Author: Hello Bangla News

  • শেখ হাসিনার সরকারের সময় গণমাধ্যম স্বাধীন : হাছান মাহমুদ

    শেখ হাসিনার সরকারের সময় গণমাধ্যম স্বাধীন : হাছান মাহমুদ

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক : তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, শেখ হাসিনার সরকারের সময় গণমাধ্যম স্বাধীন তাই অর্থনৈতিক উন্নয় বিশ্বের কাছে একটি উদাহরণ। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ গণমাধ্যমের স্বাধীন বিকাশ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপদানের এক অনন্য উদাহরণ।

    তিনি আজ মঙ্গলবার দুপুরে ইন্দোনেশিয়ার বালিতে ১৮তম এশিয়া মিডিয়া সামিট উদ্বোধনী দিনে ‘অর্থনৈতিক পুণর্গঠনে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক মন্ত্রী পর্যায়ের অধিবেশনে বক্তৃতাকালে এ কথা বলেন।

    এশিয়া-প্যাসিফিক ইনস্টিটিউট ফর ব্রডকাস্টিং ডেভালপমেন্ট (এআইবিডি) আয়োজিত সম্মেলনের এ অধিবেশনে কম্বোডিয়ার তথ্যমন্ত্রী খিউ কানহারিত, মায়ানমারের তথ্যমন্ত্রী মং মং ওন , সামোয়ার যোগাযোগ তথ্য ও প্রযুক্তিমন্ত্রী তোলুপ পৌমুলিনুকু ওনেসেমো এবং ফিজির সহকারী মন্ত্রী সাকিউসা তুবুনা বক্তব্য রাখেন। এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ‘অর্থনীতিকে আরও টেকসই করতে গণমামধ্যমের ভূমিকা’।

    হাছান মাহমুদ বলেন, করোনা মহামারি এবং ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে বিশ্বব্যাপী এবং দেশে দেশে অর্থনীতি পুণরুদ্ধারে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশে প্রেক্ষিত তুলে ধরে তিনি বলেন, আমাদের গণমাধ্যম এ ধরণের পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ এবং নীতি দেশের নাগরিকদের কাছে তুলে ধরে মানুষকে সচেতন রেখেছে।  দেশে বিনিয়োগের সুযোগ সুবিধা নিয়ে গণমাধ্যমের প্রতিবেদন বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করেছে। একইসাথে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প নিয়ে গণমাধ্যমের প্রতিবেদন উদ্যোক্তাদের উৎসাহ দিয়েছে, আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে।

    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সরকার প্রায় দেড় হাজার পত্রিকা এবং কয়েক ডজন টেলিভিশন ও রেডিওকে লাইসেন্স দিয়েছে যাতে এই গণমাধ্যম বস্তুনিষ্ঠ তথ্য দিয়ে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক বিষয়ে মানুষকে সচেতন করে দেশের অর্থনীতি পুণর্গঠনে ভূমিকা রাখতে পারে।

    আমাদের দেশ এবং এশীয় তথা বিশ্বের সমৃদ্ধ ভবিষ্যত গড়তে সরকার এবং গণমাধ্যম হাতে হাত রেখে কাজ করবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন হাছান মাহমুদ।

    সূত্র : বাসস

  • দেউলিয়া অমিতাভ এখন ৩৩৯০ কোটি টাকার মালিক

    দেউলিয়া অমিতাভ এখন ৩৩৯০ কোটি টাকার মালিক

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক : বলিউডের কিংবদন্তী অভিনয় শিল্পী অমিতাভ বচ্চন নব্বই দশকে দেউলিয়া হয়ে পড়েছিলেন। ইভেন্ট ম্যানেজ়মেন্ট, সিনেমা তৈরি করা ছাড়া ডিস্ট্রিবিউশনের কাজেও মন দিয়েছিলেন অমিতাভ। যাত্রার বছর তিনেকের মধ্যে মুখ থুবড়ে পড়েছিল অমিতাভের সাধের এবিসিএল। একে ৯০ কোটির দেনার বোঝা, তায় মামলা ঝুলছিল ৫৫টি। হাতে কোনও ছবি না থাকায় আয়ের পথও বন্ধ। সেই সময় দেউলিয়া অমিতাভকে গোপনে সাহায্য করতে চেয়েছিলেন এক শিল্পপতি। সেই সময় আবার ঘুরে দাড়িয়েছিলেন অমিতাভ। এসব নিয়েই এই প্রতিবেদন।

    এককালে অবিতাভের মাসিক আয় ছিল ৫০০ টাকা। তবে আজকাল একটি ছবিতে মুখ দেখানোর জন্য নাকি অন্তত ৬ কোটি টাকার দর হাঁকান অমিতাভ বচ্চন। এক-একটি পণ্যের বিজ্ঞাপনের জন্য নাকি কোটি কোটি করে পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন। চলতি বছরে সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ৩৩৯০ কোটি টাকার মালিক তিনি। তবে এককালে দেউলিয়া হয়ে গিয়েছিলেন অমিতাভ বচ্চন।

    সত্তর-আশির দশকে অমিতাভের কাঁধে ভর দিয়ে বহু সিনেমার ব্যবসা সফল হয়ছিলো। অথচ সেই অমিতাভের ঘাড়ে বিপুল ঋণের বোঝা চেপে বসেছিল।

    নব্বইয়ের দশকে অভিনয়ের পাশাপাশি ইভেন্ট ম্যানেজ়মেন্ট, সিনেমা তৈরি করা ছাড়া ডিস্ট্রিবিউশনের কাজেও মন দিয়েছিলেন অমিতাভ। ১৯৯৬ সালে যাত্রা শুরু করেছিল তাঁর সংস্থা অমিতাভ বচ্চন কর্পোরেশন (এবিসিএল)।

    যাত্রা শুরুর বছর তিনেকের মধ্যে মুখ থুবড়ে পড়েছিল অমিতাভের সাধের এবিসিএল। আর্থিক দুর্দশায় পড়েছিলেন খোদ অমিতাভ। একে ৯০ কোটির দেনার বোঝা, তায় মামলা ঝুলছিল ৫৫টি। হাতে কোনও ছবি না থাকায় আয়ের পথও প্রায় বন্ধ। সেই অন্ধকারময় পর্বে নিজের দুরবস্থার কথা সংবাদমাধ্যমের কাছে খোলসা করেছেন অমিতাভ। ২০১৭ সালে ‘ব্রুট ইন্ডিয়া’র ইউটিউব চ্যানেলে তিনি বলেছিলেন, ‘‘জীবনের এমন এক সময় এসেছিল যখন দেউলিয়া হয়ে গিয়েছিলাম।’’

    অমিতাভের কণ্ঠে ছিল আবেগের ছোঁয়া। বলেছিলেন, ‘‘কোটি কোটি টাকা দেনার দায় চেপেছিল। আয়ের সমস্ত দরজা বন্ধ। নিজের ব্যাঙ্ক ব্যালান্স শূন্যে নেমে গিয়েছিল।’’

    জানা গেছে, এবিসিএলে চরম অব্যবস্থার জেরেই সংস্থার ঘাড়ে বিপুল ঋণের বোঝা চেপে বসেছিল। সিইও সঞ্জীব গুপ্তর কাঁধেও সে দায় বর্তায়। অথচ এককালে ‘দেখ ভাই দেখ’-এর মতো জনপ্রিয় ধারাবাহিক তৈরি করেছিল এবিসিএল। টেলিভিশনের জন্য ধারাবাহিক ছাড়াও ‘অক্‌স’ থেকে ‘সরকার ৩’, সব মিলিয়ে ১৭টি সিনেমাও তৈরি করেছিল অমিতাভের সংস্থাটি। এ ছাড়া, ২টি বলিউডি সিনেমা পরিবেশনও করেছিল এবিসিএল। ’৯৬-এর সৌন্দর্য প্রতিযোগিতারও আয়োজক ছিল।

    গোড়ায় রমরমিয়ে চললেও ক্রমাগত লোকসানের জেরে ১৯৯৯ সালে এবিসিএলের রুগ্ণ চেহারা বেরিয়ে পড়েছিল। অমিতাভ বলেছিলেন, ‘‘কোনও সন্দেহ নেই, আমার পেশাদার কেরিয়ারের সবচেয়ে অন্ধকারময় পর্ব ছিল সেই দিনগুলো। কখনও ভুলব না, পাওনাদারের আমাদের দরজায় এসে গালিগালাজ করতেন, হুমকি দিতেন, টাকাপয়সা ফেরত দেওয়ার কথা শোনাতেন।’’

    তার প্রভাব পড়েছিল অমিতাভের সংসারেও। সে সময় আমেরিকার বস্টনে পড়াশোনায় ব্যস্ত ছিলেন ছেলে অভিষেক। পরে সংবাদমাধ্যমে তিনি বলেছিলেন, ‘‘কলেজ থেকে বাবার সঙ্গে কথা বলেছিলাম। সে সময় আর্থিক দুর্দশার মধ্যে ছিলেন বাবা। শিক্ষাগত যোগ্যতার বিচারে ওই সময় অভিজ্ঞ না হলেও ছেলে হিসাবে বাবার পাশে দাঁড়ানো জরুরি ছিল। সেটা মানসিক ভাবে হলেও…।’’

    অভিষেক আরও বলেছিলেন, ‘‘কী ভাবে অন্ন জুটবে, সে চিন্তাও চেপে বসেছিল বাবার উপর। ওই সময় আমি তো আর বস্টনে বসে থাকতে পারছিলাম না! নিজেদের কর্মচারীদের থেকেও ধার নিতে হয়েছিল। বাবাকে ফোন করে বলেছিলাম, তোমার পাশে থাকতে, যে কোনও ভাবে সাহায্য করার জন্য কলেজের পড়াশোনা মাঝপথে ছেড়ে দেশে ফিরে যেতে চাই।’’

    অভিষেকের ইচ্ছাপূরণ না হলেও অমিতাভের ঋণের বোঝা নেমে গিয়েছিল। ঋণের বোঝা নামাতে পরিচালক যশ চোপড়ার দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। যাতে যশের কোনও একটি ছবিতে তাঁকে সুযোগ দেন।

    অমিতাভ বলেছিলেন, ‘‘সে দিনগুলোয় আমার কাছে কী কী পথ খোলা রয়েছে, তা বাছবিচার করতে বসেছিলাম। এক বার যশ’জির কাছে চলে গিয়েছিলাম। আমার বাড়ির পিছনেই উনার বাড়ি। কাজ দেওয়ার জন্য উনার কাছে অনুরোধ করেছিলাম।’’

    অমিতাভের অনুরোধ রেখেছিলেন যশ। ছেলে আদিত্য চোপড়ার পরিচালনায় একাধিক তারকার সঙ্গে অমিতাভকে দেখা গিয়েছিল ‘মহব্বতেঁ’-এর নারায়ণ শঙ্করের ভূমিকায়। তত দিন ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে’-র মতো বাণিজ্যসফল ছবি তৈরি করে ফেলেছেন আদিত্য।

    যশ চোপড়া ছাড়াও অমিতাভের সাহায্যে এগিয়ে এসেছিলেন শিল্পপতি ধীরুভাই অম্বানী। যদিও সে কথা যাতে অমিতাভের কানে না পৌঁছয়, সে চেষ্টাও নাকি করেছিলেন তিনি। অমিতাভ বলেছিলেন, ‘‘আমার দুর্দশার কথা জেনে কাউকে কিছু না জানিয়ে ছেলে অনিলকে বলেছিলেন, ‘ওর দুঃসময় চলছে। কিছু অর্থসাহায্য কোরো।’ ’’

    ধীরুভাই সাহায্যের হাত বাড়ালে তাতে সুরাহা হত বলে জানিয়েছিলেন অমিতাভ। তাঁর কথায়, ‘‘তিনি (ধীরুভাই) যে অর্থসাহায্য করতেন, তাতে তাঁর সব সমস্যার সমাধান হত । তবে আমার মনে হয়েছিল, উনার (ধীরুভাই) দান নিতে পারব না।’’

    ধীরুভাইয়ের সাহায্যে নিতে অস্বীকার করলেও পর্দার নায়কের মতোই নিজের জীবনে ঘুরে দাঁড়িয়েছিলেন অমিতাভ। যশ চোপড়ার প্রযোজিত ‘মোহব্বতেঁ’ বক্স অফিসে বিপুল মুনাফা কামিয়েছিল। অমিতাভ বলেছিলেন, ‘‘দেউলিয়া হওয়ার পর ভাবতে বসেছিলাম, ‘কী কী করতে পারি আমি?’ নিজেকে বলেছিলাম, ‘আমি অভিনেতা। অভিনয়ই করব।’ সেটাই করেছিলাম।’’

    সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

  • দীর্ঘ সময় ধরে টাটকা খাবার না খেলে ভিটামিন সির অভাব দেখা দেয়

    দীর্ঘ সময় ধরে টাটকা খাবার না খেলে ভিটামিন সির অভাব দেখা দেয়

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: ম্যাগেলান অভিযানের পর একটি বিষয় প্রতিয়মান হয়েছে যে দীর্ঘ সময় ধরে কোন ব্যক্তি যদি, টাটকা খাবর না খায় তাহলে ভিটামিন সির অভাব দেখা দেয় । দেখা গেছে ১৫শ শতকের অভিযাত্রী ম্যাগেলান এবং এলকানো আনুমানিক ২৫০ জন নাবিক নিয়ে সমুদ্র যাত্রা শুরু করেন। পাঁচশো বছরেরও বেশি সময় আগের ওই অভিযানে মাত্র ১৮ জন পৃথিবীর প্রদক্ষিণ করতে পেরেছিলেন।

    কেননা ওই সমুদ্রযাত্রার সময় একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছিল স্কার্ভি রোগ। এটি এমন এক রোগ যা দীর্ঘ সময় ধরে টাটকা খাবার না খাওয়ার কারণে দেখা দেয়।

    গবেষণায় দেখা গেছে ভিটামিন সি-যুক্ত খাবার খেলে স্কার্ভি রোগের মাত্রা কমে যায়। কিন্তু মানুষের শরীরে ভিটামিন সি সংশ্লেষণের পথ থাকলেও তা অসম্পূর্ণ। অর্থাৎ মানবশরীর ভিটামিন সি উৎপাদন করতে পারে না। এ কারণে ভিটামিন সি আমাদের টাটকা খাবার থেকে গ্রহণ করতে হয়।

    সেইসাথে মানবদেহ, প্রোটিন, কোলাজেনের মতো অপরিহার্য উপাদান সংশ্লেষ করতে পারে না, যা আমাদের অনেক ধরণের টিস্যুর স্থিতি বজায় রাখতে এবং পুনরুজ্জীবিত করতে খুবই জরুরি।

    কিন্তু বিড়ালের সাথে এমনটা ঘটে না, এই প্রাণী নিজেরাই নিজেদের প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি সংশ্লেষ করতে সক্ষম, তাই তারা কখনই স্কার্ভি রোগে ভোগে না।

    সূত্র : বিবিসি বাংলা

  • আজ থেকে শুরু হচ্ছে আইপিএলের শীর্ষ চারটি দলের প্লে অফ ম্যাচ

    আজ থেকে শুরু হচ্ছে আইপিএলের শীর্ষ চারটি দলের প্লে অফ ম্যাচ

    আজ ২৩ মে থেকে শুরু হচ্ছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষ চারটি দলের প্লে অফ ম্যাচ। দুটি দল খেলবে এলিমিনেটর মানে হারলেই বাদ, শীর্ষ দুটি দলের জন্য থাকবে দ্বিতীয় সুযোগ।

    একবারও আইপিএলে রয়্যালস চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিদায় সবচেয়ে আলোচিত বিষয়। ভিরাট কোহলির হয়তো কোনও আইপিএলে ট্রফি ছাড়াই ক্যারিয়ারের ইতি টানতে হতে পারে বলে অনুমান করছেন বিশ্লেষকরা।

    আইপিএলের পয়েন্ট টেবিল অনুযায়ী এক নম্বর দল গতবারের চ্যাম্পিয়ন গুজরাট টাইটান্স ও আইপিএলের ইতিহাসে সফলতম দল চেন্নাই সুপার কিংস আজ চেন্নাইয়ের চিপক স্টেডিয়ামে প্রথম কোয়ালিফায়ারে মুখোমুখি হবে, এই ম্যাচে যে দল হারবে তাদের থাকবে আরও একটি সুযোগ, আর যে দল জিতবে তারা সরাসরি ফাইনালে জায়গা করে নেবে।

    ২৪শে মে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস ও মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স মুখোমুখি হবে, এই ম্যাচে যে দল জিতবে তারা ফাইনালে ওঠার জন্য ২৬শে মে মাঠে নামবে প্রথম কোয়ালিফায়ারে পরাজিত দলের বিপক্ষে।

    ভারতের তরুণ ক্রিকেটাররা এবারের আইপিএলে নজর কেড়েছেন, ইয়াশাভি জেয়সওয়ালের কথা আলাদাভাবে বলতে হয়, এখনও জাতীয় দলে অভিষেক হয়নি এমন ক্রিকেটারদের মধ্যে তিনি এক আইপিএল সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়েছেন এবারে, এর আগে এই রেকর্ড ছিল অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার শন মার্শের ২০০৮ সালে।

    ইতোমধ্যে জাতীয় দলে খেলা শুভমন গিল আছেন আলোচনায়, দুটি শতক হাঁকিয়েছেন গুজরাট টাইটান্সের এই ওপেনার। বল হাতে অভিজ্ঞরাই এখনও পর্যন্ত সফল, গুজরাটের মোহাম্মদ শামি ও রাশিদ খান ২৪ উইকেট নিয়ে শীর্ষে আছেন, রাজস্থান রয়্যালসের য়ুজভেন্দ্র চাহাল আছেন তিন নম্বরে, তিনি নিয়েছেন ২১ উইকেট।

    ক্যারিয়ারের নতুন এক বাঁকে নিজেকে আবিষ্কার করেছেন পিয়ুস চাওলা, ৩৪ বছর বয়সী এই স্পিনার মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে তিনি ২০টি উইকেট নিয়েছেন।

    গুজরাট টাইটান্সের শক্তিশালী স্কোয়াড:

    ভারতের হয়ে বেশ কিছু সিরিজে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক হিসেবে কাজ করেছেন ইতোমধ্যে হার্দিক পান্ডিয়া। গুজরাট টাইটান্সকে গত মৌসুমে শিরোপা জিতিয়েছেন তিনি, এই মৌসুমে ব্যাট ও বল হাতে তেমন কার্যকরী না হলেও নিজের নেতৃত্বগুণের ভূয়সী প্রশংসা কুড়িয়েছেন পান্ডিয়া।

    দল হিসেবেও গুজরাট টাইটান্সের সমন্বয় নজর কাড়ার মতো। ভারতের দল থেকে বাদ পড়া ঋধিমান সাহার ওপর ভরসা রেখেছে টাইটান্স ম্যানেজমেন্ট, তিনি আত্মবিশ্বাসী শুরু এনে দিয়েছেন বেশ কটি ম্যাচে। সাথে ছিলেন শুভমন গিল, বাকি দুটি ম্যাচে তার সামনে সুযোগ চলমান ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের সর্বোচ্চ রানের মালিক হওয়ার। ১৪ ম্যাচে ১৫২ স্ট্রাইক রেটে ৬৮০ রান তুলেছেন শুভমন গিল। গিল এই মৌসুমে দুটি সেঞ্চুরি করেছেন, দুটি ইনিংস খেলেছেন ৯০ এর ঘরে।

    এই দলটিতে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের জন্য যথাযথ কজন ইমপ্যাক্ট ক্রিকেটার আছেন, যারা ম্যাচ উইনার হিসেবে ভূমিকা রেখেছেন, যেমন রাশিদ খান, তিনি ২৪ উইকেট তো নিয়েছেনই, প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাট হাতেও কার্যকরী ইনিংস খেলেছেন আফগানিস্তানের এই তারকা ক্রিকেটার। আফগানিস্তানের আরেক স্পিনার নুর আহমেদ ১০ ম্যাচ ১৩ উইকেট নিয়েছেন, ইকোনমি রেট ছিল আটের কম।

    আইপিএলের দুজন নামকরা ফিনিশার এবারে গুজরাট টাইটান্সের একাদশে নিয়মিত ছিলেন, রাহুল তেওয়াতিয়া ও ডেভিড মিলার। এই মৌসুমে মোহিত শর্মা উল্লেখযোগ্য পারফর্ম করেছেন টাইটান্সের হয়ে ১১ ম্যাচ খেলে ১৭টি উইকেট নিয়েছেন একসময় ভারতের জাতীয় দলে খেলা এই ফাস্ট বোলার। একটা সময় ক্রিকেটের আলোচনার বাইরে চলে গিয়েছিলেন এই বোলার, তিনি এবারে নিজের বেশ কিছু স্কিলে ধার দিয়েছেন, ব্যাক অফ দ্য হ্যান্ড বোলিং, স্লোয়ারে পরিপক্কতা দেখিয়েছেন যা গুজরাট টাইটান্সের বোলিং আক্রমণে শক্তি বাড়িয়েছে। গত মৌসুমেও লিগ পর্বে ১৪টি ম্যাচের মধ্যে ১০টিতেই জয় তুলে নিয়েছিল গুজরাট।

    চেন্নাই মানেই ধোনি:

    মৌসুম শুরুর আগে কেউই চেন্নাই সুপার কিংস প্লে অফ খেলবে এমন অনুমান করেননি। একরকম বাতিলের খাতায় থাকা একটা দল নিয়ে মহেন্দ্র সিং ধোনি এখন ফাইনাল থেকে এক ম্যাচ জয় দূরত্বে দাঁড়িয়ে। ধোনি ব্যাট হাতে তেমন প্রভাব রাখেননি, বড় কোনও ইনিংস খেলেননি, কিন্তু এবার যে মাঠেই চেন্নাই খেলেছে ধোনির স্তুতি ছিল স্টেডিয়াম-জুড়ে। অনেকেই ধারণা করে নিয়েছেন ৪১ বছর বয়সী ধোনি হয়তো আর আইপিএল খেলবেন না, এবারই শেষ, প্রতি ম্যাচেই একরকম ফেয়ারওয়েলের আয়োজন করেছে বিভিন্ন রাজ্যের ধোনির একনিষ্ট সমর্থকরা। এখানে কে কোন দলের সমর্থক সেটা বিবেচনায় আসেনি, অনেকেই ধোনির জন্য হলুদ জার্সি গায়ে জড়িয়ে মাঠে এসেছেন।

    অধিনায়ক ধোনি এবারের আইপিএলের সাফল্যের মন্ত্র বলেছেন, ‘সেরা একটা একাদশ গঠন এবং যার যার জায়গামতো খেলার স্বাধীনতা দেয়া’।

    ঋতুরাজ গ্যায়কোয়াদ, ডেভন কনওয়েরা ধোনিকে হতাশ করেননি, দুজনই ১৪ ম্যাচ খেলে ৫০০ এর ওপর রান তুলেছেন।

    সাথে যোগ হয়েছেন নতুন মালিঙ্গা খ্যাত মাথিসা পাথিরানা, যিনি ২০২০ সালের অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে প্রথম আলোচনায় এসেছিলেন শ্রীলঙ্কার কিংবদন্তী লাসিথ মালিঙ্গার মতো বোলিং অ্যাকশনের কারণে। পাথিরানার বলে আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলা ব্যাটারদের জন্য কঠিন, তিনি ওভার-প্রতি সাড়ে সাতের মতো রান দিয়েছেন গোটা আইপিএলে, ১০ ম্যাচে নিয়েছেন ১৫ উইকেট।

    ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ ইতিহাসের প্রথম ইমপ্যাক্ট ক্রিকেটার তুষার দেশপান্ডেও দারুণ করেছেন, ১৪ ম্যাচে নিয়েছেন ২০টি উইকেট। সাথে ছিলেন ভারতের নামকরা অলরাউন্ডার রাভিন্দ্রা জাদেজা, বল হাতে তিনি ম্যাচ জিতিয়েছেন এবারের আইপিএলে। চেন্নাইয়ের হয়ে শিভাম দুবে দারুণ ব্যাট করেছেন এই মৌসুমে, ১৬০ স্ট্রাইক রেটে ৩৮৫ রান তুলেছেন এই ক্রিকেটার, যিনি অলরাউন্ডার থেকে এখন ব্যাটারের ভূমিকা পালন করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন।

    ঘুরে দাঁড়িয়েছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স :

    মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স এবারে আইপিএলের প্লে অফে জায়গা করে নিয়েছে রোহিত শর্মার নেতৃত্বে। জফরা আর্চারের চোট, জসপ্রিত বুমরার না থাকা মুম্বাইয়ের আইপিএল ২০২৩ মিশনে খুব বেশি প্রভাব রাখেনি শেষ পর্যন্ত। পিয়ুস চাওলা এবার দারুণ বল করেছেন, অস্ট্রেলিয়ার জেসন বেহরেনড্রফও দারুণ বল করেছেন। তবে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের মূল শক্তির জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে দলটির ব্যাটিং লাইন আপ, রোহিত শর্মার মতো ক্রিকেটার অফ-ফর্মে থাকার পরেও যেভাবে ব্যাট করেছে দলটি সেটা ছিল দেখার মতো। এটা সম্ভব হয়েছে দলটির তারকা সুরিয়াকুমার ইয়াদাভ ফর্মে ফেরার কারণে, আইপিএল শুরুর আগে বাজে সময় কাটাচ্ছিলেন মুম্বাইয়ের এই মারকুটে ব্যাটার। আইপিএলে ফিরেই তিনি নিজের চেনা রূপে খেলেছেন, ১৪ ম্যাচে ১৮৫ স্ট্রাইক রেট ও ৪২ গড়ে তুলছেন ৫১১ রান, যার মধ্যে একটি শতক ও চারটি ফিফটি রয়েছে। টপ অর্ডারে ভালো ব্যাট করেছেন ভারতের তরুণ সেনসেশন ইশান কিশান, তিনি রান তুলেছেন ৪৩৯।

    প্লে অফে উত্তীর্ণ হওয়ার আগে শেষ ম্যাচে ক্যামেরন গ্রিন নায়কোচিত এক ইনিংস খেলেছেন সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের বিপক্ষে, তিনি ৪৭ বলে তুলেছেন অপরাজিত ১০০ রান, যেখানে ছিল আটটি চার ও আটটি ছক্কা।

    তবে এবারের আইপিএলে মুম্বাইয়ের ম্যাচ উইনার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন তিলক ভার্মা, এর আগেও ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে ভালো খেলে আলোচনায় এসেছিলেন তিনি কিন্তু এবারের মৌসুমে তিনি ছিলেন আরও কার্যকরী, ১৫৮ স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করে ৯ ম্যাচে ২৭৪ রান তুলেছেন এই ব্যাটার।

    শেষ মুহূর্তে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস শেষ চারে:

    লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস শেষ ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে এক রানে হারিয়ে শেষ চারে খেলা নিশ্চিত করেছে। লক্ষ্ণৌয়ের আইপিএল ২০২৩ কেটেছে পুরোপুরি টিমওয়ার্কের ওপর ভর করে, রানের দিক থেকে সেরা দশ ব্যাটারের মধ্যে নেই লক্ষ্ণৌয়ের কোনও ব্যাটসম্যান। কিন্তু প্রভাব বিস্তার করা ব্যাট করেছেন অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার মার্কাস স্টয়নিস ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের নিকোলাস পুরান, দুজনই সমান ২৬টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন এবারের আইপিএলে। পুরান ১৭৩ স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করেছেন।

    গোটা মৌসুমই উত্থান পতনের মধ্য দিয়ে গেছে দলটি, প্রথম দিকে নিয়মিত অধিনায়ক লোকেশ রাহুল থাকলেও তিনি চোটের কারণে একটা পর্যায় পর আর খেলতে পারেননি। তাই দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন ক্রুনাল পান্ডিয়া ।

    ওয়েস্ট ইন্ডিজের আরেক ব্যাটার কাইল মেয়ারর্স ১৪৪ স্ট্রাইক রেটে ৩৬১ রান তুলেছেন চলতি মৌসুমে। ভারতের আয়ুশ বাদোনিও বেশ কিছু ছোট কিন্তু কার্যকরী ইনিংস খেলেছেন। শুরুর দিকে ইংল্যান্ডের ফাস্ট বোলার মার্ক উডকে পেলেও তিনি চার ম্যাচের বেশি খেলেননি এবারের আইপিএলে। ভারতের তরুণ স্পিনার রাভি বিষ্ণুই ছিলেন দলটির শীর্ষ বোলার।

    সূত্র : বিবিসি বাংলা

  • শেখ হাসিনা কাতার অর্থনৈতিক ফোরামের উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন

    শেখ হাসিনা কাতার অর্থনৈতিক ফোরামের উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ মঙ্গলবার সকালে দোহায় তৃতীয় কাতার অর্থনৈতিক ফোরামের উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন।

    ফোরামটি ২৩-২৫ মে লুসাইল শহরের ফেয়ারমন্ট এবং র‌্যাফেলস হোটেলে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

    গতকাল সোমবার শেখ হাসিনা কাতারের আমির তামিম বিন হামাদ আল থানির আমন্ত্রণে ফোরামে যোগ দিতে দোহায় আসেন।

    বিশ্বব্যাপী চলমান বহুমুখী চ্যালেঞ্জ ও সংকট এবং এর ফলে উদ্ভূত বিরূপ অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সমাধান খুঁজে বের করাই হচ্ছে এই ফোরামের মূল উদ্দেশ্য ।

    আজ মঙ্গলবার দিনের শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দোহায় কাতার বিশ্ববিদ্যালয়র শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। এছাড়া কাতারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুলরহমান বিন জসিম আল থানি, রুয়ান্ডার প্রেসিডেন্ট পল কাগামে, কাতারের জ্বালানি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সা’দ বিন শেরিদা আল কাবি এবং সৌদি বিনিয়োগ মন্ত্রী খালিদ এ. আল-ফালিহ’র সঙ্গে পৃথক বৈঠক করবেন।

    পরে প্রধানমন্ত্রী কাতার ইকোনমিক ফোরামের আনুষ্ঠানিক নৈশভোজে যোগ দেবেন।

    সূত্র : বাসস

  • বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারও প্রতি বৈরিতা নয়’

    বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারও প্রতি বৈরিতা নয়’

    শেখ মুজিবুর রহমান বাংলার মানুষের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য এক দশকেরও বেশি সময় জেল খেটেছেন এবং পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে লন্ডনে প্রথম সাংবাদিক সম্মেলনেই ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারও প্রতি বৈরিতা নয়’ শান্তির এই বাণী ঘোষণা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জুলিও কুরি শান্তি পদক প্রাপ্তির সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে আজ দেয়া এক বাণীতে এই কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও বলেন, জীবনব্যাপী আন্দোলন সংগ্রামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ছিলেন শান্তির অন্বেষণে নিবেদিত। ছাত্রজীবনে তিনি কলকাতার ভয়াল দাঙ্গার মধ্যে অসহায় বিপদাপন্ন মানুষকে উদ্ধারের জন্য জীবন বাজি রেখে নির্ভয়ে ছুটে গিয়েছেন। নবীন রাজনীতিবিদ হিসেবে বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত প্রথম এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলীয় শান্তি সম্মেলনে প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দিয়েছেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু ১৯৫৬ সালে বিশ্ব শান্তি পরিষদের স্টকহোম সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছেন। ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারও প্রতি বৈরিতা নয়’ শান্তির এই প্রতিপাদ্যই সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির মূলমন্ত্র হিসেবে গৃহীত হয়েছে। তিনি সবসময় এশিয়া-আফ্রিকা-ল্যাটিন আমেরিকাসহ সকল মুক্তিকামী মানুষদের সমর্থন যুগিয়েছেন এবং অবিচল কণ্ঠে শোষিতের পক্ষে নিজের অবস্থানের কথা তুলে ধরেন।

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর জুলিও কুরি শান্তিপদক প্রাপ্তির সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন উপলক্ষ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে এবং সেই সঙ্গে একটি স্মরণিকা প্রকাশ করছে জেনে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত।

    শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের স্বাধিকার ও স্বাধীনতা এনে দিয়ে দেশবাসীর কাছে তিনি যেমন বঙ্গবন্ধু ও জাতির পিতা হিসেবে বরেণ্য হয়েছেন, তেমনি শান্তির স্বপক্ষে আপসহীন অবস্থান তাঁকে বিশ্ববাসীর কাছেও মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছে। শান্তি ও স্বাধীনতার ক্ষেত্রে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বিশ্ব শান্তি পরিষদ সর্বোচ্চ সম্মান জুলিও কুরি শান্তি পদকে ভূষিত করেছে। নেলসন ম্যান্ডেলা, ফিদেল ক্যাস্ট্রো, জওহরলাল নেহেরু, গামাল আবদেল নাসের, পাবলো নেরুদা, মার্টিন লুথার কিং, ইয়াসির আরাফাত, লিওনিদ ব্রেজনেভ প্রমুখ জুলিও কুরি পদকপ্রাপ্ত বিশ্ববিশ্রুত নামের তালিকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নামের সংযোজন প্রমাণ করে বিশ্ববাসীর চোখে আমাদের জাতির পিতার সম্মান ও মর্যাদা হিমালয়সম উচ্চতায় অধিষ্ঠিত।

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর জুলিও কুরি শান্তিপদক প্রাপ্তির সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপনের লক্ষ্যে আয়োজিত কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত সকলকে, বিশেষ করে এ স্মরণিকা প্রকাশের সঙ্গে জড়িত সবাইকে ধন্যবাদ জানান তিনি। এ স্মরণিকা বিশ্ব শান্তির প্রবক্তা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে আরো নিবিড়ভাবে জানার ক্ষেত্রে উপযোগী হবে বলে তিনি  বিশ্বাস করেন।

    সূত্র : বাসস

  • ইমরান খান আবার গ্রেফতার হতে পারেন

    ইমরান খান আবার গ্রেফতার হতে পারেন

    এ সপ্তাহে আবার গ্রেফতার হতে পারেন পাকিস্তানের সবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান । এমনটাই আশংকা করছেন তিনি।

    এক সাক্ষাৎকারে ইমরান খান বলেছেন, তিনি তার জীবন নিয়ে শঙ্কায় আছেন। তবে তার চেয়ে বড় আশংকা তিনি করেন পাকিস্তানে গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে।

    পাকিস্তানে ইমরান খানের দল পিটিআই এর হাজার হাজার সমর্থক এখনো পুলিশের হাতে বন্দী। মি. খানকে একটি দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতারের পর এরা ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিবাদ জানাতে রাস্তায় নেমে এসেছিলেন। তখন সেনাবাহিনীর বিভিন্ন স্থাপনায় আক্রমণ থেকে শুরু করে অনেক সহিংসতা হয়েছিল।

    গত ৯ মে ইমরান খান গ্রেফতার হয়েছিলেন। সুপ্রিম কোর্টে এই গ্রেফতারের বিষয়টিকে অবৈধ ঘোষণা করলে তিনি জামিনে মুক্তি পান।

    পাকিস্তানে এই চরম রাজনৈতিক অস্থিরতা বিরাজ করছে গত প্রায় দশদিন ধরে। এর পাশাপাশি দেশটিতে চলছে চরম অর্থনৈতিক সংকট। দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখন তলানিতে, যা দিয়ে আর মাত্র এক মাসের আমদানি খরচ মেটানো যাবে।

    পাকিস্তানে খুবই ক্ষমতাধর সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে এখন প্রকাশ্যেই ক্ষোভ প্রকাশ করা হচ্ছে, যা দেশটিতে এক বিরল ঘটনা।

    ইমরান খান সেনাবাহিনীর জেনারেলদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে যাচ্ছেন যে, তাকে ব্যক্তিগতভাবে টার্গেট করা হচ্ছে। অন্যদিকে জেনারেলরা হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন যে মি. খান দেশকে গৃহযুদ্ধের হুমকিতে ঠেলে দিচ্ছেন।

    এদিকে বর্তমান পাকিস্তানের সরকার বলছে, ইমরান খান দুর্নীতির মামলার মুখোমুখি হয়ে এখন দেশটির বিচার এবং রাজনৈতিক ব্যবস্থাকেই উল্টে দিতে চাইছেন। পাকিস্তানে নতুন নির্বাচন হওয়ার কথা অক্টোবরে।

    জবাবে ইমরান খান বলেন, এই সংকট সমাধানের উপায় একটাই। একটি অবাধ এবং মুক্ত নির্বাচন। এই নির্বাচন পাকিস্তানে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে আসবে।

    সূত্র : বিবিসি বাংলা

  • গরমের সেরা ডায়েটে তালের শাঁস রাখুন

    গরমের সেরা ডায়েটে তালের শাঁস রাখুন

    তাল বাংলাদেশের অত্যন্ত সুপরিচিত একটি ফলজ বৃক্ষ। । কচি তালবীজ সাধারণত তালশাঁস নামে পরিচিত যা বিভিন্ন প্রকার খনিজ উপাদান ও ভিটামিনে পরিপূর্ণ। মিষ্টি স্বাদের কচি তালের শাঁস শুধু খেতেই সুস্বাদু নয় বরং পুষ্টিতে ও ভরপুর। এ সব পুষ্টি উপাদান আমাদের শরীরকে নানা রোগ থেকে রক্ষা করা সহ রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।

    আপনি যদি গ্রীষ্মে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং মোটা হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যায় ভুগে থাকেন, তাহলে টেনশন ছেড়ে আপনার খাদ্যতালিকায় তালের শাঁসকে যুক্ত করুন। হ্যাঁ, তালের শাঁস শুধুমাত্র শরীরকে হাইড্রেটেড এবং ঠান্ডা রাখবে না বরং আপনার ওজন কমাতেও সাহায্য করবে। এর ইংরেজি নাম আইস আপেল। এতে ভিটামিন বি, আয়রন, জিঙ্ক, পটাসিয়াম, ফসফরাস, ক্যালসিয়ামের মতো অনেক গুণ রয়েছে যা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক আশ্চর্যজনক উপকারিতা প্রদান করে৷ জেনে নিন তালের শাঁস স্বাস্থ্য উপকারিতা কী কী-

    ওজন কমে: তালের শাঁস ওজন কমাতে সাহায্য করে। এতে ক্যালরির পরিমাণ কম এবং জলের পরিমাণ বেশি থাকায় এটি মানুষের পেট দীর্ঘক্ষণ ভরা রাখে। এই কারণেই লোকেরা এটিকে তাদের ওজন কমানোর যাত্রায় অন্তর্ভুক্ত করে। এই ফলটিতে উপস্থিত ফাইবার হজমে উন্নতি করে এবং সঠিক বিপাক বজায় রাখে৷

    শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে: তালের শাঁস শীতল প্রভাবের কারণে এটি শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। গরমে অতিরিক্ত ঘামের কারণে শরীরে জলের অভাব হতে পারে। যে কারণে ত্বকে জ্বালাপোড়া ও জলশূন্যতার সমস্যা দেখা দিতে শুরু করে। তালের শাঁস খেলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার সেরা উপায় হতে পারে।

    ডায়াবেটিস: এছাড়াও, তালের শাঁসে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম থাকায় এটি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। ডায়াবেটিস রোগীরাও এই ফল খাওয়ার মাধ্যমে তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারেন৷

    ত্বকের সমস্যা: তালের শাঁস ত্বকেরও বিশেষ যত্ন নেয়৷ ফুসকুড়ি এবং হিট র‍্যাশের মতো ত্বকের সমস্যা এই ফল খেলে এড়ানো যায়৷ এতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য ত্বকের প্রদাহ এবং জ্বালা কমাতে সাহায্য করে।

    পানি শূন্যতা এবং ক্লান্তি দূর করে: প্রায় ৯৩% বিভিন্ন প্রকার ইলেকট্রোলাইট সমৃদ্ধ পানি ও প্রাকৃতিক জিলেটিন থাকে। জ্যৈষ্ঠ মাসের গরমে পরিশ্রান্ত কর্মজীবী মানুষেরা তালের শাঁস খেলে দেহকোষে অতিদ্রুত ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্সের মাধ্যমে শরীরে পুনরুদন প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং আমাদের শরীরকে ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা দূর করে প্রাকৃতিকভাবে ক্লান্তিহীন রাখে । এ কারণে তালের শাঁসকে অনেক পুষ্টিবিদ প্রাকৃতিক শীতলীকারকও বলে থাকেন।

    তথ্যসূত্রঃ আজতাক.ইন ও এআইএস.গভ.বিডি

  • অবশেষে ঢাকায় আসছেন বিশ্বকাপ জয়ী এমিলিয়ানো মার্টিনেজ

    অবশেষে ঢাকায় আসছেন বিশ্বকাপ জয়ী এমিলিয়ানো মার্টিনেজ

    বিশ্বকাপ জয়ের পর লিওনেল মেসিদের বাংলাদেশে আসার গুঞ্জন উঠেছিল। বিশ্বকাপ জয়ী দলকে ঢাকায় আনতে চেষ্টাও করেছিল বাংলাদেশ ফুটবল সংস্থা। কিন্তু সেই চেষ্টা আলোর মুখ দেখেনি। ঠিক সেই মুহূর্তেই সুখবর পেলেন বাংলাদেশের আর্জেন্টাইন ভক্তরা। পুরো দল না আসলেও ঢাকায় আসছেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ।

    ৩৬ বছর পর আর্জেন্টিনা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জিতেছে। কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামে লিওনেল মেসির হাতে উঠেছে আরাধ্য ট্রফি। ফাইনালে মেসি-আলভারেজরা ছাড়াও দারুণ খেলেছেন গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্টিনেজ।

    সেই আর্জেন্টিনার গোলকিপারের ঢাকায় আসা এবার প্রায় চূড়ান্ত। আগামী জুলাইয়ে একদিনের সফরে ঢাকায় আসার কথা রয়েছে বিশ্বকাপের সেরা গোলকিপারের।

    মূলত মার্টিনেজ ৪ ও ৫ জুলাই কলকাতায় আসবেন। সেখানে মোহনবাগান ক্লাবে অনুষ্ঠান ছাড়াও আরও কিছু কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার।

    কিন্তু মার্টিনেজ ঢাকায় আসছেন নিজের আগ্রহেই। এর আগে এই শতদ্রু দত্তর উদ্যোগেই কলকাতা ঘুরে গেছেন ফুটবলের দুই কিংবদন্তী পেলে ও ম্যারাডোনা। গত নভেম্বরে বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিলিয়ান অধিনায়ক কাফুও। মার্টিনেজের আসন্ন কলকাতা সফরের সব বন্দোবস্তও তিনিই করছেন।

    তাকে আনার উদ্যোক্তা কলকাতার শতদ্রু দত্ত বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘আমাদের এখানে দুই দিনের জন্য মার্টিনেজ আসছেন। ও নিজে থেকে বাংলাদেশে আসার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তাই কলকাতায় আসার আগে ৩ জুলাই ঢাকায় আসার কথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়। ঢাকায় স্পন্সরদের সঙ্গে কথা চলছে। আমি নিজেও আসছি ঢাকা। এখান থেকে কলকাতায় দুই দিনের সফরে আসবে ও।’

    গত বিশ্বকাপে কাতার ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে দারুণ সব সেভে আর্জেন্টিনার জয়ের অন্যতম নায়ক ছিলেন মার্টিনেজ। অতিরিক্ত সময়ে যখন স্কোর ৩-৩, তখন র‌্যান্ডাল কোলো মুয়ানির লক্ষ্যে নেওয়া শট অবিশ্বাস্যভাবে বাঁ পায়ে সেভ করেন তিনি। টাইব্রেকারেও কিংসলে কোম্যানকে রুখে দিয়ে ট্রফি জয়ে অবদান রাখেন মার্টিনেজ।

  • মে মাসের প্রথম ১৯ দিনে দেশে এলো ১১৩ কোটি ডলার রেমিট্যান্স

    মে মাসের প্রথম ১৯ দিনে দেশে এলো ১১৩ কোটি ডলার রেমিট্যান্স

    চলতি মাসের প্রথম ১৯ দিনে ১১২ কোটি ৯২ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১০৮ টাকা ধরে) যে অঙ্ক দাঁড়ায় ১২ হাজার ১৯৫ কোটি টাকা। এ হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ৫ কোটি ৯৪ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

    রোববার (২১ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্যে একথা জানা গেছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, মে মাসের প্রথম ১৯ দিনে ১১২ কোটি ৯২ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। এর মধ্যে রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৮ কোটি ৪৬ লাখ ৮০ হাজার ডলার।

    বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে ৩ কোটি ৭৯ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ৯০ কোটি ১৮ লাখ ৬০ হাজার ডলার ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪৭ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।

    বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানায়, মে মাসের ১৩ থেকে ১৯ তারিখ পর্যন্ত দেশে এসেছে ৩৫ কোটি ৫২ লাখ ৭০ হাজার ডলার। আর প্রথম ১২ দিনে ৭৭ কোটি ৩৯ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

    এছাড়া চলতি মাসের প্রথম পাঁচদিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২০ কোটি ৭৮ লাখ মার্কিন ডলার। আর ৬ থেকে ১২ মে পর্যন্ত দেশে ৫৬ কোটি ৬১ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

    এর আগে চলতি বছরের এপ্রিলে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১৬৮ কোটি ৩৪ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। ২৯ থেকে ৩০ এপ্রিল প্রবাসীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ১২ কোটি ৮১ লাখ ৬০ হাজার ডলার। আর এপ্রিলের ২২ থেকে ২৮ তারিখ পর্যন্ত দেশে এসেছিল ২৮ কোটি ৩৫ লাখ ৭০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।

    এছাড়া ১৫ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ৩১ কোটি ৩০ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর এপ্রিলের ১৪ দিনে দেশে এসেছিল ৯৫ কোটি ৮৬ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যার মধ্যে ৮ থেকে ১৪ এপ্রিল দেশে এসেছে ৪৮ কোটি ১৮ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর এপ্রিলের প্রথম ৭ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ৪৭ কোটি ৬৮ লাখ মার্কিন ডলার।

    এপ্রিলে প্রবাসীরা সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ঢাকায়। রেমিট্যান্স এসেছে ৮০ কোটি ৪ লাখ ডলার। এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে এসেছে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স। চট্টগ্রামে প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ৪৬ কেটি ১৪ লাখ ডলার।

    আর সিলেট বিভাগে ২০ কোটি ১৭ লাখ ডলার, খুলনা বিভাগে ৬ কোটি ৭৩ লাখ ডলার, রাজশাহী বিভাগে ৫ কোটি ৩৫ লাখ ডলার, বরিশাল বিভাগে ৪ কোটি ১৪ লাখ ডলার, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩ কোটি ৭ লাখ ডলার ও রংপুর বিভাগে ২ কোটি ৭১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

    এদিকে, চলতি অর্থবছরের মার্চে ২০১ কোটি ৭৭ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছিল। এছাড়া ফেব্রুয়ারিতে এসেছিল ১৫৬ কোটি ১২ লাখ মার্কিন ডলার। আর চলতি বছরের জানুয়ারিতে এসেছিল ১৯৫ কোটি ৮৯ লাখ ডলার।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গত বছরের জুলাইয়ে দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ২০৯ কোটি ৬৩ লাখ ডলার। এর পরের মাসে কিছুটা কমে আসে ২০৩ কোটি ৬৯ লাখ ডলার। এর পরের মাস সেপ্টেম্বরে এসে মাসের ব্যবধানে ৫০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স কম আসে। ওই মাসে মোট প্রবাসী আয়ের হিসাব দাঁড়ায় ১৫৩ কোটি ৯৬ লাখ ডলার। অক্টোবরে আরেক দফা কমে রেমিট্যান্স আসে ১৫২ কোটি ৫৫ লাখ ডলার।

    পরে নভেম্বরে এসে আবার ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করে বৈধ চ্যানেলে পাঠানো প্রবাসীদের আয়ের অঙ্ক। এ মাসে মোট রেমিট্যান্স আসে ১৫৯ কোটি ৫২ লাখ ডলার। আর বিদায়ী বছরের শেষ মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৬৯ কোটি ৯৬ লাখ ডলার।