ঝাঁঝরা হয়ে টোবা টেক সিং পড়ে থাকে একটি নবজাত ভূমিতে যার নাম নো ম্যানস ল্যান্ড!

     

    সভ্যতার বিবেক সেই মহা পাগলটি কোত্থেকে এসেছিল? এই প্রশ্ন করেছিলেন বিষণ সিং। পাগলটি মহা উত্তর দিয়েছিল, টোবা টেক সিং থেকে, যা ভারতেও নেই, পাকিস্তানেরও নেই!

     

    দুনিয়ার পাগলামির, ক্ষমতায়নের পাগলামির নৈপুণ্যেরের কারিগর সাহিত্যের সেরা উন্মাদ  সত্যদ্রষ্টা সাদাত হাসান মান্টো এই সমাজ সভ্যতার পোস্টমর্টেমের  দক্ষ শল্য চিকিৎসক।

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গে প্রদর্শিত নাটকটি সর্ব মহলের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

  • শাহরুখকে মেনে নিতে পারেননি গৌরীর ভাই

    শাহরুখকে মেনে নিতে পারেননি গৌরীর ভাই

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৪ জানুয়ারি, ২০২৪: বলিউডে নায়ক কিংবা নায়িকাদের ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের বিয়ের প্রথা দীর্ঘ দিনের রেওয়াজ। দেখা গেছে অনেক অভিনেতা-অভিনেত্রীর জীবনে ধর্ম কোন বাঁধা হয় দাড়ায়নি। বরং প্রেমের জয় হয়েছে। ধর্ম নয় প্রেমের জয় হয়েছে এই ধরনের বেশ কিছু আলোচিত বিয়ে হচ্ছে নার্গিস ও সুনীল দত্ত, মধুবালা ও কিশোর কুমার, সুনীল শেঠি ও মনা কাদরী, মনোজ বাজপেয়ী ও শাবানা রাজা, হৃত্বিক রোশন ও সুজান খান, সঞ্জয় দত্ত ও দিলনাওয়াজ শেখ, দিয়া মির্জা ও সাহিল সংঘ, কুনাল খেমু ও সোহা আলি খান, সাইফ আলী খান ও কারিনা কাপুর খান। তাছাড়া সাইফ আলী খানের মাতা শর্মিলা ঠাকুর বিয়ে করেন মুসলিম ক্রিকেটার নবাব মনসুর আলী খান পতৌদিকে।

    তবে সবচেয়ে আলোচিত হচ্ছে শাহরুখ খান ও গৌরী খানের বিয়েটি। এই বিয়েতে শাহরুখ খানকে প্রথমে নাম পাল্টাতে হয়ছিলো। শুধু তাই নয় গৌরীর ভাই এই বিয়েতে রাজি ছিলোনা এমনকি শাহরুখকে হত্যা করতে চেয়েছিলেন। এক পর্যায় তাদের প্রেমও অটুট থাকে । ১৯৯১ সালে বিয়ে করে আজও তাদের দাস্পত্য জীবনে সুখের।

    শাহরুখ ও গৌরিকে স্রোতের বিপরীতে লড়াই করতে হয়েছে দুজনকেই। অবশেষে চার হাত এক হয়েছে।

    আর তাদের ঐতিহাসিক বিয়ে নিয়ে কিছু মজার ঘটনাও আছে, যা অনেকেই হয়তো জানেন না। একজন হিন্দু নারীকে বিয়ের জন্য নিজের নামও বদলেছিলেন কিং খান! জানা যায়, আর্য রীতিতে বিয়ের জন্য শাহরুখকে তার নাম পরিবর্তন করতে হয়েছিল, যা তিনি করেছিলেন।

    তিনি জিতেন্দ্র কুমার তুলি নামটি বেছে নিয়েছিলেন। দুই তারকা জিতেন্দ্র এবং রাজেন্দ্র কুমারের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য নামটি বেছে নেওয়া হয়েছিল। তুলি ছিল রাজেন্দ্র কুমারের আসল নাম। তবে শুধু শাহরুখ নয়, গৌরীকেও নিকাহ অনুষ্ঠানের জন্য তার আসল নাম পরিবর্তন করতে হয়েছিল এবং তিনি আয়েশা নামটি বেছে নিয়েছিলেন।

    শাহরুখ এবং গৌরী তাদের বিয়ের আগে অনেক বাধার সম্মুখীন হয়েছিলেন। যদিও শাহরুখ এখন গৌরির মায়ের প্রিয় একজন, কিন্তু গৌরির মা শুরুতে দুজনের বিয়ের পক্ষে ছিলেন না। এর আগে ‘ফার্স্ট লেডিস’ নামে একটি শো’তে গৌরী তাদের পরিবারের আশংকা প্রকাশ করে বলেছিলেন, “আমরা অনেক ছোট ছিলাম। তার ওপর বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম এমন একজন ব্যক্তিকে যে চলচ্চিত্রে যোগ দিতে চলেছে এবং ভিন্ন ধর্মের। আমার মা রাজি ছিলেন না। তিনি চাননি এই সম্পর্কটা হোক। কিন্তু বিধাতা আমাদের এক করেছেন। অবশেষে এখন আমরা একসঙ্গে।”

    প্রায় ৩০ বছরের দাম্পত্যজীবন তাঁদের। শাহরুখ খান –গৌরী খানের প্রেম-কাহিনি এখন অনেকেরই জানা। ১৯৯১ সালের ২৫ অক্টোবর বিয়ে করেন তাঁরা। দুজনের সুখী দাম্পত্য জীবনে তিনটি সন্তান রয়েছে। আরিয়ান, সুহানা এবং আবরাম খান।

    পঞ্জাবি পরিবারের মেয়ে গৌরী ও মুসলিম পরিবারের ছেলে শাহরুখ। তবে ধর্ম কোনও দিনই তাদের ভালবাসায় অন্তরায় হতে পারেনি। কিন্তু মুসলিম ছেলে শাহরুখের সঙ্গে বিয়েতে আপত্তি ছিল গৌরীর পরিবারের। অনেক উপায়ন্তর করে গৌরীকে বিয়ে করেন শাহরুখ। তবে হিন্দু পরিবারের মেয়ের সঙ্গে প্রেম করায় গৌরীর ভাইয়ের এক সময় চক্ষুশূল হতে হয় শাহরুখকে। চূড়ান্ত বিদ্বেষ, শাহরুখকে দেখলেই নাকি খুনে রাগ চেপে যেত গৌরীর ভাইয়ের।

    ২৬-এ পা দিয়েছেন শাহরুখ, গৌরী তখন ২১। সেই সময় পরিবারের সঙ্গে শাহরুখের আলাপ করান তাঁর। শাহরুখ ভিন ধর্মের বলেই আপত্তি ছিল গৌরীর ভাই বিক্রান্ত ছিব্বড়ের। এক সাক্ষাৎকারে গৌরী বলেন, ‘‘আমার ভাই বিক্রান্তের চক্ষুশূল ছিল শাহরুখ। যদিও মানুষ হিসেবে আমার ভাই শান্ত প্রকৃতির, উদার। কিন্তু শাহরুখকে দেখলেই ওর মুখ-চোখ লাল হয়ে যেত। আসলে আমাকে নিয়ে ভীষণ স্পর্শকাতর ছিল। মনে মনে কত বার যে শাহরুখকে ও খুন করেছে, তার কোনও কুল কিনারা নেই। আস্তে আস্তে সব কিছু ঠিক হয়ে যায়। এখনও গৌরি ও শাহরুখ একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।

  • পূর্বাচলে অভিনেতা আরিফিন শুভকে  ১০ কাঠার প্লট বরাদ্দ

    পূর্বাচলে অভিনেতা আরিফিন শুভকে ১০ কাঠার প্লট বরাদ্দ

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২ জানুয়ারি, ২০২৪: গত বছরের অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে মুক্তি পায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বায়োপিক ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ । এই সিনেমায় মুজিব চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় করেন অভিনেতা ‘আরিফিন শুভ’। সুন্দর অভিনয়ের জন্য সবাই প্রশংসা করে এই নায়কের। কিন্তু অভিনয় জন্য তিনি কোন পারিশ্রমিক। বরং বলেছেন মুজিব চরিত্রে অভিনয় করতে পেরে তিনি নিজেকে গর্বিত মনে করেছেন। অভিনয়ের জন্য পারিশ্রমিক না পেলেও  সদ্য তিনি একটি প্লট বরাদ্দ পেয়েছেন। একজন অভিনয় শিল্পীকে মূল্যায়ন করা হলো এই প্লট বরাদ্দের মাধ্যমে।

    জাান গেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প থেকে সংরক্ষিত কোটায় প্লট বরাদ্দ পেয়েছেন অভিনেতা আরিফিন শুভ ও প্রযোজক লিটন হায়দার। পূর্বাচলে শুভকে ১০ কাঠার একটি প্লট এবং প্রযোজককে একটি ৩ কাঠার প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ।

    আজ মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) রাজউক সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ নভেম্বর রাজউকের বোর্ড সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদেরকে এই প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

    রাজউকের ১৮তম বোর্ড সভায় অভিনেতা আরিফিন শুভর নামে ১০ কাঠা আয়তনের একটি প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। পরে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অভিনেতা আরিফিন শুভর বাড়ির ঠিকানায় চিঠি দিয়ে বরাদ্দের এ সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়। পাশাপাশি প্রযোজক লিটন হায়দার গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে একটি প্লটের জন্য আবেদন করেছিলেন আগেই, সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় থেকে রাজউকের কাছে সরকারের সংরক্ষিত কোটায় প্লট বরাদ্দ দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়। পরে রাজউকের একই বোর্ড সভায় ভূমি বরাদ্দ বিধিমালা অনুযায়ী রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ৩ কাঠার প্লটটি লিটন হায়দারের নামে বরাদ্দ দেয়।

    প্রসঙ্গত, গত বছর মুক্তি পাওয়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বায়োপিক ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ সিনেমার মুজিব চরিত্রে অভিনয় করে আলোচনায় আসেন আরিফিন শুভ। এছাড়া ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর মুক্তি পাওয়া ‘চিরঞ্জীব মুজিব’সহ নির্মাণাধীন আরও পাঁচ সিনেমার প্রযোজক লিটন হায়দার।

  • শিল্পকলায় শুরু হলো মাসব্যাপী ‘গণজাগরণের চারুকলা প্রদর্শনী’

    শিল্পকলায় শুরু হলো মাসব্যাপী ‘গণজাগরণের চারুকলা প্রদর্শনী’

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩: একজন চারুশিল্পী ও আলোকচিত্রশিল্পীর চিত্র ও ছবির মধ্যে লুকিয়ে থাকে নানা বক্তব্য ও গল্প। যা মানুষকে ভাবায়। শুধু তাই নয় এজন ব্যক্তিকে সৃজনশীল ও মানবিক হিসেবে গড়তে রসদ যোগায় এই শিল্পীরা। শিল্পের জগতে থাকলে একজন মানুষের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধের সৃষ্টি হয়, দেশপ্রেম জাগ্রত হয়। ফলে একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়তে শিল্পী ও ফটোগ্রাফাররা বিরাট ভূমিকা রাখে।

    ‘অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় শিল্প নিয়ে পৌঁছে যাবো আমরা উন্নতির শিখরে’এই প্রতিপাদ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে শুরু হয়েছে গণজাগরণের শিল্প আন্দোলন। এরই ধারাবাহিকতায় ৩শতাধিক চারুশিল্পী ও আলোকচিত্রশিল্পীর অংশগ্রহণে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে চারুকলা বিভাগের ব্যবস্থাপনায় ‘গণজাগরণের চারুকলা প্রদর্শনী ২০২৩’ আয়োজন করা হয়েছে। ‘উন্নয়নের বাংলাদেশ, নান্দনিক বাংলাদেশ’ শীর্ষক জাতীয় আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা ও উন্নয়নের চারুশিল্প’ শীর্ষক এ চিত্রকলা প্রদর্শনী চলবে ৩১জানুয়ারি (২০২৪) পর্যন্ত।

    শিল্পকলার প্রদর্শনীতে দর্শকরা - বিনোদন - ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ (২)
    শিল্পকলার প্রদর্শনীতে দর্শকরা – বিনোদন – ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ (২)

    গতকাল বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালায় অনুষ্ঠিত হলো এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন। উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ শিল্পকল একাডেমির মাহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী। তিনি বলেন “রাজনীতিতে যিনি জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হোন, তিনি শাসক নন, সেবক। রাজনীতির মুল চাবিকাঠিই হলো শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি। এই সাংস্কৃতিক অগ্রযাত্রায় সকলের অংশগ্রহণ জরুরি। শিল্পী, সাহিত্যিকদের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিদেরও সংস্কৃতির হাল ধরতে এগিয়ে আসতে হবে।” অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন চারুকলা বিভাগের পরিচালক সৈয়দা মাহবুবা করিম। এছাড়াও বক্তব্য প্রদান করেন একাডেমির সচিব জনাব সালাহ উদ্দিন আহাম্মদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন চিত্রশিল্পী আব্দুল মান্নান। চারুকলা বিষয়ক নানামুখী কার্যক্রমে শিল্পকলা একাডেমির প্রশংসা করেন তিনি।

    ‘উন্নয়নের বাংলাদেশ, নান্দনিক বাংলাদেশ’ শীর্ষক জাতীয় আলোকচিত্র প্রতিযোগিতায় ২১৪জন আলোকচিত্র শিল্পীর ৬৩৮টি আলোকচিত্র জমা পড়ে। সেখান হতে ১২৯জন শিল্পীর ২৩৫টি আলোকচিত্র এই প্রদর্শনী ও প্রতিযোগিতার নির্বাচন করা হয়েছে। নির্বাচিত ২৩৫টি আলোকচিত্র হতে ১ম, ২য়, ৩য়, তিনটি পুরস্কার প্রদান করা হবে। যার অর্থ মূল্য যথাক্রমে ৫০হাজার, ৪০হাজার, ৩০হাজার, এবং ১০টি বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হবে যার প্রতিটির অর্থ মূল্য ১০ হাজার টাকা। পুরস্কার বিরতণ করা হবে মাসব্যাপী এ প্রদর্শনীর সমাপণী অনুষ্ঠানে।

    একই সাথে দেশের বরেণ্য চারুশিল্পীদের অংশগ্রহণে ‘উন্নয়নের চারুশিল্প’ শীর্ষক আর্টক্যাম্প থেকে সংগৃহিত ৬৯জন চারুশিল্পীর ৬৯টি চিত্রকর্ম নিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে মাসব্যাপী এই প্রদর্শনী। আর্টক্যাম্পে অংশগ্রহণকারী শিল্পীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন বরেণ্য শিল্পী হাশেম খান, শিল্পী ফরিদা জামান, শিল্পী আবুল বারাক আলভী, শিল্পী আবদুল মান্নান, শিল্পী কনক চাঁপা চাকমা, শিল্পী মোহাম্মদ ইউনুস শিল্পী শিল্পী রনজিৎ দাস, শিল্পী মোহাম্মদ ইকবাল, শিল্পী শেখ আফজাল, শিল্পী শামসুদ্দোহা, শিল্পী কামাল পাশা চৌধুরী, শিল্পী চৈতন্য মল্লিক এবং অনান্য।

    প্রদর্শনী চলবে প্রতিদিন সকাল ১১টা হতে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালার ২, ৩ ও ৪ নম্বর গ্যালারিতে।