Category: অর্থনীতি

  • চলতি বছর জুলাইয়ে ভ্যাট আদায় বেড়েছে ২২ শতাংশ

    চলতি বছর জুলাইয়ে ভ্যাট আদায় বেড়েছে ২২ শতাংশ

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৩১ আগস্ট, ২০২৩ : গত বছরের তুলনায় জুলাই মাসে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) আদায়ে উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে । চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের এই অর্জন একটি ইতিবাচক দিক। আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ২২ শতাংশ বেশি আয় এসেছে।
    জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) হালনাগাদ হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই মাসে ভ্যাট আদায় হয়েছে ৭,৬৫৪ কোটি টাকা। গতবছরের জুলাইতে এই আদায় ছিল ৬,২৯৯ কোটি টাকা। বেশি আদায় হয়েছে ১,৩৫৫ কোটি টাকা।
    জুলাই মাসের ভ্যাট আদায়ে শীর্ষে রয়েছে-এলটিইউ ভ্যাট কমিশনারেট। এলটিইউর মোট আদায় ৩,৫৬১ কোটি টাকা। পূর্বের তুলনায় যা ৮৬০ কোটি টাকা বেশি। এই কমিশনারেটের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩১.৮৬ শতাংশ। যা সাম্প্রতিক সময়ের ভ্যাট আহরণের রেকর্ড।
    এছাড়া, কুমিল্লা, সিলেট, খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, ঢাকা পূর্ব, ঢাকা দক্ষিণ, রংপুর ও যশোর কমিশনারেট জুলাই মাসে তুলনামূলক ভাল করেছে। এদের সবার প্রবৃদ্ধি দুই অংকের উপরে।
    জুলাই মাসে সবচেয়ে বেশি ভ্যাট আহরণ হয়েছে সিগারেট খাতে। এদিকে, মিষ্টির দোকানের ভ্যাট আদায় ২৮ শতাংশ বেড়েছে যা উল্লেখ করার মত। চলতি অর্থবছরের বাজেটে মিষ্টি খাতে ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে ৭.৫ শতাংশে হ্রাস করা হয়। তা সত্ত্বেও এই খাতে ভ্যাট আদায় কমেনি বরং বেড়েছে।
    এদিকে, এনবিআরের তিন অনুবিভাগের মধ্যে কাস্টমস অনুবিভাগ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে ১৩.৭০ শতাংশ এবং আয়কর প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে ৯.৬৫ শতাংশ। ভ্যাট, কাস্টমস ও আয়কর মিলে এনবিআরের মোট রাজস্ব আয় বেড়েছে ১৫.৩৮ শতাংশ।
    সূত্র: বাসস

  • টিসিবি প্রায় ১২২ কোটি টাকার তেল ও মসুর ডাল কিনবে

    টিসিবি প্রায় ১২২ কোটি টাকার তেল ও মসুর ডাল কিনবে

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৩০ আগস্ট, ২০২৩ : বাজার পরিস্থিতি সামাল দিতে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য ৪০ লাখ লিটার রাইস ব্র্যান অয়েল ও ছয় হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার। এতে মোট খরচ হবে ১২১ কোটি ৬৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা।
    আজ বুধবার (৩০ আগস্ট) ভার্চ্যুয়ালি অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ২৮তম বৈঠকে এ সংক্রান্ত পৃথক দুটি প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
    বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান সাংবাদিকদের জানান, আজ অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদনের জন্য একটি এবং ক্রয় কমিটির অনুমোদনের জন্য নয়টি প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়েছে।
    ক্রয় প্রস্তাবনাগুলোর মধ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের পাঁচটি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দুটি, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের একটি এবং বিদ্যুৎ বিভাগের একটি প্রস্তাবনা ছিল। ক্রয় কমিটির অনুমোদিত আটটি প্রস্তাবে মোট অর্থের পরিমাণ ১১ হাজার ৪৩০ কোটি ৭৭ লাখ ৪৩ হাজার ৭৫০ টাকা।
    অতিরিক্ত সচিব বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) কর্তৃক ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ৪০ লাখ লিটার রাইস ব্র্যান অয়েল মজুমদার ব্র্যান অয়েল মিলস লিমিটেডের কাছ থেকে ৬৪ কোটি ৬০ লাখ টাকায় কেনার প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
    উল্লেখ্য যে, টিসিবি কর্তৃক ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ছয় হাজার টন মসুর ডাল নাবিল নাবা ফুডস লিমিটেডের কাছ থেকে ৫৭ কোটি ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকায় কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

  • ডাব কেনাবেচায় রাখতে হবে পাকা রসিদ

    ডাব কেনাবেচায় রাখতে হবে পাকা রসিদ

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২৯ আগস্ট, ২০২৩ : ডেঙ্গু সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার কারণে বাজারে ডাবের চাহিদা বেড়েছে। কেননা ডাবের পানি ডেঙ্গু রোগীদের জন্য সবচেয়ে উপাদেয় পানীয়। এই সুযোগে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ডাবের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। তাই ডাবের দাম নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত বাজার তদারকি করবে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। ডাব কেনাবেচায় রাখতে হবে পাকা রসিদ। কোনভাবে নায্যমূল্যের বেশি দাম নিলে ব্যবসায়ীদের জরিমানাসহ কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে।
    গতকাল সোমবার রাজধানীর কারওয়ানবাজার ভোক্তা অধিদপ্তরের সভাকক্ষে যৌক্তিকমূল্যে ডাব কেনাবেচা সংক্রান্ত সচেতনতামূলক সভায় ডাবের পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
    সভায় সভাপতিত্ব করেন ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান। তিনি বলেন, ডেঙ্গু সংক্রমণের সুযোগ নিয়ে হঠাৎ করেই ডাবের দাম দ্বিগুণ বেড়েছে। অসহায় রোগীদের জিম্মি করে ডাব ব্যবসায়ীদের অনৈতিক এ অতিমুনাফা কোনো যুক্তিতেই গ্রহণযোগ্য নয়।
    মহাপরিচালক বলেন, গত ২৪ আগস্ট গভীর রাতে কারওয়ান বাজার আড়তে অভিযান চালিয়ে পাইকারি পর্যায়ে ডাবের সর্বোচ্চ মূল্য প্রকারভেদে ৪০ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে পাওয়া গেছে। অর্থাৎ সবচেয়ে ভালো মানের ডাব খুচরায় সর্বোচ্চ ১০০ টাকার বেশি হতে পারে না যা বাজারে দ্বিগুণ পর্যন্ত দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে।
    তিনি আরও বলেন, ডাব কেনাবেচায় কোনো রকম পাকা ভাউচার কিংবা ক্রয়-বিক্রয় রসিদ রাখা হয় না। এ সুযোগে ডাবের আড়ত, পাইকারি ও খুচরা প্রতিটি স্তরে মূল্যবৃদ্ধির এক মহোৎসব চলছে। আমরা এরই মধ্যে সারাদেশে ডাব নিয়ে কাজ শুরু করেছি। এর প্রভাব বাজারে পড়েছে। ডাবের মূল্য কমতে শুরু করেছে। শফিকুজ্জামান বলেন,‘আমি সবাইকে বলছি যতক্ষণে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১০০ টাকার মধ্যে না আসবে আমরা ততক্ষণ পর্যন্ত মনিটরিং জোরদার রাখবো।’
    তিনি বলেন, আজ মঙ্গলবার ( ২৯ আগস্ট ) থেকে ডাব ব্যবসায়ীদের অবশ্যই পাকা রসিদ সংগ্রহে রাখতে হবে। তা না হলে অভিযানের মাধ্যমে জরিমানাসহ কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে।
    বৈঠকে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা পরস্পরকে দোষারোপ করে বক্তব্য দেন। তবে ভোক্তা অধিদপ্তর থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে খুচরা কিংবা পাইকারি উভয় পর্যায়ে কোথাও অতিরিক্ত লাভে ডাব বিক্রির অভিযোগ পেলে, তাকে কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে।
    সূত্র: বাসস

  • ডাবের মূল্য বৃদ্ধি থামাতে মাঠে ভোক্তা অধিদপ্তর

    ডাবের মূল্য বৃদ্ধি থামাতে মাঠে ভোক্তা অধিদপ্তর

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২৮ আগস্ট, ২০২৩ : এখন ডেঙ্গুর সময়। এই সময় ডাবের চাহিদা বেড়েছে। সেই সুযোগে কিছু ডাব ব্যবসায়ী এর মূল্য বাড়িয়ে চলেছে। এই প্রেক্ষিতে বাজারে খুচরা পর্যায়ে ডাবের মূল্য অনেক বেশি। তাই এই মূল্য কারসাজি বন্ধে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর দেশব্যাপী অভিযান পরিচালনা করছে। খুচরা পর্যায়ে মূল্য স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত কঠোর তদারকি অব্যাহত রাখার জন্য মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ প্রদান করেছে সংস্থাটি।
    গতকাল সংস্থার মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বাসসকে বলেন, ‘ডাব কেনাবেচায় কোন রকম ক্রয়-বিক্রয় রশিদ রাখা হয় না। এ সুযোগে ডাবের আড়তে এবং পাইকারী ও খুচরা প্রতিটি স্তরে মূল্য বৃদ্ধি যেন নিয়মিত বিষয় হয়ে পড়েছে। আমরা ইতোমধ্যে সারাদেশে এর বিরুদ্ধে কাজ শুরু করেছি। এর প্রভাবে ডাবের মূল্য কমতে শুরু করেছে।’
    তিনি বলেন, ডাবের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১০০ টাকার মধ্যে না আসা পর্যন্ত বাজার তদারকি অব্যাহত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
    তিনি জানান, পাইকারী পর্যায়ে ডাবের সর্বোচ্চ মূল্য প্রকারভেদে ৪০ থেকে ৭০ টাকা। সুতরাং খুচরা পর্যায়ে সবচেয়ে ভালো মানের ডাব ১০০ টাকার বেশি হতে পারে না। কিন্তু বর্তমানে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত ডাব বিক্রি হচ্ছে। এই অনৈতিক মূল্য বৃদ্ধির কোন যুক্তিতেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
    সফিকুজ্জামান বলেন, ডেঙ্গুর সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ডাবের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ডাব ব্যবসায়ীরা অনৈতিকভাবে দাম বৃদ্ধি করছে। অতিরিক্ত দামে ডাব বিক্রির অভিযোগে দেশের কয়েকটি জায়গায় ব্যবসায়ীদের ইতোমধ্যে জরিমানা করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
    এছাড়া ব্যবসায়ীদের সঠিক মূল্যে ডাব বিক্রি ও ভাউচার সংরক্ষণ করতে সতর্ক করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
    আগামীকাল রাজধানীর কারওয়ানবাজার ভোক্তা অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে যৌক্তিক মূল্যে ডাব ক্রয়-বিক্রয় বিষয়ে সচেতনতামূলক সভার আয়োজন করেছে সংস্থাটি। সেখানে অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা উপস্থিত থাকবেন। এদিকে, ডাবের মূল্য নিয়ন্ত্রণে গণমাধ্যমকে বস্তুনিষ্ঠ এবং অনুসন্ধানীমূলক সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সহযোগিতা প্রদানের জন্য আহবান জানিয়েছেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।
    সূত্র: বাসস

  • ‘পেঁয়াজ নিয়ে কারসাজি করলে কঠোর ব্যবস্থা’

    ‘পেঁয়াজ নিয়ে কারসাজি করলে কঠোর ব্যবস্থা’

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২৭ আগস্ট, ২০২৩ : পেঁয়াজ নিয়ে কেউ যেন কারসাজি করতে না পারে সেজন্য জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নিয়মিত বাজার তদারকি করবে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির মহাপরিচালক এএইচএম শফিকুজ্জামান। পেঁয়াজ রপ্তানির উপর ভারতের শুল্ক আরোপের অজুহাত দেখিয়ে কোন অসাধু ব্যবসায়ী দাম বাড়াচ্ছে।
    তিনি বলেন,‘পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে বড় বাজারগুলোর পাশাপাশি দেশব্যাপী ছোট ছোট বাজারেও অভিযান চালনো হচ্ছে “
    তিনি জানান, বর্তমানে পেঁয়াজের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। তাই কেউ কারসাজির চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
    পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে গত কয়েকদিনে দেশের বৃহৎ ভোগ্যপণ্যের বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ, রাজধানীর কারওয়ানবাজার ও মৌলভীবাজারসহ দেশব্যাপী বিভিন্ন আড়ত ও কাঁচাবাজারে অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযানে মূলত পেঁয়াজের মূল্য তালিকা টানানো হয়েছে কিনা, মূল্য তালিকার সঙ্গে বিক্রির মূল্য ঠিক আছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
    এএইচএম শফিকুজ্জামান বলেন, যেসব আড়তদার আমদানিকারকদের কাছ থেকে পেঁয়াজ কিনে থাকেন তারা ক্রয় স্লিপ সঙ্গে রাখেন কিনা তা যাছাই করা হচ্ছে। এছাড়া সরবরাহ স্বাভাবিক আছে কিনা তাও মনিটরিং করা হয়।
    সম্প্রতি ভারত সরকার পেঁয়াজ রপ্তানিতে ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে এবং আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তা বহাল রাখার ঘোষণা দেয়। এরফলে দেশের অভ্যন্তরে পেঁয়াজ সরবরাহে যেন কোন ব্যাঘাত সৃষ্টি না হয়, সেজন্য সরকার গত বৃহস্পতিবার আরও ৯টি দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিয়েছে। এখন পর্যন্ত ১৩ লাখ ৭৩ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়া হয়েছে এবং এরই মধ্যে প্রায় ৪ লাখ টন দেশে এসে পৌঁছেছে।
    সূত্র : বাসস

  • ভারত থেকে পণ্য সরবরাহের প্রক্রিয়া দ্রুত বাস্তবায়ন হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

    ভারত থেকে পণ্য সরবরাহের প্রক্রিয়া দ্রুত বাস্তবায়ন হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২৫ আগস্ট, ২০২৩ : দেশে বেড়ে চলেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম।তাই সরকার ভারত থেকে পণ্য আমদানীর কথা ভাবছে। এই প্রেক্ষিতে ভারত থেকে বাংলাদেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহের লক্ষ্যে প্রস্তাবিত প্রক্রিয়া দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।
    আজ শুক্রবার (২৫ আগস্ট) ভারতের জয়পুরে অনুষ্ঠিত জি-২০ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ মন্ত্রীদের সভার পূর্বে ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের সাথে সাইডলাইনে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে দেশটির প্রতি এ আহবান জানান তিনি।
    ভারত থেকে বাংলাদেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহের একটি প্রক্রিয়া প্রণয়নে অগ্রগতির জন্য টিপু মুনশি ভারতীয় বাণিজ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রস্তাবিত ব্যবস্থার দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য তার সমর্থন কামনা করেন।
    টিপু মুনশি সম্প্রতি পিঁয়াজের উপর শতকরা ৪০ ভাগ রপ্তানি শুল্ক আরোপের ফলে বাংলাদেশে পিঁয়াজের দামের উপর বিরূপ প্রভাব পড়েছে বলে ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে পীযূষ গোয়েলে জানান, বিশ্বব্যাপী উৎপাদনে ব্যাঘাত, সরবরাহের ঘাটতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির কারণে সৃষ্ট অসুবিধাগুলি কাটিয়ে উঠতে ভারত বাংলাদেশের সাথে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রতিকূল আবহাওয়া এবং খাদ্য মূল্যস্ফীতির কারণে ভারতও কৃষিজাত পণ্যের উৎপাদন ঘাটতিতে ভুগছে। এ কারণে ভারত সরকারকে কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। তিনি বাংলাদেশকে আশ্বস্ত করে বলেন, খুব শিগগরি তারা এ সংকট কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবে।
    বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের পাটজাত পণ্যের উপর থেকে এন্টি ডাম্পিং শুল্ক প্রত্যাহারের জন্য ভারত সরকারের প্রতি অনুরোধ করলে পীযূষ গোয়েলে এ বিষয়ে সর্বোচ্চ বিবেচনার আশ্বাস প্রদান করেন। এছাড়া অন্যান্য দ্বিপাক্ষিক ইস্যু নিয়ে আলোচনার জন্য আগামী দুই মাসের মধ্যে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকে উপস্থাপন এবং এগুলি নিষ্পত্তি করার উপর গুরুত্বারোপ করেন।
    ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী জি-২০ মন্ত্রী পর্যায়ের ঘোষণা চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মূল্যবান অবদানের প্রশংসা করে বলেন, ভারত সবসময় বাংলাদেশের সাথে বিশেষ বন্ধুত্ব ও অংশীদারিত্বকে মূল্যায়ন করে থাকে।
    বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী জি-২০ এর প্রেসিডেন্সি হওয়ায় ভারতকে অভিনন্দন জানান এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা ফোরামে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশকে অতিথি দেশ হিসেবে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    টিপু মুনশি সৌদি আরবের বাণিজ্যমন্ত্রী এমই মাজিদ আল কাসাবির সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। এসময় দিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য জি-২০ সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে আসন্ন বৈঠক ফলপ্রসূ হবে বলে উভয় মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।
    পরে জি-২০ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ মন্ত্রীদের সভা যোগদান করেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। আগামী বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মন্ত্রী পর্যায়ের ১৩তম সম্মেলনে এলডিসি থেকে উত্তরণপ্রাপ্ত দেশগুলির পক্ষে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য মন্ত্রী জি-২০ দেশের মন্ত্রীদের অনুরোধ করেন।
    টিপু মুনশি সৌদি আরবের বাণিজ্যমন্ত্রী এমই মাজিদ আল কাসাবির সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। এসময় দিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য জি-২০ সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে আসন্ন বৈঠক ফলপ্রসূ হবে বলে উভয় মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।
    পরে জি-২০ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ মন্ত্রীদের সভা যোগদান করেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। সভায় দেয়া বক্তব্যে তিনি বাংলাদেশসহ গ্র্যাজুয়েশন ট্র্যাকে থাকা দেশগুলোকে ২০২৬ সালের পর এলডিসি দেশসমূহের জন্য প্রযোজ্য শুল্কমুক্ত কোটা মুক্ত বাজার সুবিধা অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে সমর্থন প্রদানের জন্য জি-২০ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান। আগামী বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মন্ত্রী পর্যায়ের ১৩তম সম্মেলনে এলডিসি থেকে উত্তরণপ্রাপ্ত দেশগুলির পক্ষে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য মন্ত্রী জি-২০ দেশের মন্ত্রীদের অনুরোধ করেন।
    সূত্র : বাসস

  • ভ্যাট আদায় বাড়াতে ইএফডিএমএস চালু করেছে এনবিআর

    ভ্যাট আদায় বাড়াতে ইএফডিএমএস চালু করেছে এনবিআর

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২৩ আগস্ট, ২০২৩ : জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভ্যাট (মূল্য সংযোজন কর) আহরণে স্বচ্ছতা এবং গতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইলেক্ট্রনিক ফিসক্যাল ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (ইএফডিএমএস) চালু করেছে । গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁও রাজস্ব ভবনের মাল্টিপারপাস হলে এক অনুষ্ঠানে ইএফডিএমএস আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন এবং বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সভাপতি মাহবুবুল আলম বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন এনবিআরের সদস্য ড. মইনুল খান। এছাড়া অনুষ্ঠানে জেনেক্স ইনফোসিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ্ জালাল উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

    অর্থমন্ত্রী প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, এই ডিভাইস দেশে রাজস্ব আহরণের গতি বাড়াবে এবং রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে আরও স্বচ্ছতা তৈরি করবে। তিনি বলেন, রাজস্ব খাতে সরকারের সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নের অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে ২০২০ সালে পরীক্ষামূলকভাবে ইএফডির মাধ্যমে ভ্যাট আদায় পদ্ধতি চালু করা হয়।

    সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ড ইতোমধ্যে ভ্যাট আহরণে ডিজিটাল পদ্ধতি চালু করেছে উল্লেখ করে মুস্তফা কামাল বলেন, বাংলাদেশে রাজস্ব আহরণ ব্যবস্থা আরও সুশৃঙ্খল করতে এনবিআরকে কাজ করে যেতে হবে।
    ব্যবসায়ীরা সরকারের উদ্যোগ বাস্তবায়নে তাদের আগ্রহ ব্যক্ত করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কর প্রদানের বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরির ক্ষেত্রে সংবাদ মাধ্যমকে ভূমিকা রাখতে হবে। এক্ষেত্রে তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের ইতিবাচক ভূমিকা পালনের আহবান জানান।

    গত ১৫ বছরে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির কথা তুলে ধরে মুস্তফা কামাল বলেন, এ সময়ে দেশের জিডিপির আকার বেড়েছে সাড়ে চার গুণ এবং বাংলাদেশ বিশ্বের ৩৫তম অর্থনীতির দেশে উন্নীত হয়েছে। ২০০৯ সালে বাংলাদেশ বিশ্বের ৬৮তম অর্থনীতির দেশ ছিলো।

    তিনি আরও বলেন, গত ১৫ বছরে বার্ষিক গড় মাথাপিছু আয় ৬৮৬ মার্কিন ডলার থেকে উন্নীত হয়ে ২৭৯৩ ডলারে পৌঁছেছে। ২০২০ সালে দেশে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ ছিল ২১ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার এবং চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাজেটের আকার দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৬২ হাজার কোটি টাকা।
    অর্থমন্ত্রী বলেন, এনবিআরকে রাজস্ব আদায় করতে হবে এবং একইসাথে রাজস্ব আদায় করতে গিয়ে কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, ‘ইনশাল্লাহ সকল বাঁধা দূর করে আগামীতে আমরা করনেট বাড়াতে সক্ষম হবো।’

    অনুষ্ঠানে এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম বলেন, ভ্যাট আদায়ের জন্য ২০২০ সালের আগস্ট মাসে পরীক্ষামূলকভাবে ইএফডি মেশিন বসানো হয়। এনবিআরের জনবল স্বল্পতার কারণে সারাদেশে ইএফডির মাধ্যমে ভ্যাট সংগ্রহ সম্ভব নয়। এজন্য আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ডিভাইস পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    তিনি বলেন, ইএফডির বর্তমান কার্যক্রম সাফল্যের ভিত্তিতে পরবর্তীতে ঢাকা ও চট্টগ্রামের বাইরে সম্প্রসারণ করা হবে। এনবিআরের আয়কর, শুল্ককর এবং ভ্যাট আহরণ চলবে কিন্তু ভ্যাটের পরিমাণ ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    ইএফডিএমএস চমৎকার উদ্যোগ উল্লেখ করে অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে আর্থিক ব্যবস্থাপনা স্মার্ট হওয়াটা জরুরি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার স্বয়ংক্রিয় চালান পদ্ধতি চালু করেছে এবং সঞ্চয়পত্র অনলাইন ভিত্তিক করেছে।

    অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, ব্যবসায়ীরা কোন হয়রানি ছাড়াই কর ও ভ্যাট দিতে চায়। এর জন্য অটোমেশনের বিকল্প নেই। ইএফডিএমএস সরকার ও ব্যবসায়ী উভয়ের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী উদ্যোগ উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে ব্যবসায়ীরা সরকারের সাথে একযোগে কাজ করে যাবে।

    বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ব্যবসায়ী পর্যায়ে ভ্যাট আহরণে এনবিআরের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ডিভাইস বসাবে জেনেক্স ইনফোসিস লিমিটেড।

    জেনেক্স ইনফোসিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ্ জালাল উদ্দিন বলেন, ভ্যাট ব্যবস্থাপনা ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে শুধু সরকারের রাজস্বই বৃদ্ধি পাবে না বরং টেকসই অর্থনীতির পথেও দেশ এগিয়ে যাবে। ইএফডিএমএস ব্যবসায় উৎপাদনশীলতা বাড়াতে এবং হিসাব শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে। ভ্যাট প্রদানে এবং রিটার্ন দাখিলে ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন সময় যে জটিলতা ও চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হন তা এ ডিভাইস ব্যবহারের মাধ্যমে অনেকাংশে দূর হয়ে যাবে।
    তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে ঢাকা ও চট্টগ্রামে প্রতিবছরে ৬০ হাজার করে পাঁচ বছরে তিন লাখ ইএফডিএমএস মেশিন বসানো হবে।

    উল্লেখ্য, দেশে বর্তমানে মোট রাজস্বের প্রায় ৪০ শতাংশ আদায় হয় ভ্যাট থেকে। ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, বিপণি বিতান, হোটেল-রেস্টুরেন্টসহ ২৫টি খাতে ইএফডিএমএস ডিভাইস বসানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    প্রাথমিকভাবে ঢাকা এবং চট্টগ্রামে ইএফডিএমএস ডিভাইসটির সংরক্ষণ ও পরিচালনার পাশাপাশি গ্রাহকদের কাছ থেকে ভ্যাট আহরণ করা হবে। এর মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের ভ্যাট রিটার্ন দেয়ার সুযোগও থাকবে। এনবিআরের সার্ভারে সিস্টেমটি সংযুক্ত করা হয়েছে। এনবিআর সরাসরি ভ্যাট প্রদান ও আহরণের পরিমান সরাসরি পর্যবেক্ষণ-পরিবীক্ষণ করবে।
    সূত্র: বাসস

  • ঋণের ৫০ মিলিয়ন ডলার বাংলাদেশকে ফেরত দিয়েছে শ্রীলঙ্কা

    ঋণের ৫০ মিলিয়ন ডলার বাংলাদেশকে ফেরত দিয়েছে শ্রীলঙ্কা

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২২ আগস্ট, ২০২৩ : ২০২১ সালে শ্রীলঙ্কায় চরম অর্থনৈতিক সংকট দেখা দেয়। তার পর থেকে দেশটিতে রাজনৈতিক অস্থিরতা বিরাজ করে ।অনেকে কাজ হারায়।শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে অনেকদিন। এক খবরে জানা গেছে শ্রীলঙ্কার অনেক মানুষ তিন বেলা কাঁঠাল খেয়ে জীবন ধারণ করতে শুরু করে।যদিও অর্থনৈতিক মন্দার আগে দেশটিতে কাঁঠাল পেকে গাছের নিচে পড়ে থাকতো। খাবার কেউ ছিলোনা। সেই সময় দেশটির এই সংকটের কারণে শ্রীলঙ্কার বৈদেশিক ঋণ খুব জরুরী হয়ে পড়েছিল।
    অর্থনৈতিক সংকটের কারণে ২০২১ সালে কারেন্সি সোয়াপ সিস্টেমের অধীনে বাংলাদেশ থেকে ২০০ মিলিয়ন ডলারের ঋণের নেয় শ্রীলঙ্কা। এই ঋণের মধ্যে ৫০ মিলিয়ন ডলার বাংলাদেশকে ফেরত দিয়েছে।
    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, গত ১৭ আগস্ট কিস্তি পরিশোধ করা হয়। এই পরিমাণ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়িয়েছে বলে জানা গেছে।
    ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে, বাংলাদেশ কারেন্সি সোয়াপ সিস্টেমের অধীনে তার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে শ্রীলঙ্কাকে ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিয়েছিলো।
    এক বছরের ঋণের মেয়াদ শেষ হয় গত বছরের সেপ্টেম্বরে। এরপর তিন মাসে দুইবার মেয়াদ বাড়ানো হয় চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত। অবশেষে ঋণ পরিশোধের জন্য প্রতিবেশী দেশকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আরও ছয় মাস সময় দেওয়া হয়।
    ঋণ চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশের ঋণের বিপরীতে ১ দশমিক ৫ শতাংশ হারে সুদ পরিশোধ করার কথা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম দেশ শ্রীলঙ্কার।
    সূত্র : বাসস

  • ‘সার্বজনীন পেনশন স্কিম’একটি সার্বজনীন কর্মসূচি: ডিসিসিআই সভাপতি

    ‘সার্বজনীন পেনশন স্কিম’একটি সার্বজনীন কর্মসূচি: ডিসিসিআই সভাপতি

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২১ আগস্ট, ২০২৩ : ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) সভাপতি ব্যারিস্টার মো. সামীর সাত্তার জানিয়েছেন, সম্প্রতি সরকার প্রবর্তিত ‘সার্বজনীন পেনশন স্কিম’ দেশের সকল স্তরের মানুষকে টেকসই সামাজিক সুরক্ষা ও নিরাপত্তা বলয়ে অন্তর্ভূক্তিকরণে কার্যকর এবং সময়োপযোগী একটি উদ্যোগ।
    তিনি আরও জানিয়েছেন, এটি সরকারের একটি জনবান্ধব উদ্যোগ, যা দেশের অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত করবে। সমাজের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকল্পে বিশেষ করে বেসরকারিখাতে কম জনগোষ্ঠী, প্রবাসী, অনানুষ্ঠানিক খাত এবং নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ‘প্রগতি’, ‘সুরক্ষা’, ‘সমতা’ এবং ‘প্রবাসী’ নামে ৪টি প্যাকেজের মাধ্যমে দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীকে এ কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসা হবে। উল্লেখ্য,‘সমতা’ স্কিমের আওতায় স্বল্প আয়ের জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের পক্ষ হতে ৫০ শতাংশ চাঁদা সহায়তার উদ্যোগ খুবই ইতিবাচক একটি দিক।
    ঢাকা চেম্বার বিশ্বাস করে, বৈশ্বি অর্থনৈতিক মন্দার কারণে এবং আর্থিক কৃচ্ছতা সাধনের মত পরিস্থিতিতে, সার্বজনীন পেনশন স্কিম আমাদের অর্থনীতিতে অর্থ প্রবাহ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ কর্মসূচি সমাজের নিম্ন আয়ের মানুষের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি দারিদ্র বিমোচন করবে, যেটি আগামী বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ ও ব্যয় হ্রাসে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
    ডিসিসিআই সভাপতি সামীর সাত্তার মনে করেন, এর মাধ্যমে বেসরকারিখাতও উপকৃত হবে। তিনি বলেন, এ বিশাল উদ্যোগ ব্যাংক খাত হতে সরকারের ঋণ গ্রহণের প্রবণতা হ্রাস করবে এবং সরকারের আর্থিক চাহিদা মেটাতে নতুন নতুন আর্থিক উৎসের সৃষ্টি করবে। সেই সাথে বেসরকারিখাতে ঋণ প্রবাহ বৃদ্ধির পাশাপাশি বিদেশী ঋণ গ্রহণ হ্রাস করবে, যেটি দেশের জিডিপিতে বিনিয়োগের অংশীদারিত্বকে বৃদ্ধি করবে। এছাড়াও বেসরকারিখাতের জন্য প্রতিযোগী মূল্যে অর্থ প্রাপ্তিতেও সহায়তা করবে।একইসাথে আমাদের স্থানীয় বৃহৎ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি এমএসএমই খাতে কর্মরত বিপুল জনগোষ্ঠীকে ‘প্রগতি’ স্কিমের আওতায় তাদের বার্ধক্যকালীন সময়ে সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে,যেটি আমাদের বেসরকারিখাতে কমর্রত মানুষের কর্মস্পৃহা বৃদ্ধির পাশাপাশি চাকুরীত্যাগের প্রবণতাকেও হ্রাস করবে।
    নেদারল্যান্ডস্, ডেনমার্ক, জার্মানী, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, কানাডা, আইসল্যান্ড এবং সুইজারল্যান্ড সহ পৃথিবীর অনেক উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশে এ ধরনের জনবান্ধব উদ্যোগ চলমান রয়েছে। এ ধরনের কর্মসূচি পরিচালনায় উল্লেখিত দেশসমূহের অভিজ্ঞতার আলোকে আমাদের ‘সার্বজনীন পেনশন স্কিম’ কার্যকরভাবে পরিচালনার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির বহুল প্রত্যাশিত রুপান্তরকে বেগবান করবে। এই কর্মসূচির বিভিন্ন স্কিমের বিপরীতে প্রতিযোগিতামূলক ও নিরাপদ পেনশন প্রাপ্তির নিশ্চয়তা, সুশাসন এবং সাধারণ জনগনের এ অর্থ পরিচালনায় দক্ষ ব্যবস্থাপনা প্রভৃতি বিষয়গুলো ভবিষ্যতে দেশের মানুষকে এ স্কিমের প্রতি আরও বেশি হারে আকৃষ্ট করবে।
    ‘সার্বজনীন পেনশন স্কিম’একটি সার্বজনীন কর্মসূচি যার মাধ্যমে দেশের সর্বস্তরের মানুষ অর্থনৈতিক নিরাপত্তার আওতায় আসবে।
    সূত্র; বাসস

  • টিসিবি চলতি অর্থবছরে ৮০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনবে

    টিসিবি চলতি অর্থবছরে ৮০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনবে

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৭ আগস্ট, ২০২৩ : ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৮০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনবে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। গতকাল বুধবার সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রীসভা কমিটির সভায় এই অনুমোদন দেওয়া সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় ।

    অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রীসভা ও সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রীসভা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. আমিন উল আহসান।

    আমিন উল আহসান বলেন, সরকারি বিপণন সংস্থা টিসিবির আওতায় ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ৮০ লাখ (+৫%) লিটার সয়াবিন তেল কেনা হবে। সুপার অয়েল রিফাইনারিজ লিমিটেডের কাছ থেকে তেল কেনা হবে। সয়াবিন তেল কিনতে ১২৭ কোটি ৯৬ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।

    এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা উপজেলায় ৭৮৪ একর জমিতে চীন সরকারের অর্থায়নে জিটুজি ভিত্তিতে ‘চাইনিজ ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন’ প্রতিষ্ঠায় বহিস্থ অবকাঠামো নির্মাণ এবং উপযোগ সেবার সংস্থান সম্পর্কিত কাজ চীন সরকার মনোনীত ডেভেলপার চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশনের (সিআরবিসি) কাছ থেকে সরকারি ক্রয় পদ্ধতিতে কেনার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    এর আগে বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনষ্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন গত ১৩ আগস্ট রবিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা কমানোর সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

    সূত্র : বাসস