Category: অর্থনীতি

  • সয়াবিন তেলের দাম লিটারে কমেছে ৫ টাকা

    সয়াবিন তেলের দাম লিটারে কমেছে ৫ টাকা

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৪ আগস্ট, ২০২৩ : বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনষ্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন গতকাল রবিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সয়াবিন তেলের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত জানায়।

    উক্ত বিজ্ঞপ্তি অনুসারে দেশের বাজারে সয়াবিন তেলের দাম লিটার প্রতি ৫ টাকা কমেছে। এতে করে বোতলজাত এক লিটার সয়াবিন তেলের দাম হবে ১৭৪ টাকা। বর্তমানে প্রতি লিটার ১৭৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

    এ ছাড়া খোলা সয়াবিনের নতুন দর হবে ১৫৪ টাকা লিটার। বর্তমানে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৫৯ টাকায়।

    সূত্র : বাসস

  • ডিম আমদানির অনুমতি দেয়া হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

    ডিম আমদানির অনুমতি দেয়া হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৩ আগস্ট, ২০২৩ : বাজারে ডিমের দাম প্রতিদিন বাড়ছে। এই পেক্ষিতে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি জানিয়েছেন ডিমের দাম নিয়ন্ত্রণে না আসলে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়রে সাথে সমন্বয় করে ডিম আমদানির অনুমতি দেয়া হবে ।
    আজ রবিবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হলে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) আয়োজিত দেশব্যাপী এক কোটি ‘ফ্যামিলি কার্ডধারী‘ নিম্ন আয়ের পরিবারের মাঝে আগস্ট মাসের চালসহ টিসিবির পণ্য সাশ্রয়ী মূল্যে বিক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।
    বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাজারে ডিমের দাম কত হবে তা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় নির্ধারণ করে দিলে আমাদের জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। ডিমের বাজার হঠাৎ অস্থিতিশীল হওয়ায় ভোক্তা অধিকার রাতে দিনে রাজধানীর বিভিন্ন আড়তে অভিযান চালাচ্ছে এবং জরিমানা করছে।
    তিনি আরও বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় চাইলেই ডিম আমদানি করতে পারবে না। সেক্ষেত্রে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আমদানি অনুমতি লাগবে। তাদের সহযোগিতা ছাড়া ডিম আমদানি করার সুযোগ নেই। আমার আশা খুব শিগগিরই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত আসবে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় গ্রীন সিগন্যাল দিলেই ডিম আমদানির উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানান তিনি।
    সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে টিপু মুনশি জানান, আন্তর্জাতিক বাজার থেকে চিনি আমদানি করা ছাড়াও স্থানীয় বাজার থেকে ক্রয় করা হয়। কারণ, অনেক সময় চিনি দেশে এসে পৌঁছাতে দেরি হয়। আবার জাহাজ বন্দরে আসলে নানা জটিলতায় খালাসে সময় লাগে। এতে করে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করতে বেগ পেতে হয়। এ কারণে আন্তর্জাতিক বাজারের পাশাপাশি স্থানীয় বাজার থেকে চিনি ক্রয় করা হয়ে থাকে।
    ভারত থেকে কোটায় নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, চলতি মাসেই তিনি ভারত সফরে যাবেন এবং সে দেশের বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে বৈঠক করবেন তখন এই ব্যাপারে একটি সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
    তিনি তাঁর বক্তব্যে আরও বলেন, টিসিবি এক কোটি ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে নিম্ন আয়ের পরিবারের মাঝে ডাল, চিনি এবং তেলের পাশাপাশি গতমাসে থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে চাল দেয়া শুরু করেছে। গরীব মানুষ কষ্টে থাকুক শেখ হাসিনা এটা কখনো চান না।
    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হেসেবে বক্তব্য রাখেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ । এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, এসময় টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আরিফুল হাসান, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৩১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আলহাজ্ব মোঃ শফিকুল ইসলাম ।
    সূত্র : বাসস

  • আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে টিসিবি’র পণ্য বিক্রি

    আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে টিসিবি’র পণ্য বিক্রি

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১২ আগস্ট, ২০২৩ : ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ, ভর্তুকি মূল্যে যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি করে থাকে তা স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য একটি বিরাট সহায়ক কর্মসূচি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। প্রতি মাসের বিক্রয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সরকারি সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) আগস্ট মাসের জন্য ভর্তুকি মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আগামীকাল রবিবার থেকে সারা দেশের ফ্যামিলি কার্ডধারীদের বিক্রি শুরু করবেন।
    বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি আগামীকাল রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজার সংলগ্ন পশ্চিম পাশের রাস্তায় আগস্ট মাসের বিক্রয় কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন।
    টিসিবির মূখপাত্র হুমায়ুন কবির বাসসকে বলেন, টিসিবির কার্ডধারী এক কোটি পরিবার আগস্ট মাসে ভর্তুকি মূল্যে মসুর ডাল, ভোজ্যতেল ও চাল কিনতে পারবেন। কার্ডধারীরা নিজ নিজ এলাকার পরিবেশকদের দোকান বা নির্ধারিত জায়গা থেকে পণ্য নিতে পারবেন বলে জানান তিনি।
    গত জুলাই মাসে টিসিবির পণ্যের সঙ্গে খাদ্য অধিদপ্তর ভর্তুকি মূল্যে চাল বিক্রি শুরু করে। গত মাসের ন্যায় এবারও একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ ৫ কেজি চাল কিনতে পারবেন।
    হুমায়ুন কবির জানান, কার্ডধারী একজন ক্রেতা দুই লিটার তেল, দুই কেজি ডাল ও পাঁচ কেজি চাল কিনতে পারবেন। প্রতি লিটার তেল ১০০ টাকা, মসুর ডাল ৬০ টাকা ও চাল ৩০ টাকা দরে বিক্রি হবে।
    তিনি বলেন, খাদ্য অধিদপ্তর টিসিবির ডিলারদের চাহিদা অনুযায়ী চাল দেবে। ডিলাররা সেসব চাল তাদের বিক্রয়কেন্দ্রে নিয়ে কার্ডধারীদের কাছে বিক্রি করবেন।

    সূত্র : বাসস

  • দেশ থেকে গত ৫ বছরে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানি বেড়েছে ১৩.৯৯ শতাংশ

    দেশ থেকে গত ৫ বছরে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানি বেড়েছে ১৩.৯৯ শতাংশ

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৯ আগস্ট, ২০২৩ : বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানি ১৩.৯৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে যা গত ৫ বছরে (২০১৭-২০২২) হিসাবে উঠে এসেছে। শুধু তাই নয় গত ৫ বছরে বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে তাদের বার্ষিক আমদানি বেড়েছে ৪.৫০ শতাংশ।

    বিশ্বের অন্যান্য দেশের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ পোশাক আমদানিকারক দেশ। পোশাক আমদানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ যে যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় প্রধান উৎস দেশ সে অবস্থান অক্ষুন্ন রয়েছে, যা দেশটির মোট আমদানির ৯. ৭৫ শতাংশ। ২০২১ সালে এটি ছিল ৮.৭৬ শতাংশ।

    ২০২২ সালে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বস্ত্র আমদানি বেড়ে দাড়িয়েছে ৩৬.৩৮ শতাংশে। ২০২২ সালে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্র ৯.৭৪ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পোশাক আমদানি করেছে, যা ২০২১ সালে ছিল ৭.১৬ বিলিয়ন ডলার এবং ২০১৮ সালে ছিল ৫.৪০বিলিয়ন ডলার মূল্যের। বিজিএমইএ’র এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রতি বর্গ মিটার পরিমাপক (এসএমই) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ থেকে বছরে ২০.৬৫ শতাংশ পোশাক আমদানি করেছে, যা ২০২১ সালের ২.৬০ বিলিয়ন থেকে ২০২২ সালে ৩.১৪ বিলিয়ন এসএমই’তে পৌছে।

    অপরদিকে চীন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের আমদানি পরিমাপক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২ সালে ৩.১১ শতাংশ কমেছে।

    ‘যেহেতু যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানিতে বাংলাদেশের শেয়ার মাত্র ৯.৭৫ শতাংশ, তাই এই শেয়ার আরো বাড়ানোর বিরাট সুযোগ রয়েছে’, বলি জানিয়েছেন বিজিএমইএ সভাপতি ফারুখ হাসান ।

    তিনি আরও বলেন, ‘অতি সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের জিন্সের কাপড় আমদানিতে বাংলাদেশ শীর্ষ স্থান অধিকার করেছে।

    সূত্র : বাসস

  • বাজারে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রির সময় ৬ মাস বাড়ছে

    বাজারে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রির সময় ৬ মাস বাড়ছে

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৮ আগস্ট, ২০২৩ : বাজারে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রির সময় ৬ মাস বাড়ানো হচ্ছে। কেননা চাহিদার শতভাগ সয়াবিন তেল প্যাকেটজাত করে বিপণনের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীরা সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত নয় । তবে ৬ মাস পর বাজারে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ থাকবে । বিষয়টি জানিয়েছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এএইচএম সফিকুজ্জামান।
    গতকাল সোমবার ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে খোলা সয়াবিন তেল বিপণন ও বিক্রয় বন্ধের বিষয়ে সচেতনতানূলক সভার আয়োজন করা হয়। এ সভাটি অনুষ্ঠিত হয় রাজধানীর কারওয়ানবাজারে অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে ।
    সভায় ব্যবসায়ীরা জানান, খোলা ভোজ্যতেল বাজারজাতকরণ বন্ধের বিষয়ে তারা একমত। কিন্তু ব্যবসায়ীদের যে সক্ষমতা রয়েছে তাতে শতভাগ ভোজ্যতেল প্যাকেটজাত করে বিপণনের ক্ষেত্রে তারা প্রস্তুত নন। সেজন্য তারা সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে আরও সময় দাবি করেন।
    এর প্রেক্ষিতে ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এএইচএম সফিকুজ্জামান বলেন, ‘আমরা সকলের সমন্বয়ে সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে বাজারে সম্পূর্ণরূপে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি বন্ধ করতে চাই। ব্যবসায়ীরা খোলাবাজারে ভোজ্যতেল বিক্রি বন্ধের জন্য আরও সময় চান। ব্যবসায়ীরা বলছেন যে, শতভাগ প্যাকেটিং করার জন্য এখনও তারা পুরোপুরি প্রস্তুত নন। তবে ৬ মাসের মধ্যে খোলাবাজারে সয়াবিন তেল বিক্রি বন্ধ করে দেয়া হবে।’
    সফিকুজ্জামান আরো বলেন, ‘২০১৩ সালের আইনে ভোজ্যতেলে ভিটামিন ‘এ’ অন্তর্ভুক্তকরণের বিষয়টি সম্পৃক্ত করা হয়। এছাড়া ২০১৯ সালের আইনে ভোজ্যতেল প্যাকেট বা বোতলজাত করার বিধান রাখা হয়েছে। এর জন্য গত ৩১ জুলাই পর্যন্ত সময় নির্ধারিত ছিল। এ সময়ের মধ্যে ভোজ্যতেল প্রস্তুত ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান শতভাগ বোতলজাত ও প্যাকেটজাত করতে পারেনি।’
    তিনি বলেন, ‘খোলা সয়াবিন তেলে ভেজাল দেয়া হচ্ছে। এছাড়া পাম তেল সয়াবিন বলে বিক্রি হচ্ছে। এতে করে ক্রেতারা কেজিতে ২০ টাকার ওপরে দাম দিতে বাধ্য হচ্ছে। প্রতারিত হচ্ছেন। এ অবস্থায় আইনটি বাস্তবায়নের বিকল্প নেই।’
    অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আরও বলেন, ‘খোলা তেলের ড্রামগুলো বেশিরভাগই কেমিক্যালের ড্রাম। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকিও আছে। এসব ড্রামে তেলাপোকা, ইঁদুর পাওয়া যাচ্ছে। এজন্য পাম ও সয়াবিন তেল বোতলজাত করতে হবে। কেননা ইতোপূর্বে তিনবার এ ব্যাপারে তারিখ পেছানো হয়েছে।’
    গত ৩১ জুলাই সয়াবিন পুরোপুরি বোতলজাত করার সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। তবে শতভাগ বোতলজাত সয়াবিন তেল বাজারজাতে আরও সময় লাগবে উল্লেখ করে সভায় সিটি গ্রুপের উপদেষ্টা অমিতাভ চক্রবর্তী বলেন, ‘খোলা সয়াবিন তেল বাজারজাত করা এখনই বন্ধ করা সম্ভব নয়। এতে বাজারে সংকট সৃষ্টি হতে পারে। এ জন্য ছয় মাস সময় বৃদ্ধি করতে হবে। এ সময়ের মধ্যে কোম্পানিগুলো নিজেদের সক্ষমতা অর্জন করে ফেলবে। কেউ কেউ বাকি থাকলে সেটি আলোচনা করে সমাধান করা হবে।’
    সভায় মহাপরিচালক সফিকুজ্জামান আরও বলেন, ‘আমরা ব্যবসায়ীদের সময় চাওয়ার বিষয়টি বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়কে জানাব। আমরা ব্যবসায়ীদের বলেছি যে, সাত দিনের মধ্যে একটি কর্ম পরিকল্পনা দিতে হবে। যাতে উল্লেখ থাকবে কতদিনের মধ্যে কী কী পদক্ষেপ কোম্পানিগুলো নেবে।’
    সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ভোক্তা অধিদপ্তরের পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার, বাংলাদেশ পাইকারি ভোজ্যতেল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম মওলা, এস আলম গ্রুপের সিনিয়র ম্যানেজার কাজী সালাহ উদ্দীন আহমেদ, রূপচাঁদার জেনারেল ম্যানেজার রবিউল ইসলাম, বিএসটিআইর সহকারী পরিচালক মনির হোসেন প্রমুখ ।
    সূত্র: বাসস

  • জুলাইতে দেশে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে

    জুলাইতে দেশে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৭ আগস্ট, ২০২৩ : গত মাসের তুলনায় দেশে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে। অর্থাৎ টাকার মান কিছুটা বেড়েছে। এই তথ্য দিয়েছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস)।
    প্রতিষ্ঠানটির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৬৯ শতাংশ। এর আগের মাসে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

    গতকাল রবিবার বিবিএস মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে। গত ২০২২-২৩ অর্থবছরের গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ০২ শতাংশ।

    বিবিএসের হালনাগাদ তথ্যে দেখা গেছে, গত জুলাই মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯ দশমিক ৭৬ শতাংশ। আগের মাস, অর্থাৎ জুনে এ হার ছিল ৯ দশমিক ৭৩। জুলাই মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়েছে।

    অন্যদিকে এ মাসে খাদ্য বহির্ভূত মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯ দশমিক ৪৭ শতাংশ। জুন মাসে ছিল ৯ দশমিক ৬০ শতাংশ। এ ছাড়া গ্রামে এখন সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ, শহরে এই হার ৯ দশমিক ৪৩। বিষয়টি কিছুটা কিছুটা হলে সস্তিদায়ক।

    আবহাওয়ার বিপর্যয় যদি না হয় বা দেশে রাজনৈতিক কোন অস্তিরতার সৃষ্টি না হয় তাহলে চলতি মাসে দেশে মূল্যস্ফীতি আরও কমবে বলে জানিয়েছে অর্থনীতিবিদরা।

    অর্থনীতিবিদরা আরও জানিয়েছেন, মূল্যস্ফীতি অর্থনীতির একটি স্বাভাবিক চিত্র হলেও বড় ধরণের মুদ্রাস্ফীতিকে অর্থনীতির জন্য অভিঘাত হিসেবে দেখা হয়। মুদ্রাস্ফীতি বলতে বোঝায় পণ্য ও সেবার দাম বেড়ে যাওয়াকে। যা সাধারণত ঘটে অতিরিক্ত মুদ্রা সরবরাহের কারণে।

    সহজ ভাষায় বললে, একটি দেশের বাজারে পণ্যের মজুদ এবং মুদ্রার পরিমাণের মধ্যে ভারসাম্য থাকতে হয়। যদি পণ্যের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ অনেক বেড়ে যায় অর্থাৎ দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক অতিরিক্ত মাত্রায় টাকা ছাপায় তখনই মুদ্রাস্ফীতি ঘটে।

    এর ফলে একই পরিমাণ পণ্য কিনতে আপনাকে আগের চাইতে বেশি মুদ্রা খরচ করতে হবে। এর মানে জিনিষপত্রের দাম বেড়ে যাবে। সব মিলিয়ে ওই মুদ্রার মান বা ক্রয়ক্ষমতা কমে যাবে।

    সূত্র : বাসস

  • বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো কৃষকদের ৩৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ দেবে

    বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো কৃষকদের ৩৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ দেবে

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৭ আগস্ট, ২০২৩ : চলতি অর্থবছরে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো কৃষকদের ৩৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ দেবে । কৃষি উৎপাদন বাড়াতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

    গতকাল রবিবার নতুন অর্থবছরের জন্য কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালা এবং কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নীতিমালা ও কর্মসূচি ঘোষণা করেন কেন্দ্রিয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এ কে এম সাজেদুর রহমান খান। এসময় কৃষিঋণ বিভাগের পরিচালক কানিজ ফাতেমা, পরিচালক দেবাশীষ সরকারসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।

    কেন্দ্রিয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্যাংকের বার্ষিক কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা যা গত অর্থবছরের চেয়ে ১৩ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরে কৃষি ঋণের লক্ষ্য ছিল ৩০ হাজার ৮১১ কোটি টাকা।

    এবার কৃষি ও পল্লী ঋণের চাহিদা বিবেচনায় চলতি অর্থবছরে মোট লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো ১২ হাজার ৩০ কোটি টাকা, বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ ২১ হাজার ৯২৩ কোটি টাকা, কৃষি ও বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ১ হাজার ৪৭ কোটি টাকার ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। বিগত ২০২২-২৩ অর্থবছরে ব্যাংকগুলো মোট ৩২ হাজার ৮৩০ কোটি টাকা কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণ করেছে, যা অর্থবছরের মোট লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ বেশি।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুসারে, গত অর্থবছরে ৩৩ লাখ ৪ হাজার ৮১১ জন কৃষি ও পল্লী ঋণ পেয়েছেন। এবারের নীতিমালায় বলা হয়েছে, পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতিতে দেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি বিবেচনা করে ব্যাংকগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কৃষি খাতে ঋণ বিতরণ করতে হবে। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর লক্ষ্যমাত্রার বাইরে বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংক লিমিটেড এবং বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) তাদের নিজস্ব অর্থায়নে যথাক্রমে ২৬ কোটি টাকা ও এক হাজার ৪২৩ কোটি টাকা কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

    ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য ব্যাংকগুলোকে নিজস্ব নেটওয়ার্ক (শাখা, উপশাখা, এজেন্ট ব্যাংকিং, কন্ট্যাক্ট ফার্মিং, দলবদ্ধ ঋণ বিতরণ) এবং ব্যাংক-এমএফআই লিংকেজ ব্যবহার করতে পারবে। এক্ষেত্রে ব্যাংকের নিজস্ব নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ লক্ষ্যমাত্রার ন্যূনতম ৫০ শতাংশ হতে হবে। আগে তা ছিল ৩০ শতাংশ।

    এখানে উল্লেখ থাকে যে বর্তমানে কৃষিতে বাংলাদেশের সাফল্য ঈর্ষণীয় পর্যায়ে এসেছে। কেননা কৃষিজমি কমতে থাকা, জনসংখ্যা বৃদ্ধিসহ জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বন্যা, খরা, লবণাক্ততা ও বৈরী প্রকৃতিতেও খাদ্যশস্য উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে উদাহরণ। ধান, গম ও ভুট্টা বিশ্বের গড় উৎপাদনকে পেছনে ফেলে ক্রমেই এগিয়ে চলছে বাংলাদেশ। সবজি উৎপাদনে তৃতীয় আর চাল ও মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে চতুর্থ অবস্থানে। বন্যা, খরা, লবণাক্ততা ও দুর্যোগ সহিষ্ণু শস্যের জাত উদ্ভাবনেও শীর্ষে বাংলাদেশের নাম। এবার অর্থবছরে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো কৃষকদের ৩৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ দেবে এতে কৃষি উৎপাদনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা।

    সূত্র : বাসস

  • চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানী আয় বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা

    চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানী আয় বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৬ আগস্ট, ২০২৩ : আগামী তিন-চার বছরের মধ্যে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানী আয় বর্তমান ১ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে ৫ বিলিয়নে উন্নীত করতে প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরি করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া গতকাল শনিবার দুপুরে, রাজধানীর তেজগাঁওয়ের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় এই নির্দেশনা দেন।

    সাভার চামড়া শিল্প নগরীর ট্যানারী সমুহ, সেন্ট্রাল ইফ্লুয়েন্ট প্লান্ট (সিইটিপি) এবং কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিবেশ কমপ্লায়েন্স ও লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের ( এলডব্লিউজি) মানদন্ড উন্নত করার বিষয়ে এই সভার আয়োজন করা হয়। তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় শিল্প সচিব, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিব, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র কুটির শিল্পের (বিএসসিআইসি) চেয়ারম্যান, ট্যানারী মালিক ও চামড়াজাত তৈরি শিল্পের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

    তোফাজ্জল হোসেন মিয়া বলেন, সাভারের ট্যানারী শিল্পের সিইটিপি ত্রুটিমুক্ত করে মানদন্ডের উন্নয়ন করা খুবই জরুরি। তিনি বলেন, “ বর্তমানে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য থেকে দেশের রপ্তানী আয়ের পরিমাণ ১ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আমরা যদি যথোপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে পারি, এই খাত থেকে আগামী ৩-৪ বছরের মধ্যে রপ্তানী আয় ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের উন্নীত করা খুব কঠিন হবে না।” তোফাজ্জল হোসেন মিয়া আগামী ২০২৭ সালের মধ্যে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য থেকে রপ্তানী আয় ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার ব্যাপারে আশাবাদ প্রকাশ করে বলেন, তবে এজন্য আমাদের প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরি করতে হবে। তিনি বলেন, এই পরিবেশ তৈরি করার জন্য সরকারী ও বেসরকারি উভয় খাতকেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। কমপ্লায়েন্সের বিষয়টি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সমন্বয় রেখে আমাদের দেশেরও চামড়াজাত শিল্পের কমপ্লায়েন্সকে ত্রুটিমুক্ত করে উন্নত করতে হবে।

    সূত্র: বাসস

  • চলতি বছর ৩৪ দেশে ২ হাজার ৭০০ টন আম রপ্তানি

    চলতি বছর ৩৪ দেশে ২ হাজার ৭০০ টন আম রপ্তানি

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৪ আগস্ট, ২০২৩ : চলতি বছর ৩৪টি দেশে ২ হাজার ৭০০ টন আম রপ্তানি করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ১ হাজার টন বেশি। গত বছর ২৮টি দেশে মোট ১ হাজার ৭৫৭ টন আম রপ্তানি হয়েছিল। আজ কৃষি মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

    কৃষি মন্ত্রণালয় জানায়, বিশ্ববাজারে দেশের আমের বিপুল চাহিদা থাকলেও উত্তম কৃষি চর্চাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানদন্ড মেনে আম উৎপাদন ও প্যাকেজিং না হওয়ায় রপ্তানির পরিমাণ কম। আম রপ্তানি বৃদ্ধি করতে কৃষি মন্ত্রণালয় রফতানিযোগ্য আমের উৎপাদন বৃদ্ধি শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

    প্রকল্প পরিচালক মো. আরিফুর রহমান জানান, চলতি বছর আরো ১৫-২০ দিন আম রপ্তানি হবে।

    চলতি বছর ৩৪টি দেশের মধ্যে যুক্তরাজ্যে ১ হাজার ২৫৬ টন, ইতালিতে ২৯৬ টন, সৌদি আরবে ২৬০ টন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১৩৭ টন, কাতারে ১১১ টন, সিঙ্গাপুরে ৫৫ টন, সুইজারল্যান্ডে ১৪ টন, জার্মানিতে ৭০ টন, ফ্রান্সে ৮৫ টন, সুইডেনে ৬৫ টন, কুয়েতে ২১৮ টন, কানাডায় ৪০ টন আম রপ্তানি করা হয়েছে।

    দেশে বছরে প্রায় ২৫ লাখ টন আম উৎপাদন হয়। কিন্তু উৎপাদনের তুলনায় রপ্তানির পরিমাণ অনেক কম। ২০১৭-১৮ সালে মাত্র ২৩২ টন, ২০১৮-১৯ সালে ৩১০ টন, ২০১৯-২০ সালে ২৮৩ টন, ২০২০-২১ সালে ১৬৩২ টন, ২০২১-২২ সালে ১ হাজার ৭৫৭ টন আম রপ্তানি হয়েছে।

    বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের আমের বিপুল চাহিদা থাকায় আন্তর্জাতিক মানদন্ড মেনে আম উৎপাদন ও প্যাকেজিং করার জন্য যে প্রকল্প করা হয়েছে সেই প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের উত্তম কৃষি চর্চা মেনে আম উৎপাদনসহ বিভিন্ন সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে বলে প্রকল্প কর্মকর্তা জানান।

    সূত্র: বাসস

  • রামপুরা-আমুলিয়া-ডেমরা এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের জন্য ২৬১ মিলিয়ন ডলার দিবে এডিবি

    রামপুরা-আমুলিয়া-ডেমরা এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের জন্য ২৬১ মিলিয়ন ডলার দিবে এডিবি

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৩ আগস্ট, ২০২৩ : রামপুরা থেকে রামপুরা-আমুলিয়া-ডেমরা পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের চার লেন, সাড়ে ১৩ কিলোমিটার পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) প্রকল্পের জন্য লেনদেন উপদেষ্টা হিসেবে ২৬১ মিলিয়ন ডলার বেসরকারি খাতের মূলধন সংগ্রহ করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ।

    আজ এক সংবাদ বিঞ্জপ্তিতে একথা বলা হয়েছে।

    প্রকল্পটি যানজট নিরসন করবে এবং রাজধানী ঢাকা ও অন্যান্য বড় শহরের মধ্যে উন্নত যোগাযোগ স্থাপন করবে।

    বাংলাদেশে অবস্থিত একটি নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক, ব্যাংক অব চায়না, ডিবিএস ব্যাংক লিমিটেড এবং ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড থেকে সর্বাধিক ১৯৩ মিলিয়ন ডলার ঋণের মাধ্যমে প্রকল্পটির অর্থায়ন করা হচ্ছে।

    দাতারা অবশিষ্ট ৬৮ মিলিয়ন ইক্যুইটি বিনিয়োগ হিসোবে প্রদান করেছে। আজ এডিবি একথা জানিয়েছে।
    এডিবি প্রকল্পের কাঠামো, আলোচনা, দরপত্রে সহায়তা করেছে এবং বাণিজ্যিক ও আর্থিক সুবিধা প্রদানে সহায়তা করেছে।

    এডিবি’র মার্কেটস ডেভেলপমেন্ট এবং পিপিপি অফিসের প্রধান ক্লিও কাওয়াওয়াকি বলেন, ‘আমরা এই এক্সপ্রেসওয়ের নকশা, নির্মাণ, অর্থায়ন, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বেসরকারি খাতের অংশীদারদের প্রস্তুত, বাজারজাতকরণ এবং আকৃষ্ট করতে বাংলাদেশ সরকারি কর্তৃপক্ষের সাথে কাজ করেছি।’

    তিনি বলেন, ‘এটি ঢাকা ও চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর সিলেট এবং বাংলাদেশের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব জেলাগুলোর মধ্যে যোগাযোগ উন্নত করবে এবং যাত্রীদের দ্রুত তাদের গন্তব্যে পৌঁছানোর সুবিধা প্রদান করবে।’

    কাওয়াওয়াকি বলেছেন, রামপুরা-আমুলিয়া-ডেমরা পিপিপি প্রকল্পটি মার্কিন ডলার এবং রুপির বিনিময় হারের সাথে আংশিক রাজস্ব যুক্ত একটি প্রাপ্যতা প্রদানের ব্যবস্থার অধীনে বিতরণ করা হয়েছিল। যেখানে ঢাকা বাইপাস রোড পিপিপির প্রথম সড়ক লেনদেনের জন্য ন্যূনতম রাজস্ব গ্যারান্টি হিসেবে ৩৭০ মিলিয়ন নির্ধারন করা হয়েছিল।

    তিনি বলেন, ‘এডিবি তাই অবকাঠামো খাতে ভবিষ্যতে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশে উভয় ধরনের পেমেন্ট মেকানিজমের পথ প্রশস্ত করতে সাহায্য করেছে।’

    চুক্তিটি বিনিয়োগের জন্য একটি সম্পদ শ্রেণী হিসেবে রাস্তা পিপিপি বিকাশে এডিবি কর্তৃক গৃহীত একটি প্রোগ্রাম্যাটিক পদ্ধতির অংশ। বাংলাদেশে লেনদেন উপদেষ্টা হিসেবে এডিবি’র সাথে পিপিপি লেনদেনের এটি দ্বিতীয় সফল আর্থিক সমাপ্তি।

    এডিবি বর্তমানে জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্পের বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ দিচ্ছে, যা ১০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের সাথে সংযোগ উন্নত করবে।

    রামপুরা-আমুলিয়া-ডেমরা এক্সপ্রেসওয়ের নকশা, নির্মাণ, অর্থায়ন, পরিচালন এবং রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে ২৫ বছরের মধ্যে চায়না কমিউনিকেশন কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড এবং চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ কর্পোরেশনের যৌথ উদ্যোগে।

    সূত্র: বাসস