Category: অর্থনীতি

  • মঙ্গা যাতে আর ফিরে না আসে সেজন্য সরকারি কর্মকর্তাদের প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী

    মঙ্গা যাতে আর ফিরে না আসে সেজন্য সরকারি কর্মকর্তাদের প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩ আগস্ট, ২০২৩: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল, ২ আগস্ট (বুধবার) উত্তরাঞ্চলে পুনরায় যাতে আর মঙ্গা বা দুর্ভিক্ষ ফিরে না আসে তা নিশ্চিত করতে সরকারি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন।

    রংপুর জিলা স্কুল মাঠে দলের বিভাগীয় মহাসমাবেশে যোগদান শেষে হেলিকপ্টার যোগে ঢাকা রওনা হওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী এ অঞ্চলের মানুষেন আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সরকারের গৃহীত প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে সংশ্লিষ্ঠ কর্মকর্তাদের প্রতি এ নির্দেশ দেন।

    ২ আগস্ট বিকেলে রংপুর সার্কিট হাউজে বিভাগের সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়কালে প্রধাসমন্ত্রী বলেন, ‘এ অঞ্চলে আর যাতে মঙ্গা ফিরে না আসে সে জন্য কাজ করুন।’

    জনগণ যাতে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবাসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে পারে সে জন্য তিনি সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্ভাবনী ধারনা তৈরিতে মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, এক সময় রংপুর অঞ্চলকে মঙ্গা পিড়ীত এলাকা হিসেবে বিবেচনা করা হতো।

    তিনি বলেন, ‘তবে গত সাড়ে ১৪ বছরে সরকারের প্রচেষ্টায় রংপুর অঞ্চলে আর কখনো মঙ্গা দেখা যায়নি। পুনরায় মঙ্গা ফিরে না আসার ব্যবস্থা আমরা করতে পেরেছি।

    প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অক্লান্ত পরিশ্রমের জন্য সরকারি কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানান।

    তিনি বলেন, ‘প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য আমরা আপনাদেরকে নীতি, পরিকল্পনা, অর্থ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সব কিছু দিতে পারি। তবে, তৃণমূলে থেকে আপনাদেরকেই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে। সুতরাং, সব কিছু আপনাদেরই হাতে।’দেয়া হয়।

    সূত্র: বাসস

  • পণ্য রপ্তানি বাণিজ্য থেকে জুলাইয়ে ১৫ দশমিক ২৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে

    পণ্য রপ্তানি বাণিজ্য থেকে জুলাইয়ে ১৫ দশমিক ২৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৩ আগস্ট, ২০২৩ : পণ্য রপ্তানি বাণিজ্যে নতুন অর্থবছরের (২০২৩-২৪) প্রথম মাস, জুলাইয়ে ১৫ দশমিক ২৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

    আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি লক্ষ্যমাত্রাকেও ছাড়িয়ে গেছে জুলাইয়ের রপ্তানি আয়।

    রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুারোর (ইপিবি) প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। আজ বুধবার ইপিবি এই হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে।

    ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে দেশের রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৪৫৯ কোটি ২৯ লাখ মার্কিন ডলার। এর আগের বছরের (২০২২-২৩) জুলাইয়ে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৩৯৮ কোটি ৪৮ লাখ ডলার। সেই হিসেবে নতুন অর্থবছরের প্রথম মাসে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ১৫ দশমিক ২৬ শতাংশ।

    গত জুলাইয়ে সরকারের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৪৮ কোটি ১০ লাখ ডলার। সেই হিসেবে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ১১ কোটি ১৯ লাখ ডলার সমমূল্যের পণ্য বেশি রপ্তানি হয়েছে। যা শতকরা হিসেবে ২ দশমিক ৫০ শতাংশ বেশি।

    বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি ফারুক হাসান বাসসকে বলেন, ‘বছরের শুরুতে এরকম একটা খবর আমাদের জন্য খুবই ইতিবাচক। বিশ্বজুড়ে অস্থিরতার মধ্যে এ ধরনের প্রবৃদ্ধি অর্জন আমাদেরকে কাজ করার প্রতি উৎসাহ যোগাবে।’

    তিনি মনে করেন রপ্তানি আয় বাড়ার মূল কারণ ইউনিট প্রতি পোশাকের মূল্য বেড়েছে। ক্রয় আদেশ কম হওয়ায় রপ্তানি পণ্যের পরিমাণ কমে গেছে, কিন্তু উচ্চ মূল্যের কারণে রপ্তানি আায় বেড়েছে।

    ফারুক হাসান বলেন, আমরা এখন উচ্চ মূল্যের পোশাক তৈরি করছি। পণ্যের মধ্যে অনেক বৈচিত্র্য আনা হয়েছে। এছাড়া কোরিয়া, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, সংযুক্ত আরব-আমিরাতসহ নতুন নতুন বাজারে আমাদের রপ্তানি বাড়ছে। যা সামগ্রিকভাবে রপ্তানি আয় সম্প্রসারণে ভুমিকা রাখছে।

    বৈশ্বিক পর্যায়ে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) পোশাক রপ্তানির পরিসংখ্যাণ ১ আগস্ট, প্রকাশিত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ডব্লিউটিও’র হিসেবে ২০২২ সালে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের মার্কেট শেয়ার অনেক বেড়েছে। যা সত্যিকার অর্থে আমাদের জন্য অত্যন্ত খুশির খবর।

    তিনি বলেন, ২০২১ সালের তুলনায় গতবছর ১১ বিলিয়ন ডলারের বেশি পোশাক রপ্তানি হয়েছে। ২০২১ সালে বৈশ্বিক পোশাক বাজারে বাংলাদেশের মার্কেট শেয়ার ছিল ৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ। ২০২২ সালে সেটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

    তবে পোশাক রপ্তানির উচ্চ প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে ভ্যাট ও শুল্ক সংক্রান্ত সেবা আরও সহজ করার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান বিজিএমইএ সভাপতি।

    জুলাইয়ের রপ্তানি তথ্য থেকে দেখা যাচ্ছে, মাসটিতে নিট ও ওভেন মিলিয়ে ৩৯৫ কোটি ৩৭ লাখ ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ বেশি। গত বছরের জুলাইয়ে ৩৩৬ কোটি ৬৯ লাখ ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছিল।

    আলোচ্য সময়ে নিট পোশাক রপ্তানি হয়েছে ২২৬ কোটি ৬৪ লাখ ডলারের। প্রবৃদ্ধি ২২ দশমিক ২৪ শতাংশ। ওভেন পণ্য রপ্তানি দাঁড়িযেছে ১৬৮ কোটি ৭২ লাখ ডলারের; প্রবৃদ্ধি ১১ দশমিক ৫৪ শতাংশ।

    জুলাই মাসে কৃষিজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৭ কোটি ২৫ লাখ ডলারের; প্রবৃদ্ধি ১৪ দশমিক ৫৩ শতাংশ। প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানি ১ কোটি ৩৭ লাখ ডলারের; প্রবৃদ্ধি ১৪ দশমিক ৬৪ শতাংশ। ৪ কোটি ডলারের জুতা রপ্তানি হয়েছে;প্রবৃদ্ধি ১৪ দশমিক ৪১ শতাংশ।

    সূত্র: বাসস

  • জাতীয় সংসদে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকার বাজেট পাস

    জাতীয় সংসদে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকার বাজেট পাস

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: বৈশ্বিক মহামারি করোনা পরবর্তী পরিস্থিতি এবং চলমান ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাবে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সফলভাবে মোকাবিলা করে বর্তমান সরকারের চলমান উন্নয়ন বজায় রাখা এবং উচ্চতর প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যকে সামনে রেখে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকার বাজেট পাস হলো জাতীয় সংসদে।

    আজ সোমবার (২৬ জুন) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল চলতি অর্থবছরের বাজেট পাসের জন্য প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

    জাতীয় সংসদে গত ১ জুন ‘উন্নয়নের অভিযাত্রার দেড় দশক পেরিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা’ এ প্রতিপাদ্য সংবলিত  বাজেট তিনি প্রস্তাব করেন।

    বাজেট পাসের প্রক্রিয়ায় মন্ত্রীরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ব্যয় নির্বাহের যৌক্তিকতা তুলে ধরে সংসদে মোট ৫৯টি মঞ্জুরি দাবি উত্থাপন করেন। এই মঞ্জুরি দাবিগুলো সংসদে কণ্ঠভোটে অনুমোদিত হয়। এসব মঞ্জুরি দাবির যৌক্তিকতা নিয়ে বিরোধীদল ও স্বতন্ত্ররা মিলে ১০ জন সংসদ সদস্য মোট ৫০২টি ছাঁটাই প্রস্তাব তোলেন। এর মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়, এ দুটি মঞ্জুরির দাবিতে আনা ছাঁটাই প্রস্তাবের ওপর বিরোধী দলের সদস্যরা আলোচনা করেন। পরে কণ্ঠভোটে ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো নাকচ হয়ে যায়।

    ছাঁটাই প্রস্তাবে আলোচনা করেন, জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমাম, কাজী ফিরোজ রশীদ, রুস্তম আলী ফরাজী, রওশন আরা মান্নান, শামীম হায়দার পাটোয়ারী, পীর ফজলুর রহমান, গণফোরামের মোক্কাবির খান ও স্বতন্ত্র সদস্য রেজাউল করিম বাবলু।

    এরপর সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে নির্দিষ্টকরণ বিল-২০২৩ পাসের মাধ্যমে ২০২৩- ২৪ অর্থবছরের বাজেট অনুমোদন করেন। এর আগে গতকাল ২৫ জুন সংসদে অর্থবিল ২০২৩ পাসের মাধ্যমে বাজেটের আর্থিক ও কর প্রস্তাব সংক্রান্ত বিধি-বিধান অনুমোদন করা হয়।

    এদিকে ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের বাজেটে পরিচালনসহ অন্যান্য খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৭৫ হাজার ২৮১ কোটি। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ২ লাখ ৭৭ হাজার ৫৮২ কোটি টাকা। নতুন অর্থবছরের জিডিপি হার নির্ধারণ করা হয়েছে ৭.৫ শতাংশ। মোট জিডিপির পরিমাণ ধরা হয়েছে ৫০ লাখ ৬ হাজার ৭৮২ কোটি টাকা।

    এবারের বাজেটে ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা, যা মোট জিডিপির ৫ দশমিক ২ শতাংশ। ঘাটতি মেটাতে বৈদেশিক উৎস থেকে ১ লাখ ২ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩৯৫ কোটি টাকা সংগ্রহের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী।

    রাজস্ব হিসেবে ৫ লাখ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। লক্ষ্যমাত্রা অনুসারে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সংগ্রহ করবে ৪ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যান্য উৎস থেকে সংগ্রহ করা হবে আরও ৭০ হাজার কোটি টাকা।

    ২০২২-২৩ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা, যা আগামী অর্থবছরের চেয়ে ৬৭ হাজার কোটি টাকা কম। প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যয়ের খাতগুলোর মধ্যে পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৭৫ হাজার ২৮১ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন ব্যয় ২ লাখ ৭৭ হাজার ৫৮২ কোটি টাকা।

    নতুন অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সরকার যেভাবেই হোক আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতির লাগাম ৬ শতাংশের মধ্যে টেনে রাখতে চায়। নতুন অর্থবছরের জিডিপি হার নির্ধারণ করা হয়েছে ৭.৫ শতাংশ। মোট জিডিপির পরিমাণ ধরা হয়েছে ৫০ লাখ ৬ হাজার ৭৮২ কোটি টাকা।

    চলতি অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৮ হাজার ৬৭১ কোটি টাকা বেশি বৈদেশিক ঋণ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নেওয়া হবে। ঋণগ্রস্ত বেশি হওয়ায় অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের সুদ পরিশোধের জন্য বেশি টাকা গুনতে হবে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে।

    বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা, যোগাযোগ অবকাঠামো, ভৌত অবকাঠামো, আবাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, কৃষি, মানবসম্পদ উন্নয়ন খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

  • কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে

    কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: কোরবানির গরুর প্রতি বর্গফুট চামড়ার দাম ঢাকায় গত বছরের চেয়ে ৩ টাকা বাড়ানো হয়েছে। আর ঢাকার বাইরে বাড়ানো হয়েছে ৫ টাকা। তবে এই ক্ষেত্রে পশুর চামড়া অবশ্যই লবণযুক্ত রাখতে হবে।

    তবে খাসি ও বকরির চামড়ার দাম থাকছে গত বছরের মতোই।

    আজ রবিবার (২৫ জুন) সচিবালয়ের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত চামড়ার দাম নির্ধারণ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সভায় এ দাম নির্ধারণ করা হয়।

    এসময় বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

    সভা শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, ঢাকায় গরুর প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত কাঁচা চামড়ার দাম ৫০ থেকে ৫৫ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এছাড়া খাসির লবণযুক্ত চামড়ার দাম ১৮ থেকে ২০ টাকা এবং বকরির চামড়া ১২ থেকে ১৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    গত বছর ঢাকায় গরুর প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত কাঁচা চামড়ার দাম ছিল ৪৭ থেকে ৫২ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ছিল ৪০ থেকে ৪৪ টাকা।  আর খাসির লবণযুক্ত চামড়ার দাম ১৮ থেকে ২০ টাকা এবং বকরির চামড়া ১২ থেকে ১৪ টাকা।

    এর আগের বছর ঢাকায় গরুর প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত কাঁচা চামড়ার দাম ছিল ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, যা ঢাকার বাইরে ছিল ৩৩ থেকে ৩৭ টাকা। খাসির লবণযুক্ত চামড়ার দাম ছিল প্রতি বর্গফুট ১৫ থেকে ১৭ টাকা এবং বকরির চামড়া ছিল ১২ থেকে ১৪ টাকা।

    উল্লেখ্য, গত কয়েক বছর ধরে সরকার নির্ধারিত দামে চামড়া বেচাকেনা হচ্ছে না। সিন্ডিকেটের কারণে পানির দরে চামড়া বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

    বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কাঁচা চামড়া যাতে নষ্ট না হয়, তার জন্য কোরবানির পর সাত দিন স্থানীয়ভাবেই সংরক্ষণ করতে হবে। এই সাত দিন বাইরে থেকে ঢাকায় এবং ঢাকা থেকে বাইরে কোনো চামড়া পরিবহন করতে দেওয়া হবে না। এজন্য সরকারের জননিরাপত্তা বিভাগ, বিজিবি এবং পুলিশের সর্বোচ্চ নজরদারি থাকবে। চামড়ার চোরাচালান ঠেকাতে সীমান্তসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় তদারকি বাড়ানো হবে।

  • আবারও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম

    আবারও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: গতকাল বুধবার বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে হয়েছে ৩০.০১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার । এর আগের দিন ২০ জুন মঙ্গলবার যা  ছিল ২৯.৯৫ বিলিয়ন ডলার। পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রেমিট্যান্সের এই  প্রবাহ এখন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রাখছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ১-২০ জুনের মধ্যে রেমিট্যান্স হিসেবে দেশে ১.৫৩ বিলিয়ন ডলার এসেছে। গত বছরের একই সময়ে এই রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ১.১০ বিলিয়ন ডলার। ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ১৩.৪৩ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে।

    এ বিক্রয় সাধারণত সরকারি এলসি’র অর্থপ্রদান এবং প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার জন্য ব্যবহৃত হয়। সরকার মার্চ ও এপ্রিলের জন্য এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন বা এসিইউ’কে ১.১ বিলিয়ন আমদানি বিল পরিশোধ করার পরে ৮ মে রিজার্ভ ২৯.৭ বিলিয়ন ডলারে  নেমে আসে।

    ১০ মে এটি আবার বেড়ে ৩০.৩৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে, যা এর মাত্র একদিন আগে ২৯.৭৮ বিলিয়ন ডলার ছিল। ২৫ মে থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা যায়, রিজার্ভ আবার ২৯.৯৬ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।

    সূত্র: বাসস

  • এবারও দেশে উৎপাদিত গবাদিপশু দিয়েই কোরবানির চাহিদা মেটানো সম্ভব: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

    এবারও দেশে উৎপাদিত গবাদিপশু দিয়েই কোরবানির চাহিদা মেটানো সম্ভব: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: দেশে উৎপাদিত গবাদিপশু দিয়েই কোরবানির চাহিদা মেটানো সম্ভব বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। মন্ত্রী বলেন, দেশে কোরবানির পশুর কোনো ঘাটতি বা সংকট নেই। গত চার-পাঁচ বছরের মতো এবারও দেশে উৎপাদিত গবাদিপশু দিয়েই কোরবানির চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। বিদেশ থেকে পশু আমদানির কোনো প্রয়োজন নেই। পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে সীমান্ত পথে যাতে অবৈধভাবে গবাদিপশু আসতে না পারে সে জন্য কঠোর নজরদারি করা হচ্ছে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে ইতোমধ্যে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

    আজ বুধবার (১৪ জুন) সচিবালয়ে আসন্ন ঈদুল আযহা ২০২৩ উপলক্ষে কোরবানির পশুর চাহিদা নিরূপণ, সরবরাহ এবং দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে কোরবানির পশুর অবাধ পরিবহন নিশ্চিত করা সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে তিনি এ কথা জানান।

    তিনি বলেন, এ বছর কোরবানিযোগ্য মোট গবাদিপশুর সংখ্যা এক কোটি ২৫ লাখ ৩৬ হাজার ৩৩৩টি, যা গত বছরের চেয়ে চার লাখ ১১ হাজার ৯৪৪টি বেশি। এ বছর কোরবানির পশুর সম্ভাব্য চাহিদা এক কোটি তিন লাখ ৯৪ হাজার ৭৩৯টি। সে হিসেবে এ বছর পশুর ২১ লাখ ৪১ হাজার ৫৯৪টি পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, এ বছর কোরবানিযোগ্য গবাদিপশুর মধ্যে ৪৮ লাখ ৪৩ হাজার ৭৫২টি গরু-মহিষ, ৭৬ লাখ ৯০ হাজার ছাগল-ভেড়া এবং দুই হাজার ৫৮১টি অন্যান্য প্রজাতির গবাদিপশু রয়েছে।

    কোরবানি সামনে রেখে কোনো প্রকার রাসায়নিক দ্রব্য, স্টেরয়েড, হরমোন ও অ্যান্টিবায়োটিক ছাড়া নিরাপদ পদ্ধতিতে গরু হৃষ্টপুষ্ট করার কার্যক্রম বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সমন্বিতভাবে কাজ করবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এ বছর ৭২ হাজার ৫৬৩ জন খামারিকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে গবাদিপশু হৃষ্টপুষ্টকরণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়েছে।

    মন্ত্রী বলেন, এ সময় পশু খাদ্যে ভেজাল বা নিষিদ্ধ অ্যান্টিবায়োটিক ও হরমোনের ব্যবহার বন্ধে নিয়মিত সার্ভিল্যান্স ও প্রয়োজনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। এ বছর প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা সারাদেশে ৮৭ হাজার ৯৫টি খামার পরিদর্শন করে। এসব খামারে স্টেরয়েড বা হরমোনের অপপ্রয়োগ বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কোরবানির হাটে এ বছর কোনোভাবেই রোগাক্রান্ত বা অসুস্থ পশু বিক্রি করতে দেওয়া হবে না।

    গত বছরের মতো এবারও সারাদেশে পশুর প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার জন্য ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম কাজ করবে জানিয়ে শ ম রেজাউল করিম ।

    মন্ত্রী বলেন, এ বছরও সড়কপথ, রেলপথ এবং নৌপথে গবাদিপশু পরিবহনের সময় পশু ও পশু বিক্রেতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ কোরবানির পশুর ট্রাক ছিনতাই রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, জেলা প্রশাসন ও জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর যৌথভাবে কাজ করবে।

    এবারও কোনো খামারি নিজ বাড়ি থেকে পশু বিক্রি করলে তাকে হাসিল দিতে হবে না। কোনো খামারি তার পশু দূরবর্তী হাটে নিতে চাইলে, রাস্তাঘাটে জোর করে নামাতে বাধ্য করা যাবে না। এক্ষেত্রে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্থানীয় সরকার ইউনিট তথা পৌরসভা, উপজেলা বা ইউনিয়ন পরিষদ, সিটি করপোরেশন এ বিষয়টি নিশ্চিত করবে। হাটে আনার পথে কেউ পশু বিক্রি করলে তার কাছ থেকে ইজারা গ্রাহক জোর করে চাঁদা বা হাসিল আদায় করতে পাবে না।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে বিগত বছর ছয়টি পশুর হাটে ৩৩ কোটি টাকার ডিজিটাল লেনদেন হয়েছে। এ বছর ঢাকা ও চট্টগ্রামের পশুর হাটগুলোতে ক্যাশলেস বা নগদ টাকাবিহীন লেনদেনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কোরবানির পশুর হাটগুলোতে কিউআর কোড, স্মার্ট অ্যাপ, এটিএম বুথ, পয়েন্ট অব সেলস মেশিন, মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস), এজেন্ট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে লেনদেন করা হবে। এছাড়া প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সহায়তায় ২৬টি জেলায় ১০টি ব্যাংক ও তিনটি মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রোভাইডারের মাধ্যমে ডিজিটাল লেনদেনের কার্যক্রম শুরু করেছে।

    তিনি আরও বলেন, এ বছর স্বাস্থ্যসম্মতভাবে গবাদিপশু কোরবানির জন্য পশুর চামড়া ছাড়ানো ও সংরক্ষণ বিষয়ে ৩১ হাজার ৭৯৯ জন পেশাদার ও অপেশাদার কসাইকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা ২০২৩ উদযাপন উপলক্ষে সড়কের ওপরে যত্রতত্র কোরবানির পশু জবাই না করে যথাসম্ভব নির্ধারিত স্থানে কোরবানি করার জনসচেতনতা সৃষ্টির ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    বিগত তিন বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে গবাদিপশু বিক্রয় কার্যক্রম চলবে।

  • ভারতে একটি বন্য হাতিকে দুইবার আটক করা হয়

    ভারতে একটি বন্য হাতিকে দুইবার আটক করা হয়

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: ভারতে একটি বন্য হাতি যে কিনা চাল খেতে অভ্যস্ত এবং এই কারণে সে লোকালয়ে এসে স্থানীয় দোকানগুলিতে সে হানা দিত। এই কারণে হাতিটিকে দুইবার আটক করে কর্তৃপক্ষ। একাধিকবার তার ওপর ঘুম পাড়ানি ওষুধ ব্যবহার করা হয়েছে এবং খাবারের সন্ধানে সে যাতে মানুষের বসতির কাছে না যায় সে জন্য ২৮০ কিলোমিটার দূরের অরণ্যে তাকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। কিন্তু এর পরেও সে ফিরে আসতে চাইছে নিজ আবাসভুমে। মালয়ালম ভাষায় এই হাতিটির নাম আরিকোমবান, যার অর্থ “চালের গজদন্ত।” ।

    এদিকে হাতিটির জন্য একটি স্থায়ী আবাস খুঁজতে ভারতের বন কর্তৃপক্ষ এখন দৌড়ঝাঁপ করছে। দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কেরালা এবং তামিলনাড়ু থেকে আরিকোমবানকে অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা হয়েছে। ঐ দুটি রাজ্যে আইনি লড়াই এবং প্রাণী অধিকার নিয়ে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতেও পরিণত হয়েছে এই হাতি।  কেরালার বন্য প্রাণী অধিকার কর্মী শ্রীদেবী এস. কার্থা বলেছেন, “আরিকোমবান হয়ে উঠেছে অবিচারের মুখে প্রতিরোধের মূর্ত প্রতীক । তাকে ঘিরে ঘটনাগুলি প্রমাণ করেছে যে একটি হাতিকে অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়া কতখানি নৃশংস হতে পারে,”। এসময় তিনি আরও বলেন, “রাজ্যের মানুষের বিবেকবুদ্ধিকেও জাগিয়ে তুলেছে এই হাতি।”

    এবছরের শুরুর দিকে কেরালার ইদুক্কি জেলার চিন্নাকানালের অরণ্যে আরিকোমবানের আদি আবাসস্থলের কাছাকাছি স্থানীয়দের গ্রামবাসীদের একটি দল হাতিটিকে সরিয়ে নেয়ার দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেছিল। তাদের অভিযোগ, মানুষের সাথে হাতিটির ঘন ঘন সংঘর্ষ হচ্ছে। সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, গত কয়েক বছর ধরে বেশ ক’জন মানুষ এরই হাতির কবলে পড়ে প্রাণ হারিয়েছে। কিন্তু স্থানীয় উপজাতিরা এই দাবি প্রত্যাখ্যান করছেন। এরপর কেরালার বন বিভাগ ঘোষণা করেছিল যে আরিকোমবানকে ধরে তারা পোষ মানানোর পরিকল্পনা করছে। আরিকোমবানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে প্রাণী অধিকার কর্মীরা উচ্চ আদালতে একটি পিটিশন দায়ের করেন।

    পিপল ফর অ্যানিম্যালস-এর সদস্য মিসেস কার্থা ছিলেন আদালতে আবেদনকারীদের একজন।

    তিনি বলছেন, হাতিটি যে মানুষ হত্যা করেছে এমন কোন প্রমাণ সরকার দাখিল করতে পারেনি। গত এপ্রিল মাসে আদালতের নিয়োগ করা একটি কমিটির বিশেষজ্ঞরা সিদ্ধান্ত নেন যে হাতিটিকে অন্য জায়গায় সরিয়ে নেয়াই ভাল হবে।

    দু’দিন ধরে ১৫০ জন কর্মকর্তা আরিকমবানকে আটক করার লক্ষ্যে চিন্নাকানাল অরণ্য-জুড়ে ব্যাপক অভিযান চালান। এরপর ২৯শে এপ্রিল হাতিটিকে ধরে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরে পেরিয়ার টাইগার রিজার্ভে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু মাত্র এক মাসের মধ্যে ঐ সংরক্ষিত অরণ্য ছেড়ে আরিকোমবান প্রতিবেশী রাজ্য তামিলনাড়ুতে ঢুকে পড়ে। তাকে সেখান থেকে সরিয়ে নেয়ার জন্য তামিলনাড়ুর বন কর্মকর্তারা একই ধরনের অভিযান চালান।

    হাতিটিকে তামিলনাড়ুর কাম্বুম শহরে দেখা যায় ২৭শে মে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিওতে দেখা গেছে, আরিকোমবান ঘনবসতিপূর্ণ শহরের মধ্য দিয়ে দৌড়ে যাচ্ছে, বাড়িঘর এবং যানবাহনের ক্ষতি করছে। এসময় তিন ব্যক্তি আহত হয়। এদের মধ্যে একজন, ৬৫-বছর বয়সী আহত এক ব্যক্তি দু’দিন পর মারা যান।

    আরিকোমবানকে আটক করার চেষ্টায় কর্তৃপক্ষ সেখানে কারফিউ জারি করে। এরপর আরিকোমবানকে ঘিরে শুরু হয় আইনি লড়াই। একজন রাজনৈতিক নেতা হাতিটিকে তাদের রাজ্যে ফিরিয়ে আনার জন্য কেরালা হাইকোর্টে আবেদন করেন। কিন্তু তামিলনাড়ুতে আরিকোমবান যেসব ক্ষয়ক্ষতি করেছিল তার জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করে মাদ্রাজ হাইকোর্টে একটি পিটিশন দাখিল করা হয়। কেরালার বন মন্ত্রী এ. কে. সাসেন্দ্রন বলছেন, আরিকোমবানকে পোষ মানানোর জন্য সরকারের যে পরিকল্পনা ছিল এই সঙ্কট তার পক্ষে যুক্তিকেই প্রমাণ করেছে। হাতিটিকে অন্য জায়গায় সরিয়ে নেয়ার জন্য তিনি প্রাণী অধিকার কর্মীদের দায়ী করেন।

    কিন্তু কাম্বুম শহরের ঘটনায় দেখা গেছে যে আরিকোমবান মোটেও মানুষের জীবনের জন্য হুমকি নয়, বলছিলেন মিসেস কার্থা, “[সেখানে] তার ওপর আঘাত করা হয় এবং তাকে তাড়া করা হয়। কিন্তু এরপরও সে মানুষের ওপর কোন ধরনের আক্রমণ চালায়নি।”

    গত ৫ই জুন তামিলনাড়ুর বন কর্মকর্তারা ঘুম পাড়ানি ওষুধ ব্যবহার করে আরিকোমবানকে ধরে ফেলেন। পশ্চিমবঙ্গের শিলিগিুড়িতে একটি সড়ক। হাতি চলাচলের পথের ওপর বসতবাড়ি নির্মাণের ফলে অনেক সময় সমস্যা তৈরি হয়

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • রপ্তানী করে চলতি অর্থ বছরে বাংলাদেশ ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৯০ কোটি ৫ লাখ টাকা বৈদেশিক মুদ্রা আয় করেছে: বাণিজ্য মন্ত্রী

    রপ্তানী করে চলতি অর্থ বছরে বাংলাদেশ ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৯০ কোটি ৫ লাখ টাকা বৈদেশিক মুদ্রা আয় করেছে: বাণিজ্য মন্ত্রী

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: চলতি ২০২২-২৩ অর্থ বছরে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানী করে বাংলাদেশ ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৯০ কোটি ৫ লাখ টাকা বৈদেশিক মুদ্রা আয় করেছে বলে জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেন, ‘চলতি ২০২২-২৩ অর্থ বছরে জুলাই-এপ্রিল সময় পর্যন্ত নিটওয়্যার ওভেন, তৈরী পোশাক, হোম টেক্সটাইল, ফুটওয়্যার খাত, হিমায়িত খাদ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য এবং চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি করে ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৯০ কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়েছে।’

    মন্ত্রী গতকাল সোমবার সংসদে সরকারি দলের সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরীর টেবিলে উপস্থাপিত তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান।

    তিনি জানান, চলতি অর্থবছরে নীটওয়্যার তৈরী পোশাক খাতে রপ্তানী আয় ২ লাখ ৬ হাজার ৯১ কোটি টাকা, ওভেন তৈরী পোশাক খাতে ১৭ লাখ ৩০ হাজার ৮৬৩ কোটি টাকা, হোম টেক্সটাইল খাতে ৯ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা, ফুটওয়্যার খাতে ৩ হাজার ৮৪৪ কোটি টাকা, হিমায়িত খাদ্য রপ্তানী খাতে ৩ হাজার ৬৫১ কোটি টাকা, পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানী খাতে ৭ হাজার ৫৭৬ কোটি টাকা, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানী খাতে আয় হয়েছে ৯ হাজার ৮৯২ কোটি টাকা।

    সূত্র: বাসস

  • ইউসিবি ও উপায় এর সাথে জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউসন সিস্টেম লিমিটেডের ত্রি-পক্ষীয় চুক্তি

    ইউসিবি ও উপায় এর সাথে জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউসন সিস্টেম লিমিটেডের ত্রি-পক্ষীয় চুক্তি

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: গ্রাহকদের সেবার মান উন্নয়নে, দ্রুত বর্ধনশীল মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান উপায় এবং ইউসিবি এর সাথে সম্প্রতি ত্রিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিসন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেড (জেজিটিডিএসএল)। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

    উক্ত ত্রি-পক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপায় এর চিফ কমার্শিয়াল অফিসার জিয়াউর রহমান, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের এসইভিপি ও হেড অব ট্রান্সেকশন ব্যাংকিং মো. সেকান্দার-ই-আজম এবং জেজিটিডিএসএল-এর কোম্পানি সচিব মো. শহিদুল ইসলাম।

    চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লি. এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌ. মনজুর আহমদ চৌধুরী এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও উপায় এর পরিচালন পর্ষদ সদস্য এটিএম তাহমিদুজ্জামান। অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেজিটিডিএসএল এর মহাব্যবস্থাপকগণ সহ প্রকল্প পরিচালক প্রকৌ. লিটন নন্দী, অফিসার্স ওয়েলফেয়ার এসাসিয়েশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, প্রকল্প দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, সিবিএর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, সিলেটস্থ ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের ভিপি ও শাখা ব্যবস্থাপক মো. নাজমুল ইসলাম ও সভ্যসাচী গুপ্ত এবং উপায় থেকে হেড অব গভার্ণমেন্ট সেল্স হাসান মো. জাহিদ।

    ইউসিবি, উপায় ও জালালাবাদ গ্যাসের মধ্যে প্রয়োজনীয় কারিগরী সংযোগ স্থাপন শেষে দ্রুতই এ সেবাটি চালু করা হবে। এ চুক্তির ফলে জালালাবাদ গ্যাসের সম্মানিত গ্রাহকগণ POS ও GPRS পদ্ধতিতে জেজিটিডিএসএল কাস্টমার অ্যাপ, উপায় কাস্টমার অ্যাপ এবং উপায় এজেন্ট অ্যাপ-উভয়ের মাধ্যমেই প্রি-পেইড গ্যাস মিটারে রিচার্জ করতে পারবে।

    ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের সাবসিডিয়ারি ‘উপায়’ আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে ২০২১ সালের ১৭ মার্চ । বর্তমানে উপায় বিস্তৃত পরিসরে এমএফএস সেবা প্রদান করছে ইউএসএসডি এবং মোবাইল অ্যাপ উভয়ের মাধ্যমে। উপায় এর মাধ্যমে গ্রাহকরা সব ধরনের আর্থিক লেনদেন যেমন: ক্যাশ-ইন, ক্যাশ-আউট, ইউটিলিটি বিল পেমেন্ট, মার্চেন্ট ও ই-কমার্স পেমেন্ট, রেমিট্যান্স, বেতন ও সরকারি ভাতা গ্রহণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফি, মোবাইল রিচার্জ ছাড়াও সেতুর টোল প্রদান, ট্রাফিক ফাইন পেমেন্ট এবং ভারতীয় ভিসা ফি পেমেন্টের মতো সেবা গ্রহণ করতে পারছেন।

    ত্রি-পক্ষীয় চুক্তি দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে গ্রাহকদের সেবার মান বাড়বে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা ।

  • ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করছেন অর্থমন্ত্রী

    ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করছেন অর্থমন্ত্রী

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট জাতীয় সংসদে পেশ করছেন । বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রস্তাবিত বাজেট পেশ শুরু করেন তিনি।

    আওয়ামী লীগের তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর এটি শেষ বাজেট এবং অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের পঞ্চম বাজেট এটি । স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হওয়া অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

    জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিসভা কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে প্রস্তাবিত বাজেটে অনুমোদন দেয়া হয়। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল, অন্যান্য মন্ত্রীবর্গ এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিমন্ত্রীরা বৈঠকে যোগ দেন। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত ৭ লাখ ৬১ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট।

    সূত্র : বাসস