Author: Hello Bangla News

  • শামি কাবাব

    শামি কাবাব

    উপকরণ:

    ছোট টুকরো করা গরুর মাংস-৫০০ গ্রাম, ৪/৫ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখা ছোলার ডাল-১০০ গ্রাম, আাদা কুচি-২ টেবিল চামচ, রসুন কোয়া-১০/১২ টি, শুকনো মরিচ-৪/৫টি, পেঁয়াজ কুচি-১/২ কাপ, পেয়াজ বেরেস্তা-১/২ কাপ, ধনে গুঁড়া-১/২টেবিল চামচ

    জিরা গুড়া-১/২ টেবিল চামচ, গরম মশলা গুড়া -১/২ চা চামচ, হলুদ গুড়া-১/২ চা চামচ, ধনে পাতা কুচি-১/২ কাপ, পুদিনা পাতা কুচি-১টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ কুচি স্বাদমত, লবণ-স্বাদমত, ডিম -১টি, তেল-ভাজার জন্য ।শামি কাবাব

    প্রনালি:

    ভেজানো ছোলার ডাল, মাংস, শুকনো মরিচ,আদা কুচি ও রসুন কোয়া, পেঁয়াজ কুচি, লবন দিয়ে ভালভাবে সিদ্ধ করে পাটায় অথবা ব্লেন্ডারে বেটে নিন মিহি করে। এরপর একে একে বাকী সব উপকরণ  দিয়ে একসাথে খুব ভালভাবে মেখে নিতে হবে৷ হাতের তালুতে একটু তেল মেখে গোল করে অথবা ইচ্ছেমত শেপ  এ কাবাব তৈরী করে নিন৷ এবার তেল গরম করে লালচে করে ভেজে নিলেই হয়ে  গেলো মজার স্বাদের শামি কাবাব। পরিবেশন করতে পারেন, রুটি, পরোটা বা খিচুরি ও পোলাও এর সাথে। শুধু খেতেও দারুণ লাগে।

    রেসিপি দিয়েছেন: আইরীন রহমান

  • এই পাঁচ ফুটবলারের মধ্যে একজন পাবেন বর্ষসেরা ব্যালন ডি’অর পুরস্কার

    এই পাঁচ ফুটবলারের মধ্যে একজন পাবেন বর্ষসেরা ব্যালন ডি’অর পুরস্কার

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: ব্যালন ডি’অর খেতাব হচ্ছে ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কার । এই পুরস্কার ইতিহাসের পাতায় একজন খেলোয়াড়কে অবিষ্মরণীয় করে রাখে।

    এই পুরস্কারটির আকর্ষনিয় দিক হচ্ছে প্রতিবছর গণমাধ্যম প্রতিনিধি, জাতীয় দলের অধিনায়ক ও কোচদের ভোটের ভিত্তিতে নির্বাচিত হয় বর্ষসেরা খেলোয়াড়। তাই প্রতিবছর সারা বিশ্বের ক্রীড়ামোদিরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকে ব্যালন ডি’অর খেতাবজয়ী তারকা আবিস্কারের জন্য। কারণ এই খেতাবে ভুষিত ফুটবলারকে পৃথিবীর সবচেয়ে ব্যতিক্রমী ও প্রতিভাবান ফুটবলার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই খেতাবটি একজন ফুটবলারের নিরলস প্রচেষ্টা ও একনিষ্ঠ সাধনার ফসল। যা অর্জনের মাধ্যমে ওই খেলোয়াড়কে কিংবদন্তী হিসেবে পরিচিতি পায়।

    ফুটবলের  বিশ্বখ্যাত  ওয়েবসাইট  গোল  ডট কমের  দৃষ্টিতে আসন্ন ২০২৩ ব্যালন ডি’অরের জন্য ফেভারিট পাঁচ  ফুটবলার।

    ১. আর্লিং হালান্ড (ম্যানচেস্টার সিটি): প্রিমিয়ার লিগ ও এফএ কাপ জয়ের পর ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে ট্রেবল হিসেবে মহাদেশীয় শিরোপা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের অপেক্ষায় থাকা আর্লিং হালান্ড ইতোমধ্যে গোল মেশিন হিসেবে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলদাতার  কিংবদন্তীর আসনে স্থান করে নিয়েছেন।

    ইতোমধ্যে প্রিমিয়ার লিগে ৩৬ গোল করে ইউরোপীয় গোল্ডেন বুট নিশ্চিত করে ফেলেছেন এই নরওয়েজিয়ান। ইন্টার মিলানের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে তিনি যদি গোল করে সিটিকে শিরোপা এনে দিতে পারেন, তাহলে হয়তো লিওনেল মেসিকে টপকে ২০২৩ সালের ব্যালন ডি’অর জয় করে নিতে পারেন তিনি। ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে এই মৌসুমে সব প্রতিযোগিতায় ৫২ ম্যাচে ৫২ গোল করেছেন হালান্ড।

    ২. লিওনেল মেসি (প্যারিস সেন্ট জার্মেই): বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে শিরোপা এবং ব্যক্তিগত ভাবে গোলন্ডেন বল জয়ের মাধ্যমে রেকর্ড অস্টম ব্যালন ডি’অর খেতাব জয়ের অন্যতম দাবীদার হয়ে উঠেছেন মেসি।

    তবে উল্লেখযোগ্য গোল সত্বেও ঘরোয়া ফুটবল খুব একটা সুখকর ছিলনা আর্জেন্টাইন কিংবদন্তীর। পিএসজিকে লিগ ওয়ানের শিরোপা জয়ে ভুমিকা রাখলেও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে নিজ ক্লাবের ছিটকে পড়াটা ছিল মেসির জন্য হতাশার। এবারো হয়তো ব্যালন ডি’অর খেতাব জয় করতে পারেন মেসি।

    এই মৌসুমে পিএসজির হয়ে সব প্রতিযোগিতায় ৪১ ম্যাচে ৩৫ বছর বয়সি মেসি  ২১ গোল করেছেন।

    ৩. কিলিয়ান এম্ববাপ্পে (প্যারিস সেন্ট জার্মেই): বায়ার্ন মিউনিখের কাছে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলয় পরাজিত হওয়াটা কিলিয়ান এম্বাপ্পের প্রথম ব্যালন ডি’অর জয়ে কিছুটা অন্তরায় হিসেবে দেখা দিয়েছে। তবে ক্লাব এবং দেশের হয়ে গোল করার দুর্দান্ত দক্ষতাই তার বর্ষ সেরার খেতাব জয়ের জন্য যথেষ্ট।

    এই মৌসুমে ক্লাব এবং দেশের হয়ে ৫০টিরও বেশী গোল করেছেন ফরাসি স্ট্রাইকার। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ থেকে তিনি জয় করে এনেছেন গোল্ডেন বুট। শুধু তাই নয় আর্জেন্টিনার বিপক্ষে বিশ্বকাপের ফাইনালে ফ্রান্সের হয়ে হ্যাটট্রিকের বিরল এক কৃতিত্বও অর্জন করেছেন এমবাপ্পে।

    এছাড়া এই মৌসুমে পিএসজির হয়ে ৪৩টি ম্যাচে অংশ নিয়ে ২৪ বছর বয়সি এম্ববাপ্পে ৪১ গোল করেছেন।

    ৪. কেভিন ডি ব্রুইনা (ম্যানচেস্টার সিটি): সাম্প্রতিক মৌসুমগুলোতে ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে অসাধারণ খেলছেন কেভিন ডি ব্রুইনা। ২০২২-২৩ মৌসুমটি এর ব্যতিক্রম ছিলনা। ডি ব্রুইনা সিটির অনন্য এক আবিস্কার এবং অসাধারণ পাস দেয়ার দক্ষতা এবং দলীয় লক্ষ্য অর্জনে ধারাবাহিক ভুমিকার মাধ্যমে সমর্থক ও পন্ডিতদের বিষ্মিত করে চলেছেন ।

    ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে এই মৌসুমে সব প্রতিযোগিতায় ৪৮টি ম্যাচে ১০ গোল করেন ডি ব্রুইনা। প্রিমিয়ার লিগ ও এফএ কাপ জয়ী এই তারকা ২০২৩ ব্যালন ডি’অর জয়ের অন্যতম দাবীদার।

    ৫. ভিক্টর ওসিমেন (নাপোলি): এই মৌসুমে নিজেকে দারুন ভাবে এগিয়ে নিয়েছেন নাপোলির  ভিক্টর ওসিমেন। নায়কোচিত পাফর্মেন্সের মাধ্যমে এখন নিজেকে বিশ্বসেরা স্ট্রাইকারদের একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি।

    লুসিয়ানো স্পালেত্তির দলের হয়ে দুর্দান্ত পারফর্মেন্সের মাধ্যমে নাইজেরিয় এই আন্তর্জাতিক নাপোলিকে সিরি এ লীগের শিরোপা এনে দেয়ার পাশাপাশি পৌঁছে দিয়েছেন উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে।

    নাপোলির হয়ে ২০২২-২৩ মৌসুমে সব ধরনের প্রতিযোগিতায় ৩৮টি ম্যাচে অংশ নিয়ে ৩০ টি গোল করেন ওসিমহেন। ওই দক্ষতার মাধ্যমে ব্যালন ডি’অর খেতাব জয়ের দাবীদারদের পাশে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এই নাইজেরীয় তারকা।

    সূত্র : বাসস

  • ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: আজ ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস। এই উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ ঢাকার ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    সকালে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

    আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সাথে নিয়ে শেখ হাসিনা দলীয় প্রধান হিসেবে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আরেক দফা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

    পরে ঐতিহাসিক এ দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ, ছাত্র লীগ, যুব লীগ, শ্রমিক লীগ, কৃষক লীগ, মহিলা আওয়ামী ও স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

    ১৯৬৬ সালের এই দিনে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ছয় দফা দাবির ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের দু:শাসনের বিরুদ্ধে ব্যাপক আন্দোলন শুরু করেন।

    বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের ওপর পাকিস্তানের তৎকালীন কেন্দ্রিয় সরকারের শোষণ, বঞ্চনা, পরাধীনতা ও অত্যাচারের অবসান ঘটাতে স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে ১৯৬৬ সালের ৭ জুন সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) দিনব্যাপী হরতালের ডাক দেয়।

    হরতাল চলাকালে সেদিন ঢাকা, টঙ্গি ও নারায়ণগঞ্জে বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশ ও আধাসামরিক ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস (ইপিআর) গুলি চালালে শ্রমিক নেতা মনু মিয়া, শফিক ও শামসুল হকসহ ১০ জন নিহত হন।

    এই আন্দোলন এক পর্যায়ে ১৯৬৯ সালের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। এই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে পরবর্তীতে ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খানের শাসনের পতন ঘটে।

    সূত্র : বাসস

  • হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট লকঃ আপনার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ কথোপকথনকে গোপন রাখবে

    হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট লকঃ আপনার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ কথোপকথনকে গোপন রাখবে

    গোপন কথোপকথন, সবাই গোপনেই রাখতে চায়। কেউ তা দেখে ফেলুক বা শুনে ফেলুক, এমনটা কেউ চান না। এবার হোয়াটসঅ্যাপে নিজের কথোপকথন গোপনে রাখতে মেটা নিয়ে এসেছে ‘চ্যাটলক’। এই ফিচারটি সেই সমস্ত লোকেদের জন্য দুর্দান্ত হবে যারা সময়ে সময়ে তাদের প্রিয়জন বা পরিবারের সদস্যের সাথে চ্যাটিংয়ে মুহুর্তগুলো ভাগ করে নেয়। এমন মুহুর্তগুলিতে যদি অন্য কেউ আপনার ফোন ধরে এবং ঠিক সেই মুহূর্তে একটি ব্যক্তিগত অতিরিক্ত-বিশেষ চ্যাট আসে তাহলে তা সত্যিই বিব্রতকর।

    এমন পরিস্থিতিতে, আপনি যে কথোপকথনগুলো গোপন রাখতে চান, সেগুলো একটি বিশেষ ফোল্ডারে স্টোর করা থাকবে। সেখানে কার সঙ্গে কথা হচ্ছে, তার নাম লুকানো থাকবে। মেসেজ নোটিফিকেশনও আসবে না। হোয়াটসঅ্যাপ লক করার জন্য বায়োমেট্রিক বা পিন কোড দিয়ে তা লক করার ব্যবস্থা রয়েছে। এটি অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস দুটিতেই রয়েছে। এতে যেকোনো গোপন চ্যাট নিরাপদে রাখা যায়। আপনার ফোনে কেউ গোপনে দেখতে চাইলেও এই চ্যাট তিনি খুঁজে বের করতে পারবেন না পিন কোড বা বায়োমেট্রিক্স ছাড়া।

    কীভাবে করবেন ইনস্টল

    হোয়াটসঅ্যাপ ইতোমধ্যেই প্রাইভেসি সেটিংয়ে একাধিক বিষয় যুক্ত করেছে। তারমধ্যে রয়েছে ডিসঅ্যাপিয়ারি মেসেজ, স্ক্রিনশট ব্লকিং, কে স্টেটাস মেসেজ দেখবেন তা নির্ধারণ করা, লাস্ট সিন বন্ধ রাখা। নতুনটি হলো চ্যাটলক। এর জন্য হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ভার্সান ডাউনলোড করুন। তারপর যার সঙ্গে চ্যাটটি লক করতে চান তার প্রোফাইল পিকচারে যান। সেখানেই পাবেন নতুন অপশন চ্যাটলক। ডিস অ্যাপিয়ারিং মেসেজের নিচেই পাবেন অপশন। সেটিকে ‘এনাবেল’ করুন। এরপর অথেন্টিকেট করুন আপনার ফোনের পাসওয়ার্ড ও বায়োমেট্রিক্স দিয়ে।

    তথ্যসূত্রঃ হোয়াটসঅ্যাপ ব্লগ

  • ডাব চিংড়ি

    ডাব চিংড়ি

    উপকরণ:

    ডাব-১ টি, ডাবের পানি-১ কাপ, চিংড়ি মাছ -৬ টি, পেয়াজ কুচি-২ টি, সরিষা বাটা-২ চা চামচ, কাঁচামরিচ বাটা- ২ চা চামচ, আদা-রসুন বাটা-১ চা চামচ, জ়িরে বাটা-১ চা চামচ, টমেটো পেস্ট-১ টি, হলুদ গুড়ো-পরিমান মতো, মরিচ গুড়ো-১ চা চামচ, চিনি-সামান্য, সরিষার তেল-পরিমান মতো, লবণ-পরিমান মতো।

    প্রনালি:

    প্রথমে চিংড়ি মাছ ভাল করতে ধুয়ে নিতে হবে। এবারে হলুদ, লবন আর সামান্য লেবুর রস দিয়ে মেরিনেট করে রাখি (১০-১৫) মিনিট । তারপর প্যানে সরিষার তেল দিয়ে চিংড়ি মাছ গুলো হালকা ভেজে তুলে রাখব।

    লাইফস্টাইল

    একই প্যানে আরো সামান্য সরিষার তেল দিয়ে এতে পেয়াজ কুচি দিই, সামান্য ভেজে, একে একে সকল বাটা মশলা (সরিষা বাটা, কাঁচামরিচ বাটা, আদা-রসুন বাটা, জ়িরে বাটা) গুলো দিয়ে কিছুক্ষণ ভাজতে হবে। তার সামান্য পানি দিয়ে লবণ, হলুদ গুড়ো ও মরিচ গুড়ো দিয়ে ভাল করে কষাতে হবে। তেল ভেসে উঠলে টমেটো পেস্ট দিয়ে আরও কিছুক্ষণ কষাতে হবে। এই পর্যায়ে এক কাপ নারকেল দুধ দিয়ে কিছুক্ষন রান্না করে শুকিয়ে এলে দিতে হবে এক কাপ ডাবের পানি। একবার ফুটে উঠলে চিংড়ি মাছ গুলো দিয়ে ৫ মিনিট মতো  রান্না করতে হবে ।

    ডাবের পানি দেওয়ার পর বেশি রান্না করা যাবে না। নামানোর আগে কাঁচা মরিচ ও ডাবের শাস দিয়ে দিব। ব্যাস হয়ে গেল ডাব চিংড়ি। ডাবের খোলস, ডাবের শাস, ধনে পাতা ও টমেটো দিয়ে ইচ্ছেমতো পরিবেশন করুন। সাথে সাইড ডিশ হিসেবে দেওয়া যেতে পারে গার্লিক রাইস বা বাটার রাইস।

    রেসিপি দিয়েছেন: সামিনা রহমান টিকলি

  • ক্রিকেটের তিনটি নিয়মের পরিবর্তন হয়েছে

    ক্রিকেটের তিনটি নিয়মের পরিবর্তন হয়েছে

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল কয়েকটি ক্রিকেট নিয়মের পরিবর্তন এনেছে যা পহেলা জুন ২০২৩ থেকে কার্যকর হয়েছে । সাথে ছোটখাটো কিছু নিয়মের বদলও এসেছে ক্রিকেটে।

    আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী কমিটি পুরুষ ও নারী ক্রিকেট কমিটি থেকে পাওয়া নানা ধরনের পরামর্শ থেকে এই বদলগুলো আনতে সম্মত হয়েছে।

    মাটির কাছাকাছি থাকা বল ক্যাচ ধরার বেলায় সূক্ষ্ম ব্যবধানে অনেক ক্রিকেটার আউট হয়েছেন বা ফিল্ডার ক্যাচটি মিস করেছেন। এই ধরনের সিদ্ধান্তের সময় থার্ড আম্পায়ার আউট অথবা নট আউট বলার আগে মাঠে থাকা আম্পায়ার থার্ড আম্পায়ারকে ‘সফট সিগন্যাল’ দিতেন।

    এই ‘সফট সিগন্যাল’ হচ্ছে আম্পায়ারের প্রাথমিক ধারণা। যা থেকে ধারণা নিয়ে থার্ড আম্পায়ার সিদ্ধান্ত নিতেন আগে। কিন্তু পহেলা জুন থেকে আম্পায়াররা মাঠ থেকে কোনও সিদ্ধান্তে প্রভাব রাখবেন না।

    অনেক সময়ই এই সফট সিগন্যাল মাথায় রেখে থার্ড আম্পায়ার সিদ্ধান্ত দিতেন।

    অর্থাৎ থার্ড আম্পায়ার কোনও পূর্ব অনুমিত ধারণা ছাড়াই মাঠে থাকা আম্পায়ারদের সাথে আলোচনা করে এবং ফুটেজ প্রমাণ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।এই সফট সিগন্যাল নিয়মটিকে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া বলছে, ‘সংশয়পূর্ণ’।

    ক্রিকেটারদের অনেকেই এই ‘সফট সিগন্যাল’- এর বিপক্ষে কথা বলেছেন।

    অস্ট্রেলিয়ান ফাস্ট বোলার জশ হ্যাজলউড এই বছরের জানুয়ারি মাসে গণমাধ্যমে বলেন, “যেহেতু থার্ড আম্পায়ারের সাহায্য নেয়া হয়েছে এর মানে মাঠের আম্পায়াররা নিশ্চিত নন। তাহলে এই সফট কলের কোনও প্রয়োজন নেই”।

    ইংল্যান্ডের টেস্ট অধিনায়ক বেন স্টোকস ও ভারতের হরভজন সিংও এই সফট কলের বিপক্ষে কথা বলেছেন।

    হরভজন সিং বলেছিলেন, এটা শুধু শুধু সময় নষ্ট ছাড়া আর কিছুই না।

    বেন স্টোকস টুইট করে বলেছিলেন, “সফট কল নিয়ে অনেক বিতর্ক হয়। থার্ড আম্পায়ারের কাছে সব ধরনের প্রযুক্তি রয়েছে এবং মাঠের আম্পায়াররা যখন দ্বিধায় থাকেন তখন এটা সরাসরি থার্ড আম্পায়ারকেই পাঠানো উচিৎ”।

    ভিরাট কোহলি ভারতের অধিনায়ক থাকাকালীন ২০২১ সালে বলেছিলেন, “আম্পায়াররা যে নিশ্চিত না এটা বললে তো সমস্যা দেখি না আমি। এসব সিদ্ধান্তের কারণে অনেক সময় ম্যাচের ফলাফলে প্রভাব পড়ে”।

    ক্রিকেট নিয়ে অ্যামাজন প্রাইমের ডকুমেন্টারি দ্য টেস্টে দেখা গেছে, অস্ট্রেলিয়ার মার্নাস ল্যাবুশেইন ২০১৯ সালের অ্যাশেজে লর্ডস টেস্টে আউট হওয়ার পর ড্রেসিং রুমে গিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।

    তিনি বলছিলেন, “আমি বুঝতেই পারছি না এটা কেন মাঠে আউট দেয়া হলো, যদি আপনি না জানেন থার্ড আম্পায়ারের কাছে পাঠান”।

    সবশেষ দক্ষিণ আফ্রিকার অস্ট্রেলিয়া সফরে অন্তত তিনটি ক্যাচ ধরা নিয়ে সংশয় ও দ্বিধা দেখা গিয়েছিল, ম্যাচের পরে এনিয়ে অধিনায়করাও নিজেদের অসন্তুষ্টির কথা প্রকাশ করেছিলেন।

    আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের পুরুষ ক্রিকেট কমিটির চেয়ার সৌরভ গাঙ্গুলি বলেছেন, ‘সফট সিগন্যাল অপ্রয়োজনীয় একটি বিষয় এবং এটা অনেক সময়ই খুব অস্পষ্ট’।

    তবে জনপ্রিয় ক্রিকেট উপস্থাপক ও বিশ্লেষক হারশা ভোগলে অবশ্য ভিন্নমত পোষণ করেছেন, তিনি বলেন, “বাউন্ডারি লাইনের জন্য নতুন এই নিয়ম কার্যকরী হতে পারে কারণ সে পর্যন্ত আম্পায়ারের দৃষ্টি যায় না কিন্তু টেলিভিশন ক্যামেরায় আপনি তাই দেখাবেন যা আপনি দেখতে চাইবেন, তাই মাঠের আম্পায়াররা কী অনুভব করছেন তার একটা মূল্যায়ন থাকার প্রয়োজন ছিল”।

    অনেকেই এই টুইটের মন্তব্যের ঘরে হারশা ভোগলের সাথে দ্বিমত পোষণ করেছেন।

    কেউ কেউ মনে করেন, সফট সিগন্যালে আম্পায়ারদের সিদ্ধান্তটি ফিল্ডারের অতি মাত্রায় আনন্দ প্রকাশ ও  নামের ওপর নির্ভর করে।

    আরও দুটি নতুন নিয়ম:

    বেশ কয়েকটি জায়গায় হেলমেট পরিধান করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, সৌরভ গাঙ্গুলি বলেছেন ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা নিয়ে ভাবা হচ্ছে এখন।

    প্রথমত, ব্যাটাররা ফাস্ট বোলারের মুখোমুখি হলে

    দ্বিতীয়ত, উইকেটকিপার স্ট্যাম্পের পেছনে দাঁড়ালে

    তৃতীয়ত, উইকেটে ব্যাটারের সামনের দিকে কাছাকাছি কোনও ফিল্ডার দাঁড়ালে

    এই তিন ক্ষেত্রে এখন ক্রিকেটারকে হেলমেট পরতেই হবে।

    আরেকটি নিয়ম হচ্ছে, ফ্রি হিটের বলে, বল স্ট্যাম্পে লাগার পরেও যদি কোনও রান হয় সেটা স্কোরকার্ডে যোগ হবে। এটা এতোদিন মাঠে কার্যকর ছিল, কিন্তু ক্রিকেট আইনে ছিল না।

    যেমন পাকিস্তান বনাম ভারতের বিশ্বকাপ টি-টোয়েন্টির ম্যাচে মেলবোর্নে শেষ ওভারে ভিরাট কোহলি মোহাম্মদ নাওয়াজের ফ্রি হিট বলে বোল্ড হওয়ার পরেও দৌড়ে রান নিয়েছিলেন তিনটি।

    এই ছোট বিষয়গুলো ম্যাচে অনেক সময় প্রভাব ফেলে, বিশেষত যেসব ম্যাচে সামান্য ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়।

    এই নিয়মগুলো যুক্ত হয়েছে যা ক্রিকেটকে আরও আকর্ষনিয় করে তুলবে মলে মনে করা হচ্ছে।

    সূত্র : বিবিসি বাংলা

  • আগামী নির্বাচন একটি চ্যালেঞ্জ, কারণ বিভিন্ন মহলের ষড়যন্ত্র রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

    আগামী নির্বাচন একটি চ্যালেঞ্জ, কারণ বিভিন্ন মহলের ষড়যন্ত্র রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক:  আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাকমীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বলেন, ‘আগামী নির্বাচন একটি চ্যালেঞ্জ, কারণ বিভিন্ন মহলের ষড়যন্ত্র রয়েছে।’

    তিনি গতকাল সোমবার গণভবনে এই মতবিনিময়ে অংশ নেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, যখনই দেশের মানুষের জীবনযাত্রার কিছুটা উন্নতি হয়, তখনই বাংলাদেশে কিছু অসৎ মানুষ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কথা বলে এবং সর্বত্র মিথ্যাচার করে। কিছু মানুষ আন্তর্জাতিক অনুদান পাওয়ার জন্য বিদেশিদের সামনে বাংলাদেশ সম্পর্কে ভুল ধারণা তৈরি করে।

    তিনি আরো বলেন, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না, মুক্তিযুদ্ধের সময় লুণ্ঠন, ধর্ষণ ও দমন-পীড়নসহ গণহত্যা ও অন্যান্য অপরাধ করেছে এবং এখন তাদের প্রজন্ম নিরলসভাবে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপগ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।

    ভোট কারচুপি বিএনপির অভ্যাস উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভোট কারচুপি ও গণতন্ত্র ছিনতাইয়ের রেকর্ড তাদের আছে। ‘তবে, আমরা এখন তাদের কাছ থেকে গণতন্ত্রের ছবক শুনছি।’

    তিনি বলেন, ‘এখন সামরিক স্বৈরশাসকের হাতে গঠিত দলের কাছ থেকে আমাদের গণতন্ত্রের ছবক শুনতে হয়। ভোট কারচুপি করা তাদের অভ্যাস।

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের দল যথেষ্ট শক্তিশালী। দল যেন আরও শক্তিশালী হয়, আমাদের সেই পদক্ষেপ নিতে হবে।’

    বাংলাদেশের উন্নয়নের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর তার দল টানা ১৪ বছর ক্ষমতায় থাকায় এবং দেশে স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখায় এই উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে।

    বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশকে বদলে দিতে চেয়েছিলাম। আজ আমরা সফলভাবে পরিবর্তন করতে পেরেছি।’

    তিনি বলেন, ‘আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন গ্রামীণ এলাকায় দারিদ্র্যের হার কমেছে। ঢাকা শহরে দারিদ্র্যের হার বেশি হলেও গ্রামাঞ্চলে কম। কেউ অতীতে এটি ভাবতে পারেনি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ দেওয়ার অঙ্গীকার রক্ষা করেছে, কিন্তু ইউক্রেন যুদ্ধের পর বিশ্বব্যাপী পণ্যের দাম, পরিবহন খরচ, গ্যাস, জ্বালানি ও কয়লার দাম বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

    তিনি বলেন, বৈদেশিক ঋণের সুদের হার বাড়ানো হয়েছে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্র্রার রিজার্ভের  ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে।’ তবে, এখনও পাঁচ মাসের জন্য খাদ্য সংগ্রহের জন্য যথেষ্ট রিজার্ভ মজুদ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    তিনি স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি রপ্তানির জন্য কৃষি উৎপাদন বাড়াতে দেশের কোনো জমি অনাবাদি না রেখে সর্বত্র আবাদ করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

    শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে এবারও ধান ও অন্যান্য ফসলের ফলন ভালো হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার সম্প্রতি ৭৬১,৭৮৫ কোটি টাকার বৃহত্তম জাতীয় বাজেটের রেকর্ড করেছে। তিনি বলেন, অতীতে এত বড় বাজেট কেউ দিতে পারেনি এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল এই কঠিন সময়ে সরকার এত বড় বাজেট দিতে পেরেছে।

    তিনি বলেন, বাজেটে বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় সুবিধাভোগীর সংখ্যা এবং ভাতার আকার উভয়ই বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া সরকার একটি কার্ড সিস্টেমের ব্যবস্থা করেছে যাতে নিম্ন আয়ের লোকেরা তাদের ভোগান্তি লাঘব করতে ভর্তুকি মূল্যে চাল, ডাল এবং ভোজ্যতেলসহ কিছু প্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয় করতে পারে।

    সূত্র : বাসস

  • কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে: নসরুল হামিদ

    কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে: নসরুল হামিদ

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক:  চলমান লোডশেডিং-এর কারণে সারা দেশের মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে উৎপাদন ব্যবস্থায়। এই প্রেক্ষিতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ প্রতিমন্ত্রী তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বলেছেন, ‘চলমান তাপদাহ ও লোডশেডিংয়ের কারণে দেশের মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে, যা কাংঙ্খিত নয়, তবে খুব শিগগিরই জনজীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে আমরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছি… আশা করছি, কয়েক সপ্তাহের  মধ্যে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হবে।’ নসরুল বলেন, ‘লোডশেডিংয়ের পেছনে বেশ কিছু কারণ রয়েছে, যা সবার জানা উচিত। কোভিড-১৯ মহামারীর প্রভাব এবং পরবর্তীতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে ভয়াবহ অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে, তা আপনারা সবাই জানেন।’ নসরুল হামিদ বলেন, গ্যাস, কয়লা, ফার্নেস অয়েলসহ সব ধরনের জ্বালানির দাম আন্তর্জাতিক বাজারে আকাশচুম্বী হয়েছে, এমনকি বাজারে এর  প্রাপ্যতাও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘অন্যদিকে, ডলারের বিনিময় হার লাগামহীনভাবে বেড়েছে। এটি বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য গ্যাস, কয়লা এবং ফার্নেস অয়েলের মতো জ্বালানি আমদানিতে প্রভাব ফেলেছে, যার ফলে চলমান লোডশেডিং হচ্ছে।’

    তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে সরকার তার আন্তরিক প্রচেষ্টায় দেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এনেছে। দেশের বিদ্যুতের আগের পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে নসরুল হামিদ বলেন, ২০০৮ সালে মাত্র ৪৪ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ পেতো, যা এখন শতভাগ। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ‘তখন দেশবাসী দিনে কমপক্ষে ১৬-১৮ ঘন্টা লোডশেডিং ভোগ করেছে।’ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যুতের চাহিদার কথা মাথায় রেখে আমরা গত এক যুগে বিদ্যুতের উৎপাদন ৫ গুণেরও বেশি বাড়িয়েছি। বর্তমানে আমাদের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ২৭ হাজার ৩৬১ মেগাওয়াট (ক্যাপটিভ সহ)।’ উৎপাদন ক্ষমতার দিক থেকে বিদ্যুৎ বিভাগে কোনো অভাব নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তবে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা বাজারের ব্যাপক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার কারণে আমরা অপ্রত্যাশিত লোডশেডিংয়ের সম্মুখীন হচ্ছি।’

    নসরুল হামিদ বলেন, ‘আমি আপনাদের দুর্ভোগের জন্য দুঃখিত। আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই, চলমান পরিস্থিতি সাময়িক। আমরা খুব কম সময়ের মধ্যে একটি ভালো অবস্থানে ফিরে আসতে পারবো।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে, বাংলাদেশ বিভিন্ন স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করে বিদ্যুৎ খাতে ব্যাপক উন্নয়ন করেছে। এই দুর্ভোগ যত তাড়াতাড়ি সম্ভব লাঘব করতে সক্ষম হব।’

    সূত্র : বাসস

  • আগামীকাল ৭ জুন ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস

    আগামীকাল ৭ জুন ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক:  ১৯৬৬ সালের ৬ দফা দাবি এক দফা দাবিতে পরিণত করে বাংলার স্বাধীনতার আন্দোলনের ডাক দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেই ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবি সূচনা হয় ৭ জুন। বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হিসেবে গণ্য করে এই দিনটিকে বলা হয় ছয় দাফা দিবস। দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে আওয়ামীলীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন। এই দিনে দেশব্যাপী তীব্র গণআন্দোলনের সূচনা হয়।

    আগামীকাল ৭ জুন ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস। ১৯৬৬ সালের এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ৬ দফা দাবির পক্ষে দেশব্যাপী তীব্র গণআন্দোলনের সূচনা হয়।

    এই দিনে আওয়ামী লীগের ডাকা হরতালে টঙ্গি, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে তৎকালীন পুলিশ ও ইপিআর-এর গুলিতে মনু মিয়া, শফিক ও শামসুল হকসহ ১১ জন বাঙালি শহীদ হন। এরপর থেকেই বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আপোসহীন সংগ্রামের ধারায় ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের দিকে এগিয়ে যায় বাঙালি জাতি।

    প্রতিবছরের মত এবারও যথাযোগ্য মর্যাদায় বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হবে। ঐতিহাসিক এই দিনটি উপলক্ষে আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহন করেছে।

    আওয়ামী লীগের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আগামীকাল সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু ভবন, কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও দেশব্যাপী আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন।  সকাল ৭ টায় বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হবে। এছাড়াও  এদিন  বিকাল সাড়ে তিনটায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করবেন।

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি তাসখন্দ চুক্তিকে কেন্দ্র করে লাহোরে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের সাবজেক্ট কমিটিতে ৬-দফা উত্থাপন করেন এবং পরের দিন সম্মেলনের আলোচ্য সূচিতে যাতে এটি স্থান পায় সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেন। কিন্তু, এই সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুর এ দাবির প্রতি আয়োজক পক্ষ গুরুত্ব প্রদান করেনি। তারা এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে। প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু সম্মেলনে যোগ না দিয়ে লাহোরে অবস্থানকালেই ৬-দফা উত্থাপন করেন। এ নিয়ে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের বিভিন্ন খবরের কাগজে বঙ্গবন্ধুকে বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা বলে চিহ্নিত করা হয়। পরে ঢাকায় ফিরে বঙ্গবন্ধু ১৩ মার্চ ৬-দফা এবং এ ব্যাপারে দলের অন্যান্য বিস্তারিত কর্মসূচি আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদে অনুমোদন করিয়ে নেন।

    ৬-দফার মূল বক্তব্য ছিল, প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয় ছাড়া সকল ক্ষমতা প্রাদেশিক সরকারের হাতে থাকবে। পূর্ববাংলা ও পশ্চিম পাকিস্তানে দু’টি পৃথক ও সহজ বিনিময়যোগ্য মুদ্রা থাকবে। সরকারের কর, শুল্ক ধার্য ও আদায় করার দায়িত্ব প্রাদেশিক সরকারের হাতে থাকাসহ দুই অঞ্চলের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার আলাদা হিসাব থাকবে এবং পূর্ববাংলার প্রতিরক্ষা ঝুঁকি কমানোর জন্য এখানে আধা-সামরিক বাহিনী গঠন ও নৌবাহিনীর সদর দফতর স্থাপন করতে হবে।

    এদিকে, ৬-দফা কর্মসূচি জনগণের মাঝে পৌঁছে দেয়ার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সমগ্র পূর্ববাংলা সফর করেন এবং ৬ দফাকে বাঙালির বাঁচার দাবি হিসেবে অভিহিত করেন। তৎকালীন সামরিক শাসক আইয়ুব খান বিচলিত হয়ে পড়েন। তিনি হুমকি দিয়ে বলেন, ৬-দফা নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে অস্ত্রের ভাষায় উত্তর দেয়া হবে। যশোর, ময়মনসিংহ ও সিলেটসহ অন্যান্য কয়েকটি স্থানে ৬ দফার পক্ষে প্রচারকালে বঙ্গবন্ধু গ্রেফতার হন।

    পরবর্তী সময়ে ঐতিহাসিক ৬ দফাভিত্তিক নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনই ধাপে ধাপে বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামে পরিণত হয়। এ দাবির সপক্ষে বাঙালি জাতির সর্বাত্মক রায় ঘোষিত হয় ১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক সাধারণ নির্বাচনের মধ্যদিয়ে। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বাঙালিরা বিজয়ী করে।

    অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধুর দলকে জনগণ বিজয়ী করলেও স্বৈরাচারী পাকিস্তানের শাসকরা বিজয়ী দলকে সরকার গঠন করতে না দিলে আবারো বঙ্গবন্ধু জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে স্বাধীনতার পক্ষে আন্দোলন শুরু করেন। এরই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের।

    সূত্র : বাসস

  • মুরগির মাংসের তেহারি

    মুরগির মাংসের তেহারি

    উপকরণ:

    মুরগি ১ কেজি, পোলও এর চাল-আধা কেজি, তেল-১কাপ, টকদই- ২ টেবিল চামচ, পিয়াজ কুচি-১কাপ, আদা বাটা-১টেবিল চামচ, রসুনবাটা -১চা চামচ, জয়ফল ছোট-১টা, জয়এী গুড়া-আধা চা চামচ, শাহ জিরা-আধা চা চামচ, শাহ মরিচ -আধা চা চামচ, এলাচ-৫টা, দারচিনি-৫টুকরা, লবন-স্বাদ মতো, চিনি স্বাদ মতো, শুকনা মরিচ গুড়া-১চা চামচ, দুধ-১কাপ, পিয়াজ বেরেস্তা-১কাপ, বাদাম কুচি-১টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ -৫/৬টি, পিয়াজ বাটা-২টেবল চামচ।

    মুরগির মাংসের তেহারি

    প্রনালি:

    প্রথমে পোলাও এর চাল ভালোভাবে ধুয়ে পানি ঝরাতে হবে। মুরগি ছোট টুকরো করে কেটে পরিস্কার করে  পানি ঝরিয়ে  লবন মেখে অল্প তেলে  ভেজে নিতে হবে।   চুলায় কড়াই তে বাকী তেল গরম করে পিয়াজ বাটা আদা রসুনসহ সব মসলা ও টক দই দিয়ে  ভালো ভাবে মিশিয়ে অল্প পানি দিয়ে মসলা কসিয়ে  ভাজা মুরগি দিয়ে কিছু সময়  রান্না করতে হবে মুরগির মাংস সিদ্ধ হওয়া পরযন্ত। পোলাও এর চাল ৭০-৮০% সিদ্ধ করে পানি ঝড়িয়ে নিতে হবে। সিদ্ধকরা চাল মুরগির সঙ্গে মিশিয়ে দমে দিতে হবে। দুধ ও বাদামও বেরেস্তা ও চিনি দিতে হবে, আস্ত  কাচা মরিচ দিয়ে  ঢেকে দিতে হবে। পনেরো মিনিট দমে রেখে নামিয়ে নিতে হবে। গরম গরম পরিবেশন করতে হবে মজার স্বাদের  মুরগির তেহারি।

    রেসিপি দিয়েছেন: শায়লা আখতার কাকলী।