Category: বিনোদন

  • হিন্দি সিরিয়াল ‘সিআইডি’র ফ্রেডির মৃত্যু

    হিন্দি সিরিয়াল ‘সিআইডি’র ফ্রেডির মৃত্যু

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৫ ডিসেম্বর, ২০২৩: ‘সিআইডি’ হিন্দি টেলিভিশনের জনপ্রিয় সিরিয়াল। এই সিরিয়ালে প্রথম থেকে না হলেও বেশ দীর্ঘদিন ধরে অভিনয় করছেন দীনেশ ফাদনিস। সিরিয়ালটিতে তিনি ফ্রেডি চরিত্রে অভিন করেছিলেন। জনপ্রিয়তাও পেয়েছিলেন বেশ। কেননা সিআইডি ইন্সপেক্টররা সাধারণত হয় সাহসী ও চতুর। কিন্তু ফ্রেডি কিছুটা ভিতু এবং চতুর নয়। এমন সব কথা বলেন যা তার সহকর্মী ও দর্শকদের হাসায়। আর এই চরিত্রটিকে বাস্তব রুপ দিয়েছেন দীনেশ ফাদনিস। বাংলা ডাবিং এর পর ‘সিআইডি’ বাংলাদেশেও বেশ জনপ্রিয়। আজ সিআইডি দল থেকে ঝড়ে পড়লেন ইন্সপেক্টর ফ্রেডি খ্যাত দীনেশ ফাদনিস।

    বেশ কিছু দিন ধরেই তিনি অসুস্থ ছিলেন। জাান গেছে মুম্বইয়ের হাসপাতালে ‘লিভার ফেলিওর’-এর জেরে তাঁর মৃত্যু হয়। বয়স হয়েছিল ৫৭ বছর।

    জানা গেছে, সোমবার (৪ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে ১২টায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

    সম্প্রতি হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন দীনেশ। তাঁকে মুম্বইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। তার অবস্থা ছিল সঙ্কটজনক। রাখা হয়েছিল ভেন্টিলেশনে। কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ করে মৃত্যু হল তার। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দীনেশের যকৃৎ বিকল হয়ে গিয়েছিল। তার জেরেই মৃত্যু হয়েছে তার।

    ১৯৯৮ সালে শুরু হয় বিপি সিংহ পরিচালিত ‘সিআইডি’। এই সিরিয়ালে এসিপি প্রদ্যুম্নর চরিত্রে অভিনয় করেন শিবাজি সাটাম। দয়ার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন দয়ানন্দ শেট্টি। ইনসপেক্টর ফ্রেডরিকসের চরিত্রে রূপদান করেছিলেন দীনেশ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সিরিয়ালটিতে একাধিক চরিত্রের আনাগোনা ঘটেছে। এক সময় এই সিরিয়াল থেকে অনেক তারকাও উঠে আসেন। কিন্তু ত্রয়ীর জনপ্রিয়তা আজও অটুট। এদের মধ্য থেকে ঝড়ে পড়লেন দীনেক ফাদনিস।

    আজ মঙ্গলবার ( ৫ ডিসেম্বর) তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।

     

    সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

  • শিল্পকলার আয়োজনে শুরু হলো গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসব

    শিল্পকলার আয়োজনে শুরু হলো গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসব

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৩ ডিসেম্বর, ২০২৩: শিল্প সংস্কৃতিঋদ্ধ সৃজনশীল মানবিক বাংলাদেশ গড়ার অভিলক্ষ্যে ‘অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় শিল্প নিয়ে পৌঁছে যাবো আমরা উন্নতির শিখরে’এই প্রতিপাদ্য নিয়ে ‘গণজাগরণের শিল্প আন্দোলন’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। শিল্পের সকল শাখার সমন্বয়ে দেশব্যাপী বহুমুখী সাংস্কৃতিক কর্মযজ্ঞের বাস্তবায়িত রুপ ‘গণজাগরণের সংগীত উৎসব’ ।

    এই সামগ্রিক উন্নয়ন পক্রিয়ায় সর্বসাধারণকে সম্পৃক্ত ও অনুপ্রাণিত করতে ৫ শতাধিক শিল্পীর অংশগ্রহণে ২-৭ ডিসেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত আয়োজন করা হয়েছে ‘গণজাগরণের সংগীত উৎসব’।

    ঢাকা জেলার উদ্বোধনের মাধ্যমে আজ থেকে শুরু হলো সারাদেশে গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসব ২০২৩। গতকাল শনিবার ২রা ডিসেম্বর ২০২৩ বিকালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নন্দনমঞ্চে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন – ‘২ ডিসেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে বিভাগগুলোকে কেন্দ্র করে সকল জেলায় এই উৎসব হবে। প্রায় ১০ হাজার শিল্পী এই অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করছে। একই মঞ্চে গণজাগরণের সংগীত উৎসব হবে। এই উৎসবে সকল ক্ষেত্রের শিল্পীরা অংশগ্রহণ করছে।’।

    শুরু হলো গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসব - বিনোদন - ৩ ডিসেম্বর ২০২৩ (খ) (2)
    শুরু হলো গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসব – বিনোদন – ৩ ডিসেম্বর ২০২৩ (খ) (2)

    তিনি আরো বলেন- ‘বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি যাঁর জন্ম না হলে হতো না, তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান। স্বাধীনতার ৫২ বছর পরেও আমরা আজ ঐক্যবদ্ধ নয়। বাংলাদেশ একটি পরিবার যা ভেঙ্গে ফেলা হলো ১৯৭৫-এ। কিন্তু আবার হাজার বছর পেছনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে এই সময়েও। আমাদের যে মনীষিরা ছিলেন, তারাও বলেছেন আমরা আগে বাঙালি তারপরে মানুষ। ধর্ম তারপরে’।

    বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ৫০ বছরে পূর্তিতে সারা বছর অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন – ‘আজ সারা বিশ্বে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা চলছে, শিশুদের হত্যা করা হচ্ছে। মানুষ হত্যা করে কোন বিজয় অর্জিত হতে পারে না। বাংলাদেশ মানবতার দেশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ জঙ্গীবাদ বিরোধী দেশে পরিণত হয়েছে। আমরা চাই না বাউলদের চুল কেটে দেয়া, উদীচীর অনুষ্ঠান ও বৈশাখে রমনার বটমূলে হামলার সেই ভয়াবহ সময় আবার আসুক আমরা তা চাই না। আমরা সংস্কৃতি নিয়ে সবার ঘরে ঘরে পৌছে যেতে চাই, এই বার্তাই আমাদের গনজাগরণের বার্তা’।

    একাডেমির সচিব জনাব সালাহউদ্দিন আহাম্মদ সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ঢাকা জেলার কালচারাল অফিসার আসফ উদ দৌলা। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদান করেন মোহাম্মদ নেয়ামতউল্লাহ সহকারী কমিশনার ও নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়।

    আলোচনা পর্ব শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুরুতেই পরিবেশিত হয় ঢাকা সাংস্কৃতিক দলের পরিবেশনা ‘ও আলোর পথ যাত্রী, এ মাটি নয় জঙ্গীবাদের, এ মাটি মানবতার” সমবেত সংগীত। ‘জেগে থাক একাত্তর’ সমবেত আবৃত্তি পরিবেশন করে উদ্ভাসন, রচনায়: নরুল হুদা, নির্দেশনা ছিলেন মীর বরকত। এরপরে ওয়ার্দা রিহাব এর নির্দেশনায় ধৃতি নর্তনালয় পরিবেশন করে সমবেত নৃত্য ‘নোঙ্গর তোল তো’…।    ‘মন সওদাগর সওদা করো থাকিতে বেলা’ ও ‘মন মানুষ হইতে চাও জাতি ধর্ম ছেড়ে’ পরিবেশন করেন কাজল দেওয়ান। ‘লাল পাহাড়ের দেশে যা, রাঙ্গামটির দেশে যা’ সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে সাভার নৃত্যদল। অনিমা মুক্তি গোমেজ পরিবেশন করেন একক সঙ্গীত ‘আমার হার কালা কোরলাম রে’.. আনসার আলী পরিবেশন করেন একক সঙ্গীত ‘ভাবের তালা’ (লালন গীতি)। দিশা মনি পাল (সাভার) পরিবেশন করেন একক নৃত্য ‘নীল অঞ্জন ঘন পুঞ্জ ছায়ায়’। কবি শান্তা মারিয়া পরিবেশন করেন কবিতা ‘জননী বাংলাদে’ এরপরে নবাবগঞ্জ নৃত্যদল পরিবেশন করে সমবেত সঙ্গীত- ‘যে মাটির বুকে ঘুমিয়ে আছে’.। ‘দেখে যাও, ওরে ও পথিক ভাই.. আমার পাড়ার গাঁও’… সমবেত সঙ্গীত পরিবেশন করে কেরানীগঞ্জ সঙ্গীতদল। ধামরাই সংগীতদল পরিবেশন করে সমবেত সংগীত- ‘বল নাহি ভয় নাহি ভয়/কারার ঐ লৌহ কপাট’। সমবেত সংগীত পরিবেশন করে ‘তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর পাড়ি দেব রে’.. সবশেষে আবারো নৃত্য পরিবেশনা, পরিবেশন করে ওয়ার্দা রিহাব এর নৃত্যদল, ধৃতি নর্তনালয় ‘বাংলার হিন্দু বাংলার বৌদ্ধ.।’

    একই সাথে গতকাল থেকে শুরু হলো ৬ দিনব্যাপী গণজাগরণের সংগীত উৎসব ২০২৩। ঢাকা জেলার আয়োজনে সাংস্কৃতিক উৎসব শেষে নন্দনমঞ্চে শুরু হয় ২য় পর্বের আয়োজন গণজাগরণের সংগীত উৎসব। আয়োজিত ৬ দিনরব্যাপী অনুষ্ঠানে থাকবে ১১ টি দলের পরিবেশনা। ১১ টি দল হলো- অন্তরা, সুরশ্রী, সঞ্চারী, রাগিনী, সুরধ্বনি, সুরসপ্তক, স্বরলিপি, গীতাঞ্জলি, গীতালি, সুরতরঙ্গ এবং সুরলহরী।

    প্রথম দিন পরিবেশনা উপস্থাপন করে অন্তরা সংগীত দল। একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন সুমা রায়, মিথিলা মল্লিক, আশা খন্দকার, অভিজিৎ দে, এম এ মোমিন, জি এম রহমান রনি, মৌসুমি আক্তার শ্রাবণী, শ্রীকৃষ্ণ গোপাল, তসলিমা আক্তার, ফাইজুর রহমান মিল্টন, সোহাইলা আফসানা ইকো, কাইফ মোহাম্মদ অয়ন, এনায়েত হোসেন রনি, সুমন রায় এবং সিদ্দিকুর রহমান।

    রবীন্দ্র ও নজরুল সংগীত, দেশের গান, ভাষার গান, গণজাগরণের গান, মুক্তিযুদ্ধের দলীয় ও একক গান পরিবেশন করেন শিল্পীরা।

  • বাংলাদেশের শিল্পকলা একাডেমির নবনিযুক্ত কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    বাংলাদেশের শিল্পকলা একাডেমির নবনিযুক্ত কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৩০ নভেম্বর, ২০২৩: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে নবনিযুক্ত ১১-২০তম গ্রেডের ৩৩ জন কর্মচারীর স্বল্পমেয়াদী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্স ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রশিক্ষণ বিভাগের ব্যবস্থাপনায় একাডেমিতে গতকাল বুধবার (২৯ নভেম্বর) বিকাল ৩.০০টায় কর্মচারীদের আনুষ্ঠানিকভাবে সনদপত্র বিতরণ করেন একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী। ১৪ দিনব্যাপী স্বল্পমেয়াদী বুনিয়াদি কোর্সের সমাপনী দিনে সনদপত্র বিতরণের এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন একাডেমির সম্মানিত সচিব জনাব সালাহউদ্দিন আহাম্মদ। সভাপতিত্ব করেন প্রশিক্ষণ বিভাগের পরিচালক জনাব মুহাম্মদ শরিফুল হক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন একাডেমির কর্মকর্তাবৃন্দরা।

    একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী সবাইকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ’যে যার অবস্থান থেকে সংস্কৃতির ধারক হয়ে ওঠতে হবে। সৎ ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে দেশের সংস্কৃতি চেতনা ও এই ধারাকে সমুন্নত রাখতে সবাই হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করতে হবে” ।

    স্বল্পমেয়াদী এ বুনিয়াদি কোর্সের মাধ্যমে কর্মীকে দক্ষ করে গড়ে তোলার লক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি এ ধরনের প্রশিক্ষণ আয়োজন করে থাকে। প্রশিক্ষণে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ইতিহাস, রূপকল্প, অভিলক্ষ্য, কার্যক্রম, বাংলাদেশের সংবিধান, আইন, বিধিমালা সম্পর্কে সম্যক ধারনা; প্রকল্প ব্যবস্থাপনা; আর্থিক সুবিধাদি; বিভাগীয় মামলা, তদন্ত প্রক্রিয়া; বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি; ই-গভর্নেন্স ও ইনোভেশন; সেবা প্রদান প্রতিশ্রুতি ও তথ্য অধিকার আইন; ডি নথি; অনুষ্ঠান আয়োজন ও ব্যবস্থাপনা; চারুকলা ও বাংলাদেশের চিত্রশিল্প সম্পর্কে সম্যক ধারণা; নন্দন তত্ব; বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের নিয়ে সম্যক ধারণা; সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তির ইতিহাস বিষয়ে সম্যক ধারণা; লোক সংস্কৃতি ও ক্ষুদ্র নৃগো্ষ্ঠীর জীবন সংস্কৃতির সম্যক ধারণা ইত্যাদিসহ নানাবিদ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

    পরে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশগ্রহণকারী কর্মচারীদের আনুষ্ঠানিকভাবে সনদপত্র বিতরণ করেন।

  • শিল্পকলার বটতলায় সাধুমেলার ৫৫তম আসর অনুষ্ঠিত

    শিল্পকলার বটতলায় সাধুমেলার ৫৫তম আসর অনুষ্ঠিত

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২৯ নভেম্বর, ২০২৩: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির বটতলার বাউলকুঞ্জে ২৮ নভেম্বর ২০২৩ সন্ধ্যায় লালন সাঁইজির তিরোধান দিবস উপলক্ষ্যে পূর্ণিমা তিথির সাধুমেলার ৫৫তম আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাধুমেলার পরিবেশনায় অংশ নেন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের বাউল সাধক ও শিল্পীরা। বটতলার এ আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী।

    আগতদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন ’এই বিশ্ব, বাউলদের চিন্তা-চেতনার, সাধনার ধারায় পরিবর্তিত হোক, শিল্প-সংস্কৃতির ক্ষমতায়ন ছাড়া এই বিশ্ব ভালোভাবে বাঁচতে পারবে না। কারণ অধিকাংশেরই পৃথিবীর প্রতি ভালোবাসা নাই। অধিকাংশই স্বার্থের জায়গায় চলে গেছে।’ মহাপরিচালক আরো বলেন, ‘বিশ্বের যেখানেই যেকোন হত্যাকান্ডে আমরা কষ্ট পাই, কিন্তু তার কোন প্রতিকার হয় না। এই বিশ্বকে নান্দনিক করতে, বাসযোগ্য করতে আমাদের দেশ থেকে আমরা ঘোষণা করবো- এই বিশ্বকে ধ্বংস করতে আমরা দিবো না, বরং বিশ্বকে নান্দনিক করতে বাংলাদেশ অনন্য ভুমিকা পালন করবে।’

    শিল্পকলায় সাধুমেলার ৫৫তম আসর - বিনোদন - ২৯ নভেম্বর ২০২৩ (খ)_1
    শিল্পকলায় সাধুমেলার ৫৫তম আসর – বিনোদন – ২৯ নভেম্বর ২০২৩ (খ)_1

    লিয়াকত আলী লাকী আরও বলেন- ‘বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি সারাদেশে প্রায় ৫০ হাজার শিল্পীকে একজায়গায় করার চেষ্টা করছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় আজ শিল্পকলা একাডেমি নানা কার্যক্রম নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, আজ বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, বাংলাদেশ নান্দনিক ও সৃজনশীল হবে সেই প্রত্যাশা করছি্’

    প্রযোজনা বিভাগের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত সাধুমেলায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বিভাগের পরিচালক সোহাইলা আফসানা ইকো এবং আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লালন গবেষক ড.সৈয়দ জাহিদ হোসেন।’

    অনুষ্ঠানের শুরুতেই বাউল গান পরিবেশন করেন বিশিষ্ট শিল্পী কুতুব উদ্দিন, উপমা আক্তার বৃষ্টি এবং মো: মাহাবুল ইসলাম। বিশিষ্ট শিল্পীদের গান পরিবেশনের পর শুরু হয় আলোচনা পর্ব। এরপর শুরু হয় অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বের গান।

    পরে জেলার বিশিষ্ঠ শিল্পীবৃন্দ বলাই শাহ, জামাল উদ্দিন, টুনটুন ফকির, সমির হোসেন, বাউল রাজিব শাহ্ এবং মো: আরিফুল হক পরিবেশন করেন দলীয় গান ‘দয়াল চাঁদ এসে’। এছাড়াও গান পরিবেশন করেন সিনিয়র শিল্পী ওমর আলী, লাভলী শেখ, তাসলিমা আক্তার, বিদ্যুৎ শীল এবং মো: মানিক।

    সবশেষে পরিবেশিত হয় দলীয় সংগীত ‘মিলন হবে কতো দিনে’। দলীয় সংগীত পরিবেশন করেন নাবিয়া বিনতে মিতুল, ফারুক হোসেন, শ্রী কৃষ্ণ গোপাল, মোছা: লিমা খাতুন, মোসেলিম মিয়া, মো: জাহিদুল ইসলাম, ফাহিমা আহমেদ শিফা, আব্দুল মান্নান তালুকদার, রুমা আক্তার, মো: মিরাজ সিকদার, মো: ফারুক মিয়া, মোছা: মহিমা খাতুন, শাহ নেওয়াজ সজীব, রেজাউল করিম রেজা, আখি বেগম, মমতাজ বেগম, মো: মিজান, মিনারা হক, মো: আবু বকর সিদ্দিক, মো: নুরুল ইসলাম শেখ, মো: শাহেদ আলী, স্বর্না খান, সামসামু আলম টিটু, রুমানা ইয়াসমিন এবং প্রিয়া বিশ্বাস প্রমুখ

    অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন আব্দুল্লাহ বিপ্লব।

  • এবার কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবে থাকছেন সালমান খান

    এবার কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবে থাকছেন সালমান খান

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২৩ নভেম্বর, ২০২৩: আসছে ডিসেম্বরের ৫ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত চলবে ২৯তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। প্রতি বছর এই উৎসবের তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের । আর তাই এই অনুষ্ঠানে তিনি নিজেই আমন্ত্রণ জানিয়ে থাকেন মুম্বাই চলচ্চিত্র জগতের তারকাদের এবং বিশিষ্টজনদের। তাই এর আগে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের দেখা গেছে অমিতাভ বচ্চন, জয়া বচ্চন, শাহরুখ খানসহ আরও অনেককে। মুম্বই, কলকাতার তারকাদের সমন্বয় ঘটে উৎসবের উদ্বোধনী মঞ্চে। তবে এ বছর চলচ্চিত্র উৎসবে থাকতে পারছেন না অমিতাভ-শাহরুখেরা। এ বার অতিথি হয়ে আসছেন সালমান খান। আরও থাকবেন কমল হাসান ও সোনাক্ষী সিন্‌হা।

    সম্প্রতি মুম্বই গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই দেখা করেন বিগ বি এবং তাঁর পরিবারের সঙ্গে। ‘জলসা’র দরজায় দেখা যায় মমতার সঙ্গে পুরো বচ্চন পরিবারের ছবি। সেই সময় জানা গিয়েছিল, অমিতাভের সঙ্গে দেখা করে তাকে আসন্ন চলচ্চিত্র উৎসবে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সাদরে আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন অমিতাভ। তবে এখন জানা যাচ্ছে, আসতে পারছেন না অভিনেতা। শারীরিক অসুস্থতার কারণেই নাকি এ বার আসতে পারছেন না তিনি। অন্য দিকে, শাহরুখ খান ব্যস্ত তাঁর মেয়ে সুহানা খানের বলিউড অভিষেক নিয়ে। সে কারণে দেখা যাবে না ‘কিং খান’কেও। তাই উৎসব মঞ্চ ঘিরে উকটা শূন্যতা দেখা গিয়েছিলো।

    অবশ্য এবার সেই শূন্যস্থান পূরণ করতে আসছেন বলিউডের ভাইজান। সদ্য মুক্তি পেয়েছে সালমানের ‘টাইগার ৩’ বিশ্ব জুড়ে ৩০০ কোটি টাকার ব্যবসা করেছে এই ছবি। এ ছাড়া চলতি বছরে কলকাতায় শো করতে এসে মুখ্যমন্ত্রী সঙ্গে দেখাও করে গিয়েছিলেন সালমান। এ বার একেবারে অতিথি হয়ে আসবেন চলচ্চিত্র উৎসবে। আরও যারা থাকছেন তাদের নিয়েও কলকাতার মানুষের আগ্রহের শেষ নেই । তাই মনে করে হচ্ছে এবার উৎসব আবারও আলো ছড়াবে আগের মতোই।

    সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

  • ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ গান সামাজিকমাধ্যম থেকে অপসারণের নোটিশ

    ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ গান সামাজিকমাধ্যম থেকে অপসারণের নোটিশ

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১৯ নভেম্বর, ২০২৩: বলিউডের হিন্দি ছবি ‘পিপ্পা’ সিনেমায় বিকৃত ভাবে কবি নজরুল ইসলামের বিখ্যাত ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ গানটি উপস্থাপনের পর থেকে দুই বাংলায় সমালোচনার ঝড় ওঠে।ভারতের বিখ্যাত সুরাকার এ আর রহমান গানটি রিমেক করেছেন।শুধু সুর বিকৃত করা হয়নি যে দৃশ্যায়নে গানটি ব্যবহার করা হয়েছে সেটাও ঠিক নয়। কেননা বুকে আগুন জ্বালানো গান গোল হয়ে নাচা হয়েছে যা গানটির কথার সঙ্গে বেমানান। তাই বলিউডের ‘পিপ্পা’ সিনেমায় এ আর রহমানের রিমেক করা কবি নজরুল ইসলামের বিখ্যাত ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ গান  সামাজিকমাধ্যম থেকে অপসারণ বা ব্লক করতে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

    আজ রবিবার (১৯ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের ১০ আইনজীবী ও ল’ অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশনের পক্ষে ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির ডাক ও ই-মেইলে এ নোটিশ পাঠান।

    তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং বিটিআরসির চেয়ারম্যানকে এ নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

    অবিলম্বে বাংলাদেশে ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ গানের এ আর রহমান ভার্সন ফেসবুক, ইউটিউব, নেটফ্লিক্স, অ্যামাজন প্রাইম, ওটিটি প্ল্যার্টফর্ম, ওয়েবসাইট ও অন্যান্য সামাজিক মাধ্যম থেকে অপসারণ বা ব্লক না করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

    ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের কাহিনি অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে বলিউড সিনেমা ‘পিপ্পা’। এতে কবি নজরুল ইসলামের বিখ্যাত ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ গানের রিমেক ব্যবহার হয়েছে।

    রিমেকটি তৈরি করেছেন উপমহাদেশের বিখ্যাত সংগীতশিল্পী এ আর রহমান। এতে প্রশংসার বদলে বাংলা ভাষাভাষীদের সমালোচনার ঝড়ে পড়েছেন এ অস্কারজয়ী কম্পোজার। পশ্চিমবঙ্গসহ বাংলাদেশের নজরুল অনুরাগীরা নতুন সুরের গানটিকে মেনে নিতে পারছেন না।

    গানটি নিয়ে মুখ খোলেন বিদ্রোহী কবির নাতি অনির্বাণ কাজী। এক রকম চটে গিয়ে তিনি বলেন, গানের ক্রেডিট থেকে তার পরিবারের নাম মুছে ফেলা হোক।

    কলকাতার গণমাধ্যম অন্য সময়কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অনির্বাণ বলেন, ‘আমরা বুঝতে পারিনি যে রহমানের মতো একজন শিল্পী এতটা অসংবেদনশীল হতে পারেন এবং এভাবে গানটিকে হত্যা করতে পারেন। প্রতিবাদ হিসেবে, আমি চলচ্চিত্রের ক্রেডিট লাইনে বিশেষ ধন্যবাদে আমাদের পরিবারের নাম চাই না। ’

    কাজী নজরুল ইসলামের পরিবার থেকে অনুমতি নিয়েই গানটি রিমেক করা হয়েছিল বলে তথ্য দেন অনির্বাণ।

    তিনি বলেন, ‘২০২১ সালে মা অনুমতি দিয়েছিলেন। সুর ও কথা না বদলে গানটা রিমেক করতে অনুমতি দিয়েছিলেন তিনি। সেই সময় তাদের (নির্মাতা) পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, গানটা তারা নিজেদের মতো করে ব্যবহার করতে চায়। তখন মা তাদের বলেছিলেন, গানটা তৈরি হয়ে গেলে একবার শোনাতে। কিন্তু ওরা কিছুই শোনায়নি। এরপর মা-ও মারা যান। ’

    গানটিকে বিকৃত করা হয়েছে অভিযোগ এনে অনির্বাণ বলেন, ‘রহমানকে সম্পূর্ণ শ্রদ্ধা জানিয়েই জানতে চাই, তাকে কে অধিকার দিল গানটি বিকৃত করার? স্বত্ব দেওয়ার সময় তো সুর বদলের কথা বলা হয়নি। কী রকম একটা করে দিয়েছে গানটাকে! একটা গ্রামীণ সংগীতের মতো, ভাটিয়ালির মতো করে দিয়েছে। অনেক সস্তা করে দিয়েছে। ’

    ভারতের আনন্দবাজার বলছে, দুই দেশের অধিকাংশেরই দাবি, রহমান গুণী হলেও নজরুলের গান নিয়ে সঠিক বিচার করেননি তিনি। গানের সুর বিকৃতি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশে এক যোগে প্রতিবাদও শুরু হয়েছে। উদারবাদীদের কেউ কেউ সেই সুর ‘হজম’ করে নিলেও বাংলার শিল্পী মহলের অধিকাংশই প্রতিবাদে সরব হয়েছেন। বিস্তর লেখালেখি শুরু হয়েছে সমাজমাধ্যম থেকে সংবাদমাধ্যমে। কেন সেই সুর বিকৃতি হল, কী ভাবে হল তা নিয়ে তর্ক চলছে। হয়তো আরও কিছু দিন চলবে। আরও পরে সেই বিতর্কে প্রলেপও পড়বে। তবে ছবিতে গানটির প্রয়োগ নিয়ে সে ভাবে কাউকে কথা বলতে দেখা গেল না। কোন দৃশ্যে সেই গান ব্যবহার হয়েছে, কতটা ব্যবহার হয়েছে, তার হিসাব মিলাতে পারছেননা অনেকে। ছবির যে দৃশ্যে ‘কারার ঐ লৌহ কপাট’ গানটি ব্যবহার হয়েছে, তাতে গানটির ঐতিহাসিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে। গুরুত্বও হারিয়েছে।

    পিপ্পা ছবির গল্পে, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মুক্তিবাহিনীকে সাহায্য করতে বাংলাদেশে যান এক ভারতীয় সেনা। এক দৃশ্যে দেখা গিয়েছে, সেই ভারতীয় সেনাকে নিয়ে আনন্দে মেতেছেন জনা কয়েক মুক্তিযোদ্ধা। তাঁকে ‘সর্ষে ইলিশ’ রেঁধে খাওয়ানোর কথা ভাবছেন। একই সঙ্গে চলছে আমোদপ্রমোদ। গলা ছে়ড়ে ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ গান গাইছেন (অন্য সুরে) মুক্তিযোদ্ধারা। গানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বনফায়ার ঘিরে নেচেও চলেছেন। সুর নিয়ে বিতর্ক তো হয়েছে, ব্যবহার নিয়েও কম বিতর্ক হওয়ার কথা নয়।

    ১৯২২ সালের ২০ জুন ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ গানটি লিখেছিলেন কবি কাজী নজরুল। মুক্তিযোদ্ধা চিত্তরঞ্জন দাস কারারুদ্ধ হলে তার স্ত্রী বাসন্তী দেবী নজরুলকে বলেছিলেন, বাংলার মানুষকে নিয়ে কিছু লিখতে। সেই অনুরোধের প্রতি সম্মান রেখেই নজরুল রচনা করেছিলেন ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ কালজয়ী গান। ১৯৪৯ সালের জুন মাসে যা রেকর্ড করা হয়। গিরিন চক্রবর্তীর গলায় প্রথম ভেসে ওঠে দ্রোহের এই গান।

    তাই সকলের দাবি গানটি দ্রুত পিপ্পা ছবি থেকে অপসারণ করা হোক।

  • শাহরুখের বাড়ি দেখে মুগ্ধ বেকহ্যাম

    শাহরুখের বাড়ি দেখে মুগ্ধ বেকহ্যাম

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১৮ নভেম্বর, ২০২৩: বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম তারকা ইংল্যান্ডের ডেভিত বেকহ্যাম। সদ্য ভারত সফরে এসেছিলেন ইউনিসেফের প্রচারদূত হিসেবে। বুধবার ওয়াংখেড়েতে বসে সেমিফাইনালে ভারত বনাম নিউ জ়িল্যান্ডের ম্যাচও দেখেন। ভারতে এসেই নিজের প্রচার কাশ শেষে গিয়েছিলেন মুম্বাই বাদশা বন্ধু শাহরুখ খানের বাড়িতে। শাহরুখের বাড়ি দেখে মুদ্ধ হলেন বেকহ্যাম।

    বলতে গেলে শাহরুখ অনুরাগীদের কাছে মু্ম্বাইয়ের অন্যতম দর্শনীয় স্থান শাহরুখ খানের বাড়ি ‘মন্নত’। মুম্বাইয়ের সবচেয়ে দামি ব্যক্তিগত বাড়ির অন্যতম এই ‘মন্নত’। বিশেষ করে ‘মন্নত’-এর অন্দরমহল দেখার কৌতূহল দমিয়ে রাখতে পারেন না অনেকেই। প্রথমে ‘মন্নত’-এর মালিকানা ছিল অন্য এক ব্যক্তির হাতে। অনেক দাম কষাকষির পর প্রাসাদোপম ওই বাড়িটি বিক্রি করতে ওই ব্যক্তিকে রাজি করিয়েছিলেন শাহরুখ। পরে তার থেকেই বাড়িটি কিনে নেন তিনি। ১৯৯৭ সালে ‘ইয়েস বস’ ছবি করার পর থেকেই এই বাড়িটিতে মন পড়ে গিয়েছিল শাহরুখের। ‘ইয়েস বস’ ছবির একটি অংশের শ্যুটিং হয়েছিল ‘মন্নত’-এর সামনেই। তখন বাড়িটির নাম ছিল ‘ভিলা ভিয়েনা’।

    গুজরাতি ব্যবসায়ী নরিম্যান দুবাসের ব্যক্তিগত সম্পত্তি ছিল ওই ভিলা। এই ভিলাতেই বংশ পরম্পরায় থাকতেন ওই ব্যবসায়ী। পরে তিনি অন্য একটি বাড়িতে চলে গিয়েছিলেন। তারপরই বাড়িটি কেনার চেষ্টা শুরু করেছিলেন শাহরুখ।

    ভারত সফরের শেষ রাতে মন্নতে যান ফুটবল তারকা ডেভিড বেকহ্যাম। আগেই বন্ধু শাহরুখ নিমন্ত্রন জানিয়েছিলেন এই তারকা ফুটবলারকে। যদিও তাঁর আগে অভিনেত্রী সোনম কপূর ও তাঁর স্বামী আনন্দ আহুজার বাড়িতে অতিথি হয়ে যান তিনি। এ ছাড়াও অম্বানীদের অ্যান্টালিয়াতেও নিমন্ত্রণ ছিল তাঁর। সব শেষে গেলেন শাহরুখ খান ও গৌরী খানের বাড়িতে। শাহরুখের আতিথেয়তা দেখে মুগ্ধ বেকহ্যাম। দেশে ফিরে গিয়েই শাহরুখকে নিমন্ত্রণ করলেন নিজের বাড়িতে।

    বেকহ্যাম ভারতে এসেছিলেন ইউনিসেফের প্রচারদূত হিসাবে। বেশ কিছু দিন কাটান গুজরাতে। সেখান থেকে সোজা সোনমের মুম্বইয়ের বাড়িতে। সেই পার্টিতে দেখা গিয়েছে একাধিক বলি তারকাকে। যদিও শাহরুখ তাঁর বাড়িতে আলাদা ভাবে নিমন্ত্রণ করেন বেকহ্যামকে। ফুটবল তারকার জন্য বাড়িতে বিশেষ পার্টির বন্দোবস্তও করেন বাদশা। বৃহস্পতিবার রাতে ওই পার্টি থাকলেও শুক্রবার নিজের এক্স অ্যাকাউন্টে বেকহ্যামের সঙ্গে ছবি দিয়ে ফুটবল তারকার প্রতি নিজের মুগ্ধতার কথা জানান শাহরুখ। পাশপাশি তাঁকে উপদেশ দেন, একটু ঘুমানোর। শুক্রবার সকালেই মুম্বই ছাড়েন বেকহ্যাম। মুম্বইয়ে যে কদিন ছিলেন, প্রায় প্রতিটা মুহূর্তই কেটেছে ব্যস্ততার মধ্যে। তবে শাহরুখের আতিথেয়তাই নাকি তাঁর ভারত সফর মনে রাখার মতো করে রাখল। বেকহ্যাম সমাজমাধ্যমের পাতায় ধনব্যাদ জানিয়ে শাহরুখের জন্য লেখেন, ‘‘তোমার মতো এক জন মানুষের বাড়িতে অতিথি হিসাবে ডাক পেয়ে সম্মানিত। প্রথম বার ভারত ভ্রমণ সত্যিই স্পেশ্যাল ছিল। ধন্যবাদ বন্ধু। তোমার এবং তোমার পরিবারের সকলের নিমন্ত্রণ রইল আমার বাড়িতে।’’

    সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

  • শিল্পকলায় ‘রুপসী বাংলা’ আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠিত

    শিল্পকলায় ‘রুপসী বাংলা’ আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠিত

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১৭ নভেম্বর, ২০২৩: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পৃষ্টপোষকতায় চারুকলা বিভাগের ব্যবস্থাপনায় এবং ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে গতকাল বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর ২০২৩) অনুষ্ঠিত হলো ‘রূপসীবাংলা’ শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান। সকাল ১১ টায় জাতীয় চিত্রশালা গ্যালারিতে  আলোকচিত্র প্রদশর্নীর উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি। এ সময় অনুষ্ঠানের সভাপতি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী ও অনান্যগণ উপস্থিত ছিলেন। পরে আলোকচিত্র প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন অতিথিবৃন্দরা। প্রদর্শনী শেষে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।

    আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠিত - বিনোদন - ১৭ - নভেম্বর ২০২৩ (খ)_1
    আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠিত – বিনোদন – ১৭ – নভেম্বর ২০২৩ (খ)_1

    পরে আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন একাডেমির সম্মানিত সচিব জনাব সালাহ উদ্দিন আহাম্মদ। বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন এর সভাপতি ইন্দ্রজিৎ কুমার ঘোষ বক্তব্য প্রদান করেন।

    এরপর সভাপতির বক্তব্যে জনাব লিয়াকত আলী লাকী বলেন – ’রুপসী বাংলা’য় অসাধারণ কনসেপ্ট নিয়ে কাজ করছে ফটো সাংবাদিকরা। আমি তাদের সাধুবাদ জানাই। ফটো সাংবাদিকরাও শিল্পী এবং শিল্প যোদ্ধা।

    এছাড়া অপপ্রচার বন্ধ করে কোনটা প্রচার করতে হবে সেগুলোর ব্যাপারে সচেতন থাকার পরামর্শ দেন তিনি।

    আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) আওয়ামী লীগ এর সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহাম্মদ মান্নাফি। এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন এর সাধারণ সম্পাদক জনাব কাজী বোরহান উদ্দিন।

    আলোচনা পর্বের শুরুতেই সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করা হয়। ঋত্বিক নাট্যজন জনাব লিয়াকত আলী লাকীর ভাবনা ও পরিকল্পনায় পরিবেশিত হয় যুদ্ধ বিরোধী সমবেত নৃত্য ‘অবহেলায় মৃত্যু আর নয়’। নৃত্য পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির শিশু-কিশোর নৃত্যশিল্পীবৃন্দ।

    এরপর শুরু হয় পুরস্কার বিতরণ ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান। আয়োজিত অনুষ্ঠানে আলোকচিত্র প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ ও সম্মাননা প্রদান করা হয়। বিজয়ীদের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকারী রিয়াজ আহমেদ সুজনকে নগদ ৪০ হাজার টাকা, ক্রেষ্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। পর্যায়ক্রমে দ্বিতীয় স্থান অধিকারকারী মোহাম্মদ পনির হোসাইন নগদ ৩০ হাজার টাকা, ক্রেষ্ট ও সার্টিফিকেট এবং তৃতীয় স্থান অধিকারকারী লুৎফর রহমানকে প্রদান করা হয় নগদ ২০ হাজার টাকা, ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট। যৌথভাবে মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান এবং মাহবুব হোসেন খানকে বিশেষ পুরস্কার হিসেবে নগদ ৫ হাজার টাকা সাথে ক্রেষ্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। এছাড়াও বরেণ্য শিল্পী সম্মাননা ২০২৩ এবং মরণোত্তর সম্মাননা ২০২৩ প্রদান করা হয়।

    বরেণ্যশিল্পী সম্মাননা ২০২৩ পেয়েছেন বরেণ্যশিল্পী স্বপন সরকার এবং এ কে এম মহসীন। উভয়কেই নগদ ২০ হাজার টাকা, ক্রেষ্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে। বরেণ্যশিল্পী এ কে এম মহসীন এর পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন এর সভাপতি ইন্দ্রজিৎ কুমার ঘোষ।

    মরণোত্তর সম্মাননা ২০২৩ পেয়েছেন মুফতী মুনীর এবং মীর মহিউদ্দিন সোহান। উভয়কেই নগদ ২০ হাজার টাকা, ক্রেষ্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। তাঁদের পক্ষ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন মুফতী মুনীর এর স্ত্রী নাজমা পারভীন এবং মীর মহিউদ্দিন সোহানের কন্যা।

    পুরস্কার বিতরণ শেষে আবারো অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। ঋত্বিক নাট্যজন জনাব লিয়াকত আলী লাকীর ভাবনা ও পরিকল্পনা এবং রীতা নাহার এর গ্রন্থনায় পরিবেশিত হয় কোরিগ্রাফি ‘রোহিঙ্গা নামা’। পরিবেশনায় একাডেমির নৃত্যশিল্পীবৃন্দ। সমবেত নৃত্য ‘আজ যতো যুদ্ধরাজ পরিবেশন করে একাডেমির নৃত্যশিল্পীরা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন আব্দুল্লাহ বিপ্লব।

    ‘রূপসীবাংলা’ আলোকচিত্র প্রদর্শনী ১৬-২৫ নভেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১১.০০টা থেকে রাত ৮.০০টা পর্যন্ত এবং শুক্রবার বিকাল ৩.০০টা থেকে রাত ৮.০০টা পর্যন্ত জাতীয় চিত্রশালার ২নং গ্যালারিতে প্রদর্শনী চলবে।

  • জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী

    জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১৫ নভেম্বর, ২০২৩: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২২ এর প্রদান করেছেন। তিনি গতকাল সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে ২৭টি বিভাগে বিজয়ী শিল্পী ও কলা কুশলীদের মাঝে এই পুরস্কার প্রদান করেন।

    জাতির পিতার ছোট কন্যা এবং প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

    এরআগে গত ৩১ অক্টোবর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।

    বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং ‘ওরা ১১ জন’ খ্যাত বিশিষ্ট অভিনেতা কামরুল আলম খান খসরু এবং বিশিষ্ট অভিনেত্রী রওশন আরা রোজিনা, যিনি ‘রোজিনা’ নামে পরিচিত, চলচ্চিত্র শিল্পে তাদের অসামান্য অবদানের জন্য ২০২২ সালে আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।

    জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী - বিনোদন - ১৫ - নভেম্বর ২০২৩ (খ)_1
    জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী – বিনোদন – ১৫ – নভেম্বর ২০২৩ (খ)_1

    সৈয়দা রুবাইয়াত হোসেন তার ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ চলচ্চিত্রের জন্য সেরা পরিচালকের পুরস্কার পেয়েছেন।

    মুহাম্মদ কাইয়ুম প্রযোজিত ‘কুড়া পক্ষীর শুন্যে উড়া’ ও মোহাম্মদ তামজিদ উল আলম প্রযোজিত ‘পরাণ’ যৌথভাবে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে।

    চঞ্চল চৌধুরী ‘হাওয়া’ চলচ্চিত্রে তার প্রধান চরিত্রের জন্য সেরা অভিনেতা নির্বাচিত হন, আর যৌথভাবে জয়া আহসান ‘দ্য বিউটি সার্কাস’ এবং রিকিতা নন্দিনী শিমু ‘শিমু’ চলচ্চিত্রের জন্য সেরা অভিনেত্রীর পুরষ্কার ২০২২ পেয়েছেন।

    অনুষ্ঠানে আজীবন সম্মাননা প্রাপ্ত শিল্পী এবং শ্রেষ্ঠ অভিনেতা-অভিনেত্রী ও কলা-কুশলী অন্যান্য ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের বৃত্তান্ত তুলে পৃথক ভিডিও চিত্র প্রদর্শিত হয়।

    অনুষ্ঠানে পার্শ্ব চরিত্রে ‘পরাণ’ চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন মো. নাসির উদ্দিন খান এবং আফসানা মিমি ‘পাপ পুণ্য’ চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রীর পুরস্কার লাভ করেন।

    শুভাশিস ভৌমিক ‘দেশান্তর’ ছবির জন্য নেতিবাচক চরিত্রে (খল চরিত্র) সেরা অভিনেতার পুরস্কার পান। ‘রোহিঙ্গা’ ও ‘বীরত্ব’ চলচ্চিত্রের জন্য যৌথভাবে শ্রেষ্ঠ শিশু শিল্পীর পুরস্কার পেয়েছেন বৃষ্টি আক্তার ও মুনতাহা এমিলিয়া।

    ‘পায়ের ছাপ’ চলচ্চিত্রের একটি গানের জন্য সেরা সঙ্গীত পরিচালকের পুরস্কার পেয়েছেন রিপন খান (মাহমুদুল ইসলাম খান)।

    ‘অপারেশন সুন্দরবন’ চলচ্চিত্রের ‘এ মন ভিজে যায়’ গানের জন্য যৌথভাবে বাপ্পা মজুমদার এবং ‘হৃদিতা’ চলচ্চিত্রের ঠিকানা বিহীন তোমাকে গানের জন্য চন্দন সিনহা সেরা গায়কের পুরস্কার পেয়েছেন।

    ‘পায়ের ছাপ’ চলচ্চিত্রের ‘এই শহরের পথে পথে’ গানের জন্য সেরা গায়িকা পুরস্কার পেয়েছেন আতিয়া আক্তার আনিসা।

    শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র বিভাগে ‘বঙ্গবন্ধু ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ এর জন্য প্রযোজক অধ্যাপক ড. এ জে এম শফিউল আলম ভূইয়া এবং শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগে ‘ঘরে ফেরা’ এর জন্য প্রযোজক এস এম কামরুল আহসান পুরস্কার পেয়েছেন।

    অন্যান্য পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন- শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার ফরিদুর রেজা সাগর ও খোরশেদ আলম খসরু, ‘পরাণ’ চলচ্চিত্রের জন্য রবিউল ইসলাম জীবন শ্রেষ্ঠ গীতিকার, শ্রেষ্ঠ সুরকার শওকত আলী ইমন (পায়ের ছাপ), শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার মুহাম্মদ কাইয়ুম, এস এ হক অলিক (সংলাপ), মো. সাইফুল ইমাম (শ্রেষ্ঠ কৌতুক চরিত্র) সুজন মাহমুদ (সম্পাদক), হিমাদ্রি বড়ুয়া (সেরা শিল্প নির্দেশনা), রিপন নাথ (শব্দগ্রাহক), তানসিনা শাওন (পোশাক ও সাজ-সজ্জা) এবং মো. খোকন মোল্লা (মেকআপ ম্যান) এবং ফারজিনা আক্তার (সেরা শিশু শিল্পী বিশেষ বিভাগ) পুরস্কার পেয়েছেন।

    তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হাসানুল হক ইনু। স্বাগত বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. হুমায়ুন কবির খন্দকার। আজীবন সম্মাননা প্রাপ্ত শিল্পী রোজিনা অনুষ্ঠানে নিজস্ব অনুভূতি ব্যক্ত করেন।

    সূত্র: বাসস

  • ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ গান নিয়ে বিতর্কে ক্ষমা চাইলেন নির্মাতারা

    ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ গান নিয়ে বিতর্কে ক্ষমা চাইলেন নির্মাতারা

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১৪ নভেম্বর, ২০২৩: কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের জাতীয় কবি। অপরদিকে পশ্চিমবঙ্গের বাংলা ভাষাভাষী মানুষদের কাছে কবি নজরুল খুবই জনপ্রিয়। কবিকে বলা হয় বিদ্রোহী কবি, মানবতা ও সাম্যের কবি। কিন্তু আমাদের জাতীয় কবির একটি গানকে ভারতের একটি হিন্দি ছবিতে ব্যবহার করার পর শুরু হয়েছে প্রতিবাদ। সেখানে বলা হয়েছে ছবিটিতে গানটির সুর বিকৃত করা হয়েছে। ‘পিপ্পা’ নামের সেই ছবিটি পরিচালনা করেছেন রাজা কৃষ্ণ মেনন। অপর দিকে গানটির সুর দিয়েছেন ভারতের অন্যতম সুরকার এ আর রহমান। পিপ্পা ছবিটি মুক্তি পেয়েছে গত শুক্রবার। এ ছবিতে কাজী নজরুল ইসলামের ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ গানটিতে সুর বিকৃতি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশে এক যোগে শুরু হয়েছে প্রতিবাদ। বিগত কয়েকদিনে বাংলার সাংস্কৃতিক জগতের বিশিষ্ট জনেরা বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। কিন্তু রাবিবার পর্যন্ত ছবির নির্মাতা বা রহমান কারও পক্ষ থেকেই কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    তবে সোমবার বিকেলে এই বিতর্ককে মাথায় রেখে বিবৃতি দিলেন ‘পিপ্পা’ ছবির অন্যতম প্রযোজক সিদ্ধার্থ রায় কাপুর (রায় কাপুর ফিল্মস)।  এই প্রসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাতায় একটি পোস্ট তারা লিখেছেন, “এই গানকে ঘিরে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, সেখানে প্রযোজক, পরিচালক এবং সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে আমরা নজরুল পরিবারের থেকে প্রয়োজনীয় স্বত্ব নেওয়ার পরেই শিল্পের খাতিরে গানটিকে তৈরি করেছি। ”

    এরই সঙ্গে নির্মাতারা লিখেছেন, “কাজী নজরুল ইসলাম এবং তার সৃষ্টির প্রতি আমাদের মনে গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। ”

    এরই সঙ্গে নজরুলের পুত্রবধূ কল্যাণী কাজী এবং তার পুত্র কাজী অনির্বাণের থেকে যাবতীয় নিয়ম মেনে যে এই গানের স্বত্ব নেওয়া হয়েছিল সে কথাও ওই বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

    উল্লেখ্য, এর আগে নজরুল পরিবারের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে অনির্বাণ জানান, গানের কথা ব্যবহার করা হলেও সুর বদলানো যাবে না এই মর্মেই তারা নির্মাতাদের স্বত্ব দিয়েছিলেন। কিন্তু বিবৃতিতে রায় কাপুর ফিল্মস জানিয়েছে- গানটির ঐতিহাসিক তাৎপর্যকে শ্রদ্ধা জানানোই আমাদের উদ্দেশ্য ছিল। গানের কথা ব্যবহার এবং সুরের পরিবর্তন চুক্তি অনুযায়ী করা হয়েছে।

    সব শেষে ওই বিবৃতিতে লেখা হয়েছে, ‘‘আমরা মূল গানটিকে ঘিরে শ্রোতাদের আবেগকে সম্মান করি। শিল্প যে হেতু ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গির উপর নির্ভরশীল, সেখানে আমাদের পদক্ষেপ যদি কারও আবেগে আঘাত করে থাকে, তার জন্য আমরা ক্ষমাপ্রার্থী।’’

    নির্মাতাদের তরফে ক্ষমা চাওয়া হয়েছে। আগামী দিনে স্বয়ং রহমান এই বিতর্কে কোনও প্রতিক্রিয়া দেন কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

    এদিকে অত্যান্ত জনপ্রিয় এই গানটির সুর বিকৃত করার কারণে বাংলাদেশে সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে চলছে প্রতিবাদ। অনেকে অবিলম্বে গানটিকে ‘পিপ্পা’ ছবি থেকে বাদ দেওয়ার দাবি তুলেছে।

    এখানে উল্লেখ থাকে যে বিশিষ্ট পরিচালক জহির রায়হান ১৯৭০ সালে নির্মান করেন বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অন্যতম শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ‘জীবন থেকে নেয়া’। ছবিটিতে প্রাসঙ্গিক ভাবেই তিনি ব্যবহার করেছিলেন ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ গানটি। এতে একদিকে যেমন ছবিটির আবেদন অনেকাংশে বেড়ে যায় তেমনি ভাবে নজরুরের গানটিও তৎকালিন গণ জাগরণে বিরাট ভুমিকা  রাখে।