Category: বিনোদন

  • পর্দা নামলো গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসবের

    পর্দা নামলো গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসবের

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৩: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে ১৩দিনব্যাপী  চলা  গণজাগরনের সাংস্কৃতিক উৎসবের পর্দা নামল গতকাল শুক্রবার। শেষ দিনের আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়েছে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। প্রতিদিনকার এ অনুষ্ঠানমালায় জেলা থেকে আসা বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের পাশাপাশি পরিবেশনা উপস্থাপন করেন দেশের গুনী তারকা শিল্পীরাও। শিল্পের সকল মাধ্যমের শিল্পীদের এক কাতারে আনয়নের লক্ষ্যে সংস্কৃতির নানামুখী কার্যক্রম সম্পাদন করছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি।

    সমাপনী দিনের আয়োজনে শুরুতেই সমবেত নৃত্য ‘স্বাধীনতা শব্দটি’ পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নৃত্যদল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সম্মানিত মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী। এরপর ধারাবাহিক আয়োজন যন্ত্রসংগীত, পরিবেশিত হয় ‘ঢোল বাধন’।

    বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ভাওয়াইয়া দল পরিবেশন করে দলীয় সংগীত ‘তোরসা নদীর উতাল পাতাল’ ও ‘যে জন প্রেমের ভাব জানেনা’। এরপর সমবেত নৃত্য ‘আমরা এই বিশ্বে’ ও ‘জ্বলে উঠো বাংলাদেশ’। নৃত্য পরিবেশন করে ভঙ্গিমা ডান্স থিয়েটার ও নৃত্য পরিচালনা করেছেন সৈয়দা সায়লা আহমেদ লিমা।

    এরপর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির অ্যাক্রোবেটিক দল পরিবেশন করে অ্যাক্রোবেটিক শো। আবৃত্তি করেন স্বনামধন্য ব্যক্তিত্ব ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর একক সংগীত পরিবেশন করেন শেখ জসীম। আবার দলীয় সংগীত ‘এমন মানব জনম’ ও ‘নোঙ্গর তোল তোল’, সংগীত পরিবেশন করে সংগীত দল সুরলহরী। এরপর সমবেত নৃত্য ‘দুর্জয় দুর্নিবার বাংলাদেশ’, কচি রহমানের নৃত্য পরিচালনায় নৃত্য পরিবেশন করে নৃত্যদল আকুতি।

    আবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির অ্যাক্রোবেটিক দল পরিবেশন করে অ্যাক্রোবেটিক শো। এরপর প্রদর্শীত হয় ম্যাজিক শো। একক সংগীত পরিবেশন করবেন খায়রুল আনাম শাকিল। দলীয় সংগীত পরিবেশন করে সংগীত দল সুরতরঙ্গ। এরপর পরিবেশিত হয় তারকা শিল্পী প্রাণ রায় এবং ভাবনার পরিবেশনা।

    আবারো পরিবেশিত হয় সমবেত নৃত্য ‘বিজয় নিশান’ ও ‘দাম দিয়ে কিনেছি’। নৃত্য পরিচালক জি এম ববির পরিচালনায় নৃত্য পরিবেশন করে নৃত্যবৃত্তি নৃত্যদল। এরপর দলীয় সংগীত পরিবেশন করেন কুদ্দুস বয়াতী ও তার দল।

    আবার প্রদর্শীত হয় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির অ্যাক্রোবেটিক দল পরিবেশনা। এরপর নৃত্যশৈলী নৃত্যদল পরিবেশন করে নৃত্য ‘মালনীছড়া’, নৃত্য পরিচালনা করেন নীলাঞ্জনা জুঁই। এরপর দলীয় লালন সংগীত ‘ধন্য ধন্য বলি তার ‘ ও ‘মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি’ পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির বাউল দল। এরপর আবার প্রদর্শীত হয় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির অ্যাক্রোবেটিক দলের পরিবেশনা। তারপর সমবেত নৃত্য ‘চলো বাংলাদেশ’, পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির শিশুদল। সবশেষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির প্রতিশ্রুতিশীল দল পরিবেশন করে সমবেত নৃত্য ‘আজ যত যুদ্ধবাজ’।

    অনুষ্ঠানে উপস্থাপনায় ছিলেন- কাজী বুশরা আহমেদ তিথি ।

  • গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসবে মুখরিত শহীদ মিনার চত্বর

    গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসবে মুখরিত শহীদ মিনার চত্বর

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৩: গতকাল বুধবার বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ৪ দিনব্যাপী আয়োজনের দ্বিতীয় দিনে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিজয়ের মাসে বাংলার জয়গান থেকে শুরু করে গ্রামীণ লোক ঐতিহ্য, অ্যাক্রোবেটিক, জাদু, নৃত্য এবং সঙ্গীত অনুষ্ঠান । বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে ঢাকা মহানগর এবং জেলা শিল্পীদের অংশগ্রহণে ধারাবাহিক এ উৎসব চলছে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত। পুরো আয়োজনের ভাবনা ও পরিকল্পনায় ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী।

    শুরুতেই দীপা সরকারের পরিচালনায় ‘খাঁটি সোনার চাইতে খাঁটি ‘ও ‘ধন ধান্যে’ গানে নৃত্য পরিবেশন করে কল্যানী নৃত্যাঙ্গন নৃত্যদল। এরপর পরিবেশিত হয় অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনী ‘রোলার ব্যালেন্স’ পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির অ্যাক্রোবেটিক দল ।

    গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসব - বিনোদন - ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩ (২)_1
    গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসব – বিনোদন – ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩ (২)_1

    এরপর ধারাবাহিক পরিবেশনায় সমবেত নৃত্য ‘নোঙ্গর তোল তোল’ পরিবেশিত হয়। নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন সেলিনা হক। এরপর পরিবেশন করে নৃত্যসুর নৃত্যদল।

    দলীয় সংগীত ‘আমরা করবো জয় ‘ ও ‘আমরা সবাই বাঙালী’ গান পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির প্রতিশ্রুতিশীল সংগীতদল স্বরলিপি। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির অ্যাক্রোবেটিক দল পরিবেশন করে অ্যাক্রোবেটিক শো- চেয়ার সেটিং। আবার সমবেত নৃত্য ‘আনন্দধারা বহিছে’ পরিবেশন করে নৃত্যদল ‘অংশী’, নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন আনন্দিতা খান। এরপর আবৃত্তি করেন সামীউল আজিজ। ধারাবাহিক অনুষ্ঠানমালায় পরিবেশিত হয় ম্যাজিক শো। এরপর একক সংগীত ‘হিংসা নিন্দা ছাড়ো’ পরিবেশন করেন বিমান চন্দ্র বিশ্বাস। এরপর আবার দলীয় সংগীত। দলীয় সংগীত ‘চল চল চল ’ ও ‘বান এসেছে মরা গাঙে’ পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির প্রতিশ্রুতিশীল সংগীতদল সুরধ্বনি। এরপর ‘দে তালি’ শিরোনামের গানে সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে নৃত্যদল ‘নৃত্যাক্ষ। আবার প্রদর্শীত হয় অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনী ‘হাড়ি ও লাঠি ব্যালেন্স’, পরিবেশন করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির অ্যাক্রোবেটিক দল। এরপর একক সংগীত পরিবেশন করেন সামিউন জাহান রিমি।

    আবার পরিবেশিত হয় দলীয় সংগীত ‘আজ জীবন খুঁজে পাবি’ ও ‘শোন একটি মুজিবুরের থেকে’। সংগীত পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির প্রতিশ্রুতিশীল সংগীতদল সুরসপ্তক। আবারো সমবেত নৃত্য ‘ঢোল বাজে ঢোল বাজে’, বাংলাদেশের ঢোল’ পরিবেশন করে পরম্পরা নৃত্যদল। এরপর পরিবেশিত হয় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির প্রশিক্ষিত অ্যাক্রোবেটিক দলের শো-নেক আয়রনবার। বহ্নিশিখা নৃত্যদল পরিবেশন করে সমবেত নৃত্য-‘ধনধান্য পুষ্প ভরা’ ও ‘আমরা সবাই বাঙালি’। এরপর তারকা শিল্পী খান আসিফুর রহমান আগুন পরিবেশন করেন ‘একাত্তরের মা জননী’ ও ‘ও আমার বন্ধুগো’। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির শিশু দল পরিবেশন করে সমবেত নৃত্য ‘ আমরা সুন্দরের অতন্দ্র প্রহরী’। আবারও পরিবেশিত হয় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পরিবেশনায় ‘বঙ্গবন্ধু প্রিয় গান’। অনুষ্ঠানে উপস্থাপনায় ছিলেন-মাশকুরে সাত্তার কল্লোল।

  • রিকশাচিত্র শিল্পীদের সংবর্ধনা দিয়েছে বাংলা একাডেমি

    রিকশাচিত্র শিল্পীদের সংবর্ধনা দিয়েছে বাংলা একাডেমি

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৩: বাংলাদেশের সংস্কৃতির একটি উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে রিকশাচিত্র। এই চিত্রগুলি এতটাই জীবন ঘনিষ্ঠ ও প্রাণবন্ত যেটা সবার মন ছুয়ে যায়। বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে এই রিকশাচিত্রকে ইউনেস্কো থেকে স্বীকৃতি দিয়েছে।  এই উপলক্ষে রিকশাচিত্র শিল্পীদের সংবর্ধনা দিয়েছে বাংলা একাডেমি।

    আজ মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় একাডেমির আব্দুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে ফোকলোর, জাদুঘর ও মহাফেজখানা বিভাগ এ সংবর্ধনা দেয়।

    এতে দেশের বিভিন্ন জেলার ১১১ জন রিকশা চিত্রকরকে সার্টিফিকেট ও সম্মানসূক চাদর দেওয়া হয়।

    চলতি মাসের ৬ ডিসেম্বর (বুধবার) ঢাকার রিকশা ও রিকশাচিত্রকে অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয় জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা (ইউনেস্কো)।

    অনুষ্ঠানে রিকশাচিত্র শিল্পীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেন, “এনিমেল পেইন্ট দিয়ে সাধারণত চিত্র আঁকা হয় না। আমাদের রিকশাচিত্র শিল্পীরা এই অসাধ্য ও ব্যতিক্রমী কাজটি করে যাচ্ছেন। আমি অনুরোধ করব, তারা যাতে এটি বজায় রাখেন।”

    তিনি আরও বলেন, “পুরো ক্যাটালগটি যখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে গিয়েছি; দেখি, উনি রিকশাপেইন্টার ও তাদের ইতিহাসসহ সবই জানেন। করোনার সময় প্রায় ৭০ জন চিত্রকরকে প্রণোদনা দিয়েছিলেন তিনি।”

    স্বাগত বক্তব্যে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক নূরুল হুদা বলেন, “যারা রিকশা শিল্পের সঙ্গে যুক্ত তারা কোনো আর্ট স্কুলে পড়াশোনা করেননি। হয়তো বাবার সঙ্গে করতে করতে ছেলে শিখেছেন। এভাবে একটি বংশ তৈরি হয়েছে। তারাই দেশের রিকশাগুলোয় চিত্র আঁকেন।”

    বাংলা একাডেমির সভাপতি সেলিনা হোসেন বলেন, “রিকশাচিত্র একটি অন্যরকম দিক। এই স্বীকৃতি একটি নতুন দিগন্তের উন্মোচন করেছে। শিল্পের এই শিল্পের মাধ্যমে আমরা সব শিল্পকে নতুন করে দেখব বলে আশা করেন তিনি।”

    সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব খলিল আহমদ, বাংলা একাডেমির ফোকলোর, জাদুঘর ও মহাফেজখানার পরিচালক ড. আমিনুর রহমান সুলতান, বাংলা একাডেমির অতিরিক্ত সচিব ড. মো. হাসান কবীরসহ প্রমুখ।

  • যন্ত্র সঙ্গীতের মূর্ছনায় মুগ্ধ শ্রোতারা

    যন্ত্র সঙ্গীতের মূর্ছনায় মুগ্ধ শ্রোতারা

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৩: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসবে ৮ম দিন পরিবেশিত হলো যন্ত্রসঙ্গীতের মূর্ছনা। গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় শুরুতেই যন্ত্রসংগীত পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির যন্ত্রশিল্পীবৃন্দ। এরপর সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে নৃত্যদল আরাধনা। নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন প্রিয়াংকা সাহা । পরিবেশিত হয় ‘দুর্গম গিরি কান্তার মরু’ নৃত্য। এরপর পরিবেশিত হয় আবৃত্তি, পাঠ করেন জনপ্রিয় আবৃত্তিকার মীর বরকত। এরপর মরমী সাধক লালন সাঁইয়ের গান পরিবেশন করেন রিতা মন্ডল “আমার এই ঘরখানায় কে বিরাজ করে”। আবারো সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে নৃত্যাঙ্গন নৃত্যদল। নৃত্য পরিচালনা করেন আতিকুর রহমান উজ্বল, পরিবেশিত হয় ‘জয় বাংলা জয় বাংলা’ । এরপর রবীন্দ্র সঙ্গীত ‘বরিষ ধরা মাঝে’ পরিবেশন করেন শাহনাজ নাসরীন ইলা এবং একক সংগীত পরিবেশন করেন আবু বকর সিদ্দিক। আবার সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে নৃত্যদল কাঁদামাটি। নৃত্য পরিচালনায় করেন আমিনুল আশরাফ ‘আত্মত্যাগের পরিচয়’ । একক সংগীত পরিবেশন করেন সুমাইয়া জাহান শিমু।

    নৃত্যে মুগ্ধ দর্শকরা - বিনোদন - ২৫ ডিসেম্বর ২০২৩ (২)
    নৃত্যে মুগ্ধ দর্শকরা – বিনোদন – ২৫ ডিসেম্বর ২০২৩ (২)

    ধারাবাহিক এ আয়োজনে পরবর্তী পরিবেশনা সমবেত নৃত্য, পরিবেশন করে অ্যালিফিয়া ডান্স এ্যাটেলিয়ার। নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন নৃত্য পরিচালক মোফাফসল আলিক ‘তুমি বাংলার ধ্রুবতারা । এরপর আবৃত্তি পাঠ করেন বেলায়েত হোসেন। আবারো সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে আরাধনা নৃত্যদল। নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন প্রিয়াংকা সাহা পরিবেশিত হয় ‘মুক্তির মন্দির সোপান তলে’। এরপর একক সংগীত পরিবেশন করেন হৈমন্তি রক্ষিত। আবারো সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে নৃত্যাঙ্গন নৃত্যদল। নৃত্য পরিচালনা করে আতিকুর রহামন উজ্বল ‘নোঙ্গর ছাড়িয়া দে’। এরপর একক সংগীত পরিবেশন করেন কাজল দেওয়ান। আবার সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে অ্যালিফিয়া ডান্স এ্যাটেলিয়ার, নজরুল সঙ্গীত ‘মোরা ঝঞ্জার মতো।

    জমজমাট এ উৎসবে পরবর্তী পরিবেশনা ‘গণজাগরণের সংগীত’ পরিবেশন করে ঋষিজ শিল্পীগোষ্ঠী। সবশেষে সমবেত নৃত্য পরিবেশনা করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির শিশু নৃত্য দল ‘চলো বাংলাদেশ’।

    অনুষ্ঠানে উপস্থাপনায় ছিলেন-নৃরুল হাসনাত জিলানী।

  • শিল্পকলায় চলছে গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসব

    শিল্পকলায় চলছে গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসব

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৩: বিজয়ের মাসে শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হলো গণজাগরণের ৬ষ্ঠ দিনের উৎসব। গতকাল শুক্রবার ২২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয় আধুনিক ও দেশাত্ববোধক গানে সমবেত নৃত্যের পাশাপাশি আবৃত্তির বৈচিত্র্যময় সব পরিবেশনা।

    গতকালের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে শুরুতেই সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে নৃত্যছন্দ দল। নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন বেনজির সালাম। দেশের গান ‘মধুরো ধ্বনি বাজে’ নৃত্য পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শুরু হলো গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসবের ৬ষ্ঠ দিনের আয়োজন। এরপর পরিবেশিত হয় আবৃত্তি, পরিবেশনায় ছিলেন সিদ্দিকুর রহমান পারভেজ। ‘আমার মাঝে নেই এখন আমি’ একক সংগীত পরিবেশন করেন মোহনা দাস। আবার সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে নন্দনকলা কেন্দ্র।  নৃত্য পরিচালনা করেন এম আর ওয়াসেক। পরিবেশিত হয় ‘৫২তে বলেছি’ ।  এরপর ‘গণজাগরণের গান’ একক সংগীত পরিবেশন করেন রিতা ভাদুরী। আবার সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে কাথ্যাকিয়া নৃত্যদল। নৃত্য পরিচালনা করেন এস এম হাসান ইশতিয়াক ইমরান। পরিবেশন করে ‘প্রচন্ড গর্জনে’ করে। ‘আজ গুন গুন কুঞ্জে’ একক সংগীত পরিবেশন করেন শারমিন আক্তার।

    গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসব  - বিনোদন - ২৩ ডিসেম্বর ২০২৩ (২)_1
    গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসব – বিনোদন – ২৩ ডিসেম্বর ২০২৩ (২)_1

    ধারাবাহিক এ আয়োজনে পরবর্তী পরিবেশনায় ছিলেন তারকা শিল্পী শামীমা তুষ্টি এবং তানভীন সুইটি। এরপর সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে নৃত্যছন্দ দল। নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন বেনজির সালাম ‘মাগো আর তোমাকে’। এরপর আবৃত্তি করেন লায়লা আফরোজ। আবারো একক সংগীত পরিবেশন করেন কামাল আহমেদ ‘বাংলার মাটি বাংলার জল এবং একক সংগীত পরিবেশন করেন ফাতেমা তুজ জোহরা। আবারো সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে নন্দকলা কেন্দ্র। নৃত্য পরিচালনা করে এম আর ওয়াসেক ‘চাঁদ উঠেছে ঐ’।

    আবারো দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে কাথ্যাকিয়া নৃত্যদল। নৃত্য পরিচালনা করেন এস এম হাসান ইশতিয়াক ইমরান ‘কারার ঐ লৌহকপাট’। এরপর দলীয় সংগীত পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির বাউল দল। সবশেষে সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রতিশ্রুতিশীল নৃত্যদল।

    অনুষ্ঠানে উপস্থাপনায় ছিলেন-ওয়ালীদ হাসান।

  • শিল্পকলার আয়োজনে শুরু হলো গণজাগরণের জাদু উৎসব

    শিল্পকলার আয়োজনে শুরু হলো গণজাগরণের জাদু উৎসব

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২১ ডিসেম্বর, ২০২৩: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে ৪০জন জাদুশিল্পীর অংশগ্রহণে শুরু হলো ৪ দিনব্যাপী ভ্রাম্যমান জাদু উৎসব। ঢাকা মহানগরের ১৬ টি স্থানে ২০ ডিসেম্বর থেকে ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে এ উৎসব। গতকাল বুধবার ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী। তিনি বলেন –“সকল শিল্পের মানুষদের এক কাতারে আনা এবং এ ধরনের আয়োজনের মধ্যে দিয়ে তাদের পৃষ্টপোষকতা করার মাধ্যমে গণজাগরণ তৈরী করাই আমাদের অন্যতম লক্ষ্য”।

    গণজাগরণের জাদু উৎসব   - বিনোদন - ২১ ডিসেম্বর ২০২৩ (২)_1
    গণজাগরণের জাদু উৎসব – বিনোদন – ২১ ডিসেম্বর ২০২৩ (২)_1

    ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন সকল যাদু শিল্পীগণ। বুধবার বিকেল ৪.০০ টা থেকে গণজাগরণের জাদু উৎসব প্রদর্শন হয়। দুইটি দল বিভক্ত হয়ে একটি দল প্রথমে নিউমার্কেট বিকেল এবং পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টিএসসিতে জাদু প্রদর্শন করে। অন্যদল বিকেল ৪.০০টায় কামরাঙ্গিরচর এবং সন্ধ্যা ৬.০০ টায় লালবাগ এলাকায় জাদু প্রদর্শন করে। উপচে পড়া ভিড় ঠেলে জাদু প্রদর্শনী উপভোগ করেন দর্শকরা। এ উৎসব আয়োজনে সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জনি।

    আজ ২১ ডিসেম্বর ২০২৩ বৃহষ্পতিবার জাদু প্রদর্শিত হবে গোলাপবাগ মাঠ, বিকাল ৪:০০ টায় এবং সংসদ ভবনের সামনে যাদু প্রদর্শন করে। এরপর জোড়াপুকুর, খিলগাঁও সন্ধ্যা ৬:০০ টায়, এবং কাওরান বাজার সন্ধ্যা ৬:০০ টা প্রদর্শিত হয়। দুইটি দল বিভক্ত হয়ে প্রথমে গোলাপবাগ মাঠ, বিকাল ৪:০০ টায় এবং সংসদ ভবনের সামনে যাদু প্রদর্শন করে। এরপর জোড়াপুকুর, খিলগাঁও সন্ধ্যা ৬:০০ টায়, এবং কাওরান বাজার সন্ধ্যা ৬:০০ টা প্রদর্শিত হয়।

  • কলকাতায় অনুষ্ঠিত হলো বং দি বেস্ট কুলিনারি অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড

    কলকাতায় অনুষ্ঠিত হলো বং দি বেস্ট কুলিনারি অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২০ ডিসেম্বর, ২০২৩: সম্প্রতি বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে কলকাতায় কলোকাকলি মঞ্চে প্রদান করা হয় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বং দি বেস্ট কুলিনারি অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড প্রোগ্রাম।দুই দেশের সংস্কৃতিকে প্রতিষ্ঠিত করতে ও উদ্যোক্তাদের উৎসাহ দিতে অনুষ্ঠানটি সর্বজনীনতা পেয়েছে।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বনামধন্য ফিল্ম ডিরেক্টর শতরূপা সান্যাল, বাংলাদেশের স্বনামধন্য শেফ ফারজানা বাতেন ও IHRM H.O.D হোটেল ম্যানেজমেন্ট শেফ অভিক দে। অনুষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন শ্রীমতি রঞ্জনা বোস ও সুদীপ চট্টোপাধ্যায়। পঞ্চাশ অধিক গৃহ নিপুনা নারীরা প্রত্যেকেই তাদের রন্ধন কলা ও শিল্পশৈলী দেখিয়ে সকলের মন জয় করেছেন। এই অনুষ্ঠানে আরেকটি বিশেষ দিক “পরিপূর্ণা “ম্যাগাজিনের শুভারম্ভ হল তাদের হাত ধরে।

    সুন্দর পরিবেশে নারীদেরকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হওয়া এই অনুষ্ঠান সকলের মন কেড়েছে এবং তারা শুভেচ্ছা বার্তা পেয়েছেন।

    অতিথিরা সাধুবাদ জানায় “লুবিষ্টি  কিচেন” ও তার সাথে জড়িত প্রত্যেক সহকর্মীকে।

    এখানে উল্লেখ থাকে যে এই সুন্দর আয়োজনে কাজে বাংলাদেশ থেকে ফারজানা বাতেন কে সম্মানিত করা হয় আন্তর্জাতিক জাজ হিসেবে।

  • শিল্পকলার আয়োজনে বিজয় উৎসব পালিত

    শিল্পকলার আয়োজনে বিজয় উৎসব পালিত

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৩: আজ ৫৩তম মহান বিজয় দিবস। ১৯৭১ সালের আজকের এই দিনে বাংলাদেশের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। লাল সবুজের সেই রক্ত পতাকাকে চিরঅম্লান রাখতে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় দেশব্যাপী বিজয় উৎসব পালিত হয়েছে।

    বিজয় উৎসবের শুরুতে একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকীর নেতৃত্বে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিল্পীবৃন্দ সকালে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। একইসাথে একাডেমির আয়োজনে দর্শক মুখরিত বেলতলায় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। সকাল ৯.৩০ টা থেকে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে এ সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় ছিলো- স্বরচিত কবিতাপাঠ, আবৃত্তি, দেশের গান ও মনোজ্ঞ অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনী।

    শিল্পকলার আয়োজনে বিজয় উৎসব পালিত - বিনোদন - ১৬ - ডিসেম্বর ২০২৩ (২)  (2)
    শিল্পকলার আয়োজনে বিজয় উৎসব পালিত – বিনোদন – ১৬ – ডিসেম্বর ২০২৩ (২) (2)

    অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে একাডেমির মহাপরিচালক বলেন – “সারাবিশ্বেই বাংলাদেশকে নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ।” বিজয় উৎসবের এ আয়োজনে ফিলিস্তিনে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানান তিনি। পরে দর্শকদের সাথে গলা মিলিয়ে গান পরিবেশন করেন ।  “মানুষ মানুষের জন্য, মঙ্গল হোক এই শতকে মঙ্গল সবার” সঙ্গীত পরিবেশন করেন একাডেমির মহাপরিচালক।

    এরপর ধারাবাহিকভাবে কবি মিনার মনসুর, সালাহউদ্দিন আহাম্মদ, সৈকত হাবিব, আদিত্য নজরুল, কবি আসাদুল্লাহ পাঠ করেন স্বরচিত কবিতা। শিল্পী মনোরঞ্জন ঘোষাল, রাজা বশির, রাজিয়া মুন্নী, গোলাপী, সজীব, শিল্পী বিশ্বাস, জাকির হোসেন এবং হোমায়েরা বশির সংগীত পরিবেশন করেন। আবৃত্তি করেন অনন্যা লাবণী পুতুল, আহসান উল্লাহ তমাল, সিদ্দিকুর রহমান, আব্দুল কাদের তালুকদার, শামিমা চৌধুরী এলিস এবং মাহমুদা আক্তার।

    সবশেষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির অ্যাক্রোবেটিক দলের পরিবেশনায় প্রদর্শিত হয় বিশেষ অ্যাক্রোবেটিক। এছাড়া সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শিত হয় ভ্রাম্যমান অ্যাক্রোবেটিক।

    বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে দিনব্যাপী বিজয় উৎসবের ২য় পর্ব শুরু হয় একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়নে সন্ধ্যা ৫.৩০ মিনিট থেকে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব কে. এম খালিদ এমপি। সভাপতি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন একাডেমির সম্মানিত মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি এবং আলোচক হিসেবে ছিলেন বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক সেলিনা হোসেন এবং বিশিষ্ট সাংবাদিক মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল। আলোচনা পর্বে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন একাডেমির সম্মানিত সচিব জনাব সালাহ উদ্দিন আহাম্মদ।

    আলোচনা পর্ব শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুরুতেই পরিবেশিত হয় সমবেত নৃত্য ‘স্বাধীনতা শব্দটি কি করে আমাদের হলো’ পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নৃত্যদল। এরপর একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন শিল্পী রন্টি দাস। সমবেত সংগীত পরিবেশন করে সংগীত কলেজ “ইতিহাস জানো তুমি আমরা, আমরা পরাজিত হই নি” এবং “কারার ওই লৌহ কপাট”। এরপর কবি কন্ঠে কবিতা পাঠ করেন স্বনামধন্য কবি নির্মলেন্দু গুণ।

    আবারো সমবেত নৃত্য, পরিবেশন করে নৃত্যদল কালারস অফ হিল “হরেক রঙ্গের মানুষ”। এরপর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির অ্যাক্রোবেটিক দল পরিবেশন করে । একক সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী ইউসুফ আহমেদ খান “সূর্যোদয়ে তুমি’ এবং “প্রতিদিন তোমায় দেখি সূর্যের আগে”। এরপর সমবেত সংগীত পরিবেশন করে ঢাকা সাংস্কৃতিক দল। এছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগ পরিবেশন করে সমবেত সংগীত “নোঙ্গর তোল তোল ও পূর্ব দিগন্তে সূর্য ওঠেছে”। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগ পরিবেশন করে সমবেত সঙ্গীত “সুন্দর সুবর্ণ তারুণ্য লাবণ্য, ও আমার দেশের মাটি”। প্রিয়াংকা গোপ পরিবেশন করেন একক সংগীত “সব কটা জানালা” এবং “প্রতিদিন তোমায় দেখি সূর্যের আগে” । এছাড়াও একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন সুজিত মোস্তফা।

    কবিকন্ঠে কবিতা পাঠ করেন কবি ওয়াজেদ । একক সংগীত পরিবেশন করেন অনিমা মুক্তি গোমেজ “তোমরা নি কেউ জানো এবং বঙ্গবন্ধু মানেই” । এছাড়াও “আগামীর বাংলাদেশ” সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে ম্যাশ মাহাবুব কোরিওগ্রাফি টিম, “মারমা ময়ুর নৃত্য” পরিবেশন করে কালারস অফ হিল, “অন্তহীন” শিরোনামে নৃত্য পরিবেশন করে কাথ্যাকিয়া এবং “দেশাচার্য” সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে দীক্ষা নৃত্যদল।

    এছাড়াও সারাদেশে জেলা শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় বিজয় উৎসব পালিত হয়েছে।

  • শিল্পকলায় বিজয় দিবসে মঞ্চস্থ হবে ‘ভাগের মানুষ’

    শিল্পকলায় বিজয় দিবসে মঞ্চস্থ হবে ‘ভাগের মানুষ’

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৩: আসছে ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে মঞ্চস্থ হতে যাচ্ছে ইতিহাসনির্ভর মঞ্চনাটক ‘ভাগের মানুষ’। রাজধানীতে শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় প্রদর্শিত হবে নাটকটি। জনপ্রিয় নাটদল ‘সময়’ এর এটি ২৬ তম প্রযোজনা।

    নাটকে গল্প ঠিক এই ধরণের- ১৯৪৭ সালের দেশভাগের কয়েক বছর পরের ঘটনা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের উত্তেজনা যেমন কমেনি, সাম্প্রদায়িক বিষবাস্পের তেজ তখনও নিভে যায়নি। কিন্তু ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতায় মানুষকে বেঁধে ফেলে এক ধরনের নাগরিক স্বস্তি দেওয়ার প্রয়াস শুরু হয়েছে মাত্র। অথচ হতাশা, ক্ষোভ, যন্ত্রণা, প্রিয়জন হারানোর বেদনা তখনও জ্বলজ্বল করছে মানুষের বুকে।

    মানুষের ভালোবাসা, বন্ধুত্ব, প্রেমকে দ্বিখণ্ডিত করে উপমহাদেশের এই মাটিতে রচিত হয় পাকিস্তান ও ভারত নামের দুটি রাষ্ট্র। অথচ দেশভাগ মানেই তো মানুষের ভাগ, মানচিত্রের ভাগ, ভূগোলের ভাগ। শুরু হয় দু-দেশের মধ্যে বিনিময়-বিনিময় খেলা। মানুষের বিনিময়ে মানুষ, ধর্মের বিনিময়ে ধর্ম, পাগলের বিনময়ে পাগল। এভাবেই এগিয়ে যাবে ‘ভাগের মানুষ’ নাটকের গল্প।

    ১৯৯৭ সাল থেকে সময় দেশে – বিদেশে নাটকটির নিয়মিত প্রদর্শনী করে আসছে। ‘ভাগের মানুষ’ নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন আকতারুজ্জামান, রেজাউর রহমান, ফখরুল ইসলাম মিঠু, তোফায়েল সরকার, মানসুরা আক্তার লাভলী, পাভেল ইসলাম, সুনীতা বড়ুয়া, আলমগীর হোসেন, মাহমুদুল আলম, ইয়ামিন জুয়েল, সাইফুল বাবু, সানি, চন্দন বোস, সাবিহা সুলতানা, সাঈফ, রাকিব আল হাসান প্রমুখ।

    উপমহাদেশের প্রখ্যাত লেখক সা’দত হাসান মান্টো’র ছোট গল্প ‘টোবাটেক সিং’ অবলম্বনে ‘ভাগের মানুষ’ নাটকটির নাট্যরূপ দিয়েছেন মান্নান হীরা। শুরুতে নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন নাট্যজন মরহুম আলী যাকের। সহযোগী নির্দেশনা দিয়েছেন আকতারুজ্জামান, পোস্টার ডিজাইন করেছেন রফিকুন নবী, আলোক পরিকল্পনা করেছেন ঠান্ডু রায়হান, পোশাক পরিকল্পনা করেছেন মানসুরা আক্তার লাভলী, কণ্ঠশিল্পী সুনীতা বড়ুয়া এবং রূপসজ্জা প্রয়োগ করেছেন মোহাম্মদ আলী বাবুল।

    প্রদর্শনীর টিকিট মূল্য- ৫০০, ৩০০ ও ২০০ টাকা। প্রদর্শনীর দিন বিকেল ৪টা থেকে হলের কাউন্টারে টিকিট পাওয়া যাবে। তাছাড়া টিকিট বুকিংয়ের জন্য ০১৮৪৭০৯০৫১৩ নাম্বারেও যোগাযোগ করা যাবে।

  • নৃত্য ও সংগীতে মুখরিত শিল্পকলার নন্দনমঞ্চ

    নৃত্য ও সংগীতে মুখরিত শিল্পকলার নন্দনমঞ্চ

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১১ ডিসেম্বর, ২০২৩: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে চলছে ‘গণজাগরণের সংগীত উৎসব।’ এই সাংস্কৃতিক কর্মযজ্ঞের মূল বিষয় হচ্ছে দেশের ৫ শতাধিক শিল্পীর পরিবেশনার সঙ্গে সর্বসাধারণকে সম্পৃক্ত করা। গতকাল সন্ধ্যায় গণজাগরণের সংগীত উৎসব এর ৮ম দিনের আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়েছে নন্দনমঞ্চে ।  বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির তালিকাভুক্ত প্রতিশ্রুতিশীল শিল্পীদের অংশগ্রহণে চলছে উৎসব। অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্নাতা শাহরীন এর নৃত্য পরিচালনায় পরিবেশিত হয় ‘বাংলার ধ্রুবতারা’ দলীয় নৃত্য। এর পর একক সংগীত পরিবেশন করেন দেবযানী দাস ‘এ কুঞ্জে পথ ভুলিয়া’। আবারো একক সংগীত ‘ব্রজগোপী খেলে গরি’ পরিবেশন করেন নুসরাত জাহান’; ‘ও আমার উড়াল পঙ্খীরে’ পরিবেশন করেনে এস এম সেলিম।

    এরপর একক সংগীত পরিবেশন করেন ‘যে ছিল দৃষ্টির সীমানায়’ শাকেরা সুলতানা সুরভী, ‘যেখানে সীমান্ত তোমার’ আবিদ হাসান সেতু, ‘দুচোখে ঘুম আসে না’ পল্লবী সরকার মালতী। এরপর দলীয় নৃত্য পরিবেশন করেন নৃত্য পরিচালক ফিফা চাক্মা ‘রাঙামাটির রঙে’। ধারাবাহিক একক সংগীত, পরিবেশন করেন মো: ফারুক হোসেন ‘অযতনে ডুবলো’; ফিরোজা আক্তার পরিবেশন করেন ‘গুরু ঘর বানাইয়া কি দিয়া’; সবিতা রাণী চৌধুরী পরিবেশন করেন ‘আইলারে নয়া দামান’।

    নৃত্য ও সংগীতে মুখরিত শিল্পকলার নন্দনমঞ্চ - বিনোদন - ১১ ডিসেম্বর ২০২৩ (২)_1
    নৃত্য ও সংগীতে মুখরিত শিল্পকলার নন্দনমঞ্চ – বিনোদন – ১১ ডিসেম্বর ২০২৩ (২)_1

    এরপর দলীয় সংগীত পরিবেশন করেন (ক)‘ সত্য বল সুপথে’ (খ) ‘সাড়ে সাত কোটি’। একক সংগীত পরিবেশন করেন রফিকা ইসলাম ‘কে বাঁশি বাজায় রে’ ও সায়মা সুলতান উর্বি পরিবেশন করেন ‘পাখি কখন উড়ে যায়’। দলীয় নৃত্য, পরিচালনায় ফিফা চাকমা ‘ তঞ্চঙ্গ্যা মাছ ধরা’ নৃত্য পরিবেশন করে তপস্যা নৃত্যদল।

    আবারো ধারাবাহিকভাবে পরিবেশিত হয় একক সংগীত ‘সুয়াচান পাখি’ জয় পরিবেশন করেন; ‘গান গাই আমার মনরে বুঝাই’ মোহাম্মদ মারুফ হোসেন পরিবেশন করেন; ‘আমার প্রাণ বন্ধু আসিয়া’ সংগীত পরিবেশন করেন স্বর্ণা রাণী তালুকদার ।

    সবশেষে দলীয় নৃত্য, পরিচালনা করেন নৃত্য পরিচালক মেহরাজ হক তুষার ‘ ‘আজ যত যুদ্ধবাজ’ পরিবেশন করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি নৃত্যদল।

    ১৩ ডিসেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত চলা এ সংগীত উৎসবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির তালিকাভুক্ত ১১ টি সংগীত দল পরিবেশন করছে – অন্তরা, সুরশ্রী, সঞ্চারী, রাগিনী, সুরধ্বনি, সুরসপ্তক, স্বরলিপি, গীতাঞ্জলি, গীতালি, সুরতরঙ্গ এবং সুরলহরী। ৮ম দিনের আয়োজনে সমন্বয়কারী হিসেবে ছিলেন সেতু, মানিক এবং শাহীন।