Category: বিনোদন

  • শুক্রবার ‘৪.৪৮ মন্ত্রাস’ এর দুইটি বিশেষ প্রদর্শনী

    শুক্রবার ‘৪.৪৮ মন্ত্রাস’ এর দুইটি বিশেষ প্রদর্শনী

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: এই ফেব্রুয়ারীতে মর্যাদাপূর্ণ ‘কেরালা ইন্টারন্যাশনাল থিয়েটার ফেস্টিভ্যাল( ITFOK) ২০২৪’-এ অংশ নিবে`স্পর্ধা: ইন্ডিপেন্ডেন্ট থিয়েটার কালেক্টিভ’ এর দ্বিতীয় প্রযোজনা ‘৪.৪৮ মন্ত্রাস’ । প্রতি বছর কেরালা রাজ্যের রাজধানী ত্রিশূর-এ অনুষ্ঠিত হয় এই বিশেষ থিয়েটার উৎসব।

    এবার এই উৎসবের ১৪তম আসর অনুষ্ঠিত হবে ৯ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪। উক্ত আসরে ফেব্রুয়ারী ১১ ও ১২ তারিখ অনুষ্ঠিত উপস্থাপিত হবে ‘৪.৪৮ মন্ত্রাস’-এর ২ টি প্রদর্শনী। উৎসবের আন্তর্জাতিক অংশে বাংলাদেশ সহ আরও অংশগ্রহন করবে ইতালি, ব্রাজিল, ফিনল্যান্ড, তিউনিশিয়া, চিলি, প্যালেস্টাইন এর মোট ৮ টি দল।

    এই অংশগ্রহণ কে সামনে রেখে স্পর্ধা নাট্যদল ‘৪.৪৮ মন্ত্রাস’ নাটক নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে।  ২০২০ এবং ২০২২ সালে ব্যাপক দর্শক জনপ্রিয়তা অর্জন করে নাটকটি।

    দেশে দর্শকদের সেই আগ্রহকে স্মরণে রেখে কেরালা যাবার পূর্বে আগামী ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ শুক্রবার বাংলাদেশ মহিলা সমিতির নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে ঢাকার দর্শকদের জন্য দুইটি বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে স্পর্ধা। এই বিশেষ প্রদর্শনীর সময়ঃ বিকেল০৪:০০ ও সন্ধ্যা ০৭:৩০।

    `স্পর্ধা: ইন্ডিপেন্ডেন্ট থিয়েটার কালেক্টিভ’ এর দ্বিতীয় প্রযোজনা ‘৪.৪৮ মন্ত্রাস’ এর পরিকল্পনা ও নির্দেশনা দিয়েছেন সৈয়দ জামিল আহমেদ। ‘৪.৪৮ মন্ত্রাস’ ব্রিটিশ নাট্যকার সারাহ্ কেইনের ‘ ‘4.48 Psychosis’ থেকে বাংলায় অনুবাদ করেছেন শাহমান মৈশান এবং শরীফ সিরাজ।

    ‘৪.৪৮ মন্ত্রাস’ একটি অনন্য কাব্যশৈলী যা র্নির্মিত হয়েছে রৈখিক আখ্যানকে প্রত্যাখ্যান করে এবং আলিঙ্গন করেছে উত্তর-নাটকীয় কাঠামো। নাট্যকাঠামোতে একীভূত হয়েছে দীর্ঘ একক কথন, চেতনার প্রবাহ, স্বগতোক্তি, দৈনন্দিন জীবনের কথোপকথন, এবং দর্শকদের সরাসরি সম্বোধন করা বিবরণ। নাটকের

    বিষয়বস্তুর কেন্দ্রবিন্দু হ’ল এক তরুণ শিল্পীর মনস্তত্ত্বে বিষণ্ণতার জন্ম, কারণ তিনি সমাজে ব্যাপকভাবে সহিংসতার সাক্ষী যেমন: যৌন নিপীড়ন, খুন, আমৃত্যু নির্যাতন, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা এবং বিশৃঙ্খল ও অনিশ্চয়তা।

    ফেস্টিভ্যালের নিজস্ব ওয়েবসাইটের লিংক: https://theatrefestivalkerala.com/

    আসন সংরক্ষন ও বিস্তারিত তথ্যের জন্যঃ +880 17 1320 9091 ও +880 16 8984 8573

     

  • Untitled post 6983

    এ পর্যন্ত ৫,১২০ কোটি টাকা আয় করেছে ‘অ্যাকোয়া ম্যান ২’

  • মুনাওয়ার ফারুকী বিগ বস সিজন ১৭ এর বিজয়ী হলেন

    মুনাওয়ার ফারুকী বিগ বস সিজন ১৭ এর বিজয়ী হলেন

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৩০ জানুয়ারি, ২০২৪: ‘বিগ বস’ সিজন ১৭ এর বিজয়ী হলেন মুনাওয়ার ফারুকী। তবে এই জয়ের পথ কিন্তু একেবারেই সহজ ছিল না মুনাওয়ারের কাছে। তিন মাস ধরে ‘বিগ বস্‌’-এর প্রতিটি পর্ব যারা মন দিয়ে দেখেছেন, তারা জানেন, মুনাওয়ার কম লড়াই করেননি। অবশেষে সালমান খানের হাত থেকে ট্রফি গ্রহণ করলেন তিনি। ফাইনালে মুনাওয়ার ফারুকীর বিপরীতে ছিলেন অভিষেক কুমার। এর আগে আরও চমক দেখিয়ে ট্রফি পাওয়ার সম্ভবনা তৈরি করেছিলেন অঙ্কিতা লোখন্ডে, মন্নরা চোপড়াও। তবে শেষে টায় টক্কর হয়েছিল মুনাওয়ার ও অভেষেকের মধ্যে।  সিজনের শুরু থেকেই দুই ফাইনালিস্ট তাদের যোগ্যতা প্রমাণ করেছিলেন। প্রতিটা খেলায় খুব ভালো করে সম্পাদন করে তারা। তবে চূড়ান্ত পর্যায়ে ভোটিংয়ে অভিষেক কুমারকে হারিয়ে শো জিতেছেন মুনাওয়ার। বিগবস রিয়েলিটি শোয়ের ট্রফি পাওয়ার পর পরেই সবার চর্চার মধ্যে আসেন মুনাওয়ার। লক্ষ লক্ষ ভক্ত শুভেচ্ছা জানা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

    পুরস্কারের দিন মুনাওয়ার ফারুকি এবং অভিষেক কুমার সালমান খানের সাথে মঞ্চে দাঁড়িয়েছিলেন। দু’জনের হাত ধরে রেখেছিলেন সালমান। ভক্তদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল, কে জিতবে? কার হাত উপরে তুলবেন বলিউডের ভাইজান! অবশেষে ‘লক-আপ’ জেতার পর, আরেকটি রিয়েলিটি শোয়ের ট্রফি ঘরে নিলেন মুনাওয়ার ফারুকী।

    ৩১ বছরের এই কৌতুকশিল্পী সম্মান, বিজয়ীর খেতাব তো পেয়েছেনই, সেই সঙ্গে ‘বিগ বস্‌ ১৭’ জিতে পেলেন মোটা অঙ্কের আর্থিক পুরস্কারও। ‘বিগ বস্‌’-এ জয়ী হয়ে মুনাওয়ার পেয়েছেন ৫০ লক্ষ টাকা। সেটা শুধুমাত্র তার বিজয়ী হওয়ার পুরস্কার। কিন্তু এই তিন মাস ধরে যে ‘বিগ বস্‌’-এর ঘরে কাটালেন, তার জন্যেও কিন্তু পর্বপিছু বাড়তি পারিশ্রমিক পেয়েছেন মুনাওয়ার। প্রতি সপ্তাহে ৭-৮ লক্ষ টাকা দাবি করেছিলেন মুনাওয়ার। তার দাবি মেনে নেওয়া হয়েছিল বলেই সম্ভবত খেলার জন্য রাজি হয়েছিলেন। খেলার শেষ পর্যন্ত ছিলেন মুনাওয়ার। ফলে হিসাব করলে দেখা যাচ্ছে পারিশ্রমিকও পেয়েছেন অনেকটা টাকা। এ ছাড়াও একটা গাড়ি পেয়েছেন। মুনাওয়ারের গ্যারেজে এখন থেকে শোভা পাবে একটি হুন্ডাই ক্রেটাও।

    জেতার পর মুনাওয়ার বলেন, ‘‘গোটা সফরটা আপনি যখন সম্মানের সঙ্গে শেষ করেন, তখন শুধু পুরস্কার নয়, সব কিছুই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হয়। এই জয় আমার জন্য অত্যন্ত জরুরি ছিল।’’

    অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন অঙ্কিতা বিজেতা হবেন। ঘটনাচক্রে অঙ্কিতা যদি পরাজিতও হন, তা হলে মন্নরা যে জয়ী হবেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত ছিলেন অনেকেই। কিন্তু দর্শক এবং ফিনালেতে ওঠা প্রতিযোগীদের চমকে দিয়ে সালমন বিজয়ী হিসাবে নাম ঘোষণা করেন মুনাওয়ারের নাম। ‘বিগ বস্‌’-এর ঘরে মুনাওয়ারের তিন মাসের লড়াই অবশেষে সফল হয়েছে।

    ৩১ বছর বয়সী মুনাওয়ার পেশায় মূলত স্ট্যান্ডআপ কমেডিয়ান। তবে তার পাশাপাশি তিনি গান ও র‌্যাপ করেন।  বিগবস হাউজ  থেকে বের হয়ে মিউজিক ভিডিও এবং র‌্যাপ করায় মনোযোগী হবেন বলে জানান বিগবগ সিজন ১৭-র বিজয়ী।

  • ফিল্ম ফেয়ার অ্যাওয়ার্ডে সেরা সিনেমা ‘টুয়েলভথ ফেল’

    ফিল্ম ফেয়ার অ্যাওয়ার্ডে সেরা সিনেমা ‘টুয়েলভথ ফেল’

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২৯ জানুয়ারি, ২০২৪: বলিউডের সবথেকে বড় অ্যাওয়ার্ড হচ্ছে ফিল্ম ফেয়ার অ্যাওয়ার্ড। এবার ৬৯তম ফিল্ম ফেয়ার অ্যাওয়ার্ডে সেরা সিনেমার পুরস্কার পেয়েছে ‘টুয়েলভথ ফেল’। বিধু বিনোদ চোপড়া পরিচালিত এ সিনেমাটি ইউপিএসসি শিক্ষার্থীদের সংগ্রামের ওপর তৈরি। বাস্তবের আইপিএস অফিসার মনোজ কুমারের কঠোর অধ্যবসায়ের মাধ্যমে আইপিএস হয়ে ওঠার সত্যি ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে এই সিনেমায়। গতকাল

     

    চলুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক কারা পেলেন ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড-২০২৪ :

     

    সেরা চলচ্চিত্র (জনপ্রিয়): টুয়েলভথ ফেল

    মনোনয়ন পেয়েছিলো : জওয়ান, ওএমজি ২, পাঠান, রকি অউর রানি

     

    সেরা চলচ্চিত্র (সমালোচক): জোরাম

    মনোনয়ন পেয়েছিলো: টুয়েলভথ ফেল, সাম বাহাদুর, জিগাটো, থ্রি অফ আস, ভিড়, ফরাজ

     

    সেরা পরিচালক: বিধু বিনোদ চোপড়া (টুয়েলভথ ফেল)

    মনোনয়ন পেয়েছিলো: অমিত রাই (ওএমজি ২), অ্যাটলি (জওয়ান), করণ জোহর (রকি অউর রানি), সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গা (অ্যানিম্যাল), সিদ্ধার্থ আনন্দ (পাঠান)

     

    সেরা অভিনেতা: রণবীর কাপুর (অ্যানিমেল)

    মনোনয়ন পেয়েছিলেন: রণবীর সিং (রকি অউর রানি), শাহরুখ খান (ডাঙ্কি), শাহরুখ খান (জওয়ান), সানি দেওল (গদর ২), ভিকি কৌশল (সাম বাহাদুর)

     

    সেরা অভিনেতা (সমালোচক): বিক্রান্ত মাসে (টুয়েলভথ ফেল)

    মনোনয়ন পেয়েছিলেন: অভিষেক বচ্চন (ঘুমর), জয়দীপ অহলাট ( থ্রি অফ আস), মনোজ বাজপেয়ী (জোরাম), পঙ্কজ ত্রিপাঠী (ওএমজি ২), রাজকুমার রাও (ভিড়), ভিকি কৌশল (সাম বাহাদুর)

     

    সেরা অভিনেত্রী: আলিয়া ভাট (রকি অউর রানি কি প্রেম কাহানি)

    মনোনয়ন পেয়েছিলেন: ভূমি পেড়নেকর (থ্যাংক ইউ ফর কামিং), দীপিকা পাড়ুকোন (পাঠান), কিয়ারা আডবানি (সত্যপ্রেম কি কথা), রানি মুখোপাধ্যায় (মিসেস চ্যাটার্জি ভার্সেস নরওয়ে), তাপসী পান্নু (ডাঙ্কি)

     

    সেরা অভিনেত্রী (সমালোচক): রানি মুখার্জি (মিসেস চ্যাটার্জী ভার্সেস নরওয়ে) এবং শেফালি শাহ (থ্রি অফ আস)

    মনোনয়ন পেয়েছিলেন: দীপ্তি নাভাল (গোল্ড ফিশ), ফতিমা সানা শেখ (ধক ধক),  শায়ামি খের (ঘুমর), শাহানা গোস্বামী (জিগাটো)

     

    সেরা সহ-অভিনেতা: ভিকি কৌশল (ডানকি)

    সেরা সহ-অভিনেত্রী: শাবানা আজমি (রকি অউর রানি কি প্রেম কাহানি)

    সেরা গীতিকার: অমিতাভ ভট্টাচার্য (তুম কেয়া মিলে- রকি অউর রানি কি প্রেম কাহানি)

    সেরা মিউজিক অ্যালবাম: অ্যানিমেল (প্রীতম, বিশাল মিশ্র, মনন ভরদ্বাজ, শ্রেয়াস পুরানিক, জানি, ভূপিন্দর বাব্বল, অসীম কেমসন, হর্ষবর্ধন রামেশ্বর, গুরিন্দর সিগাল)

    সেরা প্লেব্যাক গায়ক (পুরুষ): ভূপিন্দর বাব্বল (আরজন ভ্যালি-অ্যানিমেল)

    সেরা প্লেব্যাক গায়িকা: শিল্পা রাও (বেশরম রং-পাঠান)

    উদীয়মান সংগীত প্রতিভা (আরডি বর্মন অ্যাওয়ার্ড)- শ্রেয়াস পুরানিক (সাতরঙ্গা, অ্যানিমেল)

    সেরা ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর- সঞ্চিত বালহারা এবং অঙ্কিত বালহারা (গাঙ্গুবাই কাঠিওয়াড়ি)

    সেরা গল্প : অমিত রাই (ওএমজি ২)/ দেবাশীষ মাখিজা (জোরাম)

    সেরা চিত্রনাট্য: বিধু বিনোদ চোপড়া (টুয়েলভথ ফেল)

    সেরা সংলাপ: ঈশিতা মৈত্র (রকি অউর রানি কি প্রেম কাহানি)

    সেরা ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর: হর্ষবর্ধন রামেশ্বর (অ্যানিমেল)

    সেরা সিনেমাটোগ্রাফি: অবিনাশ অরুণ ধাওয়ারে (থ্রি অফ আস)

    সেরা কস্টিউম ডিজাইন: শচীন লাভলেকার, দিব্য গম্ভীর, নিধি গম্ভীর (শ্যাম বাহাদুর)

    সেরা সম্পাদনা: জাসকুনওয়ার সিং কোহলি- বিধু বিনোদ চোপড়া (টুয়েলভথ ফেল)

    সেরা ভিএফএক্স: রেড চিলিস ভিএফএক্স (জওয়ান)

    সেরা কোরিওগ্রাফি: গণেশ আচার্য্য (ঝুমকা- রকি অউর রানি কি প্রেম কাহানি)

    সেরা অভিষেক (পরিচালক): তরুন দুদেজা

    সেরা অভিষেক (পুরুষ): আদিত্য রাওয়াল (ফরজ)

    সেরা অভিষেক (নারী): অলিজে অগ্নিহোত্রী (ফ্যারে)

    আজীবন সম্মাননা: ডেভিড ধাওয়ান

  • কলম্বিয়ার কোকেন গডমাদারকে নিয়ে হলিউডে ছয় পর্বের সিরিয়াল

    কলম্বিয়ার কোকেন গডমাদারকে নিয়ে হলিউডে ছয় পর্বের সিরিয়াল

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২৭ জানুয়ারি, ২০২৪: গ্রিজেলডা ব্লাঙ্কো ছিলেন কলম্বিয়ার কোকেন গডমাদার। ১৯৭০ ও ‘৮০র দশকে এই নারীর নাম শুনলে ভয় পেতো মানুষ। কেনন ব্লাঙ্কো নির্দয় মনের মাস্টারমাইন্ড অপরাধী ছিলেন। তার সম্পর্কে বলা হয়, একজন নারী যিনি মানুষকে হত্যা করেছেন, কারণ “তারা তার দিকে যেভাবে তাকাতো সেটি তার পছন্দ ছিলো না।” এই কুখ্যাত মাদক সম্রাজ্ঞীকে নিয়ে হলিউডে নিমিত হচ্ছে ছয় পর্বের ‘গ্রিজেনডা’ সিরিজ তৈরি হচ্ছে। ‘মডার্ন ফ্যামিলি’ সিরিজখ্যাত সোফিয়া ভারগারা এই কুখ্যাত মাদক সম্রাজ্ঞীর চরিত্রে অভিনয় করছেন ‘গ্রিজেলডা’ সিরিজে। অপরাধ বিষয়ক নাটক ‘নারকোস’র নির্মাতা দলই এই সিরিজটি বানাচ্ছে। সিরিজটির পরিচালক এরিক নিউম্যান। সহকারী পরিচালক হচ্ছেন আন্ড্রেজ বেইজ।

    তুমুল অ্যাকশন, ঝুঁকিপূর্ণ নাটকীয় গোলাগুলি আর গ্ল্যামারে ভরপুর ছয় পর্বের এই নেটফ্লিক্স সিরিজ। এতে গ্রিজেলডাকে একজন অত্যন্ত দুর্ধর্ষ অপরাধী হিসেবে চিত্রায়িত করে তার বুদ্ধিমত্তা ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা তুলে ধরা হয়েছে।

    কিন্তু কলম্বিয়ার ‘কোকেন গডমাদার’ হিসেবে অভিহিত, নিজের তিনজন স্বামীকে হত্যার সাথে জড়িত এই নারীর জীবনের সত্যিকারের গল্প অবশ্য অনেকের অজানা। অবশ্য গিজেলডা চরিত্রটিকে মানবিক করে তুলা আনা হয়েছে জানিয়েছে নির্মাতারা।

     

    গ্রিজেলডা ব্লাঙ্কো কে

    কলম্বিয়ায় জন্ম নেয়া ব্লাঙ্কো ১১ বছর বয়সেই অপরাধ জগতের সাথে জড়িয়ে পড়ে। ব্লাঙ্কো সে সময় এক ধনী পরিবারের ছেলেকে অপহরণের পর তার পরিবার মুক্তিপণ দিতে অস্বীকার করায় তাকে গুলি করে হত্যা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে । এরপর ২১ বছর বয়সে ১৯৬৪ সালে ব্লাঙ্কো তার তিন সন্তান ও স্বামীকে নিয়ে অবৈধভাবে নিউইয়র্কে অভিবাসী হয়ে যান এবং সেখানে গাঁজা বিক্রি করা শুরু করেন।

    কলম্বিয়াতেই বেড়ে উঠা ভারগারা একজন বলছিলেন, “এটা মনে রাখা খুবই জরুরি যে গ্রিজেলডা ব্লাঙ্কো তার জীবনের শুরুর দিকে কে ছিলেন। একজন অভিবাসী যে সম্পূর্ণ একা তার তিন সন্তানকে লালন-পালন করছিল। তার কিছুই ছিল না, বেঁচে থাকার জন্য তার না ছিল শিক্ষা, না ছিল কোনও হাতিয়ার।”

    সিরিজটির পরিচালক এরিক নিউম্যান বলেছেন, তিনি গ্রিজেলডা ব্লাঙ্কোর এই ‘জটিল চরিত্রকে মানবিক’ করে তুলে আনতে চেয়েছেন।

    সহকারী পরিচালক আন্ড্রেজ বেইজ বলেছেন, “পুরুষের জগতে সে একজন নারী, নিজেকে প্রমাণ করতে সে দশগুণ বেশি পরিশ্রম করেছে এবং নিজের চারপাশে থাকা পুরুষদের ছাড়িয়ে যেতে নিজের বুদ্ধি ও প্রজ্ঞা ব্যবহার করেছে। লোকজন তাকে সম্পূর্ণ বিনাশ করার জন্য পদক্ষেপও নিয়েছে এক সময়।”

     

    ‘ক্ষমতা তাকে দানবে পরিণত করেছে’

    ব্লাঙ্কো ১৯৭০ সালে তার প্রথম স্বামীকে হত্যার নির্দেশ দিয়ে মিয়ামিতে চলে গিয়েছিল। সেখানে তার দ্বিতীয় স্বামী মাদক পাচারকারী আলবার্টো ব্রাভোর সাথে তার দেখা হয়, যে তাকে মাদকের আন্ডারওয়ার্ল্ডের আরও অন্ধকার জগতের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়।

     

    ব্লাঙ্কোর সহিংস মনোভাব আর মাদক চোরাচালানে সাহসী দৃষ্টিভঙ্গি ছিল, যা তাকে তরুণীদের কলম্বিয়া থেকে আমেরিকায় ব্রা কিংবা অন্তর্বাসের ভেতরে কোকেন লুকিয়ে উড়ে যেতে সহায়তা করেছে। এর অর্থ এটাই যে অচিরেই পুরো অপরাধ সাম্রাজ্য তার হাতের মুঠোয় চলে যায়। মিয়ামিতে মাদক যুদ্ধ আরও তীব্র হওয়ার পাশাপাশি প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষগুলো সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছিল, যা ব্লাঙ্কোকে আরও বেশি নির্মম করে তোলে। পরবর্তীতে ১৯৭৫ সালে স্বামীকে গুলি করে ব্লাঙ্কো, কারণ তার বিশ্বাস ছিল যে তার স্বামী তার টাকা চুরি করেছে

    এরপর ১৯৮৩ সালে ব্লাঙ্কো তার তৃতীয় স্বামীকে খুন করে মিয়ামি ছেড়ে চলে যায়। সে সময় তার সাথে এই দম্পতির ছেলে মাইকেল করলিওনি ছিল। নির্দয় ও নির্মম আচরণের জন্য ব্লাঙ্কোকে ‘ব্ল্যাক উইডো’ বা ‘কালো বিধবা’ নামেও অভিহিত করা হয়।

    সে সময় ব্লাঙ্কোর সাম্রাজ্য আরও বিস্তৃত হয় এবং ১৯৮০’র দশকের গোড়ার দিকে সে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ও দুর্ধর্ষ মহিলায় পরিনত হয়, যে প্রতি মাসে এক দশমিক পাঁচ টন কোকেন পাচার তদারকি করতো। ভারগারা জানায়, “আমি সত্যিই মনে করি যে যখন গ্রিজেলডা মিয়ামিতে প্রথম যায় তখন তার উদ্দেশ্য ছিল শুধু পরিবারকে দেখাশোনা ও রক্ষা করা। কিন্তু এই অন্ধকার পথে সে হারিয়ে যায় এবং ক্ষমতা ও অর্থ তাকে একজন দানবে পরিণত করে।”

    নিজের সাম্রাজ্য ত্যাগ করতে ১৯৮০’র দশকে প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষের দেয়া ১৫ মিলিয়ন ডলারের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন ব্লাঙ্কো।

     

    অদক্ষ ব্যক্তিদের উপর নির্ভর করা

    দুই দশক ধরে কঠোরভাবে মিয়ামিতে মাদক সাম্রাজ্য পরিচালনা করলেও নারী হিসেবে ব্লাঙ্কো সম্পূর্ণ সচেতন ছিল যে, মাদক ইন্ডাস্ট্রি একচেটিয়াভাবে উগ্রবাদী পুরুষরাই চালায়, যেখানে তার অবস্থান অনিশ্চিত ছিল। এই যুক্তিতে ব্লাঙ্কো তার ব্যবসা পরিচালনা করতে সেসময় একজন পুরুষকে অনুমতি দেয়–স্থানীয় ডিলাররা তখনই “চুক্তি গ্রহণ করে যখন তা কোনও পুরুষের মুখ থেকে বের হয়।”

    এক হত্যা মামলায় ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের পর ব্লাঙ্কো নিজের ব্যবসা নিজেই পরিচালনা করার দায়িত্ব বেছে নেয় এবং নিজের সুবিধার জন্য তার বহিরাগত অবস্থানকে ব্যবহার করে। আনুমানিক এক লাখ ৩৫ হাজার কিউবান ১৯৮০ সালের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে আমেরিকায় অভিবাসী হয় যারা ‘মারিলিটোস’ নামে পরিচিত। এদের অনেকেই আবার ক্রিমিনাল গ্যাং বা অপরাধী চক্র, মাদক পাচার, কন্ট্রাক্ট কিলিং বা চুক্তিতে মানুষ হত্যার মতো অপরাধে আগে থেকেই জড়িত ছিল।

    ব্লাঙ্কো এটাকে পুঁজি করে তাদেরকে নিজের গ্যাংয়ে নিয়োগ করে। হিটম্যান, গোলন্দাজ অর্থাৎ যারা পিস্তল চালাতে পারদর্শী, তাদেরকে নিয়ে ব্লাঙ্কোর দল তৈরি হয়, যারা মোটরসাইকেলে চড়ে গুপ্তহত্যা করতে পরিচিত হয়ে উঠেছিল।

    নেটফ্লিক্সের সিরিজটির সহকারী পরিচালক আন্ড্রেজ বেইজ বলছিলেন, “ব্লাঙ্কো নিজে একজন অভিবাসী বা বহিরাগত এবং তার আশেপাশেও সব বহিরাগতদের নিয়োগ দেয় সে। এরকম ইন্ডাস্ট্রিতে যেখানে বিশ্বাস অর্জন করা খুব কঠিন এবং আরও কঠিন তা ধরে রাখা, ব্লাঙ্কো জানতো যে সে কী করছে।”

     

    তিনি আরও বলেন, “এরা সবাই অদক্ষ ছিল, সমাজের স্বাভাবিক মানের সাথেও এরা যায় না। গ্রিজেলডা এটা জানতো এবং তাদের উপলব্ধি করতে সাহায্য করতো যে তারা তার পরিবারের অংশ।”

    ভারগারা বলেন, “আমি একজন কলম্বিয়ান, একজন মা এবং একজন অভিবাসী। একজন নারী হিসেবে গ্রিজেলডাকে বিবেচনা করা হতো এবং এখন আমি জানি কারণ আমার উচ্চারণের কারণে আমাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হয় এবং আমি অন্যদের চাইতে কম সুযোগ পাই।”

     

    একজন নারী কখনও এমন খারাপ হতে পারে না

    ব্লাঙ্কোর অপরাধ সাম্রাজ্য ১৯৮০’র দশকের মাঝের দিকে উন্মোচিত হতে শুরু করে এবং ক্যালিফোর্নিয়ার আরভিনে গ্রেপ্তার হওয়ার পর তার সন্ত্রাসের রাজত্ব হঠাৎ বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়।

    কিন্তু কীভাবে দুই দশক ধরে ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে ব্লাঙ্কো মিয়ামিকে মাদক নিয়ে খেলার মাঠে রূপান্তরিত করেছিলেন? ব্লাঙ্কো একজন নারী, এটাকেই কারণ বলে দেখিয়েছে ‘গ্রিজেলডা’ সিরিজটি।

    “কারণ সে একজন নারী ছিল। সে যখন চাইতো তখনই অদৃশ্য হয়ে যেতে পারতো। কেউ ভাবতেও পারতো না যে একজন নারী এই আকারের একটি দল পরিচালনা করতে পারে। মানুষ ভাবে একজন নারী কখনও এরকম খারাপ হতে পারে না,” ভারগারা বলছিলেন।

    পুরুষশাসিত মাদক নিয়ন্ত্রণ সংস্থাগুলো এ ব্যাপারে দৃঢ় ছিল যে একজন নারী কখনও মাদক ব্যবসার পিছনে জড়িত থাকতে পারে না। কেউ কেউ একেবারে এই লাইনেই তদন্তের জন্য জোর দেয়।

    তবে ১৯৭০’র দশকের শুরু থেকে মাঝামাঝি পর্যন্ত ব্লাঙ্কোকে ধরার দায়িত্ব ছিল মিয়ামি পুলিশ বিভাগের একজন নারী গোয়েন্দা বিশ্লেষক জুন হকিন্সের।

    পরিচালক নিউম্যান হকিন্সকে এই গল্পের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে মনে করেন।

    “সে গ্রিজেলডার প্রতিরূপ, সে নিজেও একজন লাটিন তরুণী ও সিঙ্গেল মা – যে এমন একটি বিশ্বে কাজ করছে যেখানে নারীদেরকে অবমূল্যায়ন করা হয়। সে এটা দেখাতে চায় যে গ্রিজেলডা যা বেছে নিয়েছে, সেটা তার একমাত্র অপশন বা পথ ছিলো না।”

     

    কী ঘটেছিল গ্রিজেলডা ব্লাঙ্কোর ভাগ্যে?

    এরপর ১৯৮৫ সালের ১৭ই ফেব্রুয়ারি ব্লাঙ্কো তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার হয়। কোকেন উৎপাদন, আমদানি ও বিতরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয় সে।ব্লাঙ্কোর বিরুদ্ধে আরও তিনটি হত্যার অভিযোগ আনা হয় এবং প্রায় দুই দশক সে কারাগারে কাটায়।

    কারাভোগের সময়ই ব্লাঙ্কোর তিন ছেলেকে হত্যা করা হয়। পরে ২০০৪ সালে মুক্তি পেয়ে ব্লাঙ্কো কলম্বিয়ায় নির্বাসনে যায় এবং সেখানে শান্তিপূর্ণ জীবনযাপন করে। কয়েক বছর পর ২০১২ সালের তেসরা সেপ্টেম্বর মোটরবাইকে আসা এক ব্যক্তি ৬৯ বছর বয়সী ব্লাঙ্কোকে গুলি করে। ব্লাঙ্কোকে যে স্টাইলে গুপ্তহত্যা করা হয়, তা অবিকল তার রাজত্বে গড়ে তোলা মানুষ হত্যার স্টাইলের মতোই।

     

    নিউম্যান বলেন, “এ হত্যাকাণ্ড তার প্রতি ঘৃণার মাত্রা প্রমাণ করে। সে ২০১২ সালে ছিল একজন নিরীহ মহিলা, নির্জনে একাকী বাস করতো এবং তার চার সন্তানের মধ্যে তিনজনই মারা গিয়েছিল।”

    বেইজ আর বলেন, “সে কোনও কিছু থেকে উঠে আসেনি, সে অবিশ্বাস্য অভিজ্ঞতা অর্জন করেছিল, কিন্তু গল্পের একেবারে শেষে এসে এটা এমন একটা ট্রাজেডিতে পরিণত হয় যার পুরোটাই লস।”

    ব্লাঙ্কোর জীবন ও ক্ষমতার আকর্ষনীয় কাহিনী হওয়া সত্ত্বেও ইতিহাসের বইগুলোতে তার উপস্থিতি সেভাবে নেই।

    এমনকি অভিনেত্রি ভারগারা, কলম্বিয়ায় যিনি ‘মাদক যুগে’ বেড়ে উঠেছেন তিনিও বলছেন যে কখনও এই নারী সম্পর্কে শোনেননি। ব্লাঙ্কোর জীবন সম্পর্কে জানার পর তার মনে হয়েছিল যে, এটা “অসম্ভব”, কিন্তু এটা ছিল সত্যি গল্প।

    ভারগারা বলেন, “এই কারণেই আমি গ্রিজেলডার চরিত্রে অভিনয় করতে চেয়েছিলাম। সে একাধারে একজন মা, খলনায়ক, প্রেমিকা এবং খুনিও। সে সবাইকে দেখিয়ে দিয়েছে মানুষ কত জটিল হতে পারে।”

    আশা করা হচ্ছে গ্রিজেনডার চরিত্র নিয়ে ছয় পর্বের এই সিরিজটি বেশ জনপ্রিয় হবে দর্শকদের কাছে।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা ভারত সরকারের ‘পদ্মশ্রী’ সম্মাননা পাচ্ছেন

    রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা ভারত সরকারের ‘পদ্মশ্রী’ সম্মাননা পাচ্ছেন

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২৬ জানুয়ারি, ২০২৪: বাংলাদেশের বরেণ্য রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা ভারতের মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক সম্মাননা ‘পদ্মশ্রী’-তে ভূষিত হলেন ।ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) নয়াদিল্লিতে এ সম্মাননা পাওয়া ব্যক্তিদের নাম ঘোষণা করা হয়।

    এ বছর পদ্ম বিভূষণ, পদ্ম ভূষণ ও পদ্মশ্রী— এই তিন ক্যাটাগরিতে ১৩২ জন সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে।

    এর আগে ২০২১ সালে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অগ্রণী ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক সন্‌জীদা খাতুন এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) সাজ্জাদ আলী জহির বীর প্রতীককে পদ্মশ্রী পদকে ভূষিত করেছিল ভারত সরকার। তার আগে অধ্যাপক আনিসুজ্জামান ও কূটনীতিবিদ সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী ‘পদ্মভূষণ’ সম্মাননা পেয়েছিলেন। আর ‘পদ্মশ্রী’ সম্মাননা পেয়েছিলেন প্রত্নতত্ত্ববিদ এনামুল হক ও সমাজকর্মী ঝর্ণাধারা চৌধুরী।

    সঙ্গীত ভুবনে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার পড়াশোনা বিস্তর। তিনি রবীন্দ্রসঙ্গীত ছাড়াও ধ্রুপদী, টপ্পা ও কীর্তন গানের ওপর শিক্ষা লাভ করেছেন। প্রাথমিক অবস্থায় বন্যা ‘ছায়ানট’ ও পরে ভারতের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। এই সংগীতশিল্পী বাংলাদেশের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গেও ব্যাপকভাবে সমাদৃত।

    ১৯৫৭ সালের ১৩ জানুয়ারি রংপুর জেলায় জন্ম নেওয়া বন্যা প্রথমে ছায়ানট এবং পরে ভারতের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেছেন। সেখানে শান্তিদেব ঘোষ, কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, নীলিমা সেন ও আশীষ বন্দ্যোপাধায়ের মত সংগীতজ্ঞদের সান্নিধ্যে আসেন তিনি।

    সংগীত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘সুরের ধারার’ প্রতিষ্ঠাতা বন্যা রবীন্দ্র সংগীত নিয়ে কয়েকটি বইও লিখেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা ও সংগীত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও নৃত্যকলা বিভাগের চেয়ারপার্সন হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

    সংগীতে অবদানের জন্য ২০১৬ সালে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার স্বাধীনতা পুরস্কার পান বন্যা। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের ‘বঙ্গভূষণ’, ফিরোজা বেগম স্মৃতি স্বর্ণপদকসহ বিভিন্ন সম্মাননায় ভূষিত এ শিল্পী।

    এ পর্যন্ত বহু অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে বন্যার। এর মধ্যে রয়েছে- ‘স্বপ্নের আবেশে’, ‘সকাল সাঁঝে’, ‘ভোরের আকাশে’, ‘লাগুক হাওয়া’, ‘আপন পানে চাহি’, ‘প্রাণ খোলা গান’, ‘এলাম নতুন দেশে’, ‘মাটির ডাক’, ‘গেঁথেছিনু অঞ্জলি’, ‘মোর দরদিয়া’, ‘শ্রাবণ তুমি’ ও ‘ছিন্নপত্র’ ইত্যাদি।

    ১৯৫৪ সাল থেকে ভারতে পদ্ম সম্মাননা বা পুরস্কার চালু হয়েছে। এই পুরস্কারের লক্ষ্য অনন্য কাজকে স্বীকৃতি দেওয়া। শিল্প, সাহিত্য ও শিক্ষা, খেলাধুলা, চিকিৎসা, সমাজসেবা, বিজ্ঞান ও কারিগরি, জনপরিসর, নাগরিক পরিষেবা, শিল্প ও বাণিজ্য প্রভৃতি ক্ষেত্রে অসামান্য ও ব্যতিক্রমী কাজের জন্য এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

  • এবার বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পাচ্ছেন ১৬ জন

    এবার বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পাচ্ছেন ১৬ জন

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২৫ জানুয়ারি, ২০২৪: বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৩ ঘোষণা করা হয়েছে। সাহিত্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ বছর ১১টি ক্যাটাগরিতে ১৬ জন এই পুরস্কার পাচ্ছেন।

    বাংলা একাডেমি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি অমর একুশে বইমেলা ২০২৪-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন।

    বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৩ পাচ্ছেন— কবিতায়  শামীম আজাদ, কথাসাহিত্যে নূরুদ্দিন জাহাঙ্গীর ও সালমা বাণী, প্রবন্ধ/গবেষণায় জুলফিকার মতিন, অনুবাদে সালেহা চৌধুরী, নাটক ও নাট্যসাহিত্যে মৃত্তিকা চাকমা ও মাসুদ পথিক, শিশুসাহিত্যে তপংকর চক্রবর্তী, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণায় আফরোজা পারভীন ও আসাদুজ্জামান আসাদ, বঙ্গবন্ধু বিষয়ক গবেষণায় সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল ও মো. মজিবুর রহমান, বিজ্ঞান/কল্পবিজ্ঞান/পরিবেশ বিজ্ঞানে ইনাম আল হক, আত্মজীবনী/স্মৃতিকথা/ভ্রমণকাহিনী/মক্তগদ্যে ইসহাক খান, ফোকলোরে তপন বাগচী ও সুমনকুমার দাশ।

  • জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে মঞ্চায়িত হবে “ক্রীতদাসের হাসি”

    জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে মঞ্চায়িত হবে “ক্রীতদাসের হাসি”

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২৫ জানুয়ারি, ২০২৪: রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের পরিবেশনায় আগামী ২৬ ও ২৭শে জানুয়ারি সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে মঞ্চায়িত হবে শওকত ওসমান রচিত কালজয়ী উপন্যাস অবলম্বনে নাটক ‘ক্রীতদাসের হাসি’। নাটকটির নি‍র্দেশনায় রয়েছেন রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের প্রধান ড. সাইদুর রহমান লিপন। নাটকটি পৃষ্ঠপোষকতা করছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি।

    ক্রীতদাসের হাসি উপন্যাসের প্রেক্ষাপট জেনারেল আইয়ুব খানের সামরিক শাসন ও বর্বর স্বৈরশাসন। আইয়ুব খানের অপশাসনের যে গল্পটি খলিফা হারুন অর রশিদের চরিত্রের মাধ্যমে চিত্রায়ণ করা হয়েছে, তা যেন আজও ভাস্বর। আইয়ুবি অপশাসনের ইতিহাস উঠে এসেছে নাটকের ভাঁজে ভাঁজে।

    নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা‍র্থীরা। মঞ্চ ও পোশাক পরিকল্পনা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের প্রভাষক মহসিনা আক্তার। আলোক পরিকল্পনা ও অভিনয় তত্ত্বাবধানে আছেন ধীমান চন্দ্র ব‍‍র্মণ, সহকারী নি‍র্দেশক আব্দুর রাজ্জাক।

    টিকিটের জন্য যোগাযোগ করুন,  মোবাইল নাম্বর : ০১৮১৯৮৯৫৮৬২, ০১৭১৭২৪০০৭৪

    এদিকে আজ ২৫ জানুয়ারি বিকেল ৩টায়; সংস্কৃতি, সাহিত্য ও বিনোদন বিভাগের সংবাদক‍‍র্মী এবং সংবাদ সংশ্লিষ্ট আলোকচিত্রী ও ভিডিওচিত্রীদের জন্য “ক্রীতদাসের হাসি” নাটকের একটি বিশেষ প্রদ‍‍র্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।

  • ভারতে সম্মাননা পেলেন লিয়াকত আলী লাকী

    ভারতে সম্মাননা পেলেন লিয়াকত আলী লাকী

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২২ জানুয়ারি, ২০২৪: ভারতের নাট্য সংগঠন সুখচর পঞ্চম প্রদত্ত “জীবন কৃতি সম্মান” পেলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক, ঋত্বিক নাট্যপ্রাণ জনাব লিয়াকত আলী লাকী।

    ভারতের কলকাতার নাট্য সংগঠন সুখচর পঞ্চম তাদের ৩৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে দর্শকের দরবার ২৯বর্ষ পর্বে “জীবন কৃতি সম্মান ” প্রদান করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক, বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশানের চেয়ারম্যান, শিল্পবন্ধু ঋদ্বিমান ও শিশুবন্ধু ঋত্বিক নাট্যপ্রাণ লিয়াকত আলী লাকীকে। গতকাল সন্ধ্যায় কলকাতায় এ সম্মাননায় ভূষিত হোন তিনি।

    ইতোপূর্বে এই জীবন কৃতি সম্মান প্রাপ্ত হন উপমহাদেশের খ্যাতিমান রতন থিয়াম ও বাউল সমাজ্ঞী পার্বতী বাউল। বাংলাদেশের অন্যতম প্রথিতযশা সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে অভিনয়ে ২০১৯ সালে একুশে পদক এবং সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরুপ বাংলা একাডেমির সম্মানসূচক ফেলোশিপ ২০২০ লাভ করেছেন। বাংলাদেশের প্রায় অর্ধশত শিশু সংগঠন কর্তৃক “শিশুবন্ধু” ও শ্রেষ্ঠ শিশু সংগঠক পদক লাভ করেছেন ঋদ্ধিমান নাট্যব্যক্তিত্ব লিয়াকত আলী লাকী। তিনি বাংলা নাটককে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এবং বাংলাদেশে নাটকের প্রকাশকে ভিন্ন মাত্রায় নিয়ে গেছেন। পাশাপাশি শিশু নাটককে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় পরিসরে ভিন্নমাত্রা প্রদান করার নিরলস প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি স্বরূপ সুখচর পঞ্চম খ্যাতিমান অভিনেতা, নির্দেশক, সংগঠক, গণসঙ্গীত শিল্পী ও নাট্যব্যক্তি লিয়াকত আলী লাকীকে তাদের জীবন কৃতি সম্মান প্রদান করছে। শ্রেষ্ঠ শিশু সংগঠক হিসেবে এর আগেও কলকাতা থেকে “সমলয়” পুরস্কার অর্জন করেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গ থেকে “‍বাংলার মুখ” পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।

    শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী,  ২০০৪ সালে জাপানের তইয়ামা’র গভর্নর কর্তৃক Honorary Cultural Envoy of Japan গ্রহণ করেন। সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরুপ তিনি ১৯৮৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্বর্ণ পদক লাভ করেন।

    জনাব লিয়াকত আলী লাকী আর্ন্তজাতিক বিভিন্ন সেমিনার, ওয়ার্কশ এবং সম্মেলনে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন কর্তৃক নানামাত্রিক পদক ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন গুণী এই সাংস্কৃতিক সংগঠক।

    তিনি একাধারে একজন নাট্যাভিনেতা, নাট্য নির্দেশক, সংগীত শিল্পী, সুরকার এবং সাংস্কৃতিক সংগঠক। তার নির্দেশিত নাটকের সংখ্যা ৮৫টি, তার অভিনীত নাটক ৬৫ টি।

    বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পাশাপাশি বর্তমানে তিনি গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের চেয়ারম্যান, পিপলস থিয়েটার এসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারি জেনারেল, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান সহ-সভাপতি, আইটিআই বাংলাদেশ কেন্দ্রের নির্বাহী কমিটির সদস্যসহ বহুমাত্রিক সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সাথে জড়িত আছেন স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক জনাব লিয়াকত আলী লাকী।

  • মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিকে অভিনয় করছেন জাফর জ্যাকসন

    মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিকে অভিনয় করছেন জাফর জ্যাকসন

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২১ জানুয়ারি, ২০২৪: মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যু হয়েছে ২০০৯ সালের ২৫ জুন। দেখতে দেখতে পার হয়ে গেছে প্রায় ১৪ বছর । পপ সম্রাট মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যু নিয়ে যেমন ধোঁয়াশা রয়েছে ঠিক তেমন তাঁর জীবনটাও অজানা আমাদের কাছে। জীবনে জড়িয়ে আছে অনেক রহস্য। এই রহস্যময় পপ সম্রাটকে নিয়ে এবার তৈরি হচ্ছে বায়োপি। জানুয়ারি মাসের ২২ ( ২০২৪)  তারিখ থেকে শুরু হচ্ছে মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিকের কাজ। পরিচালনা করবেন অ্যান্তোনি ফুকওয়া। প্রযোজনায় লায়নসগেট। মাইকেলের ভূমিকায় অভিনয় করছেন তারই ভাইর ছেলে জাফর জ্যাকসন। জাফর নিজেও একজন পপ শিল্পী। আন্তর্জাতিক বাজারে এই ছবির স্বত্বও কেনা হয়ে গেছে।

    প্রয়াত আমেরিকান পপ তারকা তথা বিশ্ব মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিক নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরেই অনুরাগীদের মধ্যে কৌতূহল ছিল। ‘মাইকেল’ শিরোনামের এই ছবিতে প্রয়াত আমেরিকান পপ তারকার ফার্স্টলুক এ বার প্রকাশ্যে এসেছে। জাফর জ্যাকসন দেখতে হুবহু মাইকেলে মতো।

    সমাজমাধ্যমে একটি ছবি প্রকাশ করেছেন জাফর। সাদাকালো সেই ছবিতে দূর থেকে মাইকেলকে দেখা যাচ্ছে। শিল্পীর নাচের মুদ্রা সেখানে অনুরাগীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। মাইকেলের জনপ্রিয় নাচের মুদ্রার মধ্যে ‘মুন ওয়াক’ এবং ‘টো স্ট্যান্ডিং’ রয়েছে। ছবিতে জাফরকে দ্বিতীয় নাচটি পরিবেশন করতে দেখা যাচ্ছে। ইনস্টাগ্রামে ছবিটি পোস্ট করে জাফর লিখেছেন, ‘‘আগামী সোমবার থেকে সফর শুরু হবে।’’

    মাইকেলের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টেও এই একই ছবি পোস্ট করে লেখা হয়েছে, ‘‘ছবির জন্য ও প্রস্তুত।’’

    মাইকেলের বায়োপিকে শিল্পীর জীবনের কোন কোন অংশ দেখানো হবে, তা আপাতত নির্মাতারা আড়ালেই রেখেছেন। জাফর নিজে এক জন গায়ক এবং নৃত্যশিল্পী। জাফরকে এই চরিত্রে নির্বাচন প্রসঙ্গে মাইকেলের মা ক্যাথরিন জ্যাকসন বলেন, ‘‘জাফরকে আমার ছেলের মতোই দেখতে। জ্যাকসনের জনপ্রিয়তাকে ও যে এগিয়ে নিয়ে চলেছে সেটা দেখে আমি গর্বিত।’’ ছবিটি পরিচালনা করবেন ‘দ্য ইকুয়ালাইজ়ার’ ফ্র্যাঞ্চাইজ়ি খ্যাত পরিচালক আঁতোয়া ফুকুয়া। ছবির চিত্রনাট্য লিখেছেন ‘গ্ল্যাডিয়েটর’ ছবির অন্যতম চিত্রনাট্যকার জন লোগান।

    ইতিমধ্যে নানা অঙ্গনের মানুষের বায়োপিক হয়েছে। দেরিতে হলেও এবার সে তালিকায় যুক্ত হলেন ‘পপ সম্রাট’ মাইকেল জ্যাকসন।

    মাইকেল্ জ্যাকসনকে নিয়ে কৌতুহলের শেষ নেই। মৃত্যুর ১৪ বছর পরেও মাইকেল-ম্যাজিক ফিকে হয়নি। এখনও তাঁকে নিয়ে চর্চা। আর সবচেয়ে আশ্চর্যের ব্যাপার হল মৃত্যুর পরেও নাকি কোটি কোটি টাকা আয় করছেন তিনি।

    ধনকুবের পপ সম্রাট দিকশূন্যপুরে গিয়েও ধনী। তাঁর আয়ের রেকর্ড আজও চমকে দেওয়ার মতো। ফোর্বস সম্প্রতি মৃত ব্যক্তিদের আয়ের বহর জানিয়ে একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। তাতে শীর্ষেই আছেন মাইকেল জ্যাকসন। এই কিছুদিন আগেই নয় নয় করেও ৯০০ কোটি টাকা রোজগার করেছেন তিনি।

    তোই পট সম্রাটের কোন দিকটি বায়োপিকে তুলে ধরা হবে সেটাই দেখার বিষয়। তবে মনে করা হচ্ছে জ্যাকসনের বায়োপিক সফল হবে সিনেমা জগতে।